নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB

নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB

Share

জ্ঞান - সততা - নেতৃত্ব
বাংলার মাটি-মানুষ ও শিক্ষার্থী-জনতার রাজনৈতিক দল।
A Political University

"স্বাধীন হতে স্বাধীন হও"

21/07/2025

উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ!
মাইলস্টোন কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত; এটি বড় ধরনের একটি অপরাধ কিন্তু অনেকেই এটিকে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দিবে।

প্রশিক্ষণের জন্য ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা নয় বরং উন্মুক্ত মাঠ প্রয়োজন। জবাবদিহিতা এবং দায়বদ্ধতা না থাকার কারণে এ ধরনের অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুব আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অনেকেই জানেন না কোনটি অপরাধ আর কোনটি অপরাধ নয়! দুঃখ হলেও সত্য, এই ধরনের লোক নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে দেশ।

যাই হোক, এখন আপনারাই বলুন- প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিমান এর ফিটনেস চেক না করে রাজধানীর বুকে উড্ডয়ন করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?

ডাক্তার না হয়ে রোগের চিকিৎসা করলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়। ঠিক তেমনি রাজনীতিবিদ না হয়ে দেশ পরিচালনা করলে জাতি ধ্বংসে নিপাতিত হয়।

Photos from নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB's post 21/07/2025

উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ!
এটি বড় ধরনের একটি অপরাধ কিন্তু অনেকেই এটিকে এক্সিডেন্ট বলে চালিয়ে দিবেন।

প্রশিক্ষণের জন্য ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা নয় বরং উন্মুক্ত মাঠ প্রয়োজন। জবাবদিহিতা এবং দায়বদ্ধতা না থাকার কারণে এ ধরনের অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুব আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অনেকেই জানেন না কোনটি অপরাধ আর কোনটি অপরাধ নয়! দুঃখ হলেও সত্য, এই ধরনের লোক নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে দেশ।

যাই হোক, এখন আপনারাই বলুন- প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিমান এর ফিটনেস চেক না করে রাজধানীর বুকে উড্ডয়ন করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?

ডাক্তার না হয়ে রোগের চিকিৎসা করলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়। ঠিক তেমনি রাজনীতিবিদ না হয়ে দেশ পরিচালনা করলে জাতি ধ্বংসে নিপাতিত হয়।

21/07/2025

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিমান এর ফিটনেস চেক না করে
রাজধানীর বুকে উড্ডয়ন করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?

জবাবদিহিতা এবং দায়বদ্ধতা না থাকার কারণে অন্যায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাক্তার না হয়ে রোগের চিকিৎসা করলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়। ঠিক তেমনি রাজনীতিবিদ না হয়ে দেশ পরিচালনা করলে জাতি ধ্বংসে নিপাতিত হয়।

20/07/2025

২১ পাতার চুক্তির কপিটি মোটা দাগে ৬ ভাগে বিভক্ত। অর্থাৎ ৬ ধরনের শতাধিক শর্ত সংক্রান্ত আলোচনা রয়েছে চুক্তিতে। এগুলো হলো—কর সংক্রান্ত শর্ত, অশুল্ক বাধা সংক্রান্ত শর্ত, ডিজিটাল বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত শর্ত, রুলস অব অরিজিন সংক্রান্ত শর্ত, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত এবং বাণিজ্যিক শর্ত।

অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত এবং বাণিজ্যিক শর্তগুলো পর্যালোচনা করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ও চাপের বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যায়। এসব শর্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে মার্কিন পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি যেমন নিশ্চিত করা হয়েছে। তেমনি চিনা আমদানি কমাতেও এতে স্পষ্ট নির্দেশনা আছে।

অশুল্ক বাধা সংক্রান্ত শর্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, মার্কিন বিভিন্ন মান-সনদ বাংলাদেশকে বিনাপ্রশ্নে মেনে নিতে বলা হয়েছে। আর যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো আইন প্রণয়ন কিংবা স্ট্যান্ডার্ড স্থাপন করতে পারেনি, সেসব ক্ষেত্রে মার্কিন স্ট্যান্ডার্ড প্রতিস্থাপন করতে বলা হয়েছে। যাতে মার্কিন পণ্য অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

বাণিজ্যিক শর্ত (৬টি)

১. মার্কিন সামরিক ইকুইপমেন্ট আমদানি বাড়াতে হবে বাংলাদেশকে এবং চিনা সামরিক পণ্য আমদানি কমাতে হবে।

২. রাষ্ট্রীয় আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমানের মাধ্যমে মার্কিন বেসামরিক উড়োজাহাজ ও যন্ত্রাংশ আমদানি বাড়াতে হবে।

৩. মার্কিন জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি নিশ্চিত করত হবে বাংলাদেশকে এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে হবে।

৪. সামাজিক নিরাপত্তা খাতের জন্য মার্কিন গম আমদানি বাড়াতে হবে।

৫. সামরিক বাহিনী ও সরকারি সংস্থার জন্য মার্কিন সয়াবিন তেল আমদানি বাড়াতে হবে এবং সয়াবিন সংরক্ষণের জন্য মার্কিন কোম্পানির অংশীদারিত্বে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।

৬. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে জানাতে হবে।

অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত (৬টি)

১. জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও শিপিং খাতের বিকাশে যুক্তরাষ্ট্রের সমমানের নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. বন্দর, জেটি ও জাহাজে চিনের তৈরি লজিস্টিকস সিস্টেম লগিঙ্ক (LOGINK) ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। এই ব্যবস্থাটি এরই মধ্যে নিরাপত্তা অজুহাতে নিষিদ্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

৩. ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটির অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের মার্কিন পণ্য দেশটিতে রপ্তানি, পুন:রপ্তানি করা যাবে না। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪. ইউএস উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত পণ্যের আমদানি সংক্রান্ত সকল কাস্টমস তথ্য দেশটিকে দিতে হবে।
যাতে মার্কিন সংস্থাগুলো লেনদেন চিহ্নিত করতে পারে।

৫. বাংলাদেশকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেখানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিভিল ও ক্রিমিনাল ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অংশীদার করতে হবে।

৬ বিভিন্ন দেশের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত এমন ধরনের সফটওয়্যার তৈরিতে স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে।

ডিজিটাল বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত শর্ত (৫টি)

১. তথ্য আদান প্রদানে বৈশ্বিক ক্রস-বর্ডার গোপনীয় নীতিমালা সিবিপিআর এবং পিআরপি স্বীকৃতি দিতে হবে বাংলাদেশকে।

২. ব্যক্তিগত ডেটা গোপনীয়তা নীতিমালা প্রণয়নে মার্কিন সরকার ও দেশটির বেসরকারি খাতের সঙ্গে আলোচনা বাড়াতে হবে এবং ফিডব্যাকের প্রতিফলন থাকতে হবে।

৩. সাইবার সিকিউরিটি অধ্যাদেশ ২০২৫—এ মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত সেফগার্ড নিতে হবে। সাইবার অপরাধের কঠোরতর সাজা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ২০২১ সালের ওটিটি নীতিমালা সংশোধন অথবা বাতিল করতে হবে। যাতে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড সেবায় শনাক্তকরণ শর্ত না থাকে।

৫. ৬০০ থেকে ৭০০ মেগাহার্টসের স্পেকট্রাম এলপিআই ও ভিএলপিদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

কর সংক্রান্ত শর্ত মার্কিন পণ্য রপ্তানিতে ৩ ধরনের শুল্ক কমাতে বলেছে দেশটি। এগুলো হলো কাস্টমস ডিউটি, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি এবং রেগুলেটরি ডিউটি।

১৩ খাতে নন ট্যারিফ বাধা সংক্রান্ত শর্ত:

ওষুধ, কৃষি, পরিবেশসহ ১৩ খাতে নন ট্যারিফ ব্যারিয়ার বা অশুল্ক বাধা চিহ্নিত করে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রায় অর্ধশত শর্ত দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মেডিকেল ডিভাইসেস:

চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত মার্কিন প্রযুক্তি পণ্য আমদানিতে বেশকিছু বাধা চিহ্নিত করেছে দেশটি। এসব বাধা দূর করতে ৪টি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এসব শর্তে মূলত মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফডিএ’র সনদ বিনা প্রশ্নে মেনে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশকে মেডিকেল ডিভাইস রেগুলেটরি আন্তর্জাতিক ফোরাম-আইএমডিআরএফ এর সদস্য হতে বলা হয়েছে।

ফার্মাসিউটিক্যালস:

বাংলাদেশের ওষুধ খাতেও বড় নজর দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ওষুধের বাজার বিস্তৃত করতে এফডিএ’র সনদ বিনাপ্রশ্নে মেনে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে ইউএসটিআর। মার্কিন টেরিটরির ভেতরে উৎপাদিত কিংবা এফডিএ অনুমোদিত যে কোনো উৎপাদন কেন্দ্রে তদারকি করতে পারবে না বাংলাদেশ।

মোটর গাড়ি ও যন্ত্রাংশ:

মার্কিন গাড়ির প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে সব ধরনের বৈষমমূলক ব্যবস্থা তুলে নিতে হবে বাংলাদেশকে। প্রবেশাধিকার দিতে হবে মার্কিন মোটর ভেহিকেল নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান এফএমভিএসএস এর আওতায় উৎপাদিত যে কোনো অটোমেটিভ পণ্য। অর্থাৎ মার্কিন গাড়ি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে বাড়তি কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও শর্ত আরোপ করা যাবে না।

পুন:উৎপাদিত পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনঃউৎপাদিত পণ্য বাংলাদেশের বাজারে ছাড়তে বাড়তি কোনো লাইসেন্সিং বা পরীক্ষার শর্ত দেওয়া যাবে না।

কৃষি:

কৃষিখাতের অশুল্ক বাধা দূর করতে কড়া অবস্থানে মার্কিং যুক্তরাষ্ট্র। কৃষির বিভিন্ন উপখাতে বেশকিছু শর্ত বাস্তুবায়ন করতে বলেছে দেশটি। এসব উপখাতে মার্কিন বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সনদ মেনে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের শর্তের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে। যেমন ডেইরি খাতে নিরাপত্তায় কমপক্ষে মার্কিন স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলার শর্ত দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংস্থাগুলোর দেওয়া হালাল সনদও মেনে নিতে শর্ত দেওয়া হয়েছে।

আমদানি সনদ সংক্রান্ত:

আমদানি সনদ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় তা দ্রুত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে জানাতে হবে। মার্কিন খাবার ও কৃষিপণ্য আমদানিতে অনুমতি পত্র চাইতে পারবে না বাংলাদেশ।

মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত শর্ত:

মেধাস্বত্ব মার্কিন শুল্ক আলোচনার উল্লেখযোগ্য দিক। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি মেধাস্বত্ব আইন বাস্তবায়নে চাপ দিয়ে আসছে। দেশটির অভিযোগ আইপিআর না মেনে বাংলাদেশ নানা ধরনের নকল পণ্য উৎপাদন করছে। মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত ১৩টি আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেশনে যুক্ত হতে বাংলাদেশকে শর্ত দিয়েছে দেশটি। এগুলোর মধ্যে আছে ব্রাসেলস কনভেনশন, মাদ্রিদ প্রটোকল, সিঙ্গাপুর চুক্তি, প্যাটেন্ট আইন চুক্তি, মারাকেশ চুক্তি, হেগ এগ্রিমেন্ট, বুদাপেস্ট এগ্রিমেন্ট ইত্যাদি।

সেবাখাত ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত:

সেবাখাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক রিইন্সুরেন্সের বিধান বাতিল করতে বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সার্ভিস ডামেস্টিক রেগুলেশনে যুক্ত হতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে বাংলাদেশকে।

অনতি বিলম্বে মার্কিন ফার্মগুলোর সকল পাওনা পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি মুনাফা প্রত্যাবাসনে কোনো বাধা রাখা যাবে না। তেল, গ্যাস, ইনস্যুরেন্স ও টেলিকম খাতে মার্কিন কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াতে মালিকানা সংক্রান্ত বাধা দূর করতে হবে। মার্কিন ব্যবসায়ীদের চাহিদামতো নো অবজেকশন সার্টিফিকেট-এনওসি দিতে হবে।

শ্রম সংক্রান্ত শর্ত:

বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিশ্চিতে আইন সংশোধনসহ বেশকিছু বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসটিআরের দেওয়া চিঠিতে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, কারখানায় শ্রমিক সংগঠন করতে সম্মতিদাতা শ্রমিকের সংখ্যা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। ইপিজেডের শ্রমিকদের সংগঠন করার পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায্য দাবি আদায়ে জড়িত গার্মেন্টস শ্রমিক ও নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

পরিবেশ সংক্রান্ত শর্ত:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট বলেছে, আইন যেন পরিবেশের সুরক্ষা করে এটা বাংলাদেশকে নিশ্চিত করতে হবে। কার্যকরভাবে আইনের প্রয়োগ করতে বলেছে দেশটি। নানা ধরনের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে সহযোগিতা বাড়াতেও শর্ত দিয়েছে ইউএসটিআর। বণ্যপ্রাণি পাচার রোধ, সমুদ্রে অনিয়ন্ত্রিত মাছ ও প্রাণি শিকার রোধেও নানা শর্ত দেওয়া হয়েছে।

Dr Mozahedul Hoque Repon

14/07/2025

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক যে একটি অফিস গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মেট্রোপলিটন সিটিতে বসানোর চিন্তা করছেন, তা আপাতত: মুলতুবি করা উচিত।

কারণ এমন একটি সংস্থার অফিস দেশে স্থাপন করার অনুমতি শুধুমাত্র একটি দেশের সাংবিধানিক আইনে নির্বাচিত সংসদই কেবল দিতে পারেন।

জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে বাংলাদেশের সাংবিধানিক বৈধতা ও আইনের প্রতি যথেষ্ঠ শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান প্রদর্শন না করে কিছু করতে গেলে তা এই বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য মঙ্গল ও উন্নয়নের সহায়ক হবে না।

বরং এটি একটি প্রতিউৎপাদনশীল, কাজের বিপরীতমূখী আচরণ হিসাবে পরিলক্ষিত হবে বলে মনে হয়।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে প্রায় ২০ কোটি মানুষের মতামতের উপর শ্রদ্ধা রেখে জাতিসংঘ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শান্তি ও প্রগতি হিসাবে ধরে নিয়ে সকল বিষয়ে বিবেচনা করবেন, ইনশাআল্লাহ।

আমরা একান্তই জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে উৎপন্ন চিন্তা চেতনার উপর নির্ভর করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উঁনার উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখে সকলের এই বিষয় নিবীর দৃষ্টি দান কামনা করছি।

নিউক্লিয়াস পার্টি বাংলাদেশ - NPB

Photos from নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB's post 13/07/2025

~~~জনগণ
বাংলাদেশের
কেউ না~~~

রাস্তার চাঁদাবাজি জাতীকে গত ৫৩ বছর ধরে শোষণ করে যাচ্ছে দেশের সর্বস্তরের ব‍্যবসা বাণিজ‍্যসহ ভিক্ষুকদেরকে পর্যন্ত। এর কারন কি?

সরকারকে তথা জনগনকে লুট করে যাচ্ছে ব‍্যবসা বানিজ্যগুলো পর্দার আড়ালে সে সবের খবর জনগণকে দেয়া হয় না, জনগণ পান না। সব মিলে এই দেশটিতে গাছপালা থেকে আগাছা পরগাছা (parasites) বেশী পরিমানে জন্মেছে। পরগাছাই সরব, বাকীসব নীরব নিস্তব্ধ।

স্বৈরাচারী শাসক, শোষণ, শোষক, ও শোষিত সবাই মিলে মিশে শোষিতদের শত্রু, শাসনব‍্যবস্হা নাই, শোষণের জন্য পাহাড়াদার হিসাবে স্বৈরাচারী সরকার সর্বদা থাকা জরুরী।তাই তারা রেখেছে গত ৫৩ বছর।

যার জন্য একটি রাবার স্ট্যাম্প সংবিধান সম্পুর্ণ দুর্নীতির ফোয়ারা বিনা প্রশ্নে বিনা আলোচনায় গোপনে ৫৩ বছরে দেশকে আজ অন্ধকার রাজত্বে পরিনত করেছে। একটি মিনিট গত ৫৩ বছরে কেউ দেশ নির্মাণের জন্য কাজ করেনি।

চাঁদাবাজি ও অবাধ লুটতরাজ বজায় চলমান রাখার জন্য স্বৈরাচারী শাসন জাতীয় আমানতের মতো জনগণকে অন্ধকারে রেখে দেশ ঘুণ এর মতো খোলাসা করে ফেলেছে গত ৫৩ বছরে।

একবার কি ভাবেন একটা দেশে পাবলিক পরিবহন নাই কেন। সরকার শিক্ষা চিকিৎসার মতো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেবা জনগণের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়, বেসরকারীকরণ করেছে ঢালাওভাবে।কেন?

কোনদিন এদেশ জনগণের দেশ হবে না, জনগণ এদেশের মালিক নন। গণ প্রজাতন্ত্র শব্দ দুটো মুছে ফেলা দরকার, কারন জনগণ বাংলাদেশের কেউ না।

পুরো দেশটি শোষণ ও জুলুমের শিকার, অন্ধরাজত্ব। রাজনীতি এখানে গত ৫৩ বছর এতটুকু গোপন রাখার কাজটি করে গেছে।

দেখেন, এখন জনগণের জন্য কিছু যদি করা যায়।
~~~নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ দেশবাসীর জন‍্য কিছু কাজ এই ক্ষেত্রে করা খুবই জরুরী বলে মনে করে।—-

জুলাই ১২, ২০২৫

11/07/2025

একজন ব্যবসায়ীকে রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকায় এমন নৃশংস কায়দায় হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু তাকে বাঁচাতে আশেপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি।
মরার পরেও লাশের উপর নৃত্য করা হয়েছে যা নৃশংস বর্বরতাকে মনে করিয়ে দেয়! এমন নিষ্ঠুর কার্যকলাপ আমাদের নতুন প্রজন্মের আত্মত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সবচেয়ে লজ্জার বিষয় হলো, শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে দেখেছে, কিন্তু কেউ একটু সাহস করে এগিয়ে আসেনি।

ছিঃ ছিঃ ছিঃ!
যেখানে যুবদল নেতার ভয়ে একটি নিরীহ মানুষকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি,
সেখানে সাধারণ মানুষ ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে যাবে কীভাবে?
কোন সাহসে?
এমন পরিস্থিতিতে তৈরি করার জন্য কে দায়ী?

রাজনীতি যখন অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে থাকে তখন বিশৃঙ্খলার সীমা থাকে না।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে রহম করুক।

22/06/2025
16/06/2025

এ সাধারণ যুদ্ধ নয়

সকল দেশ তাঁর অর্থব্যবস্থা ও অর্থনীতি ব্যবস্থাপনাতে ঋণ ব‍্যবহার করতে পারেন না। গণতান্ত্রিক ও সার্বিক বিচার বিশ্লেষণের দিক থেকে সততা ও বিশ্বস্ততার সহিত মানব সভ‍্যতার উন্নয়ন সাধন করতে হলে ঋণ ও সুদ ব‍্যবহার যোগ‍্য বস্তু নয়।

দেশ পরিচালনা করার জন‍্য জনগণ সরকার গঠন করেন। যখন সরকার ঋণ দিয়ে দেশ পরিচালনা করার সুযোগ গ্রহণ করে তখন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতা অটুট রাখতে পারে না। ঋণ কেবল ঋণ সরবরাহকারীর আয়ের নিশ্চয়তা দেয়, ঋণগ্রহণকারী দেশের অর্থ ফেরত না দিতে পারার ঝুঁকিতে আটকা পরে যায়। আইনগত দিক থেকে, এ কারণে এক দেশ আরেক দেশ থেকে সুদে বা বিনাসুদে কোনো অবস্থাতেই ঋণ করতে পারেন না। আর পৃথিবীকে মনে রাখতে হবে আমেরিকা, ইংল‍্যান্ড, ও ইউরোপের ঋণ এবং সারাবিশ্বের দেশগুলোর ঋণ এক জিনিস নয়। এখানে তারা একটি চতুরতার আশ্রয় নিয়ে বিশ্বকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে। যার জন্য আজকের BRICS জন্ম নিয়েছে।

এই ঋণ করা থেকে মানব জাতিকে বিরত থাকা ও মুক্ত থাকার আদেশ কোরানে আল্লাহ শক্তিশালী নিষেধাজ্ঞা জারী করছেন। কিন্তু বিশ্ব আজ বেঈমান মানুষদের কারণে পরাজিত। এরি মধ‍্য থেকে বর্তমান বিশ্বের সকল মানুষদের থেকে একটি নতুন প্রকৃত মানুষের গ্রুপ বাহির হয়ে আসবেন যার কথা কোরান পাকে আল্লাহ সোবহান ওয়াতায়ালা বলেন - A New Brand of People।

তাঁরা সুদমুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলবেন। সেখানটাতেই আজকের জায়নিস্ট ইসরায়েল ও সত্য উন্মোচিত করার যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের গতিবিধি ও গতিপথ সবই আল্লাহ্ সোবহান ওযাতায়ালার হুকুমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রনে।

একজন সাধারন মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো সুদ ও ঋণ মুক্ত থাকা। বাকী সব আল্লাহর রহমত।

প্রফেসর মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসাইন
অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

11/06/2025

~~~আমার দেশ তোমার দেশ
জনগণের বাংলাদেশ~~~

দেশের মানুষ নিজ দেশে নির্বাসনে বন্দী। এই ১৮ কোটি মানুষের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তভাবে দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থার অধীনে জীবন যাপন করতে দিতে গিয়ে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুসের বিরূপ সমালোচনা করা সমাধান নয়। নিজ দেশে নির্বাসনে মানুষ কেন কিভাবে বন্দী উত্তর কি বাহির করেন। তখনই কেবল সমস‍্যার সমাধান করার সাহসিকতা যোগান দিতে পারবেন ও সমাধান করার সুযোগ পাবেন।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নামে সরকারী তহবিলের যে ব‍্যবহার তা কখনো উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। এসব উন্নয়ন অর্থ অপচয় তহবিল অপসারণের জন্য একটি অপরাধী অভিপ্রায়ের স্বার্থে জড়িত। যে দেশটিতে কোনো জবাবদিহিতা নেই, সেখানে উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। দেশের প্রতিটি বাজেট ঘাটতি বাজেট, এ এক জনগণকে লুট করার খেলা।

আমরা জনগণ নির্বাসনে। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কথা বলার কোনো প্রতিষ্ঠান নাই; যেখানে বসে জনগণ কি আশা করেন তাদের জনগণকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ করার জন‍্য। একটি রিক্সার মুল‍্য হলো ধরেন ২৫-৫০ হাজার টাকা। একটি মানুষের মুল‍্য কত? এখন ২৫-৫০ হাজার টাকার রিক্সা চালিয়ে চালক যদি তার ২০০ টাকা মালিককে দিতে হয় আর ৪০০-৫০০ টাকা রিক্সা চালক নিজের পরিবারের জন‍্য আয় করে, এটাকে আপনি কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন। এটা কোনো ধরনের অর্থনীতির বিষয়?

ঢাকাসহ সকল এয়ারপোর্ট, সমুদ্র বন্দর, নদীবন্দর কারা দখল করে রেখেছে লুটতরাজের জন্য, যার জন্য কেউ কেউ মনে করছেন বিদেশীদের হাতে সব দিয়ে দেয়ার জন্য, অন্তত ব্যবস্থাপনার জন‍্য। এসব কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়, যখন সরকারকে কোনো জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হয় না, দিতে হয় না কোথাও কোনো কাজে প্রশ্নের উত্তর। অর্থাৎ দেশ আমাদের নয়। দেশ কিভাবে আপনাদের জনগণের হবে চিন্তা না করে ব‍্যক্তি সমালোচনা করাতে শুধু দেশের ধ্বংস ও নির্মম পতন ডেকে আনবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একবাক্যে দাবী তুলেন- তোমরা সরে বিলীন হয়ে যাও, আমাদের দেশ আমাদের হাতে ফেরত দাও, বাংলাদেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। বাংলাদেশের এক কথা এক ধ্বনি, “আমার দেশ তোমার দেশ — জনগণের বাংলাদেশ।” জনগণের বাংলাদেশ বাস্তবে কায়েম করে, সর্বত্র শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে, সাথে ন‍্যায়বিচার, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

আমরা নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ যতক্ষন পর্যন্ত দেশ জনগণের মালিকানাধীন সোপর্দ করে প্রতিষ্ঠিত করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কাজ, কথা, ও লিখনি অব্যাহত থাকবে। আপনারা দেশের জনগণ, আপনারা দেশের মালিক তাই পরিপুর্ণরূপে সকল আইন কানুন ও সাংবিধানিক বিধান মোতাবেক জনগণকে দেশের মালিকানা হস্তান্তর না করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

Make Bangla Great Again
Be Independent To Be Independent
নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB

09/06/2025

বিশ্বের ঋণগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম; বাংলাদেশ ঋণগ্রস্ত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পিছনে প্রধান কারণ হলো রাজনৈতিক অদক্ষতা। রাজনীতি হলো একটি ম্যাথমেটিক্যাল টার্ম এর মত; ম্যাথ ভালো পারলে ১০ এ ১০ অন্যথায় শূন্য অবধারিত। তাই চৌকস নেতৃত্বের মাধ্যমেই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরা সম্ভব। নিউক্লিয়াস পার্টি বাংলাদেশ - NPB'র দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ঋণ মুক্ত ও প্রকৃত স্বাধীন দেশে হিসেবে বিশ্বের বুকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে; ইনশাআল্লাহ।

Make Bangla Great Again
Be Independent To Be Independent
নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ- NPB

09/06/2025

বাংলাদেশে দুর্নীতি শুধু দুর্নীতি নয় বরং দুর্নীতির রাজত্ব। বাংলাদেশ তার যাত্রাতে দেশ জনগণকে সাংবিধানিকভাবে দলিল করে দেশের মালিকানা না দেয়াতে দেশটিতে শত শত অপরাজনীতির জন্ম হয়েছে। লুটতরাজের পাশাপাশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আসছে দেশ ও দেশের মানুষ সেই জন্মলগ্ন থেকে।

যদি জিজ্ঞাসা করা হয় গত ৫৩ বছর ধরে আপনারা কার দেশ, কিসের বলে শাসন করার নামে শোষণ করেছেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কোনো উত্তর আপনাদের থাকবে কী? যদি থাকে তাহলে কমেন্টে দেয়া বর্ণিত ৭০ ধারা দেয়া আছে, সামনে রেখে কিভাবে জনগণের সম্পত্তি লুটপাট করে দেশ গজবের পথে ঠেলে দিলেন তার জবাব দিবেন জাতির কাছে আজ হউক বা কাল।

জনগণকে দেশ কি কারণে একজন সংসদ সদস‍্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বললেন আপনারা। সংসদ সদস‍্য পার্টির জন‍্য নির্বাচিত নন। পার্টি থেকে পদত‍্যাগ করলেও , পার্টির বিরুদ্ধে ভোট দিলেও সংসদ সদস‍্য সংসদেই থাকবেন তিনি পার্টির প্রতিনিধি নন, জনগণের প্রতিনিধি। কিন্তু এর বাস্তব প্রতিফলন বাংলাদেশে ঘটে কি?

দেশের আপামর জনসাধারণ ভোট দিয়ে সংসদে তাদের অর্থাৎ সেই সংসদীয় এলাকার জনগণের প্রতিনিধি করে সংসদে পাঠিয়েছেন জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার জন‍্য। পার্টির নুন‍্যতম মুল‍্য নাই সংসদের অধিবেশনে। সংসদ সদ‍স‍্যদের পার্টি দলের স্বার্থে কিনে নেয়ার জনগণের মুল‍্যবান ভোটগুলোসহ কি করে সম্ভব হলো।

কে দিয়েছে এই অধিকার? রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, একটি রাজনৈতিক দল আর একজন ব্যক্তি সমান মুল‍্য বহন করে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে। প্রতিটি মানুষ এক একজন দেশের সংসদ সদস‍্য। সবাই একসাথে বসার ব্যবস্থা করা যাবে না বলে প্রতিনিধিত্বের মাধ‍্যমে দেশ পরিচালনার আয়োজন করা হয়।

গত ৫৩ বছরে এই সংবিধানের অধীনে যারা নির্বাচিত হয়ে এই ৭০ ধারা বাতিল করার কোনো উদ্যোগ না নিয়ে থেকেছেন এবং একটি দল সংখ‍্যাগরিষ্ঠ হলে অন‍্যরা সংসদ বর্জন করে যে রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন আপনারা জনগণের সম্মুখীন হতে হবে, কোন কোন সময় এর একটা বিহিত টানতে হবে। কারণ একটা জাতির বিবেক বিবেচনা চিন্তা চেতনা এত নিম্নমানের কিভাবে হলো তার তথ‍্য উদঘাটন করতে হবে জাতির স্বার্থে।

রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি পার্টি রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আরোহণের পথ নয়। ক্ষমতার মালিক হলেন দেশের জনগণ। সংসদ, প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা সকল মানব সম্পদ কাজে নিয়োজিত হন দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কি না, তার জন‍্য একটি শব্দ হলো জবাবদিহিতা।

সংসদ সদস‍্য হলেন জনগণের প্রতিনিধি। উনার দায়ীত্ব হলো দেশ যেভাবে চলা উচিৎ সেভাবে উৎপাদনশীলতার সহিত পরিচালিত হচ্ছে কি-না তার জবাবদিহিতা প্রশাসনের ও বিচার ব্যবস্থার থেকে নিয়ে জনগণের কাছে সংসদ রিপোর্ট আকারে সকল তর্ক বিতর্কের সমাধান করে জনগণের হাতে নিয়মিত সময়মতো পরিবেশন করা। এই হলো সংসদের দায়িত্ব।

কিন্তু এই ধারা ৭০ এই জবাবদিহিতার পাশে স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার যাবতীয় দায় দায়ীত্ব পালন, তদারক, ফল জনগণের সামনে পরিবেশনের সমস্ত তরিকা ধ্বংস করে দেশকে শোষণ, শোষক, ও শোষিতের ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছেল গত ৫৩ বছর। স্বেচ্ছাচারিতা স্বৈরাচারী শাসনের প্রকোপ গনতন্ত্রের নামে আমাদের বাসভুমি জন্মভূমিতে আজ জনগণ নিজ দেশে নির্বাসনে।

এর থেকে মুক্তির উপায় হলো জনগণের মালিকানাধীন দেশকে সোপর্দ করে গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকল আধুনিক ব্যবস্থাপনার সহিত জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার মাধম‍্যে মানুষের সকল নিরাপত্তার অধীনে মুক্ত করে দিয়ে মুক্ত রাখার যাবতীয় পরিকল্পনা প্রনযন ও বাস্তবায়ন করা। দেশের সার্বিক জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ‍্যে সেই পরিকল্পনা কাজ করবে। দুর্নীতি নির্মুল হয়ে যাবে অল্প সময়ে এক দশকের মধ‍্যে, ইনশাআল্লাহ।

Make Bangla Great Again
Be Independent To Be Independent
নিউক্লিয়াস পার্টি বাংলাদেশ - NPB

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
1215