Engr. Md. Akterujjaman Hiru

Engr. Md. Akterujjaman Hiru

Share

I'd feel fortunate if I could positively impact others' well-being through my work.

19/03/2025

পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ঐক্য: প্রযুক্তি উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা-

প্রিয় পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ প্রকৌশলীবৃন্দ,

কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা কোনো একক ব্যক্তির সাফল্য নয়—এটি একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। বিশ্বের প্রতিটি উন্নত দেশ তাদের প্রযুক্তিবিদ ও প্রকৌশলীদের যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে এবং তাদের কর্মদক্ষতা শিল্প-কারখানায় কাজে লাগিয়ে জাতীয় সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আমাদের শিল্প ও উৎপাদন খাতের মেরুদণ্ড হলেন পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা, যাঁরা আজকের শিক্ষার্থী, কিন্তু আগামী দিনের প্রযুক্তি খাতের স্থপতি।

তবে, এই পথচলা সহজ নয়। ন্যায্য অধিকার, উপযুক্ত মর্যাদা, এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা—এসবের জন্য আমাদেরকে লড়াই করতে হয়েছে, এখনো করতে হচ্ছে। আমাদের ঐক্য, আমাদের সংগ্রাম শুধু কিছু সুবিধা আদায়ের জন্য নয়, এটি প্রযুক্তিনির্ভর জাতি গঠনের আন্দোলন।

২০১৩: একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়-

২০১৩ সালে, যখন কারিগরি শিক্ষার মর্যাদা ও প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথম বড় আন্দোলন গড়ে ওঠে, তখন আমি নিজেও সেই আন্দোলনের সামনের সারির কর্মী ছিলাম। বিশেষ করে, পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিত্ব করে আমি ঢাকার তেজগাঁওয়ে রাজপথে দাঁড়িয়ে এই সংগ্রামে অংশগ্রহণ করি। সেই সময়, আমাদের আন্দোলন শুধু পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ভিত্তি তৈরির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠেছিল।

তবে, আন্দোলনের বিরুদ্ধে তখনও কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল। তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, আমাদের দুর্বল করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমাদের ঐক্য ও নেতৃত্ব সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছিল। আমরা আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একধাপ এগিয়ে যেতে পেরেছিলাম।

বর্তমান আন্দোলন: ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম-

আজকের শিক্ষার্থীরা সেই একই লড়াইয়ের নতুন বাহক। আমাদের লক্ষ্য একটাই—প্রকৌশলীদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা, তাদের দক্ষতা শিল্পখাতে সঠিকভাবে কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশকে একটি প্রযুক্তি-নির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত করা।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এখনো কিছু মহল প্রকৌশলীদের গুরুত্ব খর্ব করতে চায়। তারা আমাদের দাবিগুলোকে ছোট করে দেখতে চায়, আমাদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সংকুচিত করতে চায়। আমরা যদি আজ নীরব থাকি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

তাই, এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় একটাই—ঐক্যবদ্ধ থাকা, সচেতন থাকা এবং দৃঢ়সংকল্পের সাথে আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো আদায় করা। এই আন্দোলন শুধু আমাদের স্বার্থের জন্য নয়, এটি জাতীয় উন্নয়নের জন্য। প্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে হলে, কারিগরি শিক্ষার মূল্যায়ন করতে হবে, প্রকৌশলীদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে, এবং তাদের দক্ষতা শিল্প ও উৎপাদন খাতে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

একতার শক্তি: আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে-

আমাদের এই আন্দোলন যেন কোনো ব্যক্তি বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর স্বার্থে সীমাবদ্ধ না থাকে। এটি সমগ্র কারিগরি শিক্ষার্থী ও প্রকৌশলীদের আন্দোলন। তাই, আসুন, আমরা বিভেদ ভুলে একসাথে কাজ করি। আমাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই।

আমরা যদি এক থাকি, তাহলে কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দিতে আমাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যদি আজ লড়াই করি, তাহলে আগামী প্রজন্ম আমাদের পথ অনুসরণ করে প্রযুক্তি ও শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাবে।

প্রকৌশলীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই, প্রযুক্তি উন্নয়নের সংগ্রাম!

কারিগরি শিক্ষার্থীদের ঐক্য অটুট থাকুক, জাতীয় উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলি!

প্রকৌশলী মোঃ আকতারুজ্জামান হিরু
মহাসচিব
বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ)।

02/03/2025

ইঞ্জিনিয়ারদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে এগিয়ে চলুন!

ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার হোন, টেকসই উন্নয়নে অংশ নিন।

বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) ইঞ্জিনিয়ারদের সম্মান, অধিকার ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আপনাদের পাশে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আপনার ঐক্যই আমাদের শক্তি!

02/03/2025

ইঞ্জিনিয়ারদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হোন!

নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হোন, টেকসই উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।
বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) ইঞ্জিনিয়ারদের অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠায় আপনার পাশে।

01/03/2025

ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি বিআইইএ'র উদাত্ত আহ্বান:

ইঞ্জিনিয়াররা জাতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। আধুনিক বিশ্বের অর্থনীতি, শিল্প, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অপরিসীম। তাঁদের মেধা, শ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টায় একটি দেশ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, অনেক ক্ষেত্রেই ইঞ্জিনিয়ারদের মৌলিক চাহিদা—যেমন ন্যায্য বেতন, পেশাগত স্বীকৃতি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক নিরাপত্তা—যথাযথভাবে পূরণ হয় না।

বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) বিশ্বাস করে, ইঞ্জিনিয়ারদের কল্যাণ নিশ্চিত করা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অধিকার নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত। ইঞ্জিনিয়ারদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বিআইইএ'র আহ্বান ও করণীয় বিষয়সমূহ:

১. ন্যায্য বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ:

ক) ইঞ্জিনিয়ারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন।

খ) সরকার ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে ন্যায্য বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠা।

গ) চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে স্থায়ী নিয়োগ নিশ্চিতকরণ।

ঘ) বেতন বৈষম্য দূর করতে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ।

২. নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ:

ক) ঝুঁকিপূর্ণ কর্মস্থানে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ।

খ) শ্রম আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবীমা ও ক্ষতিপূরণ নীতিমালা বাস্তবায়ন।

গ) সাপ্তাহিক ও মাসিক কর্মঘণ্টা নির্ধারণ ও তা কার্যকর করা।

ঘ) নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিদর্শন কমিটি গঠন।

৩. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি:

ক) আধুনিক প্রযুক্তি, সফটওয়্যার ও গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন।

খ) সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্কলারশিপ ও প্রশিক্ষণ ভাতা চালু করা।

গ) ইঞ্জিনিয়ারদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি।

ঘ) সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমে টেকনিক্যাল দক্ষতা উন্নয়নের কোর্স চালু।

৪. কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ার গ্রোথের নিশ্চয়তা

ক) সরকারি ও বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ।

খ) ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য স্বচ্ছ পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

গ) উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ফ্রিল্যান্সিং সুবিধা প্রদান করে স্বনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

ঘ) Brain Drain রোধে বিদেশে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ব্যবস্থা।

৫. পেশাগত স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা:

ক) প্রকৌশলীদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার ব্যবস্থা চালু।

খ) প্রকৌশলীদের নামের আগে “প্রকৌশলী” উপাধি ব্যবহারের বাধ্যতামূলক নীতিমালা প্রণয়ন।

গ) উন্নয়ন প্রকল্পে ইঞ্জিনিয়ারদের অবদানকে প্রকাশ্যে স্বীকৃতি প্রদান।

ঘ) প্রকৌশলী দিবস উদযাপন ও স্মারক সম্মাননা প্রবর্তন।

৬. সামাজিক নিরাপত্তা ও অবসরকালীন সুবিধা:

ক) সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্র্যাচুইটি ও পেনশন সুবিধা নিশ্চিত করা।

খ) কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে স্বাস্থ্যবীমা ও সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল গঠন।

গ) ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠন ও সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা প্রদান।

ঘ) দীর্ঘমেয়াদী অবসরকালীন সঞ্চয় প্রকল্প চালু করা।

৭. প্রকৌশল নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ:

ক) সরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ইঞ্জিনিয়ারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

খ) নীতি নির্ধারণে বিআইইএ সহ অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

গ) শিল্পনীতি, অবকাঠামো পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) বাস্তবায়নে প্রকৌশলীদের মতামত গ্রহণ।

ঘ) প্রকৌশল গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী ফোরাম গঠন।

ঐক্যই শক্তি, সম্মিলিত প্রচেষ্টা সফলতার চাবিকাঠি!

ইঞ্জিনিয়ারদের অধিকার, মর্যাদা এবং সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য বিআইইএ সকল ইঞ্জিনিয়ারদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে।

আমাদের দাবি, আমাদের অধিকার!
ইঞ্জিনিয়ারদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে এগিয়ে চলুন নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হোন। ইঞ্জিনিয়ারদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে অংশ নিন। দেশের টেকসই উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন। বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) ইঞ্জিনিয়ারদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বদা পাশে থাকবে।

প্রকৌশলী মোঃ আকতারুজ্জামান হিরু
মহাসচিব
বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ)।

15/02/2025

বিআইইএ'র "উষ্ণতা অভিযাত্রা" কর্মসূচি!

10/02/2025

রুহকে কষ্ট দিয়ে কখনোই সত্যিকারের মন জয় করা যায় না। সাময়িক আবেগ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে, কিন্তু টিকে থাকে একমাত্র বিবেকের নির্দেশিত সঠিক পথ। তাই আবেগের জোয়ারে ভেসে নয়, বিবেকের আলোকে সিদ্ধান্ত নিন—এটাই সত্যিকারের শক্তি ও সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

ধন্যবাদ।

08/02/2025

বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সুসংগঠিত পরিকল্পনা, কার্যকর নেতৃত্ব, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আর্থিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।

১. সংগঠনের কাঠামো ও প্রশাসনিক শক্তিশালীকরণ:

সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা হালনাগাদ: একটি সুনির্দিষ্ট ও যুগোপযোগী গঠনতন্ত্র থাকা আবশ্যক। নিয়মিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে সংশোধন করতে হবে।

পরিষ্কার প্রশাসনিক কাঠামো: কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সুনির্দিষ্ট করা এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা: অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ, সভার কার্যক্রম পরিচালনা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।

২. সদস্য সংগ্রহ ও সংহতি বৃদ্ধি:

নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি: ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে সদস্য সংখ্যা বাড়ানো।

সদস্যদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম: প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট আয়োজন করা।

অ্যাকটিভ সদস্যদের সংযুক্ত রাখা: নিয়মিত যোগাযোগ, আলোচনা সভা, মতবিনিময় ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনের প্রতি আনুগত্য বৃদ্ধি করা।

৩. দক্ষ নেতৃত্ব ও গঠনতান্ত্রিক ব্যবস্থা:

স্বচ্ছ নেতৃত্ব নির্বাচন: যোগ্য এবং নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনতে স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ: একক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

তরুণ নেতৃত্ব গড়ে তোলা: নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং নেতৃত্বদানের সুযোগ দেওয়া।

৪. আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা:

নিয়মিত সদস্য চাঁদা আদায়: সদস্যদের থেকে নির্দিষ্ট ফি বা চাঁদা সংগ্রহ করে সংগঠনের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করা।

স্পন্সরশিপ ও তহবিল সংগ্রহ: কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকারি অনুদান ও স্পন্সরশিপের মাধ্যমে ফান্ডিং বাড়ানো।

ট্রান্সপারেন্ট ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট: সংগঠনের সকল আর্থিক লেনদেন স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনা করা।

৫. পেশাগত উন্নয়ন ও শিল্প খাতে প্রভাব বৃদ্ধি:

শিল্প কারখানার সঙ্গে পার্টনারশিপ: সরকারি ও বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ে তোলা।

প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন: ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন কর্মসূচি চালু করা।

শিল্প নীতিতে প্রভাব বিস্তার: সরকারের শিল্প ও প্রকৌশল খাত সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা।

৬. গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম:

গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন: ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং-সংক্রান্ত গবেষণা চালিয়ে দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি: ডিজিটাল টুলস ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রসেস উন্নয়নের পথ তৈরি করা।

৭. আন্তর্জাতিক সংযোগ ও পরিচিতি বৃদ্ধি:

আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা ও ইনস্টিটিউটের সদস্যপদ গ্রহণ ও সহযোগিতা বাড়ানো।

প্রতিনিধিত্বমূলক সম্মেলনে অংশগ্রহণ: আন্তর্জাতিক সম্মেলন, ওয়ার্কশপ ও সেমিনারে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারদের বৈশ্বিক পর্যায়ে পরিচিত করা।

৮. সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ব্র্যান্ডিং:

সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম: শিক্ষা, বৃত্তি প্রদান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া।

মিডিয়া ও প্রচারণা: গণমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম প্রচার করা।

এই কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (বিআইইএ) একটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।

ধন্যবাদ সবাইকে।

07/02/2025

বিআইইএ'র জেনারেল মিটিং | প্রযুক্তির নবযাত্রা

আজকের এই সভা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এক কৌশলগত মাইলফলক। ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আপনার অন্তর্দৃষ্টি ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, সম্মিলিতভাবে অগ্রগতির পরবর্তী অধ্যায় রচনা করি!

06/02/2025

বিআইইএ'র জেনারেল মিটিং আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি শুধুমাত্র একটি সভা নয়, বরং সংগঠনের ভবিষ্যৎ গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও উদ্ভাবনাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বাস্তবায়িত করতে আপনার উপস্থিতি আমাদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস। আপনার মূল্যবান অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ মিটিংকে আরও ফলপ্রসূ করবে। আসুন, একত্রে আমাদের সফলতার দিশা নির্ধারণ করি এবং সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত করি।

08/03/2024

শুভ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৪! এই বিশেষ দিনে, আমরা আমাদের সমস্ত আশ্চর্যজনক নারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আমাদের সমাজে আপনাদের অবদান অমূল্য।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Bangladesh
Dhaka
1212