Bangladesh political movement

Bangladesh political movement

Share

we watch all political movement in bd.

30/05/2026

হাসিনার ফেরত আসার এবং আওয়ামী লীগকে নর্মালাইজ করার একটা সাইবার এবং মিডিয়া কেম্পেইন চলতেছে।

কারো নাম উল্লেখ না করে, কি হচ্ছে সেটার একটা আইডিয়া দেই:

১। গত কয়েক মাস ধরে টোকাই শ্রেণীর কিছু রাজনৈতিক অপারেটরদেরকে কো-অপ্ট করা হয়েছে টিভির টক শোতে গিয়ে নানা ভাবে আওয়ামী লীগ, একাত্তর , চেতনা , ইউনুস , হাম , ৩২ নম্বর ইত্যাদি নানা ধরণের ইস্যুতে আলাপ জমানোর জন্যে ।

এখানে এমন কিছু টোকাইও আছে যারা জুলাই এর সময় আওয়ামী বিরোধী ছিল, কিন্তু যারা এখন আবার চেতনা , রবীন্দ্রনাথ , ৩২ নম্বর , একাত্তর ইত্যাদি ঝান্ডা ধরে দাঁড়িয়েছে।

২। কিছু প্রবাসী ফেসবুক একাউন্ট থেকে প্রতিদিন আলাপ আসছে, হাইপ তোলা হচ্ছে যে হাসিনা ফিরছেন খুব শিগ্রই। বিদেশের রাস্তায় বাংলা স্টাইলে মিছিল হচ্ছে , বিদেশের মাটিতে ইউনুস কিংবা এনসিপির কাউকে পেলে হ্যানস্ত করা হচ্ছে।

৩। আওয়ামী ফ্রেন্ডলি কিছু মিডিয়া ব্যক্তিত্বকে টিভি স্টেশন গুলি খুব গুরুত্বের সাথে নিয়মিত ডাকছে। এদের সাথী হচ্ছেন বিএনপি পন্থী কিছু ইউজফুল ইডিয়টস, যারা এনসিপি , জামায়াতের বিরোধিতা করতে গিয়ে আওয়ামী ফ্রেন্ডলি কথা বলছেন, যার সুদূর প্রসারী নেগেটিভ ইম্প্যাক্ট বিএনপির উপর পরবে।

৪। বেশ কিছু উগ্র পন্থী আওয়ামী একাউন্ট থেকে প্রচুর থ্রেট দেওয়া হচ্ছে মূলত জুলাইপন্থী মিডিয়া এবং অনলাইন এক্টিভিস্টদের। মেরে ফেলার থ্রেট কিংবা ফিজিক্যাল আক্রমণের ভাষা ব্যাবহার করে। কয়েকটা ভিডিওতে "রক্ত", "জবাই " , "সাফা করে ফেলা " ইত্যাদি ভাষার ব্যাবহার শুনলাম।

৫। রাস্তায় ঝটিকা মিছিল বাড়ানো হয়েছে, এবং সরকারের মধ্যে একটা ওয়েট এন্ড সি এপ্রোচ দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের এই হঠাৎ লাফ ঝাঁপ ট্যাকেল করার ক্ষেত্রে।

এবার আসি প্রেডিকশনে।

হাসিনার যদি দেশে ফিরে আসার ইচ্ছা থাকে , তাহলে তাকে এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করেই গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যেতে হবে। উনার সাথে যারাই আসবে , তাদের সবাইকে জেলে যেতে হবে নিশ্চিত ভাবে।

স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জেলে যাওয়া একটা রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে , কিন্তু সেটা অত্যন্ত রিস্কি একটা কৌশল হবে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জন্যে । এতো রিস্ক তারা নেবেন কেন ?

গত ২ বছরে , হাসিনার সব চাইতে কাছের মিত্র ভারত এবং ইউরোপ থেকে কোন প্রকার চাপ দেওয়া হয় নাই বাংলাদেশের ইউনুস এবং তারেক সরকারকে হাসিনাকে বা তার দলকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে।

দেশে একটা ইলেকশন হয়েছে , কোন দেশ থেকে সেই ইলেকশনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করা হয় নাই আওয়ামী লীগের অনুপস্থিথির কথা বলে।

অর্থাৎ , সারা দুনিয়াতে একটা কনসেন্সাস আছে পলাতক আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।

হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে বিচার চালিয়ে গেলেও সেই কনসেন্সাস অটুট থাকবে।

একারণে হাসিনার যদি দেশে ফিরে আসলেই জেলে যাওয়ার শখ থাকে, তার এক মাত্র কারণ হতে পারে যে তারা দেশে ফিরেই খুব ভায়োলেন্ট একটা পরিস্থিতি তৈরী করতে পারবেন, এবং তার সমর্থকরা ভায়োলেন্স করে তাকে বের করে আনতে পারবে।

কিন্তু ইউনূসের মতো দুর্বল একটা সরকারকে পলাতক আওয়ামী লীগ এবং তাদের প্যাট্রন ইন্ডিয়া ভায়োলেন্স করে ভয় দেখতে পারে নাই।

একারণে বর্তমান সরকার এবং বর্তমান বিরোধী দলকে ভয় দেখিয়ে সফল হবার সম্ভাবনাও খুবই কম।

অর্থাৎ , যেভাবে হাসিনা ফিরে আসবে এবং এসেই তার লোকজন দেশে প্রতিশোধ তোলা শুরু করবে বলে হাইপ তুলছেন , সেটা সফল হবার সম্ভাবনা প্রাক্টিক্যালি আগামী কয়েক বছরে নাই।

তাহলে তারা হাইপ তুলছেন কেন ?

কারণ দুইটা: ১। তারা অতীত থেকে কোনোই শিক্ষা নেন নাই , ২। তাদের আসলে এই মুহূর্তে ইন্টারনেটে হাইপ তোলা ছাড়া করার মতো কোন কাজও নাই।

18/05/2026

জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছতে হবে কেন? থাকুক না গ্রাফিতি। জুলাই আমাদের সবার আবেগ।

‎পাশাপাশি ৭১ এর গ্রাফিতিও আঁকা হোক। একাত্তরও আমাদের আবেগ। আরো অনেক বড় পরিসরের আবেগ।

‎পাশাপাশি থাকুক না দুটাই।

16/05/2026

We will miss you, Kaarina....

16/05/2026

কারিনা কায়সার মারা গেছেন! তার যে শারীরিক অবস্থার খবর জেনেছিলাম তাকে খুব বেশি আশাবাদী ছিলাম না। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেয়া উচ্ছল মেয়েটির এই মৃত্যু নিঃসন্দেহে খুবই কষ্টের! তার অসুস্থতার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বেশ কিছু আওয়ামী জা নো য়া র, হাসিনা পালানোর পর গণভবনে তার উপস্থিতির ছবি/ ভিডিও দিয়ে তীব্র অসুস্থতার জন‍্য আনন্দ প্রকাশ করেছে! এর মধ্যে দেখলাম বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল নামে এক কবি নামধারী দুর্বৃত্ত ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে। তার ভাষায় ২৪ এর জুলাই আগস্টে সাজানো-গোছানো দেশটা নাকি ধ্বংস করা হয়েছে! এই অমানুষগুলো নাকি এখন সেই পাপের শাস্তি পাচ্ছে!🧐
“নিমগ্ন ও অর্জিতা” নামে দুই কন‍্যা সন্তানের পিতা এই দুলাল, নিজের নামের আগে লেখেন কবি! থাকেন কানাডায়!
হাসিনার একের পর এক গুম-খুন, মামলা- হামলা, ভোটাধিকার-মানবাধিকার হরণ নিয়ে ১৭ বছরে একটা টু শব্দ ও উচ্চারণ করেন নি এই দুলাল গং। বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাগিয়ে নেওয়া সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলালের জন‍্য করুণা!
পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্মই হয় পা চাটার জন‍্য, দু একটা পদক বা পজিশনের জন‍্য এরা যে কোন কিছু করতে পারে! অনেকেই মনে করেন যারা সাহিত্য চর্চা করেন বিশেষত কবি তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সংবেদনশীল মানবিক মানুষ- কিন্তু বাংলাদেশের কবি- সাহিত্যিকদের একটা অংশ এই সাইনবোর্ডটি ব্যবহার করে উপাসনা করে দুর্বৃত্তদের, মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়া স্বৈরাচারের…! কাব‍্য চর্চা বা উন্নত দেশে বসবাস কোন কিছুই এইসব দু র্বৃ ত্তদের রক্তের ভেতরে প্রবহমান অন্ধকার-আলোর মুখ দেখে না…🙂‍↔️

29/04/2026

বাংলাদেশের সমসাময়িক সময় রাশিয়া নিজ দেশে যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে তার নাম - Kursk II Nuclear Power Plant।

এইটি ২০১৮ সালে নির্মাণ শুরু হয়, রুপপুর ২০১৭ সালে। কুর্স্ক অপারেশনে চলে গেছে অলরেডি। বাংলাদেশেরটা পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে।

কুর্স্কে ৪টি ইউনিট হবে। দুইটি ইউনিট কমপ্লিট হয়েছে। খরচ ৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশে ২ ইউনিটের খরচ ১২ বিলিয়ন ডলার।

সেইম নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, ভিন্ন দেশে প্লান্ট। খরচের পার্থক্য রাত দিন।

আবার বলে হাসিনা দুর্নীতি করে নাই!!!

সারাদুনিয়ায় রূপপুরের মত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ৩-৪ বিলিয়ন ডলারেই নির্মিত হয়।

09/04/2026

একটা দল জান্নাতের টিকিট বেইচা ৭৭টা সিট লইয়া বিরোধী দলে আসীন হইতে পারসে।

মাগার ইরান ইস্যুতে নিন্দাজ্ঞাপন কইরা সরকার থেকে একটা বিবৃতি আদায় কইরা নিতে পারে নাই।

অন্ততঃ সংসদে এইটা নিয়ে জবাবও চাইতে পারে নাই, এত এত ফ্লোর পাওয়ার পরেও।

সেই দলকে গৃহপালিত বিরোধীদল 'জাপা ভার্সন ২.০' আখ্যা দেয়া যাবে কিনা, জানি না।

আর ঠিক এজন্যই তাদের ক্ষমতায় আসীন হওয়ার আকাশকুসুম স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থাইকা যাবে।

দেখেন, ইউনুস আমলে ইউএসের সাথে নানা নন-ডিসক্লোজার চুক্তি কইরা আমাদের দাসত্বের শেকল পরাইয়া দেয়া হইসে।

ফলে পরবর্তী সরকার চাইলেই ইরান ইস্যুতে এখন স্বপ্রণোদিত হইয়া কিছু বলতে বা করতে পারছে না।

এই জায়গায় দরকার ছিল সংসদে শক্তিশালী একটা বিরোধী দল।

তারা প্রেশার দিলে সরকার তখন সেই প্রেশারকে উসিলা দেখাইয়া অন্তত আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের সার্বভৌম অবস্থান জানান দিতে পারতো।

কিন্তু না! এই গৃহপালিত ধর্মভিত্তিক দলটার একমাত্র রাজনৈতিক জপমালা হইলো ‘সনদ’।

এই ‘সনদ সনদ’ তসবিহ জপতে জপতেই তাগো ৫ বছর কাইটা যাবে মনে হচ্ছে।

অথচ এই দলকানাগুলো এটা বুঝতে অক্ষম যে—আদতে সরকারেরই সুক্ষ্ম চাল এইটা, যাতে বিরোধীদল শুধু সনদ আর মাইনর ইস্যু নিয়েই পইড়া থাকে।

কারণ সরকার অলরেডি যেই সনদে সই করছে, ‘নোট অব ডিসেন্ট’সহ তা তো বাস্তবায়ন শুরু কইরা দিসে। লীগ নিষিদ্ধসহ অনেক আইন ইতিমধ্যে পাশ হইয়া গেসে।

কিন্তু সে ইচ্ছা করে মাঝেমধ্যে ন্যাকামো কইরা ভাইব দেয় যে—'আমরা যদি অমুক জিনিস না করি?'

আর অমনি আমাদের ‘আবুল’ জান্নাতি দল হৈ-হুল্লোড় শুরু কইরা দেয়।

পরে দেখা যায়, সরকার অলরেডি কাজটা সনদ মতেই সাইরা ফেলছে এবং তাগো হই-হুল্লোড়ের কারণটাই ছিল পুরাই ভুয়া।

এভাবে একদিকে বিরোধীদলরে বেহুদা ইস্যুতে বিজি রাখা হইতেসে, অন্যদিকে জনগণের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা আর ওজন—দুইটাই কমাইয়া "গৃহপালিত বিরোধীদল" হিসেবে পরিচিত করানো হচ্ছে।

আবুলদের এই হাবলামির জন্য মাঝ দিয়ে সরকার নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জবাবদিহিতা থেইকা স্রেফ বাইচা যাইতেসে।

এই সিম্পল স্ট্র্যাটেজিটা সারাজীবন ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স করা জান্নাতি দলের ভাইগুলা আদৌ বুঝবে বইলা মনে হয়?

এটাই তাইলে "ভোট মানেই ঈমানের আমানত" এর বাস্তবরূপ?

– সাজিদ আব্দুল্লাহ

05/04/2026

ইলিয়াস আলীকে গু"ম করে হ"ত্যার অন্তত এক সপ্তাহ পর তার পরিবারের কাছে গিয়ে শান্তনা দেবার এই নাটক সাজানো হয়!! শুধু তাই নয়, ইলিয়াস আলী যে আসলেই নিখোঁজ, তাকে খোজা হচ্ছে এটা স্ট্যাবলিশ করতে এর পরেও আরও একাধিক নাটক সাজায় সরকার র‍্যাব কে দিয়ে!
উল্লেখ্য, ইলিয়াস আলীকে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল ঢাকার বনানী এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায় র‍্যাবের একটি দল। এরপর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে কোনো এক সময় তাকে হ"ত্যা করা হয় এবং পরে ধলেশ্বরী নদীতে লা"শ ডুবিয়ে দেওয়া হয়। গু"ম এর প্রায় ১১ দিন পর বা তাকে হ"ত্যার প্রায় এক সপ্তাহ পর ২৮ এপ্রিল, গু"ম ও খু"নের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা তার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং সমবেদনা জানানোর নাটক করে!!!!
ইলিয়াস আলীকে অপহরণের পর গু"ম করার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ হয়। সিলেটে তুমুল বিক্ষোভ দমনে গু"লিও চালিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের গু'লিতে বিশ্বনাথে ইলিয়াস আলীর নির্বাচনী এলাকায় ৩ জন নি"হত হয়েছিলেন। তখনই আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ এক বক্তব্যে উপহাস করে বলেছিলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার শাড়ির আঁচলে ইলিয়াস আলী লুকিয়ে আছেন।’
এদিকে হ"ত্যাকান্ডের ঘটনার ও চারদিন পর র‌্যাব সদর দপ্তরের মোশতাক নামে এক কর্মকর্তা ইলিয়াস আলীর স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ফোন করে শোনান আশার বাণী। ওই র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, আমাদের কাছে ইনফরমেশন আছে, উনাকে (ইলিয়াস আলী) পাওয়া যেতে পারে, আপনারা প্রিপারেশন রাখেন। এরপর ওই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও একদিন ফোন করে একই কথা শোনান।
গুমের কয়েকদিন পর জনৈক এক ব্যক্তি ফোন করে ইলিয়াস আলীর স্ত্রীকে জানান, ইলিয়াস আলী জীবিত আছেন। আপনি ইচ্ছে করলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। কীভাবে সাক্ষাৎ করা যায় সেটাও তিনি বলে দিলেন। এরপরেই ২৮ তারিখের এই সাক্ষাতের নাটক মঞ্চস্থ হয়। পিতাকে হত্যা করে দুই পুত্র ও শিশুকন্যাকে শেখ হাসিনা মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনাও দেয়!
শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের কিছুদিন পর গাজীপুরের পুবাইল থেকে ইলিয়াস আলীর স্ত্রীর মোবাইলে আরও একটি ফোন আসে। এক নারী ফোন করে জানান, ইলিয়াস আলীকে পাওয়া যেতে পারে, দ্রুত পুবাইলে আসেন। বেশ কয়েকজন দলীয় নেতা ও র‌্যাব কর্মকর্তা মোশতাকসহ দ্রুত পুবাইলে যায় পরিবার। সেখানে যাওয়ার পর স্থানীয়রা জানান, একজন লোককে মাইক্রোবাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এরপর তার স্ত্রীর কাছে আরও একটি উড়ো খবর আসে- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়া যেতে পারে। সেখানে র‌্যাব অভিযান চালায়। পরে ইলিয়াস আলীর পরিবার জানতে পারে, বিভ্রান্ত করতেই বার বার এমন খবর রটানো হয়।
শেখ হাসিনার নির্দেশে ইলিয়াস আলীকে প্রথমে অপহরণের পর গুম এবং খুনের পর র‌্যাব এভাবেই নির্মম নাটক করে তার পরিবারের সঙ্গে!!! অথচ তারা সকলেই জানতো ইলিয়াস আলী আর ফিরে আসবে না, তাকে হত্যা করে নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের সাথে কি নির্মম রসিকতা দেখছে এ জাতি!

Photos from আমি মুসলিম's post 16/03/2026
05/03/2026

fans

নতুন গভর্নর
হিসাববিদের হিসাব মিলবে কতটা
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের গভর্নরের বৈশিষ্ট্য নিয়ে কথা বলছিলেন। কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হতে যে একজন অর্থনীতিবিদ হতে হবে তা নয়। একজন হিসাববিদও কিন্তু গভর্নর হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। কারণ হিসাবের মধ্যেই থাকেন একজন গভর্নর। আর তার সে হিসাব হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ রাখা, সুদের হার ভারসাম্য রাখা।

একই অনুষ্ঠানে একই সুরে কথা বলেছিলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। তিনি বক্তব্যে অতিরিক্ত যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন তা হলো- কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেক সময় একজন হিসাববিদের কাছে নিরাপদ থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে তাকে খুব সচেতনভাবে কাজ প্রয়োজন।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের চেয়ারে বসেন হিসাববিদ মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি মূলত একজন পোশাক খাতের সফল ব্যবসায়ী। তবে গভর্নর হিসেবে নাম ঘোষণার পর দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। অবশ্য গঠনমূলক সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত মোস্তাকুর রহমান।

এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি গণমাধ্যমে যে বার্তাটি দিয়েছেন তা অগ্রাধিকারমূলক অর্থনীতির বাস্তবতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব গ্রহণের পর একজন নতুন গভর্নরের কাছে কী গুরুত্বপূর্র্ণ হতে পারে, সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। অর্থনীতির একটি সূত্র হচ্ছে, উৎপাদনের সঙ্গে কর্মসংস্থানের মেলবন্ধন। তিনি কর্মসংস্থানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ধারণ করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ। আর এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আর কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই।

উৎপাদনের কথা চিন্তা করেই নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান যে বিষয়টি খুব কম সময়ের মধ্যে উপলব্ধি করতে পেরেছেন তা হলো- বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা। এ কারণে তিনি নিজেই উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের সহায়তার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি মনে করেন, সামষ্টিক স্থিতিশীলতার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে লক্ষ্য হবে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি।

কয়েক দিন আগেও তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। যে ব্যবসার হাত ধরে দেশে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আনতে সহায়তা করেছেন। ব্যবসার নাড়ি-নক্ষত্র ও পথরেখা গভর্নরের কাছে অজানা নয়। তিনি নিজেও একসময় উপলব্ধি করেছিলেন উচ্চ ঋণ সুদের চাপে ছিল শিল্প ও ব্যবসা খাত। যে পরিমাণ সুদে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় তাতে বিনিয়োগের প্রতি অনেকের আগ্রহ থাকার কথা নয়। অনেক উদ্যোক্তা এ সুদহার নিয়ে অভিযোগ করেছেন। নতুন গভর্নর সুদের হার বিবেচনা করবেন সে প্রত্যাশা ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের। তবে নতুন গভর্নর হিসেবে মূল্যস্ফীতির বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। কারণ মূল্যস্ফীতির কারণে যেন আপামর মানুষ কষ্ট না পায়।

নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে উদ্ভাবনী চিন্তা করছেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। আর সে উদ্ভাবনী চিন্তা হচ্ছে, ঋণ প্রবাহ বাড়ানো। তবে যেন কোনোভাবেই মূল্যস্থিতি বিঘ্নিত না হয়। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি ব্যবসাবান্ধব হবেন, সেটিই প্রত্যাশা করেন ব্যবসায়ী মহল।

ঘুরেফিরে ব্যাংকিং খাতের বিষয়টি আসে। কারণ গত দেড় বছর সদ্যবিদায়ি গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। খাদের কিনারে পড়ে থাকা ব্যাংক খাতকে কিছুটা উঠিয়ে দিলেও এখনও পরিপূর্ণভাবে তা সফল হয়নি। আর এ সফল হওয়ার চ্যালেঞ্জ এখন নতুন গভর্নরের সামনে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বেশ গুরুত্বপূর্র্ণ বৈঠক করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাংক খাতের সংস্কার। তিনি এ সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে ইতিমধ্যে এবিবির (অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেড) সঙ্গে বৈঠকে আশ্বাস দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ব্যাংক একীভূত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা চলমান থাকবে।

অনেক সময় ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব দারুণভাবে কাজ করে। এ ব্যাপারে নতুন গভর্নর সেই বার্তা দিয়েছেন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের। কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার ব্যাপারে অনুশাসন দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নজরে আনছেন তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। আমানত বাড়ানোর উদ্যোগে নেওয়ার ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

ঋণখেলাপি সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে শুধু পরামর্শ দিয়েই ক্ষান্ত হননি নতুন গভর্নর। তিনি ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের বিকল্প উদ্যোগ নেওয়া পরামর্শও দিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই আরও একটি বিষয় তিনি নজরে আনেন। তা হলো- রফতানিমুখী পোশাক কারখানার শ্রমিকদের এক মাসের বেতনের জন্য সহজ শর্তের বিশেষ ঋণ চালু করা। এ উদ্যোগকে বিজেএমই নেতারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য- এ বিশেষ ঋণ তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের উপকারে আসবে। গভর্নর ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস প্রয়োজন। সে উপলব্ধি থেকে তিনি যে কাজটি করেছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়।

মাত্র কয়েক দিনের নতুন কার্যক্রমের মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাবেক গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, তিনি যে অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়। তবে মাত্র এ কয়েক দিনেই সার্বিক মূল্যায়ন সম্ভব নয়। তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, তাই তিনি ব্যবসায়ীদের পালস সহজে বুঝতে পারবেন। একজন হিসাববিদ ও ব্যবসায়ী হিসেবে তার কার্যক্রম ভালো হবে বলে আশা করছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক সাবেক গভর্নর বলেন, নতুন গভর্নরের নিয়োগ নিয়ে প্রথমে যে ধরনের সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, মনে হয়েছিল তিনি বোধহয় বেশ কিছুটা বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছেন। তবে এ সপ্তাহের কার্যক্রমে আস্তে আস্তে তার চিন্তাভাবনা ও কার্যক্রম স্পষ্ট হচ্ছে।

সাবেক এনসিসি ব্যাংকের এমডি ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আমিন বলেন, আসলে এ কয়েক দিনেই তার সম্পর্কে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তিনি যেহেতু একজন হিসাববিদ ও একজন ব্যবসায়ী, আশা করি তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যের সব ধরনের পালস বুঝতে পারবেন। আর ব্যাংক খাত নিয়ে তার অনেক কিছু অজানা থাকার কথা নয়।

Courtesy - BNP Media Cell

01/03/2026

বিদায় বিপ্লবী 🖤

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।🤲

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka