04/09/2017
Lifetime UK Lifehack.org Global News
Life Photography.dhaka
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life Photography.dhaka, Library, motijheel ideal zone. P. O: Shajahnpur. P. S: Motijheel. Dist:, Dhaka.
04/09/2017
Lifetime UK Lifehack.org Global News
Life Photography.dhaka
03/09/2017
উনিই হলেন রোহিঙ্গা মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার হাফেজ আতাউল্লাহ ভাই ৷ তিনি বলেন আমাদেরকে জঙ্গী বানানোর চেষ্টা ছলছে, কিন্তুু আমরা তো জঙ্গী নই ৷
আমরা অধীকার আদায়ের জন্য লড়ছি, সুচি সরকার যদি আমাদের অধীকার নিশ্চিত করে ৷ তাহলে আমরা লড়াই ছেড়ে দিবো ৷ না হয় নিজের অধীকার আদায়ের জন্য জঙ্গীবাদ উপাধীও মেনে নিব ৷
শত সালাম তোমায় হে মহান বীর তোমার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রহিঙ্গা জাতী
তোমাদেরকে যদি জঙ্গী বলা হয়, তাহলে পৃথীবীর সমস্ত মুক্তিযুদ্ধই জঙ্গী বিরোধী আন্দোলন বাংলাদেশ
01/09/2017
ত্যাগের প্রকৃত অর্থ বজায় রেখেই হোক আমাদের ঈদ-উল-আযহা উদযাপন।
ঈদ মোবারক!
30/08/2017
ধন্যবাদ বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম কে ঈদ এর আনন্দ এর আগে আরেকটি আনন্দ উপহার দেওয়ার জ্ন্য।বিশেষ করে তামিম,মিরাজ। আর সাকিব এর কথা কি বলব ও ত খেলা পারে না
30/08/2017
29/08/2017
#আরাকানে #রোহিঙ্গা #মুসলিমদের উপর চলছে গনহত্যা সঙ্গে সঙ্গে তাদের বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিচ্ছে বার্মার বোদ্ধো সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বোদ্ধোরা। ১০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমের বাড়িঘর এখন পর্যন্ত ধংশ করেছে বার্মার বোদ্ধা........ আন্তর্জাতিক সংস্থা কি বাল ফালায়, আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচিত বার্মা দখল করা ! জেগে উঠুন ১৭ কোটি বাংলাদেশি নাগরিক একমত হলে {{{{{{yes}}}}}
লিখুন,,,,,,?
29/08/2017
মায়ানমার রোহিঙ্গার
হে মুসলিম ভাইয়েরা নিজে দেখুন আর বেশী শেয়ার করুন।
বিশ্বের মানুষকে দেখিয়ে দিন
মানবতা আজ কোথায়।
লাইক দিতে হবে না শুধু শেয়ার করে পুরো মুসলিম জাতিকে জানিয়ে দেন
29/08/2017
সিমান্ত খুলে দেয়া হক, বাংলাদেশ থেকে সেনাবাহিনী পাঠানো হোক মায়নমারে।নির্যাতিত রহিঙ্গাদের পাশে দাড়াতে। 😰
আপনি কি এই দাবিকে সমর্থন করেন??
১/ yes
২/ No
28/08/2017
BBC EastEnders
28/08/2017
এক অন্ধ মায়ের গল্প.চোখে জল এসে জাবে
:;
ছেলেটির নাম এরিক। ওর মায়ের এক চোখ অন্ধ!! স্কুলের বন্ধুদের সামনে এরিক এ নিয়ে খুবই বিব্রত হয়। একবার ওর মা স্কুলে গেলো খাবার নিয়ে, এরিক চিৎকার করে বললো তুমি মরে যাও না কেন? তাহলে আমাকে এই লজ্জা পেতে হয় না বন্ধুদের কাছে। ছিঃ কি বিশ্রি দেখা যায় একটা চোখে যখন তাকাও। খুব মনোযোগ দিয়ে এরিক লেখাপড়া করে, কারণ যত দ্রুত সম্ভব সে বড় হয়ে এখান থেকে চলে যেতে চায়। খুব ভালো রেজাল্ট করলো এরিক, সেই সাথে প্রতিষ্ঠা! তার নিজের বাড়ি, গাড়ি, বউ, ছেলে-মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার! একচোখ অন্ধ মায়ের কোন চিহ্নই নেই তার জীবনে। এদিকে বৃদ্ধা মৃত্যুর দিন গুনছে আর মরবার আগে একটি বারের জন্য নাতিগুলোর মুখ দেখার লোভ সামলাতে না পেরে ঠিকানা খুঁজে খুঁজে চলে গেলো ছেলের বাড়ি। বৃদ্ধাকে দরজায় দেখে এরিক হুংকার দিলো কোন সাহসে এসেছো এখানে? দেখছনা তোমাকে দেখে আমার বাচ্চারা ভয় পাচ্ছে? দূর হও!! মা মনে খুব কষ্ট বুকে নিয়ে ফিরে যায়। এর কয়েক বছর পরে স্কুলের পূনর্মিলনীতে বিশেষ অতিথী হয়ে গেলো এরিক! অনুষ্ঠান শেষে কি মনে করে যেন বৃদ্ধাকে দেখতে গেলো। প্রতিবেশী অপর বৃদ্ধা জানালো বছর দুই আগেই তিনি গত হয়েছেন আর যাবার আগে এরিকের জন্য রেখে গেছেন একখানা চিঠি তাতে লিখা আমার সোনামনি এরিক, জানি তুমি তোমার মা কে অনেক ঘৃণা করো। আমি তোমাকে জীবনে কিছুই দিতে পারিনি, দিয়েছি শুধু লজ্জা। মা হিসেবে আমি ব্যর্থ। এ জন্য আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থী। ছোটবেলায় একবার তোমার একটা এক্সিডেন্ট হয়েছিল আর তাতে তোমার একটা চোখ খুব খারাপ ভাবে আহত হয়েছিল। তুমি সারাজীবন একচোখ দিয়ে দেখবে, মা হিসেবে এটা আমি মেনে নিতে পারিনি, তাই নিজেই বাকি জীবন একচোখ দিয়ে দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ তুমি দুচোখ দিয়ে দেখতে পারছো, আমার কাছে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু নেই। তুমি ভালো থেকো বাবা ইতি তোমার হতভাগা মা।
27/08/2017
ভারতে রজনিকান্তরে নিয়া সবচাইতে বেশি ট্রল হয়। সেই ভারতেই বন্যার সময় সবচাইতে বেশি টাকা দ্যায় সেই রজনিকান্ত।
বাংলাদেশে সবচাইতে বেশি ট্রল হয় অনন্ত জলিলরে নিয়া। বন্যার সময় সে হেলিকপ্টারে উড়ে ত্রাণ দিতে গেসে। সেটা নিয়েও ফেসবুকিয় সমাজে ট্রল চলতাসে। ভাই, সে হেলিকপ্টারে যাক, মন চায় রকেটে করে যাক, ২৪০০ পরিবারে সে ত্রাণ পৌছে দিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে।
আপনার জায়গা থেকে আপনি কি করসেন? পায়ে হেটে কিংবা নৌকায় চড়ে একটা পরিবারের হাতেও ত্রাণ পৌছে দিসেন এই ভয়াবহ বন্যায়?
সে একজন সি আইপি। একজন সি আইপির মানে বুঝেন? একজন সি আইপির জন্য হেলিকপ্টার সাধারণ আর দশটা যানবাহনের সমতুল্য। হেলিকপ্টারে চড়া আপনার আমার কাছে সাত জন্মের স্বপ্ন হতে পারে, তার কাছে এটা সাধারণ যানবাহন ছাড়া আর কিছুই না।
মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়া খোঁচাখুঁচি না কইরা নিজের সামর্থ্যনুযায়ী আর দশজনের উপকার করার চেষ্টা করেন পারলে।
সিনেমাতে তার অভিনয় নিয়ে আমিও মজা করি। কিন্তু ব্যক্তি অনন্ত সম্পর্কে কতটুকু জানেন? পুরো বাংলাদেশে হরতাল কিংবা ধর্মঘটে অচল থাকলেও অনন্ত জলিলের ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকেনা। ক্যানো জানেন সেটা?
তার কারখানার শ্রমিকেরা নিজেরা লাঠিহাতে ফ্যাক্টরি পাহারা দেয়, যাতে ফ্যাক্টরির কোনো ক্ষতি না হয় হরতালে কিংবা ধর্মঘটে। নিজ ফ্যাক্টরির প্রতিটা শ্রমিককে সন্তানের মত দেখে রাখে অনন্ত জলিল। তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া হয় যা বাংলাদেশের কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিও দেয়না।
সে শো অফ করে দেখে চোখ টাটায় আপনার? আপনি পারলে শো অফ করে একটি পরিবারের দায়িত্ব নেন, আপনার পা ধরে আমি সালাম করবো।
নিবেন না, কিন্তু ফেসবুকে মজা ঠিকই নিবেন আপ্নে!
মানুষের ভালো কাজের প্রশংসা করতে শিখেন।
বাংলাদেশে এত বড় বড় বিজনেস টাইকুন, এত বড় বড় মাল্টিন্যাশ্নাল কোম্পানি, কয়জন ত্রান হাতে স্বশরীরে ছুটে গেসে?
অসম্ভবকে সম্ভব করা যেমন অনন্তর কাজ, ঠিক তেমনি একজন অনন্ত হতে পারাও অসম্ভব কাজ এইসব লেইম ফেসবুক ইউজারদের পক্ষে।
পারলে একজন অনন্ত হয়ে দেখান, তার মত একজন ভাল মানুষ হয়ে দেখান। তারমত টাকা ইনকাম করতে বলছিনা।
স্রেফ তার মত ভাল মানসিকতার হয়ে দেখান।
পারবেন? আছে সেই কনফিডেন্স?
বর্তমান সমাজে সমলোচনা ব্যপারটা
মানুষের নৈতিকতা হিসাবে ধরা হয়ে
থাকে। আমরা মানুষের খুব সহজেই ছোট
ছোট ব্যাপারগুলো নিয়ে একে অপরকে
সমালোচনায় ব্যস্ত হয়ে পরি। এবং তা
টেনে হিচড়ে লম্বা করে তা মহাভারতে
রুপান্তরিত করি।
তবে তা ভালো দিকগুলো নিয়ে নয়।
আমাদের সমালোচনার মূল কেন্দ্র বিন্দু
হিসাবে খারাপ দিকগুলো বেশি প্রাধান্য
পায়।
একটি ছেলে যখন নেশায় আসক্ত হয়ে
সমাজে অপকর্মে ব্যস্ত হয়ে পরে, ছেলেটির
ক্যারেক্টারে উপর তখন আমরা গাড় কালি
দিয়ে "খারাপ" নামটি ক্ষোদাই করে লিখে
দিয়ে থাকি।
কারন ছেলেটি মদ,গাজা খেয়ে মাতলামি
করে সমাজে বিসৃঙ্খের সৃষ্টি করছে। তাই
ছেলেটি "খারাপ"। কি সাংঘাতিক তাই
না?
সত্যিই ছেলেটি খারাপ। খুব খারাপ। না
হলে এসব কেন করবে। কিন্তু মনে কি কখন
প্রশ্ন জেগেছে ছেলেটির খারাপ হওয়ার
পিছনে কি কি কারন থাকতে পারে?
কিভাবে ছেলেটি এই পথে অগ্রসর হল?
প্রথম অবস্থায় নিকোটিন যুক্ত সিগারেটের
ধোয়া শরীরে প্রবেশ করানো চারটে খানি
কথা নয়। খুব কষ্ট হয় ধোয়াটা ভিতরে প্রবেশ
করাতে।
সেই কষ্ট যহ্য করে ছেলেটি পূনরায় আবার
একের পর এক সিগারেটে টান দিয়ে থাকে।
কিন্তু কেন?
একটি মেয়ে যখন পতিতালয়ের সামনে সুন্দর
করে সেঁজেগুজে কাস্টমারের আশায়
দারিয়ে থাকে,তখন আমরা মেয়েটির দিকে
আঙ্গুল উচিয়ে উচ্চ স্বরে বলে উঠি,দেখ দেখ
"বেশ্যা" দাড়িয়ে আছে।
কি সুন্দর সেই বাকবাক্য। কিন্তু এই 'বেশ্যা'
বাক্যটা উচ্চারন করার সময় মনে কি
একবারও নাড়া দেয়? মেয়েটি "বেশ্যা"র
খাতায় নিজের নাম লিপিবদ্ধ কেন
করেছে ? কেন কাস্টমারের আশায় রাস্তায়
দারিয়ে থাকে? কেন সামান্য কিছু টাকার
বিনিময়ে নিজের শরীর অন্যের কাছে
বিকিয়ে দেয়?
আসলে ঐ "কেন" প্রশ্নের উত্তর আমাদের
কাছে নেই। জানার প্রয়োজনবোধও মনে
করি না। দূর থেকে শুধু তাদের দিক্কার
জানাই। সমালোচনা করে নিজেরা
ক্ষনিকের আনন্দে মেতে উঠি।
আচ্ছা আপনি কি চাইবেন,সমাজের
নিজেকে "খারাপ" উপাধিতে ভূসিত করতে?
আপনি কি চাইবেন নিজেকে "বেশ্যা" বলে
সমাজে প্রসায়িত করতে? আপনি কি
চাইবেন সমাজের সবাই আপনার দিকে
আঙ্গুল উচু করে বলুক"মানুষটা খারাপ?
অবশ্যই চাইবেন না। আমিও চাইনা। তেমনি
সমাজের "খারাপ" তালিকার মানুষগুলোও
চাইনি। সমাজ জীবন প্রতারিত হয়েই তারা
"খারাপ"এর তালিকায় নাম লেখাতে বাধ্য
হয়েছে।
মানুষ সাধারনত তিনটি কারনে "খারাপ"এর
তালিকয়া নাম লিখিয়ে থাকে,১.পেটের
দ্বায়ে। ২. প্রিয় মানুষের কাছে প্রতারনার
শিখার হয়ে। ৩.সংঙ্গ দোষে।
সামান্যতম একটি অংক কসতেও যেমন একটি
সূত্রের প্রয়োজন হয়। ঠিক তেমন প্রত্যেকটি
কাজের জন্য আলাদা আলাদা সূত্রের
প্রয়োজন হয়। যে সূত্রের মাধ্যমেই মানুষ
ভালো বা খারাপ পথে অগ্রসর হয়।
একটি শিশু জন্মানোর সময় খারাপ হয়ে
জন্মগ্রহন করে না। সময় এবং পরিস্থিতী
তাকে খারাপ হতে বাদ্ধ করে। এবং সেই
পরিস্থিতী আমি আপনিই তৈরী করে দিই।
কেননা শিশুটি খারাপ পথে অগ্রসর হওয়ার
আগেই যদি শিশুটিকে ভালো পথের সূত্র
ধরিয়ে দেয়া যেত তাহলে অবশ্যই শিশুটি
খারাপ পথে অগ্রসর হতে পারতো না।
সুতরাং সমাজের "খারাপ" তালিকার
মানুষগুলোর "খারাপ" হওয়ার পিছনে আমি
আপনি সবাই দ্বায়ী।
আর তাই আমাদের উচিৎ সমাজের "খারাপ"
তালিকার মানুষগুলোকে নিয়ে "খারাপ"
সমালোচনা না করে,খারাপ হওয়ার পিছনে
সূত্র খুজে বের করে তার সঠিক সমাধান
করা।
[বিঃদ্রঃ কাউকে নিয়ে খারাপ
সমালোচনা করা অবশ্যই ভালো মানুষের
কাজ নয়]