শাফিনের রচনা

শাফিনের রচনা

Share

Here you can see my poems . Which written by me . I hope you like this page . If you like my poems then like this page .

24/03/2024

কবিতা
ধিক্কার
মাহিনুল ইসলাম শাফিন

ধিক্কার জানাই ,
আজ আমি কলুষিত সমাজের প্রতি ,
অন্যায় আর অবিচারে তারা
হয়ে আছে ব্রতী ।
দুর্নীতির এই বিষাক্ত ছোবলে
অসহায় পোড়ে নরক আনলে ,
হৃদয়ের জ্যোতি নিভে যায় আজ
সত্য পড়েছে মৃত্যু কবলে ।

সেই প্রতিযোগিতাকে ধিক্কার জানাই
বিজয়ীর সেথা বাজিছে শানাই ;
প্রবল প্রয়াসে , পারেনি কো সে ,
দাঁড়িয়ে আছে সে
পরাজিত বেশে ।
প্রতিভা কিন্তু তারও আছে ভাই ,
কিন্তু তোমরা বলতে পারো কি ,
কেন আজ এই কাগজী অর্থে
তার প্রতিভার মূল্য নাই ?

তুলনার এই রোষানালে যেন
নিঃস্ব আজ ছাত্র সমাজ ,
দুষ্টো শক্তি করিতেছে রাজ ,
দেখা যায় না জ্ঞানের বিরাজ ;
বৈদ্য হবে
কারিগর হবে
টাকার সাগরে ওঠাবে ,
মনুষ্যত্ব ভুলে গিয়ে তারা
করিতেছে যত ঘৃণিত কাজ ।

খুলে দেখো তবে চোখ ,
সমালোচক নামধারী কিছু লোক ,
মিথ্যের পথে বাঁধা না হলেও সত্যের পথে হয়
‌ নিজের ভিত্তি নড়বড়ে তবু মুখে সর্বদা কয় ,
"ওরাই ভুল , আমরাই ঠিক , ওরাই খারাপ লোক"
ধিক্কার জানাই ,
সমালোচকের ধ্বংস আজই হোক ।

সহিংসতার মায়াজাল বড়
মানুষেরা সব হয়ে জড়সড়
জাল বুনিছে ভাই ,
সেই জাল তাই
ছিঁড়ে দিতে চাই
সত্যের পথ ধরো ।

ধিক্কার জানাই ,
নিকৃষ্ট এই শাসক সমাজকে ,
ভালো মানুষের মুখোশধারী সে দুর্নীতিবাজকে ।
ধুরন্ধর এই পরগাছাগুলি পরাবাসে রয়ে যায় ,
প্রজারা থাকে দুর্ভিক্ষে
রাজার পকেট ধায় ।
ভালোবাসা যায় কালান্তরে ,
দুর্নীতি আসে পক্ষান্তরে ,
বারান্তরে , মন্বন্তরে ,
সব নারী সব নর অন্তরে
মুক্তির‌ ডাক হায় !
জাতি আজ সেই মৌলিকতাকে চায় ।
কর্মের ফল তুমিই পাবে
অন্তরীক্ষে দীপ্তি ছড়াবে ,
বেরিয়ে এসো বীর বেটা সব
দুর্নীতির আজ উৎক্ষাত হবে ।

ভেঙে ফেলো এই মিথ্যে দেয়াল ,
জ্বালাও আগুন , জাগাও খেয়াল ,
ঝড় তুলে দাও এই পারাবারে
কে আটকাবে কোন কারাগারে ;
অন্যায়কে ধসিয়ে দেব
বজ্রপাতে আঁধার সরাবো ,
তরঙ্গ মেঘ বারিপাত আজ
সত্যের দম দেখিয়ে দেব ।

22/02/2024

কবিতা

নৌযাত্রা

মাহিনুল ইসলাম সাফিন

যদি থাকিতাম সে নৌকায়
যা যাবে অচেনার সন্ধানে ,
পার করিবে অসীম পথ নিঃস্ব মাঝির গানে।
নাহি শমনের ভয় ,
মন নিকুঞ্জে লভিলাম শুধু উল্লাস অতিশয় ।
সলিলের বুক চিরে
পৌঁছাবে এই জলজযান কোন অচেনা সাগর তীরে ।
রহস্যময় প্রাণী
দেবে হাতছানি
হারিয়ে যাব এই ধরণীর কোলে ,
এ হেন কাল হতে
ফিরিবো আমি মনো প্রত্যয়বলে ।


যদি থাকিতাম সে নৌকায়
যা বেড়াবে জ্ঞানের সাগর চরে ,
ঝড় তুলে দেবে এই পারাবারে
জ্ঞান আহরণ করে ।
তৃষ্ণার্ত হৃদয় আমার
জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সবার
জ্ঞানী হতে নর চায় ,
জ্ঞান মাতাল এই নৌকা আমার
জ্ঞানের বাগে যায় ।

যদি থাকিতাম সে নৌকায়
যা যাবে বিভুর দৃষ্টি তলে ,
সপিনু এই মিথ্যে জীবন
তাহারি পদতলে ।
বিপদের ক্রোড়ে
‌‌ আমার পরাণে
চায় তারই অনুবল ,
ক্ষমার আশায় পূর্ণ নৌকা
‌ মর্ত পবিত্র জল ।

যদি থাকতাম সে নৌকায়
যার মাঝি হয় না কো ক্লান্ত ,
চেনে এই বসুধার
সকল অচেনা প্রান্ত ।
ইন্দু-ইলা সিন্ধু-শিলা
সবখানে তার চল ,
তুফানের মাঝে নাহি তার টুটে
অটুট মনোবল ।
বীরপুরুষের সাহস আমি
বুকের কোটরে রেখে ,
বৈঠা চালাও ফিরব মোরা
বিশ্ব জগত দেখে ।

13/07/2023

কবিতা
নিসর্গ
মাইনুল ইসলাম শাফিন

গাছপালা গুলি, পাতা তার তুলি, ফলগুলি তার রং ;
আমি দেখি বসে, নিশিতে দিবসে, প্রকৃতির নানা ঢং ।
ভূমি অন্নদাতা, ভুবন বিজয়ী মাতা, তার কথা ভাবে কেবা ;
যাতনে জলে, নির্বাক হয়ে, করে সে মানব সেবা ।
যে বায়ু ছাড়া, চলে না ধরা, তার কাছে মোরা ঋণী ;
কি মধুর রূপ, কুসুম অপরূপ, প্রকৃতি সবার রানী ।
প্রতি প্রত্যুষে, মৃদু বাতাসে, প্রকৃতির কোল ভরে ;
ফুলের হাসি, করে মন খুশি, পাখি কলরব করে ।
জ্যোৎস্না রাতে, গাছপালা সাথে, দেখি সে নদীর পানে ;
রূপসী বিধু, স্রোতগুলি শুধু, যায় প্রকৃতির টানে ।

সূর্যের তাপে, মরুভূমির কাপে, যেন সেথা দাবানল ;
কত প্রাণী আছে, ঠাণ্ডায় বাঁচে, বরফের আচল ।
প্রকৃতির দিল, বড়ই জটিল, দেখায় যে কত সৃষ্টি ;
কখনো মরুত, কখনো বিদ্যোত, কখনো বা সেথা বৃষ্টি ।
কখনো বা সে, প্রবল বাতাসে, সবকিছু দেয় ধসে ;
ঝড়ের রাতে, বজ্রের ঘাতে, প্রকৃতি গেছে রোষে ।

কত শত কিমি, চাষ করি ভূমি, দেয় না কো সে বাঁধা ;
আসু আনচান, পুষ্পের ঘ্রাণ, মেঘগুলি সব সাদা ।
সন্ধ্যা-প্রভাতে, বাহ্য জগতে, বিচিত্র রঙের খেলা ;
‌ ‌ প্রফুল্ল মনে, আনন্দে ও গানে, দেখি সে রঙের মেলা ।
ভূতলে সাগরে, বিজনে নগরে, ভাবে সে সবার কথা ;
মাতা সে সবার, গর্ব আমার, ভালোবাসা মনে গাঁথা।

01/01/2023

কবিতা
আলস্য
মাহিনল ইসলাম সাফিন

কোলাহলে ভরা অখিলের মাঝে
দাঁড়িয়ে আছো কি একা?
ভেবে দেখো তো তুমি কি নিজেকে
দিয়েছো কখনো ধোঁকা ।
বিশ্বে ‌ আজ আলসেমি এক
মহামারী হয়ে গেছে,
মনের হরষে দিন রাত তারা
খরচে শুয়ে আছে ।
কাজের কথা শুনলে বলে,
"একটু পরে যাই",
দিন শেষে তারা বলবে এসে
সময় যে আর নাই ।
মুঠোর মধ্যে যন্ত্র বিশেষ
তাকে ছাড়া বাঁচে না,
নিঝুম রাত্রি পার হয় তবু
ঘুম যে আসে না ।
প্রকৃতিকে আজ দেখছে মনুজ
মুঠোফোনের চোখে,
দিবারাত্রি পার করে তারা
একাকিত্বের দুঃখে ।
তাদের জন্য অপেক্ষা করছে
ভয়ানক পরিনাম,
যদি না তারা বন্ধ করে আলস্য অবিরাম ।

28/06/2022

সুখ
মাহিনুল ইসলাম শাফিন

মানসিক সন্তোষ। সহজ বাংলায় বলতে গেলে আনন্দ, খুশি ,মানবিক তৃপ্তি। অদ্ভুত এক আবেগ যা এই জগত সংসারের ভিত্তিমূলে রয়েছে। আমাদের সকল কাজ সুখ দ্বারা সম্পর্কিত। কোন কাজের ফলাফল স্বরূপ যদি মানুষ তৃপ্তি অনুভব না করে তাহলে সে কোনরূপ এই সেই কাজ করবেনা। অতিশয় প্রিয় অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে এক সুমিষ্ট হাসির মাধ্যমে। এর শক্তি যে কতটা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এক ফালি হাসি এনে দিতে পারে বন্ধুত্ব। এ রকমই এক হাসি থেকে শুরু হয় প্রেম কাব্যের সূচনা। এই হাসি যদি শিক্ষক, বাবা-মা কিংবা সন্তানের মুখে দেখা যায় তবে তা এধরনের সর্বোৎকৃষ্ট হাসি। প্রিয় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য লোকদিগের কতই না প্রচেষ্টা। তবে আজ এই ব্যস্ততা ও স্বার্থের পেছনে ছোটা দুনিয়া হতে সেই হাসিটা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। অনাকাঙ্ক্ষিত নানা ঘটনা, ব্যর্থতা, দুর্ব্যবহার ইত্যাদি মানুষের মুখ থেকে আজ হাসি কেড়ে নিয়েছে। হাস্যরসে ভরপুর মুখটাও আজ অসীম বেদনায় শুষ্ক হয়ে গেছে। এই সমস্যার ভিত্তিমূলে যদি কোন কিছু থাকে তা হলো মানসিকতা। মানুষ সুখের সাথে আজ টাকা কে যুক্ত করেছে। তারা চিন্তা করে হয়তো বা টাকা দ্বারা জগতের সকল সুখ ক্রয় করা যায়। কিন্তু তারা এ বিষয়ে অবগত থাকে না যে তারা ভুল। একথা সত্যি যে টাকা ছাড়া আর কোন সুখ কেনা যায় না। কিন্তু এও সত্যি যে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না। সুখ জিনিসটা নিজের মনের বিষয়‌। কোন বিজ্ঞের বাণী শুনেছিলাম, "সুখ আসে সেই সময় যখন তুমি সুখে খোজা বন্ধ কর"। সুখ দুঃখ সবারই আছে, ভিন্ন হলো তাদের চিন্তাধারা। এ জগতে ঠিক তেমন যেমনটা মানুষ ভাবে। ভালো মনে করলে ভালো‌। আর খারাপ মনে করলে খারাপ। দৃষ্টিভঙ্গির একটু পরিবর্তন সাধন করা গেলে সুখে দেখতে পাওয়া যায়। এটা অনেকটা এরকম যে কোন একজনের ডানদিকে আছে সুখ এবং বামদিকে আছে দুঃখ। কিন্তু সে শুধু বাম দিকে তাকিয়ে বলছে সুখ কোথায়। অর্থাৎ তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলেই সে সুখ পাবে। আর জীবনে যদি তুমি দুঃখকে হারাতে চাও তবে সুখও তোমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। কেননা সুখ-দুঃখ একে অপরের পরিপূরক। অর্থাৎ সুখী হওয়া খুবি সহজ যদি মানুষ যদি সেই রাস্তায় চরণ ফেলে‌। আর পৃথিবীতে সমস্যাহীন মানুষ পাওয়া প্রায় অসম্ভব। কারণ সমস্যা নেই কেবল মৃতের। মানসিক প্রীতি বলতে অন্য কিছুনা, একটু হাসি ও একটা পবিত্র মন।

06/02/2022
26/03/2021

কবিতা
যুদ্ধ এবার শুরু
মাহিনুল ইসলাম সাফিন

না! না! না!
যুদ্ধ ছাড়া আর কোন
উপায় দেখছি না।
যতই হচ্ছে নিষ্ঠুর আর
দিচ্ছে বেদনা ,
ততোই বাড়ছে বাঙালির মনে
মুক্তির চেতনা।
ক্ষুদ্রায়তন দেশটির সেই
মুক্তিপাগল জাতি ,
মনে-প্রাণে তারা দেখছে শুধু
স্বাধীন দেশের জ্যোতি।
রমনা রেসের মাঠের সেই
ঐতিহাসিক ভাষণ ,
এবার বন্ধ হবে
অত্যাচারের শাসন।
মার্চের এক রাতে ,
খাওয়া-দাওয়া শেষে নির্দোষিরা
গিয়েছে ঘুমাতে।
রাতের বেলায় ছিল শহরটা
পুরোপুরি স্তব্ধ ,
হঠাৎ করে শোনা গেল
গোলাগুলির শব্দ।
বোঝার আগেই হানাদাররা
ঘরে ঢুকে এলো ,
মহিলা,শিশু,বয়স্ক,যওয়ান
সবাইকেই মারল।
সেদিন মধ্যরাতে
শোনা গেল চিৎকার ,
বঙ্গবন্ধু বার্তা দিলেন
যুদ্ধ শুরু এবার।
কিছু সময় পর তার বাড়িতে
এলো কিছু হানাদার ,
দেশদ্রোহের অপরাধে তাকে
করা হলো গ্রেফতার।
অনেক হয়েছে
এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেল ,
প্রস্তুত হও তোমরা এবার
যুদ্ধ শুরু হলো।

16/12/2020

এরপর ২০ শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই পেজের আর কোন পোস্ট আসবে না।

16/12/2020

কবিতা
বীর মুক্তিযোদ্ধা
কিশোর কবি
মাহিনুল ইসলাম সাফিন

৫২তে চাইল ভাষা
৭১রে যুদ্ধ ,
এসব দেখে বাঙালিরা
হয়ে গেল ক্রুদ্ধ।
ভাষার দাবিতে দিল প্রাণ
রাখল এই ভাষার মান ,
তাই আমরা এখনো গাই
বাংলা ভাষায় গান।
রাখালছেলে পালিয়ে গেল
বলে লড়ব রণ ,
দেশকে স্বাধীন করতেই হবে
এটাই আমার পণ।
যুদ্ধ করার কৌশল যারা
বলে দিয়েছিল ,
হানাদারদের হাতে তারা
প্রাণটা হারিয়েছিল।
দেশের জন্য লড়ছে যারা
পায়নি তারা ভয় ,
তাদের ত্যাগের ফসল
আমাদের এই জয়।
সম্মান জানাই় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ,
স্বাধীন দেশের ভিতরে ঢুকে
মারা হয়েছিল যাকে।
৭১রের ভয়াবহ ৯ মাস ,
অনেক মানুষ হারিয়েছিল তাদের
একমাত্র আবাস।
সেই দুর্দিনে ভারত আমাদের
দিয়েছিল আশ্রয় ,
মুক্তিযুদ্ধের সময় সবাই
ছিল অকুতোভয়।
দেশের জন্য প্রাণ দানকারী
সকলকে শ্রদ্ধা ,
তারাই আমাদের মনে আজ
বীর মুক্তিযোদ্ধা।

30/10/2020

Extra Entertainment is the first distracter for your Gole.

13/10/2020

কবিতাঃ
আমাদের গ্রাম
কিশোর কবি
মাহিনুল ইসলাম শাফিন

নদী-খাল-বিল , সোনালী ফসল ঝোপঝাড়ের ঘেরা ,
আমার ওই ছোট্ট গ্রাম
সকল গ্রামের সেরা।
জোয়ার ভাটার খেলা চলে
নদীর ওই কূলে ,
সকালে ছাত্ররা যায়
গ্রামের স্কুলে।
মাথা ফাটা রোদ
ঠিক দুপুর বেলা ,
বিকেলবেলায় দেখা যায়
প্রকৃতির খেলা।
বিকেলের লাল আলোতে
আকাশ ভরে ওঠে ,
রাতের ওই চন্দ্র-শশী
মিষ্টি হয়ে ফোটে।
মানুষে মানুষে আছে
অনেক বিশ্বাস ,
জেলেরা দিনরাত ধরছে
নদীতে মাছ।
কৃষকেরা পাচ্ছে তাদের
কষ্ট করার দাম ,
সবথেকে বেশি সুন্দর
আমাদের এই গ্রাম।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

193 North Shahajanpur
Dhaka