02/04/2026
BREAKING: Iran’s Islamic Revolutionary Guard Corps is now threatening to target 18 major U.S. companies in the region—including Apple, Microsoft, Google, Tesla, Nvidia, and Boeing—if the U.S. continues what it calls “targeted assassinations” of Iranian leaders, with the warning set to take effect April 1.
The list spans some of the most critical pillars of the U.S. economy: Big Tech, defense contractors, and even financial institutions like J.P. Morgan. This marks another major escalation, shifting from direct military confrontation to potential economic and cyber warfare targeting American corporations and infrastructure.
This is a signal that the conflict is expanding beyond the battlefield and into global markets, supply chains, and everyday technology Americans rely on.
The full list of 18 US technology companies that Iran is threatening to target is below:
1. Cisco
2. HP
3. Intel
4. Oracle
5. Microsoft
6. Apple
7. Google
8. Meta
9. IBM
10. Dell
11. Palantir
12. Nvidia
13. J.P. Morgan
14. Tesla
15. General Electric
16. Spire Solutions
17. G42
18. Boeing
28/03/2026
The country’s largest supermarket chain Shwapno has confirmed that hackers breached its customer database in December last year, demanding $1.5 million in ransom. The exposed data includes names, phone numbers and purchase histories of over 40 lakh registered customers. The ACI Limited subsidiary is working with domestic and international forensic experts and the CTTC unit to investigate the breach and strengthen its cyber defences.
Source: The Daily Star
02/03/2026
The AI bot, still active on GitHub, is hacking one repo after another, curating its own brag page, and claiming to have scanned over 47,000 repositories.
02/03/2026
The US military used Anthropic’s AI tools during strikes on Iran within hours of Trump banning federal agencies from using the company’s systems, according to the Wall Street Journal (WSJ).
08/01/2026
কেন এবারের 'হ্যাঁ ভোট' আপনার জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই? এই "হ্যাঁ ভোট" জয়ী হলে আমাদের সাধারণ মানুষের লাভ কী?
চলুন একটু ঠান্ডা মাথায় System-টা বুঝে নিই:
🟣 মৌলিক অধিকার রক্ষা (Internet Shutdown বন্ধ): হা'সিনা সরকার ২০ দিন ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে নির্বিচারে মানুষ খু'ন করেছে, লা'শ পুড়িয়েছে, গু'ম করেছে। গু'লি করে পাখির মতো মানুষ মা'রলেও বিশ্বকে তা দেখতে দেয়নি। "হ্যাঁ ভোট" জয়ী হলে কোনো সরকার আর কখনো নেট বন্ধ করে মানুষ মা'রার সাহস পাবে না। আপনার Information পাওয়ার অধিকার হবে নিরাপদ।
🟣 প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদের সীমা (Term Limit): কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। অর্থাৎ দ্বিতীয় কোনো 'হা'সিনা' হওয়ার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যেটা আমেরিকাতেও প্রচলিত। টানা ক্ষমতায় থাকলে মানুষ স্বৈ'রাচার হয়ে ওঠে, এই নিয়ম সেটা রুখে দেবে।
🟣 স্বাধীন বিচারব্যবস্থা (Independent Judiciary): বিচারব্যবস্থা আর দ'লীয় সরকারের কাছে জি'ম্মি থাকবে না। সরকার যা বলবে বিচারপতিরা শুধু তাই করবে—এই দিন শেষ হবে। বিচার হবে স্বাধীন, বিচারপতিদের ক্ষমতা থাকবে, সরকারের হু'মকি-ধামকি আর কাজ হবে না।
🟣 ত'ত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার: নির্বাচনের আগে হাসিনাদের মতো ক্ষমতায় থেকে ভোট চু'রি করা বন্ধ হয়ে যাবে। ত'ত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং পিএসসি (PSC) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে। এর ফলে দ'লীয় দা'লালদের BCS ক্যাডার বানানো বা চাকরিতে স্বজনপ্রীতি বন্ধ হবে। মেধাবীরা তাদের যোগ্য সম্মান পাবে।
🟣 সংবিধানের সুরক্ষা: গত ৫৪ বছরে রাজনৈতিক বাট'পাররা নিজেদের সুবিধামতো সংবিধান বারবার সংশোধন করেছে জনগণকে শো'ষণ করার জন্য। "হ্যাঁ ভোট" জিতলে সরকারি দল চাইলেই আর সংবিধান পরিবর্তন করে নিজেদের আজীবন ক্ষমতায় রাখার পথ বের করতে পারবে না।
🟣রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য: আমাদের দেশে রাষ্ট্রপতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হাতের পু'তুল। হা'সিনা আব্দুল হামিদকে যা বলতেন, তিনি তাই করতেন। "হ্যাঁ ভোট" জয়ী হলে রাষ্ট্রপতিরও ক্ষমতা থাকবে, তিনি আর প্রধানমন্ত্রীর কাছে জি'ম্মি থাকবেন না।
🟣 গণভোটের বিধান: সংবিধানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আপনার এবং আমার মতামত (Referendum) নিতে হবে। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের মনগড়ামতো দেশের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।
🟣 সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন। এবার আর সংসদে গিয়ে সবাই 'আপা আপা' বলে চিৎকার করতে পারবে না, কারণ কাউন্টার দেওয়ার মতো শক্তিশালী লোক থাকবে।
🟣 উচ্চকক্ষ গঠন: ক্ষমতার ভারসাম্য ঠিক রাখতে পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ (Upper House) গঠিত হবে।
🟣 দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সাজা: ফাঁ'সির আসা'মি বা চিহ্নিত অপ'রাধীরা আর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে মাফ পাবে না। অপ'রাধীদের মুক্তি দেওয়ার পুরোনো নাটক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
🟣 নারীর প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব: সংসদে নারীদের সুযোগ ও প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে, যাতে তারা দেশের নীতিনির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারেন।
আপনি যদি সত্যিই দেশকে ভালোবাসেন, তবে এই পরিবর্তনগুলো আনা এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
"না ভোট" দেওয়া মানে আপনার সকল ক্ষমতা আবারও নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া। আপনি হবেন গোলাম, আর নেতারা হবে আপনার মালিক।
সোজাকথা, কোনো 'যদি' 'কিন্তু' ছাড়া "হ্যাঁ ভোট" জয়ী করতেই হবে!
আর যদি না ভোট দেন, তবে আবারও নব্য স্বৈ'রাচারের জন্য অপেক্ষা করেন।
জুলাইয়ের আন্দো'লনে যারা রক্ত দিয়েছেন,
তাদের রক্তের সাথে বেইমানি করবেন না।
07/01/2026
Mass murder doesn’t make you strong. It proves you couldn’t rule without blood
04/01/2026
Thousands of people in Israel are receiving threatening text messages with their personal identification numbers, causing panic in the country. The Times of Israel reported on Sunday (January 4) that this is believed to be the latest attempt at “psychological warfare” by Iranian agents.
The messages, sent in English, say, “This is your last chance to protect yourself and your family. Our embassies are open to you. We know you.” Some recipients are also sent a link that shows their personal information, including their national identification numbers.
Israel’s National Cyber Directorate described the incident as an attempt to create psychological pressure through intimidation. In a statement quoted by Hebrew media, the agency said that the main purpose of such messages is to create panic and mental instability among the public.
Earlier, an Iran-linked hacking group claimed to have hacked the mobile phone of former Israeli Minister Ayelet Shaked. The group published about 60 photos and videos stolen from her device. The hacking group, called ‘Handala’, also claimed last month that it had hacked the phones of Prime Minister Benjamin Netanyahu’s chief of staff, Zachi Braverman, and former Prime Minister Naftali Bennett.
The report said that Iran has long been trying to recruit Israelis as spies through various tactics. Sometimes through the lure of money, sometimes through cyber attacks, and psychological pressure. Those involved believe that the recent text message incident is part of that trend.
29/12/2025
Tarique Rahman should sack his Chief Security Officer as soon as possible. His Chief Security Officer's wife had Indian Intelligence connections.
28/12/2025
ইনকিলাব সেন্টারে নিয়মিত গোয়েন্দা এজেন্ট পাঠাতো DGFI
তাদের এজেন্ট পাঠানো টা শুরু হয় ইনকিলাব মঞ্চ শুরুর হবার অনেকদিন পর থেকে।
হাদী ভাইয়ের বিভিন্ন ভিডিও, টক শো, ইন্টারভিউগুলো যখন লাইমলাইটে আসতে শুরু করে, যখন আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন দলের, সেনাপ্রধানের এবং ভারতের সমালোচনা শুরু করে তখন থেকে পর্যবেক্ষণে নামে DGFI.
প্রথমদিকে হাদী ভাইকে এবং ইনকিলাব মঞ্চকে তেমন একটা আমলে নেয়নি তারা। কিন্তু যখন লাইমলাইটে আসে তখন তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে পুরো বিষয়ে একটা রিপোর্ট জানাতে বলা হয়েছিল।
তাই তারা সরাসরি লোক পাঠিয়ে বুঝার চেষ্টা করছিল ওসমান হাদী আসলেই ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্যে থ্রে ট কিনা।
এজন্যে ইনকিলাব সেন্টারে সিভিল বেশে গোয়েন্দা এজেন্ট পাঠানো হতো। সেটা তারা পাঠাতো হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে।
ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এমনিতেই নিয়মিত DGFI এর কয়েকজন এজেন্টরা অবস্থান করে। বড় বড় রাজনীতিবিদদের মিটিং গুলোও হতো এই হোটেলে।
কারণ এখানে সবচেয়ে বেশি প্রাইভেসি পাওয়া যেত, নিউজ লিক হবার সম্ভাবনা কম ছিল।
অন্য জায়গা থেকে এজেন্ট না পাঠিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকেই এজেন্টদের পাঠানোর সবচেয়ে বড় কারণ ছিল- এখান থেকে ইনকিলাব সেন্টারে যেতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট।
যেহেতু তারা একটা দীর্ঘ সময় যাবত পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছিল সেজন্যেই এই হোটেলে অবস্থান নেয়া এজেন্টদের পাঠাতো।
যুদ্ধের আগে সৈন্যরা যেমন শত্রুর পরিস্থিতি রেকি করে ঠিক তেমনি DGFI তাদের লোক পাঠিয়ে হাদী ভাইয়ের মোটিভ এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতিটা বুঝার চেষ্টা করছিল।
সে তাদের পুরো গ্রুপটার জন্যে থ্রে ট কি না সেটাও বুঝার ট্রাই করছিল।
সেজন্যে DGFI এর পাঠানো লোক ইনকিলাব সেন্টারে কি কি বই আছে, কারা এখানে আসে, এখানে কি কি কার্যক্রম হয়, কি শেখানো হয় সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিল।
এমনকি বইগুলোও ঘেঁটে ঘেঁটে দেখতো কোন টাইপের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সেখানকার বেশিরভাগ বই ই ছিল অবশ্য ভারতীয় আধিপত্যবাদ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিপ্লব সংক্রান্ত বই।
ওরা যখন পর্যবেক্ষণ করছিল তখন হাদী ভাইয়ের খু নী ফয়সাল অ স্ত্র মামলায় জেলে ছিল।
কোনদিন কি কি পর্যবেক্ষণ করেছে সেসব ওরা আবার ভারতীয় বিভিন্ন রাজনীতিবিদদের কাছে পাঠাতো। রাজনীতিবিদ হয়ে কিছু ভারতীয় সাংবাদিকও সেসব নিউজ পেত।
ভারতীয় পত্রিকা The Hindu হাদী ভাইয়ের ইনকিলাব সেন্টারে কোনদিন কি কি হয়েছে সেগুলো নিয়েও নিউজ করেছিল। ভিতরকার এত ডিটেইলস ভারতে বসে সাংবাদিকের জানার কথা না।
মূলত নিউজ বাইপাস হয়েছে। পরে হাদী ভাইয়ের হ ত্যা র পর The Hindu পত্রিকাটা ওই আর্টিকেলগুলো ডিলিট করে দিয়েছে (কমেন্টে সেগুলোর স্ক্রিনশট দিয়েছি)।
আমাদের সোর্সদের মতে DGFI তাদের এজেন্ট পাঠিয়ে আনুমানিক ২০-২৫ দিনের মতো ইনকিলাব সেন্টারে রেকি করিয়েছিল।
তারপর তারা ফাইনাল রিপোর্ট এবং ফাইনাল সিগনাল দেয় যে ওসমান হাদী এবং ইনকিলাব মঞ্চ ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে থ্রে ট হিসাবে গণ্য হতে পারে। তাকে সরিয়ে দেয়াটাই বেটার।
DGFI এর এজেন্টরা এই সংবাদটা পাঠায় যারা তাদেরকে এ কাজে নিযুক্ত করেছিল তাদের কাছে।
এর মাসখানেক পরই শ্যু টার ফয়সালকে অবৈধভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং বিপুল টাকা খরচ করে জামিন নিয়ে দেয়া হয়। দুই দুইবার জামিন নিয়ে দেয়া হয়েছিল তাকে।
তাকে মূলত এই কি লিং মিশনের উদ্দেশ্যেই বের করা হয়েছিল এবং বর্ডার ক্রস করিয়ে দেয়ার আশ্বাসও দেয়া হয়েছিল।
তারপরই শ্যুটার ফয়সাল তার চুল ছোট করে, চোখে কন্টাক্ট লেন্স লাগিয়ে পুরো লুক পাল্টিয়ে হাদী ভাইয়ের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করতে থাকে।
তাকেও শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল কিভাবে কিভাবে মিশতে হবে। শ্যু টা র ফয়সাল সেই অনুযায়ীই হাদী ভাইয়ের সাথে মিশে এবং নির্বাচনী প্রচারণাও চালায়।
এভাবেই ১০-১৫ দিন একসাথে থেকে বিশ্বস্ততা অর্জন করার পর হাদী ভাইকে খু ন করার মিশনটা সাকসেসফুল করে সে।
তার পালিয়ে যাওয়ার সব সেট আপও আগে থেকেই রেডি করা ছিল বেশ কয়েকটা গ্রুপের মাধ্যমে।
মূলত হাদী ভাইকে খু ন করার আগে গোয়েন্দাদের দুইটা ইউনিটের এজেন্ট পাঠিয়ে বুঝার চেষ্টা করা হয়েছিল ওসমান হাদী ভবিষ্যত রাজনীতির জন্যে এবং তাদের উর্ধ্বতন নেতাদের জন্যে হু ম কিস্বরূপ কি না।
পর্যবেক্ষণ করে বুঝার পরপরই বাকি কাজগুলো ধাপে ধাপে করা হয়েছিল।
এমনকি বিচার না করা এবং বিচারের ব্যাপারে মুখ না খোলার পিছনেও ব্যাকআপের জন্যে লাস্ট স্টেপের আরেকটা গ্রুপ কাজ করছে যাদের কাজই ছিল মে রে ফেললে আইন,আদালত এবং টাকা-পয়সার ব্যাকআপটা দেয়া।
আমাদের সমস্ত অনুসন্ধান, ইনফরমেশন এবং সবকিছু ক্রসচেক করার পর মনে হচ্ছে-
ঠিক এভাবেই হাদী ভাইকে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ রাজনীতি থেকে এবং পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে!
- Ibrahim Khalil Shawon
23/12/2025
"হাদি ভাই হ*ত্যার বিচার চাই"