হালাল প্রেম : কৈশোরের বিশুদ্ধ ভালোবাসা

হালাল প্রেম : কৈশোরের বিশুদ্ধ ভালোবাসা

Share

দুজনের পারস্পারিক ভালোনাসার জন্য বিয়

07/06/2020

[] আপনি কি এই সমাজ ব্যবস্থা আর অভিভাবকদের অবহেলার কারনে আপনার যৌবন নষ্ট করতে চান?

আমাদের সমাজ ব্যবস্থার কারনে একজন যুবক ছেলের যৌবনের পুরোটা সময়ই এখন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ২৫-৩০ এর আগে কোনো যুবকই বিবাহ করতে পারছে না। এটা যেমন বাবা মায়ের অবহেলার কারনে তেমনি এর পিছনে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থা দায়ী।

অনেক ভাই শত চেষ্টা করেও বিয়ে করতে পারছেন না।তারা এক প্রকার হাল ছেড়ে দিয়েছেন।বিয়ের প্রতি অনেকের আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

আবার কিছু ভাই প্রেম করছেন- বা হারাম উপায়ে নিজের যৌন কামনা মিটাচ্ছেন।


এই সমাজে প্রেম করা সহজ- আবার ১৪ বছরের কোনো মেয়েকে রাজি করিয়ে খুব সহজেই ডার্করেস্টুরেন্টে যেতে পারেন - এটা আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ না। আবার এখনকার যুগে এটা বিয়ের তুলনায় খুবই সহজ।

অনেক ভাই- হয়তো কাউকে মনে মনে পছন্দ তো করেন- কিন্তু বাবা মায়ের অসম্মতির কারনে পরস্পরে বৈধ ভাবে একত্রিত হতে পারছেন না।

ভাই আমার কেন এই মুল্যবান যৌবনকালটা আপনি নষ্ট করছেন?? কেন এই সমাজ আর পরিবারের জন্য আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে মুল্যবান সময়টাকে হেলায় কাটিয়ে দিচ্ছেন বা কবিরা গুনাহ এর কারনে নিজের যৌবনকালকে কলঙ্কিত করছেন??

প্রেম ভালোবাসার জন্য যৌবন কাল থেকে উত্তম কোনো সময় আর হতেই পারে না।এই সময়ই একটা মেয়ে সবচেয়ে সুন্দরী রুপে আবির্ভূত হয়- একটা যুবকের শারিরিক সুস্থতা ও স্বামর্থ থাকে তার জীবনের অন্য যে কোনো সময়ের থেকে বেশি।

যারা বিয়ে করা ব্যতিত গুনাহের আশঙ্কা করছেন- কিংবা গুনাহে জরিত- যেমন হস্তমৈধন করা- এটা কবিরা গুনাহ- পর্ন দেখা বা বিভিন্ন অশ্লীল গল্প পড়া- এসব যাদের মাঝে মাঝেও হয়ে যায়- তাদের জন্য বিয়ে করা ফরজে আইন।

বাবা মা বিয়ে না করে নিজেই বিয়ে করে নিতে হবে।

যারা প্রেম করতেছেন- আমি তাদের পরামর্শ দিবো ভাই- দুজন সাক্ষির সামনে ইজাব কবুল করুন।যাস্ট প্রোপজ করার মতো..

আমি তোমাকে বিয়ে করলাম- তুমি কি এতে রাজি আছো??

বালিকা যদি হাসতে হাসতে লজ্জিত মুখে বলে দেয়- হ্যা প্রিয়তম।

আর এই কথোপকথন যদি হয় দুজন মুসলিম বালেগ পুরুষ বন্ধুর সামনে - তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে আপনারা আজ থেকে বৈধ স্বামীস্ত্রী।

এবার প্রেম করুন- ঘুরুন- এক সাথে আড্ডা দিন - রাতভর কথা বলুন- চ্যাটিং করুন।একে অপরকে স্পর্শ করুন। কোনো সমস্যা নাই।

যৌবনে যার প্রেম হয় না তার জীবনটা আসলে বৃথা- তাই প্রেম করুন তবে বিয়ে করে।

▪ বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন ( )

13/03/2020

আমার চোখে... তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে রূপসী কন্যা।সবচেয়ে মায়াবী প্রেমিকা.💃

- তাই বুঝি?

-হ্যা তাই!

-কিন্তু তা কেমন করে সত্যি হয়! পৃথিবীর এত এত সুন্দরি নারীদের মাঝে তো আমি তুলনাযোগ্যই হবো না বোধ হয়! ☺

-যে প্রেমিক ঘর থেকে তার রুপবতী বউ এর মায়াবী মুখ দেখে বের হয়- রাস্তায় চোখ নিমজ্জিত রাখে - অন্যান্য নারীদের থেকে নিজের দৃষ্টিকে হেফাজত করে- আবার ঘরে এসে সেই রুপবতীকেই দেখে নয়ন জুরায়- তার জন্য তার স্ত্রীই সবচেয়ে বেশি সুন্দর হবে - এটাই তো সত্যি হওয়ার কথা তাই না প্রিয়তমা ??

28/02/2020

সুখ ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেয়ার বিষয় নয়। বরং এটি বর্তমানের জন্য।

যৌবন হারিয়ে গেলে কি আর যৌবন পাবেন?

প্রেম করুন! তবে হালাল ভাবে।বিয়ে করে।

মুসলিম হিসেবে হারাম প্রেমকে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ের মাধ্যমে হালাল প্রেম উপভোগটাও হোক কাফেরদের মুখে একটা চাপেটাঘাত।

25/02/2020

যুবকদের দ্বীনে ফেরার পথে সবচেয়ে বড় যে প্রতিবন্ধকতা, সেটা হলো হারাম রিলেশনশিপ।

-আরিফ আজাদ
বই: বেলা ফুরাবার আগে❤

23/02/2020

একটা ফুল - হাজারও ভুলের বার্তা নিয়ে তোমার দুয়ারে প্রেম রুপে এসে কড়া নাড়তে পারে।যদি ভুল করেও ছুয়ে দেখো সে ফুল- ভেসে যাবে ভুলের মাঝে।কৈশোরের কৌতুহলি মন চাইবে কোনো প্রেমিকের দেখা পেতে- মন কল্পনা করবে কোনো প্রিয়তমের কাছ থেকে প্রিয়তমা ডাকটা শুনতে- কিন্তু ভাবো- হারাম ভাবে অবৈধ প্রেমের সাগরে যদি একবার ডুবে যাও তোমার আর রক্ষা নেই। তুমি বাকিটা জীবন কাটাবে এই ভুলের মাশুল দিতে দিতে - সামান্য কিছুদিনের ভালোবাসার আবেগি হাওয়াই তোমাকে আগুনের হাওয়া হয়ে জ্বালিয়ে পুরিয়ে ছারখার করে দিবে বাকিটা জীবন।

আজকে যে পুরুষ তোমার দুয়ারে প্রেমের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হচ্ছে- তাকে তুমি বিয়ে করার জন্য বলো- সে যদি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে তবে রবের হুকুম মেনেই সে তোমাকে বৈধভাবে ভালোবাসবে।তার অবৈধ প্রেমের আহবানে তুমি সাড়া দিও না...মেয়ে..

ফুল নেয়া ভাল নয় মেয়ে।
ফুল নিলে ফুল দিতে হয়, –
ফুলের মতন প্রাণ দিতে হয়।
যারা ফুল নিয়ে যায়,
যারা ফুল দিয়ে যায়,
তারা ভুল দিয়ে যায়,
তারা কুল নিয়ে যায়।
তুমি ফুল, মেয়ে! বাতাসে ভাঙিয়া পড়
বাতাসের ভরে দলগুলি নড়নড়।
ফুলের ভার যে পাহাড় বহিতে নারে
দখিনা বাতাস নড়ে উঠে বারে বারে।
ফুলের ভারে যে ধরণী দুলিয়া ওঠে,
ভোমর পাখার আঘাতে মাটিতে লোটে।
সেই ফুল তুমি কেমনে বহিবে তারে,
ফুল তো কখনো ফুলেরে বহিতে নারে।

[কবিতা-জসীমউদ্দিন]

22/02/2020

গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটা ভিডিও ভাইরাল হইছে।মেয়ে ছেলেকে প্রোপজ করেছে- ছেলে তার প্রস্তাব গ্রহন করে আংটি পড়িয়ে দিয়েছে। এরপর সবার সামনেই একে অপরকে জরিয়ে ধরেছে।ভিডিও গুলো দেখলেই বোঝা যায় এগুলা পুর্বপরিকল্পিত।

আজকে একই স্টাইলের একটা ভিডিও আসলো সামনে।তবে আগের গুলোর থেকে এটায় বেশ পার্থক্য আছে। আগের মেয়ে গুলোর মতো খোলা চুল কিংবা শুধু স্কুল ড্রেস পড়া না।আজকের মেয়েটা সম্পুর্ন কালো বোরকায় ঢাকা।চোখ দুটো শুধু বেড়িয়ে আছে! হাতে মুজাও দেয়া আছে। দেখেই বোঝা যায় এটা কোনো ধার্মিক বাবা মায়ের বিগড়ে যাওয়া কন্যা।হয়তো কেউ দেখলে মনে করবে মেয়ে বড় দ্বীনদারও বটে।

ভিডিওটা দেখার পর কিছুক্ষন স্তব্ধ ছিলাম।এটা ঐ মেয়ে ছেলের প্রকাশ্য প্রোপজের কাহিনী দেখে না।আমি পর্দার বেইজ্জতি দেখলাম সে জন্য।

সত্য বলতে কি যখন কোনো ছেলে সুন্নতি দাড়ি রাখে - এরপর বিড়িতে সুখ টান দেয় সবার মাজে তখন এটা সাধারন ব্যক্তিদের থেকে অনেক অনেক বেশি অশ্লীল দেখায়।দ্বীনদার মানুষ যখন প্রকাশ্য পাপাচারে লিপ্ত হয় তখন মনেই হয় সে সাধারন ব্যক্তিদের থেকে বেশি ভন্ড।

মনে রাখুন- দাড়ি হলো আপনার দ্বীনদারিতার একটা সার্টিফিকেট। এই সুন্নতি দাড়ি রেখে আপনি সাধারন মুসলমানদের থেকে আলাদা হোন।এই দাড়ি রেখে যখন আপনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রসাব করবেন কিংবা সিনেমা হলে যাবেন কিংবা রাস্তায় মেয়েদের টিচ করবেন বা পার্কে গিয়ে মেয়ে নিয়ে বসবেন এর অর্থ হলো যে ছেলেটা দাড়ি রাখে না তার থেকে আপনি বড় ভন্ড।আপনার মাঝে ইজ্জত, আত্মমর্যাদাবোধ কিংবা লজ্জা কিছুই নেই।আপনার এই দাড়ি রাখাটাও দ্বীনের জন্য না এটা স্পষ্ট হয় তখন।

তেমনি মুসলিম নারীদের পর্দা হলো তার দ্বীনদারিতার সার্টিফিকেট। তার পবিত্রতার সার্টিফিকেট। এই পর্দা তার লজ্জাশীলতা তার সতীত্বের প্রমান বহন করে।যে মেয়ে পর্দা করে এর অর্থ হলো সে দ্বীনদার মেয়ে।এই পর্দাই তার মাঝে এক আত্মমর্যাদাবোধ তৈরি করে।যে কারনে অন্যান্য বেপর্দা মেয়েদের মতো সে কথা বলতে পারে না।সে বেহায়াপনা করতে পারে না।ছেলেদের সাথে হাসিঠাট্টা করতে পারে না।অন্তত পক্ষে হৃদয়ে যদি আল্লাহর ভয় নাও থাকে তারপরও লোকলজ্জার ভয়ে সে প্রকাশ্য গুনাহ থেকে বেচে থাকার চেষ্টা করে।কিন্তু যখন লোকলজ্জার ভয়টাও আর থাকে না তখন?? তখন এই মেয়ের থেকে খারাপ নষ্ট আর কোনো মেয়ে হতে পারে না.!

যে মেয়ে পর্দা করে না তার মাজে দ্বীনের কোনো বুঝ নাই।একদিন আশা করা যায় বুঝলে এসব বেহায়াপনা ছাড়বে।কিন্তু যে মেয়ে দ্বীনের লেবাস পড়েই প্রকাশ্য বেহায়াপনা করে বেড়ায় তার ব্যাপারে কি আশা করা যায়??

অনেক বেপর্দা মেয়ের ভিতরে অন্ততপক্ষে লোকলজ্জার ভয় কাজ করে।ফলে এরাও মানুষের সামনে প্রেম ট্রেম করে বেড়ায় না।প্রেম করলেও যথাসম্ভব গোপনে করে।কাউকে জানতে দেয় না।

কিন্তু ঐ মেয়ের ব্যাপারে আপনি কি বলবেন যে মেয়ে দ্বীনদার সেজে আছে কিন্তু যার মাজে লোকলজ্জার ভয়টুকুও নাই..?

ভালোবাসা চীরদিন একই ভাবে থাকেনা।আজকে হয়তো কাউকে খুব ভালো লাগতে পারে কিন্তু দশদিন পরে অন্য কাউকে ভালো লাগাটা অস্বাভাবিক না।কালকে যদি এই মেয়ের অন্য কাউকে ভালো লাগে তাহলে তার সাথে রিলেশন করতে তো সে ভয় করবে না..! আজকে প্রকাশ্যে লোকদের মাজে যে আপনাকে জরিয়ে ধরলো যার মধ্যে নুন্যতম লোকলজ্জার ভয় নাই তাকে এই বোরকা পড়া অবস্থায় কিভাবে বিশ্বাস করেন?? এর মাজে তো আল্লাহর ভয় নাই এমনকি লোকে কি বলবে এই অনুভুতিটতুকুও নাই।এর মাজে তো লজ্জা আত্মমর্যাবোধ কিছু নাই।যার মাজে লজ্জা নাই সে তো বিয়ের পর ভিন্ন পুরুষের সাথে রিলেশন করতে একটুও ভাববে না! আপনি কিভাবে বিশ্বাস করেন?

একটা কথা বলি ভাই! যে মেয়ের মাঝে লজ্জাবোধ আছে পর্দা না করলেও এই মেয়ে বিশ্বস্ত।কিন্তু পর্দা করেও যে মেয়ে রাস্তাঘাটে নষ্টামি করে বেড়ায় সে বেশ্যাদের থেকে কম খারাপ না।

আগের যুগে মেয়েরা প্রেম করলেও গোপনে করতো।গল্প উপন্যাস গুলো দেখেন তারা কতটা গোপনিয়তা বজায় রাখতো।প্রেমিক প্রেমিকার প্রেম যদি গোপন না থাকে তাহলে সেটাকে কি আর প্রেম বলে??

রাস্তাঘাটে যারা অশ্লীলতা করে বেড়ায়- তাদের মাজে আর ভাড়াটে পতিতাদের মাজে পার্থক্য রইলো কি? বরং তারা তো পতিতাদের থেকেও খারাপ।কারন পতিতারাও রাস্তাঘাটে এসব করে বেড়ায় না।

মনে রাখবেন যারা যতবেশি প্রেম জাহির করতে চায়- যতবেশি প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে তাদেরই দুদিন পর আর রিলেশন থাকে না।এসব অধিকাংশ ছেলে মেয়েরাই মানুষিক রোগে আক্রান্ত হয়।দিনশেষে কেউ ভালো থাকে না।

মনে রাখবেন যদি ছেলে/মেয়েদের মধ্যে হায়াবোধ চলে যায় তবে প্রথম যেটা হবে সেটা হলো পারস্পারিক অবিশ্বাস।যার ফলাফল একে অপরের প্রতি ঘৃনা এবং বিচ্ছেদ।


মুসলমানদের প্রেম করার তরিকা হলো বিয়ে করা।এবং গোপনীয়তা বজায় রাখা।স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে কারো সাথে আলোচনা না করা।

যে পুরুষ স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার পর - এসব কথা বলে বেড়ায়- তাদের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো পুরুষ নাই।

আজকে মুসলমান হয়েও তোমাদের মাজ থেকে হায়াবোধ চলে গেছে।তোমরা এই প্রকাশ্য অশ্লীলতাকে আর যাই বলো প্রেম আমি বলতে পারি না। আমি বলি নষ্টামী।

16/02/2020

কাউকে ভালোবাসার অধিকার আমার আছে। কাউকে দেখে ভালো আমার লাগতেই পারে..! দু-লাইনের কবিতাও আমি কারো জন্য লিখতেই পারি। কিন্তু তাই বলে তো কাউকে আগুনে নিয়ে পোড়াবার অধিকার তো আমার নেই..!

কোনো রমনীর রুপগুনে মুদ্ধ হয়ে যাওয়াটা পুরুষের স্বভাব।যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন তিনিই নারীর মাঝে দিয়েছেন আকর্ষনীয় এক রুপ - দিয়েছেন মায়া মমতা -নারীর মাঝেই তিনি দিয়েছেন পুরুষের জন্য অনাবিল প্রশান্তি ।

তিনি পশুদের মতো মানবসমাজে এটা নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অনুমতি দেননি। তিনি মানুষের জন্য দিয়েছেন সুনির্দিষ্ট এক নীতিমালা ও বিধিবিধান। সবাইকে মান্য করার হুকুম দিয়েছেন।অমান্য করলে শাস্তির নির্ধারন করে রেখেছেন।

সেই মহান রবই বলেছেন- আমার চক্ষুকে নিমজ্জিত রাখতে । সেই মহান রবই হুকুম দিয়েছেন কারো রুপে যদি মুদ্ধ হয়ে পড়ি তবে বিয়ে করে নিতে । মহান রবের প্রেরিত রাসুল মুহাম্মদ (সা:) বলেছেন : দৃষ্টি হলো শয়তানের বিষাক্ত তীর। হে যুবকেরা বিয়ে করো। কারন বিয়ে তোমার দৃষ্টি নিমজ্জিত রাখতে সাহায্য করবে। তোমার লজ্জাস্থান হেফাফত রাখবে।

আমার উৎসুক মন যখন কোনো রমনীর রুপ দেখার জন্য আনচান করে উঠে সেই বয়সটার নামই বয়ঃসন্ধিকাল। এই বয়সেই কত যুবক স্কুল কলেজের সামনে গিয়ে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে শুধুমাত্র পছন্দের রমনীকে দেখার উদ্দেশ্যে..!

এই বয়সই আমাকে বিভিন্ন হারাম কাজে উৎসাহিত করে- হস্তমৈথুন সহ অনেক হারাম কাজ আমাকে আহবান করতে থাকে..!

কৌতূহলী মন তখন আর কারো বাধা মানতে চায় না.!
তখন একজন প্রিয়তমার খোজে সে অস্থির হয়ে পড়ে..!

ঘণকালো মেঘবিশিষ্ট কেশবতীর চুলের মাঝে হাত বুলাতে কেমন আনন্দ! প্রিয়তমার হাতে হাত রেখে চোখের পানে তাকিয়ে থাকার স্বাদটা কেমন তা বোঝার জন্য।।কেমনই বা অনুভুতি রয়েছে প্রেয়সির হাতের স্পর্শে তা জানার জন্য কৈশোরের ব্যাকুল মন ছটফট করতে থাকে।

যখন কাউকে ভালো লাগে ভালোবাসতে মনচায় প্রান উজার করে সেসময় আমার রব আমাকে হুকুম দিয়েছেন ‘বিয়ে করে নাও তাকে ’ আমার প্রিয়নবী (স:) আমাকে আদেশ করেছেন ‘বিয়ে করে নাও'’।

হ্যা আমার এই ভালোলাগাটা পর্যন্ত অপরাধ নয়- কিন্তু ভালোলাগার পর তাকে ভালোবাসতে আমার বিয়ে পদ্ধতি গ্রহন করতে হবে। তার কাছাকাছি যেতে আমাকে বিয়ে করে নিতে হবে। কারন ভালোবাসার একমাত্র পদ্ধতি বিয়ে। রাসুল (স:) বলেছেন "দুজনের পারস্পারিক ভালোবাসার জন্য বিয়ের বিকল্প নেই ''

যদি আমরা বিয়ে করি তবে যাকে ভালোবাসবো তার জন্যও এটা কল্যানকর। আর আমার নিজের নফসের উপরেও এটা ইনসাফ। পাশাপাশি আমার বাবা মায়ের প্রতিও এটা ভালোবাসার প্রমান।

কারন আমার বাবা মাকে আমার রব আগেই নির্দেশ দিয়েছেন "অবিবাহিতদের বিয়ে দাও''। আমার রাসুল (স:) বলেছেন "সন্তানের অন্যতম হক হলো বয়ঃসন্ধিকালে পদার্পনের পর তার বিয়ের ব্যবস্থা করা "। প্রিয়নবী (স:) আরো বলেছেন :- সন্তান বালেগ /বালেগা হলে যদি পিতা তার বিয়ের ব্যবস্থা না করে তবে সন্তানের সমস্ত গুনাহ পিতার আমলনামায় যুক্ত হবে "

হয়তো আমার বাবা মা আজকে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করতে বিলম্ব করছেন - হয়তো আমার যৌবনকাল অতিবাহিত হয়ে যাবে তারা আমাকে ছোটোই মনে করবেন।কিন্তু তাই বলে তো আমি নিষ্ঠুর হতে পারি না।

আমি আজকে মুদ্ধ হয়েছি কোনো নারী রুপে। আমার মন আশক্ত হয়ে পড়েছে তার প্রেমে। হয়তো গোপন ভাবে তার সাথে প্রেম করার সুযোগ আমার আছে। পৃথিবীর হয়তো কেউ জানবেনা আমাদের দুজনের এই পাপাচারের কথা। কিন্তু মহান রব ঠিকই তার অবাধ্য হওয়ার কারনে আমার জন্য শাস্তি নির্ধারন করে রাখবেন।

শুধু কি আমার জন্য?? যার জন্য আমি আজ পাগল. প্রেমের নেশায় দিশেহারা- সেই প্রিয়তমাকেও সেদিন জাহান্নামের আগুনে পুড়তে হবে..!যাকে ভালোবাসার দাবি করি!পৃথিবীর সমস্ত সুখ হাতের মুঠোয় করে তার পদতলে রেখে দিবো বলে তাকে কাল্পনিক কথায় মুদ্ধ করি সেই তাকেই আমার জন্য - আমার মন ভোলানো ভালোবাসার অভিনয়ের জন্য আগুনে পুড়তে হবে..!

আমি অন্যকে ভালোবাসার দাবি করলেও নিজের নফসের উপর জুলুম করে তাকেও জাহান্নামি বানাচ্ছি- আমি তো নিজেই নিজেকে ভালোবাসার ক্ষমতারাখি না। অন্যের প্রতি ভালোবাসার দাবি মিথ্যা ছাড়া আর কি??

যেই বাবা মা ছোট থেকে এত এত ভালোবাসা দিয়ে আমাকে বড় করলো! এখনও যেই বাবা আমার জন্য কষ্ট করে দিনরাত..! তার জন্যও আমি গোপন পাপ করে জাহান্নাম নির্ধারন করে দিচ্ছি।

আমার এই অবৈধ ভালোবাসার দাবি সবার জন্য মিথ্যা। আমার নিজের জন্য! আমার ভালো লাগা প্রেয়সির জন্য! এমনকি আমাকে আদর করে ভালোবাসার বন্ধনে বড় করা বাবা মায়ের জন্য..! সবার জন্য আমার এই ভালোবাসা এক সময়ে শাস্তির কারন হবে। আমার ভালোবাসার দাবিটা সবার জন্যই ধোকা..!।

যদি আমি সত্যিকারেই আমার বাবা মাকে ভালোবাসি- যদি সত্যিই আমি কোনো নারীর প্রেমে মুদ্ধ হই - যদি সত্যিই আমার ভালোবাসার দাবি আমার নিজের জন্য কল্যানকর হয় তবে আমি অবৈধ প্রেমের পথে পা না বাড়িয়ে বিশুদ্ধ প্রেমের জন্য বিয়ে করে নিবো।

যা শুধু আমার প্রিয়তমার জন্যই নয় বরং বিয়ের মাধ্যমে এই ভালোবাসাটা আমায় নিজেকেও ভালোবাসতে শিখাবে। আর আমার বাবা মাকে ভালোবাসার প্রমান হবে।

বিশুদ্ধ ভালোবাসা সবার জন্যই কল্যানকর।

💝
👉হালাল প্রেম : কৈশোরের বিশুদ্ধ ভালোবাসা

💞বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন



👍ইনশাআল্লাহ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

16/02/2020

যৌবনে বউয়ের সাথে প্রেম করার চেয়ে রোমান্টিক ইবাদত মনে হয় আর কিছু হতে পারে না।

মহান রবের দেয়া যৌবনের স্পেশাল নিয়ামত এই প্রেম প্রেম অনুভুতি।

আল্লাহ জান্নাতের এই নিয়ামত সবাইকে সঠিক সময় উপভোগ করার তাওফিক দান করুন।



14/02/2020

যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হয়, সেটা নিয়ে নাটক হয় না।কারণ বাস্তবতা কল্পনার চাইতেও বিস্ময়কর।


#কৈশোরের_বিশুদ্ধ_ভালোবাসা

13/02/2020

আমার বউ হবে আমার গায়ের পোশাকের মত--
" গায়ে দিলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
আর গায়ে না দিলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে"!

👉শেয়ার করুন

13/02/2020

ভালবাসা হয় উত্তম আচরণের সাথে। আর লাভ এট ফার্স্ট সাইট হয় দুই ভাবে। যেকোন সুন্দর হাসির সাথে আর তাকদির যার সাথে জুড়ে আছে তার সাথে। এর বাইরে ভালবাসা হওয়ার কোন গোপন রহস্য নেই।

(সংগ্রহিত)

#হালাল_প্রেম
#কৈশোরের_বিশুদ্ধ_ভালোবাসা

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Dhaka