আজ রাতে যারা সেহরি খাবেন
আরাফার রোজা
যশোর ও আশেপাশে সাহারির শেষ সময়-
৩ টা ৪৭ / ৪৮ মিনিট
ইসলামিক বই
Read More FREE Islamic Bangla E-book library PDF version & audio
25/05/2026
এই মহিলা মূলত শাহবাগী র' ইন্ডিয়ার দালাল! এই জন্য তার ইসলাম নিয়ে এতো চুলকানি
09/05/2026
হে আল্লাহ ভারতীয় মুসলিমকে রক্ষা করুন
13/04/2026
ইবলিশ শয়তানের অনুশারী কাফের ইসকনের দালাল ভন্ড শামীম কুরআনকে অবমাননা করাই নিজেকে খোদা, নবী দাবি করাই আল্লাহকে নবীকে সাহাবিদের মূর্খ বলাই তাওহিদি জনতা ক্ষোভে ফুশে উঠে ভন্ড শামীম এর আস্তানায় আক্রমণ করে এবং আস্তানা জালিয়ে দেওয়া হয় ভন্ড শামীম গনপিটুনি খেয়ে দৌলতপুর হাসপাতালে মৃত্যুবরন করে
এখন কথা হইতাসে ভন্ড শামীম তার মুসলমান অনুশারী মারা গেলে জানাজা বিহীন ঢাকঢোল পিটাইয়া হরে শামিম কৃষ্ণ শামিম বইলা কবর দিত এখন শামিমের কবর কিভাবে দেওয়া হবে
সকল আলেম ওলামাদের উচিৎ পশু পাখি মারা গেলে যেমন মাটিতে পুতে রাখা হয় শামিমের লাশকেও জানাজা গোসল দোয়া বিহিন কবর দিতে হইবে
শফি মন্ডল বাউল সাহাবুল বাউল জাহাঙ্গীর সহ সকল ভন্ডরা যেন শামিমের করুন পরিনতির শিক্ষা নেই এবং সতর্ক হয়
আল্লাহ নবী রাসূল সাহাবি তাবেইন কুরআন হাদিসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া থেকে বিরত থাকে ভুলেও ভবিষ্যতে কটুক্তি না করে সকল ভন্ডদের জন্য সতর্ক বার্তা
07/03/2026
একটি বিষয় লক্ষ্য করেছেন কি?
চীনের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম কে জুতাপেটা করলো
06/03/2026
01/03/2026
▌যারা হাদীস অধ্যায়ন শুরু করতে চান তাদের
জন্য কিছু পরামর্শ...
০১. প্রথমেই বড় কিতাব যেমন সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম বা মিশকাত বা সুনানের অন্যান্য কিতাব (সুনান আবু দাঊদ, নাসাঈ ইত্যাদি) দিয়ে শুরু করবেন না।
০২. প্রথমে শুরু করবেন ছোট কিতাব দিয়ে। যেমন, ইমাম নবভীর চল্লিশ হাদীস (এর বাংলা, ইংলিশ অনুবাদ ও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়)।
০৩. চল্লিশ হাদীস পড়া হলে যদি হুকুম-আহকাম বিষয়ে আগ্রহ বেশি থাকে তাহলে হাফিয ইবনু হাজার আসকলানী রচিত "বুলুগুল মারাম" পড়া শুরু করতে পারেন। এটিরও আরবী, বাংলা, ইংলিশ ভার্শন বাজারে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যাও রচিত হয়েছে একাধিক।
০৪. আর যদি চল্লিশ হাদীস পড়ার পর হুকুম-আহকাম-এর দিকে না গিয়ে আদব-আখলাক-এর দিকে আগ্রহ বোধ করেন তাহলে ইমাম নবভীর "রিয়াদসু সালিহীন" পড়া শুরু করতে পারেন। এটিরও আরবী, বাংলা, ইংলিশ ভার্শন বাজারে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যাও রচিত হয়েছে একাধিক।
০৫. চল্লিশ হাদীসের পরে বুলুগুল মারাম ও রিয়াদুস সালিহীন; দুটিই পড়তে হবে। কোনটি আগে পড়বেন সেটি আপনার ইচ্ছা।
০৬. এই তিনটি কিতাব পড়ার পর যে হাদীসগুলো বুখারী ও মুসলিমে কমন হাদীস অর্থাৎ মুত্তাফাকুল আলাইহ হাদীসগুলো পড়ে ফেলতে পারেন। গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে এই হাদীসগুলো সর্বোচ্চ মানের।
০৭. এই চারটি পড়ার পর মিশকাতের তাহকীক করা অনুবাদ পড়া শুরু করতে পারেন। হাদীস একাডেমী তাহকীক ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ অনুবাদ করেছে বলে জানি।
০৮. এর পরে বা আগে ইমাম বুখারীর লেখা "আল-আদাবুল মুফরাদ" পড়তে পারেন। এটিও বাংলায় অনুবাদ হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ইসলামিক সেন্টার সহ অনেকেই বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেছে।
০৯. এর পরে সহীহ বুখারী তারপর সহীহ মুসলিম তারপর সুনান আবু দাঊদ, সুনান নাসাঈ, জামি তিরমিযী, সুনান ইবনু মাজাহ ইত্যাদি ধারবাহিকভাবে পড়তে পারেন।
১০. এগুলো পড়া হয়ে গেলে কী পড়তে হবে তা এগুলো পড়ার পথে পথেই জানতে পারবেন। ইনশা-আল্লাহ।
১১. বুখারী ও মুসলিম ছাড়া বাকীগুলো অবশ্যই তাহকীক (সহীহ-যঈফ-জাল নির্ণিত) অনুবাদ পড়তে হবে।
১২. আর সুযোগ থাকলে কোনো একজন যোগ্য উস্তাযের কাছে হাদীস পড়ুন, উসূলে হাদীস বুঝে হাদীস পড়ার চেষ্টা করুন। আর সব সময় আল্লাহর কাছে হাদীস বোঝার তাওফীক কামনা করুন।
১৩. তবে একখানা কথা সবার শেষে বললেও সবার আগেই মনে রাখবেন, তা হলো, যে কোনো হাদীস বুঝতে সমস্যা হলে যোগ্য আলিমের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে বুঝে নিবেন। নিজের বুঝকে অগ্রাধিকার না দিয়ে সালাফদের বুঝকে অগ্রাধিকার দিবেন এবং আমলযোগ্য হাদীস অনুযায়ী আমল করার নিয়াত নিয়ে হাদীস পড়ুন এবং আমল করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ তাওফীকদাতা।
© শাহাদাৎ খান ফয়সাল রাহিমাহুল্লাহ
10/02/2026
আর মাত্র ২ দিন, কে হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী?
মুমিনদের জন্যে এটা একটা লোভনীয় হাদিস!
আল্লাহকে খুশি করার জন্যে নিজের চরিত্রকে শুধরানো অনেক জরুরি। এটা চিন্তা করেই কত ভালো লাগে যে, আমি যদি কোনোভাবে আমার চরিত্রটাকে সুন্দর করতে পারি, কিয়ামতের দিন আমার পাল্লা সবচেয়ে ভারী হবে! (আল্লাহ কবুল করুক! আমিন।) কিয়ামতের দিন দাঁড়িপাল্লায় সবচেয়ে ভারী হবে সুন্দর চরিত্র!" (তিরমিজী)।
চরিত্রকে কিভাবে সুন্দর করা যায় - এটার হয়তো বাঁধা-ধরা কোনো সিলেবাস নেই. রাসূল (সা:) কে নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে তাঁর চরিত্রের এমন কিছু দিক আমার সামনে এলো - যেটা নিয়ে সচরাচর আলোচনা শুনিনা।
যেমন, রসূল (সা:) কখনো উচ্চ স্বরে কথা বলতেন না, খুব অল্প শব্দে গভীর জ্ঞানপূর্ণ কথা বলতেন। তিনি সবসময় হাসি খুশি থাকতেন। কখনো বদমেজাজী হয়ে থাকতেন না! ছোট বাচ্চাদের কোলে নিয়ে নামাজ পড়তেন। তাঁর চরিত্রই হচ্ছে কুরআন।
আল্লাহর জন্যে নিজের ভিতরটাকে সুন্দর করার কিছু চর্চা এমন হতে পারে --
🔘 ১. সবসময় সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. উপযুক্ত প্রমান ছাড়া কাউকে খারাপ ভেবে না বসা. সাহাবীদের সময় একবার এক সাহাবী যখন দেখলেন আরেকজন সাহাবীর দাড়ি থেকে মদের ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে, সে তাকে প্রথমেই দোষ না দিয়ে ভাবলেন, হয়তো তার সাথে কারো ঝগড়া হয়েছে, এর ফলে রাগ করে কেউ তার দিকে মদের গ্লাস ছুড়ে মেরেছে। সেখান থেকেই ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে।
🔘 ২. নিয়তেই বরকত! প্রতিনিয়ত নিজের নিয়তকে চেক করা. আমি এই কাজটা কেন করছি? কাকে খুশি করার জন্যে করছি? কেউ যদি সত্যি কোনো কাজ আন্তরিক ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে করে - তাহলে সেই কাজে খুব উঁচু মানের কোয়ালিটি থাকবে! একটা সিম্পল নিয়ত করলে যে কোনো কাজ বরকতপূর্ণ হয়ে যায়।
যেমন কেউ যদি ঘুমানোর আগে এই নিয়ত করে ঘুমায় যে, "হে আল্লাহ! আমি এই ঘুমের মাধ্যমে যে কর্মশক্তি আর তেজ পাবো, সেটা দিয়ে যেন ঘুম থেকে উঠে যেন আরো ভালোভাবে তোমার ইবাদাত করতে পারি।" তাহলে পুরা ঘুমটাই তার জন্যে ইবাদাত হবে এবং সে যতটা সময় ঘুমাযে তার জন্যে নেকী পেতে থাকবে! সুবহানাল্লাহ ঘুমানোর জন্যেও পুরস্কার!
🔘 ৩. অপ্রয়োজনীয় কথা-আলাপে মশগুল না হওয়া। কেউ কথা বলার সময় তাকে কথার মাঝে cut-off না করা (বিঘ্ন না ঘটানো)! শেইখ বলেন, "কেউ কথা বলতে থাকলে কখনো তাকে মাঝখানে কাট করে দিয়ে নিজের কথা বলা শুরু করে দিও না. কারণ, যে কথা বলছে সে যদি জ্ঞানী হয়, তাকে শুনতে থাকো, তোমার জ্ঞান বাড়বে!
আর যে কথা বলছে, সে যদি মূর্খ হয় তাকে শুনতে থাকো - তোমার ধৈর্য্য বাড়বে! নিশ্চয়ই তোমার ধৈর্য্য অর্জন করা জ্ঞান অর্জন করার থেকে বেশি জরুরি!"
🔘 ৪. নিজের সমালোচনা শুনলে ক্ষুব্ধ না হওয়া! আসলেই চিন্তা করে দেখা - আমার মাঝে কি আসলেই এই ভুল আছে? ইমাম শাফি'ই (রা:) একবার ভরা সমাবেশে ক্লাস করাচ্ছিলেন। তখন এক লোক হুড়মুড় করে তার ক্লাসে ঢুকে গেলেন।
তার দিকে আঙ্গুল তুলে বললেন, "তুমি কি ইমাম শাফি'ই?". ইমাম বললেন, "জ্বী, আমি শাফি'." তখন লোকটি সবার সামনে চেঁচিয়ে ইমামকে বললেন, "তুমি একটা ফাসিক, কাফির এবং জঘন্য প্রকৃতির লোক!"
ইমাম চুপ করে শুনলেন। শুধু সমালোচনা না, তাকে সবার সামনে খুব খারাপ ভাবে অপমান করা হয়েছে! তিনি অফেন্ডেড তো হলেনই না, বরং এর উত্তরে তৎক্ষনাৎ দুই হাত তুলে সবার সামনে দুআ করলেন,
"হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি সত্য বলে থাকেন, তাহলে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার উপর দয়া করো এবং আমার তাওবা কবুল করে নাও! আর যদি এই ব্যক্তি যা বললেন, সেটা যদি সত্য না হয়, তাহলে তার এ আচরণের জন্যে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর দয়া করো এবং তার তাওবা কবুল করে নাও!"
🔘 ৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে অন্তর পরিষ্কার করে ঘুমানো
🔘 ৬. কোনো ব্যাপারে অন্তরে অহংকার ঢুকে যাচ্ছে কি না চেক করা. যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ-ও পাবে না (সহীহ হাদিস)
🔘 ৭. যদি কারো উপর হিংসা হতে থাকে, সেই ব্যক্তির নাম ধরে তার সাফল্যের জন্যে বেশি বেশি দুয়া করা. এটাকে অনেক স্কলার হিংসার সর্বোত্তম চিকিৎসা বলেছেন। একটা উদাহরণ দেই, ধরেন ক্লাসে আব্দুল্লাহ অনেক ভালো রেজাল্ট করলো, এতে উমরের হিংসা হচ্ছে। উমর কন্ট্রোল করতে পারছে না।
তার মনে এটা নিয়ে কষ্ট লেগেই আছে যে, তার বন্ধু তার থেকে এতো ভালো অবস্থানে আছে, অথচ সেও তো অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছে, তার কেন উন্নতি হচ্ছে না? উমর সেই দিন থেকে বেশি বেশি আব্দুল্লাহর জন্যে দুয়া করতে থাকলো, আল্লাহ যেন আব্দুল্লাহকে আরো বেশি সাফল্য দেন, রহমত এবং বরকত দেন!
আলহামদুলিল্লাহ দুয়া করতে করতে কয় মাসের মধ্যেই উমরের অন্তর থেকে হিংসা দূর হয়ে গেলো। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উমর এবং আব্দুল্লাহ দুইজনকেই সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে অনেক ভালো অবস্থানে যাবার তাওফিক দিলেন।
🔘 ৮. নিজের ভুল/গুনাহ -র একটা লিস্ট বানানো। নিজের ভুল নিয়ে বেশি ব্যতিব্যস্ত থাকা, যেন অন্যের ভুল নিয়ে গল্প/গীবত করার কোনো সুযোগ না থাকে।
🔘 ৯. এমন কোনো কথা কারো পিছনে কখনো না বলা, যেটা সে যদি সামনে থাকতো, তাহলে তার সামনে কখনোই বলা যেত না. এটাই গীবতের ক্লাসিক সংজ্ঞা! গীবত মৃত ভাইয়ের মাংস খাবার মতন জঘন্য গুনাহ (কুরআন: সুরাহ হুজুরাত)
🔘 ১০. বড় - ছোট সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. যারা আমাদের থেকে বয়সে বড়, তারা আমাদের থেকে বেশি বছর ধরে বেঁচে আছেন, কাজেই তারা আমার থেকে বেশি নেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। আবার যারা আমাদের থেকে বয়সে ছোট, তারা আমাদের থেকে কম গুনাহ করার সুযোগ পেয়েছে। কাজেই বড় হোক, ছোট হোক - সবাই আমার থেকে ভালো। কারো সাথে তুলনা করে যেন আমার নিজের মধ্যে অহংকার না আসে।
আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদের ভিতর-বাহির সব সুন্দর রাখুক।আমাদেরকে উত্তম চরিত্রের হবার তাওফিক দিন। আমিন!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Dhaka
1213
