ভ্রমণবাজ

ভ্রমণবাজ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভ্রমণবাজ, Landmark & historical place, Dhaka.

Photos from ভ্রমণবাজ's post 18/04/2026

🏛️ আহসান মঞ্জিল — ঢাকার গৌরবময় ইতিহাসের প্রতীক 🇧🇩

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা আহসান মঞ্জিল শুধু একটি প্রাসাদ নয়—এটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী।

উনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত এই প্রাসাদটি প্রথমে একটি ফরাসি বণিকের কুঠি ছিল। পরে ঢাকার নবাব খাজা আব্দুল গণি এটি কিনে পুনর্নির্মাণ করেন এবং তার পুত্র খাজা আহসানউল্লাহ-এর নাম অনুসারে নাম রাখেন “আহসান মঞ্জিল”।

🌸 এর গোলাপি রঙের দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য, বিশাল গম্বুজ ও শৈল্পিক নকশা যে কাউকে মুগ্ধ করে।
📜 ব্রিটিশ আমলে এটি ছিল রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
🏛️ বর্তমানে এটি একটি জাদুঘর, যেখানে সংরক্ষিত আছে নবাব পরিবারের ব্যবহার্য জিনিসপত্র ও ইতিহাসের নানা স্মৃতি।

আজকের প্রজন্মের জন্য আহসান মঞ্জিল শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়—এটি আমাদের অতীতকে জানার এক অনন্য সুযোগ।

✨ চলুন, আমরা আমাদের এই ঐতিহ্যকে ভালোবাসি, সংরক্ষণ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরি।

#ঐতিহ্য

#ভ্রমনবাজ

14/04/2026

সবাই কে ভ্রমণবাজ এর পক্ষ থেকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩🎊🌷🌷
#ভ্রমনবাজ

#লালবাগকেল্লা

Photos from ভ্রমণবাজ's post 28/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ
খুব সুন্দর একটা গ্রুপ ট্যুর শেষ করলাম।
দুই দিনের সিলেটের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে বেড়ালাম।
আমার সাথে এভাবে ঘুরতে চাইলে আপনারা যোগাযোগ করুন।
#ভ্রমনবাজ
#সিলেটট্যুর

20/04/2025

ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।ধারণা করা হয় এটি ১৫শ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিল। পাথরগুলো আনা হয়েছিল রাজমহল থেকে। এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু। ষাট গম্বুজ মসজিদে গম্বুজের সংখ্যা মোট ৮১ টি, সাত লাইনে ১১ টি করে ৭৭ টি এবং চার কোনায় ৪ টি মোট ৮১ টি। কালের বিবর্তনে লোকমুখে ৬০ গম্বুজ বলতে বলতে ষাট গম্বুজ নামকরণ হয়ে যায়, সেই থেকে ষাট গম্বুজ নামে পরিচিত।

22/03/2025

দার্জিলিং ভ্রমণে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় হচ্ছে টয় ট্রেন ভ্রমণ।

📌টয় ট্রেনের রুট

দার্জিলিং টয় ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে শুরু হয়। তারপর শিলিগুড়ি, কার্সিয়াং এবং ঘুম হয়ে দার্জিলিঙে পৌঁছয়। প্রায় ৮৮ কিমির এই রুটে হিল কার্ট রোড, বাতাসিয়া লুপ-সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের উপর দিয়ে যায় টয় ট্রেনটি।

📌টয় ট্রেনের সময়

মূলত, দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধীনে দার্জিলিঙের টয় ট্রেন চলে। মরশুমের সময় অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে প্রতিদিন ২০টি টয় ট্রেন পরিষেবা পাওয়া যায়। দার্জিলিং ও ঘুম রুটের মধ্যে ১৮টি পরিষেবা রয়েছে। তবে বর্ষার সময় অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এবং যখন পর্যটক কম থাকে (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি), সেই সময়ে টয় ট্রেন পরিষেবার সংখ্যা কম থাকে।

📌টয় ট্রেনের ভাড়া

জয় রাইড ও রেগুলার রাইড – দু-ধরনের টয় ট্রেন চলে দার্জিলিঙে। জয় রাইডের মধ্যে ট্রেন চালিত ও বাষ্প চালিত- দু-ধরনের ট্রেন রয়েছে। ডিজেল চালিত টয় ট্রেনের জনপিছু ভাড়া ১০০০ টাকা। আর বাষ্প চালিত টয় ট্রেনের জনপিছু ভাড়া ১৬০০ টাকা। ডিজেল ইঞ্জিনে ফার্স্ট ক্লাসের কেবিন-সহ বিলাসবহুল ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা তাঁদের পছন্দ মতো ট্রেন বুকিং করতে পারেন।
অন্যদিকে, রেগুলার দার্জিলিং টয় ট্রেনের ভাড়া গন্তব্য অনুযায়ী আলাদা। ন্যূনতম ভাড়া শুরু হচ্ছে ৪৫০ টাকা দিয়ে এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ১,৪২০ টাকা।

📌কীভাবে টয় ট্রেনের টিকিট বুকিং করবেন?

ভারতীয় রেলেরই অন্তর্গত দার্জিলিয় টয় ট্রেন। তাই ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে টয় ট্রেনের টিকিট বুকিং করা যায়। ওয়েবসাইটেই ট্রেনের সময় দেওয়া থাকে। এছাড়া যে কোনও কম্পিউটারাইজড রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকেও টয় ট্রেনের টিকিট বুকিং করা যাবে।

টায় ট্রেনে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা থেকে থাকলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Photos from ভ্রমণবাজ's post 27/02/2025

বাংলাদেশের বৃহওম দ্বীপ ভোলা জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপ মনপুরা।
উত্তাল মেঘনার কোলে ঘেসে জেগে ওঠা তিন দিকে মেঘনা আর একদিকে বঙ্গোপসাগর বেষ্টিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ সাজে সজ্জিত লীলাভূমি মনপুরা।
প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো এই দ্বীপটির তেমন একটা পরিচিত ছিলো না কিন্তু ২০০৯ ‌সালে মনপুরার দ্বীপ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র মনপুরা এর মাধ্যমে দ্বীপ টি পরিচয় লাভ করে।।
ঐতিহাসিক বেভারিজ মনপুরার নাম করন নিয়ে লিখেছেন ।মনো গাজী নামের এক ব্যাক্তি সে সময় জমি দার থেকে মনপুরা চর লিজ নেন।
অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে পরবর্তী সময়ে তার নামে অনুসারে এই দ্বীপটির নাম করন করা হয়। এক সময় এই দ্বীপ টি হাতিয়া ও স্বন্দীপ এর সাথে যুক্ত ছিল। পরবর্তীকালে ১৮৩৩ সালে মনপুরাকে ভোলার অধীনে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে। এর একশত বছর পর ১৯৮৩‌সালে উপজেলার উন্নীত হয়।
ভোলা জেলা থেকে ৮০ কি:মি দক্ষিণ পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরের কল ঘেসে মেঘনা নদীর মোহনায় চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই দ্বীপ টির আয়তন ৩৩৭.১৯ বর্গ কিলোমিটার এই উপজেলায় প্রায় এক লক্ষ লোক বসবাস করে। কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে খুবই পরিচিত মনপুরা দ্বীপ ধান মুগুর ডাল চিনা বাদামের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপটি। আদিকাল থেকেই মনপুরার খেজুরের গুড় এর সুনাম রয়েছে। এখানে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি,,,, মনপুরা মহিষের দুধের দই খেজুরের গুড় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুন্দর বনাঞ্চল কেশ আওলা কুকুরের জন্য বিখ্যাত ।🌅🌅🏞️🏝️🏝️🏞️🏖️🏖️🌄🌄🌄

🌅সাগর কন্যা মনপুরা❤️❤️
(Shikari)

Photos from ভ্রমণবাজ's post 05/12/2024

সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য ডিসেম্বর মাসের পছন্দ মত শীপ টিকেট এখনই পাওয়া যাচ্ছে না,তাই ডিসেম্বর যে ডেটেই যেতে চান আগে শীপ টিকেট কনফার্ম করে রাখুন।শীপ টিকেট সহ ট্রাভেল পাস এর জন্যে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

ওয়াটস্যাপ এ সরাসরি কথা বলুনঃ
wa.me/8801843574115
Phone:01677344810

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka
1230