Saadi Chowdhury

Saadi Chowdhury

Share

Social Welfare. Alhamdulillah.

04/07/2025

স্বামী প্রচুর পরিমাণে আমাকে ভালবাসে। আমার জীবনের সকল অপূর্ণ স্বপ্নগুলোকে পুরণ করে দেওয়ার জন্য, তিনি সর্বোচ্চভাবে চেষ্টা করে এবং বাস্তবায়িত করে।

বিয়ের পূর্বে ভাবতাম স্বামী আমার জীবনের স্বাধীনতা ও পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে! বিয়ের পর এমন একজন স্বামীকে পেয়ে আমি ধন্য। আমার জীবনে কোন অভিযোগ নেই, নেই কোন দুঃখ মান অভিমান এমন একজন জীবন সাথী পেয়ে।

স্বামীর এ প্রশংসা গুলো বান্ধবীদের মহলে আলোচনা করেছিলাম। আর সেখানে বান্ধবীরা খুব কৌতূহল ভাবে তাকিয়ে, আমার কথাগুলো অপলক দৃষ্টিতে শ্রবণ করতে ছিল।

অতপর , সেদিন থেকে সপ্তাহের রং পরিবর্তন না হতে স্বামী আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছিল।

“বদ “ নজর কতটা ভয়ংকর ভাবে কাজ করতে পারে !

সেটা আমি ওই দিনের পর থেকে প্রতিটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে বুঝতে সক্ষম হলাম। অতপর স্বামী স্ত্রী সম্মিলিতভাবে রুকিয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে দেন।

ঐ দিনের পর থেকে স্বামী কিংবা নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কোন গুনাগুন কারো নিকট প্রকাশ করি না।

জীবনের ডায়েরি থেকে শো অফ শব্দটি মুছে দিয়েছি...।

ভালো যে কোন কিছু শিক্ষার জন্য মনে হিংসা না রেখে শেয়ার করা জরুরী।
~সংগৃহীত।

04/07/2025
31/05/2025

ভাগ্যবান একজন মানুষ সুবাহানাল্লাহ লক্ষ লক্ষ মানুষের মুখে "লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক" ধ্বনি,আল্লাহ যেনো আমাদেরও এখানে একদিন কবুল করে।
(আমিন)

27/05/2025

ড.ইউনূস সরকার আসল যুদ্ধটা শুরু করেছেন বাংলাদেশের গরিব জনসাধারণের জন্য।
সরকারি চাকরি করা "নমরুদদের" সাথে যুদ্ধ , যাদের স্যার না ডাকলে আর ঘুষ না দিলে কাজ হয় না, যারা বাংলাদেশের লজ্বা ।অনেকের মধ্য হতে কিছু ঘৃণিত এদের যৌক্তিক কারনে দোষি হলে তবেই “বরখাস্ত” করার আইন সরকার করতে যাইতেছে।আইন সবার জন্য সমান।

গত ৫৩ বছর দেশটাকে এই নমরুদরা নিজের করে রাখছে।কাজ করে না। স্কিল নাই। লাঞ্চের পরে আসেন। আর ঘুষ তো আছেই। লীগের পক্ষে থাকা নমরুদ গুলো আর ইন্ডিয়ার ফেভারে থাকা নমরুদ গুলো আওয়ামীলীগ ও ভারতের পক্ষে কাজ না করলেই, সাথে সাথে তলব, বদলির হুমকি ,মিথ্যাচার, নির্যাতন এদের এতো ঔদ্ধত্য কই থেকে আসে জানেন ?
এদের সর্বোচ্চ শাস্তি বদলি। ব্রিটিশরা আইন করে গেছে, সরকারি আমলারাই দেশের মালিক। তাদের চাকরি একবার হলে আর যাবে না।যেন মগের মুল্লুক ।

৭১ এর পরেও মুজিব এদের ঘাটায় নাই।
৭৫ এর পর জিয়া এদের গায়ে হাত দিতে পারে নাই তবে ড.ইউনূস সরকার এবার নমরুদদের ঘাটাইতে যাইতেছে। সাত্তার সরকার কতজন সরকারি চাকুরিজিবীদের বরখাস্ত করেছিল মনে করে দেখেন । তাই শিক্ষিত নতুন প্রযন্ম দাড়িয়ে আছে হাল ধরার জন্য,ইনশাআল্লাহ ।

আগে #ঘুষ খাইলে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিলো #বদলি। এবার হবে #বরখাস্ত, হা, সেইজন্য নমরুদরা শেখ হাসিনা সেজেছে ।
বাট ফ্যাক্ট ইজ, অলরেডি #আমলারা আন্দোলনের প্ল্যান করে ফেলেছে। আইন হওয়ার সাথে সাথে সারা #বাংলাদেশ অচল করে দেবে, কর্মবিরতি দেবে, এমনকি সরকার পড়েও যাইতে পারে।

স্বাভাবিক। যেই নমরুদরা ৫৩ বছর ধরে চালিয়ে আসছে, সেই ঘুষ, অনিয়ম আর, দুর্নীতির শয়তানি কেন ছাড়বে ?

এই যুদ্ধে ড.ইউনূসের সরকার একা জিততে পারবে না। আপনারে আমাদের সাধারন মানুষদের লাগবে, আল্লাহ ভরসা। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সাধারণ মানুষের পক্ষে পাশে দাঁড়ায়, তাহলে এই পরিবর্তনটা সম্ভব।

হয় এবারেই, নাহলে কখনোই না আর রাজনৈতিক দলগুলো যদি ভারতে পালানো হাসিনার আওয়ামীলীগের মতো আমলাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে , আমাকে আপনাকে আবার ঘুষ দিতে হবে, ওদের অত্যাচার সহ্য করতে হবে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো দাবি করে, তারা মানুষের কথা ভাবে।
সবাই দাবি করে, তারা মানুষের জন্য কাজ করে।

এইবার এইটা প্রমাণের পালা। হা, আমজনতা প্রমাণ দেখতে চায় রাজনৈতিক দল গুলো আমলাদের কাছ হতে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে জনগনের বিরুদ্ধে যাবে না আমলাদের পক্ষে থাকে ?

দুর্নীতি, ঘুষ আর অনিয়মের আখড়া সরকারি অফিসগুলোর সংস্কারের বড় একটা ধাপ রেডি। সাধারণ মানুষ বনাম দুর্নীতিবাজ আমলাদের যুদ্ধের প্লটও রেডি।

এইবার দেখা যাবে, কোন রাজনৈতিক দল জনগনের পক্ষে দাঁড়ায় আর কোন রাজনৈতিক দল দুর্নীতিবাজ আমলাদের পক্ষে দাঁড়ায়।

ইউনূস সরকার দশ মাসে কোন সংস্কার করতে পারে নাই বলে ফেনা তোলা রাজনীতিবিদদের সামনে বিশাল এক সংস্কার চলে আসছে।

এবার দেখার পালা, সংস্কার কি ইউনূস করতে পারতেছে না ? নাকি তাকে আসলে করতে দেওয়া হচ্ছে না ?

বিএনপি-জামাত-এনসিপি...যে কোন রাজনৈতিক দল সবাইরে আমজনতা নজরে রাখছে। যে বা যারা আমলা এই নমরুদদের সাথে ২০২৫ যুদ্ধে জনগণের পক্ষে থাকবে , তারাই হল বাংলাদেশপন্থী, আমাদের ভাই-বোন, আপনজন। Please শেয়ার করুন।

মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করছি।

30/04/2025

অনেক আবেগ হলো ভাইরাল নিউজ নিয়ে । কেও কেও Fb প্রফাইল পিক করলো ! এবার আমরা বাস্তবে আসি । গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের হাতে ৪,৬১৪টি ট্যাঙ্ক আছে। রকেট আর্টিলারির সংখ্যা ৭০২। ১,৫১,২৪৮টি গাড়ি আছে। সেই সঙ্গে ভারতের কাছে প্রচুর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আছে। সর্বোপরি ভারত পরমাণু শক্তিধর বড়দেশ।১৪৫ কোটি জনসংখ্যা আছে।

আর এদিকে আমাদের কি আছে জানেন ?
৩২০টি ট্যাঙ্ক আছে। গাড়ির সংখ্যা হল ১৩,১০০। রকেট আর্টিলারির সংখ্যা হল ৭১। পারমাণবিক নাই। গত ১৬ বছরে চরিত্র ও শেষ । জনসংখ্যা ১৮ কোটি।

এবার কথা হইলো ভারত বাংলাদেশের প্রতি আক্রমণাত্মক হলে প্রতিহত করবেন ক্যামনে ? ফেসবুকে ? What’s app ? গালাগালি করে ?

দেশের জাতীয় গণমাধ্যম ছবিটা দিয়ে নিউজ করছে," বিএসএফ পা ধরে ক্ষমা চাইছে"। ভিউ ব্যবসায়ীদের কাউন্টার অ্যাটাকের কথা নাই বললাম।

কথা হইলো , আজকে বিএসফ ট্যাপে পড়ে ক্ষমা চাইছে ,কালকে আল্লাহ না করে আমরা ট্যাপে পড়লে আব্বা ডাকলেও ক্ষমা করবেনা ভারত। পূর্বে ও লাশ ফেলেছে এবার প্ল্যান করে সীমান্তে ধুমধাম কয়েকটা লাশ ফেলে দিবে আর অভাগার মতো বিচার চাইবো আমরা তখন।

নিশ্চিত থাকেন ,আজকের ট্রলের প্রতিশোধ তারা নিবে নিশ্চিত থাকেন। তবে এই প্রতিশোধ ট্যাকেল দেওয়ার মতো ক্ষমতা আছে তো আমাদের ??
নাকি এখনো আবেগে নাচতেছি !

আমাদের দরকার বিমান, মিজাইল ,রকেট, ড্রোন, যুদ্ধ জাহাজ।দরকার দেশ প্রেম ও ঐক্য । শক্তিশালী মিলিটারি দরকার কারণ এ উপমহাদেশে বাঁচতে চাইলে "ইসরা//য়েলের" মতো শক্তিশালী হইতে হবে ।

এ নিয়ে কারো মাথা ব্যথাও নাই , লজ্জাও নাই ! এই দিকে কারো হুশও নাই"!
এ নিয়ে কোন আন্দোলন প্রতিবাদ নাই !

আর দেশে কি আছে ! রাজনীতি আছে, তেলবাজি আছে, বড় বড় দুর্নীতিবাজ আছে , চাঁপাবাজ আছে।

চীনপন্থী ,পাকিস্তানপন্থী ,
ভারতপন্থী , আরো কতো ?
আমরা খুব আশাবাদী কেউ আমাদের আক্রমণ করলে চীন পাকিস্তান সাহায্য করবে ? এই আশা নিয়ে দিন গোনেন ভাই । যেদিন সত্যিই বাঘের গল্প ঠিক হয়ে যাবে , সেদিন বুঝবেন !!!

মনে রাখতে হবে, শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে অভিশাপ কাজে আসে না। যুদ্ধে সবসময় অস্ত্র কথা বলে।
অপেক্ষা,শান্তি ,আশা দূর্বলদের জন্য।
সত্য খুব-ই তেতো ॥

18/03/2025

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জন্য গঠিত। এখানে আখেরাতের কোন বিষয় নেই ।আপনি যে মিডিয়া দেখেন, যে পরামর্শ শুনেন—সবকিছুই সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয় আপনাকে কর্মজীবনের দৌড়ে ফাঁসিয়ে রাখার জন্য, যাতে তারা আরও উপরে উঠতে পারে। কিন্তু এবার পর্দা সরানোর সময় এসেছে এবং সেই সত্যগুলো জানার সময় এসেছে যা ধনী ব্যক্তিরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না। প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই তথ্যগুলো আপনার বিশ্বাসের অনেক ভ্রান্তি ভেঙে দিতে পারে।

১. কঠোর পরিশ্রম আপনাকে ধনী করবে না , ভুলেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ত্যাগ করবেন না কাজের বাহানায় ।

হ্যাঁ, তারা আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে বলে, কিন্তু সত্যটা জানে—ধনী হওয়ার মূল চাবিকাঠি শ্রম নয়, লেভারেজ। মানে, যখন আপনি অতিরিক্ত সময় কাজ করে আপনার শক্তি খরচ করছেন, তারা অন্যের সময়, অর্থ এবং দক্ষতাকে ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে।

২. তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন যে টাকা খারাপ জিনিস।

আপনি যদি মনে করেন টাকা লোভ এবং দুর্নীতির প্রতীক, তাহলে আপনি কখনো এটি অর্জনের জন্য আত্মবিশ্বাসী হবেন না। অথচ ধনীরা জানে যে অর্থ কেবল একটি হাতিয়ার—যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রভাব বিস্তারের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।

৩. সঞ্চয় আপনাকে ধনী করবে না

তারা বলে "সঞ্চয় করুন এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন", কিন্তু নিজেরা তা করে না। তারা বিনিয়োগ করে বড় ঝুঁকি ও বড় লাভের সুযোগে—স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, স্টক মার্কেট এবং ব্যবসায়, যা তাদের সম্পদকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

৪. শিক্ষাব্যবস্থা আসলে একটি ফাঁদঃ

শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে আজ্ঞাবহ কর্মচারী বানানো, উদ্যোক্তা বা ঝুঁকি গ্রহণকারী নয়। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে অর্থের জন্য কাজ করতে হয়, কিন্তু ধনী ব্যক্তিরা শেখে কীভাবে অর্থকে তাদের জন্য কাজ করানো যায়।

৫. কর ব্যবস্থা ধনীদের জন্য সুবিধাজনকভাবে তৈরি

তারা জানে কর কমানোর উপায়, আইনি ফাঁকফোকর এবং বিভিন্ন কর সুবিধা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। ধনীরা বেতনভোগী নয়, তারা সম্পদের মালিক—আর সম্পদের ওপর “করের” হার ভিন্ন।

৬. ঋণ হলো শক্তিশালী অস্ত্র—যদি আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেন

তারা চায় আপনি ঋণকে ভয় পান, কিন্তু ধনীরা ঋণকে ব্যবহার করে আরও বেশি সম্পদ অর্জন করতে। তারা অন্যের অর্থ (OPM) দিয়ে বিনিয়োগ করে এমন সম্পদ কেনে, যা তাদের জন্য নিয়মিত আয় সৃষ্টি করে এবং সেই আয় দিয়েই ঋণ শোধ হয়ে যায়।

৭. আপনার ভোগবাদ তাদের বিলাসী জীবনযাত্রার মূল কারণ

প্রতিবার যখন আপনি নতুন মোবাইল, ফ্যাশনেবল পোশাক, ঈদে বাসার ফারনিচার পরিবর্তন বা দামি কফি কিনছেন, তখন আসলে আপনি তাদের পকেটেই অর্থ ঢালছেন। অন্যদিকে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে এমন সম্পদে, যা সময়ের সঙ্গে আরও মূল্যবান হয়।

৮. পরিচিতি প্রতিভার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ঃ

তারা চায় না আপনি জানেন যে সঠিক মানুষের সংস্পর্শ আপনার জন্য অমূল্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তারা নিজেদের জন্য একটি এলিট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা তাদের ধনী থাকার সুযোগ নিশ্চিত করে এবং বাইরের লোকদের প্রবেশের পথ বন্ধ রাখে।

৯. সময় হলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ

তারা সময় নষ্ট করে না। তারা এমন কাজ করে না যা অন্যরা করতে পারে। তারা মানুষ নিয়োগ করে তাদের জন্য কাজ করাতে, যাতে তারা সম্পদ গঠনের ওপর ফোকাস করতে পারে।

১০. শেয়ার বাজার তাদের সুবিধার জন্য নিয়ন্ত্রিত

আপনার শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত মুনাফার আশা থাকলেও, তারা ইন্সাইডার তথ্য, স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং বিশাল মূলধন ব্যবহার করে বাজারকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করে।

১১. ব্যর্থতা তাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা

তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না, বরং প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখে। কিন্তু আপনাকে শেখানো হয় নিরাপদ খেলা খেলতে, ঝুঁকি না নিতে। ধনীরা জানে বড় পুরস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নেওয়া লাগে।

১২. তারা চায় আপনি অজ্ঞ থাকুন

যত কম আপনি অর্থ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্পর্কে জানবেন, তত বেশি তারা আপনার শ্রম, সময় এবং ভোক্তাস্বভাবকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আরও ধনী করে তুলবে।

তাহলে আপনাকে, আমাকে কী করতে হবে ?

এই নিয়ন্ত্রিত খেলায় আর অংশ নেবেন না। টাকার ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করুন, ইনভেস্টরের মতো চিন্তা করতে শিখুন, এবং ভোগের পরিবর্তে “সম্পদের” মালিক হওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। গড়পড়তা জীবনের শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলুন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন , অর্থ বুঝে কুরআন -সহীহ হাদিস পড়ুন । মিথ্যা ত্যাগ করুন ।
ছোট ছোট জমি , ছোট ছোট বাড়ি কিনুন, দোকান কিনুন। সময় হলে বিক্রি করে বড় জমি-বাড়ি কিনুন । এখনই সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার, যাতে আপনি সেই সম্পদ এবং ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন যা ধনীরা আপনাকে পেতে দিতে চায় না।❤️

10/03/2025

ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হবার পরে খবর এবং টেলিভিশন হচ্ছে রীতিমতো এক বিনোদনের মাধ্যম। রাগ, বিস্ময়, হতাশা, অভিমান, আনন্দ, ভয় সব ধরনের অনুভূতি পাওয়ার মত উপাদান পাওয়া যাচ্ছে শুধুমাত্র খবর দেখে। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর নেতৃত্বে (নাকি ইলন মাস্ক এর?) যুক্তরাষ্ট্র তার ফরেন পলিসিতে বিশাল আকারের পরিবর্তন এনেছে-
১। সে তার বহু বছরের পুরনো মিত্র রাষ্ট্র ইউক্রেনকে একরকম পরিত্যাগ করেছে বলা যায়। ৩০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বুদাপেস্ট চুক্তির মাধ্যমে যে তারা সবসময় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। তারা তো সেই চুক্তি ভঙ্গন করেছেই বরং উল্টো এখন তাদের খনিজ সম্পদের অর্ধেক দাবি করে বসেছে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে যে এতদিনের প্রতিরক্ষাতে আমেরিকা যে পরিমাণ খরচ করেছে, তার প্রতিদান হিসেবে এই দাবি খুবই যৌক্তিক।
২। এদিকে কানাডা এবং মেক্সিকোর মত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথেও রীতিমতো বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে বর্তমান প্রশাসন। তাদের প্রত্যেকটি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে টেরিফ বসিয়ে দিয়েছে, অর্থনৈতিকভাবে তাতে আমেরিকার খুব একটা লাভ হবে না, কিন্তু বাকি দুই দেশের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে ক্ষতিটা তাদের বেশি হবে।
৩। এদিকে ট্রাম্প ডেনমার্ক এর কাছে গ্রিনল্যান্ড দেশটাকে চেয়ে বসেছে এবং মোটামুটি বলা যায় জোর করে কিনে নিতে চাইছে।
৪। ওদিকে পানামা দেশটির কাছে তাদের মহা গুরুত্বপূর্ণ পানামা খাল এর মালিকানা ফেরত নিতে চাইছে। এই খাল আসলে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ারদেরই তৈরি করা, কিন্তু এটাকে হস্তান্তর করা হয়েছিল পানামার কাছে, যেটা এখন ফেরত চাওয়া হচ্ছে। এই পানামা খাল হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে আটলান্টিক মহাসাগরের একমাত্র শর্টকাট। এই খালটি প্রাকৃতিকভাবে না থাকার কারণে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে অনেক খরচ করে। এই খালটি না থাকলে কয়েক হাজার মাইল ঘুরে পুরো দক্ষিণ আমেরিকার চারপাশ ঘুরে দক্ষিণে অথবা কানাডার উত্তর দিকে বরফ না থাকলে সেখান দিয়ে যাতায়াত করা লাগবে। তাতে সময় এবং অর্থ দুটিই বহু গুণে বেশি লাগবে। গত বেশ কয়েক বছর ধরে খালটির নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন চাইনিজ কোম্পানির উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ার কারণে আমেরিকা এই পদক্ষেপ নিতে চাইছে।
৫। আমেরিকার ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করার এই প্রতিষ্ঠানটি কিন্তু আমেরিকার নিজেরই তৈরি। বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করার মত বিভিন্ন রকম প্রজেক্টে এই প্রতিষ্ঠান সুনামের সাথে বহু বছর ধরে কাজ করে আসছে।
৬। শুধু তাই নয়, তারা USAID (United States Agency for International Development) এর মত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে চাইছে, যেটার কাজই হচ্ছে বিভিন্ন দেশে দরিদ্র মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করা। অন্যান্য ধনী দেশগুলোর চেয়ে আমেরিকা এই কাজটা অনেক বেশি করে থাকে এবং সেটা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই তারা করে আসছে। USAID এর টাকা বন্ধ করে দিলে বিভিন্ন দেশের এমন কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে যেগুলো গরিব মানুষের একমাত্র অবলম্বন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় বাংলাদেশের মহাখালীর আইসিডিডিআরবি।
ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য হচ্ছে বহু বছর ধরে এই অর্থ দিয়ে আসা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এবং এতদিনে তাদের স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেদের অর্থে নিজেদের চলার মত ব্যবস্থা করে নেওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে আমেরিকার প্রতি বিদ্বেষ দেখা যায়। কিন্তু আমেরিকার করা অসংখ্য ভালো কাজগুলোর কথা সারা পৃথিবীর মানুষ খুব একটা বলে না। ট্রাম্প তাই সেই ভালো কাজগুলো বন্ধ করে দিয়ে অন্য দেশের মানুষকে বুঝিয়ে দিতে চাইছে- যে আমরা আমাদের নিজের পয়সা খরচ করে এই কাজগুলো না করলে তোমাদের অবস্থা আরো খারাপ হবে। সুতরাং তোমাদের উচিত আমাদের প্রতি আরেকটু কৃতজ্ঞতা দেখানো।
যেই ট্যারিফ এর কথা বলা হচ্ছে সেটি কিন্তু সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক লেনদেনের যে নিয়মগুলো মানা হয় সেগুলোর পরিপন্থী। এই নিয়মগুলো কয়েক দশক ধরে আমেরিকাই তৈরি করেছে।
এই সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী আচরণ সারা বিশ্বের সবগুলো দেশ অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে। এবং সারা বিশ্বের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে অপ্রত্যাশিত কিছু বিপ্লব ঘটে যাওয়ার মত অবস্থা তৈরি হয়েছে।
সিঙ্গাপুর একটি অত্যন্ত উন্নত দেশ। এর অবস্থান চায়নার খুব কাছাকাছি হলেও দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই দেশটি ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আমেরিকার সাথে খুব ভালো সম্পর্ক সব সময় বজায় রাখে। খুব ছোট দেশ হওয়ার কারণে তাদের ফোকাস কিন্তু কেবলমাত্র ব্যবসা-বাণিজ্য ভিত্তিক। এখানে প্রতিরক্ষা খাতে অনেক বেশি ব্যয় করার মত পদক্ষেপ তাদের কখনোই নিতে দেখা যায়নি। তারপরও দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Ng Eng Hen) যখন একটি কথা বলেন তখন একে গুরুত্বের সাথে নেওয়ার কারণ থাকে। তিনি বলেছেন, "আমরা আগে যুক্তরাষ্ট্রকে চিনতাম সারা বিশ্বের ত্রাতা হিসেবে, কিন্তু সেই ভাবমূর্তি এখন পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথমে তাদের কাজকর্মে মনে হল তারা সারা বিশ্বের নিয়ম কানুনকে পুরোপুরি পরিবর্তন করে দিতে চাইছে, এরপরে মনে হল কোন এক বাড়িওয়ালা ভাড়া চাইতে এসেছে ভাড়াটিয়ার কাছে, কারণ অনেক মাসের ভাড়া বাকি পড়েছে।"
সম্প্রতি সিনিয়র মন্ত্রী লি সিএন লুং বেশ বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র এখন আর পৃথিবীর নিয়ম কানুন ঠিক করে দেওয়ার মত অবস্থায় নেই। তাদের এই আচরণের কারণেই সারা বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে ভূ রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহ কেমন হবে, সেটা আগে থেকে বলার কোন উপায় থাকল না।"
সম্প্রতি জার্মানিতে হয়ে যাওয়া নির্বাচন এর পরে যিনি চ্যানসেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হিসেবে মনে করা হচ্ছে তার নাম হচ্ছে ফ্রেডরিক মার্জ। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, "এই মুহূর্তে আমার সবচেয়ে আগে যে কাজটি করতে হবে সেটা হচ্ছে ইউরোপের সামরিক শক্তি দ্রুত বাড়ানো। আমাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের থেকে নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে। আমি কোনদিন ভাবিনি যে আমাকে এই কথাগুলো বলতে হবে, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কিছু বক্তব্যের পরে এটা আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, আমেরিকা, অন্তত এর বর্তমান সরকার, ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে খুব একটা ভাবতে চায় না। "
পৃথিবীতে হয়ে যাওয়া দুই দুইটা বিশ্বযুদ্ধের মূল কারণ ছিল জার্মানি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে আমেরিকা যে বিশ্বনীতি তৈরি করেছে তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল জার্মানকে ঠান্ডা রাখা, যেন আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ না হয়। এখন যদি আমেরিকার বলয় থেকে জার্মান বেরিয়ে যায় তাহলে সে এই বিশ্বনীতি আর থাকবে না।
এমনকি যাদের সাথে তাদের বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল সেই মিত্র বাহিনী অর্থাৎ যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের সাথে তারা একটি যৌথ শক্তি গঠন করতে চাচ্ছে যাদের কাছে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে। কারণ জার্মানির এখন সেই আত্মবিশ্বাস নেই যে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের সময় তাদেরকে সাহায্য করবে। বিপদ বলতে রাশিয়ার সাথে তাদের কোন একটি সম্ভাব্য যুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে। এই ভয় থেকেই কিন্তু ন্যাটো তৈরি হয়।
এদিকে তাইওয়ানের জনগণ খুব ভয়ে ভয়ে পর্যবেক্ষণ করছে আমেরিকার সাথে কিভাবে ইউক্রেনের সম্পর্ক দ্রুত অবনতি হয়েছে। ইউক্রেন যেমন শক্তিশালী একটি শত্রু দেশের পাশে অবস্থান করে, ঠিক তেমনি তাইওয়ানও শক্তিশালী চায়নার পাশে। আমেরিকার বন্ধু হিসেবে এতদিন তার বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সম্প্রতি চায়নার বিভিন্ন উস্কানিমূলক আচরণের বিপরীতে তাইওয়ানকে কোন সহায়তার কথা না বলে ট্রাম্প প্রশাসন বরং তাদেরকে নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে যথেষ্ট ব্যয় না করার জন্য ভৎসনা করেছে। এমনকি এই আশেপাশের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো আশঙ্কা করছে, ট্রাম্প হয়তো চায়নার সাথে হাত মিলিয়ে গোপনে তাদেরকে বর্জন করবে ঠিক ইউক্রেনের মতো।
আমেরিকার এই কাজকর্মগুলো কিন্তু বিশাল প্রভাব ফেলবে বিশ্ব রাজনীতিতে। ভুরাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হবে বিভিন্ন দিকে। যেসব দেশের হাতে অর্থ আছে, যেমন জার্মানি এবং জাপান, কিন্তু প্রতিরক্ষা খাতে তেমন ব্যয় করছে না, তারা কিন্তু এখন নিজেদের ভাবনাটা নিজেরাই ভাবতে শুরু করবে এবং সামরিক শক্তি বাড়ানোর পদক্ষেপ নিবে। এমনকি দক্ষিণ কোরিয়াও এই দলে যোগ দিতে পারে। গত ৮০ বছরে আমরা দেখেছি যে সব দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকে, তাদেরকে সবাই সমীহ করে চলে। তাই আমেরিকার প্রতিরক্ষা গ্যারান্টি না পেলে তারা সেই পথে পা বাড়াবে - এটাই অনুমান করা হচ্ছে। যতদিন আমেরিকা সারা দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে গিয়ে বন্ধুত্ব তৈরি করেছে এবং তাদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে, ততদিন আমরা দেখেছি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীর ক্ষেত্রে কাউকেই খুব একটা মনোযোগী না হতে। গত ৮০ বছর ধরেই মনে করা হচ্ছিল- এটা পৃথিবীর জন্য নিরাপদ একটি পদক্ষেপ। খুব অল্প সংখ্যক দেশই আছে যারা এমন ব্যাপক বিধ্বংসী মারনাস্ত্রের অধিকারী।
যেহেতু এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ আমেরিকার কাছ থেকে নিজেদের 'স্বাধীনতা' ফিরে পেতে চাইছে, সেহেতু তারা প্রতিরক্ষার সাথে সাথে অন্যান্য নির্ভরশীলতা কমাতে চাইবে। পরবর্তী ধাপে হয়তোবা তারা মার্কিন ডলার দিয়ে বাণিজ্য করা থেকে বিরত থাকতে চাইবে। এই চেষ্টাটা অনেক বার করা হয়েছে অনেক দেশে, কিন্তু কেউ সফল হতে পারেনি কিংবা তাদেরকে সফল হতে দেওয়া হয়নি। এই মুহূর্তে ব্রিকস (BRICS - Brazil, Russia, India, China, South Africa) নামক জোটের দেশগুলো সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে কয়েক বছর ধরে, কিন্তু সফলতা সেভাবে আসেনি। যদিও তাদের সদস্য সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। সমস্যা হচ্ছে এদের একটি দেশের মুদ্রার উপর অন্য দেশের আত্মবিশ্বাস নেই। তাই বড় বড় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এখনো মার্কিন ডলার পৃথিবীর সব দেশের প্রথম পছন্দ।
এই ক্ষেত্রে ইউরোপ হয়তোবা সত্তিকারের একটি বিকল্প পদক্ষেপ নিতে পারে- যেটি মার্কিন ডলারকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করবে। হয়তোবা তারা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পক্ষ থেকে EU বন্ড ছাড়তে পারে, যেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের মত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ড কিনে রাখে এবং সেখান থেকে আমেরিকার যথেষ্ট অর্থের যোগান হয়। যদি EU বন্ড US ট্রেজারি বন্ড এর বিকল্প হয় তখন এর মূল্য কমে আসতে পারে! সারা বিশ্বের মুদ্রা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার যেই বিলাসিতা এখন যুক্তরাষ্ট্রের আছে তখন সেটা থাকবে না। সারা বিশ্বের সকল দেশের রিজার্ভ কারেন্সি মার্কিন ডলারে জমা রাখে সবাই। এই কারণে এত বড় ডেফিসিট কিংবা অর্থনৈতিক ঘাটতি থাকার পরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বহাল তবিয়তে তাদের অর্থনীতির কোনরকম পরিচর্যা করছে না। এই সুবিধা খুব দ্রুত হয়তোবা চলে যাবে। এই সবগুলো ঘটনা যে দুটো দেশকে লাভবান করবে, তারা হচ্ছে রাশিয়া এবং চায়না। তাদের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে বিশ্বব্যাপী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দুর্বল থেকে দুর্বলতর করা। রাশিয়ান এক অর্থনীতিবিদ সম্প্রতি বলেছেন, দেখে মনে হচ্ছে রাশিয়াতে ঈদ, ক্রিসমাস, পূজা, হানুকা এবং পুতিনের জন্মদিন সব একই সাথে উদযাপন হচ্ছে!
যারা ভাবছেন যে আসলেই এখন উপযুক্ত সময় আমেরিকার বলয় থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশকে বের করে দেওয়ার, কারণ আমেরিকা নিজেই অর্থনীতিতে খুব একটা ভালো করছে না- তাদেরকে আমি বলব লাভ ক্ষতির হিসাবটা আরেকবার চিন্তা করে দেখুন। পুরো বিশ্বের রাজনীতি অর্থনীতি এবং সংস্কৃতি গত ৮০ বছরে তিলে তিলে গড়ে তুলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবং এই কারণেই গত ৮০ বছরে বড়সড় যুদ্ধ বহুবার এড়ানো গিয়েছে। বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়াও সারা বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে শান্তি থাকার কারণেই। বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক স্বাভাবিকতা এবং নিয়ম-কানুন গুলো তৈরি হয়েছে এই আমেরিকান প্রভাবেই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে বিশ্বব্যাপী এত দ্রুত উন্নয়ন আর কখনোই ঘটেনি। আর এর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী দেশটির নাম হচ্ছে আমেরিকা।
সারা বিশ্ব থেকে সেরা ট্যালেন্ট গুলোর সমাবেশ ঘটে এই দেশে এবং সেই ট্যালেন্টদের কাজগুলোর প্রকাশ ঘটে এই দেশে, তাই সেখান থেকে সুবিধা তারাই পায়। শুধু শুধু আমেরিকাতে এত বুদ্ধিমান মানুষের একজোট হওয়ার কোন কারণ নেই। এটা ভাবার কোন কারণ নেই কেবল আমেরিকাতেই বেশি সক্ষম মানুষের জন্ম হয়। বরং সারা বিশ্ব থেকে সক্ষম মানুষরা আমেরিকার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে চলে আসে। যুগে যুগে এভাবেই বড় বড় সভ্যতা গুলো গড়ে উঠেছে, কারণ তারা অন্যান্য দেশ থেকেও বিভিন্ন দিকে সক্ষম মানুষদেরকে আকৃষ্ট করতো। যদি আমেরিকার এই সুপ্রিমেসী সারাবিশ্বে বজায় না থাকে, তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হবে তাদেরই। এই বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব পৃথিবীর মানুষকে তাদের প্রতি আরো সন্দিহান এবং অসহিষ্ণু করে তুলবে। আমেরিকার অভিভাবকত্বহীন দুনিয়া হয়তোবা আমরা অচিরেই সামনে দেখতে পাবো।
আমি নিজে স্কুলে শ্রেণীতে প্রথম ছিলাম। শ্রেণীতে প্রথম হলেই যে ভালো নেতা হওয়া যায় এটা মোটেই ঠিক নয়, বরং তার জন্য বেশ কিছু গুণ আয়ত্ত করে নিতে হয়।
আমেরিকা হচ্ছে ক্লাসের ফার্স্টবয়, তাকে হিংসা কিংবা ঘৃণা করা সহজ। তাই সত্যিকারের নেতৃত্ব বজায় রাখতে হলে ফার্স্টবয়কে কিন্তু সংকীর্ণ মনের হলে চলবে না। তাকে ব্যবহার করে পিছিয়ে পড়া ছাত্ররা বিভিন্ন সময়ে বিপদ থেকে উদ্ধার পাবে, দাবি দাওয়া আদায় করবে, তাতে তার লাভ আপাতত না থাকলেও ভবিষ্যতে থাকবে। পিছিয়ে পড়া ছাত্ররা যদি আন্দোলন করে পরীক্ষাই হতে না দেয় তাহলে ফার্স্টবয় আর কিভাবেই বা ফার্স্ট হবে ❓
(কপি)

26/02/2025

বন্ধু , তোমার যদি খুব সুন্দর একটা পরিবার থাকে, এমন কিছু বন্ধু থাকে যারা কখনোই তোমার বিপক্ষে যাবে না, যদি টেবিলে তোমার খাবার প্রস্তুত থাকে আর মাথার উপর থাকে একটা ছাদ। তবে তুমি অনেক বেশি ভাগ্যবান। বিশ্বাস করো চিন্তার থেকেও অনেক ধনী একজন মানুষ তুমি।

আলহামদুলিল্লাহ ।

17/02/2025

খুব আগ্রহ করে মহান আল্লাহর কাছে চান।
বেশি বেশি দু'য়া করতে থাকুন। হাল ছেড়ে দিবেন নাহ। মনে রাখবেন আপনি এমন একজন মহান রবের কাছে চাচ্ছেন যিনি আপনার জানা অসম্ভবকে ও অতি সহজেই সম্ভব করতে পারেন।

দোয়া করতেই থাকুন, মহান আল্লাহর কাছে চান, না পেলে আবার ও চান, তবুও না পেলে কান্না করে চান, চাইতে-ই থাকুন, ইন শা আল্লাহ।

দোয়ার শক্তি এত বেশি যে তা বান্দার “তাকদির” পর্যন্ত বদলে দিতে পারে'। [তিরমিজী-২১৩৯] ❤️সুবাহান আল্লাহ॥

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Nasanal Hart Foundation, Pir Pur 2
Dhaka