বাংলাদেশের হিন্দুরা শোনো ।
আমি মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিন্দুদের বলছি । সম্প্রতি জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা মুজিবর রহমান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে মূর্তি ভেঙেছে এবং ইসকনে আগুন লাগিয়েছে সেজন্য তোমাদের খুশি হওয়া উচিৎ কারণ এদের জন্যই আজ তোমরা রিফিউজি । তোমরা আজ জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়ে ভারতের হামদর্দি পাওয়ার চেষ্টা করছো কিন্তু তোমরা জানো না রাম কতো বড় শয়তান । রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিল এবং সীতার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য রাম অগ্নি পরীক্ষার আয়োজন করেছিল এবং এই অগ্নি পরীক্ষা থেকে সমগ্র ভারতে নৃশংস সতী দাহ প্রথা ছড়িয়ে পড়েছিল যা কিনা ইংরেজরা আসা পর্যন্ত চলছিল । রামের সময় থেকে 1929 সাল মনে হয় কয়েক লক্ষ বছর হবে এবং এই কয়েক লক্ষ বছরে না জানি কত কোটি হিন্দু বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়েছে। রাম কতো শয়তান প্রকৃতির লোক ছিল আর আজ তোরা বাংলাদেশের দেশোভক্তি ভুলে গিয়ে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিচ্ছিস !
জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা যদি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শেষ করে দেয়, তাদের মূর্তি ভাঙ্গে তাহলে দুঃখ না করে বাংলাদেশের হিন্দুদের আনন্দিত হওয়া উচিৎ কারণ আজকে তোমাদের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হয়ে ফেঁসে থাকার জন্য এই চুতমারানি চোদনার বাচ্চারা দায়ী । 1947 সালের এবং 1971 সালের সব চুত মারানি স্বাধীনতা সংগ্রামিরা দায়ী । এদের সমর্থকেরা ভারতের মধ্যে সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা ঠিক আগের মতই ভোগ করে যাচ্ছে । মাঝখান থেকে তোমাদের বলির পাঠা বানিয়ে দিয়েছে । তাই জয় শ্রী রাম বলে স্লোগান না দিয়ে ভারতের সব হিন্দুদের শেষ করে দেওয়ার প্ল্যান করো। আমি জানি তোমরা ওদের সাথে গায়ের বলে পারবে না কিন্তু তোমরা যদি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন শহরে পানিও জলের মধ্যে শক্তিশালী ভাইরাস ছড়িয়ে দাও তাহলে ওরা মরে পচে জমির সার তৈরি হয়ে যাবে । কারণ যারা তোমাদের সর্বহারা রিফিউজি বানিয়ে আজ ভোগের শীর্ষে পৌঁছে গেছে তাদের শেষ করে দেওয়াই ভালো । ভারত সরকার তোমাদের আর নেবে না । কারণ ভারত সরকার জানে বাংলাদেশের বাঙালিদের ভারতে স্থান দিলে তারা পুনরায় বাংলা স্থান বানিয়ে হিন্দী ভাষার বিরোধিতা করবে তাই ভারত তোমাদের জায়গা দেবে না ।
ইসকনের মন্দিরে আগুন লাগিয়েছে বলে দুঃখে মরে যাচ্ছিস । জানিস ইসকনের মধ্যে বসে থাকা শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু তোদের রিফিউজি অবস্থার জন্য দায়ী । শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কিভাবে তোদের রিফিউজি বানালো তাহলে শোন ।
আপনি কি জানেন ভারতে রিফিউজি সমস্যা কে তৈরি করেছে ? রাজনৈতিকভাবে দেখলে সৈতান জিন্না সৃষ্টি করেছে কিন্তু ধর্মীয়ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করলে বলতে হবে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কৌশল করে রিফিউজি সমস্যা সৃষ্টি করেছিলেন । শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ করতে চেয়েছিলেন, যে ধর্মে লোকেরা সংসারের সব কিছু ত্যাগ করে, জমি জমা, ঘর বাড়ি, আত্তীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, বাবা মা ত্যাগ করে সন্যাসী জিবন অতিবাহিত করবে, এমন একটি ধর্ম ।এইরূপ পরিস্থিতি সর্বহারা রিফিউজিদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে পুরো মিলে যায় । একবার ভগবান বিষ্ণু চৈতন্য মহাপ্রভু হিসেবে অবতার নেওয়ার কথা ভাবে এবং আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ বা মায়াপুর নামক স্থানে নিমাই পণ্ডিত হিসেবে অবতার গ্রহণ করে । পরে তিনি বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে পূর্ববঙ্গে গমন করেন । পূর্ব বঙ্গ মানে বর্তমান বাংলাদেশ । পূর্ব বঙ্গ ভ্রমণের সময় তার বৈষ্ণব বেশ দেখে ওখানকার লোক হাসাহাসি করা শুরু করে । ঠাট্টা করে । উনি দেখলেন পূর্ববঙ্গের লোকেদের অবস্থা খুব স্বচ্ছল । গোলা ভরা ধান, পাট, সর্সে, মুসুরি, কলাই, গাছে প্রচুর ফল, কলা, কাঠাল, আম, জাম, তেতুল, নারিকেল, কুল, পেয়ারা, লেবু, পেঁপে, ক্ষেতে আখ, বাদাম আর পুকুর ভরা মাছ । সবাই সুখে আনন্দে উদ্বেলিত উল্লসিত আত্বহারা হয়ে অনেকটা কমিউন সিস্টেমে বা গোষ্ঠী সাম্যবাদী ধাঁচে জিবন নির্বাহ করছেন।এমন সময় শ্রী চৈতন্যের সন্যাসী বেশ দেখে সবাই হাসাহাসি করা শুরু করে দেয় আর তখুনি ভগবান ক্রোধান্বিত হয়ে সবাইকে অভিশাপ দেয় যে তাদের সুখের বাসা যেনো অচিরেই ভেঙে যায় । কারণ বৈষ্ণব ধর্মের বিকাশের জন্য প্রচুর সংসার ত্যাগী লোকের দরকার ছিলো আর লোক কেনো তার সব কিছু পরিত্যাগ করে সন্যাস ধর্ম গ্রহণ করে না খেয়ে ঘুরে বেড়াবে ? তাহলে এমন অবস্থার সৃষ্টি করতে হবে যাতে লোকে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয় আর সেটা হলো কোটি কোটি সর্বহারা রিফিউজি তৈরি করা । কোটি কোটি লোক রিফিউজি হলে কমপক্ষে তার মধ্যে থেকে কয়েকশো লোক দৈনন্দিন জীবনের অভাব অনটনের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে বৈষ্ণব সংঘে বা ইস্কনে গিয়ে যোগদান করবে এবং বৈষ্ণব ধর্ম বিকাশ লাভ করবে । কিন্তু মানুষের মনের দুঃখ, অভিশাপ ভগবানেরও লাগে যেমনটি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর গান্ধারী ভগবান শ্রী কৃষ্ণ কে অভিশাপ দিয়েছিলেন । ঠিক তাই হচ্ছে । জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা মিলে ইসকন মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে । ভালো হইছে । শ্রী চৈতন্যের অবতারকে হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানে না, ওনাকে অবতার না মেনে একজন সাধু বলে মনে করে । উনি যে ভগবান বিষ্ণুর পূর্ণ অবতার একথা হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা মানতে চায় না । তারা ওনাকে কবীর, নানক, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে মনে করে এবং বইয়ের আলোচ্য ভক্তি আন্দোলন অংশে তাই বলা হয়েছে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের ইতিহাস বইতে ওনাকে নানক, কবীর, মিরাবাইয়ের সমকক্ষ বলে সাধারণত বর্ণনা করা হয়ে থাকে । আমরা যখনই হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের, দক্ষিণ ভারতীয় এবং আসামের লোকেদের এই বোঝাতে চেষ্টা করি যে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ শ্রী শ্রী রাধারাণীর ঋণ পরিশোধ করার জন্য কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন, এই কথা বোঝাই তখনি তারা আমাদের উল্টো বুঝিয়ে দেয়, তারা হাসাহাসি করে । তারা তাদের এলাকার কোনো সাধুর সাথে তুলনা করে । যেমন, মহারাষ্ট্রের কোনো লোককে যদি বলা হয় যে জানো, স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু হয়ে অবতার গ্রহণ করেছিলেন তাহলে তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসে, তারা কিছুতেই একথা মানতে চায় না । তারা বাংলাকে এতই অবজ্ঞা করে যে তারা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারে না যে ভগবান বাংলাতে অবতার গ্রহণ করতে পারে । হিন্দিভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা কিছুতেই বাংলার আধিপত্যকে মেনে নিতে চায় না, দক্ষিণ ভারতের লোকেরাও চায় না আর তাই তারা ভাবে যদি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে পূর্ণ অবতার মেনে নেওয়া হয় তাহলে বাঙালিদের ভাও বা ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে তাই তারা নিজেদের ক্ষেত্রের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য তাদের ক্ষেত্রের অবতারীকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে, যেমন সাইবাবা । স্বাধীনতার পর ভারত বিভাগের ফলে যে বিপুল সংখ্যক মানুষ রিফিউজি হয়েছে তাদের জিবন ধারনের মান এত নিম্ন যে তার থেকে ইসকনের সন্যাসীদের জিবন ধারনের মান অনেক বেশি । তুলনামূলকভাবে, রিফিউজিদের জীবন ধারণ একজন সন্যাসীর থেকেও বেশি ত্যাগী । তা সে মনের দিক থেকে ত্যাগী না হলেও পরিস্থিতির বশবর্তী হয়ে সর্বত্যাগী হতে বাধ্য হইয়াছে । 1947 সালের পর এবং 1971 সালে যারা সর্বহারা রিফিউজি হয়েছে, নিজের আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব গুষ্টির লোকেদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্য জাতির লোকেদের তাবেদারী সহ্য করে বেচে আছে তার জন্য পশু বিনয় বাদল দীনেশ, গান্ধী সুভাষ, লাল বাল পাল এবং পরবর্তীতে দেশবন্ধু মুজিবর রহমান দায়ী । একজন রিফিউজি যে ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে থাকে তাতে সেই হলো মহান বৈষ্ণব । একজন রিফিউজি জানে না কাল সে কি খাবে, কি কামাবে, কি অর্জন করবে কিছুরই নিশ্চয়তা নেই । ঠিক বৈষ্ণবদের যেমন শেখানো হয় সে যেনো কাল কি খাবে তার চিন্তা না করে । বৈষ্ণবরা সংসার ছেড়ে পুনরায় একজায়গায় জড়ো হয়ে অনেকটা সাংসারিক জীবের মতই বসবাস করে । তাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব জিনিসেরই দরকার হয় ।
ইসকনের মন্দিরে জামাতে ইসলামী এবং রাজাকাররা আগুন লাগিয়েছে শুনে তোদের তো খুশি হওয়া উচিৎ কারণ নিজ ধর্মের বিকাশের জন্য শয়তান চৈতন্য তোদের রিফিউজি বানিয়েছে ।
মহম্মদ ইউনুস ফ্যান ক্লাব Muhammad Yunus Fan Club
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মহম্মদ ইউনুস ফ্যান ক্লাব Muhammad Yunus Fan Club, Political organisation, Dhaka.
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
