কিছু শিখতে চাই"

কিছু শিখতে চাই"

Share

কিছু শিখতে চাই সবাই কে জানাতে চাই

11/08/2025

দুই ধরনের ব্যক্তিকে মনে রাখতে হয়! যিনি বিপদে ফেলেছিলেন! এবং যিনি বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন!

01/08/2025

ভাইরাস জ্বর ছড়িয়ে পড়ছে — সতর্ক থাকুন, সচেতন হোন!

সম্প্রতি এক ধরনের নতুন ভাইরাস জ্বর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এটি ডেংগু বা চিকুনগুনিয়া নয়, তবুও এর উপসর্গ বেশ মারা'ত্মক এবং অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন—বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা বেশি ঝুঁকিতে।

🎗 বাবা-মায়েদের জন্য জরুরি বার্তা: সন্তান অসুস্থ হলে প্রথমেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বেন না। আপনার সাহসই হবে সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি। আপনি সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকলে সন্তানের সেবা করাও সহজ হবে।

🧠 অসুস্থ শিশুর যত্নে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দিন। মনে রাখবেন—খাবারের বিকল্প কোনো ওষুধ নেই।

যদি খেতে না চায়, জোর করবেন না; অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

বমি হলে ডাক্তারের পরামর্শে বমির ওষুধ ব্যবহার করুন।

📌 ভাইরাস জ্বরের সাধারণ লক্ষণ:
👉 হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০৩°–১০৪°F)
👉সারা শরীরে ব্যথা—মাথা, চোখ, পিঠ ও জয়েন্টে
👉 মাথা ঘোরা, দুর্বলতা
👉 রক্তচাপ কমে যাওয়া
👉জ্বর কমলেও দীর্ঘ সময় শরীর দুর্বল থাকা

✅ যা করবেন – করণীয় ও পরামর্শ:

🍽️ খাবারে রাখুন:
✔ ভিটামিন সি: মাল্টা, কমলা, পেয়ারা, আমলকি
✔ জিঙ্ক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: কলা, পাকা পেঁপে, ডিমের কুসুম
✔ প্রোটিন: সিদ্ধ ডিম, চিকেন স্যুপ, ডাল, খিচুড়ি, মাছ
💧 প্রচুর পানি পান করুন (দিনে অন্তত ৩ লিটার); স্যালাইন বা লেবুর শরবত খেতে পারেন
⚠️ চিনি এড়িয়ে চলুন

🧊 ব্যথা ও জ্বর কমাতে:
✔ ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্যারাসিটামল
✔ গরম পানির সেঁক বা হালকা ম্যাসাজ
✔ আদা, তুলসি ও মধু দিয়ে হালকা গরম পানীয়

💆 জ্বরের পর শরীরের ব্যথা কমাতে:
✔ গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে শরীর মুছানো
✔ হালকা স্ট্রেচিং বা ধীরগতিতে হাঁটা
✔ ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার: কলা, ভেজানো বাদাম
✔ নারকেল তেল বা পুদিনার তেল দিয়ে হালকা মালিশ

🚨 চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন যদি:

বারবার জ্বর ফিরে আসে

রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়

খাওয়া বন্ধ হয়ে যায় বা অজ্ঞান ভাব দেখা দেয়

হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক হয়

🧘‍♀️ মনে রাখবেন:
জ্বর চলে গেলেও শরীর দুর্বল থাকে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সঠিক খাবার এবং প্রচুর পানি পান—এই তিনটাই দ্রুত সুস্থ হওয়ার মূল চাবিকাঠি।

🤝 পোস্টটি শেয়ার করে সচেতন করুন।

14/07/2025

বিএনপি নিলে চাঁদাবাজি, এনসিপি নিলে ডোনেশন, জামায়াত নিলে হাদিয়া , তুমি নিলে কাবিন আর আমি নিলে যৌতুক!

04/07/2025

রিজিকের সংকট জীবনের এক চরম বাস্তবতা। অনেকে চেষ্টা করেন, পরিশ্রম করেন, কিন্তু তবুও বরকত আসে না। এই সময়ে হতাশ না হয়ে, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া — একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এমন কিছু দোয়া শিখিয়েছেন, যা রুজির সংকটে বিশেষভাবে কার্যকর।

সেরা ৩টি প্রমাণিত দোয়া (রাসূল ﷺ এর শেখানো)

🟩 ১. رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির
অর্থ: হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
📖 সূরা কাসাস: আয়াত ২৪

🔹 এই দোয়াটি নবী মূসা আলাইহিস সালাম বলেছেন যখন তিনি ছিলেন নিঃস্ব, একাকী ও আশ্রয়হীন। দোয়ার পরপরই আল্লাহ তাকে আশ্রয়, সম্মান ও রিজিক দান করেন।

🟩 ২. اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা ‘ান হারামিকা, ওয়া আঘনিনী বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার হালাল রিজিকে আমাকে যথেষ্ট করুন, যাতে আমি হারামে না যাই; এবং আপনার অনুগ্রহে আমাকে এতটা স্বয়ংসম্পূর্ণ করুন, যাতে অন্য কারও মুখাপেক্ষী না হই।

📚 (তিরমিজি: হাদিস 3563)

🔹 এই দোয়া মানুষকে হালাল পথে রিজিক কামনায় স্থিরতা ও বরকতের আশা জাগায়।

🟩 ৩. اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي رِزْقًا حَلَالًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মার্জুকনি রিজকান হালালান তইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে এমন হালাল, পবিত্র ও বরকতময় রিজিক দান করুন, যাতে আপনার সন্তুষ্টি থাকে।

🔹 যারা চাকরি বা ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত, তারা প্রতিদিন এই দোয়া পড়লে আল্লাহ রিজিকের দরজা খুলে দেন।

🕰️ দোয়া ও আমল করার নিয়ম:
প্রতিটি দোয়া দিনে ৭ বার করে পড়া উত্তম।
পড়ার সময় অন্তর থেকে চাওয়া এবং হালাল রিজিকের নিয়ত করা জরুরি।
দোয়ার পর নিজের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা ও পরিশ্রম চালিয়ে যান — আল্লাহ তাতে বরকত দেবেন।
দোয়া পড়ার সময় সম্ভব হলে দুই রাকাত হাজতের নামাজ পড়ে, তারপর এই দোয়াগুলো পড়লে তা অধিক কবুল হয়।

🟢 আল্লাহর দয়ায় আপনার রুজির দরজাগুলো খুলে যেতে পারে—শুধু একবার চেষ্টা করে দেখুন

#কিছুশিখতেচাই

04/07/2025

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন বদ' নজর খুব খারাপ জিনিস।🙂
বদ' নজর মানুষকে ক'' ব'র পর্যন্ত নিয়ে যায়!
আর ঊটকে রান্নার বাতিল পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।🥲💔

27/06/2025

মাইনষের ডরে একখান দু:খের পোষ্ট দিতে পারিনা!
মাইনষে ভাবে সখের বেডি চইলা গেছে🥲

20/05/2025

বিপদ কেটে গেলে মানুষ উৎফুল্ল এবং অহংকারী হয়ে যায়।

সূরা হুদঃ ১০

16/05/2025
20/04/2025

হে আল্লাহ, হালাল রিজিক দিন। 🤲

18/04/2025

প্রকৃতপক্ষে জেন্টালম্যান তারাই যারা এই জেনারেশনের হয়েও স্মোক করে না🙂

02/03/2025

আজকের ১ম রোজার তারাবীহ নামাজে আমরা পবিত্র কোরআনের সম্পুর্ন প্রথম পারা এবং দ্বিতীয় পারার প্রথম অর্ধেকাংশ নিয়ে সর্বমোট দেড় পারা কোরআনের তেলাওয়াত শ্রবন করেছি।

এই দেড় পারা (সুরা বাকারার ১নং আয়াত থেকে ২০৩ নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

•এই সেই কিতাব (কোরআন) যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। [ সুরা বাকারা-২,৩]

•আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্র। [ সুরা বাকারা-১৪ ]

•হে নবী, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধা সহধর্মিনীগন থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। [ সুরা বাকারা-২৫ ]

•সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে গোপন করো না। [ সুরা বাকারা-৪২ ]

•নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়। [ সুরা বাকারা-৪৩ ]

•ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। [ সুরা বাকারা-৪৫ ]

•সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৪৮ ]

•আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন। [ সুরা বাকারা-৭৪ ]

•যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে। [ সুরা বাকারা-৮২ ]

•এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না। [ সুরা বাকারা-৮৬ ]

•আপনি তাদেরকে জীবনের প্রতি সবার চাইতে, এমনকি মুশরিকদের চাইতেও, অধিক লোভী দেখবেন। তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন তারা হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে। [ সুরা বাকারা-৯৬ ]

•আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা। [ সুরা বাকারা-১০৫ ]

•আল্লাহর কাছেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য। আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। [ সুরা বাকারা-১০৭ ]

•যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১০৮ ]

•নামায প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত আদায় কর। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন। [ সুরা বাকারা-১১০ ]

•যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয়, এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। [ সুরা বাকারা-১১৪ ]

•পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা-১১৫ ]

•তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, `হয়ে যাও' তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। [ সুরা বাকারা-১১৭ ]

•নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (রাসুলুল্লাহ) সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। [ সুরা বাকারা-১১৯ ]

•তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কারও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্তও হবে না। [ সুরা বাকারা-১২৩ ]

•আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে? আমরা তাঁরই এবাদত করি। [সুরা বাকারা-১৩৮ ]

•তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ সুরা বাকারা-১৫২ ]

•হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন। [ সুরা বাকারা-১৫৩ ]

•যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না। [ সুরা বাকারা-১৫৪ ]

•অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। [ সুরা বাকারা-১৫৫ ]

•নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা'নত। [ সুরা বাকারা-১৬১ ]

•পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষন কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। [ সুরা বাকারা-১৬৮ ]

•তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। [ সুরা বাকারা-১৭৩ ]

•সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে। বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর; আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন , মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত আদায় করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী- তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। [ সুরা বাকারা-১৭৭ ]

•হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [ সুরা বাকারা-১৮৩ ]

•রমজান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন; যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ, আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোজা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না, যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা'আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর; যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। [ সুরা বাকারা-১৮৫ ]

•রোজার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোজা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। আল্লাহ এমনিভাবে বর্ণনা করেন নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে। [ সুরা বাকারা-১৮৭ ]

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka