অধিকাংশ হিন্দুদের দেখলাম দেশ বিরোধী। ওরা কিছু হলেই ভারতীয় কাছে বিচার দেয় ওরা ভালো নেই। অথচ দেশের ৯০% মুসলমানকে যেভাবে নির্যাতন করছে তা বলার মত না।
আইন কোন হিন্দু মুসলিম দেখার কথা না। অথচ অধিকাংশ রায় হিন্দুদের স্বার্থে দেয়া হয়। তবু ওদের নেকাকান্না দেখলে মনে হয় প্রতিদিন হয়ত ওদের কেউ মারছে।
কিছু মুসলিম নামধারীও দেখি এসব বিশ্বাস করে।
ভারতীয় হিন্দুরা মুসলমানদের সবচে বড় শত্রু।কারণ ওরা উগ্র। অথচ আমাদের দেশে ৯০% মুসলিম হয়েও ওদের ভাইয়ের মত সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে।
আমার দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে, চুপ থেকে বসে থাকব না আমরা।
Dr. Mufti Amdadullah Al-Madani
ঈমান ২৪ ঘন্টা ফরজ❤️
ইউনুস সাহেব কি বলতে পারেন আর কতটা খু*ন বা নিখুঁ*জ হলে ইসক*নকে নিষিদ্ধ করবেন?
অন্য কোন সংগঠন তো কিছু বললেই নিষিদ্ধ হয়ে যায়। তাহলে তাদের করতে কারা বাঁধা দিচ্ছে জনগণকে কি তা বলবেন?
নাকি দেশ নিয়ে আপনিও কোন ফন্দিতে আটকে আছেন?
এনএসইউর সেই ভিডিওটা পুরোটা দেখার সাহস হয়নি। একটু দেখেই বুক কেঁপে উঠেছে। অথচ সরাসরি যাদের সামনে ঘটনা ঘটল তারা তাকে তাৎক্ষণিক বাঁধা দিতে এত সময় নিলো কেন?
কর্তৃপক্ষও তাদের সাময়িক বহিষ্কার এবং ৭০০ টাকা জরিমানা করে নিজেদের দায় এড়ানোর চেষ্টা করল কেন?
মোট কথা হচ্ছে এমন একটা প্রজন্ম ই তৈরি করতে চাচ্ছিল ওরা। কাপুরষ আর নিজের ধর্ম নিয়ে হীনমন্য প্রজন্ম। তারা এক প্রকার সফল। এ ভিডিও জাস্ট ট্রায়াল ছিল, সামনে হয়তো ভয়ংকর কিছু অপেক্ষা করছে।
আচ্ছা ঐ সময় অফিসারগুলো কই যারা সাধারণ মানুষকে সামান্য কিছু পেলেও হাজতে নিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে?
তারা কি এ ছেলের পেছনে কে বের করতে পারবা না? নাকি মন্ত্রণালয়ে লোকানো ওর বাবার বাঁধা দিবে?
আচ্ছা চাকরি চলে গেলে কি না খেয়ে মরবেন?এতটুকু ঈমানি শক্তি থাকলে ওর থেকে যে-কোনো ভাবে বের করুন, ওর পেছনে আসলে কে? কে ওকে এসব করতে সাহস দিছে?
সম্প্রতির গান সব জায়গায় খাটে না। ওর অপরাধের শাস্তি না হলে অন্যরাও সেইম অপরাধ করার সাহস পাবে।ওকে প্রকাশে ফাঁসি দিতে পারলে ভবিষ্যতে যেকেউ এ ধরনের অপরাধ করতে হলে একশতবার ভাববে।
বর্তমানের আলেমদেরকে শুধু মাদ্রাসা কেন্দ্রিক চিন্তা থেকে বের হতে না পারলে, আগামীর পৃথিবীতে বড় ধরনের হুঁচট খাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।যদিও ভবিষ্যতের ইলম একমাত্র আল্লাহ ই জানেন। কিন্তু দুনিয়া পরিবর্তন হচ্ছে;পরিবর্তন হচ্ছে সবকিছু। মানুষের চিন্তা চেতনাতেও হচ্ছে বড় ধরনের পরিবর্তন। আমরা যদি পুরোনো চিন্তা ও ধ্যানধারনা নিয়ে বসে থাকি, হয়তো কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যেতে হতে পারে আমাদের। এজন্য সময় থাকতে নিজেদের ভিন্ন ভাবে তৈরি রাখা উচিত।
বাংলাদেশের আলেমদেরকে দেখেছি এখনো, আগের ধাঁচে ই এগিয়ে যেতে। যদিও সারা পৃথিবীর আলেমরা যুগের সাথে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
তাহলে কি পৃথিবীর সবাই না বুঝেই আগাচ্ছে নাকি আমরা না বুঝে পিছিয়ে আছি?
স্বপ্ন আর বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। তবে তারা ই যুগের শ্রেষ্ঠ সন্তানে পরিণত হয়, যারা স্বপ্নকে বাস্তব করে দেখায়।
আমাদের দেশে এমন অনেক আলেম আছেন। যাদের কেউ চিনে না। তারা আমাদের ভাবনার থেকেও বেশি যোগ্য। তারা মাঠে ময়দানে গলা ফাটিয়ে বয়ান করেন না। তারা লোকদের বাহবা পাওয়ার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দেন না।
আজ মদিনাতে এক হাজী সাহেবকে দেখলাম, হারামের সীমানায় বসে টিকটিকে মেয়েদের ভিডিও দেখছে। তারা কাছে বিষয়টা খারাপও লাগছে না।
আধুনিকতা আমাদের ঈমান দুর্বল করে দিচ্ছে দিনদিন 😭
সমাজ আজ নষ্ট হওয়ার দ্বারপ্রান্তে বা নষ্ট ই হয়ে গেছে।
সমাজ নিয়ে কেউ ভাবার নেই, সবাই এখন আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা করে।আমি ভালো থাকলেই হলো, আর কার কি হলো তাতে কারো মাথা ব্যাথা নেই।
07/06/2025
আলেম সমাজের কাছে একটা বিষয় জানতে চাওয়া।
বর্তমান গুটিকয়েক নারীবাদী দাবী করছে তারা সবার প্রতিনিধিত্ব করছে। এবং ইসলাম বিরোধী বিভিন্ন আইন পাশের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে।যদিও তারা পেইড এজেন্ট, তবু তাদের আইন মেনে নিবে নিবে একটা ভাব।
এখন কথা হচ্ছে বাংলাদেশের মোটামুটি ৯৯.৯০% মহিলা তো এসব নারীবাদীদের বিরুদ্ধে। সুতরাং আমরা কি কিছুদিনের জন্য মহিলারা পর্দা করে আন্দোলনকে জায়েজ বলতে পারি?
কারণ কাটা দিয়ে ই কাটা তোলতে হয়।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।
এতো দিন চাইতাম ড. ইউনূস সরকার আরও ৫/ ১০ বছর থাকুক।
নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা, মানবিক করিডোর, সমুদ্র বন্দর ইস্যুতে ইন্টরিম সরকারের লুকোচুরি খেলার ট্রেইলর দেখে জনগণ ক্ষুদ্ধ হচ্ছে। তাছাড়া নবগঠিত এনসিপি দলটি নিয়েও আশাবাদী ছিলাম যে হয়ত তরুণরা ভালো কিছু করে দেখাবে। সেই আশায়ও গুড়েবালি দেখছি।
মোদ্দা কথা হচ্ছে- ইউনূস সরকার ও এনসিপি জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশের জনগণ ডানপন্থায় বিশ্বাসী। ওরা ডাম-বামের মিশ্রণে থেকেও বাম ও শাহবাগীদের মতই বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছে।
আন্দোলনের সময় ইসলামপন্থীদের সহযোগিতা চায়, আন্দোলন সফল হলে সব ভুলে যায়।
সেইম অবস্থা ইউনূস সরকারেরও। আশিক চৌধুরীকে দেশে এনে ঘটা করে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলা হলেও বাস্তবতা উল্টো।নারীবাদীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ড. ইউনূস, তার কয়েকজন উপদেষ্টা ও নবগঠিত এনসিপির কিছু নেতানেত্রী।
দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মতামত নিয়ে চলমান ইস্যুগুলোর দ্রুত সমাধান না করলে ইন্টরিম সরকার যাবে গোল্লায়। এনসিপিও চলবে খুড়িয়ে খুড়িয়ে।
(বিঃদ্রঃ আমরা সাদাকে সাদা, কালো কে কাল বলা গ্রুপের লোক।)
(মাওলানা আনসারুল হক ইমরান লালবাগ )
২০১৩ সালের আজকের এই দিনের বর্বরচিত শাপলাচত্বরের ঘটনাকে দুঃখভরে স্মরণ করছি😭
যারা এই জঘন্য কাজের সাথে জড়িত ছিল, তাদের হিদায়ত না থাকলে দুনিয়াতে লাঞ্চিত ও পরকালে কঠিন শাস্তি তাদের জন্য বরাদ্দ থাকুক।
আমীন।
24/04/2025
বাউফলে দাখিল পরীক্ষায় হিজাব না খোলায় ছাত্রীদের পরীক্ষা দিতেই দেননি যে সরকারি কর্মকর্তা তার নাম তুরাল প্রামাণিক। হি। ন্দু ধর্মের লোক তিনি।
তিনি হঠাৎ করে হলে ঢুকে সকল ছাত্রীকে মুখ খোলার জন্য বলেন। চারজন মুখ খোলেনি সেজন্য তাদেরকে পরীক্ষা দিতে দেননি। একজন কান্নাকাটি করায় তাকে সুযোগ দিয়েছেন অতি দয়া পরবশ হয়ে।
ওই কেন্দ্রে কি কোনো মুসলিম শিক্ষক ছিলেন না? দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্রে আলেম ওলামা কি থাকেনই না?
উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষকরা কেনো তুরাল প্রামাণিকের বিচি বরাবর দুটো লা। থি দিতে পারলেননা? নাকি সরকারি চাকরি করলে বিবেক বুদ্ধি সব লোপ পেয়ে যায়? ঈমান ও ধর্মের চেয়ে চাকরিটা বড় করে দেখেন আপনারা!
তুরাল প্রামাণিকের চাইতে সবচেয়ে বড়ো অপরাধ করেছেন ওইদিন কেন্দ্রে উপস্থিত সরকারি মোল্লারা। এইসব মোল্লাদের পরিচিতি জানাটাও জরুরি।
ভারতে মেয়েদের হিজাব খুলে নেওয়ার ভিডিও দেখি আমরা। উগ্রবা। দীরা হিজাব পরা মেয়েদের অপমানিত করছে আর মেয়েরা কান্নাকাটি করছে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
কিন্তু বাউফল কি ভারতের কোনো অংশ?
মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে কিভাবে ভিন্ন ধর্মের লোক প্রবেশ করে?
ওই এলাকার শিক্ষা কর্মকর্তাকে এজন্য জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।
আর নারী সংস্কার কমিশন! আপনারা এখানে নিরব। এই মেয়েগুলো মাদ্রাসার হওয়ায় তাদের অপমান নিয়ে কোনো কথা নাই আপনাদের? শুধুমাত্র পতিতালয় নিয়েই আপনাদের কথা!
তাহলে নারী শব্দ বাদ দিয়ে পতিতালয় অধিকার রক্ষা কমিটি নাম নিয়ে কাজ করেন৷
এই আকামের সাথে জড়িত তুরাল প্রামাণিকের শাস্তি চাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
