30/03/2017
অনেক বয়স্ক মানুষও জানেন না, জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাত জোড়া দেয়াল স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ভিন্ন পর্যায় নির্দেশ করে। পর্যায়গুলো হলো :
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন,
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন,
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন,
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন,
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করেই সৌধটি নির্মাণ করা হয়েছে।
23/09/2011
অনেক বয়স্ক মানুষও জানেন না, জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাত জোড়া দেয়াল স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ভিন্ন পর্যায় নির্দেশ করে। পর্যায়গুলো হলো :
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন,
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন,
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন,
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন,
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করেই সৌধটি নির্মাণ করা হয়েছে।
23/09/2011
কত রক্ত আর কত প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা, তা অজানা নেই কারও। সেসব রক্তঝরা প্রাণের প্রতি, জানা-অজানা লাখো শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই দেশের নানা স্থানে বিভিন্ন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ। কিন্তু আমাদের একটি জাতীয় স্মৃতিসৌধ আছে। সাভারে নির্মিত এই সৌধ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্মৃতিসৌধ। এই স্মৃতিসৌধ আমাদের অস্তিত্ব আর জাতীয়তাবোধের প্রতীক। আমাদের ইতিহাসের স্মারক। প্রতিবছর স্বাধীনতা আর বিজয় দিবসে জাতীয়ভাবে এ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। কিন্তু এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ শুধু মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতি স্মরণের জন্যই নয়, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে আমাদের আরও ইতিহাস। যে ইতিহাস, যে ঘটনা আমাদের স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে দ্রুত গতিতে এবং স্বল্প সময়ে। আমরা হয়ে উঠেছি অপ্রতিরোধ্য। একটি স্বাধীন দেশের নেশায় বাংলার নারী-পুরুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ছিনিয়ে এনেছে বিজয়। শিল্পীর ভাবনা আর ইতিহাস চিন্তায় নির্মিত আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে এর গঠন বোঝার উপায় নেই। যারা শুধু স্মৃতিসৌধের সামনের ছবি দেখেছেন, তারা কখনোই এর গঠন সম্পর্কে জানতে পারবেন না, বুঝতে পারবেন না এটা কীভাবে আর কী ইতিহাস মাথায় রেখে নির্মাণ করা হয়েছে। এটা বুঝতে হলে সৌধের খুব কাছে যেতে হবে, পাশ থেকে দেখতে হবে। ভালোভাবে। দেখলেই বোঝা যাবে স্মৃতিসৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজ নিয়ে গঠিত। আমরা অনেকেই জানি না, এই সাত জোড়া ত্রিভুজের মানে কী ?
23/09/2011
স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয় এই স্মৃতিসৌধ।
এটি ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর পশ্চিমে সাভারে অবস্হিত।
১৯৭২ সালে প্রথম পরিকল্পনা করা হয় সৌধটি নির্মাণের। ১৯৭৮ সালের জুনে একটি ডিজাইন কম্পিটিশনের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ৫৭ টি ডিজাইন নেয়া হয়।
এর মধ্য থেকে সৈয়দ মইনুল হোসেনের ডিজাইন গ্রহন করা হয়।
সৌধটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
এতে ৭ টি পিরামিড আকৃতির মনুমেন্ট আছে, তার মধ্যে মাঝেরটি সবচেয়ে বড়। এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
23/09/2011
স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে ঢাকার অদূরে সাভারে নির্মাণ করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এর নকশা করছেন স্থপতি মইনুল হোসেন। স্মৃতিসৌধ ও এর চারপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশ তোমাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে।
স্মৃতিসৌধটির উচ্চতা ১৫০ ফুট। সৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত। দেয়ালগুলো ছোট থেকে বড় এই ক্রমে সাজানো হয়েছে। এই সাত জোড়া দেয়াল স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ভিন্ন পর্যায়কে নির্দেশ করে। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ এর ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থান, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ - এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে। সৌধ এলাকায় আছে স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত শহীদদের ১০টি গণকবর।
সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশের জন্য কোন প্রবেশ মূল্য নেই। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সৌধে বেড়ানো যায়।
23/09/2011
মাতৃভূমির জন্য আত্নোৎসর্গকারী অজ্ঞাতনামা শহীদদের গণ সমাধি। সৌধ প্রাঙ্গনে আরো রয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ, উন্মুক্ত মঞ্চ, মসজিদ, জোড়া হেলিপ্যাড এবং ক্যাফেটেরিয়া। ১৯৭২ এর ১৬ই ডিসেম্বর এই স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। স্মৃতিসৌধের মিনার ব্যতিত প্রকল্পটির মহা পরিকল্পনা, নৈসর্গিক পরিকল্পনাসহ অন্য সকল নির্মাণ কাজের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থাপত্য অধিদপ্তর। মিনারের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। বর্তমান সৌধটির নির্মন কাজ তিন পর্যায়ে মোট ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে জুলাই মাসে এবং শেষ হয় ১৯৮৮ সালের জুন মাসে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত অধিদপ্তর সমগ্র নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে।
23/09/2011
কীভাবে যাবেন :
আগে ঢাকা থেকে স্মৃতিসৌধে সরাসরি যাওয়ার তেমন ভালো কোন পরিবহন ব্যবস্খা ছিল না। কিন্তু এখন যাতায়াতের সুবন্দোবস্ত রয়েছে। সম্প্রতি চালু হয়েছে বিআরটিসি বাস সার্ভিস। যা মতিঝিল-গুলিস্তান থেকে শাহবাগ, ফার্মগেট, আসাদগেট, শ্যামলী, গাবতলী, সাভার হয়ে স্মৃতিসৌধে যায়। ভাড়া ২০ টাকা। উল্লেখ্য, প্রিমিয়াম ও বিআরটিসি সার্ভিসের রুট প্ল্যান একই।
পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু আরামে যেতে চাইলে যাওয়া যেতে পারে ট্যাক্সি ক্যাবে। সেক্ষেত্রে খরচ কিছুটা বেশী পড়বে। সব মিলিয়ে খুব সহজেই ঘুরে আসা যায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে। যেখানে গেলে শুধু প্রকৃতির কাছেই যাওয়া যাবে না তার সাথে নিজের মত করে উপলব্ধি করা যাবে মহান মুক্তিযুদ্ধকে।
23/09/2011
উনিশ’শ একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বরে বিজয়ের মাধ্যমে এর পরিসমাপ্তি ঘটে। ত্রিশলক্ষ অকুতোভয় দেশ প্রেমিক বাঙ্গালী স্বধীনতার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেন। এই স্মৃতিসৌধ আপামর জনসাধারণের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের স্মরণে নিবেদিত এবং শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। স্মৃতিস্তম্ভ এবং এর প্রাঙ্গনে আয়াতন ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) এছাড়াও রয়েছে একে পরিবেষ্টনকারী আরো ১০ হেক্টর (২৪ একর) এলাকা নিয়ে বৃক্ষরাজি পরিপূর্ণ একটি সবুজ বলয়। এই স্মৃতিসৌধ সকল দেশপ্রেমিক নাগরিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় সাফল্যের যুগলবন্দি রচনা করেছে। সাতটি ত্রিভুজ আকৃতি মিনারের শিখরদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়ের প্রতিটি এক ভাব-ব্যাঞ্জনাতে প্রবাহিত হচ্ছে। এই সাতটি পর্যায়ের প্রথমটি সূচিত হয় বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে, পরবর্তীতে চুয়ান্ন, আটান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি ও ঊনসত্তরের গণ অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযোদ্ধার মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। মিনারটি ৪৫ মিটার (১৫০ ফুট) উঁচু এবং জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিন্দুতে অবস্থিত। মিনার ঘিরে আছে কৃত্রিম হৃদ এবং মনোরম বাগান। সৌধ চত্বরে আছে মাতৃভূমির জন্য আত্নোৎসর্গকারী অজ্ঞাতনামা শহীদদের গণ সমাধি। সৌধ প্রাঙ্গনে আরো রয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ, উন্মুক্ত মঞ্চ, মসজিদ, জোড়া হেলিপ্যাড এবং ক্যাফেটেরিয়া। ১৯৭২ এর ১৬ই ডিসেম্বর এই স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। স্মৃতিসৌধের মিনার ব্যতিত প্রকল্পটির মহা পরিকল্পনা, নৈসর্গিক পরিকল্পনাসহ অন্য সকল নির্মাণ কাজের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থাপত্য অধিদপ্তর। মিনারের স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেন বাংলাদেশের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। বর্তমান সৌধটির নির্মন কাজ তিন পর্যায়ে মোট ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে জুলাই মাসে এবং শেষ হয় ১৯৮৮ সালের জুন মাসে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত অধিদপ্তর সমগ্র নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে।
23/09/2011
সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ সব সময় সবার জন্য উন্মুক্ত। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে, সাভারের নবীনগরে অবস্খিত এই স্মৃতিসৌধ। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে যার ভিত্তি প্রস্তর স্খাপন করেন বঙ্গবু শেখ মুজিবুর রহমান। স্মৃতিসৌধে প্রবেশের পর প্রথমেই চোখেপড়ে শ্বেতপাথরে উৎকীর্ণ একটি লেখা। ‘বীরের এ রক্তস্রোত মাতার এ অশ্রুধারা/এর যত মূল্য সে কি ধরার ধূলোয় হবে হারা’-এর একটু সামনেই শ্বেতপাথরের ভিত্তিপ্রস্তর। এরপরেই ডানদিকে রয়েছে নজরকাড়া উন্মুক্ত মঞ্চ। সোজা হেঁটে গেলে মূল স্মৃতিসৌধ। ১৫০ ফুট বা ৪৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট স্মৃতিসৌধটিতে রয়েছে ৭টি ফলক। যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি পর্যায়কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাতটি পর্যায়ের প্রথমটি সূচিত হয়েছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। এরপর চুয়ান্ন, আটান্ন, বাষট্টি, ছেষট্টি ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুথানের মাধ্যমে অগ্রসর হয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্খপতি খ্যাতনামা স্খপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেন। এছাড়া আশেপাশের অন্য সকল নির্মাণ কাজের স্খাপত্য নকশা প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সরকারের স্খাপত্য অধিদপ্তর। মূল স্মৃতিসৌধের বাম পাশে রয়েছে সৌধ চত্বর। যেখানে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নাম না জানা দশজন শহীদের সমাধি। আর ডান পাশে রয়েছে একটি পুস্পবেদী। যেখানে এক সময় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হতো।
তিন দিক ঘিরে থাকা কৃত্রিম লেক। আর তার পাশাপাশি সবুজের সমারোহ একে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। উল্লেখ্য শুধু স্মৃতিসৌধ এবং এর প্রাঙ্গনের আয়তন ৮৪ একর এবং সৌধ ঘিরে আছে আরো ২৪ একর জায়গা। স্মৃতিসৌধকে পরিবেষ্টনকারী পুরো জায়গাটি সবুজ গাছপালায় পরিপূর্ণ।
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান কিংবা নেতৃস্খানীয় ব্যক্তিরা যখন এদেশে আসেন, এদেশের জাতীয় বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং সফরের স্মৃতিস্বরূপ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে রোপণ করেন বিভিন্ন গাছের চারা। এসব ছাড়াও স্মৃতিসৌধে রয়েছে হেলিপ্যাড, মসজিদ, অভ্যর্থনা কক্ষ, ক্যাফেটেরিয়া। তাছাড়া আছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ সব সময়ই সঙ্গ দেয় এর দর্শকদের।
23/09/2011
জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেরঢাকা শহরের উপকন্ঠে সাভারে অবস্থিত। এর স্থপতি হলেন সৈয়দ মইনুল হোসেন। স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
23/09/2011
লাল ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা চারদিক। মাঝখানে প্রবেশ পথ দিয়ে ঢুকতেই সরাসরি চোখ চলে যায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের উঁচু মিনারের দিকে আর মনে পড়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা। মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী অসংখ্য শহীদদের স্মরণে তৈরী বিভিন্ন স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের মধ্যে প্রধানতম সাভারের এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ। শুধু শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো নয় অবসর সময়ে বেড়ানোর মত জায়গাও এটি।