Bangladesh Justice & Development Party

Bangladesh Justice & Development Party সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি এবং ন্যায়বিচারই আমাদের প্রধান লক্ষ্য; রাজনীতি নয়।

জটিল নিয়মকানুন ও নীতিগত অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে ক...
01/11/2026

জটিল নিয়মকানুন ও নীতিগত অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে কী ধরনের বাধা তৈরি করছে, তা তুলে ধরেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। বিস্তারিত সাক্ষাৎকার পড়ুন বণিক বার্তায়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী অন্তত ৩ জন ছাত্রদল নেতাকর্মীকে ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করেছে দ্য ডিসেন...
08/10/2026

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী অন্তত ৩ জন ছাত্রদল নেতাকর্মীকে ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করেছে দ্য ডিসেন্ট। তারা হলে শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম ও ছাত্রদল কর্মী বিশাল চক্রবর্তী।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে যাত্রী ভোগান্তির ঘটনায় প্রতিবাদ করার পর বীর মুক্ত...
02/10/2026

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে যাত্রী ভোগান্তির ঘটনায় প্রতিবাদ করার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়—ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি চাই।

🇧🇩 বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি

ন্যায়বিচার • জবাবদিহি • জনগণের অধিকার

🇺🇸 ডাকসু ভিপির সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভ...
23/08/2026

🇺🇸 ডাকসু ভিপির সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর ভিপি সাদিক কায়েমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দল। আজ রবিবার (২৩ আগস্ট) ডাকসু ভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার জেমস এ. স্টুয়ার্ড এবং পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি অফিসার স্কট হার্টম্যান উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, গবেষণা, একাডেমিক এক্সচেঞ্জ, ফেলোশিপ ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও আর্থিক সহায়তার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম মেধাবী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ ও গবেষণার সুযোগ আরও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, আবেদন প্রক্রিয়া, ইংরেজি ভাষা দক্ষতা, গবেষণা ও একাডেমিক লেখালেখি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও কাউন্সেলিং আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ, নেতৃত্ব বিকাশ, পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি কার্যক্রম এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শিক্ষা ও পেশাগত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তৈরির সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

🎓 বাংলাদেশের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণে এ ধরনের যোগাযোগ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ।

#ডাকসু #সাদিককায়েম #ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় #উচ্চশিক্ষা #স্কলারশিপ #গবেষণা

ডাকসু যদি বিদেশি কোম্পানিগুলোকে নিয়ে জব ফেয়ার আয়োজন করতে পারে, তাহলে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকার কেন এমন উদ্যোগ...
21/08/2026

ডাকসু যদি বিদেশি কোম্পানিগুলোকে নিয়ে জব ফেয়ার আয়োজন করতে পারে, তাহলে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকার কেন এমন উদ্যোগ নিতে পারবে না?

দক্ষতার অভাব, আগ্রহের অভাব, পরিকল্পনার অভাব—নাকি সময়ের অভাব?

আমাদের তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন উদ্যোগ, সমন্বয় ও বাস্তব পদক্ষেপ। 🇧🇩

জামায়াতের সাথে মূল সমস্যাটা আসলে জনগণের নয়—সমস্যাটা তাদের, যারা প্রশাসনে বসে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়...
19/08/2026

জামায়াতের সাথে মূল সমস্যাটা আসলে জনগণের নয়—সমস্যাটা তাদের, যারা প্রশাসনে বসে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত। দেশের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য দরকার সৎ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব, যারা প্রশাসনের কালো টাকার খেলা বন্ধ করতে সাহস রাখে।

আপনার মতামত জানান কমেন্টে। 👇

#বাংলাদেশ #দুর্নীতিমুক্তবাংলাদেশ #সুশাসন

জাপানি কোম্পানির লোকাল পার্টনার হয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার দুটি মেগা ব্রিজ প্রজেক্টের কাজ পেতে যাচ্ছে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও ব...
18/08/2026

জাপানি কোম্পানির লোকাল পার্টনার হয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার দুটি মেগা ব্রিজ প্রজেক্টের কাজ পেতে যাচ্ছে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রভাবশালীর সন্তান সাইদ ইব্রাহিমের প্রতিষ্ঠান 'স্টালিয়ন ক্যাপিটাল'। সম্প্রতি উঠে আসা কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট (স্বার্থের দ্বন্দ্ব) ও রাজনৈতিক প্রভাবের নানা অভিযোগের জবাবে সাইদ ইব্রাহিম একটি ফেসবুক পোস্ট দেন। তবে সেই জবাবে মূল অভিযোগগুলোর স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে বিষয়টিকে অন্য খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।

অভিযোগের মূল জায়গা ও সাইদ ইব্রাহিমের জবাব
উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মূল কথা ছিল—অবকাঠামো বা বড় কোনো ফিজিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি দুই বছর বয়সী প্রতিষ্ঠান এত বড় প্রজেক্টের 'লোকাল পার্টনার' হয়ে গেল?

এর জবাবে সাইদ ইব্রাহিম তাঁর ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ এবং এনসিপির সমালোচনা করলেও নিজের প্রতিষ্ঠানের ইনফ্রাস্ট্রাকচার সংক্রান্ত কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিতে পারেননি। তিনি দাবি করেন, তিনি ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজে ১০০ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ (FPI) এনেছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট (FPI) এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। FPI মূলত শেয়ার বা বন্ডে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ, যেখানে ব্যবসার বা প্রজেক্টের সরাসরি পরিচালনায় অংশ নিতে হয় না। অন্যদিকে, সেতুর মতো মেগা প্রকল্পে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI), যার জন্য অবকাঠামোগত ও কারিগরি অভিজ্ঞতা অপরিহার্য।

জাপানি কোম্পানি 'মিয়াগাওয়া কেনসেতসু' ও এর অস্পষ্টতা
অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই প্রকল্পের মূল জাপানি কোম্পানি Miyagawa Kensetsu-এর ক্যাপিটাল মাত্র ৮০ মিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ০.৫ মিলিয়ন ডলার) এবং তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে তারা মূলত পোর্ট ও কোস্টাল প্রজেক্টের কথা উল্লেখ করেছে। এখন পর্যন্ত তাদের বড় কোনো ব্রিজ নির্মাণের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। ২০০৮ সালে সম্পন্ন করা তাদের সর্বোচ্চ বড় কাজটি ছিল ২.৫ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রজেক্ট, যেখানে তারা যৌথভাবে যুক্ত ছিল।

জাপানি প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটিকে মূলত একটি ছোট ও মাঝারি (SME) আকারের কোম্পানি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার কর্মী সংখ্যা মাত্র ৩৪ জন। এমনকি ২০২০ সালে এই কোম্পানিটি যখন বরিশাল অঞ্চলে ব্রিজ তৈরির প্রস্তাব নিয়ে মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক সংক্রান্ত কমিটিতে যায়, তখন কোনো অগ্রগতি হয়নি। অথচ, সেই কোম্পানিটিকেই এখন ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা) মেগা প্রজেক্টের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

'কনসালটেন্ট' নাকি 'লোকাল পার্টনার'?
সাইদ ইব্রাহিম পোস্টে দাবি করেছেন, স্টালিয়ন ক্যাপিটাল মূলত কন্সাল্টেন্সি এবং বিনিয়োগ আনার কাজে যুক্ত থাকবে, সেতু নির্মাণে নয়। কিন্তু তাদের নিজেদের ওয়েবসাইটের তথ্য ও সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদের তথ্য বলছে ভিন্ন কথা।

স্টালিয়ন ক্যাপিটালের ওয়েবসাইটে স্পষ্ট বলা আছে, তারা এই প্রজেক্টের "Key local partner and investment consultant"। কেবল পরামর্শক নয়, ওয়েবসাইটটিতে তারা ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন (EPC) এবং টার্নকি সার্ভিসেস প্রদানের কথাও গর্বভরে উল্লেখ করেছে। এক মেগা প্রজেক্টের কনসালটেন্সি করা প্রতিষ্ঠান নিজেদের McKinsey বা BCG-এর মতো গ্লোবাল কনসালটেন্সি ফার্মের সাথে তুলনা করলেও, ওয়েবসাইটে তারা অবকাঠামো খাতে নিজেদের "প্রুভেন ট্র্যাক রেকর্ড" দাবি করছে—যা বাস্তবে অনুপস্থিত।

কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টের প্রশ্ন সাইদ ইব্রাহিমের পিতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে সরকারের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। সাইদ ইব্রাহিম দাবি করেছেন, তাঁর পিতা সেতু বিভাগের দায়িত্বে না থাকায় এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (Conflict of Interest) নেই। কিন্তু নিরপেক্ষ মহলের মতে, সরকারি উচ্চপর্যায়ে পরিবারের সদস্য থাকা অবস্থায় অনভিজ্ঞ কোনো প্রতিষ্ঠানের এত বড় মেগা প্রজেক্টের আলোচনায় যুক্ত হওয়া স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

বর্তমানে অর্থনৈতিক অবস্থা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রজেক্টে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সঠিক যাচাই-বাছাই (Diligence) নিশ্চিত করা না হলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জবি ছাত্রদল আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সংক্ষিপ্ত পরিচয়।মেহেদী হাসান হিমেল ২০০৮-২০০০৯ সেশন। ১৭ বছর যাবৎ অনার্স করছে।শামসুল আর...
06/08/2026

জবি ছাত্রদল আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সংক্ষিপ্ত পরিচয়।
মেহেদী হাসান হিমেল
২০০৮-২০০০৯ সেশন। ১৭ বছর যাবৎ অনার্স করছে।

শামসুল আরেফিন
২০০৯-২০১০ সেশন। ১৬ বছর যাবৎ অনার্স করছে।

শ্লার ভাই শ্লারা সঠিক বয়সে বিয়ে করলে এদের পোলা-মাইয়া জবি’র শিক্ষার্থী থাকতো এখন 😁

রাজধানীর বিভিন্ন ক্যাম্পাসে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে ...
05/08/2026

রাজধানীর বিভিন্ন ক্যাম্পাসে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায়।

সেখানকার শাখা ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের উত্তেজনা ছড়িয়ে আশপাশের এলাকায়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের সামনে দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, হলের সিট দখলকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্রসংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বিকেলের দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের দেশীয় অ স্ত্র হাতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মুখোমুখি অবস্থান নিতে দেখা যায়।

এদিকে বিকেলের দিকে আলিয়া মাদ্রাসা এলাকার এ সংঘর্ষে ছাত্রদলের সঙ্গে যোগ দেয় বিএনপির অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ঘটনাস্থলে মাথায় হেলমেট ও হাতে পাইপ নিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার পর সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মোড় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন রবিউল ইসলাম নয়ন।

এ সময় তাকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।

নয়নকে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করছেন না কেন। আপনারা সামনে যান। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।’

©কালবেলা

গণমাধ্যমের প্রফেশনালিজমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, নাকি প্রশ্নবিদ্ধ নিরপেক্ষতা?একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের প্রধান দায...
30/07/2026

গণমাধ্যমের প্রফেশনালিজমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, নাকি প্রশ্নবিদ্ধ নিরপেক্ষতা?

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্য, নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ সংবাদ জনগণের সামনে তুলে ধরা। কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে অন্য পক্ষের বক্তব্য বা সংবাদ উপেক্ষা করলে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি তথ্যচিত্রে দাবি করা হয়েছে যে, কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করলেও, একই সময়ে বিরোধী দলের আরেক নেতাকে নিয়ে তুলনামূলকভাবে খুব কম বা কোনো সংবাদ প্রকাশ করেনি। যদি এই তথ্য সঠিক হয়ে থাকে, তবে এটি গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দেয়।

গণমাধ্যম কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকারের মুখপাত্র নয়; তারা জনগণের তথ্য জানার অধিকার রক্ষার অন্যতম স্তম্ভ। তাই সংবাদ নির্বাচনে ভারসাম্য, তথ্য যাচাই এবং সকল পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করাই হওয়া উচিত সাংবাদিকতার মূলনীতি।

নিরপেক্ষ গণমাধ্যমই শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি।
আপনার মতে, আমাদের গণমাধ্যম কি সত্যিই সকল পক্ষের সংবাদ সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করছে? আপনার মতামত জানান।

#গণমাধ্যম #সাংবাদিকতা #নিরপেক্ষতা #গণতন্ত্র #বাংলাদেশ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Justice & Development Party posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share