Home
>
Bangladesh >
Dhaka >
Bangladesh Awami Nobin League কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ
Bangladesh Awami Nobin League কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ
Share
বাংলাদেশ আওয়ামী নবীন লীগ
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে আমরা বাঙ্গালি জাতি হিসাবে বৈষম্যের শিকার। ক্রমেই এই বৈষম্যতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর সাথে যুক্ত হয় ভাষা, সংস্কৃতি ও গোত্রিয় বৈষম্য। যার ফলে ১৯৫২ সালে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার জন্য আন্দোলন এবং ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী প্রাণ দেন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত আরও কত নাম না জানা বঙ্গঁমায়ের সন্তানেরা।
তারপর, ১৯৬৬ সনের ৬ দফা ১৯৬৯ সনের গণ অভ্যূত্থান ১৯৭০ সনের সাধারন নির্বাচন, সংখ্যা
গরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে, বার বার আলোচনার পরও কোন ফল হয়নি। এরই মাঝে ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের সেই কালো রাত্রি। নির্বিচারে হত্যা করা হয় হাজার হাজার নিরীহ নিরস্র মানুষ। মুলতঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণই আমাদের স্বাধীনতার ডাক, শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনদের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় লাল সবুজ পতাকা যুক্ত স্বাধীনতা। বিশ্বের মানচিত্রে সংযোজিত হয় আর একটি নতুন দেশ। যার নাম বাংলাদেশ। সর্বক্ষেত্রে ধ্বংস প্রাপ্ত এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য জাতির জনক শুরু করে দীর্ঘ পরিকল্পনা ও তার বাস্তব কার্যক্রম ধীরে ধীরে আপামর জনগন ভোগ করতে শুরু করে স্বাধীনতার সুফল। তারপর আসে সেই কালো অধ্যায়, ১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫, একদল বিপদগামী সেনাদের হাতে স্বপরিবারে নিহত হন আমাদের মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শুরু হয় স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস। খান, খান হয়ে যায় জাতির পিতার সব স্বপ্ন।
শুরু হয় জাতির পিতার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের নতুন সংগ্রাম, দলের হাল ধরেন জাতির পিতার সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ২১ বৎসর সংগ্রামের পর ১৯৯৬ সনে ক্ষমতায় আসে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। তারপর আবার ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে কারচুপির মাধ্যমে হারিয়ে দেওয়া হয়। আবার শুরু হয় স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাসের পালা, শুরু হয় আন্দোলন যার ফলশ্রুতিতে ২ বৎসর অ-নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় ২০০৮ সালে। ঐ নির্বাচনে ২/৩ বেশী আসনে জয়ী হয় বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার। ক্ষমতায় আসে, তারই ধারাবাহিকতায় ৫ই জানুয়ারী শত বাধা সত্ত্বেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় পুনরায় নির্বাচিত হয় স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। যিনি অত্যান্ত বিচক্ষণতার সাথে শতরক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশ পরিচালনা করে আসছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান উন্নয়নের ধারা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করার নিমিত্ত বাংলাদেশ আওয়ামী নবীন লীগের জন্ম। পরিশেষে একটি কথা লিখতে চাই, যতদিন রবে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা গৌরি বহমান, ততদিন রবে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান চির অম্লান।