24/04/2020
আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত আল-আমিন সেবা সংস্থা মোহনগঞ্জের পক্ষ থেকে মাহে রমজানের বিশেষ হাদিয়া।
করোনায় প্রেস বন্ধ থাকায় অফলাইনে হাতে হাতে পোঁছাতে পারিনি বলে সংস্থা পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। কমপক্ষে অনলাইন থেকে আমাদের সেবাটুকু গ্রহণ করুন। জাযাকাল্লাহ।
26/12/2019
বিরুধীতা নয়, সচেতনতা ও সমাচার চাই,
ইসলামী সম্মেলন করা ভাল কাজ, তা নিঃসন্দেহে, তবে সেক্ষেত্রে মাইক ব্যবহারের মাসআলটা কম পক্ষে ইসলামী সম্মেলনে সচেতনতার সাথে বাস্তবায়ন করা চাই। এজন্যে বড় বড় অনেক সভায় দেখেছি শুধু প্যান্ডেলের ভিতর মাইক ব্যবহার করতে এমনকি অনেক মুফতী সাহেবের কাছ থেকে শুনেছি প্যান্ডেলের বাহিরে হরণ ব্যবহার করা হারাম। কেননা তা অনেকের কষ্টের কারন হয়।
তো আমি বাহিরে হরণ ব্যবহার করতে পারবেন না সে কথা বলতে চাচ্ছি না। সেটা মুফতী সাহেবরা ফতোয়া দিবেন। কমপক্ষে বাহিরে হরণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাহফিল পরিচালকের সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন নয় কি? বিশেষত মাহফিল পরিচালনা যে করছে তার জন্য জানা কি উচিৎ নয়?
আশাপাশে কোন মসজিদ আছে কি না!!?মসজিদে আযান কয়টায়? নামাজ কয়টায়? অত্যান্ত দুঃখের বিষয় হলো একটা ইসলামী মহা সম্মেলন,পার্শ্বেই মসজিদ,মসজিদে আযান হচ্ছে নামাজ চলছে অপরদিকে মাহফিলে উচ্ছ আওয়াজে মাইক চলছে, এদিকে লোকেরা একের পর এক সমালোচনা করছে।কেননা একাধিক বার মাহফিল কতৃপক্ষকে জানানোর পরও মাহফিলের নামাজে হয় প্রথম রাকাতের কাওমা, আর মসজিদের জামাতে চলে দ্বিতীয় রাকাতের জলসা। মধ্যখানে মাইকের ব্যাবহারে দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকের সময় মসজিদের মুসল্লি সেই তাকবির শুনে দাঁড়িয়ে গেছে!!! আবার মাহফিল কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও ধারাবাহিক মাইক চলছে।
মানুষের এই সমালোচনার পথ কি আমরাই খুলে দিচ্ছি না!!!?কবে আমাদের হুস হবে? নাকি এটা আমাদের ইগু মুলক আচরণ? নিশ্চয় এ ধরনের গর্হিত কাজের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
07/02/2019
প্রত্যেকেই পোস্ট কপি করুন দয়া করে
-
এবার বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী ১৪, ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার। আর মাত্র ৬ দিন বাকি। স্বাভাবিক গতিতে চললে এত স্বল্প সময়ে কখনোই প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব নয়। তবে আলেম-ওলামা, ছাত্র, ইমাম ও খতিব সকলে একটু সক্রিয় হলেই ইনশাআল্লাহ ইজতেমা শতভাগ সফল হবে।
এক্ষেত্রে আমরা প্রথমতঃ আগামীকাল শুক্রবার কে কাজে লাগাতে পারি। শুক্রবার জুমার বয়ানে প্রত্যেক খতিব সাহেব ইজতেমায় যোগদান বিষয়ক আলোচনা করবেন এবং সম্ভব হলে জুমার নামাজের পর তাবলীগের সাথীদের সঙ্গে সাধারণ মুসল্লিদের যুক্ত করে মসজিদ বা মহল্লাভিত্তিক মেহনতের জন্য জামাত তৈরি করে দেবেন। এবং ইজতেমায় যেতে ইচ্ছুক সবাই যেন আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার যোহর নামাজের আগেই ইজতেমার ময়দানে পৌঁছে যান সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা ও উৎসাহমূলক বক্তব্য রাখবেন।
দ্বিতীয়তঃ যে সকল আলেম-ওলামা বা বক্তাগণ আগামী এক সপ্তাহ মাহফিলে বক্তৃতা করবেন, তারা যেন উপস্থিত শ্রোতাদের থেকে ১৪, ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারির বিশ্ব ইজতেমায় যাওয়ার ওয়াদা নিয়ে নেন। আগামী এক সপ্তাহে দেশে অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার মাহফিল ও ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তাতে আমরা যদি সাধারণ মানুষকে সঠিক ভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারি, আমার বিশ্বাস এই স্বল্প সময়েই ইজতেমা পরিপূর্ণ কামিয়াব হবে, ইনশাআল্লাহ!
আর এই আবেদন সবার কাছে পৌঁছে দিতে দয়াকরে প্রত্যেকেই এই পোস্ট টি কপি করুন!
06/02/2019
বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মুনাজাত
শনিবার।
ইজতেমার তারিখ ১৪-১৫-১৬ ফেব্রুয়ারী
বৃস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার
06/02/2019
ইজতেমার নামে তামাশা বন্ধ করুন
=============================
এটা কোন ধরনের তামাশা? তামাশার একটা সীমা আছে৷ হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে যেন দুজন লোক একজন দাসীর মালিকানা নিয়ে ঝগরা করছে৷ গ্রাম্য মোড়লরা মীমাংসা করার জন্য উভয়কে নিয়ে কদিন পরপর দরবার করছে৷ মোড়লরা একপক্ষকে কথামালার ফুলঝুড়ি শুনিয়ে শুনিয়ে আশ্বস্ত করছে৷ অপর পক্ষের অন্যায় দাবীরও একধরনের বৈধতা দিয়ে চলছে৷
১লা ডিসেম্বর নিরস্ত্র, নীরিহ কুরআন-হাদীসের শিক্ষার্থী এবং তাবলীগের সাথীদের উপর অতর্কিত পৈশাচিক হামলা করেছে অন্যায় দাবীদাররা৷ এ অপরাধে কাউকে আইনের আওতায় না এনে জামাই আদরে তাদের সাথে মীমাংসা মিটিং করা কোন ধরনের তামাশা?
আপত্তিকর বয়ানদাতা এবং তাবলীগের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টিকারী, দাম্ভিক সাআদ সাহেবের বরাতের সার্টিফিকেটের জন্য দেওবন্দ যেতে বাধ্য করা এবং গোমর ফাক হয়ে যাওয়ার আশংকায় পরবর্তীতে দেওবন্দ না যাওয়ার পক্ষে অটল থাকা৷ এটা কোন ধরনের তামাশা?
ইজতিমাকে দুপক্ষের জন্য দুদিন করে ভাগ করে নেয়াই প্রমাণ করে ওরা কি চায়৷ মোড়লরাও ভাগ করে দিল৷ ভাগও হয়ে গেল৷
ইজতিমা ভাগ! কদিন পরে বলবে মসজিদে ভাগ! কাকরাইল মসজিদ তো বহু পুর্বেই ভাগ করে দেয়া হয়েছে৷ এই ভাগাভাগির তামাশা যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে সে দিন বেশী দূরে নয় যেদিন মসজিদের জামাতেও ভাগের দাবী করা হবে৷ এরা এক জামাত করবে, ওরা অপর জামাত করবে৷
দ্বীনের সহীহ মেহনতের নামে গোটা সমাজকে যারা সহীহ নিয়তে ভাগ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদের যদি এখনিই দমন না করা হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে এক ভয়াবহ অবস্থা তৈরী হবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই৷
এ যেন এক তামাশা!
দ্বীনের নামে এক তামাশা!
সহীহ নিয়তের সহীহ তামাশা!
বন্ধ করুন এসব তামাশা!
এসব তামাশা বন্ধ করুন!!
সুত্রঃ- বাহা উদ্দিন জাকারিয়া
28/01/2019
সা'দ পন্থিদের অপপ্রচার নিয়ে মুখ খুললেন মাওলানা যুবায়ের হাফিজাহুল্লাহ।
===========================
এক সাথে ইজতেমা করার অর্থ মাওলানা সাদ-এর ব্যাপারে অবস্থান পরিবর্তন করা নয়।
অভিন্ন ইজতেমায় সম্মত হলেও মাওলানা সাদ-এর ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি বলে জানিয়েছেন কাকরাইলের অন্যতম শুরা সদস্য ও ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ যোবায়ের। তিনি বলেছেন, তাবলিগ জামাতের চলমান সংকট নিরসনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে তারা এক সঙ্গে ইজতেমা করতে সম্মত হয়েছেন কিন্তু মাওলানা সাদ-এর বিষয়ে তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। কারণ, তার বিষয়টি ঈমান-আকিদার সাথে সংশ্লিষ্ট।
আজ ঢাকার তেজগাঁও-এর রহিম মেটাল মসজিদে আয়োজিত তাবলিগ জামাতের একটি বিশেষ সভায় তিনি এই কথা বলেন।
অভিন্ন ইজতেমা নিয়ে প্রতিপক্ষের বিভিন্ন অপপ্রচার ও বিভ্রান্তির কারণে সৃষ্ট সংশয় দূর করা ও আসন্ন ইজতেমার প্রস্তুতি সামনে রেখে এই সভার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন তাবলিগের সাথী মাওলানা ওয়াসিফুল আমিন।
তিনি ইসলাম টাইমসকে বলেন, মূলত মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলো নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চলছে –যা অনেক সাথীকে হতাশ করছে, ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত করছে- সেসব অপপ্রচারের বিপরীতে সত্য ঘটনা তুলে ধরতেই আজকের এই বিশেষ সভা আহবান করা হয়েছে। এছাড়াও আসন্ন ইজতেমার প্রস্তুতি বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
সভায় কাকরাইলের শুরা সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ যোবায়ের ও মাওলানা ওমর ফারুক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোসহ বিগত দিনের কারগুজারি তুলে ধরেন। সাথে সাথে তাদেরকে জড়িয়ে সাদপন্থী নেতা ওয়াসিফুল ইসলাম ও খান শাহাবুদ্দীন নাসিমের পরিবেশিত বিভিন্ন তথ্য ও দাবি নিয়েও কথা বলেন।
তারা বলেন, তারা (ওয়াসিফুল ইসলাম ও শাহাবুদ্দীন নাসিম) যে বলছেন, আমরা বলেছি আমাদের মনে কিছু নেই। অতীতের সব ভুলে গেছি এবং আমরা আবেগ আপ্লুত হয়ে কান্না করেছি –এর সবকিছু আমাদের ব্যক্তিগত আঘাত ও কষ্টের ব্যাপারে বলেছি। বিভিন্ন সময়ে আমাদের উপর যেসব আঘাত এসেছে তা আমরা দিল থেকে ভুলে গেছি। কিন্তু তার অর্থ মাওলানা সাদ-এর ব্যাপারে আমরা অবস্থান পরিবর্তন করেছি তা নয়। আর সেটারও কোনো সুযোগ নেই। কারণ, মাওলানা সাদ-এর বিষয় কুরআন-হাদিস ও ঈমান-আকিদার বিষয়।
তারা আরও বলেন, আমরা যতো দূর এগিয়েছি উলামায়ে কেরামের পরামর্শেই এগিয়েছি এবং সামনেও তাদের পরামর্শক্রমেই কাজ করবো।
সুত্রঃ ইসলাম টাইমস---
কারগুজারির বর্ণনার সাথে সাথে তারা আসন্ন ইজতেমা সফল করতে তাবলিগি সাথীদের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
২৮ জানুয়ারি, ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলাম টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম
21/12/2018
সা’দ কান্ধলভী ইহুদী-খৃষ্টানদের এজেন্ডা:
আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী সাহেব।
বিস্তারিত পড়ুন এবং লিখাটি শেয়ার করার আহবান।
=============================
দেশের প্রখ্যাত আলেম ওয়ায়েজ মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী বলেছেন, তাবলীগ জামাতের স্বঘোষিত আমীর মাওলানা সা’দ কান্ধলভী ইহুদী ও খৃষ্টানদের চরিত্রে চরিত্রবান। পবিত্র কুরআনুল কারীমের কিছু অংশ স্বীকার করে আর কিছু অংশ অস্বীকার করে সে নিজেকে ইহুদিদের চরিত্রে চরিত্রবান করেছে এবং নিষ্পাপ নবীগণকে গুনাহগার বলে সে নিজেকে খৃষ্টানদের চরিত্রে চরিত্রবান করেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) নেত্রকোণা এস পাঠান এ হোসেন এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার উদ্যোগে আয়োজিত, জেলা শহরের পূর্ব মঈনপুরে মরহুম হাজী ছদ্দু মিয়ার পুরাতন ইটখলা ময়দানে আছর থেকে শেষরাত পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ইসলামী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা ওলিপুরী বলেন, আল্লাহ তাআ’লা পবিত্র কুরআনুল কারীমে উল্লেখ করেছেন, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর পাঁচটি দায়িত্ব অর্পন করেছিলেন। সেগুলো হলো- ১. দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করা। ২. মানুষকে কুরআনুল কারীমের আয়াত তেলাওয়াত করে শুনানো। ৩. মানুষকে কুরআনুল কারীম শিক্ষা দেওয়া। ৪. মানুষকে হিকমাহ্ তথা পবিত্র কুরআনুল কারীমের ব্যখ্যা অর্থাৎ হাদীস শিক্ষা দেওয়া। ৫. মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা।
এটা হলো কুরআনের কথা কিন্তু ভ্রান্ত ও মস্তিষ্ক বিকৃত মাওলানা সা’দ বলে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাজ একটাই ছিলো আর সেটা হচ্ছে দাওয়াত ও তাবলীগ। অথচ কুরআনুল কারীমে উল্লেখ রয়েছে পাঁচটি।এভাবে কুরআনুল কারীমের কিছু অংশ স্বীকার করে আর কিছু অংশ অস্বীকার করে সা’দ নিজেকে ইহুদিদের চরিত্রে চরিত্রবান করেছে এবং তাদের আকিদা পোষনকারী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
মুনাজিরে আযম ওলিপুরী আরো বলেন, এদেশে খৃষ্টধর্মের প্রচার প্রসারের জন্য খৃষ্টান মিশনারী সংগঠন গুলো খুব তৎপর ছিলো এবং আছে। তারা বিভিন্ন বই পুস্তক ছেপে সরলমনা মুসলমানদের ঈমান আকিদা নষ্ট করার অপ প্রয়াস চালাচ্ছে। আমি তাদের একটি বই পড়েছি যেটার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কুরআনের আলোকে বেহেশতে যাওয়ার পথ’। তাদের এ নামটির মধ্যেই মারাত্মক ধোঁকাবাজী রয়েছে কেননা সাধারণ মুসলমানগণ বইটির নাম দেখে স্বাভাবিকভাবেই মনে করবেন যে, নিশ্চই এটা কোন আলেমের লিখিত বই সুতরাং পড়তে অসুবিধা নেই। অথচ সরলমনা মুসলমানদের ঈমান আকিদা নষ্ট করে খৃষ্টান বানানোর ঘৃন্য ষড়যন্ত্রে খৃষ্টানরা বইটি ছাপিয়েছে।
আর এ বইটিতে তারা লেখেছে, আদম আলাইহিস সালাম পাপিষ্ট কারন তিনি জান্নাতে নিষিদ্ধ ফল ভক্ষন করেছিলেন।
আর আদম আলাইহিস সালামের বংশ থেকে যত নবী দুনিয়াতে আসছেন সকলেই জন্মগতভাবে পাপিষ্ঠ। আর নিষ্পাপ ও পবিত্র হলেন একমাত্র আল্লাহর পুত্র ঈসা আলাইহিস সালাম। কারন ঈসা আলাইহিস সালাম আদমের বংশধর নয় বরং আল্লাহর ঔরস থেকে সৃষ্টি (নাঊযুবিল্লাহ)। এতে বুঝা গেল খৃষ্টানরা একমাত্র ঈসা আলাইহিস সালাম ছাড়া অন্য সকল নবীগণকে পাপিষ্ঠ তথা গুনাহগার মনে করে।
ঠিক একইভাবে ভ্রান্ত ও মস্তিষ্ক বিকৃত মাওলানা সা’দও নবীগণকে গুনাহগার মনে করে। সে বলে, হযরত মূসা আলাইহিস সালাম, হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম, হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম, হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম প্রমুখ নবীগণকে আল্লাহর দরবারে জঘন্য অপরাধ করার কারনে শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে।
এমনকি আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও ছাড়েনি তিনি। তিনি বলছেন, আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমস্ত বিবিদের ওলিমা খেজুর দিয়ে আর হযরত যয়নব (রাঃ) এর ওলিমা গোস্ত রুটি দিয়ে করে তারতীবের খেলাফ করেছে। এভাবে নিষ্পাপ নবীগণকে গুনাহগার বলে সা’দ নিজেকে খৃষ্টানদের চরিত্রে চরিত্রবান করেছে এবং তাদের আকিদা পোষনকারী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, এদেশে সা’দের অন্ধ ভক্তরা গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমার মাঠে অসংখ্য আলেম উলামা, মাদরাসার ছাত্র ও সাধারণ তাবলীগি ভাইদের ওপর নৃশংস ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে নিজেদেরকে সা’দের গুন্ডা বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে। শুধু তাই নয়, এই অন্ধ সা’দ ভক্তরা প্রথমে বলতো, আমাদের আমীর কুরআন হাদীসের বিপরীত মনগড়া কোন বয়ান করেনি। পরে যখন দেখলো কুরআন বিরোধী ও মনগড়া বয়ানের ক্যাসেট দারুল উলুম দেওবন্দে মওজুদ আছে তখন বলা শুরু করলো, আমাদের আমীর রুজু করেছে। এভাবে নিজেদের বক্তব্যেই নিজেরা মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হলো। প্রথম বলেছিলো মনগড়া বয়ান করেনি আর পরে বললো রুজু করেছে। এখন প্রশ্ন হলো মনগড়া বয়ান না করলে রুজু করলো কেন? আসলে সে প্রকৃত অর্থে রুজুও করেনি। সুতরাং এটা স্পষ্ট হয়ে গেলো যে, সা’দ পন্থীরা মিথ্যাবাদী।
পরিশেষে তিনি উপস্থিত অগণিত তৌহিদী জনতাকে মিথ্যাবাদী ও গুন্ডাবাহিনী সা’দ পন্থীদের কোন কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে হক্কানী উলামাদের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী দাওয়াত ও তাবলীগের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানান।
12/12/2018
এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে নিবেদিত জনকল্যাণ মূলক সেবা প্রদান।
03/12/2018
রক্তাক্ত এতাআতি গুন্ডাদের হাত! আমাদের পরিস্কার মতামত!
দু'দিন যাবত স্তব্ধ হয়েছিলাম। কারো সাথে কথা বলতে ভাল লাগতো না। মনে হতেই চোখের কোণে জমা হতো অশ্রুর বন্যা। সেজদায় মাথা নত করতেই চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে হতো। ফোন এসেছে অনেক। "কিছুই বলতে পারবো না" বলে অধিকাংশ কলই কেটে দিয়েছি।
সাদিয়্যাত ফিরক্বার অবুঝ গুন্ডাদের তান্ডবের ভিডিও দেখে শিউরে উঠেছি। পুরোটা দেখার মত ধৈর্য হয়নি।
যারা টঙ্গির ইজতিমা সম্পর্কে জানেন। তাদের সবারই জানা যে, প্রতি বছর জোড় এবং বিশ্ব ইজতিমার পূর্বে মাঠের প্রস্তুতি কাজের জন্য কওমী মাদরাসার ছাত্ররা বৃহস্পতিবার মাঠে যায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে। শুক্রবার সারাদিন কাজ করে থাকেন। শুক্রবার রাতে বা শনিবার ভোরে তারা আবার মাদরাসায় ফিরে আসেন। আগ্রহ ভরেই ছাত্ররা এতে অংশ গ্রহণ করেন।
ডিসেম্বরের আগত চিল্লার সাথীদের জোড় এবং আগত জানুয়ারীর বিশ্ব ইজতিমা উপলক্ষ্যে এবারও ব্যতিক্রম হয়নি ছাত্রদের স্বেচ্ছাশ্রম কার্যক্রম। গত ২৯ নভেম্বর ২০১৮ ঈসাব্দ রোজ বৃহস্পতিবারও ঢাকার বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্ররা মাঠ প্রস্তুতি কাজে টঙ্গি মাঠে গমণ করেন। সেই সাথে অনেক তাবলীগী সাথীরাও তাতে অংশ নেন।
নির্বাচনের পূর্বে কোন প্রকার সভা টঙ্গিতে করতে দেয়া হবে না মর্মে প্রশাসনের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে অধিকাংশ তালিবুল ইলম ও তাবলীগী সাথীরা শুক্রবার নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান।
মাঠে এক দেড় লাখ সাথীদের স্থলে বাকি থাকেন চার পাঁচ হাজার সাথী ও ছাত্র। যাদের অনেকেই শনিবার সকালে চলে যেতেন।
সহজ সরল মাদরাসা ছাত্র এবং তাবলীগী সাথীরা কল্পনাও করেননি সাদ সাহেবের গুন্ডা বাহিনী রাতের আঁধারে অপেক্ষা করছে রক্তপিপাসু হায়েনা হয়ে। পাকাচ্ছে গভীর ষড়যন্ত্র।
চরম বিতর্কিত এবং ষড়যন্ত্রী এক বেশধারী মাওলানার মাদরাসায় সাদিয়্যাত গুন্ডাবাহিনী হিংস্রতার ছক আঁকে। কে জানতো শান্তির বাণীর বুলি আওড়ানো সুফী সাহেবের ভিতরের পশুত্বকে? যিনি গাছ কেটে উপরে পানি ঢালতে জানেন।
সারা দেশ থেকে সাদিয়্যাত ফিরক্বার গুন্ডা বাহিনী এবং সরল কতিপয় তাবলীগী সাথীদের ভুল বুঝিয়ে শুক্রবার রাতে হামলা করা হয় টঙ্গি মাঠে। লাঠিসোটা, দেশী অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয় বাটা গেট। তাতারী হায়েনাদের মত ঝাঁপিয়ে পড়ে টঙ্গি মাঠে।
মাঠে অবস্থিত টঙ্গি মাঠ মাদরাসার ছোট্ট ছোট্ট নাবালেগ শিশুরাও যাদের হিংস্রতা থেকে রক্ষা পায়নি। রক্তে লাল হয় কুরআন ধারণকারী তালেবে ইলম ও উলামাদের বক্ষ। ইতিহাসের এক ঘৃণ্যতার সাক্ষী হয় টঙ্গির ময়দান।
বাটা গেট ভেঙ্গে চেঙ্গিস খানের বাহিনীর মত যখন হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য মানুষরূপী পঙ্গপাল সাদী গুন্ডারা ঢুকছিল তখন তাদেরই সঙ্গী মুন্সিগঞ্জের বয়োবৃদ্ধ জনাব ইসমাইল মন্ডলকে পিশে ফেলেই ঢুকে পড়ে ময়দানে।
নিহত ইসমাইল মন্ডলের ছেলের প্রকাশিত ভিডিওতে পরিস্কার ছেলে বলছে, বাটা গেট যখন ইতাআতিরা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকতে থাকে হুড়মুড়িয়ে তখন তার বাবা মাটিতে পড়ে যায়। তখন তাকে পিশে মগজ মাড়িয়ে সাদ সাহেবের গুন্ডারা ভিতরে ঢুকে পড়ে।
এ তান্ডব লজ্জার। এ হামলা মাথা নত হওয়ার। তবে অনেক দিনের দ্বিধাদ্বন্দ মুছে যাবার।
আর কোন শংকা নেই। এবার নিঃশঙ্কচিত্তে ঘোষণা করছিঃ
সাদ সাহেব একজন দুনিয়ালোভী ভ্রষ্ট। হয়তো ইজরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা "মোসাদ" এর এজেন্টও। তার অনুসারীরাও ভ্রষ্ট ও গোমরাহ। দ্বীন নয় যাদের মাকসাদ ব্যক্তিপূজা এবং মনের পূজা।
যাদের হাত কুরআন ও হাদীসের ধারক উলামাদের রক্তে রাঙ্গা সেই হাতে ফাযায়েলে আমল মানায় না। ইকরামুল মুসলিমীনের বয়ান শোভা পায় না।
বাংলার প্রতিটি আহলে হকের মসজিদের মিম্বর থেকে, বয়ানের মঞ্চ থেকে, ফিরাকে বাতিলা বিষয়ক লিখিত বইয়ের পাতায় নতুন এক ফিরক্বারও মুখোশ উন্মোচন চলবে। এক অভিশপ্ত ফিরক্বাদের কাতারে সংযোজন হল এক নতুন ফিরক্বা।
"ফিরক্বায়ে সাদিয়্যাত"।
আমি পরিস্কার বলি!
ভ্রান্ত ফিরক্বা সাদিয়্যাত এর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। থাকবে না কোনদিন।
হিদায়াতের দুআ সবার জন্য। ফিরে আসুক অবুঝ সাথীরা। বন্ধ করুক অপপ্রচার। মিশে যাক হকের সাথে। কান্নাবিজড়িত প্রার্থনা রবের দরবারে। আহত উলামা ও তাবলীগী সাথীদের রব্বে কারীম আশু সুস্থ্যতার নিয়ামত দান করুন। আমীন।
16/11/2018
গুজবে কান দিবেন না
বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত, জোড় স্থগিত, কোনো ওয়াজাহাতী জোড় করা যাবেনা, সব ই গুজব এগুলো কান দিবেননা, তবে নির্বাচন যদি পেছনে যায় ১৫ই জানুয়ারী ১৯ ইং তারিখের দিকে হয় তাহলে ইজতেমাকে নিরাপত্তার স্বার্থে ১৫দিন পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে, এটাকে কিছু ভ্রান্ত লোক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যারাই জমহুরে ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে যাবে তারা গুমরাহ হিসেবে চিহ্নিত হবে,
সূত্র; নির্ভরযোগ্য