16/07/2026
📍 নাটোর পিটিআই: আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণে এলজিইডির সফল উদ্যোগ
Primary Education Development Program (PEDP-4) এর আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নাটোর পিটিআই-এ নির্মাণ করেছে ৫ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন।
আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও যুগোপযোগী নকশায় নির্মিত এই ভবন শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য একটি উন্নত ও মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করবে। প্রশস্ত একাডেমিক স্পেস, আধুনিক প্রশাসনিক সুবিধা এবং কার্যকর অবকাঠামো শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উন্নত শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এলজিইডি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
15/07/2026
এডিবি ও এএফডি ঋণ পর্যালোচনা মিশনের সঙ্গে আইইউজিআইপি প্রকল্পের কিক অফ সভা অনুষ্ঠিতঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন Improving Urban Governance and Infrastructure Program (IUGIP) এর আওতায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ও ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (AFD)এর ঋণ পর্যালোচনা মিশনের সঙ্গে Kick-off Meeting & Technical Discussion আজ এলজিইডি ভবনের লেভেল-৪ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় এডিবি ও এএফডির প্রতিনিধিদল, এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইইউজিআইপি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
দিনব্যাপী কারিগরি ও ব্যবসায়িক অধিবেশনে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, সক্ষমতা উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা নকশা ও তদারকি, ডিপিপি ও পিআইডি সংক্রান্ত বিষয়, অর্থছাড়ের লক্ষ্যমাত্রা, পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি (GESI) বিষয়ক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আধুনিক নগর অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এলজিইডি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
14/07/2026
সংবাদ প্রকাশের আগেই ব্যবস্থা: নীলফামারীতে ধসে যাওয়া অ্যাপ্রোচ সড়ক দ্রুত সচল করেছে এলজিইডি
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বেলতলী বাজার সংলগ্ন সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের একটি অংশ টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), নীলফামারী জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এলজিইডির প্রকৌশলী ও কারিগরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিরূপণ করে। পরবর্তীতে বালুর বস্তা ,মাটি ভরাট, কম্প্যাকশনসহ প্রয়োজনীয় জরুরি সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে অ্যাপ্রোচ সড়কটি পুনরায় যান চলাচলের উপযোগী করা হয়। ফলে স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হয় এবং সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের আগেই এলজিইডি নীলফামারী জরুরি সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে যান চলাচল সচল করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বর্ষাকালে এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতি স্থায়ীভাবে প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তাব প্রস্তুত করে এলজিইডি সদরদপ্তরে বরাদ্দের জন্য চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
এলজিইডি নীলফামারী জানায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত কারণে সৃষ্ট যেকোনো অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে এলজিইডি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ বজায় রাখতে এলজিইডি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
09/07/2026
দৃষ্টিনন্দন ২৮২ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতু বদলে দিচ্ছে টাঙ্গাইলের বাসাইলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।
টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলাধীন করটিয়া-জশিহাটি ভায়া দেওলি সড়কের ২৬০০ মিটার চেইনেজে ঝিনাই (পুংলি) নদীর উপর নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ২৮২ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার সেতু।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত 'পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ' প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই আধুনিক সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, বরং এলাকার নান্দনিক সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে।
সেতুটি চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সংযোগ আরও গতিশীল হবে, যা এলাকার সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে টেকসই, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণে এলজিইডি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
06/07/2026
জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
ঢাকা, ৫ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জনসেবামূলক বিভিন্ন খাতে জাইকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রোববার (০৫ জুলাই) সচিবালয়ে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাইকার চলমান এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে চান। আমরা সবাই তাঁর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে জাইকার অভিজ্ঞতা, কারিগরি সহায়তা ও বিনিয়োগ দেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোঃ মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও জাইকার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করবে এবং স্থানীয় সরকার খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।
02/07/2026
আগৈলঝাড়ার রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার ব্রিজ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য: মূল ব্রিজে নয়, স্থানীয়দের নির্মিত অ্যাপ্রোচ অংশে বাঁশের ব্যবহার পাওয়া গেছে
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার একটি ব্রিজে "রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন সরেজমিনে তদন্ত করে ব্রিজের একটি অংশ অপসারণ করে পরীক্ষা করলে প্রকৃত চিত্র উঠে আসে।
তদন্তে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কারিগরি সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা প্রকৌশলী। অপসারণের পর দেখা যায়, বাঁশের ব্যবহার পাওয়া গেছে ব্রিজের মূল কাঠামোতে নয়, বরং ব্রিজে ওঠার সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) অংশের প্রায় আড়াই থেকে তিন ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ঢালাই অংশে।
উপজেলা প্রকৌশলীর দেওয়া তথ্যমতে, ব্রিজটির মূল স্ট্রাকচার গত অর্থবছরে নির্মিত হয়। চলতি অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব (১% বরাদ্দ) অর্থায়নে কেবল স্ল্যাব নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্ল্যাবের মূল ব্রিজ অংশে নকশা অনুযায়ী রড ব্যবহার করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ব্রিজে ওঠার আগে সংযোগস্থলে প্রায় আড়াই থেকে তিন ফুট ফাঁকা অংশ থেকে যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্ষাকালে সেখানে মাটি দিলে কাদা হয়ে চলাচলে সমস্যা হবে বিবেচনায় তারা নিজের উদ্যোগে বাঁশের চেরা ব্যবহার করে ওই ছোট অংশে ঢালাই করে, যাতে সহজে ব্রিজে ওঠানামা করা যায়। এই অংশটি মূল ব্রিজের কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত নয়।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন ঘটনাটি তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অংশ অপসারণ করে পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, অ্যাপ্রোচ অংশে বাঁশ ব্যবহার করা হলেও ব্রিজের মূল স্ট্রাকচারে রডই রয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংশ্লিষ্ট কাজের কোনো বিলও পরিশোধ করা হয়নি। ফলে কাজের গুণগত মান যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর বক্তব্য হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদে যে ধারণা তৈরি হয়েছে "মূল ব্রিজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে" সরেজমিনে পরীক্ষা নিরীক্ষায় তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। বাঁশ ব্যবহৃত অংশটি ছিল স্থানীয়দের নির্মিত সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) অংশ, মূল ব্রিজের আরসিসি কাঠামোতে রড ব্যবহার করা হয়েছে।
তাই বিষয়টি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে মূল ব্রিজের কাঠামো এবং স্থানীয়ভাবে নির্মিত অ্যাপ্রোচ অংশ এই দুইটির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
02/07/2026
সেতু নির্মাণে গতি আনতে ম্যানেজমেন্ট মিটিং অনুষ্ঠিতঃ
এলজিইডি বাস্তবায়নাধীন “পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত)” প্রকল্পের আওতাধীন বিভিন্ন জেলার সেতু নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রকল্পের ম্যানেজমেন্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধীর অগ্রগতি ও সমস্যা চিহ্নিত করে ১৬ ব্রীজের বিষয়ে সভায় সার্বিক আলোচনা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার এলজিইডি সদর দপ্তরের লেভেল-৪ এ সকাল ১০:০০টা থেকে দুপুর ১:৩০টা পর্যন্ত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আসমা বেগম এবং প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম মজমুদার। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী, সিনিয়র কনসালটেন্টবৃন্দ, ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারগন অংশগ্রহণ করেন।
সভায় প্রকল্পের চলমান কাজের অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
30/06/2026
জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো ও টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আরও একধাপ এগিয়ে এলজিইডি।
এলজিইডির অধীন ‘জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর পরিবেশের প্রভাব নিরূপণ (EIA) সংক্রান্ত খসড়া প্রতিবেদন চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে অংশীজনদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ বেলাল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ ইনামুল কবীর। আলোচনায় প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব, টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়।
30/06/2026
জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (KMS) তৈরিতে এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্ট (CRIMP)-এর আওতাধীন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (CRILIC) আয়োজিত নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (KMS)-এর Software Requirements Specification (SRS) প্রণয়ন এবং Software Analysis & Design (SAD) বিষয়ক দুটি কর্মশালা ২৯ জুন এলজিইডি সদর দপ্তরের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সঠিক তথ্য ও জ্ঞানের সুপরিকল্পিত ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, CRILIC-এর Knowledge Management System (KMS) প্রকৌশলী, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি আধুনিক ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও CRILIC-এর পরিচালক মোঃ আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, একটি টেকসই সফটওয়্যারের ভিত্তি হলো সঠিক অ্যানালাইসিস ও নিখুঁত ডিজাইন। এই কর্মশালায় চূড়ান্ত হওয়া SRS ও SAD ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী, ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর ডেটাবেজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এলজিইডির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও সহায়ক হবে।
কর্মশালায় নিযুক্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাডি সফট লিঃ-এর প্রতিনিধিরা নলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সফটওয়্যার উন্নয়ন পরিকল্পনা, SRS ও SAD বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে সিস্টেমটিকে আরও কার্যকর, ব্যবহারবান্ধব ও টেকসই করার বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী, CRIMP-CRILIC-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন।