Bangladesh Ansar and VDP

Bangladesh Ansar and VDP

Share

"শান্তি, শৃঙ্খলা, উন্নয়ন, নিরাপত্তায় সর্বত্র আমরা" - Motto of Force

"সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার" - Slogan of Force

Bangladesh Ansar & VDP is a disciplined force responsible for the preservation of internal security and law enforcement in Bangladesh. It is administered by the Ministry of Home Affairs of the Government of Bangladesh. It is the world's largest single force with 6.1 million active and reserved members

01/06/2026

**লঞ্চে যাত্রী ছদ্মবেশে মলম পার্টির লুটপাট ব্যর্থ: অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপে ১ জন আটক**

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে নৌপথে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন লঞ্চে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তারা সার্বক্ষণিক টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

১ জুন ২০২৬ (সোমবার) সকাল আনুমানিক ০৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম.ভি ইয়াদ ভোলা জেলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে লঞ্চটি ভোলা জেলার ইলিশাঘাট এলাকায় পৌঁছালে একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।

লঞ্চে যাত্রী ছদ্মবেশে থাকা মলম পার্টির সদস্যরা মো: নাসির হাজারী ও মো: শাহাবুদ্দিন নামের দুই যাত্রীকে কৌশলে টার্গেট করে। প্রথমে তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে পরে কৌশলে অজ্ঞান করে মালামাল লুটের চেষ্টা করা হয়।

ঘটনাটি লঞ্চে দায়িত্ব পালনরত অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের নজরে পড়ে। সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করার সঙ্গে সঙ্গেই তারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করেন। আনসার সদস্য মো: আসাদুল, মো: রিয়াজ এবং সঞ্জয় তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মলম পার্টির এক সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেন। আটক ব্যক্তির নাম ফারুক(৪৫)।

পরবর্তীতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ নৌঘাটে ভিড়িয়ে অচেতন যাত্রীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আনসার সদস্যদের সহায়তায় নাসির হাজারী ও শাহাবুদ্দিনকে দ্রুত মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১২,৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল যথাযথভাবে ভুক্তভোগীদের স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে আটক ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সদরঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হয়।

নৌপথে ঈদযাত্রায় যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা নিয়মিতভাবে সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের দ্রুত ও সমন্বিত তৎপরতায় একটি বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

#অঙ্গীভূত_আনসার #অপরাধ_প্রতিরোধ
#জননিরাপত্তা #সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার

01/06/2026

*মুগদা হাসপাতালে আনসার সদস্যদের তৎপরতায় ছিনতাইকারী আটক: পুলিশে সোপর্দ*

০১ জুন ২০২৬ (সোমবার) — রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। সোমবার সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আটক ছিনতাইকারীর নাম জিয়াউর রহমান (৪২)। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

সকালে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে যখন রোগীদের উপচে পড়া ভিড়, ঠিক তখনই এক সেবাগ্রহীতার মোবাইল ফোন টেনে নিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন জিয়াউর।

ঐ সময় ঢাকা মহানগর আনসার পূর্ব জোনের আওতাধীন এই হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে টহল দিচ্ছিলেন আনসার সদস্যরা। পিসি আতাউর রহমানের নেতৃত্বে আনসার সদস্য শ্রী তাপস তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইকারীর পিছু নেন। কিছু দূর তাড়া করে তারা জিয়াউর রহমানকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, আটক ছিনতাইকারীকে পরবর্তীতে মুগদা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এদিকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজের হারিয়ে যাওয়া ফোন ফেরত পেয়ে আনসার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আনসার বাহিনীর এই তাৎক্ষণিক ও পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা হাসপাতালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই স্থাপনার নিরাপত্তা বিধান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা তৎপর রয়েছে।

#সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #অঙ্গীভূত_আনসার #আনসার

01/06/2026

*রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টিএন্ডটি তারভান্ডারে দুর্ধর্ষ চুরির চেষ্টা রুখে দিয়ে দুই চোর আটক করলো আনসার সদস্যরা: হামলায় আহত এক আনসার সদস্য*

০১ জুন ২০২৬(সোমবার), রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত টিএন্ডটি তারভান্ডার ওয়ার্কশপে এক দুর্ধর্ষ চুরির চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা। বিকেলে চোর চক্রের দুই সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে আটক করার মুহূর্তে চোরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন অঙ্গীভূত আনসার বাহিনীর একজন পিসি।

সোমবার বিকাল আনুমানিক চারটার দিকে টিএন্ডটি তারভান্ডার ওয়ার্কশপে নিয়মিত টহলে ছিলেন আনসার সদস্যরা। পিসি মোঃ জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই টহল দলে ছিলেন আনসার সদস্য মোঃ মনোয়ারুল ইসলাম, মোঃ আবুল কালাম এবং মোঃ রওশন।

টহল দেওয়ার সময় হঠাৎ করেই দুই ব্যক্তির সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি তাদের নজরে আসে। কোনো তাড়াহুড়ো না করে দূর থেকে তাদের ওপর কড়া নজরদারি রাখছিলেন আনসার সদস্যরা।

একপর্যায়ে ঐ দুই ব্যক্তি লোহা কাটার বড় কাঁচি ও ধারালো ব্লেড দিয়ে ওয়ার্কশপের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। ঠিক তখনই চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে সাগর ও শিপন নামে দুই চোরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে আনসার টহল দল। আটকের পর তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩টি বড় রেঞ্জ, ১টি লোহা কাটার ব্লেড ও ১টি লোহা কাটার বড় কাঁচি।

তল্লাশির এক পর্যায়ে চোর চক্রের মূল হোতা সাগর আচমকা নিজের কাছে থাকা ভারী লোহার সরঞ্জাম দিয়ে আনসার সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। তাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে গুরুতর আহত হন পিসি মোঃ জহিরুল ইসলাম। লোহার আঘাতে তার দুই পা কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। ঘটনার পরপরই তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আটককৃত দুই চোর কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছে।পুলিশে সোপর্দ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সাথে সরকারি সম্পদ রক্ষা করায় আনসার সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছে টিএন্ডটি তারভান্ডার ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ। আনসার সদস্যদের এই তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপ না থাকলে আজ জাতীয় সম্পদের বড় ক্ষতি হতে পারত।

দেশব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা বিধান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা।

#সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #অঙ্গীভূত_আনসার #আনসার

01/06/2026

*রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী যাত্রীর চুরি যাওয়া ব্যাগসহ এক চোরকে হাতেনাতে আটক করেছে স্টেশনে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা*

৩১ মে ২০২৬ (রবিবার), রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে আনুমানিক সকাল ছয়টার দিকে ব্যাগ চুরি করে পালানোর সময় এক চোরকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা। ঘটনার পরই চুরিকৃত মূল্যবান সামগ্রী প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত চোরকে রেলওয়ে জিআরপি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

ভোরের আলো ফুটতেই রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে তখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরার তাড়াহুড়ো সবার চোখে-মুখে। ঠিক এমনই এক ব্যস্ত মুহূর্তে, সকাল আনুমানিক ছয়টার দিকে প্ল্যাটফর্মে ঘটে গেল এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী এক যাত্রী যখন ট্রেনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর অসতর্কতার সুযোগ নেয় ওত পেতে থাকা চোর। চোখের পলকে যাত্রীর ব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে সে।

স্টেশনের ভিড়ের মধ্যেও চোরের এই সন্দেহজনক দৌড়াদৌড়ি এড়ায়নি সেখানে দায়িত্বরত অঙ্গীভূত আনসারের পিসি আরিফুর আলম সবুজের চোখ। চোর ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মুহূর্তেই অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে তাকে হাতেনাতে জাপটে ধরেন তিনি।ব্যাগের ভেতর থাকা সব মূল্যবান সামগ্রীসহ উদ্ধার করা হয় ব্যাগটি।

চুরির ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই নিজের খোয়া যাওয়া ব্যাগ অক্ষত অবস্থায় ফিরে পান ঐ যাত্রী। পিসি আরিফুর আলম সবুজ প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ব্যাগের প্রকৃত মালিকের কাছে সেটি বুঝিয়ে দেন। ব্যাগ ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে ভুক্তভোগী যাত্রী আনসার সদস্যদের ভূয়সি প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বাদীসহ আটককৃত চোরকে রাজশাহী রেলওয়ে জিআরপি থানায় নিয়ে যান এবং সেখানে দায়িত্বরত পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী ও কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েনের মাধ্যমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আগামী ০৮ জুন পর্যন্ত মোট ১৫ দিনের জন্য রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও যাত্রী নিরাপত্তা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ২৫ জন আনসার এবং ভিডিপি/টিডিপি সদস্য।

উৎসবের এই সময়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের এমন পেশাদারিত্বের সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপে সাধারণ যাত্রীদের মনে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও বাড়িয়ে দেবে।

#সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #অঙ্গীভূত_আনসার #আনসার

01/06/2026

*পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীল ও মানবিক তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার: বাবার কোলে ফিরলো শিশু তাছবির*

৩১ মে ২০২৬ (রবিবার), চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত। রোববার ঈদের ছুটির শেষ বিকেলে সাগরের ঢেউ আর বাতাসের টানে সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। কিন্তু সেই আনন্দের আবহ হঠাৎই রূপ নেয় এক পরিবারের চরম আতঙ্কে। ভিড়ের মধ্যে বাবা সাইদুল ইসলামের হাত ফসকে হারিয়ে যায় সাত বছরের শিশু তাছবির।

চারপাশে অচেনা মানুষের ভিড়। সাগরের গর্জন আর চেনা মানুষের অনুপস্থিতি—সব মিলিয়ে সৈকতের এক কোণে বসে ভয়ে-কান্নায় ভেঙে পড়েছিল ছোট্ট শিশুটি।

ঠিক সেই মুহূর্তেই তার দিকে নজর পড়ে দায়িত্বরত অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের। বিকেল আনুমানিক ছয়টা। পতেঙ্গা সৈকতের অস্থায়ী ক্যাম্পে তখন দায়িত্ব পালন করছিলেন পিসি মোঃ হিরণ ও আনসার সদস্য মোঃ মোছাব্বর আলী। কাঁদতে থাকা শিশুটিকে দেখে তারা এগিয়ে যান। অভয় দিয়ে জিজ্ঞেস করতেই তাছবির জানায়, ঘুরতে এসে সে তার বাবাকে হারিয়ে ফেলেছে। এরপরই শুরু হয় শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার এক মানবিক তৎপরতা।

সৈকতের বিশাল জনসমুদ্রে একজন অভিভাবককে খুঁজে পাওয়া মোটেও সহজ ছিল না। আনসার সদস্যরা সময় নষ্ট না করে হাতে তুলে নেন হ্যান্ড মাইক। তারা মাইকে তাছবিরের নাম, পোশাক ও চেহারার বর্ণনা দিয়ে বারবার ঘোষণা করতে থাকে। পাশাপাশি বিষয়টি জানানো হয় সৈকতে দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশকেও।
মাইকের আওয়াজ আর আনসার সদস্যদের নিরলস খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে উদভ্রান্তের মতো সন্তানকে খুঁজতে থাকা বাবা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়।

আনসার সদস্যরা তাকে নিয়ে শিশুটির কাছে এলে দূর থেকে বাবাকে দেখেই চিনে ফেলে তাছবির, তার চোখে তখন কান্নার বদলে স্বস্তির ঝলক। সব ধরনের সত্যতা যাচাই শেষে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতিতে তাছবিরকে তার বাবার কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত সাইদুল ইসলাম আনসার বাহিনীর দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার জন্য প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। সৈকতে উপস্থিত সাধারণ দর্শনার্থীরাও আনসার সদস্যদের এই তাৎক্ষণিক ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও গভীর দেশপ্রেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক, প্রযুক্তি-নির্ভর এবং একটি মানবিক ও সামাজিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। পতেঙ্গা সৈকতের এই ঘটনাটি যেন প্রধানমন্ত্রীর সেই আহ্বানেরই এক বাস্তব ও সুন্দর প্রতিফলন। দায়িত্বের বেড়াজাল পেরিয়ে বাহিনীটি যে সাধারণ মানুষের সংকটে এক পরম বন্ধু হয়ে উঠতে পারে, পতেঙ্গার এই ঘটনা আরও একবার তা প্রমাণ করলো।

#সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #অঙ্গীভূত_আনসার #আনসার

31/05/2026

**ঢাকা মেডিকেলে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের তৎপরতায় মোবাইল চোর আটক; পুলিশে সোপর্দ**

৩১ মে ২০২৬ (রবিবার) দুপুর আনুমানিক ১৪:৪৫ ঘটিকায় ঢাকা মহানগর আনসার (ডিএমএ) দক্ষিণ জোনের আওতাধীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের ৫ম তলায় টহল ডিউটিরত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছিলেন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোঃ রাকিব হোসেন ও মোঃ মেহেদী হাসান।

দায়িত্ব পালনকালে হাসপাতালের ভেতরে হঠাৎ এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনক আচরণ করতে দেখে আনসার সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। এসময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ করলে আনসার সদস্যরা দ্রুত ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মামুন মিয়া (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন।

পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি প্রকৃত ভুক্তভোগীর নিকট ফিরিয়ে দেওয়া হলে তিনি স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। হাসপাতালের মতো জনবহুল ও “গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আনসার সদস্যদের দ্রুত তৎপরতায় উপস্থিত সাধারণ মানুষও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ঘটনার পর আটককৃত ব্যক্তিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে। জননিরাপত্তা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রোগী ও সেবাগ্রহীতাদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

#অঙ্গীভূত_আনসার #হাসপাতাল_নিরাপত্তা #মোবাইল_চোর_আটক #সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #ঢাকা_মেডিকেল_কলেজ_হাসপাতাল

31/05/2026

**রাজধানীর হাতিরঝিলে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের সাহসী তৎপরতায় দুইজন মাদকসহ আটক, পুলিশের নিকট সোপর্দ**

৩০ মে ২০২৬ (শনিবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ০২:২৫ ঘটিকায় ঢাকা মহানগর আনসার পশ্চিম জোনের আওতাধীন হাতিরঝিল থানাধীন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় নিয়মিত টহল ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন আনসার সদস্য মোঃ তৈবুর রহমান। এসময় এক মোটরসাইকেল আরোহী তাঁকে জরুরি তথ্য প্রদান করেন যে, হাতিরঝিল গ্রিন পার্ক ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি এক ব্যক্তিকে মারধরের চেষ্টা করছে।

ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে আনসার সদস্য মোঃ তৈবুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে রামপুরা প্রবেশ গেইটে দায়িত্বরত আনসার সদস্য মোঃ মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে তারা একটি সাদা প্রাইভেট কার এবং কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পান।

আনসার সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত প্রাইভেট কারযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার চেষ্টা করে। এসময় আনসার সদস্যরা সাহসিকতা ও তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে তাদের ধাওয়া শুরু করেন। ধাওয়ার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা রামপুরা প্রবেশ, মহানগর পূর্ব ও মধুবাগ পূর্ব এলাকার একাধিক সিগন্যাল অমান্য করে বেপরোয়া গতিতে পালানোর চেষ্টা চালায়।

পরে হাতিরঝিল থানা রোড এলাকায় পৌঁছে প্রাইভেট কারটি একটি অটোরিকশার সঙ্গে দুর্ঘটনায় পতিত হলে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আনসার সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে মোঃ মাহবুবুর রহমান সিকদার (১৯) এবং মোহাম্মদ লাবণ্য চৌধুরী (৩০) নামের দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন।

পরবর্তীতে আটককৃতদের তল্লাশি করে কাগজে মোড়ানো চার পুটিয়া গাঁজা এবং ৫ ও ১০ টাকার নোটে মোড়ানো ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, ২টি পার্স, ৩টি স্মার্ট ফোন, ১টি ফোল্ডিং কাঁচি, ১টি ছোট স্টিলের বক্স, ১টি লাল ও সবুজ রঙের প্লাস্টিকের সিপি উদ্ধার করেন।

ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংস্থা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে আটককৃতদের প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হাতিরঝিল থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়।

জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। গভীর রাতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তাদের পেশাদারিত্ব, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিরলস তৎপরতা সম্ভাব্য বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা সতর্ক, সজাগ ও দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ।


#মাদকবিরোধী_অভিযান #ঢাকা_মহানগর_আনসার
#সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #হাতিরঝিল

31/05/2026

*জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের তৎপরতায় দেশীয় অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী আটক: পুলিশে সোপর্দ*

২৯ মে ২০২৬ (শুক্রবার), রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে ‘গণঅভ্যুত্থান জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ (সাবেক গণভবন) প্রাঙ্গণে সন্ধ্যায় ঘটে শ্বাসরুদ্ধকর ছিনতাইয়ের ঘটনা, তবে সাহসিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এক ছিনতাইকারীকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন দায়িত্বরত দুই আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য।

শুক্রবার সন্ধ্যা তখন আনুমানিক সাড়ে ছয়টা। লেক রোড সংলগ্ন জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ৯ নম্বর পোস্টের সামনে হঠাৎ এক নারীর আর্তচিৎকার শোনা যায়। সেখানে তখন ডিউটি করছিলেন আনসার ব্যাটালিয়নের দুই সিপাহি—নুরুল আজম সৈকত এবং শান্ত মিয়া।

তারা দেখতে পান, এক ছিনতাইকারী ঐ নারীর পথরোধ করে ধারালো দেশীয় ছুরি উঁচিয়ে ভয় দেখাচ্ছে এবং মুহূর্তের মধ্যে ছিনতাইকারী নারীর স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কোনো দ্বিধা না করে দুই আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করেন। পালানোর পথ না পেয়ে ছিনতাইকারী তার হাতের বড় ছুরিটি নিয়ে উল্টো আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের ওপর চড়াও হয়। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। যেকোনো মুহূর্তে বড় কোনো রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। কিন্তু অত্যন্ত সুকৌশলে ও অসীম সাহসিকতার সাথে নিজেদের জীবন বাজি রেখে ছিনতাইকারীকে জাপটে ধরেন সৈকত ও শান্ত। কেড়ে নিয়ে জব্দ করেন তার হাতের বড় ছুরিটি।

বড় ধরনের শারীরিক আঘাত কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র হারানোর হাত থেকে রক্ষা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ঐ ভুক্তভোগী নারী। আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের এই তাৎক্ষণিক ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আটককৃত ঐ ছিনতাইকারীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ধারালো অস্ত্রসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যদের এই তাৎক্ষণিক এবং নির্ভীক ভূমিকা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত অন্যদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের ভৌগলিক ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে 'আনসার ব্যাটালিয়ন' প্রবর্তন করেন। বর্তমানে দুটি নারী ও একটি বিশেষায়িত আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নসহ মোট ৪৭টি আনসার ব্যাটালিয়ন পার্বত্য অঞ্চল, রাজধানীসহ দেশজুড়ে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা বিধান এবং আভিযানিক দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছে।

#সেবাই_আনসার #সেবাই_আমাদের_অঙ্গীকার #দায়িত্ববোধ_ও_মানবিকতা #আনসার

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Ansar & VDP Headquarters, Khilgaon
Dhaka