20/03/2026
সকলকে জানাই 👇👇👇
পেটের উপর মাটি পরার পূর্বেই,
নিজের হিসাব নিকাশ ঘুছিয়ে নিন। Assalamu Alaikum
This is Shamim Hossain Kiran. I'm from Bangladesh. I'm Muslim.
I have completed my Graduation from Govt. Tolaram College, Narayanganj. I love my mother from the depth of heart. The Almighty Allah blessed me with a beloved wife and a sweet baby girl. I'm proud to be a Muslim by the grace of Allah. I'm also thankful to Allah for choosing me as an u'mmah of prophet Muhammad (SM).
20/03/2026
সকলকে জানাই 👇👇👇
নবীজি সাঃ এর পিতামাতা কি জান্নাতি?
Subscribe my channel for new one
https://youtube.com/?si=Js36u-nW5v0N0I20
09/02/2025
শয়তানের ধোঁকা
এই বইটির প্রথম ৮০ পৃষ্ঠা পোষ্ট করা হলো। বাকি চলমান থাকবে ইন্শা আল্লাহ।
বইটি সকলকে পড়ার অনুরোধ করছি।
24/01/2025
আলহামদুলিল্লাহ
আব্বাজানের জীবনের নতুন অধ্যায় পদার্পণে মোবারকবাদ। সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত আল্লাহ তাদের দাম্পত্য জীবন কল্যাণকর করুক। আমিন।
بَارَكَ اللهُ لَكَ وَ بَارَكَ عَلَيْكَ وَ جَمَعَ بَيْنَكُمَا فِيْ خَيْرٍ
উচ্চারণ- ‘বারাকাল্লাহু লাকা, ওয়া বারাকা আলাইকা, ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফি খাইরিন’ (তিরমিজি, মিশকাত) অর্থাৎ ‘আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন, তোমাদের উভয়ের প্রতি বরকত নাজিল করুন এবং তোমাদের কল্যাণের সঙ্গে একত্রে রাখুন।
#
21/01/2025
এক নজরে আজকের সংবাদপত্র
゚viral
20/01/2025
এক নজরে আজকের সংবাদ
゚viral
19/01/2025
নবীজি (সা.)-এর ১০ উপদেশ
হাদিসবিশারদরা বলেন, উল্লিখিত হাদিসে মুমিনের জন্য ১০টি উপদেশ রয়েছে, যা তার প্রাত্যহিক জীবনকে সুন্দর করে। তা হলো :
১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আনুগত্য সবার জন্য আবশ্যক। এটা ঈমান ও ইসলাম কবুল হওয়ার শর্ত।
২. সালাম প্রদানে যত্নশীল হওয়া। সালামসহ ইসলামের জিকির ও ইবাদতগুলো কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই পালন করা। যেমন—আজান ও ইকামত।
৩. প্রাত্যহিক জীবনের যেকোনো সংকটে বান্দা আল্লাহকেই স্মরণ করবে, তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে। এমনকি সংকট নিরসনের বাহ্যত কোনো উপায়-উপকরণ না দেখলেও।
৪. গালি দেওয়া পাপ ও মন্দ স্বভাব। মুমিন ব্যক্তি কাউকে গালি দেবে না; এমনকি পশুপাখিকেও না।
৫. কোনো পুণ্যের কাজই অবজ্ঞা বা অবহেলার নয়। যত ছোট হোক না কেন সুযোগ পেলে মুমিন ব্যক্তি পুণ্যের কাজে অংশ নেবে।
৬. মুসলমানের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলাও পুণ্যের কাজ। অর্থাৎ মুমিন ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।
৭. ফকিহ আলেমরা বলেন, পুরুষের জন্য টাখনুর নিচে কাপড় পরা হারাম।
৮. অহংকার করা, অহংকার প্রকাশ পায় এমন কাজকর্ম, পোশাক-পরিচ্ছদ ও চাল-চলন নিষিদ্ধ। কেননা আল্লাহ অহংকার পছন্দ করেন না।
৯. কারো দোষ প্রকাশ করা নিন্দনীয় কাজ। যদিও লোকটি শত্রু হয় বা তার সঙ্গে বিতর্ক হয়।
১০. মন্দের প্রতিবিধানে মন্দ নয়। পাপের প্রতিশোধে পাপ করার অনুমতি ইসলাম দেয় না।
゚viral
12/01/2025
ইমাম গাজ্জালী (রঃ) একবার একটা গল্প বলেছিলেন।
এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানি বিহীন কুয়া দেখতে পেলেন। তিনি চোখ বন্ধ করে তাতে দিলেন ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা খপ করে ধরে ফেললেন এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।
উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন।
তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভূলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।
ইমাম গাজ্জালী (রঃ) এই গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন:
ණ এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
ණ সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায় আছে।
ණ দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা।
ණ সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
ණ আর সেই মৌচাক হল দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য।
09/01/2025
ছেলের প্রতি লোকমান হাকিমের ১০ উপদেশ
লোকমান হাকিম। তার জ্ঞান-প্রজ্ঞার পরিচিতি-প্রসিদ্ধি জাহানজুড়ে। তাকে বিশেষ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করা হয়েছিল, যেমন খিজির আলাইহিস সালামকে দেওয়া হয়েছিল। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তার কথাকে কোরআনে মানুষের নসিহত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার নামে পবিত্র কোরআনে একটি সুরা অবতীর্ণ হয়েছে। নিজের ছেলেকে দেওয়া তার উপদেশবাণী বিশ্বখ্যাত। লোকমান (আ.) পুত্রকে দেওয়া ১০০টি উপদেশের ৪০টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তার ১০টি উপদেশ তুলে ধরা হল-১. লোকমান (আ.) ছেলেকে বলেন, ‘হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা মহা অন্যায়। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৩) মানবজীবনে তাওহিদই সব কাজের গ্রহণযোগ্যতা, বিশুদ্ধতার মানদণ্ড এবং পারলৌকিক মুক্তির শর্ত ও সোপান।২. ‘আর আমি মানুষকে তার মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দুই বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে আমার প্রতি ও তোমার মাতা-পিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই কাছে ফিরে আসতে হবে। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৪)প্রণিধানযোগ্য, মানুষের বিকাশধারা থেমে যেত, যদি মাতা-পিতা সযত্ন প্রয়াসে প্রজন্মান্তরে মানবসত্তাকে মেলে না ধরতেন।৩. লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘মাতা-পিতা যদি তোমাকে আমার সঙ্গে এমন বিষয়কে শরিক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে সহাবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদের জ্ঞাত করবো।’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৫)৪. নামাজ সম্পর্কে লোকমান (আ.) বলেন, ‘হে বৎস, নামাজ কায়েম করো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৭ (প্রথমাংশ)৫. সন্তানকে নম্রতা ও বিনয়ের শিক্ষা দিয়ে লোকমান (আ.) বলেন, ‘সৎ কাজে আদেশ দাও, মন্দ কাজে নিষেধ করো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৭ (মধ্যাংশ)৬. লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘বিপদাপদে সবর করো। নিশ্চয়ই এটা সাহসিকতার কাজ। ’ (সুরা লোকমান : ১৭ শেষাংশ)।৭. মানুষের দিক থেকে মুখ ফেরানো মনুষ্যত্বের কলঙ্ক। লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা কোরো না। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : (১৮ প্রথমাংশ)আয়াতের মূল শব্দের মূল অর্থ : ‘উটের ঘাড় বাঁকানো’। মানুষও অহংকারের বশে ‘ঘাড় ত্যাড়া’ করে।৮. অহংকার প্রসঙ্গে উপদেশ : ‘পৃথিবীতে গর্বভরে পদাচারণ কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৮ (শেষাংশ)অন্যত্র আছে, ‘ভূ-পৃষ্ঠে দম্ভভরে বিচরণ করো না, তুমি কখনোই ভূ-পৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনোই পর্বতপ্রমাণ হতে পারবে না। ’ (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩৭)৯. লোকমান (আ.) সন্তানকে বিনয়ের উপদেশ দিয়েছেন : ‘পদচারণে মধ্যবর্তীতা অবলম্বন কোরো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৯ প্রথমাংশ)১০. আকর্ষণীয় ভাষা মানুষকে বিমোহিত করে। লোকমানের (আ.) উপদেশ : ‘কণ্ঠ নিচু করো। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।’ (সুরা লোকমান : ১৯ (শেষাংশ)
লোকমান হাকিম। তার জ্ঞান-প্রজ্ঞার পরিচিতি-প্রসিদ্ধি জাহানজুড়ে। তাকে বিশেষ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করা হয়েছিল, যেমন খিজির আলাইহিস সালামকে দেওয়া হয়েছিল। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তার কথাকে কোরআনে মানুষের নসিহত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার নামে পবিত্র কোরআনে একটি সুরা অবতীর্ণ হয়েছে। নিজের ছেলেকে দেওয়া তার উপদেশবাণী বিশ্বখ্যাত।
লোকমান (আ.) পুত্রকে দেওয়া ১০০টি উপদেশের ৪০টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তার ১০টি উপদেশ তুলে ধরা হল-
১. লোকমান (আ.) ছেলেকে বলেন, ‘হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা মহা অন্যায়। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৩) মানবজীবনে তাওহিদই সব কাজের গ্রহণযোগ্যতা, বিশুদ্ধতার মানদণ্ড এবং পারলৌকিক মুক্তির শর্ত ও সোপান।
২. ‘আর আমি মানুষকে তার মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দুই বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে আমার প্রতি ও তোমার মাতা-পিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই কাছে ফিরে আসতে হবে। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৪)
প্রণিধানযোগ্য, মানুষের বিকাশধারা থেমে যেত, যদি মাতা-পিতা সযত্ন প্রয়াসে প্রজন্মান্তরে মানবসত্তাকে মেলে না ধরতেন।
৩. লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘মাতা-পিতা যদি তোমাকে আমার সঙ্গে এমন বিষয়কে শরিক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে সহাবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদের জ্ঞাত করবো।’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৫)
৪. নামাজ সম্পর্কে লোকমান (আ.) বলেন, ‘হে বৎস, নামাজ কায়েম করো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৭ (প্রথমাংশ)
৫. সন্তানকে নম্রতা ও বিনয়ের শিক্ষা দিয়ে লোকমান (আ.) বলেন, ‘সৎ কাজে আদেশ দাও, মন্দ কাজে নিষেধ করো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৭ (মধ্যাংশ)
৬. লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘বিপদাপদে সবর করো। নিশ্চয়ই এটা সাহসিকতার কাজ। ’ (সুরা লোকমান : ১৭ শেষাংশ)।
৭. মানুষের দিক থেকে মুখ ফেরানো মনুষ্যত্বের কলঙ্ক। লোকমান (আ.)-এর উপদেশ : ‘অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা কোরো না। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : (১৮ প্রথমাংশ)
আয়াতের মূল শব্দের মূল অর্থ : ‘উটের ঘাড় বাঁকানো’। মানুষও অহংকারের বশে ‘ঘাড় ত্যাড়া’ করে।
৮. অহংকার প্রসঙ্গে উপদেশ : ‘পৃথিবীতে গর্বভরে পদাচারণ কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৮ (শেষাংশ)
অন্যত্র আছে, ‘ভূ-পৃষ্ঠে দম্ভভরে বিচরণ করো না, তুমি কখনোই ভূ-পৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনোই পর্বতপ্রমাণ হতে পারবে না। ’ (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩৭)
৯. লোকমান (আ.) সন্তানকে বিনয়ের উপদেশ দিয়েছেন : ‘পদচারণে মধ্যবর্তীতা অবলম্বন কোরো। ’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৯ প্রথমাংশ)
১০. আকর্ষণীয় ভাষা মানুষকে বিমোহিত করে। লোকমানের (আ.) উপদেশ : ‘কণ্ঠ নিচু করো। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।’ (সুরা লোকমান : ১৯ (শেষাংশ)
08/01/2025
*সুন্দর জীবন গঠনে মুফতি তাকি উসমানীর মূল্যবান নসিহত*
একবার শায়খুল হাদিস মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী...?
তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:
১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।
২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।
৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।
৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।
৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।
৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।
৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।
৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।
১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।
১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।
১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।
১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।
১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।
২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।
সর্বশেষ এই দুয়া শিখে সর্বদা পাঠ কর। পেরেশান অবস্থায় অনেক উপকারে আসবে...
رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا
(সূরা কাহাফ, আয়াত- ১০)