ISLAM is the Best

ISLAM is the Best

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ISLAM is the Best, Public Service, Dhaka.

20/03/2026

আহলে হাদিসদের মধ্যে কিছু আছে চরম গোড়া ও বেয়াদব টাইপের। যাদের মধ্যে এই অনাড়ি ছেলেটি অন্যতম। এই জাহেলরা নিজেদের নাম দেয় আহলে হাদিস অথচ মতের বিপক্ষে গেলেই সহিহ হাদিসও অস্বীকার করে !!
‎ وَعَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ قَالَ رَسُولَ اللهِ ﷺ أَسْفِرُوا بِالْفَجْرِ فَإِنَّه أَعْظَمُ لِلْأَجْرِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وأَبُوْ دَاوٗدَ وَالدَّارِمِيُّ

রাফি‘ ইবনু খদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ফাজরের সলাত ফর্সা আলোতে আদায় কর। কারণ ফর্সা আলোতে সলাত আদায় করলে অনেক বেশী সাওয়াব পাওয়া যায়। (সহীহ : আবূ দাঊদ ৪২৪, তিরমিযী ১৫৪, দারিমী ১২১৭, ইরওয়া ২৫৮,মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৬১৪ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)

10/02/2026

*📢 সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি❗*
যারা আগ্রহী ও নিয়মিতভাবে অংশ নিতে চান—
তাদের জন্য ইনশাআল্লাহ ১লা রমজান থেকে ১৫ দিনব্যাপী ২য় ব্যাচ শুরু হবে।
*📌 উল্লেখ্য,* ১৫ দিনের মধ্যে কোর্স সম্পন্ন না হলে প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে
আরও কিছুদিন ক্লাস করানো হবে, ইংশাআল্লাহ।
👉 `অনুগ্রহ করে শুধুমাত্র আগ্রহী ও সিরিয়াস ব্যক্তিরাই যোগাযোগ করবেন।`

*📘 শরঈ রুকাইয়া ও রূহানী তদবির প্রশিক্ষণ কোর্স,*

*কোর্স ইনস্ট্রাক্টর:* `মোদাব্বির মাওলানা সাইফুল ইসলাম`

*🎓 রূহানী তদবির ও জ্বীন-জাদুর বিরুদ্ধে পরীক্ষিত ও ফলপ্রসূ চিকিৎসা প্রশিক্ষণ।*

*⚠️ নোট: কোর্সে অন্তর্ভুক্ত সব আমল পর্যায়ক্রমে যাচাই ও প্রয়োগযোগ্য।* যেগুলো এখনো পূর্ণভাবে যাচাই সম্পন্ন নয়, সেগুলো পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
*🔰 কোর্স শুরুর পূর্ব প্রস্তুতি*
• ✅ নিয়ত, ওযু ও ইস্তিখারা করুন।
✅ নিয়মিত তাওবা ও ইস্তেগফার করুন।
• 🕋 আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।
*📚 কোর্সের মূল বিষয়বস্তু:*
`🏠 শরীর ও ঘর সুরক্ষা সংক্রান্ত আমল :`
ভীতি, অস্থিরতা ও অজানা প্রভাব থেকে সুরক্ষা।
`• ঘর ও শরীর বন্ধ করার আমল।`
`• পরিবারের হেফাজতের আমল।`
`• জিন যেন রুমে ঢুকতে না পারে।`
`• রোগ নির্ণয় ও বসার নিয়ম।`
`• আত্মীয়দের জিন আক্রমণ থেকে রক্ষা।`
`• কষ্টদায়ক জিন ঢোকা ও বের হওয়া বন্ধ।`
*🧠 মানসিক/শারীরিক রোগের জিন-জাদু তদবির:*
• রুগীর জ্ঞান ফেরানোর আমল।
• কাশফ ছাড়া চিকিৎসা।
• মোয়াক্কেল নিয়ে চিকিৎসা।
• নূরী ও শিবলী মোয়াক্কেলের পরিচয়।
*⭕জিন হাজিরা ও কাশফ:*
• শরীরে জিন হাজির করার আমল।
• পানির ভিতর জিন হাজির করা।
• হাতের তালুতে জিন হাজির করা।
• জিন আটকে রাখার আমল ও বিচ্ছিন্ন করার পদ্ধতি।
• তান্ত্রিকের পাঠানো জিন থেকে হেফাজত থাকার আমল।

*⚡ জিন শাস্তি ও প্রতিরোধমূলক আমল:*
• জ্বীনের শরীরে বজ্রপাতের ম্যাধমে শাস্তি দেওয়ার আমল।
• শক্তিশালী জিন দুর্বল করার আমল।
• বোবা থাকলে আমলের ম্যাধমে কথা বলানোর আমল।
• লোহার হাতুড়ি, গরম পানি, আগুনের পোশাক পরানোর আমল।
• জ্বিনকে অন্ধ করা ও চিকিৎসা।
• পুড়ে ভস্ম করার আমল।

*🧴 পানি, তেল ও দোয়া ভিত্তিক চিকিৎসা*
• পানি, তৈল, খাওয়ানো জাদু থেকে হেফাজতের আমল।
• শিশুদের কান্না, দুষ্টুমি, গর্ভরক্ষা।
• বিবাহ বন্ধ হওয়া, প্রস্রাব বন্ধ হওয়া, পুরুষত্বহীনতা।
• ব্লাড লক, দূর থেকে জ্বীন দ্বারা আক্রমণ হ‌ওয়া হেফাজতে আমল।

*🛠️ নকশা ও চালান ঘুরিয়ে দেয়া/বন্ধ করার আমল:*
• তাবিজের নকশা দ্বারা চালান ঘুরানো।
• বারবার জিন-জাদু ফিরে এলে তা বন্ধ করা।
• দলবদ্ধ জিন আক্রমণ বন্ধ।
• জিনকে দমন, শাস্তি, বন্দি করার আমল।

*🛠️ তদবির ও প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ*
পুনরাবৃত্ত সমস্যার কারণ ও সমাধান
ব্যবসা, বিবাহ ও রিজিক সংক্রান্ত জটিলতা
দূর থেকে প্রভাব নির্ণয়ের মৌলিক ধারণা।

*🌿 বিশেষ তদবির ও চিকিৎসা:*
• নিজে যাদুতে আক্রান্ত হলে মুক্তির আমল।
• তৈল ও পানি দিয়ে যেকোনো রোগ দম করা।
• শিশুর অতিরিক্ত কান্না ও দুষ্টুমি কমানো।
• আগুনের দায়রায় জিন আটকানো।
• পাগল করা যাদু নষ্ট করা।
• ব্যবসায় বা দোকানে যাদু হলে তার তদবির।
• পুরনো ও খাওয়ানো যাদু কাটানো।
• দূর থেকে যাদু নির্ণয় ও নষ্টের আমল।
• বদ নজর, রিজিক লক, বিবাহ লক ইত্যাদি তদবির।

*📚 কোর্সে আরও থাকবে:*

*🔮 জ্বীন বা তুলা রাশি এবং* কাশফ খোলা ব্যতিত তদবির লাইনে হাজিরাতে ও পরিপূর্ণ ট্রিটমেন্ট করার পদ্ধতি `(ইনশাআল্লাহ)।`

*✨ ওস্তাদের রুহানি ফয়েজ,* বিভিন্ন অলি ও আউলিয়া কেরামের রুহানি ফয়েজ গ্রহণের নিয়ম।

*🛡️ মোরাকাবা কিভাবে করতে হয়* এবং প্রাক্টিক্যাল মোরাকাবা করিয়ে দেখানো। দেখানোর নিয়ম অনুযায়ী কন্টিনিউ করলে কাশফ খোলার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আমার কারো কারো ক্লাসের মধ্যেই কাশফ খুলে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ।

*🚀 মোরাকাবা চালিয়ে নিজের কাজ সফল করার উপায়।*
*✔️ শুধুমাত্র পরীক্ষিত আমল প্রদান;* বাহ্যিক্য অন্য কোনো আমল দেওয়া হয়না।

*🔥 কঠিনভাবে শরীর বন্ধ করার বিশেষ দোয়া ও আজিমতের মাধ্যমে শক্তিশালী তাবিজ তৈরি।*

*📜 শক্তিশালী যাদু নষ্টের বিশেষ আয়াত ও বিশেষ কার্যকর অংশ নির্ণয় ।*

*🔎 রোগীর নামের আদাদ* ও `মায়ের নামের আদাদ দ্বারা দূর থেকে রোগ নির্ণয়।`

*⚙️ যেকোন আয়াত বা সূরা আদাদ বের করা ও প্রয়োগ।*

*🎯 যাকাতের স্তর ও কার্যকারিতা।*

*🔓 মোদাব্বিরের পরিবারসহ বন্দীশ কাটা* রজায়াত কাটা, রিজিক ও ব্যবসার বন্দিশ কাটার বিশেষ আমল (৮০-৯০% সফলতা একদিনেই)।

*⭕ জিন ও যাদুর গোপন বিষয় আলোচনা।*

*🌌 রেজালুল গায়েব বিষয় ও অবস্থান।*

*⚔️ জ্বীনকে কষ্ট দেওয়া,* জেলখানায় আটকানো, হাজির করা ও তাড়ানোর গোপন বিষয় ও আমল।

*🚩 জিন-যাদু ছাড়াও এডভান্স লেভেলের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।*

*🌿 বিশেষ প্রশিক্ষণ*
মোরাকাবার মৌলিক ও প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা
আমলের ধারাবাহিকতা ও আত্মশুদ্ধি
যাকাত, আদাদ ও প্রয়োগের বেসিক নিয়ম
প্রশ্নোত্তর সেশন (প্রতিটি ক্লাস শেষে)
*🎧 অতিরিক্ত সুবিধা*
ক্লাসের অডিও রেকর্ড প্রদান।
ধারাবাহিক গাইডলাইন ও সাপোর্ট
`প্রতিদিন ক্লাস শেষে প্রশ্নোত্তর সেশন।`

*🌙 কোর্সের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:*

• ক্লাস শুরু: আগামী ১লা রমজান থেকে।
• সময়: (পরবর্তী নোটিশ অনুযায়ী)।
• কোর্স দৈর্ঘ্য: ১৫ দিন (পরিস্থিতি অনুসারে সময় বাড়তে পারে )।
*• প্রশিক্ষক: {ওস্তাদ মোদাব্বির মাওলানা সাইফুল ইসলাম }*
• *ক্লাস ফি:* ১৫০০ টাকা
• ক্লাস শেষে প্রশ্নোত্তর সেশন থাকবে।
• ভর্তি হওয়ার আগে `ইস্তেখারা করার অনুরোধ।`
*📞 ভর্তি ও যোগাযোগ*
`📱 01864004273`

✨ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ✨
ইনশাআল্লাহ আগ্রহীদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে
প্রফেশনাল রুকইয়াহ ও তদবির শিক্ষা কোর্স
(২য় ব্যাচ)
এই কোর্সে কুরআন ও সহীহ আমলের আলোকে
রুকইয়াহ, তদবির, রোগ নির্ণয় ও আত্মরক্ষামূলক আমল
পর্যায়ক্রমে শেখানো হবে—ইনশাআল্লাহ।
📘 কোর্সটি বিশেষভাবে উপযোগী—
যারা নিজে শিখতে চান,
নিজের ও পরিবারের হেফাজত করতে চান, প্রফেশনাল ভাবে এই পেশাকে গ্রহণ করতে চান এবং দ্বীনের এই গুরুত্বপূর্ণ ইলমটি সঠিকভাবে জানতে আগ্রহী।
📌 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 ভর্তি ও যোগাযোগ নম্বর: ______________________
+8801864-004273
+8801611-777162
⚠️ সীমিত সংখ্যক আগ্রহী নেওয়া হবে,
তাই অনুগ্রহ করে শুধুমাত্র সিরিয়াস ব্যক্তিরাই যোগাযোগ করবেন।
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে
উপকারী ইলম অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

📋 ভর্তি প্রক্রিয়া:
1️⃣ আপনার নাম, ঠিকানা ও WhatsApp নম্বর লিখে দিন
2️⃣ টাকা পাঠান নিচের নাম্বারে—
📱 01812-800447 (বিকাশ – এজেন্ট 1500 টাকা ক্যাশ আউট)
📱 01864-004273 (নগদ – পার্সোনাল 1525 টাকা সেন্ড মানি)
➡️ টাকা পাঠানোর পর ট্রানজেকশনের ডিজিট screenshot দিয়ে জানালে আপনাকে বিশেষ গ্রুপে যুক্ত করে দেওয়া হবে।

গ্রুপে যুক্ত হতে চাইলে নিচের লিংকে প্রবেশ করুন!

https://chat.whatsapp.com/I7yw1UofnfH2Ewad2bATZ8

26/01/2026

১ম টির উদাহরণ হল একজন সাধারন মুসলমান। যে সর্বদা আশা রাখে আল্লাহ আমাদের পাশে আছেন। আপদে-বিপদে একমাত্র তিনিই আমাদের সাহায্য করবেন।
২য় টির উদাহরণ হল একজন অমুসলিম। যে আল্লাহ তায়ালা কে বিশ্বাস করে কিন্তু মানে না। সে দুনিয়ার সকল ব্যবস্থা নিয়েই আল্লাহ তায়ালাকে দোষারোপ করে। আল্লাহ এমন করলেন কেন? আল্লাহ ওমন করলেন কেন? আল্লাহ শয়তানকে না বানালে তো আমরা সকলেই আজকে জান্নাতে থাকতাম। আল্লাহর অপরাধেই আজকে আমাদের দুনিয়াতে এত অশান্তি।
৩য় টির উদাহরণ হল একজন আল্লাহ ওয়ালা মুমিন বান্দা। যে কিনা আপদে-বিপদে সুখ-দুঃখ সর্ব অবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা করে। আল্লাহ তায়ালা তাকে কোন বিপদ দিলে ধৈর্য ধরে এবং বলে, সুবহানাল্লাহ আল্লাহ তায়ালা এত মানুষের মধ্যে আমাকেই এত কঠিন পরিক্ষার জন্য বাছাই করেছেন। আর বিপদ থেকে উদ্ধার করলে বলে, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কারো পক্ষে সম্ভব ছিল না আমাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করা।
৪র্থ উদাহরণ হল একজন নাস্তিক এর। সে বলে দুনিয়ার সবকিছু এমনিতেই চলছে। তারপরও মুসলমানদের আল্লাহ সবাইকে গরিব বানিয়ে রেখেছে। তার যদি এতই ক্ষমতা থাকত তাহলে মুসলমানদের এত কষ্ট করতে হয় কেন? দুনিয়ার সকল মুসলমান ই মিথ্যাবাদী

এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নেন আপনি কোন দলে?

23/01/2026

السلام عليكم و رحمة الله و بركاته
আমি মোদাব্বির মাওলানা সাইফুল ইসলাম আমার সম্মানিত উস্তাদজী মাসুদ আল আমীন সাহেব এর আদেশক্রমে আমি আপনাদের নিয়ে প্রফেশনাল রুক‌ইয়্যাহ শার‌ইয়্যাহ ও তাদবীর শিক্ষা কোর্স চালু করতে চাচ্ছি।
মসজিদ-মাদরাসায় খেদমতরত ওলামায়ে কেরাম আর জেনেরেল শিক্ষিত ভাই-বোনেরা যারা কুরআন পড়তে পারেন তারা এই কোর্সটি করে নিজেদের চিকিৎসা ও পারিবারিক নিরাপত্তা অর্জন করতে পারবেন এবং যাদের আর্থিক অসংগতি আছে তারা এই কোর্সটি করে প্রফেশনালি রুকইয়াহ করতে পারবেন; —ইংশাআল্লাহ!

জিন, জাদু ও বদনজর সংক্রান্ত যাবতীয় প্যারানরমাল সমস্যা সমাধান করতে পারবেন এই কোর্স টি করে।

যারা যারা আগ্রহী আছেন সবাই জানান। আপনাদের পক্ষ থেকে সাড়া পেলে অতি শিগগিরই এই কোর্স টি চালু করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

প্রথমে কিছুদিন ফ্রি ক্লাস চলবে। এরপর থেকে পেইড কোর্স এর ব্যাবস্থা করা হবে ইংশাআল্লাহ!

আজকের যুগে যখন চারপাশে যাদু, জিন, নজরের প্রভাব বাড়ছে, তখন একজন মুসলিমের জন্য রুকইয়া শেখা শুধু প্রয়োজনই নয়, বরং দায়িত্বও বটে। আমি যখন ব্যক্তিগতভাবে কিছু অদৃশ্য সমস্যায় পড়লাম, তখন অনেক জায়গায় গিয়েছি, অনেক কিছু চেষ্টা করেছি। অবশেষে বুঝলাম, সহিহ পদ্ধতিতে কুরআন ও হাদীসের আলোকে আত্মরক্ষার জ্ঞান অর্জন করাই হচ্ছে আসল সমাধান।

তখনই শেখা শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, এত সহজভাবে, এত গভীর জ্ঞান এই প্রতিষ্ঠানে শেখানো হয় যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। সবকিছু একদম শরিয়াহভিত্তিক, কোনো বাড়াবাড়ি নেই, কোনো ভ্রান্ত মত নেই। প্রতিটি ক্লাসে গুরুত্ব দিয়ে বোঝানো হয় কিভাবে রুকইয়া করতে হয়, কখন করা উচিত নয়, এবং কাদের জন্য উপযুক্ত।

এখানে আপনি শুধু শেখেন না, বরং এক আধ্যাত্মিক জার্নিতে প্রবেশ করেন, যেখানে আল্লাহর উপর নির্ভরতা আরও গভীর হয়। যাদের ইচ্ছা আছে রুকইয়া শিখে আল্লাহর সাহায্যে নিজেকে ও অন্যদের উপকার করার, তাদের জন্য এই রুক‌ইয়্যাহ শেখা এক কথায় আদর্শ।

পেইড কোর্স শুরু হবার আগে যারা যারা এই ফ্রি কোর্স এর অফারটি লুফে নিতে চান অতি দ্রুত নিচের লিংকে যুক্ত হয়ে যান। একবার পেইড কোর্স শুরু হয়ে গেলে আর ফ্রি কোর্স করানো হবে না।

https://chat.whatsapp.com/I7yw1UofnfH2Ewad2bATZ8

16/01/2026

আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে যা কেন‌ ঘটছে? কিভাবে ঘটছে? কে করছে? কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। এ নিয়ে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন কবিরাজ/তান্ত্রিক দের পিছনে ছুটতে ছুটতে লক্ষ লক্ষ টাকা নষ্ট করছি। কেউ কেউ সমাধান পান। আবার কেউ কেউ সমাধান পান না। যারা সমাধান পান তারা কিভাবে সমাধান পেয়েছেন তাও আবার কাউকে বলে বোঝাতে পারছেন না। আবার যারা যারা সমাধান পেয়েছেন কয়েক মাস পর আবারো ঘুরেফিরে এক‌ই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই সকল অদৃশ্য শক্তি আমাকেই কেন ধরছে? আমার আশেপাশে কি আর কেউ নেই? আমার বয়স এখন ৪০-৫০ এতদিন ধরেনি আজ কেন ধরল? এ সকল হাজারো প্রশ্ন আমাদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। এগুলো সব জিন/জাদুর আক্রমণ। এগুলো কিভাবে আমাদের আক্রমণ করে? কেন করে? এদের চেনার উপায় নিয়ে ফ্রি ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে। আপনারা যারা যারা জানতে আগ্রহী নিচের group এ প্রবেশ করুন। অতি শিগগিরই আপনাদের নিয়ে একটি ফ্রি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। কোন টাকা লাগবে না। একদম ফ্রি!!!

https://chat.whatsapp.com/I7yw1UofnfH2Ewad2bATZ8

03/01/2026

মাদ্রাসায় কেন শিক্ষক থাকে না?
কেন বারবার শিক্ষক পরিবর্তন করতে হয়?

👉 কারণ, বেশিরভাগ মাদ্রাসায় শিক্ষকদের ন্যাজ্য অধিকার দেওয়া হয়না।

অথচ মাত্র ৫টি বিষয় ঠিক ভাবে নিশ্চিত করলে
শিক্ষক আর মাদ্রাসা ছারবেন না -

১.যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন

যোগ্য বেতন না দিলে,যোগ্য শিক্ষক থাকবেন না।

২.থাকার জন্য ভাল ব্যবস্থা

শিক্ষকদের জন্য আলাদা বা পর্দাসহ সুব্যবস্থা থাকতে হবে।

ছাত্রদের সাথে একত্রে রাখলে শিক্ষক সন্ত্রষ্ট হবেন না।

৩. ভালো খাবার

এই যগে খারাপ খাবার কেউ মেনে নেয় না। তাই উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা জরুরী।

৪. সময়মতো বেতন প্রদান

প্রতি মাসের টাকা মাস শেষে দিয়ে দিতে হবে। বেতন আটকে রাখলে শিক্ষক খেদমত করবেন না।

৫. উত্তম ব্যবহার

মুহতামিম/ পরিচালকের ব্যবহার ভালো হতে হবে।

কারণ-ভালো ব্যবহার কঠিন কাজকেও সহজ করে দেয়।

কিন্তু দুঃখজনক ভাবে, আজ অনেক মুহতামিম সাহেব
শিক্ষকদের সহকর্মী মনে করে না,

বরং গার্মমেন্টস শ্রমিকের মতো আচরণ করেন।

( হাতেগোনা কিছু মুহতামিম এর ব্যতিক্রম আছেন)

তাই যদি মাদ্রাসায় শিক্ষক চান,আগে ভাবুন

আপনার মাদ্রাসায় এই ৫ টি গুণ আছে কি না।

আর যদি কখনো শিক্ষককে বিদায় করতে হয়, তবে অবশ্যই সম্মানের সাথে বিদায় দিন।

মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব হাফিজাহুল্লাহ

খতিব, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, ঢাকা

20/11/2025

#জাদু

আমাদের নবীজী হযরত আহমদ মুহাম্মাদ মুস্তাফা (সঃ) কে একবার এক মহিলা চিরুনিতে মাথার চুল দিয়ে ১১ টি গিট দিয়ে তা কুয়ায় ফেলে যাদু করেছিল। এতে করে নবীজী (সঃ) ৬ মাস অসুস্থ ছিলেন। পরবর্তীতে ফেরেশতার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা তাকে জানিয়ে দিলেন যে তাকে জাদু করা হয়েছে। পরবর্তীতে নবীজী (সঃ) সেই কুয়া থেকে চিরুনি তুলে আল্লাহ তায়ালার নাযিলকৃত সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে সেই গিটগুলো খুলে ফেলেন ও চিকিৎসার মাধ্যমে নিজেকে জাদু মুক্ত করেন। দেখুন! যেখানে আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হয়েও মানুষের ক্ষতি (জাদু) থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন না সেখানে আপনি-আমি কিভাবে নিশ্চিত থাকি যে, আমার উপর কেউ কোন জিন-জাদুর মাধ্যমে ক্ষতি করতে পারবে না। শায়েখ আহমাদুল্লাহ (দাঃ বাঃ) এর মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটা ঘরে ঘরে কমপক্ষে ১ জন করে জাদুর রোগী আছে। যারা যারা টের পেয়েছেন তারা বিভিন্ন কবিরাজ, জিন হুজুরের পেছনে দৌড়াচ্ছেন। যারা এখনো টের পাননি তারা নিজেদের ভাগ্যের দোষ দিচ্ছে। আর এই সুযোগে বিভিন্ন তান্ত্রিক, কবিরাজ, জিন হুজুর কুফরি কালামের দ্বারা ভুল চিকিৎসা করে মানুষের থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। যখন তাদের টার্গেট পুরা হয়ে যায় তখন বলে দেয়, “আমি ও আর আপনার সমস্যা খুঁজে পাচ্ছি না। তবুও যদি আপনি মনে করেন আপনার সমস্যা রয়ে গেছে তবে আপনি অন্য কবিরাজ দেখাতে পারেন। আমার পক্ষে আর কিছু করা সম্ভব নয়।” আমিও আপনাদের মত এক ভুক্তভোগী। এজন্য নিজে এই সকল জাদুর চিকিৎসা শিখে আগে নিজের উপর প্রয়োগ করে দেখেছি কাজ হয় কিনা। আলহামদুলিল্লাহ! আমি নিজে পরিপূর্ণ রূপে সুস্থ হবার পর এবার বাহিরের মানুষের চিকিৎসা শুরু করলাম। এজন্য নিজের সত্যতা প্রমাণের জন্য কিছুই বলার নেই। আপনারা আল্লাহর উপর ভরসা করে বিশ্বাস করলে আমার নিকট আসবেন। আর বিশ্বাস না করলে আসার দরকার নেই। কারন, আমি যতদিন অসুস্থ ছিলাম এই সকল জিন, জাদু, কুফুরি কালাম এর সমস্যা ও তারা চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি। অনেক হালাল-হারাম বাছাই করে, খোজ-খবর নিয়ে, বিশ্বস্ত চিকিৎসকের থেকে চিকিৎসা নিয়েছি। কিন্তু ফলাফল ঘুরে-ফিরে শূন্য। আমি সব ধরনের অদৃশ্য সমস্যার চিকিৎসা করি। যদি আমার পক্ষে কোন চিকিৎসা করা সম্ভব না হয় তবে আগেই জানিয়ে দেই।

05/07/2025

হানাফি মাযহাবের উপর আরোপিত আপত্তির জবাব
জবাব


আগা নাই , মাথা নাই, প্রেক্ষাপটের বালাই নাই। কথা একটা কাট ছাট করে নিয়ে এসে অভিযোগ করতে পারাটাই মনে হয় তাদের সফলতা।

তিনটি পয়েন্টে আপত্তির জবাব দিব।
সাথে সাথে তাদের জালিয়াতি এবং অজ্ঞতাও প্রমাণিত হয়ে যাবে।

🌻প্রথম পয়েন্ট:
''''''''''''''''''''''''''''''''''
এই পয়েন্টে দুটি বিষয় আলোচনা করব।
✍🏻এক. إجارة বা চুক্তির পরিচয়।
✍🏻দুই. আপত্তি উত্থাপনকারী ভাইদের ফাতওয়ায়ে শামির ইবারত বুঝার ক্ষেত্রে অক্ষমতা।

✴১ম বিষয়:

✍ ইজারাহ বা إجارة এর অর্থ হলো,
চুক্তি করা, কন্ট্রাক করা ইত্যাদি।
✍🏻*** পরিভাষায় إجارة বলা হয়,
العقد على المنافع بعوض هو مال
অর্থাৎ সম্পদের বিনিময়ে কোন কাজের উপর চুক্তিবদ্ধ হওয়া।

✍ হালাল কাজের বিনিময় গ্রহণ করার ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ হওয়া জায়েজ।
আর হারাম কাজের বিনিময় গ্রহণ করার ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ হওয়া নাজায়েজ।কেননা রাফি' বিন খাদিজ রাযি. এর হাদিসে এসেছে,
مهر البغي خبيث
অর্থ: ব্যভিচারের বিনিময় গ্রহণ করা নিকৃষ্ট তথা হারাম।
( মুসলিম: হা/ ১৫৬৮)।

উক্ত হাদিস দ্বারা বুঝা যায় যে, হারাম কাজের বিনিময় গ্রহণের ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ হওয়া নাজায়েজ।

✍ ইজারাহ তিন প্রকার:

✍🏻এক.

ইজারায়ে সহিহাহ বা বৈধ চুক্তি।

পরিভাষায় ইজারায়ে সহিহাহ বা বৈধ চুক্তি হলো,
ما يكون مشروعا بأصله ووصفه
অর্থাৎ যেই কাজের উপর চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেই কাজটিও হালাল এবং সাথে যেই শর্ত করেছে সেটিও হালাল।

উদাহরণস্বরুপ, কেউ তাঁর গাড়ি ড্রাইভ করার জন্য এক ড্রাইভারের সাথে এভাবে চুক্তিবদ্ধ হলো যে, ড্রাইবার প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ডিউটি পালন করবে।মাস শেষে ১০ হাজার টাকা বেতন পাবে।

তো উক্ত চুক্তির মধ্যে ড্রাইভিংয়ের কাজটিও হালাল এবং ৮ ঘণ্টা ডিউটির যেই শর্ত করেছে , সেটাও হালাল। এটাই হলো ইজারায়ে সহিহাহ বা বৈধ চুক্তি।

✍ ইজারায়ে সহিহাহ বা বৈধ চুক্তির হুকুম:

শর্ত অনুযায়ী কাজ সম্পূর্ণ করার পর শ্রমিককে পুঙ্খানুপুঙ্খ পারিশ্রমিক দিয়ে দিতে হবে। আর শ্রমিকের জন্য তা নেওয়া হালাল হবে।

কেননা আবু হুরাইরা রাযি. বর্ণিত এক হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা বলেন, কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবো। এর মধ্যে একজন হলো,

رجل استأجر أجيرا فاستوفى منه ولم يعط أجره

অর্থাৎ ঐ ব্যক্তি যে কোন শ্রমিকের কাছ থেকে সম্পূর্ণ কাজ আদায় করল। কিন্তু, তাকে তার পারিশ্রমিক দিল না।
( বুখারি: হা/ ২২২৭)।

উক্ত হাদিস দ্বারা ইজারায়ে সহিহাহ বা বৈধ চুক্তির হুকুম স্পষ্ট হয়ে যায়।

✍🏻দুই.

ইজারায়ে ফাসিদাহ বা নষ্ট চুক্তি।

পরিভাষায় ইজারায়ে ফাসিদাহ বা নষ্ট চুক্তি হলো,
ما يكون مشروعا بأصله ولا وصفه
অর্থাৎ যেই কাজের উপর চুক্তিবদ্ধ হয়েছে , সেই কাজটি হালাল।কিন্তু, সাথে যেই শর্ত করেছে সেটি হারাম।

উদাহরণস্বরুপ, কোন ব্যক্তি এক মহিলার সাথে এভাবে চুক্তিবদ্ধ হলো যে, মহিলাটি প্রতিদিন তিন বেলার খাবার রান্না করে দিবে এবং সপ্তাহে একদিন তার সাথে রাত্রি যাপন করবে।মাস শেষে তাকে ১৫ হাজার টাকা বেতন দিবে।

উক্ত চুক্তির মধ্যে তিন বেলা রান্নার কাজ হালাল।কিন্তু, সপ্তাহে একদিন ঐ ব্যক্তির সাথে রাত্রিযাপনের যে শর্ত করা হয়েছে তা হারাম।এটাই হলো ইজারায়ে ফাসিদাহ বা নষ্ট চুক্তি।

✍🏻 ইজারায়ে ফাসিদাহ বা নষ্ট চুক্তির হুকুম:
'আজরে মিসিল' নেওয়া জায়েজ। 'আজরে মুয়াইয়ান' নেওয়া জায়েজ নেই।

✍🏻আজরে মুয়াইয়ান মানে হলো,
যতটুকু পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট করা হয়েছে, ততটুকু পারিশ্রমিককে 'আজরে মুয়াইয়ান' বলা হয়।

✍🏻 'আজরে মিসিল' হলো,
যেই কাজের ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে , ঐ কাজের জন্য সমাজে যতটুকু পারিশ্রমিক প্রচলিত ততটুকু পারিশ্রমিককে ' আজরে মিসিল বলা হয়।

তো ইজারায়ে ফাসিদাহ এর ক্ষেত্রে আজরে মিসিল নেওয়া জায়েজ। কিন্তু, আজরে মুয়াইয়ান নেওয়া জায়েজ নেই।

অর্থাৎ যতটুকু পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট করা হয়েছে, ততটুকু নেওয়া জায়েজ নেই| বরং ঐ কাজের জন্য সমাজে প্রচলিত যতটুকু পারিশ্রমিক দেওয়া হয় , ততটুকু নেওয়া জায়েজ।

✍🏻তিন.

ইজারায়ে বাতিলাহ বা বাতিল চুক্তি।
পরিভাষায় ইজারায়ে বাতিলাহ বা বাতিল চুক্তি হলো,
ما لا يكون مشروعا بأصله ولا وصفه
অর্থাৎ যেই কাজের উপর চুক্তিবদ্ধ হয়েছে , ঐকাজটিও হারাম। সাথে যেই শর্ত করেছে , সেটিও হারাম।

✍🏻*** ইজারায়ে বাতিলাহ বা বাতিল চুক্তির হুকুম:

এই কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়াও হারাম। পারিশ্রমিক গ্রহণ করাও হারাম।

✴২য় বিষয়:
°°°°°°°°°°°°
ফাতওয়ায়ে শামির ইবারত হলো,

ما أخذته الزانية إن كان بعقد الإجارة فحلال عند أبي حنيفة

আরবি ভাষার ব্যবহারিক মারপ্যাচের সমাধান তো গুগল দিতে পারে না!
যদি গুগল সমাধান দিতে পারতো ,তাহলে তো আপত্তি উত্থাপনকারী ভাইয়েরা ফাতওয়ায়ে শামির ইবারত বুঝতে এতগুলো ভুলের সম্মুখীন হতো না!
.
তারা ইবারত বুঝতে গিয়ে চারটি ভুল করেছে।

🔀১নং ভুল:

ইবারতে উল্লেখিত ما দ্বারা ব্যভিচারের মূল্য উদ্দেশ্য নিয়েছে। অথচ ما দ্বারা ব্যভিচারের মূল্য উদ্দেশ্য নয়। বরং ما দ্বারা 'আজরে মিসিল' উদ্দেশ্য।যা একটু সামনের ইবারত তথা,
لأن أجر المثل في الإجارة الفاسدة
দ্বারা বুঝা যায়।

🔀২নং ভুল:

ইবারতে إن كان-এর সর্বনাম( pronoun) هو কে ما -র দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে। অথচ هو সর্বনামটি ما - র দিকে ফিরবে না। বরং الزانية শব্দের অন্তর্গত مصدر বা মূলধাতু زنى এর দিকে ফিরবে।

এমন ব্যবহার কুরআনেও রয়েছে।যেমন সূরা মায়েদার ৮ নং আয়াত:
اعدلوا هو أقرب للتقوى
উক্ত আয়াতে هو সর্বনামটি اعدلوا এর অন্তর্গত مصدر বা মূলধাতু عدل এর দিকে ফিরেছে।

🔀৩নং ভুল:

ইবারতে উল্লেখিত بعقد الإجارة এর با কে سببية তথা কারণ দর্শানোর با মনে করেছে। অথচ এটা কারণ দর্শানোর অর্থে ব্যবহৃত হয়নি।বরং এখানে با টি تلبس তথা মিলিত হওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

🔀৪নং ভুল:

ইবারতে উল্লেখিত بعقد الإجارة দ্বারা ব্যভিচারের চুক্তি উদ্দেশ্য নিয়েছে। অথচ এখানে ব্যভিচারের চুক্তি উদ্দেশ্য নয়। বরং ইজারায়ে সহিহাহ তথা বৈধ চুক্তি উদ্দেশ্য।

এই চারটা ভুলের কারণে তারা অনুবাদেও ভুল করেছে এবং মর্ম অনুধাবনে ও ভুল করেছে।আর এই ভুল অনুবাদ দিয়ে আপত্তি তুলেছে।২য় পয়েন্টে সঠিক অনুবাদ দেওয়া হবে।

🌻দ্বিতীয় পয়েন্ট:
'''''''''''''''''''''''''''''''''''
আবু হানিফা রহ. বলেছে কি আর তারা বুঝেছে কি!
আসুন দেখি কোন প্রেক্ষাপটে আবু হানিফা রহ. এই মাসয়ালা বলেছেন।

এক ব্যক্তি বাসায় কাজের মেয়ে রাখল| মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করল। এত ভালো বেতনের চাকরি হাতছাড়া করা যায় না।মেয়েটি রাজি হয়ে গেল। কথাবার্তা ফাইনাল।

কাজ শুরু করার দুই- একদিন পর অসভ্য মালিক মেয়েটিকে বললো যে,
শোন! কাজের মেয়েদের বেতন ৫ হাজার টাকার বেশি হয় না।আমি তোমাকে খুশি করার জন্য ডবল বেতন দিচ্ছি।এবার তুমিও আমাকে খুশি করতে হবে।আমার সাথে বেডে যেতে হবে......

আবু হানিফার মাসয়ালা হলো উক্ত প্রেক্ষাপটের সাথে সম্পৃক্ত।
উক্ত পরিস্থিতিতে বাড়ির কাজ হালাল।তবে সাথে বেডে যাওয়ার যেই শর্ত করেছে তা হারাম।

তাই এই চুক্তি ইজারায়ে ফাসিদাহ তথা নষ্ট চুক্তি হয়েছে।আর ইজারায়ে ফাসিদার হুকুম হলো, আজরে মিসিল নেওয়া জায়েজ। আজরে মুয়াইয়ান নেওয়া জায়েজ নেই।

আবু হানিফা রহ. একথাই বলেছেন যে, ঐ মহিলা ব্যভিচারে লিপ্ত হোক বা না হোক তার জন্য আজরে মিসিল তথা ৫ হাজার টাকা নেওয়া জায়েজ।

কিন্তু, আজরে মুয়াইয়ান তথা ১০ হাজার টাকা নেওয়া জায়েজ নেই। কেননা , মালিক অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো, মেয়েটি তার সাথে বেডে যেতে হবে।আর এটা যেহেতু হারাম , তাই অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা নেওয়াটাও হারাম।

এবার শামির ইবারত সামনে আনা যাক।সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।
ইবারতটি হলো,

ما أخذته الزانية بعقد الإجارة فحلال عند أبي حنيفة؛ لأن أجر المثل في الإجارة الفاسدة طيب

সহজে বুঝার জন্য ইবারতের সর্বনামসহ উল্লেখ করা হলো।

ما أي أجر المثل أخذته الزانية إن كان أي الزنا شرطا متلبسا بعقد الإجارة أي الصحيحة فحلال عند أبي حنيفة؛ لأن أجر المثل في الإجارة الفاسدة طيب

অর্থ: যদি বৈধ চুক্তির সাথে ব্যভিচারের শর্ত করা হয় এবং মহিলা ব্যভিচারে লিপ্ত হয় , তাহলে আবু হানিফা রহ. এর নিকটে আজরে মিসিল নেওয়া হালাল।কেননা , ইজারায়ে ফাসিদার ক্ষেত্রে আজরে মিসিল নেওয়া বৈধ।

তো স্পষ্ট হয়ে গেল যে, আবু হানিফা কি বলেছেন এবং কেন বলেছেন!
পক্ষান্তরে অপপ্রচারকারীরা কী রটাচ্ছে!

🌻তৃতীয় পয়েন্ট:
''''''''''''''''''''''''''''''''
হানাফি মাযহাবের কোন কিতাবের মধ্যে ব্যভিচার মূল্য গ্রহণকে হালাল বলা হয়নি। বরং হারাম বলা হয়েছে।

দেখুন হানাফিদের কিতাবে কি লেখা আছে,

✍🏻১. মোল্লা আলী কারী হানাফি তার কিতাবে লেখেন,

مهر الزانية حرام إجماعا لإنها تأخذ عوضا عن الزنا ووسيلة الحرام حرام

অর্থ: ব্যভিচারী মহিলার মূল্য গ্রহণ সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। কেননা ,এটা ব্যভিচারের বিনিময়। আর হারাম জিনিসের বিনিময়ও হারাম।

(মিরকাতুল মাফাতিহ: ৬/১২)।

✍🏻২. ইমাম সাইয়্যিদ যাদাহ আল হানাফি তার কিতাবে লিখেন,

إنه خبيث حرام بالإجماع, فإن الزنا حرام فكذلك أجرته حراما أيضا

অর্থ: ব্যভিচার মূল্য গ্রহন সর্বসম্মতিক্রমে নিকৃষ্ট হারাম।কেননা, ব্যভিচার হারাম। তেমনিভাবে তার বিনিময়ও হারাম।
( মিফতাহুল জিনান: ২৭১)।

✍🏻৩. আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মিরি রহ. তার কিতাবে লিখেন,
إن أجرة الزنا حرام عندنا
অর্থ: আমাদের নিকটে ব্যভিচারের বিনিময় হারাম।
( ফায়যুল বারী: ৩/৪৯৯)।


জবাবের সারাংশ হলো:

↕১. আবু হানিফা রহ. এর মাসয়ালাটি ইজারায়ে ফাসিদাহ তথা নষ্ট চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত। আর উক্ত মাসয়ালাটি ফাতওয়ায়ে শামির ইজারায়ে ফাসিদার অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

↕↕২. উক্ত মাসয়ালায় ইমাম আবু হানিফা রহ. এর মতে ব্যভিচারের বিনিময় নেওয়া জায়েজ নয়। বরং আজরে মিসিল নেওয়া জায়েজ। অর্থাৎ উক্ত কাজের বিনিময় সমাজে যতটুকু প্রচলিত ,ততটুকু নেওয়া জায়েজ।

↕↕↕৩. হানাফি মাযহাব মতে ,ব্যভিচারের বিনিময় নেওয়া জায়েজ নেই।
আশা করি সকলে বুঝতে পেরেছেন।


✳টিট ফর টেট এবং এন্টিভেনাম জবাব:

ব্যভিচারের বিনিময় গ্রহণ হানাফিদের নিকট জায়েজ নেই।বরং আহলে হাদিস শায়েখদের নিকট জায়েজ।
আসুন এব্যাপারে আহলে হাদিসের সাথে একটু কথা বলি,

📘হানাফি: ভাইয়া! বৈধ কাজের বিনিময় গ্রহণের উপর চুক্তিবদ্ধ হওয়া কি জায়েজ??

📗আহাফি: হুম,, অবশ্যই জায়েজ।
📘হানাফি: তাহলে তো ব্যভিচারের বিনিময় গ্রহণও জায়েজ?

📗আহাফি: এটা জায়েজ হবে কেন?

📘হানাফি: না, মানে,,, আপনাদের শায়েখ যে ব্যভিচারকে জায়েজ বলেছে। আর জায়েজ কাজের বিনিময় গ্রহণও তো জায়েজ। তাই জিজ্ঞাসা করলাম আরকি।

📗আহাফি: কোন শায়েখ বলেছে? কোথায় বলেছে? দলিল দিন।

📘হানাফি: আপনাদের শায়েখ নবাব নুরুল হাসান খান সাহেব তার এক কিতাবে লিখেছেন যে,

ہر کہ مکرہ شد بر زنا اورا زنا جائز ست,وحد غیرواجب...........................
অর্থাৎ যাদের ব্যভিচার করতে বাধ্য করা হয়, তাদের জন্য ব্যভিচার করা জায়েজ এবং কোন হদ ও ওয়াজিব হবে না।

নারী বাধ্য হওয়ার বিষয়টি তো স্পষ্ট।পুরুষ ও যদি বলে যে,আমার ব্যভিচার করার ইচ্ছা ছিল না।কিন্তু,সেক্সুয়াল পাওয়ার তথা কামতাড়না আমাকে ব্যভিচার করতে বাধ্য করেছে ,তাহলে তার কথা গ্রহণযোগ্য হবে।
( উরফুল জাদি:২০৮)।

একথা দ্বারা তো স্পষ্ট বুঝা যায়, ব্যভিচার করা জায়েজ।

📗আহাফি:আরে ভাই! এখানে তো বলা হয়েছে ,
পুরুষের কামতাড়না যদি বাধ্য করে ,তাহলে জায়েজ।অন্যথায় জায়েজ নেই।

📘হানাফি:আচ্ছা ভাই!সেক্স না উঠলে কি কেউ একাজে লিপ্ত হয়?

📗আহাফি :না,,

📘হানাফি:তাহলে,,,,,,,,।

📗আহাফি: আসলে আপনি একটা ফালতু লোক।এত ঘুরিয়ে পেচিয়ে সাব্যস্ত করার কি প্রয়োজন? পারলে সরাসরি জায়েজ বলেছে এমন একটা দলিল দিন।

📘হানাফি : ভাইয়া! মুতআ কাকে বলে জানেন?

📗আহাফি: না,, জানিনা। আপনি বলে দিন।

📘হানাফি: মুতআ হলো,

هو أن يستمتع الرجل المرأة إلى أجل معين بقدر من المال

অর্থাৎ পুরুষ মহিলাকে নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উপভোগ করাকে মুতআ বলে।
ভাইয়া! বুঝতে পেরেছেন?

📗আহাফি: হুম,, এখন কি হয়েছে?

📘হানাফি: ভাইয়া! মুতআ কি জায়েজ?

📗আহাফি: আরে! এটা জায়েজ হবে কেন? মুতআ আর ব্যভিচারের বিনিময় গ্রহণ একই কথা।

📘হানাফি: কিন্তু, আপনাদের শায়েখ তো জায়েজ বলেছে!

📗আহাফি: কোত্থেকে এসব কথা আমদানি করেন? আচ্ছা, দেখান তো!

📘হানাফি: আপনাদের শায়েখ আল্লামা ওহিদুজ্জামান খান সাহেব তার দুটি কিতাবে লিখেছেন,
"মুতআ জায়েজ হওয়া কুরআনের অকাট্য আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। এবং এটা উত্তম ও বটে।"

(নুযুলুল আবরার :২/৩৩,আল-হাদিয়্যাতুল মাহদি:১১২)।

দেখলেন তো ?

📗আহাফি: হুম,, দেখেছি। এখন কি বলতে চাচ্ছেন? বলেন।

📘হানাফি: দেখলেন! কারা হাদিস বিরোধী ফাতওয়া দেয়? আমরা না আপনারা?

📗আহাফি: এখানে হাদিস বিরোধিতার কি পেলেন?

📘হানাফি: আর কতদিন মানুষকে হাদিসের নামে ধোকা দিবেন?
আর কবে শায়েখপূজা ছাড়বেন?
আচ্ছা হাদিসে কি বলেছে দেখেন,

يا أيها الناس! إني قد كنت أذنت لكم في الاستمتاع من النساء وإن الله قد حرم ذلك إلى يوم القيامة

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন , হে মানুষসকল ! আমি পূর্বে তোমাদেরকে (কারণবশত) মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলাম। কিন্তু, আল্লাহ তায়ালা কেয়ামত পর্যন্ত এটাকে হারাম করে দিয়েছেন।

(মুসলিম:২৫০২, ইবনে মাজাহ:১৯৫২)।
এবার বুঝলেন তো কারা হাদিস বিরোধী ফাতওয়া দেয়??

📗আহাফি: হুম,, বুঝেছি।

📘হানাফি: তাহলে আর কোনদিন হানাফি মাযহাবের ব্যাপারে অপপ্রচার করবেন না।ঠিক আছে?

📗আহাফি: আচ্ছা, ঠিক আছে।

আল্লাহ সকলকে বুঝার তাওফিক দান করুন।আমিন।

ইনশাআল্লাহ চলবে,,,,,,,,,,,,,,,

10/06/2025

একজন শিশু যদি ইউক্রেনের হয়, তার চোখে পানি দেখলে গোটা পৃথিবী থেমে যায়।কিন্তু সেই শিশু যদি ফিলিস্তিনের হয়, তার ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ দেখে সেটাকে “যুদ্ধের কোল্যাটারাল ড্যামেজ” বলা হয়।

একজন ‘গ্রেটা’ Thunberg যখন জাহাজ নিয়ে রওনা দেয়, তাকে বলা হয় Climate Warrior, Humanitarian Symbol। কিন্তু একজন মুসলিম কিশোর যদি একই কাজ করতো তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হতো “Propaganda Tool”, “Potential Threat”, “Terror Link Suspect” হিসেবে।

এই কাঁটাতারের পেছনের নামই হলো White Supremacy। এই supremacy আর কু ক্লাক্স ক্ল্যানের কালো কাপড়ে আসে না, বরং CNN-এর হেডলাইনে, Nobel Peace Prize-এর শর্টলিস্টে, আর মানুষের মস্তিষ্ক থেকে আসে যা এমন এক উপনিবেশিকতা যা আজও মুক্তি পায়নি।

So, ‘Don’t just decolonize the land, decolonize your mind’। কারণ সমস্যা শুধু পশ্চিমে নেই, সমস্যা আমাদের ঘরেই। আমাদের লিবারেল ক্লাবের সদস্যরা ‘servant syndrome’-এর রোগে আক্রান্ত। তারা বিশ্বাস করে, “পশ্চিম যা বলবে, সেটাই মানবতা; আমরা শুধু তার অনুসরণকারী।”

আর পশ্চিমা মনে করে, “তোমরা অসভ্য, তোমাদের সভ্য করা আমাদের কর্তব্য।”
আর আমরা মাথা নিচু করে বলি—“হ্যাঁ হ্যাঁ, গ্রেটাই আসল হিউম্যান।”

তখন ই গ্রেটা হয়ে ওঠে আমাদের ইমাম, কারণ তারা বিশ্বাস করে মুসলিম সমাজ ব্যর্থ, মুসলিম নেতারা ব্যর্থ, তাই মুক্তি আসবে সাদা চামড়ার ‘মেসিয়াহ’ দিয়ে।
কতটা আত্মবিশ্বাসহীন হলে মানুষ নিজ জাতিকে এত জঘন্য রূপে বর্ণনা করতে পারে!

তোমরা যারা আজও বিশ্বাস করো যে, পশ্চিমা নেতারা তোমার মুক্তির একমাত্র আশা, তোমাদের উচিত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করা “আমরা কি নিজেদের মেরুদণ্ডে ভর দিয়ে অন্তত স্বাধীন চিন্তা করতে সক্ষম?

30/03/2025

ঈদের শুভেচ্ছা আদান-প্রদানে আমরা ঈদ মোবারক বলা বর্জন করি এই দুয়া পড়া শুরু করি। কেননা সাহাবায়ে কেরাম পরস্পর এই দুয়া করতেন।

04/03/2025

আমরা কেন মাযহাব মানি?

ছোট বেলা থেকে না জেনেই হানাফী মাজহাব পালন করে বড় হয়েছি। নামাজ শিক্ষার যে বই গুলো বাসায় ছিল - সব ছিল নিউজপ্রিন্টের। ভিতরে খালি মাসআলা ছিল। কুরআন হাদিসের কোন রেফারেন্স ছিলোনা। ছিল ব্র্যাকেটে ফতোয়ায়ে আলমগিরি,বেহেশতী জেওর,মালাবুদ্দা মিনহু-র রেফারেন্স, যা কি জিনিস জানতাম না।

বড় হলে আহলে হাদীস ও সালাফিদের বই পড়লাম। কুরআন ও হাদিসের প্রচুর রেফারেন্স দেয়াতে খুব ভালো লাগলো। তারা বললো: তুমি এসব মাযহাব ছাড়। সহীহ হাদিস মেনে ইবাদত করো। অন্ধ তাকলীদ করো না।

হানাফীরা ইমাম আবু হানিফা রহ. ও অন্যান্য মুকাল্লিদরা বাকী ইমামদের ফিকহ মানে, এর চেয়ে সহীহ হাদিস মানো । একটু এক্সট্রিম কেউ কেউ তাকলীদকে শিরক বললো, বললো বুদ্ধি থাকলে তাকলীদ করতে হবে কেনো। এরকমই আরো কিছু কথা সুন্দর সুন্দর কথা ।

আমার কথা গুলো বেশ মনে ধরলো। হানাফী থেকে আহলে হাদীস হতে ইচ্ছা জাগলো । মাযহাবের তাকলীদ বাদ দিয়ে সহীহ হাদিসের উপর আমল করা শুরু করলাম। হাতে টাকা ছিল - জোগাড় করলাম সিহাহ সিত্তাহ, বাংলা-আরবী। আরবী স্কিপ করে বাংলায় সহীহ হাদিস পড়া শুরু করলাম।
কিন্তু ওযু ও গোসল অধ্যায়ই শেষ করতে পারলাম না। নামাজ তো আরো পরে।
রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর ওযুর বিভিন্ন ধরণের বর্ণনা আছে। কোনটা মেনে ওযু করবো ? ছোট একটা জিনিসই ধরি। কিছু জায়গায় অঙ্গ দুবার করে ধোয়ার কথা বলা আছে , কিছু জায়গায় তিনবার, কিছু জায়গায় একবার। আমি যদি দুবার করে ধৌত করি তাহলে একটা সহীহ হাদিস আমি মান্য করছিনা, তিন বার ধুলে অন্য আরেকটি সহীহ হাদিস মান্য করছিনা ।

প্রশ্ন ১: আমি এই যে কিছু সহীহ হাদিস মানতে যেয়ে অন্য সহীহ হাদিস মান্য করছিনা, সেগুলো খুঁজে খুঁজে বের করে রেফারেন্স দিয়ে কেউ যদি বলে আমি সহীহ হাদিস মানিনা সেটা কি ঠিক হবে ? এর মানে কি আমি সহীহ হাদিস অমান্যকারী ?
এখন আমার কথা না হয় বাদই দিলাম। আমি পড়ালেখা করেছি, বই পড়ার উৎসাহ আছে, ইসলামের প্রতি ঝোক আছে। এদের কথা ধরেন : আমাদের বাসার বুয়া বা বিল্ডিং এর কেয়ারটেকার পড়াশোনা করতে পারেনা। আমার বন্ধু কয়েকজন যারা পড়ালেখা জানলেও ইসলামী বই অধ্যায়ন করেনা কারণ ইসলামের প্রতি আগ্রহ নেই এদের কেউ ওযু পারেনা।

প্রশ্ন ২: তাদের কে শিখানোর জন্য যদি আমি যদি বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ের সহীহ হাদিস গুলি সিরিয়ালি তাদের কাছে শুধু বাংলায় রিডিং পড়া শুরু করি, তারা কি সেগুলি বুঝে ঠিক মতো আমল করতে পারবে ?

প্রশ্ন ৩: যদি তারা না বুঝে তাহলে তো আমাকে তাদের দেখিয়ে দিতে হবে কিভাবে ওযু করতে হয় । তখন আমি বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ে উল্লেখিত বাংলা সহীহ হাদিস গুলি সমন্বয় করে বা সেখান থেকে বেছে নিয়ে আমার বুঝ অনুযায়ী তাদের শিখাবো। এতে কি তারা সহীহ হাদিস মানলো নাকি আমার বুঝ ও ব্যাখ্যা মানলো ? এই ব্যাখ্যাই কি ফিকহ না ?

প্রশ্ন ৪: যখন আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি, তখন আমার হাদিসের টেক্সট ও রেফারেন্স দেয়া কি আমার জন্য জরুরি হবে ? বাস্তবেই কি তারা প্রত্যেকটির শিক্ষার পিছনের হাদিসের রেফারেন্স চাবে ? নাকি বলবে শুধু ওযু শিখিয়ে দাও ? এটি কি আমার উপর বিশ্বাস করে অন্ধ তাকলীদ করা নয় কি ? যদি রেফারেন্স দিয়েও দি তাও কি তারা সহীহ থেকে জাল হাদিস পার্থক্য করতে পারবে ?

প্রশ্ন ৫:একটি হাদিস যে আমি সহীহ হাদিস কিভাবে বুঝছি ? ব্র্যাকেটে লেখা আছে বলে। আমার সামর্থ্য নাই হাদিস শাস্ত্র অধ্যয়ন করে সহীহ যঈফ আলাদা করার। কেউ তাহকীক করে লিখে দিয়েছে। সেটাই চোখ বন্ধ করে মেনে নিচ্ছি। কেউ বুখারী অনুবাদ করে দিয়েছে, আমিও মেনে নিচ্ছি সেটা সঠিক অনুবাদ, কারণ আমার পক্ষে আরবি বুঝে অনুবাদের ত্রুটি ধরা সম্ভব না । এই তাহকীক ও অনুবাদ যে সঠিক মেনে নেয়া হচ্ছে সেটা কি অন্ধ তাকলীদ নয় ?

প্রশ্ন ৬: ওযুর মতো অতি সহজ ব্যাপারে আমার যদি এই অবস্থা হয়, নামাজের মতো অতি জটিল ব্যাপারে কি আমার পক্ষে সহীহ হাদিস পড়ে নামাজ শিক্ষা করা কিভাবে সম্ভব ? যদি আমার পক্ষেই সম্ভব না হয় ৭ বছরের ছেলে কিংবা পড়ালেখা না জানা বুয়ার পক্ষে কিভাবে সম্ভব ?

প্রশ্ন ৭: যদি সম্ভব না হয় তাহলে আমাকে এমন একজনের আলিমের দারস্ত হতে হবে যিনি সব হাদিস পড়ে বুঝে আমাকে নামাজের নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিবেন,তাইনা ? হাদিস গুলির সমন্বয় করে যদি উনি ব্যাখ্যাই করেন তাহলে ফিকহ তো ফিকহই হয়ে গেলো । এই ক্ষেত্রে আমি কি সহীহ হাদিস মানছি নাকি ফিকহ ? এই ফিকহ মানার মাধ্যমে আমি কি বাস্তবে আমি সমন্বয়কৃত সহীহ হাদিসই মানছি না ?

প্রশ্ন ৮: আমি যদি আরেকজন আলিমের কাছে যাই এবং একই অনুরোধ করি হাদিস ঘেটে নিয়ম কানুন বানিয়ে দেয়ার জন্য । উনিও সব হাদিস ঘেটে আমাকে নিয়ম বানিয়ে দিলেন। প্রথম আলিমের নিয়ম গুলি আর দ্বিতীয় আলিমের নিয়ম গুলি কি হুবুহু একই হবে ? নাকি তাদের দুজনের সমন্বয় পদ্ধতি আলাদা হতে পারে ?
একজনের কাছে এক হাদিস বেশি সহীহ অন্য জনের কাছে কম সহীহ লাগতে পারে না ? দুজন একই হাদিসের অর্থ কে দুই ভাবে নিতে পারে ? তারা কি আরবি ইবারত ভিন্ন ভাবে পড়তে পারেনা ? হাদিসের শত শত কিতাবের উনি হয়তো কিছু পড়েছেন অন্যজন কিছু ? রাবী দুর্বল কিনা এই নিয়ে ইখতেলাফ আছেনা ? কারো কারো মতে বুখারী সব চেয়ে সহীহ, কারো মতে মুয়াত্তা ইমাম মালিক, এরকম অচেনা ?
আরো কত কারণ আছে, হাদিস শাস্ত্র কি অংকের মতো যে রেজাল্ট একটাই হবে ? তাহলে দুজনেরই সহীহ হাদিস মানা সত্ত্বেও দুজনের নামাজের নিয়ম দুই ধরণের হতে পারেনা ? আমার কি সেই যোগ্যতা আছে যে আমি বলতে পারবো প্রথম জন বেশি ঠিক না দ্বিতীয় জন ?

প্রশ্ন ৯: ধরেন আমি প্রথম আলিমের কাছে যাওয়ার পর উনি আমার অনুরোধে সকল হাদিস ঘেটে আমার জন্য নামাজের নিয়ম বানিয়ে দিয়েছেন। এখন আমার ভাই যদি তার কাছে যেয়ে একই অনুরোধ করে তাহলে কি তিনি এই কাজটি হাদিস ঘাটার কাজটি কি আবার করবেন ? নাকি আমাকে যে নিয়ম গুলি উনি দিয়েছেন সেগুলিই আমার ভাইকেও দিয়ে দিবেন ? আমার ভাই আজ থেকে ১০ বছর পর গেলে একই নিয়মি তো পাবেন ওই আলিম থেকে তাইনা (কারণ যে হাদিস দেখে নিয়ম তৈরী করেছেন সেই হাদিস তো আর ১০ বছরে পরিবর্তন হয়নি) ? ৫০ বছর পর কেউ গেলে ? এখানে কি নামাজের নিয়ম পরিবর্তন হওয়ার খুব বেশি সুযোগ আছে ? ১৩০০ বছর পর ? নাকি প্রত্যেকবার শুরু থেকে হাদিস ঘাটতে হবে ?
যদি পরে আমরা প্রথম আলিমের বের করা নিয়ম কে মাজহাব বা ফিকহে X ও দ্বিতীয় আলিমের বের করা নিয়ম কে মাজহাব বা ফিকহে Y নাম দি , তাহলে X ও Y ফলো করা কি ১৩০০ বছর পর হারাম হয়ে যাবে, যেখানে এটি ১৩০০ বছর আগে সহীহ ছিল ?

প্রশ্ন ১০: নামাজ তো আর নতুন জিনিস না। এটি ইসলামের শুরু থেকে চলছে। তাহলে এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে নামাজের নিয়ম বের করার কাজও তখন থেকেই হওয়ার কথা। তখন থেকেই যদি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বা ইমাম মালিক (রহঃ) বা ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বা ইমাম আহমদ (রহঃ) যদি এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে নামাজের নিয়ম বের করার কাজটি করে গিয়ে থাকেন, নামাজের নিয়ম তো আর পরিবর্তন হয়নি, তাহলে এখন সেগুলি মানতে সমস্যা কোথায় ?
নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেব এই যুগে এসে হাদিস ঘাটাঘাটি করে যে নিয়ম বের করেছেন তা ওগুলোর উপর প্রাধান্য পাবে কেন ? ওই চার ইমামের কারো যোগ্যতা কি ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের চেয়ে কম ছিল ?

প্রশ্ন ১১: এখন যদি কেউ বলেন যে সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর ওফাতের পর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় হতে পারে।
হয়তো প্রধান সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন বা ছিলেন সেসব জায়গায় নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিল। এই ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফার কাছে কুফায় বা ইমাম মালিকের কাছে মদিনায় নামাজ সংক্রান্ত সব হাদিস ছিল। এই ক্ষেত্রে তারা এসব বেছেই নামাজের নিয়ম বানিয়েছেন। ওই নিয়ম ফলো করতে আপত্তি কোথায় ?
অথবা . সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন সেখানে নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিলোনা, কিছু হাদিস ছিল।

তাই কোনো এক এলাকায় যেমন ইমাম আবু হানিফার কুফায় কিংবা ইমাম মালিকের মদিনায় সব হাদিস ছিলোনা। পরে সব হাদিস একত্রিত হয়েছে। তাই সব হাদিস বাছাই করে বানানো ল্যাটেস্ট আলবানী সাহেবের নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে ওই সব এলাকায় আংশিক হাদিস থেকে বানানো আংশিক নামাজের নিয়ম পালন করে যদি সালাফ তথা তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈনরা শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হয় তাহলে ওই আংশিক নিয়ম পালন করলে আমরা কেন ধরা খাব কিংবা সাওয়াব কম পাবো ?

প্রশ্ন ১২: সুন্নাহর বিস্তার এর একমাত্র মাধ্যম কি হাদিস ? এছাড়া কোন মাধ্যম নেই ? ওযুর কথাই ধরুন না। যখন সাহাবীরা তাদের সন্তান বা তাবেঈদের ওযু শিক্ষা দিতেন তখন কি শুধু হাদিস বর্ণনা করতেন ?
নাকি হাতে কলমে নবীজির (সঃ) এর কাছ থেকে শেখা ওযুর মতো করে ওযু করে অন্যদের শিক্ষা দিতেন ?

তাহলে তাবেঈ বা তাবেঈ-তাবেঈনদের সংস্পর্শে এসে প্র্যাকটিকাল নামাজ শিক্ষার পদ্ধতি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কিংবা ইমাম মালিকের (রহঃ) বেশি জানার কথা নাকি নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের।
আলবানীর কাছে তো শুধু হাদিস আছে , কিন্তু ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মালিকের কাছে হাদিসের সাথে সাথে প্র্যাকটিকাল শিক্ষাও তো ছিল। কার নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ?

প্রশ্ন ১৩ঃ- ইমাম চতুষ্টয়ের বানানো নামাজের নিয়ম প্রায় ১৩০০ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ ফলো করে আসছে। উম্মাহর ইতিহাসের বাঘা বাঘা আলিম এগুলি মেনে নামাজ পড়েছেন । এমন সময় যখন ইসলাম দুনিয়াতে বিজয়ী ছিল, যখন মুসলিমদের ঈমান আমল ও ইখলাস বর্তমান মুসলিমদের চেয়ে বেশি ছিল। আর নাসিরুদ্দিন আলবানীর তৈরী নামাজের নিয়ম অপেক্ষাকৃত অনেক কম মানুষ অনেক কম দিনের জন্য ফলো করছে, যখন মুসলিমদের ঈমান, আমল ও আখলাক সব চেয়ে নিচে। প্রথমোক্ত গ্রূপের বহু মুসলিমদের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি নাকি দ্বিতীয় গ্রূপের কম মুসলিমদের ?

প্রশ্ন ১৪: কুরআনে বলা আছে শুধু মাত্র বাপ্ দাদারা করতো বলে কোন কিছু করা উচিত না। কিন্তু তা কি মুশরিক বাপ্ দাদাদের ব্যাপারে বলা হয়নি ? বাপ্ দাদা যদি মুসলিম হয় তাহলে তো তাদের মান্য করতে কোনো দোষ আছে ?

যেমন নবী ইয়াকুব (আঃ) মৃত্যুর সময় তার পুত্রদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন তারা তার পরে কার ইবাদত করবে । তার ছেলেরা উত্তর দিয়েছিলেন তাদের বাপ্ দাদাদের উপাস্যের। বাপ্ দাদা সঠিক রাস্তায় থাকলে সেই রাস্তা দিয়ে হাটা যাবেনা এমন কথা কি বলা আছে ? নূহ (আঃ) এর ছেলে যদি এই যুক্তি দিত যে বাপ্ দাদা মেনে আসছে বলে আমরা মানবোনা এটা কি সঠিক হতো ?
এসব প্রশ্নের উত্তর আমাকে সালাফী হতে দিলোনা।

আমি হানাফীই থাকলাম। এবং মন ভরে দুআ করলাম সেই সব আলিমদের যারা আমাদের জন্য নিজেদের সারা জীবন বিলিয়ে দিয়ে সহজ ফিকহের কিতাব লিখে গিয়েছেন, যা মাত্র ১০০/২০০ টাকা দিয়ে কিনে কিংবা আলিমের সোহবতে শিখে আমল করে আমরা অমূল্য অফুরন্ত অনিঃশেষ জান্নাতের জন্য কাজ করতে পারি।

বিঃ দ্রঃ ইমাম আজম আবু হানীফা রহ. একজন তাবেয়ী ছিলেন।

লিখেছেনঃ মোঃ নাহিদুল ইসলাম

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Dhaka