Reform Bangladesh - RBD
Expecting #Reformed_Bangladesh for all.
সকলের জন্য একটি পরিবর্তিত বাংলাদেশ প্রত্যাশী।
28/08/2025
আমরা চূড়ান্ত বিপ্লবের প্রস্তুতি নিচ্ছি | দ্য আরজে কিবরিয়া শো | শরিফ ওসমান হাদি | | RJ Kebria To Watch More Nexus TV Program, SUBSCRIBE Our YouTube Channel Now ► https://shorturl.at/bdtyTDon't forget to like, share and commentআমরা চূড়ান্ত বিপ্লবের প্র...
দুর্ঘটনার স্থানে পানি, রিক্সা, সি এন জি
ইত্যাদির দামের কাছে
আমাদের #বিবেক পরাজিত!
প্রেস বিবৃতি
ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৫: মানবাধিকারের সুরক্ষা ও বিকাশে সহায়তা করার লক্ষ্যে একটি মিশন খোলার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের অফিস এবং বাংলাদেশ সরকার তিন বছর মেয়াদি একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
মিশনটির লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের বাংলাদেশকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তার মানবাধিকার সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পূরণে সহায়তা করা।
এই উদ্যোগটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পটভূমিতে গৃহীত সংস্কার এবং জবাবদিহিতার প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত প্রতিশ্রুতিকেই প্রতিফলিত করে।
আমরা স্বীকার করি জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলির আদর্শিক অবস্থান নিয়ে সমাজের একটি অংশের উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। অনেক নাগরিক আমাদের জানিয়েছেন যেকোনো আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে এই মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। এ প্রেক্ষিতে, ওএইচসিএইচআর মিশন মানবাধিকারের যেকোনো গুরুতর লঙ্ঘনের প্রতিরোধ ও প্রতিকার, বিগত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর মনোনিবেশ করবে। এটি দেশের প্রতিষ্ঠিত আইনি, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কাঠামোর বাইরে থাকা কোনো সামাজিক এজেন্ডাকে উৎসাহিত করবে না।
আমরা আশা করি যে মিশনটি সবসময় স্বচ্ছতা প্রদর্শন করবে এবং স্থানীয় অংশীদারদের সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখবে। জাতিসংঘ আমাদের সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় বাস্তবতার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে বাংলাদেশে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সরকার এই চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সার্বভৌম কর্তৃত্ব সংরক্ষণ করে, যদি সরকার মনে করে যে এই অংশীদারিত্ব আর জাতীয় স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
উল্লেখ্য যে, বিগত সরকারের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গণহত্যার দায়মুক্তির যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে সে সময় যদি এই ধরনের একটি সংস্থার কার্যক্রম চলমান থাকত, তাহলে সেই অপরাধের অনেকগুলো ঘটনা হয়ত সঠিকভাবে তদন্ত, লিপিবদ্ধ এবং বিচার করা হত। আজকের এই সময়ে মানবাধিকারের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি আদর্শের ওপর নয়, ন্যায়বিচারের উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত।
সরকার এই অংশীদারিত্বকে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করার এবং আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধির একটি সুযোগ হিসাবে বিবেচনা করে যা আমাদের আইনের মাধ্যমে গঠিত ও মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হবে এবং আমাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।
21/07/2025
নব্বই দশকের অচল বিমান কেন আকাশে?
এই বিমানটি নব্বই দশকের প্রযুক্তিতে তৈরি—প্রায় তিন দশক পুরোনো।
বলতে গেলে, আন্তর্জাতিক বাজারে এটি অনেক আগেই অচল হয়ে গেছে। অথচ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ এই অচল বিমানটি চীনের কাছ থেকে কেনে, একটি বিতর্কিত চুক্তির মাধ্যমে। এটিই ছিলো চীনের শেষ রপ্তানি—শেষ কাস্টমার বাংলাদেশ। চিন্তা করুন, একটা দেশ কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন পুরোনো, ব্যবহারের অযোগ্য যুদ্ধবিমান কিনে।
তবুও মূল প্রশ্নটা এখানে নয়। এই দুর্ঘটনা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়েছে, নাকি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে—তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির সম্ভাবনাও অস্বীকার করা যায় না, কারণ দীর্ঘদিনের পুরনো ও রক্ষণাবেক্ষণহীন একটি বিমান উড়ালে এমন দুর্ঘটনা হতেই পারে।
বিশ্বাস করুন আর না করুন, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের যে প্রভাব বলয়, তাতে সবচেয়ে বেশি ঘাপটি মেরে আছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে। ভারতের ছায়া থেকে বেরোতে না পারার কারণে বাংলাদেশ আজ পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্মের স্টিলথ ফাইটার জেট কিনতে পারেনি। এমনকি একটি কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারেনি।
প্রশ্ন তুলতে হবে—কেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে এইভাবে পঙ্গু করে রাখা হয়েছে?
কাদের স্বার্থে?
কে এই দালালরা যারা ভারতের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশের আকাশকে অনিরাপদ করে রেখেছে?
হাসিনা পতনের পরও এদের কেউ বিচারের মুখোমুখি হয়নি। আজো কেন এই জাতি প্রশ্ন করে না, কেন বাংলাদেশ এখনো আধুনিক যুদ্ধবিমান কিংবা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে পারছে না?
একটা জাতি যদি লাশ দেখেই শুধু আবেগে ভেসে যায়, কিন্তু মূল সমস্যার গোড়ায় হাত না দেয়—তাহলে সেই জাতির লাশের সারি একদিন হয়তো অসীম হবে।
জাতির কাছে প্রশ্ন রেখে যেতে চাই:
• যদি শত্রু রাষ্ট্র এক রাতেই ঢাকার আকাশে মিসাইল ছুড়ে দেয়, আমরা কী প্রতিরোধ করতে পারবো?
• আকাশ প্রতিরক্ষা নিয়ে কেউ কেন কথা বলছে না?
• কেন আজও বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে সবাই নিরব?
দীর্ঘ ৯-১০ বছর ধরে ঢাকার আকাশে প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানোর অনুমতি দিয়েছে কার..???
আজ থেকে ৭ বছর আগে উত্তরায় প্রশিক্ষণ বিমান ক্রাশ করার পড়েও ঢাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানো হয় কেন..??
এয়ারপোর্টের পাশে উত্তরা দিয়াবাড়ি মতো সেনসিটিভ স্থানকে জনবসতির জন্য রাজউক পারমিশন দিল কেন..?? পৃথিবীর প্রত্যেকটা আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে বিমান দুর্ঘটনা ও বিমান বন্দরের উন্নয়নের জন্য বিমানবন্দরের পাশে হেক্টর'রের পর হেক্টর জমি ফাঁকা রাখাহয়।
এটা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়। এটা একটি জাতীয় ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।
যদি আজ প্রশ্ন না ওঠে, কাল হয়তো আর প্রশ্ন করার মতো কেউ থাকবে না।
©
12/07/2025
এ কেমন বর্বরতা!
জাহেলীযুগের জাহেলিয়াতকেও চরম ভাবে হার মানিয়েছে।
কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান।
দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
31/05/2025
ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দাখিল করা হবে। বিচারের ক্ষেত্রে ডিসেম্বরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাবে।
(এডমিন)
ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা..?
১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্রসস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্রঃ দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২. শস্য লুটঃ
★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
★পাট(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।
সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)
৩.বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন! (সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)
৪.যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা। এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ।
( সূত্রঃ আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, পৃষ্ঠা: ৪৯৮)
৫.ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হত। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, ‘জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করিয়া দিয়াছে’।
(সূত্রঃ আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: পৃষ্ঠা: ৫২)
৬.আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: :দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৯-১২৬)
৭.১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্রঃ এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, পৃষ্ঠা ১৪, ৪৪)
৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো, বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি।
(সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)
৯.জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)
১০.❝ ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে। ❞ — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, পৃ: ৯২৩
এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।
ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্স সহ।
তারপরও আবার উল্লেখ করার কারন খুব চিন্তা হয়.... ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই, অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিল, তার ফলাফল কথিত আছে , ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিল।
এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই লুট করতে চাচ্ছে, কত রক্ত ঝরবে ???
Defenders Unit
19/04/2025
বিকেন্দ্রীকরণ হতে পারে একমাত্র সমাধান
শুধুমাত্র অপরিহার্য সংস্থার কার্যক্রম বাদে সকল সংস্থা বা সেবা বিকেন্দ্রীকরণ এর মাধ্যমেই রাজধানী ঢাকার ৮০% সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্ ।
🔴 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি না থাকার কারনে…
ইউরোপ আমেরিকা আমাদের চেয়ে শত শত বছর পিছিয়ে আছে।
🔴 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি না থাকার কারনে….
ইউরোপ আমেরিকায় সবাই ঠিক টাইমে লেখাপড়া শেষ করে ফেলছে।
বারবার ফেল করে আদুভাই হয়ে লিডারশীপ স্কিল গঠন করার সুযোগ পাচ্ছে না।
🔴 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি না থাকার কারনে...
ইউরোপ আমেরিকার জনগণ অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে
সিংগাড়া, ছমুচা আর কোক দিয়ে কাউকে মিছিলে আনা যাচ্ছে না
🔴 শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি না থাকার কারনে...
ইউরোপ আমেরিকার ছেলেমেয়েরা নেটওয়ার্কিং শেখে না।
দলীয় পরিচয়ে সিট দখল করা, হলের ডাইনিং থেকে টাকা মারা এ ধরনের সময়োপযোগী স্কিল শেখার সুযোগ তৈরী হয় না।
🔴 এই কারনেই লক্ষ্য করবেন বাংলাদেশের সব বড় বড় রাজনীতিবিদদের ছেলেমেয়েরা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে....শুধুমাত্র ছাত্র রাজনীতি শিখবে বলে!!!
আশা করি ইউরোপ আমেরিকা একসময় তাদের ভুল বুঝতে পারবে...এবং আমাদের মত উন্নত হতে পারবে.
©
যার যার সেক্টরে নিজে ভাল না হলে দেশ বদলানো সম্ভব না, আগে নিজে ভাল হতে হবে তারপরেই দেশ ভাল হবে।
আফসোস ব্যবসাহি থেকে চাকুরীজীবী, উচু থেকে নিচু, বড় থেকে ছোট, ধনী থেকে গরীব সকল শ্রেণী পেশায় অধিকাংশ নিয়মনীতি, ভাল-মন্দ, হালাল-হারাম এর তোয়াক্কা করতেছেন না।
মনে রাখবেন আল্লাহ্ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না।
সকল শ্রেণী পেশার জনগণকে ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে নিজের, সমাজের ও দেশের জন্য সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলুন। তাহলেই দেশ ও জাতির টেকসই পরবর্তন সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
