19/02/2026
আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুলের শুভেচ্ছা বিনিনয় করেন
বান্দরবান পার্বত্য জেলার মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাচিংপ্রু জেরী। // ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ //
18/02/2026
The newly appointed Honorable Minister of the Ministry of Chittagong Hill Tracts Affairs, Mr. Dipen Dewan and Honorable State Minister Mr. Mir Mohammad Helal Uddin took office on their first working day at the Bangladesh Secretariat today.
// 18 February 2026 //
09/02/2026
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার সাথে কানাডিয়ান হাই কমিশনার প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.।
পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি উন্নত ও আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘মানসম্মত শিক্ষা’ ও ‘জীবিকার মানোন্নয়ন’ সরকারের মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। তিনি বলেন, ই-লার্নিং শুধু শিক্ষা নয়, বরং পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এটি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করার এক সাহসী পদক্ষেপ। সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাই কমিশনার অজিত সিং (Ajit Singh)-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন। এসময় উভয়ের সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, কেবল শিক্ষিত নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ প্রজন্মই পারে একটি বৈষম্যহীন আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে। দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার প্রসারে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পাহাড়ের অনেক এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের (স্টারলিংক বা সমজাতীয় প্রযুক্তি) মাধ্যমে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শহরের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা সরাসরি অনলাইনে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির মতো কঠিন বিষয়গুলো পড়াতে পারছেন, যা স্থানীয় পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষকের অভাব পূরণ করছে।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ‘লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট’ বা জীবিকার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ গরিব থাকার কথা ছিল না। এই সম্পদশালী অঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে জুম চাষের পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং কফি, কাজু বাদাম ও ড্রাগন ফ্রুট চাষের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রকৃতি রক্ষা করে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পার্বত্য অঞ্চলকে ‘ইকো-ট্যুরিজম’ হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
সাক্ষাৎকালে কানাডিয়ান হাই কমিশনার অজিত সিং উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র গৃহীত উদ্যোগগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন। অজিত সিং বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে শিক্ষা ও জীবিকার মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘কোয়ালিটি এডুকেশন’ এবং ‘লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পগুলোতে কানাডিয়ান সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই জনপদকে দেশের মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। এই ই-লার্নিং প্রকল্প এবং জীবিকা উন্নয়নের প্রচেষ্টা সফল হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম হবে সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ।
সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, কানাডা হাই কমিশনারের ১ম সচিব জোসেফ ম্যাকইনটোশ, কানাডিয়ান হাই কমিশনারের কনসালটেন্ট এএইচএম মহিউদ্দিন ও ইউএনডিপি’র প্রকল্প ম্যানেজার ইয়্যুগেস প্রধানং উপস্থিত ছিলেন।
24/07/2025
নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পার্বত্য উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০২৫ খ্রি.
আজ বুধবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী (Ghanshyam Bhandari)। উপদেষ্টার সচিবালয়ের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন অত্যন্ত গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ত্রিপক্ষীয় সভা, এনার্জি সেক্টরের উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও পানি সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে দুই দেশের একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারীও এ ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তিনি উপদেষ্টা জনাব সুপ্রদীপ চাকমাকে আগামী ১৮-১৯ আগস্ট নেপালের কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিতব্য HKH Parliamentarians’ Meet 2025-এ অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানান।
এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ও মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শুভাশিস চাকমা, নেপাল দূতাবাসের সেকন্ড সেক্রেটারি মিজ ইয়োজানা বামজান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইং-এর সহকারী সচিব মিজ তাহসিন বিনতে আনিস উপস্থিত ছিলেন।
06/07/2025
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, এবং অর্গানিক ফল আমাদের ঐতিহ্যের অংশ-পাহাড়ি ফল মেলার সমাপনীতে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
ঢাকা, ০৫ জুলাই ২০২৫ খ্রি.
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পাহাড়ি ফল মেলা শুধু একটি বাণিজ্যিক আয়োজন নয়, বরং এটি পাহাড়ি জীবনের সঙ্গে নগরবাসীর একটি আত্মিক সংযোগ। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, এবং অর্গানিক ফল আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই মেলার মাধ্যমে আমরা সেই ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছি।
আজ রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত পাহাড়ি ফল মেলা’র সমাপনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের টেকসই উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার যে দৃষ্টিভঙ্গি, তারই প্রতিফলন ঘটেছে পাঁচ দিনব্যাপী পাহাড়ি অর্গানিক ফল মেলায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত জনাব সুপ্রদীপ চাকমা। সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সভাপতি জনাব মো. আব্দুল খালেক।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার, বিশেষ করে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে, গ্রামীণ অর্থনীতি ও নারীর ক্ষমতায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। পাহাড়ি নারীরা অর্গানিক ফল চাষে যে নিষ্ঠা ও শ্রম দিয়ে ভূমিকা রাখছেন, তা সত্যিই অনুকরণীয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও উৎসাহিত করতে মন্ত্রণালয় তাঁদের পাশে আছে এবং প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা ও বাজার সংযোগে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানান উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর জন্য আমরা কোয়ালিটি এডুকেশন, লাইভলি হুড ডেভেলপমেন্ট, নারীর ক্ষমতায়ন ও পরিবেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। তিনি বলেন, সম্প্রতি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা দিয়েছেন যে, চলতি বছরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তত ১০০টি স্কুলে স্টারলিংক সংযোগের মাধ্যমে ই-লার্নিং চালু করা হবে। এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি বিপ্লবী পরিবর্তন আসবে। এটি শুধু শিক্ষার মান উন্নয়ন নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার, প্রযুক্তিগত অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের পথ খুলে দেবে বলে জানান উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই পাহাড়ি ফল মেলা শুধু ভোক্তা ও কৃষকের সংযোগ নয়, বরং একটি সমন্বিত শিক্ষা, পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মঞ্চ। উপদেষ্টা বলেন, আমরা চাই, রাজধানীবাসী পাহাড়ি সংস্কৃতিকে শুধু দেখবে না, অনুভব করবে। এই আয়োজন একটি টেকসই ভবিষ্যতের পথে আমাদের অগ্রযাত্রার প্রতীক।
আয়োজক পক্ষ জানায়, এই আয়োজন স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত ফলের প্রতি জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মেলার প্রতিটি স্টল যেন ছিল একটি গল্পের জানালা- যেখানে ফলের স্বাদ ছাপিয়ে উঠে এসেছে পাহাড়ি জীবনের রঙ, ঘ্রাণ ও আত্মার ছোঁয়া।
সন্ধ্যায় আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের শিল্পীরা পরিবেশন করেন ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্য, যা দর্শনার্থীদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উদ্বাস্তু পুনর্বাসন সংক্রান্ত টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস, মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।