মুগদা-মান্ডা

মুগদা-মান্ডা

Share

সচেতন মুগদা-মান্ডার জনগন...।।

29/05/2025

ফিতা দিয়ে গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় পদ্ধতি

গবাদিপশুর খামার ব্যবস্থাপনায় লাভবান হতে গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় অবশ্যই জানতে হবে। খুব সহজেই ফিতা দিয়ে গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় পদ্ধতি এর বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খামারে লাভ করতে হলে যে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে তার মধ্য অন্যতম হলো গবাদিপশুর ওজন নির্ণয়। নিয়ম মেনে এই ওজন দেয়া উচিত।

প্রতিদিন বা সপ্তাহান্তে গবাদিপশুর ওজন ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা উচিত। ওজনের ওপর নির্ভর করে খাদ্যসহ অন্যান্য যত্নও নিতে হবে। অনেকের ধারণা গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় করতে হয়তো অনেক অনেক বড় উপকরণ দরকার।

না, ফিতা দিয়েই গবাদিপশুর ওজন মাপা যাবে। তবে বাংলাদেশ প্রাণি সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ফিড মাষ্টার; বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট নামের অ্যাপ ব্যবহার করে করা যাবে।

খুব সহজে গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় করা যাবে লাল রঙে দেয়া লিঙ্কে প্রবেশ করে। ফিতা দিয়ে গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় করতে এখানে ক্লিক করুন

প্রিয় খামারিরা ওজন মাপার এই সহজ পদ্ধতিটি ব্যবহার করে অবশ্যই উপকার হবে আপনাদের। এছাড়া এ বিষয়ে যে কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জেনে আপনাদের কাছে তুলে ধরবো।

ফিতা দিয়েই গবাদিপশুর ওজন নির্ণয় পদ্ধতি সংবাদটির এর তথ্য বাংলাদেশ প্রাণি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

খামারিদের মতে, চেষ্টা করুন প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার খামারে ফ্যাটেনিং গরুর ওজন নিয়ে দেখতে গ্রোথ কেমন পেলেন। অর্থাৎ কত টাকার ইনপুট (খাওয়া) দিলেন আর কত টাকার আউটপুট (মাংস) আসলো।

কেননা আপনি শুধু গবাদিপশুকে খাওয়ালেন কিন্তু কতটুকু আউটপুট আসলো তা না জানলে হিসাবটা ঠিকমতো করতে পারবেন না। আর হিসাবটা ঠিক মতো না করতে পারলে খামারে ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

🐄মনে করি, গরুটির দৈর্ঘ্য ৭০ ইঞ্চি এবং বেড় ৬০ ইঞ্চি। তাহলে গরুর আনুমানিক ওজন হবে (৭০X৬০X৬০)/৬৬০ = ৩৮১ কেজি (প্রসঙ্গত, প্রধান সূত্রে পাউন্ডে হিসেব করা হয়েছে কিন্তু এখানে সুবিধার জন্য কেজিতে দেখিয়ে ৬৬০ দ্বারা ভাগ করা হয়েছে)। এই সূত্রের সাহায্যে যে ওজন পাওয়া যাবে তা হলো গরুর নাড়িভুড়িসহ সবকিছুর ওজন।

👉 শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে ।
খামার বাড়ি গবাদিপশু পালন ও কৃষি কৃষি ও খামার।

29/05/2025

🔴 বিশ্বাস করুন আর নাই বা করুন বাংলাদেশে এই নামের নদীগুলো আছে:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে ‘পাগলা’ নদী আর কুমিল্লায় আছে ‘পাগলি’। 'সতা’ নদ আছে নেত্রকোনায়, ‘সতি’ আছে লালমনিরহাটে, 'মহিলা' নদী দিনাজপুরে, পুরুষালি’ নদী ফরিদপুরে, ‘মাকুন্দা’ আবার সিলেটে।

সিলেটে আছে ‘ধলা’ নদী আর দিনাজপুরে আছে ‘কালা’ নদী, হবিগঞ্জে আছে ‘শুঁটকি’ নদী, পঞ্চগড়ে আছে ‘পেটকি’, আবার পাবনায় আছে ‘চিকনাই’ নদী। ‘বামনী’ নদী আছে নোয়াখালীতে, ‘ফকিরনি’ আছে নওগাঁয়।

চুয়াডাংগায় ‘মাথাভাঙ্গা’, নীলফামারীতে ‘চুঙ্গাভাঙ্গা’, হবিগঞ্জে ‘হাওরভাঙ্গা’, সাতক্ষীরায় ‘হাঁড়িয়াভাঙ্গা’, পটুয়াখালীতে ‘খাপড়াভাঙ্গা’, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘নাওভাঙ্গা’, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আছে ‘ছিটিভাঙ্গা’।

বাগেরহাটে ‘পুঁটিমারা’ লালমনিরহাটে ‘সিঙ্গীমারা’, খুলনায় ‘শোলমারা, খাগড়াছড়ির ‘গুইমারা’, সাতক্ষীরায় ‘সাপমারা’, পঞ্চগড়ে ‘ঘোড়ামারা’, হবিগঞ্জে ‘হাতিমারা', চুয়াডাঙ্গায় ‘ভাইমারা’ ও সুনামগঞ্জে ‘খাসিয়ামারা’ নামে নদী আছে।

ফরিদপুরে আছে ‘কুমার’, চট্টগ্রামে আছে ‘ধোপা’, নওগাঁয় আছে ‘গোয়ালা’, আর সিরাজগঞ্জে আছে ‘গোহালা’।

ঢাকী’ আছে খুলনায় আর ‘বংশী’ নদী আছে সাভারে। 'লুলা’ নদী সিলেটে, ‘খোড়া’ নদী নীলফামারী, ‘বোকা’ নদী ছাতক আর ‘খ্যাপা’ নদী সিলেটে।

আবার মগরা’ নদী নেত্রকোনা, ‘ফটকি’ নদী মাগুরা, মঘা’ নদী ময়মনসিংহ, ‘ল্যাঙ্গা’ নদী গাইবান্ধা, ‘হাবড়া’ নদী সাতক্ষীরা, এবং ‘হোজা’ নদী রাজশাহী।

লঙ্কা’ নদী বরিশালে, ‘গুড়’ নদী নাটোরে। ‘ক্ষীর’ নদী ময়মনসিংহে, ‘লোনা’ নদী ঠাকুরগাঁওয়ে। ‘নুনছড়া’ আছে সিলেটে, ‘কালিজিরা’ বরিশালে, সুনামগঞ্জে আছে ‘লাউগাং’ আর ‘লাচ্ছি’ নদী আছে ঠাকুরগাঁওয়ে।

পটুয়াখালীতে আছে ‘পায়রা’, খুলনায় আছে ‘ময়ূর’, দিনাজপুরে আছে ‘শুক’ (টিয়া), সিলেটে ‘সারি’ (শালিক), বাগেরহাটে আছে ‘বগী’, সিলেটে ‘কুড়া’, রাজশাহীতে আছে ‘কোয়েল’, রাজবাড়ীতে ‘চন্দনা’, পঞ্চগড়ে আছে ‘ডাহুক’, সুনামগঞ্জে ‘ডাহুকা’, মৌলভীবাজারে আছে ‘মুনিয়া’।

পাবনায় আছে ‘কমলা’, সুনামগঞ্জে ‘খুরমা’, কুমিল্লায় ‘কালাডুমুর’ নদী। সিলেটের জকিগঞ্জে আছে ‘তাল’ ও ‘কুল’ নামে দুই গাং। ফেনীতে আছে ‘মুহুরী’, মৌলভীবাজারে ‘জুড়ী’, রংপুরে আছে ‘কাঠগড়া’ নদী।

আর যশোরে আছে ‘টেকা’, বরিশালে ‘পয়সা’, সিরাজগঞ্জে ‘দশসিকা’, জামালগঞ্জে আছে ‘দশানী’ নদী। বিষখালী নদী ঝালকাঠি/বরগুনায় আর নির্বিষখালী’ নদী মাগুরায়। বালু নদী গাজীপুরে, বালিখাল হবিগঞ্জে, বালুখালী চট্টগ্রামে আর বালুভরা নওগাঁয়।

'ঘাগড়া' আছে পঞ্চগড়ে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘ঘুঙ্গুর’, আর নরসিংদীতে ‘কাঁকন’। আবার ‘ছেঁড়া’ নদী খুলনায় ‘ফুটা’ নদী টাঙ্গাইলে। ভোলায় ‘কলমি’, শরীয়তপুরে ‘পালং’, মাদারীপুরে ‘ময়নাকাঁটা’, বরিশালে ‘লতা’ আর সিলেটে আছে ‘শ্যাওলা’ নদী। কলকলিয়া হবিগঞ্জে, হলহলিয়া কুড়িগ্রামে, ঝনঝনিয়া গোপালগঞ্জে, ঝপঝপিয়া খুলনায়, জিরজিরা জামালপুরে, গড়গড়া গাজীপুরে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাই কে।

08/06/2024

আপনারা বেনজিরের এতো সমালোচনা করছেন কেন? আপনারা তো মোটাদাগে বেনজিরই হতে চান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে বিসিএসের জন্য এতো দৌড়, তা তো বেনজির হওয়ার জন্যই। ফেসবুকে যে বিসিএস কোচিংয়ের রমরমা ব্যবসা, তা তো বেনজির হওয়ার জন্যই। সুযোগ পাচ্ছেন না, তাই সততার দেবতা সেজে আছেন। বেনজির একজন পিএইচডি করা জ্ঞানের চূড়ান্ত সনদদারী মানুষ। এমন সনদ তো আপনারাও চান। চান না? যেকোনো মূল্যে পিএইচডি বাগিয়ে জ্ঞানী সাজতে চান, চান তো?

বিসিএসের রেজাল্টের দিন যে বেছে বেছে পুলিশ আর অ্যাডমিন ক্যাডারের ছেলেদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান, তাদের ফলোয়ার লিস্টে গর্বিত ছাগল রূপে দারোয়ানের চাকরি নেন, তা কি অসত্য? ভাই ভাই বলে যে মুখে সমুদ্র সফেন সৃষ্টি করেন, তা কি মিথ্যা? মিথ্যা নয়। একজন বেনজিরের আশেপাশে থাকতে আপনি পছন্দ করেন।

ফ্রেন্ডলিস্টে কতো মানুষের জন্মদিন যায়, জন্মদিন আসে, আপনি খেয়াল করেন না, কিন্তু পুলিশ ও অ্যাডমিন ক্যাডারের 'সইয়ের বউয়ের বকুল ফুলের বোন পো বোনের নাত জামাই' সম্পর্কীয় ভাইয়ের ছবি খুঁজে ঠিকই আপলোড দিয়ে জানান দেন, আমি বেনজিরের ঘনিষ্ঠ!

বেনজিরকে বলবো, দেশে ফিরে আসুন। বাংলাদেশে আপনার চেয়ে ভালো মানুষ খুব একটা নেই। যদিও সবাই আপনাকে এখন গালাগালি করছে, কিন্তু আপনিই সবার স্বপ্ন। আপনার মতো হওয়ার জন্যই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই, লাইব্রেরিতে মাথা গুঁজে থাকি, আর ফেসবুকে জ্ঞান বিলাই।

21/01/2024

স্বাধীনতা!!
স্বাধীনতা তুমি বর্ডার জুড়ে ফেনসিডিলের আড়ৎ
স্বাধীনতা তুমি টিভি খুললেই দেশটা আমার ভারত,
স্বাধীনতা তুমি বোনের গায়ে সানি লিওনের ড্রেস
স্বাধীনতা তুমি কড়া মেকাপের হিন্দি সিরিয়ালের বেষ।

স্বাধীনতা যখন কাঁটাতারে ঝুলন্ত মোদের ফেলানী
স্বাধীনতা তখন ক্যাটরিনা কাইফই আমার স্বপ্ন রানী,
স্বাধীনতা মোরে শেখাচ্ছে নিয়ত রামায়নের রাম ও রাঁধা
স্বাধীনতা নিয়েই হাসবো আমি, আমি যে শিকলে বাঁধা।

স্বাধীনতা তুমি করিয়াছ বাধ্য দিতে টিপাইমুখে বাঁধ
স্বাধীনতা তুমি পাঠাচ্ছ ভারত সামান্য উঠাতে দাঁত,
স্বাধীনতা যখন নিজের সংস্কৃতিকে নিজেই করিয়াছে বর্জন
স্বাধীনতা তখন ভাবতে থাকে কখন আমি হয়েছি অর্জন।

স্বাধীনতা তুমি লাখো শহীদের উৎসর্গ করা তাজাপ্রান
স্বাধীনতা তুমি দেশী শিল্পীদের বিদেশি গাওয়া হিন্দি গান,
স্বাধীনতা মানে জীবন নামের প্রাণ নাশক আন্তঃনগর ট্রেন
স্বাধীনতা তুমি পরাধীনতার বাকরুদ্ধ একটি বাংলাদেশ।।

লিখাঃ মামুন রাফী

11/12/2023

হঠাৎ একদিন আবিষ্কার করলাম লজেন্স খেতে আর ভালো লাগে না, খেয়াল করলাম আম্মু-আব্বুকে ছেড়ে অন্য রুমে ঘুমাচ্ছি, তারপর বাংলা ১ম পত্রে আর কোনোদিন ১০০ তে ১০০ তোলা গেলো না, কলম দিয়ে লিখা ভুল উত্তরটা রাবারে মোছা গেলো না, আম্মুর চুড়ি দিয়ে ড্রয়িং পরীক্ষায় ফুটবল আঁকার সুযোগ শেষ, দিস্তা কাগজে খাতা বানাতে ভুলে গেলাম। চকলেট দৌড় থেকে নিয়ে আসা হলো মোড়গ লড়াইয়ের দলে। লড়াই চলতে থাকলো। কার্টুন নেটওয়ার্ক হয়ে গেলো সিএন, আলিফ লাইলাও বোরিং লাগতে শুরু করলো, চোর-পুলিশ খেলার গ্রুপ হারিয়ে গেল, সবচেয়ে প্রিয় বিজ্ঞান বইটা ভাগ হয়ে গেল পদার্থ, রসায়ন আর জীববিজ্ঞানে। শীতকালে ডিসেম্বর থেকে সরে যেতে লাগলো, আমাদের আগেই জুনিয়ররা ব্যাডমিন্টন মাঠ বানিয়ে ফেললো। ঝরে আম পড়া কমে গেল নাকি কুড়ানোর ইচ্ছা হারিয়ে গেল, সেটা বোঝার সময় হলো না। সবাই মিলে টাকা দিয়ে চিপ্স কিনে খাওয়া বন্ধুরা লুকিয়ে সিগারেট খেতে শুরু করলো, প্রেমে পড়তে ইচ্ছে হলো, রোদের মধ্যে ফুটবল খেলতে গিয়ে হাপিয়ে উঠলাম, দোকানে গিয়ে মোস্তফা খেলার বদলে গেম জোনে গিয়ে সিএস খেলা শিখতে লাগলাম। গিটার শিখতে ইচ্ছা হলো, বড় হতে ইচ্ছা হলো, ক্লাস পালাতে ইচ্ছে হলো, রাত জাগতে ইচ্ছে হলো.. যেভাবে বড়রা রাত জাগে।

সেই যে শুরু হলো আর থামা গেল না। আজকাল ঘুমাতে ইচ্ছা করে। রাতের বেলা কার্টুন নেটওয়ার্কে সোয়াট ক্যাটস দেখে যেভাবে ঘুমিয়ে পড়তাম।

লেখা:সাজিদুল করিম দীপু

02/12/2023

ইন্ডিয়া বিদ্বেষ, নাকি "ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিম" বিদ্বেষ!

লিখতে চাচ্ছিলাম না কথাগুলো। কিন্তু না লিখে পারছি না। কিছু বিষয় ক্লিয়ার করা দরকার।

কিছুদিন আগে 'ইন্ডিয়া বনাম অস্ট্রেলিয়া' খেলার পর থেকে ফেসবুক গরম। বাংলাদেশ জিতলে যতোটা না খুশি লাগে, তার চেয়ে বেশি খুশি লাগে ইন্ডিয়া হারলে, এমন বহু কথা। অনেকে দেখলাম খেলার মধ্যে জাত, ধর্ম টেনে আনছে। ধর্ম টেনে নিজেকে খুবই লেম পরিচয় দিচ্ছেন আপনারা!

এটা আসলে "ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিম" বিদ্বেষ, ভারত বিদ্বেষ না। থাকলে সেটা আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমের প্রতি এতো রাগ কেন সবার? কেন এই নাম শুনলেই অর্ধেক বাঙ্গালী ছ্যাঁত করে ওঠে? গতকাল কয়েকজন কথাটা জিজ্ঞেস করলো, তাই ভাবলাম বিস্তারিত লিখি। এটা বুঝতে হলে আমাদের একটু পিছনে যেতে হবে।

২০১৫ সালের ICC Cricket World Cup, খেলা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেবার বাংলাদেশ প্রথমবার মাশরাফির নেতৃত্বে কোয়ার্টার ফাইনালে যায়। বাংলাদেশীদের জন্য সবচেয়ে খুশির মুহুর্ত ছিল ওটা। দেশের মানুষের অনেক আশা ছিল এই খেলার উপর। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের সাথে বাংলাদেশের খেলা পরে। সেই ম্যাচেই কিছু ঘটনা ঘটে, যা বাঙ্গালীদের বিশ্বাসে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে। যারা যারা খেলাটা লাইভ দেখছে, সবাই শকড হয়ে যায়।

১. ভারত প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে। খেলার মাঝে রুবেল হোসেন একটা ফুল-টস বল করে রোহিত শর্মাকে। সেটা ব্যাটে লাগার পর উইকেটকিপার মুশফিক ক্যাচ ধরে। বল কোমরের উপরেও যায়নি, নিশ্চিত আউট! আম্পায়ার সেটা নো-বল দিল। পরে DRS -এ দেখা যায় মার্জিনাল কল, মানে আউটই ছিল। কিন্তু আম্পায়ার তারপরেও আউট দেয়নি। ইভেন লেগ আম্পায়ার 'হাই নো' না দিয়ে মেইন আম্পায়ার 'নো বল' দেয়। এরপর রোহিত শর্মা একা ১৩৭ রান নেয়, যা ভারতের সেদিনের ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ঠ ছিল। পরে সেই বলকে ICC থেকে সুন্দর একটা নাম দেওয়া হয়, Ghost Bowl 😄

২. সুরেশ রায়না ব্যাটিং করার সময় মাশরাফি মর্তুজা একটা ইন-লাইন বল করে। সেটাকেও আম্পায়ার LBW দেয়নি।

৩. বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নামে। মাহমুদুল্লাহ ব্যাট করছিল, বোলিংয়ে ছিল মোহাম্মদ সামী। মাহমুদুল্লাহ ৬ মারে। শেখর ধাওয়ান সেই বলটাকে ঠিক বাউন্ডারি লাইনের সাথে পা ঘেঁষে আটকায়। পা বাউন্ডারিতে টাচ করে 'ছয়' হওয়ার পরেও আম্পায়ার সেটাকে "ক্যাচ আউট" দেয়। মাহমুদুল্লাহ সেদিন অনেক ভালো ফর্মে ছিল। আউট না দিলে হয়তো সেদিন ১০০ রান নিয়ে ফেলতো!

এই ৩ টা ঘটনা সেদিন সরাসরি লাইভ দেখছিল সবাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের মনোবল খুব জলদি মাঠেই ভেঙ্গে দিছিল টিম ইন্ডিয়া এবং আম্পায়ারগণ। সেদিনের খেলাটা ফিক্সিং ছিল কিনা আজ সেই বিতর্কে যাওয়ার ইচ্ছে নেই, তবে সেদিন আম্পায়ারগণ ভারতীয় টিমের প্রতি প্রচন্ড বায়াসড ছিল। ইভেন এখনও ইন্ডিয়ান টিম মানেই আম্পায়ার বায়াসড। এটাই ছিল ভারতীয় ক্রিকেট টিমের উপর বাংলাদেশীদের ঘৃণা আসার সবচেয়ে বড় কারণ! সেদিনের খেলার পর থেকেই "ইন্ডিয়ান টিম সাপোর্ট" প্রশ্নে বাঙ্গালীদের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যেতে থাকে।

শুধু তাইনা, আরও কিছু সিলি ঘটনা আগুনে ঘি ঢালার কাজ করে। বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পর যখন ভারত বনাম বাংলাদেশ খেলা ঠিক হয়, তখন ইন্ডিয়ান মিডিয়া, কিছু ইউটিউবার, ইন্ডিয়ান ফেসবুক পেজ কয়েকটা নিম্নমানের কাজ করে।

তখন কেবল ফেসবুকে 'মিম কালচার' ধীরে ধীরে ফেমাস হচ্ছে। ইন্ডিয়ান কিছু বড় বড় পেজ থেকে বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচকে 'কুকুর বনাম বাঘ' দৌড়ের সাথে তুলনা করে অনেক জঘন্য ভাষায় নেগেটিভিটি ছড়ানো হয়। ইন্ডিয়ান জনপ্রিয় ইউটিউবার Technical Guruji লাইভে এসে বাঘের পুতুল পুড়ায়ে ঠাট্টা করছিল।

এর মধ্যে 'স্টার স্পোর্টস' চ্যানেল একটা অ্যাডভার্টাইজ দেখায়। সেই টিভিসি ছিল এমন, "যেই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালে আমরাই বানাইছি, তারা আমাদেরকে পরাজিত করবে?"... এই টিভিসি সরাসরি তারা খেলার মাঝে প্রচার করে, যেটা খুবই লেম কাজ ছিল। বস্তুত, "১৯৭১, যুদ্ধ, রাজনীতি"... এগুলো ইন্ডিয়ানরাই সবার আগে উস্কানি দিয়ে বলছিল, বাঙ্গালীরা আগে শুরু করেনি।

আরও লজ্জ্বাজনক ঘটনা ছিল নাভজোৎ সিং সিধুর ঘটনা। যারা নামে চিনলেন না, চেনাই। ইন্ডিয়ান 'কাপিল শর্মা' শোতে সামনের চেয়ারে একজন পাগড়ি পরা সার্দারজী বসে থেকে সবসময় ঠা ঠা করে হাসেন, উনিই হলেন সিধু। তো সিধুপাজী ছিলেন সেই ২০১৫ ক্রিকেট ম্যাচের হোস্ট। উনি বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আগের দিন লাইভে এসে হাসতে হাসতে বলেন, "যো কাঙ্গাল বেহাল বাংলাদেশ থা, আজ বেশুমার মালামাল.. কেয়া বাত, কেয়া বাত" (যেই ভিখারি বাংলাদেশ ছিল, আজ দেখি তারা অনেক ধনী)

উনার এই কথাটা স্টার স্পোর্টস চ্যানেল থেকে ডিলিট করে দেওয়া হয়, এখন ইউটিউব ঘাটলে পাওয়া যায়না। অনেকে হয়তো জানেন না, নাবজোৎ সিং সিধুও একজন ক্রিকেটার ছিলেন। এখন টিভি শো করে বেড়ান। একজন রিটায়ার্ড প্রোফেশনাল ক্রিকেটারের মুখে বাংলাদেশ নিয়ে এরকম তাচ্ছিল্য স্বভাবতই বাঙ্গালী ভালো চোখে নেয়নি।

তো এগুলোই হলো ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমকে বাঙ্গালীর ঘৃণা করার কারণ, আর কিছুই নাহ। ২০১৫ এর এমন ঘটনার আগেও যে এগুলো হয়নি, তা না। বিভিন্ন সময়েই তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে তাচ্ছিল্য করে অনেক মন্তব্য করছে, যেগুলো ধীরে ধীরে বারুদে পরিণত হয়ে এখন আগুন জ্বলে উঠছে।

এছাড়া নর্মাল ভারতীয়দের প্রতি কোন বিষেদগার নেই। থাকলে সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। ভারত উপেক্ষা করা সম্ভব না। ভারতীয় পোশাক, নায়ক, গায়ক, সিনেমা, সংস্কৃতি সবকিছুই সবাই পছন্দ করে। শুধু 'ক্রিকেট টিম' প্রশ্নেই যে একটু নড়েচড়ে বসে।

রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলী, শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দ্র শেহবাগ, ধোনী, ইউসুফ পাঠান, হারবাজান সিং, জহীর খান; এদেরকে আমরা চাইলেও ইগ্নোর করতে পারবো না। তাদের দেখেই আমরা ক্রিকেট খেলা শিখছি। বর্তমান প্রজন্ম বিরাট কোহলী, রোহিত শর্মা, মোহাম্মদ শামীদের দেখছে। ক্রিকেটারদের প্রতি আমাদের কোন বিদ্বেষ নেই। শুধু তাদের টিমকে সাপোর্ট করতে গেলেই যে আখেরী ঝামেলাটা বাঁধে।

এখনকার জেন জি জেনারেশন অনেকেই ঘটনাগুলো জানে না, তাই পোস্ট দিতে বাধ্য হলাম!

© Riazus Salekin Adnan

26/06/2023

#প্রেক্ষাপট_১
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা কোম্পানিতে ।
- স্যালারি কতো?
- ১০০০০ টাকা।
- মোটে দশ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তুমি যেই ছেলে তোমার যা যোগ্যতা,তাতে হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি ও বসের প্রতি
বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে বেতন বাড়ানোর কথা। জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
#প্রেক্ষাপট_২
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার, টাকা বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! উপহার বা টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে কি তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা।
সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো।
স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। রেগে গেলো দু’জনে, কথা কাটাকাটি ঝগড়া আর ঝগড়া। পরে হাতাহাতি, শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়ালো।
#প্রেক্ষাপট_৩
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে,বড় চাকুরি করে শুনেছি। মস্ত বড় ফ্ল্যাটে বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে সাথে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে ও খোঁজ-খবর নেয় নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-জন্মদাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই তো তার সবটা সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে।
আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো।
স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ,সেকি কি মিথ্যা বলতে পারে ?
আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম। এটা ভেবেই করে বসলেন ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক!
# এবার_আসি_মূলকথায়
-কিছু নিরীহ-অযাচিত প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে ক্ষণিকের মধ্যেই দুঃখী করে দিতে সক্ষম।
-আমাদের সমাজে ছদ্মবেশী দরদীরা নিরন্তর শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়।
-ছদ্মবেশী ডাইন/ডাইনীগুলো নিজের থেকে কিন্তু আপনাকে কিছুই দিবেনা। কিন্তু অন্যের থেকে অবৈধভাবে আদায় করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়ে আপনাকে জিতিয়ে দেয়ার নামে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে।
#গল্পের_হিতোপদেশঃ
---জীবনে ৩য় ব্যাক্তি কে প্রবেশ করার সুযোগ দেবেন না। আর যদিও কোন ভাবে ঢুকে যায় তাহলে যথা সম্ভব তার কথা কানে তুলবেন না।

৩য় ব্যাক্তি হতে সাবধান...

12/05/2023

"চরিত্রকে মজবুত করতে হবে"

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করল। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।

গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম ১০০ বছরের মধ্যেই চীনারা তিনবার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয়নি। কারণ, প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেয়াল তৈরি করেছিল; কিন্তু তারা দেয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করতে কোনো পরিশ্রম করেনি।

তাহলে দেখা যাচ্ছে দেয়াল মজবুত করা থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।

তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ‍্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন, তুমি যদি কোনো সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও, তাহলে তিনটি কাজ করো :

১. যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও, যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।

২. শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিয়ো না। সমাজে তাঁর অবস্থান নীচু করে দেখাও, যাতে তাঁর ছাত্ররাই তাঁকে উপহাস করে।

৩. তরুণসমাজ যেন অনুসরণ করার মতো কোনো রোলমডেল না পায়, তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান করো। রোলমডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও, যাতে তরুণসমাজ তাঁদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।

04/02/2023

মদীনায় একেবারে খালি হাতে গিয়েছিলেন একজন সাহাবী। তাঁকে ফ্রি-তে অফার দেয়া হয়েছিলো একটি বাগান, কোটি টাকার প্রপার্টি।

কিন্তু, তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, "মদীনার বাজারটি কোথায়? আমাকে বাজারের রাস্তাটি দেখাও।"

মদীনার বাজারে গিয়ে তিনি ঘি ও পনিরের ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তী ঘোড়ার ব্যবসা করেন।

কোটি টাকার প্রপার্টি ফ্রি-তে পেয়েও গ্রহণ না করা সেই সাহাবী যখন ইন্তেকাল করেন, তখন তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭৭০ কোটি টাকা!

তিনি ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু, দুনিয়ার বুকে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী।

কিভাবে উদ্যোক্তা হওয়া যায় সেটার উদাহরণ খুঁজতে গেলে আপনি আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মধ্যে পাবেন৷

11/01/2023

https://youtu.be/fZ232W-unrc
ওয়াসার এমডি তাকসীম এ খানদের চেয়ে হিরো আলমরা এদেশের জন্য অনেক নিরাপদ।

কষ্ট করে, পরিশ্রম করে টাকা কামিয়ে ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। হিরো আলমরা জনগণ ও রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে আরাম করেন না। নিজের মেধা দিয়ে গড়েছেন সম্পদ।

হিরো আলমকে নিয়ে কখনো কিছু লিখি না। এই খবরটা দেখে মনে হলো, হিরো আলমরা তো খেটে খাওয়া মানুষ। চুরি তো করে না। প্রকল্পের নামে রাষ্ট্রের টাকা তো মারে না।
C: Jahid Hasan,Ekhon tv

05/01/2023

感谢您的翻译。您将永远单身🙂

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Mugda
Dhaka
1214

Opening Hours

Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00