Civil Aviation Authority of Bangladesh

Civil Aviation Authority of Bangladesh

Share

Welcome to this page! This page is dedicated to keeping you updated on the latest developments, news, and important announcements from CAAB.

Photos from Civil Aviation Authority of Bangladesh's post 01/06/2026

১ জুন ২০২৬ তারিখে সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও) স্বীকৃত Aviation Security National Inspectors (ASNI) Course-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচক-এর সদস্য (অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, পিএসসি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মোঃ আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী এবং আইকাও অনুমোদিত প্রশিক্ষক ও কোর্স ইনস্ট্রাক্টর মোহাম্মদ আলমগীর।

এভিয়েশন সিকিউরিটি ব্যবস্থার কার্যকর তদারকি, পরিদর্শন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইকাও নির্ধারিত আন্তর্জাতিক Standards and Recommended Practices (SARPs) বাস্তবায়নে ASNI Course গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক এভিয়েশন নিরাপত্তা পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করবেন, যা দেশের বিমানবন্দরসমূহে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।

দুই সপ্তাহব্যাপী এ কোর্সে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১২ জন এভিয়েশন সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর অংশগ্রহণ করছেন।

27/05/2026
24/05/2026

রপ্তানি কার্গো নিরাপত্তা সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি: ঢাকায় EDD পুনর্বহাল, সিলেটে দ্বিতীয় EDS চালু

বাংলাদেশের বিমানবন্দরসমূহে রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং সক্ষমতা আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর ধারাবাহিক ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে এখন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা থেকে Explosive Detection Dog (EDD) পদ্ধতি ব্যবহার করে সরাসরি যুক্তরাজ্যগামী (UK-bound) রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং পরিচালনার অনুমোদন পুনর্বহাল হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। যুক্তরাজ্যগামী পণ্যের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য হবে, ফলে রপ্তানি কার্যক্রমে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং কোনো ধরনের বিলম্ব বা অতিরিক্ত পুনঃপরীক্ষার ঝুঁকি কমবে। একইসঙ্গে এটি সরাসরি কার্গো পরিবহণ সক্ষমতা বাড়িয়ে রপ্তানিকারকদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ে সহায়তা করবে।

একইসঙ্গে, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্বিতীয় Explosive Detection System (EDS) সচল হওয়ায় রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং কার্যক্রম আরও দ্রুত, নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয় EDS চালু হওয়ায় স্ক্রিনিং সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে কার্গো প্রক্রিয়াজাতকরণে সময় কমবে এবং রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আসবে। পাশাপাশি, বাড়তি চাপ মোকাবিলা সহজ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে, যা রপ্তানিকারকদের জন্য আস্থা ও সুবিধা উভয়ই নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশ থেকে সরাসরি রপ্তানি কার্গো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) ও যুক্তরাজ্যে প্রেরণের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর 3rd Country EU Aviation Security Validated Regulated Agent (RA3) Validation অর্জন করে। এর আওতায় রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিংয়ে EDS, X-ray, ETD এবং EDD—এই চারটি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তবে ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের Department for Transport (DfT) সরাসরি UK-গামী কার্গোর ক্ষেত্রে EDD পদ্ধতির অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করে। পরবর্তীতে বেবিচকের আন্তরিক উদ্যোগ, ধারাবাহিক কূটনৈতিক ও কারিগরি সমন্বয় এবং DfT ও EU-এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যগামী কার্গোর জন্য EDD-এর অনুমোদন পুনর্বহাল করা সম্ভব হয়েছে।

এর ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এখন EDS, X-ray ও ETD-এর পাশাপাশি EDD-এর পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার নিশ্চিত হলো। এতে রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে নতুন নতুন এয়ারলাইনস Air Carrier Carrying Air Cargo and Mail from 3rd Country Airport to European Countries (ACC3) Validation অর্জনের মাধ্যমে সরাসরি কার্গো পরিবহণে সক্ষমতা অর্জন করবে।

অন্যদিকে, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০২১ সালে RA3 Validation অর্জনের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যে সরাসরি রপ্তানি কার্গো কার্যক্রম শুরু করে। কিছু সময় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও ২০২৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে পুনরায় নিয়মিত কার্গো অপারেশন চালু রয়েছে।

সিলেট বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে EDS, X-ray এবং ETD পদ্ধতিতে স্ক্রিনিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। সম্প্রতি বেবিচকের উদ্যোগে দ্বিতীয় EDS চালু হওয়ায় বিমানবন্দরটির রপ্তানি কার্গো স্ক্রিনিং সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর ফলে নতুন নতুন এয়ারলাইনস ACC3 Validation অর্জনে আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং বিমানবন্দরটির কার্গো পরিচালন সক্ষমতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সিলেট থেকে বৃহৎ পরিসরে সরাসরি রপ্তানি কার্গো পরিচালনার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Photos from Civil Aviation Authority of Bangladesh's post 18/05/2026

বেবিচকে ICAO প্রণীত Training Instructors Course (TIC) এর সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত

আজ ১৮ মে (সোমবার) ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর সদর দপ্তরের অডিটোরিয়ামে সিভিল এভিয়েশন একাডেমির উদ্যোগে International Civil Aviation Organization (ICAO) প্রণীত Training Instructors Course (TIC) এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল এভিয়েশন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং দক্ষ ও যোগ্য এভিয়েশন প্রশিক্ষক তৈরি করা, যারা ভবিষ্যতে দেশের এভিয়েশন খাতের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী “Overview of Aviation Training” শীর্ষক একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এতে তিনি ICAO-এর Global Aviation Training (G*T), TRAINAIR PLUS Programme, প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ (Quality Assurance in Training) এবং ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সনদ বিরতণ অনুষ্ঠানে সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী ‘Overview of Aviation Training’ শীর্ষক উপস্থাপনায় ICAO-এর Global Aviation Training (G*T), TRAINAIR PLUS Programme, Quality Assurance in Training এবং ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বেবিচকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ২৪ জন কর্মকর্তা সফলভাবে ICAO প্রণীত Training Instructors Course (TIC) সম্পন্ন করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ গ্রহণ করেন। এই অর্জন তাদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে ওঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচক িএর সদস্য (অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যানিং), এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহ্‌বুব খান, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, পিএসসি।

প্রধান অতিথি এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বক্তৃতায় শুরুতেই সিভিল এভিয়েশন একাডেমিকে এভিয়েশন সেক্টরে নিবেদিত ভূমিকা পালনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও সম্প্রসারণ এবং কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়নসহ বেবিচকের বিভিন্ন বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এভিয়েশন পেশাজীবীর প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষিতে সিভিল এভিয়েশন একাডেমি দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে এবং একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, সিভিল এভিয়েশন একাডেমি বর্তমানে “Rules of the Air” এবং “Aerodrome Operations for ATCOs” নামক দুটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স উন্নয়নের কাজ করছে, যা এভিয়েশন পেশাজীবীদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিশেষ অতিথি এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেন, Air Traffic Management, Aviation Security, Aerodrome Operations এবং Rescue and Fire Fighting-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে Training Need Assessment (TNA)-এর ভিত্তিতে অপারেশনাল প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। Simulation, Field Practice এবং Performance Assessment সমন্বয়ে Next Generation Training নিরাপত্তা ও দক্ষতা বহুগুণে বৃদ্ধি করবে।

সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক জনাব প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী বলেন, এই ২৪ জন কর্মকর্তা এখন আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক হিসেবে Competency-Based Training পরিচালনায় সক্ষম। Job Task Analysis এবং Training Need Assessment (TNA)-এর ভিত্তিতে আমরা Competency-Based Training Assessment (CBTA), Learning Management System, Simulation এবং Digital Content-এর মাধ্যমে সিভিল এভিয়েশন একাডেমিকে আঞ্চলিক Centre of Excellence হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেবিচক এর সদস্যবৃন্দ, পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকবৃন্দ।

04/05/2026

বেবিচকের এভসেক বিভাগের উদ্যোগে ASP ও ICAO USAP-CMA প্রস্তুতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ ০৩ ও ০৪ মে ২০২৬ তারিখে Airport Security Programme (ASP) ও ICAO Universal Security Audit Programme-Continous Monitoring Approach (USAP-CMA) প্রস্তুতি বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করে।

বেবিচক সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় দেশের ৮টি বিমানবন্দরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণে বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করা এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি সংক্রান্ত রেগুলেটরি প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের সম্যক ধারণা প্রদান।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি)। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপ-পরিচালক (চীফ এভসেক ইন্সপেক্টর) এবং ICAO অডিটর ও সার্টিফাইড ইন্সট্রাক্টর জনাব মোহাম্মদ আলমগীর।

এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (এভসেক পলিসি অ্যান্ড সার্টিফিকেশন) জনাব ইফতেখার জাহান হোসেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) খান শাহীনুল বারি, সহকারী পরিচালক (এভসেক পলিসি) জনাব আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, সহকারী পরিচালক (এভসেক ট্রেনিং) জনাব শারমিন খানম এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম।

কর্মশালায় CAAB-এর প্রণীত ‘মডেল ASP Checklist’-এর বিভিন্ন ধাপ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রোগ্রাম প্রণয়ন, হালনাগাদ ও অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে। মোট ৪০ জন কর্মকর্তা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা প্রোগ্রাম (NCASP) অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি বিমানবন্দরের জন্য লিখিত ASP প্রণয়ন এবং তা বেবিচক কর্তৃক অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এ প্রেক্ষাপটে, বেবিচকের এভসেক বিভাগের এ উদ্যোগ বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত করতে সহায়ক হবে।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ASP প্রণয়ন ও নিয়মিত হালনাগাদের মাধ্যমে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ মান নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় বিধি অনুসরণ এবং আসন্ন ICAO অডিটে কমপ্লায়েন্স অর্জন সহজতর হবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিমান নিরাপত্তা বিষয়ক অডিট পরিচালনা করবে। ২০১৮ সালের সর্বশেষ অডিটের পর ICAO-এর প্রয়োজনীয়তা ও কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ফলে আসন্ন এই অডিট বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। আয়োজকরা জানান, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত আকাশপথ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫, ৬ ও ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বেবিচকের এভসেক বিভাগ বাংলাদেশে পরিচালনাকারী ৩৬টি বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৬৫ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে “Supplementary Station Procedure (SSP)” প্রস্তুতি বিষয়ক তিনটি কর্মশালা আয়োজন করে।

Photos from Civil Aviation Authority of Bangladesh's post 30/04/2026

বেবিচক সদর দপ্তরে আকস্মিক অগ্নিনির্বাপন মহড়া: প্রস্তুতি ও তৎপরতা যাচাই করলেন চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সদর দপ্তরে অগ্নিকাণ্ড ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের লক্ষ্যে এক আকস্মিক ‘ফায়ার অ্যালার্ম ড্রিল’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকেলে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি এর নির্দেশে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়।

ঘটনাপ্রবাহে দেখা যায়, সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা বাস্তবসম্মতভাবে যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে হঠাৎ করেই ফায়ার অ্যালার্ম বাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অ্যালার্ম বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে ভবনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত নির্ধারিত ‘অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট’-এ অবস্থান নেন, যা মহড়ার সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহড়ায় অংশগ্রহণকারীদের আগুনের বিভিন্ন প্রকারভেদ এবং প্রতিটি প্রকার অনুযায়ী উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক (এক্সটিংগুইশার) ব্যবহারের প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করা হয়।

মহড়া শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, মহড়া ও সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আজকের এই আকস্মিক ড্রিলের মাধ্যমে আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রস্তুতি ও দক্ষতা কার্যকরভাবে যাচাই করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মহড়া নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সবাই আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

ড্রিল চলাকালীন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নির্দেশনা অনুসরণ করে দ্রুত ভবন ত্যাগ, আহতদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহারের বাস্তবধর্মী ধারণা প্রদান করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সচেতনতা বাড়াতে তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এ ধরনের আকস্মিক ও বাস্তবমুখী মহড়া শুধু তাৎক্ষণিক প্রস্তুতি যাচাই করতেই সহায়ক নয়, বরং সার্বিক নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ফলে বেবিচক সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত, কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

29/04/2026

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দেশের আকাশপথ ব্যবস্থাপনায় উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত ✈️

Photos from Civil Aviation Authority of Bangladesh's post 28/04/2026

সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ম্যানেজার কোর্স অনুষ্ঠিত

দেশের বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে আয়োজিত “এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ম্যানেজার কোর্স–২৫” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোর্সের সমাপনী উপলক্ষে আজ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একাডেমি প্রাঙ্গণে সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, কোর্সটি গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে শুরু হয়েছিল।

কোর্সে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন এবং বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার আধুনিক দিকসমূহে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক ও আইকাও ইন্সট্রাক্টর প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তীসহ এভিয়েশন খাতের অভিজ্ঞ ও দক্ষ বিশেষজ্ঞবৃন্দ।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের বিমানবন্দর নিরাপত্তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক যেমন—হুমকি শনাক্তকরণ, ঝুঁকি বিশ্লেষণ, যাত্রী ও মালামাল স্ক্রিনিং, এক্স-রে ইমেজ বিশ্লেষণ, বিস্ফোরক শনাক্তকরণ কৌশল, এভিয়েশন সিকিউরিটি রেগুলেশন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের নির্দেশনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।

সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে বেবিচক সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) নির্ধারিত মানদণ্ড বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখবেন।

সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী বলেন, দেশের বিমানবন্দরসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এ ধরনের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, এই কোর্সের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও কার্যকারিতা আরও সুদৃঢ় হবে।

প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, কোর্সটি তাদেরকে বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার আধুনিক কৌশল ও আন্তর্জাতিক মান সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, এই কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের বিমানবন্দরসমূহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (ICAO) নির্ধারিত মানদণ্ড বাস্তবায়নে সহায়ক হবেন।

27/04/2026

জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি (NATFC) এর ৯ম সভা অনুষ্ঠিত

২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি এর সভাপতিত্বে জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি (NATFC) এর ৯ম সভা বেবিচক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সদস্য-সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচক-এর সদস্য নিরাপত্তা এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি,এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি)। এছাড়াও সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (কাস্টমস), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিঃ, এয়ারলাইন্স অপারেটিং কমিটি, বাংলাদেশ পুলিশ, ইমিগ্রেশন ও বেবিচক এর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

International Civil Aviation Organization (ICAO)-এর Annex-9 অনুযায়ী প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কার্যকর এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি গঠন এবং নিয়মিত সভা আয়োজন করা একটি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার। এই কমিটির মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে যাত্রী, ব্যাগেজ ও কার্গো চলাচলকে সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, ICAO-এর USAP-CMA (Universal Security Audit Programme – Continuous Monitoring Approach) অডিটে জাতীয় পর্যায়ের গঠিত National Air Transport Facilitation Committee (NATFC)-এর নিয়মিত সভা আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সভায় NATFC-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলা হয় যে, বিমানবন্দরসমূহে যাত্রীসেবা সহজীকরণ, অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগত জটিলতা হ্রাস, তথ্য বিনিময় প্রক্রিয়া উন্নয়ন এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক এভিয়েশন ব্যবস্থাপনায় একটি দক্ষ ও আধুনিক পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে ফ্যাসিলিটেশন কার্যক্রমের উন্নয়ন সরাসরি বিমানবন্দর পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং সময় ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান বেবিচক উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিলিটেশন এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ও পরিপূরক। যথাযথ ফ্যাসিলিটেশন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হলে নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, যা বিমানবন্দরসমূহে একটি সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, বেসামরিক বিমান চলাচল আইন, ২০১৭ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৭ প্রণয়নের ফলে এ কমিটির প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও কার্যপরিধি আরও শক্তিশালী হয়েছে।
সভায় বিমানবন্দরসমূহে বিদ্যমান ফ্যাসিলিটেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, যেমন যাত্রী প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, সমন্বয়ের ঘাটতি এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, সমন্বিত কর্মপদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়াও সভায় সিদ্ধান্তসমূহের কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং অগ্রগতি যাচাই কার্যক্রম জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করা হয়, যাতে NATFC একটি কার্যকর সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেশের এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সার্বিকভাবে, এ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, যাত্রীসেবার উন্নতি, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদারকরণ, আসন্ন ICAO USAP-CMA, এভিয়েশন সিকিউরিটি পরিবেশের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Kurmitola
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00