গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম - gwuf

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম - gwuf

Share

শ্রমিকদের আইনীয় সহায়তা করা হয়।

26/03/2026

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দুর্ঘটনায় নিহত সকল পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা।

26/03/2026
24/01/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
​তারিখ: ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
বিষয়: গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সবুজের মাতার মৃত্যুতে সংগঠনের গভীর শোক প্রকাশ।
​গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সবুজ-এর পরম শ্রদ্ধেয় মাতা বার্ধক্যজনিত কারণে আজ ভোর রাতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর। আজ তাঁর নিজ বাসভবনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
তাঁর মৃত্যুতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সংগঠন শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

​বার্তাপ্রেরক,
​(মমিনুর রহমান মমিন) প্রশিক্ষণ সম্পাদক
গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম।

Photos from গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম - gwuf's post 24/04/2025

রানা প্লাজায় শ্রমিক হত্যার ১ যুগ!
খুনি কারখানা মালিক এবং ভবন মালিক সোহেল রানা সহ সংশ্লিষ্ট খুনিদের বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিন্ত কর।
কর্মক্ষমতা হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়া শ্রমিক সহ সকল আহতদের ক্ষতিপূরণ, সু'চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিন্ত করতে হবে।

23/04/2025

গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের বিবৃতি
ফিলিস্তিনে গণহত্যাসহ সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে
বিশ্ব শ্রমিক শ্রেণী, নিপীড়িত জাতি-জনগণের ঐক্য ও প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন

ফিলিস্তিনে গণহত্যাসহ বিশ^ব্যাপী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও যুদ্ধ বিস্তৃতিতে বাংলাদেশের পোশাক খাতে ক্রিয়াশীল ১০টি গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের জোট গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন গণহত্যায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে যুদ্ধ-আগ্রাসনের শংকায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে এক বিবৃতি প্রদান করেছে। অধিকার আন্দোলনের শরীক সংগঠন গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন, গার্মেন্টস-টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশন, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি, বাংলাদেশের সোয়েটার গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক সভা এবং গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে বিবৃতিটি প্রদান করেন।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ২০০৮ সাল থেকে সূচিত চলমান মন্দা বিভিন্ন আঁকাবাঁকা গতি সত্ত্বেও মহামন্দার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এ মন্দা থেকে উত্তরণ ঘটাতে বাজার-প্রভাব-বলয় দখল, পুনর্দখল ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর মধ্যে আন্ত: সাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে। উচ্চ প্রযুক্তি শিল্পে আধিপত্য প্রতিষ্ঠাসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার একক পরাশক্তির অবস্থান ধরে রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানকে সামনে এনেছে। তার প্রতিপক্ষ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি চীন-রাশিয়াকে মোকাবেলাসহ উচ্চ প্রযুক্তি শিল্পের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ‘দুস্প্রাপ্য বস্তুর (রেয়ার আর্থ ম্যাটারিয়ালস)’ যোগান নিশ্চিত করতে গাল্ফ অব মেক্সিকান, পানামা খাল এবং গ্রীণল্যান্ড দখলের পাঁয়তারা করছে। একই সাথে প্রতিপক্ষ শক্তির মোকাবেলা করতে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকাতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাসহ ভূমধ্যসাগর, ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন সামরিক শক্তি মোতায়েন করছে। এর বিরুদ্ধে বৃহৎ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি চীন তাইওয়ান প্রণালীতে যুদ্ধমহড়া সংঘটিত করাসহ এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-মধ্য এশিয়া-আফ্রিকা এবং ইউরোপব্যাপী তার বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়াটিভ (বিআরআই) মহাপ্রকল্প সম্প্রসারিত করছে। এরকম অবস্থায় বাণিজ্যযুদ্ধ সংঘটিত করার মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশের রপ্তানিমুখী পণ্যের উপর উচ্চহারে শুল্ক চাপিয়ে দিচ্ছে। অত্যধিক শুল্কের কারণে ব্যাপকহারে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশ^ব্যাপী শ্রমিক শ্রেণীর উপর ছাঁটাই-বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে। পোশাক শিল্পের মালিক ও বায়ার গোষ্ঠী তাদের মুনাফার হার ঠিক রাখতে শ্রমিক শ্রেণীর উপর শোষণ-নির্যাতন আরও তীব্র করবে। এতে শ্রমিকদের জীবনমান আরও নিচে নেমে তাদের জীবন সংগ্রামকে আরও কঠিন করে তুলবে।

বিংশ শতাব্দীতে সাম্রাজ্যবাদের গোড়াপত্তনের পর ইতোপূর্বে দুটি মহামন্দার পরিণতিতে বিশ্ব অর্থনীতিতে সাধারণ সংকট ও বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। দুটো বিশ^যুদ্ধের বিরুদ্ধে তৎকালীন বিশ^ শ্রমিক শ্রেণী প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তুলে শ্রমিক শ্রেণীর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের প্রাক্কালে ফ্যাসিবাদ ও নাৎসীবাদের বিরুদ্ধে বিখ্যাত দিমিত্রভ থিসিসের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিশ^ শ্রমিক শ্রেণী ও নিপীড়িত জাতি-জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানানো হয়। এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে জনগণতান্ত্রিক সংগ্রাম গড়ে উঠে এবং শ্রমিক শ্রেণীর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়। বর্তমানে প্যালেস্টাইন-ইউক্রেনে গণহত্যা ও আগ্রাসনের ধারবাহিকতায় যুদ্ধবিস্তৃতির যে শংকা তৈরি হয়েছে তার বিরুদ্ধে বিশ^ শ্রমিক শ্রেনীর ঐক্য গড়ে তোলার বিকল্প নেই। শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বের দূর্বলতায় ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলেও অনেক দেশে তাতে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটেছে। এর ফলে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের তাদের গণহত্যা ও আগ্রাসন আরও তীব্র করার সুযোগ তৈরি হয়।

বাংলাদেশের পোশাক সেক্টর আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত। বিদেশী লগ্নিপুঁজি এ খাতে মূল বিনিয়োগকারী শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখায় এ শিল্পের শ্রমিকদের আন্দোলন লগ্নিপুঁজির ভিত নাড়িয়ে তুলতে সক্ষম। এ খাতের ক্রিয়াশীল সংগঠন হিসেবে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রেক্ষিতে আমেরিকা-ইসরায়েল-ফিলিস্তিনসহ বিশ^ শ্রমিক শ্রেণীর ঐক্যের আহবান জানাচ্ছে। একই সাথে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ^ শ্রমিক শ্রেণী, নিপীড়িত জাতি-জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানাচ্ছে।

24/01/2025

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম আশুলিয়া থানা সভাপতি খোরশেদ আলমের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
ব্যাংকদস্যু, টাকা পাচারকারী সালমান এফ রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত কর।

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোশরেফা মিশু ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ এক যুক্ত বিবৃতিতে সংগঠনের আশুলিয়া থানা শাখার সভাপতি খোরশেদ আলমের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য বেক্সিমকোর ৪২ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান ফিরে পাবার দাবিতে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে খোরশেদ আলমকে ২২ জানুয়ারী রাতে গ্রেফতার করে কাশিমপুর থানা পুলিশ।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন বেক্সিমকো শ্রমিকদের ২১ ও ২২ জানুয়ারী আন্দোলনের সাথে উপস্থিত থেকে আমরা কি করেছি তার রেকর্ড আমাদের কাছে যেমন আছে, আশাকরি সরকারী সংস্থাসহ অন্যান্য মাধ্যমেও আছে। আর দুষ্কৃতকারীরা ২২ তারিখে কি করেছে তার রেকর্ড সরকারীসহ বিভিন্ন মাধ্যমেও রেকর্ড আছে। সরকারী বিভিন্ন সংস্থা ড্রন উড়িয়ে পুরো সমাবেশস্থল পর্যবেক্ষণে রেখেছিল ২দিনই। সেখানে খোরশেদ আলমসহ আমাদের নেতা-কর্মীদের অবস্থান স্পষ্ট আছে।
সরকারী সংস্থার কাছে থাকা ফুটেজ ব্যবহার করে ব্যবস্থা নিলে খোরশেদের মত নির্দোষ কর্মীরা রেহাই পাবে ।
নেতৃদ্বয় বিবৃতে বলেন খোরশেদ আলমকে গতকাল কোর্টে হাজির করে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আমাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
খোরশেদ আমাদের সাথে সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত ছিল। যারা গাড়ী ভাংচুর, কারখানায় আগুন দিয়েছে তারা ঐ সমাবেশে ছিল না। তারা সমাবেশ মঞ্চে হামলা করে পুরো সমাবেশটিও পন্ড করে দিতে চেয়েছিল।
বেক্সিমকোর সাধারণ শ্রমিকরা খোরশেদসহ আমাদের নিরাপদে সমাবেশ মাঠের বাইরে নিয়ে আসে।
অতীতের স্বৈরাচারের মত আসল অপরাধীদের আড়াল করতেই নিরপরাধ খোরশেদ আলমদেরকে গ্রেফতার-নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
অবিলম্বে খোরশেদ আলমকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
বেক্সিমকোর লুটেরা মালিক সালমান এফ রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও জানান নেতৃদ্বয়।

31/10/2024

দুনিয়ার মজদুর এক হও
গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম
কেন্দ্রীয় কমিটি
যোগাযোগ-২৭/৮, সি-২, ৩য় তলা, ঢাকা-১০০০। ফোন- ০১৭১২৫৮৪৩৯৯, ০১৭১১১৮৮৮২৫

তারিখ: ৩১/১০/২০২৪
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মিরপুরে গার্মেন্ট শ্রমিকদের উপর যৌথবাহিনীর গুলিবর্ষণের নিন্দা ও প্রতিবাদ।

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোশরেফা মিশু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ এক যুক্ত বিবৃতিতে, আজ মিরপুরের কচুক্ষেত এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলনরত গার্মেন্টস শ্রমিকদের উপর যৌথবাহিনীর গুলি বর্ষণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন- মিরপুর ১৪ নম্বর ও কচুক্ষেত এলাকায় বেশ কয়েকটি গার্মেন্ট কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে একটি কারখানা শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করেই এবং শ্রমিকদেরকে না জানিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি কারখানায় অবৈধ শ্রমিক ছাঁটাই ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকরা তাদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও ছাঁটাই নির্যাতন বন্ধের দাবিতে আজ সকাল সাড়ে আটটায় কচুক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভে নামে।

যৌথবাহিনী শ্রমিকদের দাবি দাওয়ার কোন কথা না শুনেই বিক্ষোভ দমাতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ শুরু করে। এতে শ্রমিকরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে যৌথ বাহিনী শ্রমিকদের উপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। যৌথ বাহিনীর গুলিতে আল-আমিন (১৮) রুমা আক্তার (১৫) মারাত্মক আহত হন। তাদের দুজনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক আল আমিনের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন- ইদানীং দেখা যাচ্ছে দেশের যেকোনো এলাকায় শ্রমিকরা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনে নামলেই যৌথবাহিনী বা পুলিশ শ্রমিকদের উপরে গুলি বর্ষণ করছে। এতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটছে, যা খুবই নিন্দনীয়। শ্রমিকদের রক্তের উপরে দাঁড়ানো বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এটা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সাথে জড়িত দায়ী দোষীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন। অবিলম্বে শ্রমিকদের সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং কারখানায় কারখানায় শ্রমিক ছাটাই নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানান।

বার্তা প্রেরক

মমিনুর রহমান মমিন
সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি
গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম

Photos from গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম - gwuf's post 23/05/2024

শ্রমিক গণ-অভ্যুত্থানের ১৮ বছর।

২০ মে ২০২৪ গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের আব্দুল্লাহ আল মেহেদি সোহাগের ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। সোহাগ ছিলেন গাজিপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত এস কিউ গ্রুপের এফ এস সুয়েটার শ্রমিক এবং গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের একজন সক্রিয় সাহসী নেতা। এফ এস সুয়েটারের শ্রমিকরা দির্ঘদিন যাবৎ পিসরেট বৃদ্ধি ও কারখানার ভিতরে শ্রমিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছিল। ১১ মে ২০০৬ তারিখে এফ এস সোয়েটার কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের উৎপাদিত পন্যের পিসরেট মজুরি ২০ টাকা কমিয়ে দেয়। হঠাৎ করে৫৮ টাকা রেটের মাল ২০ টাকা কমিয়ে ৩৮ টাকায় নির্ধারন করায় শ্রমিরা বঞ্চিত - ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন।
সমস্যা সমাধানের জন্য শ্রমিকরা মালিক কর্তৃপক্ষেরর সাথে আলোচনায় বসে। সেখানে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ভাড়াটিয়া মাস্তানরা শ্রমিকদের উপড় হামলা করে কয়েকজনকে আহত করে। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মজুরি কমানো ও শ্রমিকদের উপড় হামলার প্রতিবাদে স্বতস্ফুর্ত ধর্মঘট শুরু করে। ১৩ মে এক বৈঠকে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের কিছু দাবী মৌখিক ভাবে মেনে নেয়। শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেয়। মৌখিক ভাবে শ্রমিকদের দাবী মেনে নেয়া ছিল ধুরন্দর মালিকদের একটি অপকৌশল মাত্র। একদিকে দাবী মেনে নেয় অপরদিকে কারখানার ব্যাবস্থাপক বাদি হয়ে ৮০ জন শ্রমিকের নামে গোপনে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করে। ১৮ মে প্রকাশ্যে কারখানার শ্রমিক নেতা আমিনুল ও মুজিবুরকে কারখানা থেকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। পরের দিন শুক্রবার বিকালে গাজিপুর চৌরাস্তায় গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের ডাকে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। ২০ মে শনিবার সকালে শ্রমিকরা কারখানায় এসে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সহ কর্মিদের মুক্তির দাবীতে ধর্মঘট শুরু করে। মালিক পক্ষ শ্রমিকদের কারখানা থেকে তারিয়ে দিতে পানি ও বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় এবং পুলিশ ডেকে আনে। শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে কারখানা ছেড়ে বেলা ১২ টার দিকে বাহিরে ঢাকা ময়মনসিংহ মহা সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের শ্রীপুর থানার সভাপতি শফি্উল আলম আজাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। সোহাগ ছিলেন এই আন্দোলনের সামনের সারির নেতা ও গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের শ্রীপুর থানার সক্রিয় সংগঠক। পুলিশ শ্রমিকদের সেই মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিতে উদ্ধত হলে শুরু হয় সংঘর্ষ। শ্রমিকরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চেষ্টা করে। পুলিশ শত রাউন্ড টিয়ার সেল ও গুলি ছোড়ে শ্রমিকদের মিছিলে।গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান শ্রমিকদের পরম বন্ধু ও সাহসী সংগঠক সহযোদ্ধা আব্দুল্লা আল মেহেদী সোহাগ। আহত হন শতাধিক শ্রমিক।
প্রশাসনের সহযোগীতায় মালিক পক্ষ সোহাগের লাশ গুম করার অপতৎপরতা চালায়। কিন্ত শ্রমিক আন্দোলন আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। শ্রমিক আন্দোলনের চাপের মুখে ২১ মে বিকালে গাজিপুরের ডেপুটি কমিশনারের উপস্থিতে কারখানার ভিতরে সুতার বস্তায় চাপা দেয়া অবস্থায় সোহাগের লাশ খুজে পাওয়া যায়। ফাঁস হয়ে যায় খুনি মালিক ও প্রশাসনের লাশ গুমের ষড়যন্ত্র। পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে সোহাগের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠাতে। আন্দোলন আরো নতুন মাত্রা পায়। সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন। ২০মে রাতে জরুরি মিটিং ডেকে সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের আহবানে ও নেতৃত্বে ২৩ মে গাজিপুরসহ সারা দেশে ধর্মঘট ঘোষনা করা হয়। ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে ২২ মে গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকায় মাইকিং, মিছিল এবং রাতে মশাল মিছিল করে শ্রমিকরা।২৩ মে ভোর থেকেই রাজপথ দখলে নেয় শ্রমিকরা। ২৩ মে আমরা গার্মেন্ট শ্রমিকরা এক সফল ধর্মঘট পালন করি। অবশ্য একদিনের ধর্মঘট লাগাতার তিনদিন পর্যন্ত চলে। সরকার ও মালিকরা বেসামাল হয়ে আন্দোলনের মাঠ থেকে গ্রেফতার করে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি কমরেড মোশরেফা মিশুসহ প্রায় শতাধিক নেতা কর্মিকে। আন্দোলন আরো বেগবান হয়। সরকার ও গার্মেন্ট মালিকরা আন্দোলনের মুখে সোহাগের জীবনের বিনিময়ে বাধ্য হয় ত্রিপক্ষিয় চুক্তি করতে। সেই চুক্তি নিয়ে তালবাহনা করতে থাকলে আবারো চুক্তি বাস্তবায়নের দাবীতে গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের ডাকে ১০ ই অক্টোবর সফল ধর্মঘট পালন হয়। এবং এই আন্দোলনের ফলে দির্ঘ ১২ বছর পর ২০০৬ সালে গঠিত হয় ওয়েজ বোর্ড। আমরা আজো যে বেতন পাই তা অমানবিক, চলমান মনুষ্যচিত বেতনের দাবীতে আমাদের যে আন্দোলন, তার প্রেরনা শহীদ আব্দুল্লা আল মেহেদি সোহাগ। সোহাগসহ অনেক বন্ধুর রক্ত ভেজা পথ ধরেই আমরা সাফল্যের পথে লড়াই চালিয়ে যাব। সোহাগ- লাল সালাম কমেরড।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

২৭/৮-২সি মিশরী ভিলা, (৩য় তলা) তোপ খানা রোড, ঢাকা ১০০০
Dhaka
1000।