23/03/2023
সবাইকে মাহে রমজানে শুভেচ্ছা ।
আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে কবুল করুন ।
Chemical Weapons, WMD, CBRN specialist of Bangladesh Police, currently working as Police Adviser (IPO) at United Nations Police Division.
Superintendent of Police | Bangladesh Police I Terror Finance Analyst & Investigator | Law Enforcement Specialist I Security Planning Expert | CBRN Specialist & Instructor|
23/03/2023
সবাইকে মাহে রমজানে শুভেচ্ছা ।
আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে কবুল করুন ।
10/03/2023
ও.আই.সি মহাসচিবের লিফট দর্শন
২০১৪ সালের ১০ মার্চ ।
গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি (আই .ইউ.টি ) পরিদর্শনে এসেছেন তৎকালীন ও.আই.সি মহাসচিব আইয়াদ আমিন মাদানী সাহেব।
এসপি স্যার শুভেচ্ছা পর্ব ও আনুষ্ঠনিকতা শেষ করে "খেয়াল রেখো, ফরেন ডেলিগেট " বলে পুরোবেলার প্রটোকল ডিউটি এই অধমের কাধেঁ দিয়ে গেলেন ।
প্রাথমিক পর্ব নিচের হল রুমে শেষ করে আই.ইউ.টির একাডেমিক ভবনের লিফটে উঠলেন মাদানী সাহেব ।
গন্তব্য ৪র্থ তলায় ক্লাসরুম পরিদর্শন ।
কোথাও কোন ভিআইপি গেলে বাঙ্গালী হিসেবে আমাদের যা হয় সবাই কাছে কাছে ঘেঁষে থাকতে চায় । ভিআইপি বিদেশী গেষ্ট হলে তো সোনায় সোহাগা !
লিফটে চড়ার ক্ষেত্রেও আই.ইউ.টির শিক্ষক কর্মকর্তাদেরও তাই হলো । মহাসচিব সাহেবের সাথে এক লিফটে না গেলে যেন ইজ্জত বাড়ে না ! ধারণ ক্ষমতার বেশী লোক উঠায় ৮০০ কেজি বহন ক্ষমতার লিফট “ওভারওয়েট” সিগনাল দিয়ে বসল ।
কিন্তু বিধিবাম । কেউ নামল না !
নেমে গেলে কার আবার প্রেস্টিজ পাংচার হয়! কে নামবে আর কে নামবে না এই চিন্তা করার বেশিক্ষণ সুযোগ না দিয়ে সবাইকে অবাক করে লিফট বাবাজি উঠতে শুরু করলো ।
হাফ ছেড়ে বাচঁলেন সবাই-যেন সবার ইজ্জত রক্ষা হয়েছে !
কিন্তু সৃষ্টিকর্তা যে সবার ইজ্জত হারানোর নাটকে ক্লাইমেক্স সাজিয়ে বসে আছেন ! কিছুক্ষণ পরেই প্রচন্ড এক ধাক্কায় থেমে গেল লিফট । ভূমিকম্প কিনা বুঝতে না বুঝতেই আরেক ধা্ক্কায় আরেকটু উপরে উঠে গেল লিফট ।
এবার আয়োজকদের সবাই মহাসচিবকে বুঝালেন যে বাড়তি লোকের ওজনের কারণে এমন কিছু হচ্ছে ।পরের ফ্লোরে একজনকে নামিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে । কিন্তু ততক্ষণে আরেক ধাক্কা দেয়ায় মহাসচিব সহ হর্তাকর্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন । কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায় এই অবস্থা থেকে এই ভেবে সবাই অস্থির ।
একজন লিফটের টেলিফোন হাতে নিয়ে উদ্বারের জন্য ফোন করার চেষ্টা করলেন, “হ্যালো, আমাদের লিফট আটকা পড়েছে”, আরেক জন ওপেন বাটন টিপতে টিপতে হাত ব্যাথা করে ফেলেছেন ততক্ষণে কিন্তু দরজা দরজার জায়গায়, খুলছে না ।
আরেক জন বুদ্ধি খাটিয়ে চেপে বসলেন “ইমাজের্ন্সী বেল” । বেল বাজতে শুরু করলো পিউ পিউ করে। বিন্দু বিন্দু ঘাম সবার কপালে । কেউ কথা বলছে না। যেন মুহূর্তের মধ্যে থেমে গেছে পৃথিবীর ঘূর্ণণ !
মুখ খুললেন ওআইসি মহাসচিব ।
অসহায় সুরে বলেই ফেললেন
“..কান্ট ওপেন দ্যা ডোর?”
সিনিয়রের আদেশ শিরোধার্য মেনে প্রটোকল অফিসার হিসেবে আমিও সেই লিফটে ছিলাম মহাসচিবের পাশেই ।অনেকের মতো আমারও বিপদে পড়লে মাথা কাজ করে না !! কিন্তু আজ কি মনে করে মহাসচিব মহোদয়ের বাক্যের শেষ টুকু “ওপেন দ্যা ডোর” কে কমান্ড হিসেবে নিয়ে ব্রেইন সক্রিয় হয়ে পড়ল । বাটন প্রেস করা কিংবা ইমার্জেন্সী বেল বাজানোর মতো ডিজিটাল নির্দেশনা না দিয়ে ব্রেইন সিগনাল দিলো সবচেযে সরল একটি অ্যানালগ কাজ করার । মুহুর্তেই দুইজনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে লিফটের দরজার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম । দুই হাতে সবটুকু শক্তি দিয়ে লিফটের দরজা দুই দিকে খুলে ফেললাম ।
যেন হাফ ছেড়ে বাচঁল সবাই । ও.আই.সি মহাসিচবসহ সবাই নিরাপদে বের হলাম ।
৪র্থ তলায় পরিদর্শন শেষ হলো। এবার নামার পালা ।
আয়োজকরা কেউ কিছু বলার কনফিডেন্স পাচ্ছেন না কিভাবে নামবে গেষ্ট । আবার লিফটে গেলে কি না কি হয় !
মহাসচিব মহোদয় রসিক মানুষ !সবাইকে অবাক করে দিয়ে মৃদুহেসে বলে উঠলেন-
"এবার বরং হেটেই নামা যাক " 😂😉
08/03/2023
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যে বড় বড় বিস্ফোরণের ঘটনাগুলি ঘটছে সেগুলোর বেশিরভাগ এর মূল কারণ আবদ্ধ স্থানে জমে থাকা দাহ্য গ্যাস।
২০২০ সালের নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ,
২০২১ সালে মগবাজার ওয়ারলেস গেটে বেঙ্গল মিটের শোরুমে বিস্ফোরণ, সম্প্রতি সাইন্স ল্যাব এলাকায় বিস্ফোরণ সবগুলির মূল কারণ হচ্ছে আবদ্ধ জায়গায় জমে থাকা গ্যাস। বিষয়টি খুব সহজে আলোচনা করার চেষ্টা করব যাতে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ বুঝতে পারে।
ন্যাচারাল গ্যাস বা মিথেন গ্যাস বাতাসের তুলনায় হাল্কা হওয়ায় উৎস থেকে সহজেই যেকোনো ফাকফোকর দিয়ে বের হয়ে উপরের দিকে চলে যায় এবং বদ্ধ পরিবেশ পেলে জমা হতে থাকে ।
বাসা, অফিস, রান্নাঘর, বাথরুম, গুদামঘর, সেপটিক ট্যাংক বা অন্য কোন স্থান আবদ্ধ থাকলে মিথেন গ্যাস নানা কারনে নানা উৎস হতে জমা হতে পারে।
পুরনো গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়ে , রান্নার সিলিন্ডার গ্যাসের রেগুলেটর ,হোজ পাইপ বা ভাল্বের লিকেজ থেকে, সুয়ারেজ লাইনের পাইপের লিকেজ থেকে, সেপটিক ট্যাংক ভেতরে বা পাইপলাইন লিকেজ হতে, ক্যামিকেল স্টোরেজ থেকে বা গ্যাস উৎপাদনের কোন উৎস থাকলে। এমনকি পুরনো গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দিলেও সেই গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস লিকেজ হতে পারে ।
এইসব জমে থাকা গ্যাস কোন আগুনের উৎস যেমন বৈদ্যুতিক স্পার্ক, শর্ট সার্কিট, দেয়াশলাই, লাইটার, সিগারেটের আগুন, এমনি সুইচ অন করার সময় সুইচের ভেতরে স্পার্ক ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে বিস্ফোরিত হতে পারে। পুরো আবদ্ধ জায়গাটি তখন একটি বড় বোমার মত কাজ করবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আবদ্ধ জায়গার বাতাসে কি পরিমান মিথেন গ্যাস জমা হলে সেটি বিস্ফোরকের মত কাজ করতে পারে? এটার পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি ? সেটি বুঝতে হলে আমাদের ১ নং ছবির দিকে ভালোভাবে দেখতে হবে ।
সাধারণত বাতাসের সাথে মিথেন বা ন্যাচারাল গ্যাস যদি আয়তন অনুযায়ী (volume/volume) মাত্র ৫ ভাগ থেকে ১৫ ভাগ পর্যন্ত মিশ্রিত হয় তবে সেই বাতাস ও মিথেনের মিশ্রনটি বিস্ফোরক হিসেবে কাজ করতে পারে। অর্থাৎ কোন আবদ্ধ রুমের বাতাসের আয়তনের যদি ন্যূনতম পাঁচ ভাগ মিথেন গ্যাস কোনভাবে প্রবেশ করতে পারে তবে পুরো রুমটি একটি এক্সপ্লোসিভ হিসেবে কাজ করতে পারে যেটিকে লোয়েস্ট এক্সক্লুসিভ লিমিট বা সংক্ষেপে এল ই এল বলে। মিথেনে পরিমাণ বাড়তে বাড়তে বাতাসের ১৫ ভাগ হলেও সেটি একইভাবে কাজ বিস্ফোরক হিসেবে কাজ করবে। তবে ১৫ ভাগের বেশি হয়ে গেলে আর সেটি বিপদজনক নয় যাকে বলা হয় হাইয়েস্ট এক্সপ্লোসিভ লেভেল বা এইচ ই এল।
সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে আবদ্ধ জায়গায় গ্যাস বিস্ফারণ এর জন্য বেশি গ্যাস প্রয়োজন হয় না । বাতাসের আয়তনের ৫-১৫ ভাগই যথেষ্ট।
এখন প্রশ্ন হলো সেই বিস্ফোরণের মাত্রা বা ভয়াবহতা কেমন হবে। সেটা অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করবে। বিল্ডিংয়ে রুমের সাইজ বা আয়তন কত বড়, উপাদান, ডিজাইন, অবস্থান, চারিদিকের পরিবেশ কেমন, ভেন্টিলেশনের অবস্থা কেমন ইত্যাদির উপর। আরেকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কত ভাগ গ্যাস জমা হয়েছে। ২ নং ছবিটি ভালোভাবে দেখলে বুঝতে পারবেন। বাতাসে মিথেনের অনুপাত প্রায় ৯, ১০ বা ১১ ভাগের কাছাকাছি থাকলে বিস্ফোরণের ভয়াবহতা হবে সবচেয়ে বেশি।
এজন্য সাম্প্রতিক সময়ের উল্লেখিত সকল ঘটনায় 'বিহাইন্ড দ্যা স্টোরি' একই রকম কিন্তু ভয়াবহতা ভিন্ন প্যারামিটার এর জন্য ভিন্ন রকম।
নারায়ণগঞ্জ এর মসজিদের ঘটনা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে। লিকেজ হয়ে টাইলসের ফাক দিয়ে বের হয়ে গ্যাস জমা হয়েছিলো। দরজা বন্ধ ছিলো। সুইচ অন করতেই বিস্ফারিত হয়।
মগবাজারের বেংগলমিটের চিলার রুমে বাড়ির পুরনো বন্ধ গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে জমা হয়েছিলো। সেখানেও একই রকম ঘটনা।
সায়েন্স ল্যাবের শিরীন ম্যানশনের ৩ তলায়ও বিস্ফোরণের ঘটনায় মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে ।
গুলিস্তানের ঘটনায় তদন্ত চলছে। সেটির 'রহস্য'ও অচিরেই বের হবে।
এখন এসি 'বিস্ফোরণে' র কথায় আসি। এসিতেও দূর্ঘটনা হতে পারে। তবে তার রেট খুবই কম । নিম্নমানের এসি ব্যবহার করলে, কম্প্রেসারে ময়লা জমলে, সার্ভিসিং না করানো সহ টেকনিক্যাল ত্রুটির কারনে হতে পারে তবে সেটি এতো ভয়াবহ আকারের হয় না। যে স্কেলে হয় তার সাথে সাম্প্রতিক ঘটনার তুলনা অনেকটা এটম বোমার সাথে পটকার তুলনার মত হাস্যকর।
আরেকটি বিষয় হলো সেপটিক ট্যাংক ও পানির ট্যাংক পরিস্কারের সময় আমাদের দেশের মিস্ত্রি বা কর্মীরা গ্যাস আছে কিনা পরীক্ষার জন্য একটা দিয়াশলাই বা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা করে। এমন করতে গিয়ে প্রায়ই বিস্ফোরণ এর ঘটনা দেখবেন পত্রিকায় আসে। মিরপুরে এক বাসার পানির ট্যাংক পরিস্কারের সময় এমন ঘটনা ঘটেছিলো। তার মানে হলো, এসব ট্যাংক এ গ্যাস থাকলেও ভেন্টিলেশনের অভাবে জমে থাকে এবং সুযোগের অপেক্ষায় থাকে একটি বিস্ফোরণের।
এখই সময় সচেতন হওয়ার। এখনি সময় সব 'দখিনের জানালা' খুলে দেয়ার।
08/03/2023
ছবিটি সায়েন্স ল্যাব এলাকায় গত ৫ মার্চ/২০২৩ তারিখে শিরীন ম্যানশনের তৃতীয় তলার বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলের । আমাদের টিম এর ক্যামেরায় তোলা ছবি ।
এসির ইউনিট টা দেখেছেন ?
যারা না জেনে, ঘটনার বিশালতা না বুঝে, ঘটনাস্থলে না গিয়ে শুধু ফেসবুকে আরেকজনের স্টাটাস দেখে ' এসি বিস্ফোরণ' এর গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের জন্য সমবেদনা জানানো ছাড়া কিছু করার নেই ।
ওভার এন্ড আউট ।
31/12/2022
30/12/2022
বিদায় পেলে
বাবার হয়তো শখ ছিলো বিজ্ঞানী হবে ছেলে ! তাই বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের সঙ্গে মিল
রেখে বাবা ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘এডসোঁ অ্যারাস দো নাসিমেঁতো’। পর্তুগিজ উচ্চারণে এডিসনকে তাঁরা বলতেন এডসোঁ। খেলতে খেলতে সেই নামটা হয়ে গেলো 'পেলে'।
তাঁর ভাষায় "যখন খেলা শুরু করলাম তখন আমাকে সবাই ‘পেস’ বলে ডাকত। ‘পেস’ মানে পা। পর্তুগিজে বলে শট মারাকেও বলা হয় ‘পেস’। এই ‘পেস’ থেকেই এক সময় আমাকে পেলে ডাকা শুরু হল।"
১৯৫৭ সালের ৭ জুলাই ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পথচলা শুরু । সেই ম্যাচে ১৬ বছর ৯ মাস বয়সে ব্রাজিলের পক্ষে প্রথম গোল করে পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার স্থান দখল করেন।২-১ ব্যবধানে সেই ম্যাচ হেরে আন্তর্জাতিক খেলা শুরু করলেও বিধাতা দুহাত ভরে তাকে পরিপূর্ণ করেছিলেন রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে দিয়ে।
ষাট- সত্তরের দশকে ফুটবল কে স্রেফ খেলা থেকে শিল্পে রুপান্তর করেছিলেন পেলে । বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি করেছিলেন ফুটবল উন্মাদনা। পেলে মানে তখন ফুটবল বিনোদনের ফেরিওয়ালা, যেন জীবন্ত এক গোল মেশিন । রেকর্ড তিনটি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২টিতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন বিশ্বকাপ জয়ে ।১৯৫৮ বিশ্বকাপে ইমার্জিং ইয়াং প্লেয়ার আর ১৯৭০ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন । পেশাদার অপেশাদার সবধরণের ম্যাচ মিলিয়ে গোল করেছেন ১২৮০ এর উপরে ! এখনকার ফুটবলেও যেটি অচিন্ত্যনীয় বিষয় ! ফিফার জরিপে গত শতাব্দীর অন্যতম সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন । ফুটবল নিয়ে যা করে দেখিয়েছেন তাতে বাবার বিজ্ঞানী বানানোর স্বপ্ন তো পূরণই হয়েছে ! ফুটবলের বিজ্ঞানী !
অসম্ভব মেধাবী একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যিনি সারা জীবনে মেধার অপচয় করেননি বিন্দু মাত্র, বির্তককে যিনি স্পর্শ করতে দেননি। জীবনের পরিমিতিবোধকে যিনি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ।
পেলে মানেই যেনো নিখুঁতভাবে কেটে পলিশ করা এক টুকরো ব্ল্যাক ডায়মন্ড- কালো মানিক যার দ্যুতি ছড়িয়েছে সারাজীবন ।
পেলে মানেই ফুটবল আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র । প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে যেটি একদিন নিভে যায়।
পেলে নামক নক্ষত্রও চলে গেলেন।
নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয় ।
বিনম্র শ্রদ্ধা ।
বেগম রোকেয়ার 'নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া' হিসেবে গড়ে উঠার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছিলেন তার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন ।
বেগম রোকেয়ার পিতা ছয়টি ভাষায় দক্ষ, শিক্ষিত জমিদার হলেও মেয়ের লেখাপড়া বিষয়ে রক্ষণশীল ছিলেন। মূলত কলকাতা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে অধ্যয়ন করা আধুনিকমনস্ক দুই ভাই এর সমর্থন ও সহায়তায় লেখাপড়া আয়ত্ব করেন বেগম রোকেয়া ।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় তৎকালীন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সাখাওয়াত হোসেনের সাথে। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সচেতন, কুসংস্কারমুক্ত এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানুষ । উদার ও মুক্তমনের অধিকারী সাখাওয়াত সাহেবের উৎসাহ ও সহযোগিতায় রোকেয়া দেশি বিদেশী লেখকদের রচনার সাথে নিবিড়ভাবে পরিচিত হবার সুযোগ পান এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতাও অর্জন করেন । বেগম রোকেয়ার সাহিত্য চর্চার সূত্রপাতও স্বামীর অনুপ্রেরনায় ।
যে অনুপ্রেরনায় বিয়ের মাত্র ৪ বছরের মাথায় ১৯০২ সালে কলকাতার নভপ্রভা পত্রিকায় "পিপাসা" শিরোনামে প্রথম লেখা ছাপা দিয়ে সাহিত্যিক হিসেবে যাত্রা শুরু ।
দুর্দান্ত এক শুরু ! আর পেছনে তাকাতে হয়নি !
এরপর ১৯০৪ এ 'মতিচুর', ১৯০৫ এ 'সুলতানার স্বপ্ন' । নারীবাদী চিন্তা আর সাহিত্যের মাইলফলক ধরা হয় যে দুটি বইকে ।
অন্দর মহলের একজন নারীবাদী লেখিকা একের পর এর বই প্রকাশ করে চলেছেন,আর তাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, অনুপ্রেরনা দিয়ে যাচ্ছেন একজন পুরুষ !
শতবছর পূর্বের সাখাওয়াত হোসেনের অবদান রোকেয়ার জীবনে কতটুকু সেটা আজকের দিনে কল্পনাও করা যায় না।
অথচ আধুনিককালে তথাকথিত কিছু নারীবাদীদের কথা শুনলে মনে হয় পুরুষরাই তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী !!
অথচ নারীদের নিজেদের আত্ম-উন্নয়ন, বুদ্ধিবৃত্তির উত্তোরণে পুরুষ কোন কালেই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না বরং সহায়ক ছিলো ।
রবী ঠাকুরের ভাষায়-
"শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি "
নারীদের আসলে কি করতে হবে সেটা বেগম রোকেয়া লিখে গিয়েছিলেন-
" আমরা বুদ্ধিবৃত্তির অনুশীলন করি না বলিয়া তাহা হীনতেজ হইয়াছে । এখন অনুশীলন দ্বারা বুদ্ধিবৃত্তিকে সতেজ করিব। যে বাহুলতা পরিশ্রম না করায় হীনবল হইয়াছে , তাহাকে খাটাইয়া সবল করিলে হয় না ? "
নারীদের পুরুষদের দোষারোপ না করে হীনতেজ হওয়া বুদ্ধিবৃত্তি অনুশীলনের মাধ্যমে সবল করার পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে । তখন সাখাওয়াত হোসনদেরও পাশে পাওয়া যাবে ।
আর কে না জানেন- সাখাওয়াত হোসেনরা পাশে থাকেন বলেই রোকেয়ারা সত্যিকারের 'বেগম রোকেয়া' হয়ে উঠেন !
গাজীপুরের বিআরটি প্রজেক্ট শেষ হতে আর কত দিন লাগতে পারে বলে আপনাদের ধারনা ? 🤗
04/12/2022
❤️ লিওনেল মেসি ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ পুরস্কার পেয়ে রের্কড গড়েছেন 💝 ।
মোট ৮ বার তিনি এই পুরস্কার পেলেন ।
✅ OFFICIAL: Lionel Messi has the most man of the match awards (8) in the entire World Cup history. 🇦🇷 Congratulations 🎉 Messi