ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ

Share

The Vision of PTD is to provide a quick and modernized telecom and postal services to the people of

The Mission of the Division is to determine the general policy of the Government and to encourage the development of the Telecommunication sector in Bangladesh. The Mission includes the following :-
• To take appropriate actions to facilitate exchange of information through telecommunication within and outside Bangladesh;
• To identify the areas where telecommunication technology can be applied fo

30/05/2026

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

টাঙ্গাইল,৩০ মে, ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সোলার প্যানেল স্থাপনের আগ পর্যন্ত মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটরের বিল ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করা হবে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতলে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দেশের অন্যতম মডেল হাসপাতাল এ পরিণত করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফকির মাহবুব আনাম আরো বলেন, সরকার জনগণের দৌড়গোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি শিশু রোগীদের সঙ্গেও কিছু সময় কাটান। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার সেমিনার কক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মধুপুর, ধনবাড়ী, গোপালপুর ছাড়াও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, জামালপুরের সরিষাবাড়ী ও ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রোগীরাও এ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। ফলে প্রতিদিন বিপুল রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতালটিকে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২০২০ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখনো প্রয়োজনীয় রাজস্বখাতের জনবল সৃষ্টি হয়নি। একই সঙ্গে এমএসআর, বিদ্যুৎ বিল, পৌরকর ও ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই ১০০ শয্যার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ ১০০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালনার জন্য নতুন স্টোর ভবন, সীমানা প্রাচীর, সোলার প্যানেল, সাবমারসিবল মোটর ও পানির লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পিট, চিকিৎসকদের ডরমিটরি এবং কর্মচারীদের কোয়ার্টার নির্মাণের দাবি জানায়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র সরবরাহের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থ বরাদ্দের অভাবে এখনো পূর্ণাঙ্গ সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি।

পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মো. জুবায়ের হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সুরুজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফজলুল হক, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন খান বাবলু, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এম রতন হায়দার, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সজিব কান্তি পালসহ চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

18/05/2026

প্রেস রিলিজ

এই সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ মে ২০২৬

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

আজ রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত “স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট (LEO) ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আইইবি সভাপতি ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম ও আইইবি এর আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনসহ বিভিন্ন অতিথিবৃন্দ।

সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান- বিশ্বসংযোগ 18/05/2026

১৭ মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনে টকশোতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান- বিশ্বসংযোগ বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যেবিশেষ অনুষ্ঠান- বিশ্বসংযোগঅংশগ্রহণে:- ফকির মাহবুব আনাম, এমপি - মে....

17/05/2026
Photos from ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ's post 17/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিটিসিএল‌ এর ফ্রি ওয়াইফাই সেবা উদ্ধোধন করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী যে আধুনিক, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা দেশের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বিটিসিএল এর উন্নত মানের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করেছি।

আজ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিটিসিএল‌ এর ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু উপলক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা তার আলোকে ধারাবাহিকভাবে একের পর এক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে আপনারা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো, যা দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এই অর্জন কেবল একটি প্রকল্প নয়, এটি জনগণের সেবায় আমাদের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বিমানবন্দর, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বিটিসিএল এর উন্নত ইন্টারনেট সেবা চালু করেছি।
প্রবাসী ও যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। গত আড়াই মাসে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, তা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও আরও সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।
শিগগিরই তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে দেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এই অর্জন সম্ভব হয়েছে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ মোট আটটি বিমানবন্দর এবং ছয়টি রেলস্টেশনে এই সেবা একযোগে চালু করা হয়েছে। এয়ারপোর্টের পার্কিং এলাকা থেকে শুরু করে বোর্ডিং ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত কয়েক দিনে শুধু ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই ২০ হাজারেরও বেশি যাত্রী এই সেবা ব্যবহার করেছেন এবং প্রায় ২.৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমানে একসাথে প্রায় ১৮০০ ব্যবহারকারী সংযুক্ত রয়েছেন।
আমাদের লক্ষ্য হলো সাধারণ যাত্রী—বিশেষ করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা মানুষ—যাতে সহজে, দ্রুত এবং বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা পেতে পারেন। চেক-ইন, ইমিগ্রেশন বা বোর্ডিং—সব পর্যায়ে যেন নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত হয়, সেটাই আমাদের অঙ্গীকার।
এই উদ্যোগ কেবল শুরু। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিমানবন্দর ও পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে এই সেবা সম্প্রসারণ করব।
বিমানবন্দরে ওয়াইফাই সেবা ঠিকমতো কাজ করছে কিনা মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক, বিটিসিএল সহবাংলাদেশ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ইতোমধ্যে দেশের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও ৬টি রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ মখদুম বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বরিশাল বিমানবন্দর ভাই এবং যশোর বিমানবন্দর। পাশাপাশি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, রাজশাহী রেল স্টেশন, সিলেট রেলওয়ে স্টেশন, চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন এবং ঢাকা এয়ারপোর্ট রেলওয়ে স্টেশন-এ যাত্রীরা এখন বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করতে পারছেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

Photos from ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ's post 17/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৬ উদযাপিত

ঢাকা, ১৭ মে ২০২৬:

“Digital Lifelines: Strengthening Resilience in a Connected World-ডিজিটাল জীবনধারা: সংযোগে স্থিতি, সহনশীলতায় শক্তি” প্রতিপাদ্য সামনে রেখে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনের প্রধান সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ উল বারী (অব.) বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক সাবমেরিন ক্যাবল বিস্তৃত রয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ৯৯ শতাংশ ডাটা ট্রাফিক সম্পন্ন হয়। তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সহনশীল করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্থানীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সমাধান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমান সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে দেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, এআই, হার্ডওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা সেন্টার, স্টার্টআপ এবং ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি উৎপাদন ও রপ্তানিতে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন সংযোগ ১৮.৮৪ কোটিতে এবং ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১৩.৩৬ কোটিতে পৌঁছেছে। ৪জি নেটওয়ার্ক দেশের ৯৯ শতাংশ জনগোষ্ঠীর আওতায় এসেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বাংলাদেশ মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে রয়েছে। তিনি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বমানের ৫জি এবং দেশব্যাপী ফাইবার অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি “এক নাগরিক, এক ওয়ালেট, এক আইডি” এবং জাতীয় ডেটা ব্যাংক গঠনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সম্প্রসারণের কথাও তিনি তুলে ধরেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তিনি মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপরও তিনি জোর দেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন খুব অল্প সময়েই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তিনি বিমানবন্দরগুলোতে আধুনিক ডিজিটাল সেবা ও ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল খাতের বিকাশে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সেবার মান ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ ডিজিটাল সেবাদানকারী দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, দুর্যোগের সময়ে একটি মোবাইল বার্তাও একটি জীবন বাঁচাতে পারে। তিনি ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব, সাইবার নিরাপত্তা, পেপারলেস প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট ডাটা ও আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মিজ্ বিলকিস জাহান রিমি বলেন, ডিজিটাল সংযোগ এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার অন্যতম ভিত্তি। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, ৫জি, ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডেটা প্রযুক্তি আগামী দিনের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

দিবসটি উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর মহাসচিব ডোরিন বোগডান-মার্টিন বলেন, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক এখন মানুষের জন্য জীবনরেখায় পরিণত হয়েছে। তিনি শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনটি বিভাগে দিবসটি উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিবসটি উপলক্ষে ছিল বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, প্রযুক্তিভিত্তিক স্মরণিকা প্রকাশ, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়ভিত্তিক টকশো। এছাড়া ১৭ ও ১৮ মে দুইদিনব্যাপী বিটিআরসি প্রাঙ্গণে টেলিকম ও প্রযুক্তি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় মোবাইল অপারেটর, মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, টাওয়ার কোম্পানি, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, আইসিএক্স, আইআইজি, বিটিসিএলসহ টেলিকম ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ৩০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে।

প্রসঙ্গত, ১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে ১৭ মে “বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস” হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৪টি সদস্য দেশে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতের সরকারি-বেসরকারি অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

Photos from ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ's post 16/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার ----ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপন, টেলিকম অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল, শাহবাগে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত “টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে?” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার টেলিকম খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ৫জি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইওটি ও ক্লাউডভিত্তিক সেবার প্রসারে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি এবং গ্রাহকবান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট, উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল সেবার বিস্তার নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ৫-জি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এই খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, দেশের জিডিপিতে আইসিটি খাতের অবদান ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, স্থিতিশীল করব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু স্পেকট্রাম থেকে রাজস্ব আয় নয়; বরং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, ৫জি, ডাটা সেন্টার, এআই ও সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সঠিক নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে প্রযুক্তিখাত দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।

গোলটেবিল আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি’র হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব সাহেদ আলম।

আলোচনায় অংশ নেন লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, মহাসচিব, এমটব। নুরুল কবীর, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। খালেদ আবু নাসের, বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশনের সাবেক পরিচালক। নুরুল মাবুদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। তাইমুর রহমান, হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স, বাংলালিংক। ড. লুৎফা আক্তার, অধ্যাপক বুয়েট ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবি। গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সভাপতি সমীর কুমার দে।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
০১৫৫০১৫৩২৫১

12/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিভ্রান্তিকর প্রচারণার জবাব দিল বিএসসিপিএলসি: আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই

ঢাকা, ১২ মে ২০২৬

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আওতাধীন এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) দেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের প্রধান সরকারি সংস্থা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি দুটি Trusted Submarine Cable System — SEA-ME-WE-4 এবং SEA-ME-WE-5 সফলভাবে পরিচালনা করছে।

বর্তমানে এই দুই ক্যাবল সিস্টেমের সম্মিলিত সক্ষমতা প্রায় ৭,২০০ জিবিপিএস। এর মধ্যে প্রায় ৪,১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ ইতোমধ্যে দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং আরও প্রায় ৩,১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের সক্ষমতা বিএসসিপিএলসির রয়েছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম বিএসসিপিএলসির মতামত গ্রহণ না করেই সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য ব্যান্ডউইডথ ঘাটতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিএসসিপিএলসির তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭,২০০ জিবিপিএস সক্ষমতার মধ্যে মাত্র ১০০ জিবিপিএস লোহিত সাগর (Red Sea) হয়ে যায়, যা মোট সক্ষমতার মাত্র ১.৩৪ শতাংশ। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিদ্যমান কোনো ক্যাবলের সংযোগ নেই। অবশিষ্ট ৭,১০০ জিবিপিএসের মধ্যে সিঙ্গাপুরে ৬,০০০ জিবিপিএস এবং চেন্নাইয়ে ১,১০০ জিবিপিএস সংযোগ রয়েছে, যা হরমুজ বা বাব আল-মান্দেব প্রণালীর উপর নির্ভরশীল নয়। ফলে “হুতি বিদ্রোহী বা ইরানের আঘাতে বাংলাদেশ ডিজিটাল অন্ধকারে পড়তে পারে” — এমন প্রচারণা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

একইসঙ্গে কিছু গণমাধ্যমে SEA-ME-WE-5 ক্যাবলের সক্ষমতা শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেটিও ভুল বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে এই ক্যাবলের Lit-up Capacity ২,২০০ জিবিপিএস, যার মধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে ১,৪৮৮ জিবিপিএস। অর্থাৎ এখনও ৭১২ জিবিপিএস অব্যবহৃত সক্ষমতা রয়েছে। ক্যাবলটির আয়ুষ্কাল ২০৩৭ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনা করে তা আরও বাড়ানো সম্ভব।

অন্যদিকে SEA-ME-WE-4-কে “জীবনকালের শেষ পর্যায়ে থাকা পুরোনো ক্যাবল” হিসেবে উপস্থাপন করে অযথা আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিএসসিপিএলসি। বর্তমানে এই ক্যাবলের সক্ষমতা ৪,৬৫০ জিবিপিএস এবং এর মাধ্যমে প্রায় ২,৫৯৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করা হচ্ছে। কনসোর্টিয়াম কর্তৃক এর আয়ুষ্কাল ২০৩০ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে এবং তা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে বিএসসিপিএলসি ইতোমধ্যে আরও একটি Trusted Submarine Cable System — SEA-ME-WE-6 বাস্তবায়ন করছে। ২০২৭ সালের শুরুতে এই ক্যাবল চালু হলে কক্সবাজার-সিঙ্গাপুর এবং কক্সবাজার-মুম্বাই প্রান্তে প্রায় ১৫,০০০ জিবিপিএস করে মোট ৩০,০০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের সক্ষমতা অর্জিত হবে। এর ফলে ২০২৭ সালের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সাবমেরিন ক্যাবলগুলোর মোট সক্ষমতা দাঁড়াবে প্রায় ৩৮,০০০ জিবিপিএস।

বিএসসিপিএলসি জানিয়েছে, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইডথ চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহে বর্তমানে কিংবা ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলেও আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।

একইসঙ্গে দেশের সকল অপারেটর, সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং সচেতন নাগরিকদের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনে প্রভাবিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএসসিপিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি দেশের নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও সার্বভৌম Trusted Submarine Cable System — SEA-ME-WE-4, SEA-ME-WE-5 ও SEA-ME-WE-6 থেকে ব্যান্ডউইডথ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় তথ্য অবকাঠামোর নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

Photos from ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ's post 11/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বর্তমান সরকার— আইসিটি মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ মে ২০২৬ঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।

আজ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen) এর নেতৃত্বে চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ কোম্পানির প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা প্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

মন্ত্রী বাংলাদেশে এআই ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে তরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও AI বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। যার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে দেশের তরুন সমাজ তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের অংশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে।

ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বাংলাদেশ সবসময় বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে বিশ্বাস করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত তিন থেকে চার দশক ধরে চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এবং তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এসেছে। এছাড়া এই বিনিয়োগের মাধ্যমে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা স্থাপিত হয়েছে এবং প্রতিবছর প্রায় ৮ মিলিয়নের বেশি মোবাইল ডিভাইস বাজারজাত হচ্ছে। জাতীয় আইসিটি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, জাতীয় ডাটা সেন্টার নির্মাণ এবং ডিজিটাল কানেক্টিভিটি প্রকল্প বাস্তবায়নেও চীনা প্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে Artificial Intelligence (AI) খাতের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া ভবিষ্যতে 5G নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, বিশেষ করে World Radiocommunication Conference 2027 (WRC-27) সাংহাইয়ে আয়োজন এবং ITU Council ও Radio Regulations Board-এ চীনের প্রার্থিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, দূতাবাসের তৃতীয় সচিব ঝাং পেংফেই, বাই ঝাওশি, হুয়াওয়ের মা বেন এবং জেডটিই এর মাও ইয়ংজুন সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

Photos from ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ's post 09/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানের সরকার পাশে থাকবে---- আইসিটি মন্ত্রী

ঢাকা, ৯ মে ২০২৬:

ক্যাবল অপারেটর, আইএসপি এবং সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িত। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা সরকারের দায়িত্ব। পাশাপাশি ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানের সরকার পাশে থাকবে।

আজ রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা-এ অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং এন্ড কমিউনিকেশন (ICBC) এক্সপো ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ক্যাবল টেলিভিশন, সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ খাত এখন প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। স্মার্ট প্রযুক্তি, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, আইপি টিভি এবং ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবস্থার বিস্তারের ফলে এ খাত জাতীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকার এ খাতের আধুনিকায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতিগত সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্যাবল অপারেটরদের দীর্ঘদিনের অবদান দেশের তথ্য ও বিনোদন খাতকে শক্তিশালী করেছে এবং ভবিষ্যতেও সরকার তাদের পাশে থাকবে।

মন্ত্রী প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা, গ্রাহকের তথ্য নিরাপত্তা এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং স্থানীয় কনটেন্ট উৎপাদনকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ৭ মে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই এক্সপো আজ ৯ মে সমাপ্ত হয়। এক্সপোতে দেশি-বিদেশি ৬৭ টি প্রতিষ্ঠান তাদের সর্বাধুনিক ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং ও কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করে।

ক্যাবল অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর সভাপতি এ বি এম সাইফুল হোসেন সোহেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম, এটকোর সাধারণ সম্পাদক এবং একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ কোয়াব এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Abdul Gani Road , Bangladesh Secretariat
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00