16/03/2026
মাছরাঙা টিভিতে শালবৃক্ষের গল্প
Mahbub Sumon | Interview | Talk Show | Maasranga Ranga Shokal উদ্যোক্তা মাহবুব সুমন মাহবুব সুমন প্রকৌশলী থেকে পরিবেশবিদে রূপ নেওয়া একজন সামাজিক উদ্যোক্তা, যিনি নবায়নযোগ্য...
Driving sustainability with renewable energy and eco-friendly solutions.
16/03/2026
মাছরাঙা টিভিতে শালবৃক্ষের গল্প
Mahbub Sumon | Interview | Talk Show | Maasranga Ranga Shokal উদ্যোক্তা মাহবুব সুমন মাহবুব সুমন প্রকৌশলী থেকে পরিবেশবিদে রূপ নেওয়া একজন সামাজিক উদ্যোক্তা, যিনি নবায়নযোগ্য...
16/03/2026
ছোট সোলার সিস্টেমের ক্ষেত্রে - প্রতি ওয়াট আইপিএস বা হাইব্রিড সোলারের খরচ -
সোলার প্যানেল ২২, ইনভার্টার মাঝারি ১৩ থেকে ১৫ টাকা, ছোট ১৯ থেকে ২০ টাকা, এসিড ব্যাটারি - ১৯.৫০ টাকা থেকে ২০ টাকা, লিথিয়াম ব্যাটারি ২০ টাকা থেকে ২৫/৩০ টাকা, ব্যালেন্স অফ দা সিস্টেম (স্ট্রাকচার, তার, সুইচ, ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার, ট্রান্সপোর্ট, ইন্সটলেশান) ৩০ টাকা, AIT + VAT = ৫%+১৫% = ২০%, হিসাবের সুবিধার্থে ধরেন ২০ টাকা।
ছোট (১/২ কিলোওয়াট) সিস্টেমের ক্ষেত্রে এসিড ব্যাটারি দিয়ে খরচ আসবে = ১১১.৫০ বা ১১২ টাকা, আর লিথিয়াম ব্যাটারি দিয়ে আসবে = ১১২ টাকা। অনেক হাই কোয়ালিটি লিথিয়াম ব্যাটারি দিলে এখানে ১২৫/১৩০ ও হয়ে যেতে পারে।
মাঝারি (৩ থেকে ৫ কিলোওয়াট) সাইজের আইপিএস বা হাইব্রিড সিস্টেমের ক্ষেত্রে এসিড ব্যাটারি দিয়ে খরচ আসবে = ১০২ থেকে ১০৫ টাকা, লিথিয়াম ব্যাটারি দিয়ে খরচ আসবে = ১০৫ / ১১০ / ১১৫ টাকা।
নিজে ক্রয় করলে সব খরচের ওয়াটই ২০ থেকে ৩০ টাকা কম পড়বে। নিজে করার ঝুঁকি হলো -
১। ভুল ডিজাইন,
২। বাজে জিনিস ক্রয়, বেশী খরচ
৩। কিছুদিন পর সিস্টেম বসে যাওয়া।
সুতরাং আত্মবিশ্বাস থাকলে নিজে করে ফেলেন। ছোট সিস্টেমের ক্ষেত্রে এটা কোন কঠিন কাজ নয়।
তবে কনসালটেন্সি ফি দিয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরাও কনফিগারেশন, ডিজাইন করে, কস্টিং করে দিব। প্রতি ওয়াটের কনফিগারেশন, ডিজাইন ও কস্টিং ফি ৩ টাকা। আগের পোস্টে দেয়া আছে কিভাবে বুঝবেন যে আপনার কত ওয়াটের কোন জিনিস লাগবে। সেখান থেকে হিসাব করলে বুঝবেন আপনার কত ওয়াট লাগবে। বা আমাদেরকে বিদ্যুৎ বিল শেয়ার করলেও বলতে পারব - আপনার কত ওয়াট লাগবে।
14/03/2026
পেইজের ইনবক্সের একটা প্রশ্নের উত্তর সবার কাজে লাগতে পারে বলে এখানে দিচ্ছি। প্রশ্নকারীকে ইনবক্সেও উত্তর দিয়েছি।
প্রশ্ন: একটা ফ্যামিলি মোটামুটি ভাবে চলতে ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে দৈনিক। সেটাও খুব টেনেটুনেই বলা যায়। তবে লক্ষ্য যেহেতু অপচয় রোধ করা সেক্ষেত্রে এটা করা যেতেই পারে। এখন আমাকে দৈনিক ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটা ফুল কনফিগারেশন সেটাপ সাজেস্ট করুন। এটার আনুমানিক দাম, কতদিন চলতে পারে, মেইন্টেনেন্স কস্ট ইত্যাদি।
উত্তর: ধরে নিচ্ছি আপনি ভাল কোয়ালিটির Tier 1 সোলার প্যানেল লাগিয়েছেন। সেক্ষেত্রে প্রতি ১ হাজার ওয়াট সোলার প্যানেল থেকে ঢাকার কন্ডিশনে আপনি প্রতিদিন বিদ্যুৎ পাবেন - এপ্রিলে ৪.৪ ইউনিট করে, মে - ৩.৮৩, জুনে ৩.৪৩ ইউনিট, জুলাইয়ে ৩.২৯ ইউনিট, আগস্টে ৩.২৯ ইউনিট, সেপ্টেম্বরে ৩.২৬ ইউনিট, অক্টোবরে ৪ ইউনিট, নভেম্বরে ৪ ইউনিট, ডিসেম্বরে ৩.৫৮ ইউনিট, জানুয়ারিতে ৪ ইউনিট, ফেব্রুয়ারিতে ৪.৩২ ইউনিট, মার্চে ৪.৬৪ ইউনিট।
সবচেয়ে গরম হলো এপ্রিল, মে, জুন। জুনের ১৫ থেকে বর্ষা বর্ষা ভাবের কারনে গরম একটু কমে যায়। সাম্প্রতিক বছর গুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সেপ্টেম্বরের দিকে আবার গরম বাড়তে থাকে, নভেম্বরের ১৫ পর্যন্ত ভালই গরম থাকে।
খেয়াল করে দেখেন - গরম মাসগুলোর গুলোর মধ্যে জুনে ৩.৪৩ ইউনিট আর সেপ্টেম্বরে ৩.২৬ ইউনিট। এখন আপনি রেফারেন্স ধরবেন কোনটাকে? থিওরি অনুযায়ী ৩.২৬ কেই রেফারেন্স ধরা উচিত। কিন্তু আমি নানান কারনে ৩.৪৩ ইউনিটকে রেফারেন্স ধরবো।
এখন - ১০০০ ওয়াট থেকে আপনি যদি ৩.২৬ ইউনিট বিদ্যুৎ পান, তাহলে ৫ ইউনিট বিদ্যুতের জন্য আপনার প্যানেল লাগবে - ১৫৩৩.৭৬ ওয়াট বা ১৫৫০ ওয়াট। অর্থাৎ ৫০০ থেকে ৫৫০ ওয়াটের ৩টা প্যানেল লাগাবেন। আনুমানিক দাম ১৫৫০ X ২২ = ৩৪১০০/-
ইনভার্টার: এ ধরনের কন্ডিশনে ইনভার্টার সাইজ ১ কিলোওয়াটের বেশী হবেনা। লাইভ লোড ৫০০ ওয়াটের বেশীনা। ১ কিলোওয়াট ইনভার্টার লাগালেই হবে। তবে আমি হলে একটা ২ বা ৩ কিলোওয়াট ইনভার্টার লাগাতাম। কারন মাঝেমাঝে আমাদের বাসাগুলোতে ওভেন, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, লাইট সব একই সময়ে চলতে থাকে। তখন ১ কিলোওয়াট ইনভার্টার লোড নিতে পারবেনা। এক্ষেত্রে ১ কিলোওয়াট ইনভার্টার ভালগুলা পাবেন না। ভাল ইনভার্টার শুরুই হয় ৩ কিলোওয়াট থেকে। ১/২ কিলোওয়াটের গুলা নিন্ম ও মধ্যম মানের হবে। দাম - ১ কিলোওয়াট ১৯ হাজার থেকে ২০ হাজার, ২ কিলোওয়াট ২৩৫০০ থেকে ২৫ হাজার, ৩ কিলোওয়াট ৩০ হাজার থেকে ৪০/৪৪ হাজার।
ব্যাটারি - এবার আসি ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ স্টোর করতে কয়টা ব্যাটারি লাগবে? ৫ ইউনিট মানে ৫ হাজার ওয়াট। এসিড ব্যাটারির ক্ষেত্রে একটা টল টিউবুলার ব্যাটারির ক্যাপাসিটি ২৪০০ ওয়াট। কিন্তু আপনি ব্যবহার করতে পারবেন ১৮০০ থেকে ১৯০০ ওয়াট। এসিড ব্যাটারি ব্যবহার করলে আপনার ব্যাটারি লাগবে ৩ টা। কিন্তু ৩টা ব্যাটারি আপনি চাইলেই লাগাতে পারবেন না। কোন ইনভার্টার ১২, কোনটা ২৪, আবার কোনোটা ৪৮ ভোল্টের হয়। ইনভার্টারের ভোল্টেজ অনুযায়ী ব্যাটারি কনফিগার করতে হয়। ২৪ ভোল্টের ইনভার্টার হলে ২টা ব্যাটারি লাগালে হবে। তবে ৫ ইউনিট স্টোর হবেনা। ৪৮ ভোল্টের ইনভার্টার হলে ৪টা ব্যাটারি লাগবে। এক্ষেত্রে ইউনিট স্টোরেজ বেশী পাবেন। আবার লিথিয়ামের ক্ষেত্রে এক ব্যাটারিতেই ৪৮ ভোল্ট ৫ হাজার ওয়াট পেয়ে যাবেন। সুতরাং ব্যাটারি কয়টা লাগবে বা কি - এটা নিশ্চিত হওয়া যাবে - আপনার বাজেট কত? এসিড ব্যাটারি দিবেন? নাকি লিথিয়াম ব্যাটারি দিবেন? এগুলার উত্তরের উপর। এসিড ব্যাটারি প্রত্যেকটার দাম ৩২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা। লিথিয়াম ব্যাটারির প্রতি কিলোওয়াট এখন ২৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা।
এর বাইরে স্ট্রাকচার - সোলার প্যানেলের ওয়াট প্রতি ৮ থেকে ১০ টাকা। অনেক সময় ৫ টাকায়ও হয়ে যায়। ওয়ারিং ক্যাবল - ৪ থেকে ৮ টাকা। ফিউজ, সুইচ, এসি-ডিসি সার্কিট ব্রেকার - ৪৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর্থিং, লাইটনিং এরেস্টার - বিল্ডিং এ থাকলে ওগুলার সাথেই কানেকশান, ট্রান্সপোর্ট দুরত্ব অনুযায়ী ৩ হাজার থেকে থেকে ৫ হাজার টাকা, ইন্সটলেশন - সোলার প্যানেলের ওয়াট প্রতি ৫/৭/৮/১০/১২ বিভিন্ন এমাউন্ট নেয় বিভিন্ন কোম্পানি। ছোট সিস্টেমের ক্ষেত্রে বেশী নেয়। AIT, VAT - ২০%। এগুলা সম্পরকে আগের পোস্টেও বিস্তারিত আলাপ করেছি।
দামতো গেল। এবার কতদিন চলতে পারে? প্যানেল ৩০ বছর, এসিড ব্যাটারি ৫ বছর, লিথিয়াম ১০ থেকে ১৫ বছর, ইনভার্টার ভাগ্য ভাল থাকলে ১০ বছর।
মেইনটেনেন্স: সোলার প্যানেলের উপর ধুলা জমে। তাই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ নরমালি ৩/৪ মাস পরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিলেই হয়। ধুলা বেশী হলে ১/২ মাস পরপর ধুতে হবে। ইনভার্টার ওভারলোড করা যাবেনা। এসিড ব্যাটারি হলে ওয়াটার লেভেল ঠিক রাখতে হবে। ৮০% এর বেশী ডিসচার্জ করা যাবেনা। লিথিয়াম হলে ১০০% ডিসচার্জ করা যাবে।
হয়ে গেল সবগুলো প্রশ্নের উত্তর। কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে Shalbrikkho বা Renewable Energy Services এর ইনবক্সে ম্যাসেজ পাঠালে - চেষ্টা করবো বুঝিয়ে দিতে।
13/03/2026
দোকানদার বা ব্যবসায়ি তার প্রোডাক্ট কোন রকমে বিক্রি করতে পারলেই খুশি। কিন্তু আপনি কি করবেন?
ইউটিউব ভিডিও দেখেই ঢাকার নবাবপুর, সুন্দরবন মার্কেট থেকে সোলার কিনে ফেললে ধরা খাবেন। প্রোডাক্টের অনেক ধরন আছে। টেকনোলজিরও অনেক ব্যাপার আছে।
কোন সাইজের, কোন ইনভার্টার সিলেক্ট করবো, তার সাথে ব্যাটারি লাগবে কিনা, ব্যাটারি লাগলে কয়টা লাগানো বাধ্যতামূলক, সেফটি ফিউজ, ব্রেকারের সাইজ কত, তারের RM কত, স্ট্রাকচার কেমন হবে, সোলার প্যানেলের সাইজ কত হবে, সর্বোপরি প্রোডাক্টগুলো ভাল? নাকি খারাপ? - এরকম বহু প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা লাগবে। অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ ছাড়া নিজেরা নিজেরা এসব কাজ করতে গেলে - সমূহ আর্থিক লোকসান আসবে এবং সোলার সিস্টেমের পারফর্মেন্স খুব বাজে হবে। কিছুদিন পরে বিরক্ত হয়ে বলা শুরু করবেন - সোলার খারাপ।
12/03/2026
সোলার সিস্টেমে কত টাকা লাগবে?
প্রথমে আপনি বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দেখবেন সামারে আপনার বিল কত? সামারের সবচেয়ে বেশী গরমের তিনমাসের বিদ্যুতের ইউনিট যোগ করে ৩ দিয়ে ভাগ করে যত ইউনিট পাবেন - এটা হলো আপনার বিদ্যুতের নিড।
এবার সোলার প্যানেলের হিসাবে আসি। প্রতি ১০০০ ওয়াট সোলার প্যানেল থেকে প্রতিদিন আপনি ৩.৫ থেকে ৪ ইউনিট বিদ্যুৎ পাবেন। এখন বাজারে ৫০০ ওয়াটের প্যানেল পাওয়া গেলে ভাল। নয়তো প্রতি ৪ ইউনিট বিদ্যুৎ এর জন্য ৫৫০ বা ৬০০ ওয়াটের দুইটা প্যানেল লাগাবেন। ভাল ব্র্যান্ডের Tier 1 প্যানেলের খরচ পড়বে ২০ থেকে ২২ টাকা প্রতি ওয়াট। কিন্তু ছোট ২০০, ২৫০, ৩০০ ওয়াটের প্যানেলের কোয়ালিটিও ভালনা, দামও বেশী, ২৮ থেকে ৩২ টাকা প্রতি ওয়াট। তিনটা ৩৩০ বা ৪ টা ২৫০ ওয়াট সেলার প্যানেল লাগালেও ১০০০ ওয়াট হবে। সেক্ষেত্রে প্যানেল কোয়ালিটি ভাল কিনা নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। হয়ে গেল সোলার প্যানেলের খরচ।
এখন প্যানেল ধরা যাক আপনি ছাদে লাগাবেন। আপনার স্টিল স্ট্রাকচার লাগবে। লোহার দাম এখন অনেক বেশী। সেলার ও্যানেলের ওয়াট প্রতি ৭ থেকে ৮ টাকা যাবে ভাল স্ট্রাকচারে। ১০ টাকা বা তার বেশীও যেতে পারে। অনেক সময় লোহার স্ট্রাকচারের সাথে রাজমিস্ত্রীর কাজ, ঢালাইয়ের কাজও থাকে।
তারপর আপনার ওয়্যারিং এর তার লাগবে। এখানেও ওয়াট প্রতি ৮ টাকা খরচ হতে পারে। উপসাগরীয় যুদ্ধের কারনে ওয়্যারিং ক্যাবলের বাজারেও আগুন।
এর পরে আসছে ইনভার্টার। কত কিলোওয়াট ইনভর্টার লাগবে তা হিসাব করবেন - আপনার বাসায় যেসব জিনিস সোলার থেকে চালাবেন তার সবগুলার ওয়াটের যোগফলের সাথে ১.৫ গুন করে। ধরা যাক আপনার গুনফল আসলো ৫৭৫ ওয়াট। নিরাপদ থাকার জন্য আপনি ১ কিলোওয়াট লাগিয়ে দিতে পারেন। চাইলেই পরে অন্য লোড যুক্ত করতে পারবেন। পানির মোটর, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, এসি চালালে মোট লোড হিসাব করে ইনভার্টার সেভাবে বসাতে হবে। বেশী লোডের ক্ষেত্রে কম ক্ষমতার ইনভার্টার লাগলে - ইনভার্টার চলবেনা, হ্যাঙ করবে, পুড়ে যাবে।
সোলারের জন্য প্রচলিত আইপিএস ইনভার্টার হবেনা। এর জন্য সোলার ইনভার্টার লাগবে। ১ কিলোওয়াটের অনগ্রীড ইনভার্টার ১৯ হাজার থেকে শুরু হয়ে ৩ কিলোওয়াট ২৭-৩০ হাজার পড়বে। হাইব্রীড ইনভার্টার ১৯৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০/৫০ হাজারও আছে। ভাল ব্র্যান্ডের নিলে ভাল সার্ভিস পাবেন। নয়তো দুই দিন পর পর নষ্ট হবে।
এর পর আসছে ব্যাটারি - কোন কোন ইনভার্টারে ১টা ব্যাটারি লাগে, কোথাও ২ টা, কোথাও চারটা। প্রচলিত আইপিএস এর সাথে যেসব ব্যাটারি দেয়া হয় - এগুলা সোলারের সাথে চালানো যাবে। কিন্তু বেশীদিন চলবেনা, বাজে পারফর্ম করবে। সোলারের জন্য লাগে টল টিউবুলার ব্যাটারি বা লিথিয়াম ব্যাটারি। একটা টল টিউবুলার এসিড ব্যাটারি ২০০ এম্পিয়ার, ১২ ভোল্ট। এটা থেকে ১.৮ থেকে ২ ইউনিট বিদ্যুৎ স্টোরেজ পাবেন। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কয়টা ব্যাটারি লাগবেন তা ঠিক করতে পারবেন। এগুলার একটার দাম ৩০/৩২/৩৫ হজার টাকাও নিবে। ১৮ থেকে ২৪ মাস গ্যারান্টি পাবেন। তবে ডিপ সাইকেল ব্যাটারি হওয়ায় ৫ বছর ব্যবহার করতে পারবেন।
অন্যদিকে লিথিয়াম ব্যাটারি অনেক কনফিগারেশানের হয়। লং লাস্টিং, ১০ থেকে ১৫ বছর। ১০০% ডিসচার্জ করা যায়। এগুলা ধরা যাক ১০০ এম্পিয়ার, ১২ ভোল্টের একটা ব্যাটারির দাম ২৩৫০০/-। এটা থেকে ১ ইউনিট বা ১.২ ইউনিট বিদ্যুৎ স্টোরেজ সাপোর্ট পাওয়া যায়। এক্ষেত্রেও আপনার কত ইউনিটের স্টোরেজ দরকার ওইটা হিসাব করে ব্যাটারির দাম বের করে নিতে পারবেন।
এগুলার বাইরে কিছু সেফটি ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার লাগবে। এটা সিস্টেমের সাইজ বুঝে কম বেশী হতে পারে। তবে ডিসি সার্কিট ব্রেকার, এসি সার্কিট ব্রেকার, ব্যাটারি সেপারেটর, ফিউজ মিলে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা লাগতে পারে।
যে বাড়িতে থাকেন সেখানে আর্থিং ও লাইটনিং এরেস্টার থাকলে নতুন করে লাগানোর দরকার নাই। এগুলাতেই সোলার থেকে আর্থিং ও লাইটনিং প্রোটেকশান সাপোর্ট পাবেন। না থাকলে করে নেয়া ভাল। নয়তো বজ্রপাতে প্যানেল ও ইনভার্টার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আর লাগবে মালামাল ট্রান্সপোর্ট ও ইন্সটলেশান। ট্রান্সপোর্টে ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয় দুরত্ব বুঝে। ইন্সটলেশানে ওয়াট প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা ধরে রাখতে পারেন। বড় সিস্টেমের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াটের ইন্সটলেশান খরচ কম হয়।
যে প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করবেন তারা যদি ক্যাশে লেনদেন করে তাহলেতো কথাই নাই। যারা ব্যাংকে লেনদেন করেন তারা AIT আর ভ্যাট নিবে ২০%।
এখন আশাকরি মোটামুটি একটা কস্টিং করতে পারবেন। অনেকেই আমাকে ইনবক্সে খরচ জানতে চান। সবার জন্য এই পোস্ট। সমস্যা হলে আমাকে ইনবক্স করতে পারবেন। Shalbrikkho ও Renewable Energy Services এর পেইজেও ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন।
On 7th March 2026, we had the pleasure of welcoming Auritry Unnayan Sangstha - অরিত্রী উন্নয়ন সংস্থা, an environmental organization led by Sara Zabeen, along with her dedicated team, to our Noahcheme laboratory.
It was truly an honor for us to host them and share the work we are doing at Noahchem, developing safer home chemicals, promoting healthy lifestyles, and exploring environmentally responsible alternatives for everyday products. During their visit, we had the opportunity to demonstrate some of our ongoing initiatives and research activities in the lab.
Beyond the tour, we had a very inspiring discussion about future collaborations and joint initiatives. Both teams explored ideas on how we can work hand in hand to promote environmental awareness, sustainable practices, and healthier living for communities.
We are grateful to Sara Jaben and the Auritry team for their visit, curiosity, and thoughtful exchange of ideas. Partnerships like these strengthen the movement toward a cleaner, healthier, and more sustainable future.
Looking forward to working together in the days ahead.
NOAHCHEME (Safe Home Chemicals) A project of Shalbrikkho
04/03/2026
Haider Haider - Salut to Iranian Protest
Haider Haider - Farsi Noha | Haj Mahmoud Karimi | حیدر حیدر | حاج محمود کریمی Haider Haider - Farsi Noha | Haj Mahmoud Karimi | حیدر حیدر | حاج محمود کریمی▶▶ Subscribe ▶▶ https://youtube.com/ 🔔!____⚫️ΛBOUTVIDEO𝗧𝗶𝘁𝗹𝗲 ...
20/02/2026
টুই (Tui) প্রকল্প হলো আলো প্রজেক্টের (ALO Project) অধীনে একটি নগর জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্যোগ। যার লক্ষ্য দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ণের ফলে হারিয়ে যাওয়া পাখিদের বাসস্থান ও মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক পুনর্গঠন করা।
ব্যাপক নগর সম্প্রসারণের কারণে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর ও দেশের আরো কয়েকটি জায়গায় পুরনো গাছ, প্রাকৃতিক গর্ত, খোলা মাটি ও জলাশয় কমে গেছে। যেগুলো পাখিদের বেঁচে থাকা ও বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরী। 'টুই' প্রকল্প এই সংকটের প্রেক্ষাপটে মানুষের বাড়ি ও আশেপাশে কাঠের নেস্ট বক্স স্থাপন করে পাখিদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান তৈরি করছে। তবে এটা কেবল পাখির ঘর বানানোর উদ্যোগ নয়; এটা একটা সামাজিক ও পরিবেশগত পদক্ষেপ (Intervention), যা মানুষকে নগরে বসবাসরত সকল বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করে।
#টুই প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী পরিবাররা নিয়মিতভাবে দানা ও পানি সরবরাহ করে পাখিদের আকৃষ্ট করে এবং ধীরে ধীরে একটা ছোট্ট সহায়ক বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) তৈরি হয়। পাখিরা আসা-যাওয়া শুরু করে, বাসা বানায়, ডিম দেয় ও বাচ্চা বড় করে। এই প্রতিদিনের পর্যবেক্ষণ ও যত্ন নেওয়ার অভ্যাস মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতা তৈরি করে। পাখি তখন আর দূরের কোনো প্রাণী থাকেনা। সে হয়ে ওঠে পরিবারের এক নীরব প্রতিবেশী। শিশুদের জন্য এটা একটি জীবন্ত-চলমান শিক্ষা, যা তাদেরকে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সংবেদনশীল করে তোলে। এক পরিবারের গল্প ও অভিজ্ঞতা অন্য পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে, এভাবেই একটা ইতিবাচক সংস্কৃতিক অভ্যাস তৈরি হয়। যেখানে ধ্বংস নয়, সংরক্ষণই (Conservation) মূল চর্চা।
পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকে 'টুই' নগর বাস্তুতন্ত্রের (Urban Ecosystem) একটা অনুপস্থিত উপাদনকে (Gap Element) পূরণ করে - যা হলো পাখিদের জন্য নিরাপদ বাসা বা প্রাকৃতিক গর্তের অভাব পূরণ। যেখানে গ্রেইন জাতীয় খাদ্য এখনো কিছুটা বিদ্যমান কিন্তু বাসস্থান খুবই সীমিত, সেখানে নেস্ট বক্স (টুই) পাখিদের প্রজননে (Breeding Success Rate) সাহায্য করে। যদিও নেস্ট বক্স 'টুই' একা বড় কোন পরিবেশগত সমস্যার সমাধান না। এটা একটা কাজের শুরু, যা মানুষকে প্লাস্টিক, আগাছানাশক, কীটনাশক ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার কমানো, দেশীয় ফলজ ও ফুলগাছ লাগানো এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে। ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকে শুরু হয়ে এটা দীর্ঘমেয়াদে একটি পাখিবান্ধব নগর গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
টুই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য কেবল পাখির সংখ্যা বাড়ানো না, বরং নগরে বসবাসরত মানুষের মানসিকতায় পরিবর্তন নিয়ে আসা। পাখির প্রতি যত্নশীলতা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে কুকুর, বিড়াল, সরীসৃপ, পোকামাকড় ও উদ্ভিদ - সব জীববৈচিত্র্যের প্রতি সচেতন ও সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠে। এটা পরিবেশ সংরক্ষণকে দূরের কোনো তাত্ত্বিক (Theoretical) বিষয় হিসেবে নয়, বরং দৈনন্দিন চর্চার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। এভাবে টুইকে আমরা একটি পণ্য না, ভবিষ্যতে নিরাপদ ও টেকসই নগর নির্মানের একটা আন্দোলন হিসেবে সামনে নিয়ে আসি, যা বাড়ি থেকে শুরু হয়ে সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে পড়ে।
সবশেষে, টুই প্রকল্প মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির হারিয়ে যাওয়া সংযোগ (Bridging) পুনরুদ্ধারের একটি প্রচেষ্টা। একটি ছোট্ট বাসা, কিছু দানা ও একটুখানি যত্ন - এই সাধারণ কাজগুলোই তৈরি করতে পারে দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশ সচেতনতা। টুই বিশ্বাস করে, টেকসই ভবিষ্যৎ শুরু হয় মানুষের হৃদয়ে। বীজ বপন হয় একটি ঘর, একটি বাসা এবং একটি সচেতন সম্প্রদায়ের।
তারেক রহমানের প্রচারণায় পচনশীল ব্যানার পলকা ফ্লেক্স (Polka Flex) -
-------------------------------- বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় প্লাস্টিক দূষন কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। নির্বাচনী ইশতেহারের ২৯ ও ৩১ তম দফা পরিবেশ বিষয়ক। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের দ্বারা রাজনৈতিক প্রচারে সচেতনভাবে প্লাস্টিক দূষন কমানোর উদ্যোগ এটাই প্রথম। তারেক রহমানের নেয়া দেশব্যাপি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম এগিয়ে এসেছেন Nahian Bin Mahbub । তিনি আজকে বগুড়া - ৬ নির্বাচনী এলাকায় পিভিসি ব্যানারের বিকল্প পলকা ফ্লেক্স ব্যানার দিয়ে প্রচার কাজ পরিচালনা করে - এক ব্যতিক্রমি উদাহরণ সৃষ্টি করেন।
03/02/2026
বনকাগজ (Bonkagoj) নিয়ে ফিচার নিউজ করেছে নিউজ বাংলাদেশ।
মাহবুব সুমনের উদ্ভাবিত সবুজ বিপ্লব ‘বনকাগজ’
Shalbrikkho story
In the 21st first century, when all living beings are at the risk of extinction due to climate emergency, we began our journey – a quest for a minimalist and ecologically sensitive society. The dream is to have an enabling environment that liberates us from the self-destructive life, but it’s a change that demands time and requires collective effort. With this vision, Shalbrikkho aspires to create and make available renewable energy solutions as well as biodegradable and recycled products for the community.
The name
Inspired by a song of a musical band ‘Madol’, a very close friend of us suggested the name Shalbrikkho which means a particular kind of forest plant in Bengali. Shal’s name comes from Sanskrit word śāla, meaning "home". According to Buddhist tradition, the great Buddha was born while her mother held tight a branch of a Shal tree. When Buddha died, he was lying between a pair of Shal trees.
| Monday | 09:30 - 17:30 |
| Tuesday | 09:30 - 17:30 |
| Wednesday | 09:30 - 17:30 |
| Thursday | 09:30 - 17:30 |
| Sunday | 09:30 - 17:30 |