সমস্যা থাকলে বলতে পারেন
আমরা ফেসবুকের সব সমস্যা সমাধান করে থাকি
জীবনে তো অনেক পেজে লাইক দিয়েছেন।
আমাদ?
10/05/2017
আমাদের নতুন chanel youtube এর। দয়া করে সবাই subseribed করবেন। আর সব ভিডিও গুলো দেখবেন। আমাদের মজার মজার ভিডিও।
।
https://youtu.be/6sgAITSXdlw
মজার কোচিং!!Students funny!!youtube bangla!!mojar tv Thank's for Watching.... In this video tutorial I show you How to Properly Upload Videos on YouTube Please Like | Comment | Share and Don't forget to SUBSCRI...
যে কোন সমস্যা ফেসবুকের। আমাদের msg করুন। সাথে সাথে সমাধান। আমাদের youtube chanel... Prank BD1.... subsribed দিয়ে সাথে থাকুন।
আপনার আইডি যাচাই করুন। অধিক নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাই করুন ।
------------------------------
আপনার একাউন্ট কি আপনার হাতে রয়েছে?
এই @+ [4:0] চিহ্ন লিখে কমেন্ট করুন।+ তুলে দিতে হবে।
সেখানে যদি মার্ক জুকার বার্গের নাম আসে তবে বুঝবেন আপনার Account নিরাপদ রয়েছে।
না হয় বুঝতে হবে। আপনার আইডিতে অন্য কারো হাত রয়েছে।
রুট কি?কেন/কীভাবে রুট করবেন?
রুট কথাটার সাথে এখন নেট এ ঘুরাঘুরি করে এরকম এন্ড্রয়েড ইউজার প্রায় সবাই জানে…
সবাই রুট সম্পর্কে জানার জন্য গোগোলে ও ঘুরাঘুরি করে… কিন্তু এত্তো কঠিন কঠিন রুট এর সংজ্ঞা তাদের কাছে বইয়ের পড়ালেখার মতো কঠিন মনে হয় :p
তাই তারা রুট এর দিকে আগাতে চায় না আর :/
যাই হোক রুট কে আমি সহজ ভাষায় সংজ্ঞায়িত করা ট্রাই করবো এই পোষ্টে…
রুট কী??
ধরুন আপনার নিজের অনেক অঢেল সম্পত্তি আছে… কিন্তু আপনার বয়স কম তাই সম্পত্তি টাকে কীভাবে আপনি ব্যবহার করবেন তা জানেন না…
তাই সম্পত্তি টা আপনার হলেও আপনি আপাতত এর মালিক না… একটি নির্দিষ্ট বয়সে আপনাকে এর মালিকানা দেয়া হবে… যখন আপনি একটু বড় হবেন এবং সম্পত্তি ঠিক মতোব্যবহার করতে পারবেন…
যদি আপনাকে নির্দিষ্ট বয়সের পূর্বেই সম্পত্তির মালিক করে দেয়া হয় তবে না বুঝে হয়তো সব সম্পদ কে ধংস করে দিতে পারেন…
তেমনি রুট ও অইরকম ই একটা জিনিষ… সাধারন এন্ড্রয়েড ইউজার রা হলো অপ্রাপ্ত বয়স্ক সম্পদের মালিকের মতোই… তাদের কে তাদের নিজ্বস ফোন হওয়া সত্ত্বেও ফুল একসেস দেয়া হয় না কারন তাহলে হয়তো তারা ভিতরের জিনিষ পাতি না বুঝে চেঞ্জ করে ফোনটা ব্রিক বাঁ নষ্ট করে ফেলবে…
রুট শুধুমাত্র তাদের জন্যই যারা এন্ড্রয়েড ফোন সম্পর্কে ভিতরগত দিক দিয়ে জানে অর্থাৎ যারা এডবান্সড ইউজার…
তারা রুট করে তাদের ফোন টা সফল ভাবে বিভিন্ন আপডেট করতে পারে যেমন উদাহরনের ছেলেটা সম্পদ কে পূর্ণ বয়সে কাজে লাগিয়ে নিজের উন্নতি করতে পারে…
আমি তো এত্তো ঘাটাঘাটি করি এন্ড্রয়েড সম্পরকে!!রুট এর দরকার আছে কি??
আপনার যদি ঘাটাঘাটি করার আগ্রহ থাকে তবে স্বাগতম … তাহলেই আপনি পূর্ণ ভাবে বুঝে শুনে ভিতরের চেঞ্জ বাঁ আপডেট করতে পারবেন… কিন্তু আগ্রহ না থাকলে হুদাই ফোন ডারে ব্রিক করবেন… সো এডভান্সড ড্রয়েড ইউজার হওয়ার জন্য আগ্রহ টা বড় জিনিষ যেমন সম্পদের দায়িত্ত্ব নেয়ার আগে বয়স বাঁ অভিজ্ঞতা টা বড় জিনিষ … যদি আগ্রহ থাকে তাহলে পরবর্তী ধাপ তথা রুট এ স্বাগতম…
পরবর্তী পোষ্টের জন্য আমাদের সাথে থাকবেন।
যদি কারো আইডির কোন সমস্যা থাকে comment করুন।
জীবনের কথা
লেখকঃকথা শ্রোতা রনি(বোকার স্বর্গ)
↓↓
★আমি যদি কাউকে প্রশ্ন করি জীবন মানে কি????
তাহলে একেক জন একেক রকমভাবে প্রকাশ করবে.....
কিন্তু কারোটাই ভুল হবে না.....
প্রত্যেকেই প্রত্যেকের দিক থেকে সঠিক......
তবে আমি মনে করি জীবন মানে হচ্ছেঃ-হাসি-আনন্দ,দুঃখ-বেদনা,ভালো-মন্দ সব মিলিয়েই আমাদের জীবন.....
★জীবন চলার পথে কার মনে কি আশা জাগে কেউ জানে না.....
কিন্তু সবারই নিজস্ব লক্ষ্য বা আশা থাকে.....
একজন ভিক্ষুকও চায় যে,আমার জীবনটা হোক সুখী ও আনন্দময়.....
ঠিক তেমনি একজন রাজাও চায় সুখে থাকতে.....
★জীবনের কোন এক মুহূর্তে এসে গ্রামের সেই নিরক্ষর মেয়েটির মনেও একসময় পড়াশুনার তীব্র ইচ্ছা জন্মায়.....
ঠিক তেমনিভাবে সমাজের অনাত,অসহায়-আর্তনাদ শিশুটিও চায় একটু ভালো পোশাক পড়তে.....একটু স্মার্ট হয়ে চলতে......
★আঘাত আমাদের যন্ত্রণা দেয়,
জীবনের ছন্দকেও ধ্বংস করে,এটা যেমন সত্যি ঠিই তেমনি,,
আঘাত আমাদের সমৃদ্ধও করে,
আমাদের অভিজ্ঞতা দেয়.....
জীবনকে চিনতে শেখায়......
যা হয়ে গেছে তা কি অতীতকে দেয়া ভুল থেকে সংশোধন করা যায় না.....
তাহলে কেন শুধু শুধু অতীতকে নিয়ে ভবিষ্যৎ নষ্ট করি আমরা.....
দুই দিনের এই দুনিয়ায় কে একা নয়???
সবাই একা,আমি আপনি,আমরা সবাই একা.....
★আমরা একে অপরকে দুঃখ পেলে শান্তনা দিয়ে বলি,থাক দুঃখ করিস না....
যা হয়েছে সব ভুলে যা.....
কিন্তু কেউ কি একবারও ভাবি যে,জীবনের এমন কিছু ঘটনা বা দুঃখ আছে যা কখনো ভুলা যায় না,সহ্যও করা যায় না......
জীবনে কোন কিছু হারালে হয়তো চোখ দিয়ে কিছুক্ষন পানি জড়ে আবার কয়েকদিন পর স্বাভাবিক হয়ে যায়...
কিন্তু এমন একটা জিনিস আছে যেটা হারালে চোখ দিয়ে পানি জড়ে না,
বেঁচে থাকাটাই মুশকিল হয়ে পড়ে.....
সেটা হচ্ছে "ভালোবাসা"....
★জীবনে সুখী হতে চায় সবাই....
কিন্তু সবাই সুখী হতে পারে না............
★আমরা সামান্য কষ্টতেই হতাশ হয়ে যাই....
কেন হতাশ হবো.....
নিউটনের ৩য় সূত্র বলে সবকটা ক্রিয়ার সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে....অর্থাৎ এ থেকে আমরা এই শিক্ষা পাই যে,দুঃখের তীব্রতা যদি বেশি হয় তাহলে বুঝতে হবে সুখটা বোধহয় খুব নিকটে.....
তাই বলছি আমরা কেউ হতাশ হবো না.....
আজ দুঃখ আছে তাতে কি এই আশা নিয়ে থাকবো কালতো সুখী হতে পারি...
----The end---
# টিকলীর_প্রেমিক
Avimani Tuli.
(Arika)
-এই তুলি গাধি কই তুই ? আজ এক সপ্তাহ হয়ে
গেলো তুই ফেসবুকে আসিস না কেন ?
নতুন কাউকে পাইছিস নাকি?
--ঐঐ মেঘ ভূত । আমাকে কিছু বলতে দে ।
আমি ফুপির বাড়িতে বেড়াতে
গেছিলাম সেখানে নেটওয়ার্ক প্রবলেম
তাই ফেসবুকে আসিনি
ভূত কোথাকার !
,
-তুলি আর মেঘের পরিচয়টা হয় ফেসবুকে ।
দুবছর হলো তারা খুব ভাল বন্ধু .. শুধুই
চ্যাট হয় .. তুলির ফোন নাম্বার চাওয়ার
মতো সাহস মেঘের নেই । তবে তুলির
ছবি সে দেখেছে অনেক মিষ্টি একটা
মেয়ে । - মেঘ মনে মনে নিজের
অজান্তেই তুলির প্রেমে পরে যায় ।
অসম্ভব রকম ভাল লাগে তুলিকে মেঘের ।
,
কিন্তু বলার সাহস নেই ।
যদি বন্ধুত্ব নষ্ট হয় ! মেঘ পড়াশোনার
ফাকে টিউশনি করে সংসার চালায় আর
সেখান থেকে প্রতি মাসেই কিছু
টাকা জমা করে মেঘ।তুলির জন্য গিফ্ট
কিনবে তাই !!
-হয়ত কোনো একদিন তুলির সাথে
মেঘের দেখা হবে আর তখন সে এই গিফ্ট
গুলো তুলি কে দিবে ।
,
-এই তুলি আমার সাথে তোর দেখা করতে
মনে চায় না ?
--হ্যা চায় তো !!
--তাহলে আসিস না কেন ?
--আসব কোনো একদিন আর তোকে চমকে
দিব !!!!
--ঠিক আছে অপেক্ষায় রইলাম !
,
হঠাৎ একদিন মেঘের রোড একসিডেন্ট
হয়। একসিডেন্টের আগে মেঘ একটি
হাতে লিখা চিঠি তুলির ঠিকানায়
পাঠায় । --সেদিন ছিল তুলির গায়ে
হলুদের দিন । চিঠিটি হাতে পাওয়া
সত্ত্বেও তুলি একবারও খুলে দেখেনি ।
তাতে কি লিখা ।
অতঃপর তুলির বিয়ে হলো !! এমেরিকান
প্রবাসি এক ছেলের সাথে । বিয়ের
পরের দিন সবাই যখন ব্যস্ত তুলি তখন ।
চিঠিটি হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করলো
। --চিঠির কথা গুলো ....
আমার প্রিয়তমা তুলি আমি তোর
অপেক্ষায় অনেক দিন পার করে দিলাম
কিন্তু তুই আসিসনি !!
আমি কিছু বলতে চাই তোকে
যা ফেসবুকের চ্যাটিং এ বলা সম্ভব না
। আমি আর অপেক্ষা করতে পারলাম না
তাই এই চিঠি লিখা ।
,
-আমি তোকে ভীষন ভালবাসি তুলি ।
অসম্ভব রকম ভাল লাগে তোকে । কেন
জানি মনে হয় তুই আমার সব । -আমি
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যদি তোকে
এই জীবনে না পাই । তাহলে
কোনোদিন বিয়েই করব না কারণ
আমার হৃদয়ের ছোট্ট ঘরে যে শুধু তোরই
বসবাস ।
- যদি পারিস এই অপদার্থটাকে মেনে
নিস !! অন্যথা আমাকে ভুল বুঝিসনা । -
আমি তোর চিঠির অপেক্ষায় থাকব
ফেইসবুকে !
চিঠিটি পড়ে কান্নায় বেঙে পরলো
তুলি ! সে কল্পনায় ও ভাবেনি মেঘ
তাকে এতটা ভালবাসে ! তুলি ভাবতো
ফেসবুকে ত অনেকেই প্রপোস করে আই লাভ
ইউ বলে কিন্তু সবাই কি আর সত্যিকারের
প্রেমিক ? হয়ত যদি সে চিঠিটা
বিয়ের আগের দিন পড়ত কিছু একটা করতে
পারত !!
এখন আর কিছুই করার নেই
তুলি চিঠির জবাব দিতে পারেনি
কারণ সেদিন রাতেই ছিলো তুলির
এমেরিকা �যাবার ফ্লাইট !! চলে
গেলো এমেরিকা কেটে গেলো
পাচটি বছর ।
,
--সেদিন রোড একসিডেন্টে মারাত্মক
ভাবে আহত হয় মেঘ ।
এক মাস হাসপাতালে থাকার পর । সুস্থ
হয়ে উঠে মেঘ । মোবাইলে ফেইসবুক লগ
ইন করেই দেখতে পেলো তুলির একটি
ক্ষুদে বার্তা Sorry। কিন্তু মেঘ তার
নিজের কথাটাই রেখেছে সে আজও
নিঃসঙ্গ । ,
--মেঘ একবেলা খেলে দুই বেলা না
খেয়ে থাকে ।জীবনের প্রতি মায়া
কমে গেছে মেঘের ।
-মা জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে বাপ ?
মেঘ উত্তর দেয়না মা বুঝতে পারে
ছেলের মনে অনেক কষ্ট মা কাঁদে !! মেঘ
ও প্রতি রাতে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদে
তুলির জন্যে ।
,
-আজ চার বছর ছয় মাস পর তুলির এমেরিকা
থেকে বাংলাদেশে আগমন । কোনো
এক কারণে তুলির গাড়িটা রাস্তার
একটা চায়ের স্টলের সামনে এসে নষ্ট
হয়ে যায় । --ততক্ষণে তুলি গাড়ি থেকে
নেমে হাটতে হাটতে চায়ের
দোকানের সামনে এসে দাড়ায় ।তুলি
দেখতে পেলো । মেঘের মত দেখতে
একটি ছেলে , কিন্তু এ কি করে হয় ? মেঘ
তো দেখতে অনেক সুদর্শন সুন্দর একটি
ছেলে ,,,
আর এই ছেলেটা দেখতে খুব রোগা আর
কালো ।
কৌতূহল বশত জিজ্ঞেস করলো ; --EXCUSES
ME !!!
--জী বলুন !!
-আপনার নামটা জানতে পারি ? -হ্যা
আমি মোস্তাফিজুর রহমান মেঘ ! -
আমাকে চিনতে পারছিস ?
-কই না ত কে আপনি ?
-আমি তুলি অনেক মোটা হয়ে গেছি
তাই হয়ত চিনতে পারছিস না !! -মেঘ
(চমকে উঠে ) তুই এতদিন পর কোথ থেকে ?
-এমেরিকা থেকে আজই দেশে ফিরলাম ।
রাস্তার এক পাশে আয় কথা আছে !!! -Ok চল
.. বল কি বলবি ?
-তুই কি সিগারেট খাস ?
-হ্যা
- কেন খাস?
-জানি না !!
-তোর ছেলে মেয়ে কয়জন ?আমার এক
ছেলে এক মেয়ে ?
--আমার ছেলে মেয়ে নেই !!!!!
--কেন নেই ?
-বিয়ে করিনি তাই। কেন মনে নেই
তোর? আমি চিঠিতে কি
বলেছিলাম !!! ,
এই কথা শুনে তুলির চোখ দুটো ছল ছল
করছে মনে হয় !
এখনই কাল বৈশাখী ঝর বৈবে তার দুটো
চোখে ...বুকটা ফেটে যাচ্ছে তুলির
মেঘের জন্য !! -কাঁদতে চেয়েও পারছে
না .. তুলি কান্নার স্বরে মেঘকে বল্ল
প্লিজ তুই আবার আগের মত হয়ে যা
অতিতের সব স্মৃতি ভুলে যা। একটা বিয়ে
কর ! সংসারী হ । -আমি পারব না । আর তুই
বলার কে? আমার উপর তোর কিসের
অধিকার ? এইসব কথা অন্য কাউকে শুনাইস
। আমাকে না ... আমি আর তোর সাথে
কথা বলতে চাচ্ছি না ভাল থাকিস আমি
চললাম ... ।
,
--তুলির তখন গাল বেয়ে বেয়ে ঝরণার
মতো বোবা কান্নার অশ্রুর ফোঁটা
গুলো মাটিতে পরছে ...আর ভাবছে হয়ত
আমার জন্যই মেঘের জীবনটা এভাবেই
নষ্ট হয়ে গেলো ........।
→গল্পঃ ভালবাসার মানুষ কেন এত নিষ্ঠুর।
→ → →
→
→লেখকঃ Sajid Ahmed Bijoy (বাবুর আব্বু)
→
→(১ম পর্ব)
→ → →
→ → →
→ সময়টা তখন ২০১৩ সাল। আমার নাম তাসনিম রাফা। তখন আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি। একদিন আমি আমার ছোট কাকিমা মানে আমার বউ মা এর সাথে উনার বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম।
→ → →
→ → →
→ তখন একটি ছেলে আমাকে দেখেছিল। কিন্তু আমি ছেলেটিকে দেখিনি। ছেলেটি পরে আমাকে বলেছিল যে সে আমাকে সেখানে দেখেছিল। যে ছেলেটা আমাকে দেখেছিল তার নাম আতিক।
→ → →
→ → →
→ ছেলেটি আমার বউ মা এর বাবার বাড়ির গ্রামের। আমার বাড়ি, আমার মামা বাড়ি এবং আমার বউ মা এর বাবার বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে। তারপর আমরা আমার বউ মা এর বাবার বাড়ি কয়েকদিন থাকার পর আমাদের বাড়িতে চলে আসি।
→ → →
→ → →
→ তার কয়েকদিন পর হঠাৎ একদিন আমার মোবাইলে একটা অচেনা নাম্বার থেকে ফোন আসে। আমি ফোন রিসিভ করার পর সে আমাকে তার পরিচয় বলে আমাকে। আর আমাকে সে কোথায় এবং কখন দেখেছে সেটাও বলে।
→ → →
→ → →
→ আমার মোবাইল নাম্বারটি নাকি সে আমার বউ মা এর কাছ থেকে নিয়েছে। কিন্তু আমার বউ মা আমাকে এ সম্পর্কে কিছুই বলেন নি।
→ → →
→ → →
→ সে যাইহোক, ফোনে কথা বলার পর সে আমাকে বলে যে, আমাকে যেদিন সে প্রথম দেখেছিল গ্রামে সেদিন থেকে নাকি সে আমার প্রেমে পড়ে গেছে এবং সে এখন আমাকে খুব ভালবাসে। আমাকে ছাড়া নাকি সে বাচঁতে পারবে না।
→ → →
→ → →
→ এবং সে আমাকে তখন প্রপোজ করে। কিন্তু আমার পক্ষে কোনো রিলেশন করা সম্ভব না। কারন আমার পরিবার তা কখনোই মেনে নেবে না। তাই আমি তাকে বলি যে আমার পক্ষে রিলেশন করা সম্ভব না এবং মানা করি যেন সে আমার নাম্বার এ আর ফোন না দেয়।
→ → →
→ → →
→ বলে আমি ফোন রেখে দেই। তারপরও সে আমাকে ফোন দিত। কখনও ফোন রিসিভ করতাম আবার কখনও করতাম না। অনেক দিন পর আমি আমার মামার বাড়িতে বেড়াতে যাই।
→ → →
→ → →
→ সেখানে আমার এক মামাতো বোনের সাথে তার নাকি কথা হয়। আমার মামাতো বোন আমাকে বলে যে আমি যেন আতিক এর সাথে রিলেশন করতে রাজি হয়ে যাই এবং সে আমার পায়েও ধরে। তারপর আমি রিলেশন করতে রাজি হয়ে যাই।
→ → →
→ → →
→ আতিক দশম শ্রেণিতে পড়ত। আমাদের রিলেশন ভালই চলছিল। সে আমাকে খুব ভালবাসত এবং আমার খুব কেয়ার বা যত্ন করত। তাই আমিও খুব ভালবেসে ফেলেছিলাম এবং খুব ভালবাসতাম।
→ → →
→ → →
→ আমি তার জন্য পাগল ছিলাম। এভাবে চলতে থাকে আমাদের রিলেশন। আতিক এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে কলেজে ভতর্ি হয়। তারপর কেটে যায় আরও একটি বছর। চলতে থাকে আমাদের রিলেশন।
→ → →
→ → →
→ পরের বছর আমিও এস এস সি পরীক্ষা দেই। পাশ করার পর কলেজে ভতর্ি হই। কলেজে ভতর্ি হওয়ার পর থেকে বিয়ের জন্য পরিবারে অনেক প্রস্তাব আসে। আমার পরিবার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়।
→ → →
→ → →
→ তখন আমি আতিককে বলি যেন সে কিছু একটা করে। সে বলে এখন সে কিছুই করতে পারবে না। তাই সে আমাকে বলে আমি যেন বিয়েটা করে নিই। তখন আমার আর কিছুই করার ছিল না
→ → →
→ → →
→ আমার পরিবার আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলে একজন কোরিয়া প্রবাসীর সঙ্গে। কিছু দিন পর বিয়েটাও হয়ে যায়। বিয়ের পর আমি স্বামীর বাড়ি চলে যাই। সেখানে নতুন জায়গায় নতুন মানুষদের সঙ্গে আমার দিন ভালই চলছিল।
→ → →
→ → →
→ হঠাৎ একদিন আতিক আমাকে ফোন দেয় আর বলে সে আমার সাথে একটু বলতে চায়।
→ → →
→ → →
↓↓↓[গল্পটির পরের অংশ পাবেন ২য় পবর্ে।]
→ → →
→ → →
↓↓↓[গল্পটি আমার একজন বন্ধুর বাস্তব জীবন থেকে নেয়া। লেখায় কোন ভুলত্রুটি হলে সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।]
গল্পের নাম: চাঁদের আলো
লেখক # Mahedi_hasan
>>>> রাত ৮.১০ "সৈকত টিউশনি শেষ করে ছাত্রের বাসা থেকে এই মাত্র বেড়িয়েছে,, এখন সে বাসায় যাবে,এখান থেকে তার বাসা কিছুটা দূরে,আগে সে যেতো ইজিবাইকে করে কিন্তু কিছুদিন ধরে শুধু আসার সময়ই ইজিবাইকে আশে আর যাওয়ার সময় যায় পায়ে হেটে, তার এই হেটে যাওয়ার কিন্তু একটা অদ্ভুত কারন আছে,,,,,""
রাত ৮.২০,,
হাটতে হাটতে সৈকত চলে এসেছে বাসার সামনে, না এটা তার বাসা না, এটা তার ভালোবাসার মানুষের বাসা,,,, বাসার সামনে দাঁড়িয়ে সৈকত লিমাকে কল দিলো,২ বার ফোন দিলো কিন্তু তা রিসিভ করলো না লিমা,, সৈকতের মনের ভিতর ভয় কাজ করছে তাহলে কি কোন কারনে লিমা তার উপর রাগ করেছে,,? রাগ না হলে তো লিমা কখনো তার ফোন না ধরা হয় না,,ভাবতে ভাবতে সৈকত আবার লিমাকে কল দিলো এবার লিমা ধরলো,,,,,,
~লিমা- ()
~সৈকত- কি ব্যাপার চুপ করে আছো কেনো,,,,""?
~ ()
~এই লিমা কথা বলো না কেনো,,? আমি কি করছি,,? আচ্ছা যদি কিছু করে ও থাকি তাহলে ভুল করছি প্লিজ মাফ করে দাও,,,,,,কথাটা বলতে বলতেই বুঝতে পারলো সৈকত যে ফোনের লাইন কেটে গেছে,তার পর সে আবার কল দিলো লিমাকে কিন্তু এবার তার নাম্বার বন্ধ, ভয়ে দম প্রায় বন্ধ হয়ে আসছে সৈকতের,তার ধারনা সে আজ ও কোন ভুল করেছে লিমার সাথে আর সে ভুল করলে লিমা তাকে এই রকম ভাবে শাস্তি দেই কথা বলা আর দেখা করা বন্ধ করে দিয়ে যদি ও লিমা এতে নিজে ও কস্ট পায় সৈকতের সমান,,,,""
সৈকত বাবা মায়ের আদরের একমাত্র সন্তান তার বাবা ব্যাংকার,আর লিমা ও বাবা মায়ের আদরের একমাত্র মেয়ে লিমার বাবা ডাক্তার,,,,সৈকত আর লিমা সেই ছোট থেকে খুব ভালো বন্ধু ছিলো, এক সাথে দুজনে পড়েছে এক স্কুলে আর এখন দুজন এক সাথে পড়ছে এক কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে,সৈকত আর লিমা দুজনের বোঝা পরাটা দারুণ সেই ছোট থেকে তাই তো তারা তাদের বন্ধুক্তকে রূপ দিয়েছে ভালোবাসার সম্পর্কে, এখন দুজন দুজনকে ভালোবাসে তাদের নিজের থেকে ও বেশি,,আর সৈকত যে টিউশনিটা করে সেটা টাকার প্রযোজনে না,এক এক্সিডেন্টে ওই ছেলেটার বাবা মা মারা গেছে তার পর থেকে ছেলেটা তার মামার কাছে মামার বাসায় থাকে,আর ওই ছেলেটার সন্ধান প্রথম পেয়েছিলো লিমা তার পর থেকে ছেলেটার লেখাপড়া আর খাওয়া দাওয়ার সব দায়িত্ব নেই সৈকত আর লিমা, তারা তাদের হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে দুজনে তা তুলে দেই ছেলেটার মামার হাতে,আর প্রতিদিন সৈকত নিজে যেয়ে তাকে পড়িয়ে আশে,,,,""
রাত ৯.০৫
সৈকত এখনো বসে আছে লিমার বাসার ঠিক সামনা সামনি একটা বন্ধ চায়ের দোকানের বেঞ্চে,সৈকত যেখানে বসে আছে তার সামনের বাড়ির ২য় তলায় থাকে লিমারা,আর সৈকতের এখান থেকে স্পট দেখা যায় লিমাদের বারান্দায় কেউ আসলো কিনা,,,, সৈকতের বসে থাকা জায়গাটা বেশ অন্ধকার আর নীরব তবুও সৈকত বসে আছে তার মতো করে আর তার এইখানে এইরকম বসে থাকার অভ্যাস ও আছে কারন মাঝে মাঝে সৈকত এখানে বসে চাঁদ দেখে মানে লিমাকে দেখে তার কাছে নাকি লিমার মুখ ঠিক চাঁদের মতো যা অন্ধকারে ও চারিদিক আলোকিত করে রাখে,,,,লিমার মোবাইল বন্ধ দেখে একভাবে তাকে ম্যাসেজ দিয়ে যাচ্ছে সৈকত,আর ভেবে খোজার চেস্টা করছে যে সে কোন অপরাধ করেছে কিনা,,,,, ""
রাত ১০.১০
মশার কামর সহ্য করে এখনো সেই বেঞ্চেই বসে আছে সৈকত, কিছুটা ঘুম ঘুম ভাব তাকে ঘিরে ধরার চেস্টা করে যাচ্ছে, সৈকতের সেই ঘুম ঘুম ভাব উধাও হতে সময় নিলো না হঠাৎ করেই সে দেখতে পেলো তার সেই তাকিয়া থাকা বারান্দায় চাঁদের আলো মানে লিমাকে দেখতে পেয়ে,,এর সাথে সাথেই সৈকতের কাছে কল আসলো লিমার নাম্বার থেকে,, সৈকত রিসিভ করলো,,
~ সৈকত- ()
~ লিমা - কথা বলো না কেনো,,?
~ সরি,,,, ""
~ সরি কেনো,,?
~ আমি আবার মনে হয় কোন ভুল করছি তাই তুমি আমার শাস্তি দিলে,,,,""
~না সরি তো বলা উচিৎ আমার,,
~কেনো,,,,""
~আসলে তুমি কোন ভুল করনি,,আমাদের বাসায় মেহমান আসছিলো আর তখন তাদের সামনে কথা বলা যাবে না দেখে আমি ফোন বন্ধ করে রাখছিলাম,,
~ওহ তাই বলো,,,,""
~হুম,আর তুমি পাগলের মতো সেই তখন থেকে কতো কস্ট করে এখনো বসে আছো,,
~এতক্ষনের সব কস্ট আমার পাগলীটার চাঁদের মতো মুখ দেখে হারিয়ে পালিয়েছে,,,,""
~ঘোড়ার ডিম,,
~সত্যিই অন্ধকারের ভিতর ও তোমার মুখের হাঁসিটা অসম্ভব রকমের সুন্দর লাগছে,,,,""
~তুমি তো তাহলে অনেকক্ষন ধরে কিছুই খাওনি সৈকত,,?
~খাইছি তো,,,,""
~কি,,?
~মশার কামর,,,,""
~তুমি এখনই বাসায় যাবা,, যাও,,
~হুম,,,,""
এই ভাবে চলে থাকে তাদের দুজনের ভালোবাসা,পুর্ণতা পাক তাদের এই সত্যিকারের ভালোবাসার,বেঁচে থাকুক তাদের সাথে, তাদের কাছে, তাদেরকে ঘিরে এই গভীর ভালোবাসা,প্রতিট
ি ভালোবাসায় মান অভিমানের সাথে যেনো থাকে খুব বেশি বিশ্বাস,,,,,""
21,22 বছরের #মাইয়্যারা সৃষ্টি হইছে ৩২,৩৩ বছরের পোলাগো
লাইগা,,
,
,
so, যারা ঐ বয়সের মাইয়্যাগো লগে প্রেম করছ,,তারা gf রে
#প্রেমিকা না বইন কইয়্যা ডাকতে শিখ,
#সেই_আমি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
১২৩
