Dr. Ronir Diary - ডা. রনির ডায়েরি

Dr. Ronir Diary - ডা. রনির ডায়েরি

Share

"অতি সাধারন, নিতান্তই নগন্য ও নিভৃতচারী মানুষ" এভাবেই বেচে থাকতে চাই

27/06/2021

পূর্ণিমা রাত

25/11/2020

☑️ ফুটবল যে one man show হতে পারে ম্যারাডোনাই প্রথম প্রমান করে দিয়েছিলেন!
☑️ একজন ফুটবলার তার স্কীল ও ড্রিবলিঙের ছন্দের যাদু দিয়ে সবাইকে মোহিত করে শুধু তার দিকেই নজরবন্দী করে রাখতে পারে সেটা ম্যারাডোনাই করেছিলেন!
☑️ একজন ফুটবলারের জন্য একটা দেশ সারা পৃথিবীতে এতো জনপ্রিয় ও পরিচিত পেতে পারে সেটা ম্যারাডোনাই করে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনাকে!
☑️ একজন ফুটবলার বলতে গেলে তার একক নৈপুণ্য দ্বারা একটি দেশকে বিশ্বকাপ জিতানো এবং একটা ক্লাবকে দ্বিতীয় লীগ থেকে প্রথম লীগে উর্ত্তীন করে ঘরোয়া লীগসহ ইউরোপিয়ান কাপ, উয়েফা কাপ চ্যাম্পিয়ন করা সেটা ম্যারাডোনাই করেছিলেন আর্জেন্টিনাকে এবং ইতালিয়ান নেপোলি ক্লাবকে!
☑️ ম্যারাডোনা ফুটবলকে যা দিয়েছেন আর কোন ফুটবলার এতোটা হয়তো দিতে পারে নাই! ড্রাগ কেলেংকারী, নিজের একগুয়ামী, খামখেয়ালিপনা ও উছ্রিংখল জীবন যাপন না থাকলে ফুটবল এবং বিশ্বের মানুষ ফুটবল খেলায় আরো অনেক কিছু হয়তো পেতো!

বিদায় ফুটবলের একমাত্র ওয়ান ম্যান শো ম্যারাডোনা!

19/11/2020

মামার এই ধরনের একটা ব্যাটারিচালিত রেডিও ছিলো। ৮০ দশকের মাঝামাঝিতে(৮৬ - ৯০) যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ি তখন দেখতাম মামা এই রেডিও দিয়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিবিসির খবর এবং রাতে ভয়েস অব আমেরিকার খবর শুনতেন সেইসাথে সপ্তাহের বিভিন্নদিনে বাংলা ছায়াছবির গানসহ অন্যান্য গানের অনুষ্ঠান ও নাটক শুনতেন। ঐসময়ে টেলিভিশন সবার ঘরে না থাকলেও ছোট হোক বড় হোক যে কোন ধরনের রেডিও মোটামুটি সবার ঘরেই থাকতো।
রেডিওতে খবর, গান ও নাটকের পাশাপাশি আবহাওয়ার পূর্বাভাস খবরও খুব জনপ্রিয় ছিলো। রেডিও যেনো নষ্ট না হয় সেইজন্য রেক্সিন বা চামড়ার কভার পরিয়ে রাখা হতো রেডিওতে। এতো বছর পর রেডিওটা দেখে আগের কথা মনে পড়ে গেলো।

15/11/2020

অভিনয়, ব্যাক্তিত্ব, ভরাট কন্ঠ, চেহারা ও সুদর্শন সবদিক দিয়েই বাংলা চলচ্চিত্রে সৌমিত্র চট্রোপাধ্যায়ই সেরা এবং সবার থেকে আলাদা। বিদায় সৌমিত্র যেখানে থাকুন ভালো থাকুন।

24/10/2020

বাংলাদেশে প্রায় প্রতিদিনই ভেজাল বিরোধী অভিযানে বিভিন্ন নামীদামীসহ অনেক হোটেল রেস্টুরেন্টে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার পাওয়া যাচ্ছে এরফলে জেল জরিমানাও হচ্ছে আবার কদাচিৎ কিছু সিলগালাও হচ্ছে কিন্তু পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি কোনভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা এবং বন্ধ হবার আদৌ কোন লক্ষনও দেখা যাচ্ছেনা😥!!

বেশ কিছুদিন আগে কলকাতার বিখ্যাত রেডিও জকি, এ্যাংকর ও কমেডিয়ান মীর আফসার আলীর গত বছরের একটা ভিডিও দেখলাম ইউটিউবে; সেখানে পশ্চিম বাংলার খাদ্য অধিদপ্তরের অভিযানে কলকাতার পাশের একটা শহর থেকে পচা, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ ফ্রোজেন মাংস পাওয়া গেছে, এইগুলি কলকাতার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে সরবরাহ করা হতো। ওরা কিন্তু কোন হোটেলে বা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ধরে নাই, ধরছে যারা সাপ্লাইয়ার তাদের। এর ফলে কলকাতার বিভিন্ন নামীদামিসহ মোটামুটি সব হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবার বিক্রি অনেক কমে গেছে সেটা কোথায়ও ৫০% এর উপরে আবার কোথায়ও ৬০%। কলকাতার হোটেল ও রেস্টুরেন্টের মালিকরা মানুষের কাছে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছিলো তখন। এটা দেখে অনেক ভালো লাগলো ওরা কতোটা সচেতন যে হোটেল ও রেস্টুরেন্টে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সরবরাহ হচ্ছে তাই দেখে হোটেল ও রেস্টুরেন্টের খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে😦 আর আমাদের দেশে প্রতিদিন বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার পাওয়া যাচ্ছে, জেল জরিমানাও হচ্ছে আবার কদাচিৎ কিছু সিলগালাও হচ্ছে কিন্তু পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি বন্ধ হচ্ছেনা। সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো মানুষ কিন্তু বিন্দুমাত্রও সচেতন না এবং সচেতন হচ্ছেও না😥😥, যদি হইতো তাহলে কলকাতার মতো আমাদের দেশের মানুষরাও হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিতো এরফলে হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবার বিক্রি অনেক কমে যেতো, এতে দোকান মালিকরাও সচেতন হয়ে যেতো, তারা পরবর্তীতে এই জগন্য কাজ করার সাহস আর পেতো না।

আমি নিজে ব্যাক্তিগতভাবে ছোট খাটো একটা জরিপ করে দেখলাম ঢাকাতে কেনো এতো খাবারের দোকান;
কারন ঢাকাতে ঘুরতে যাবার বা বিনোদনের জায়গার খুব অভাব তাই মানুষ বিনোদনেরই একটা অংশ হিসাবে খাবারের দোকানে খেতে যায়। এতে দোকানদারের লাভ সবচেয়ে বেশী কারন দোকানদার সেই সুযোগে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার মানুষরে খাওয়ায় আর মানুষও তা খায় কারন কোন বিকল্প নাই বলে মানুষকে বেহায়ার মতো সেই হোটেল রেস্টুরেন্টেই যেতে হচ্ছে।
প্রতিদিন বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ভেজাল বিরোধী অভিযানে এতো জরিমানা করতেছে কিন্তু তারপরও দোকান মালিকরা ঠিক হচ্ছেনা কারন ওনারা বুঝতে পারছে এই দেশের মানুষ সচেতন না তাই যা খাওয়াবো তারা সেটাই খাবে কোন প্রতিবাদ করবে না😥😥।

নিজের একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি;
বেশ কিছুদিন আগে মোহাম্মদপুরের একটা পিজা হাউজে গেলাম পিজা খেতে ফ্যামিলি নিয়ে, জায়গা না পাওয়ায় বসেছিলাম কর্নারে ডিপ ফ্রিজের কাছেই। অর্ডার দেবার পর একজন স্টাফ ডিপ ফ্রিজ খুলে মাংস নিতে আসলো যেইনা ফ্রিজটা খুললো সাথে সাথেই পঁচা দূর্গন্ধ বের হলো, আমি বললাম এটা কিসের গন্ধ সে বললো কিছুই না এমনিতেই ফ্রিজ বন্ধ ছিলো তাই, এরপর আর একজন এসে এয়ার ফ্রেসার দিতে লাগলো। আমি চিল্লা চিল্লি করতেছিলাম, পুরা রেস্টুরেন্টে কাস্টমার ভর্তি কিন্তু একজনও কোন প্রতিবাদ করলো না এমনকি আমাদের পাশের টেবিলে যারা বসেছিলো তারাও না। আবার দেখি কেউ কেউ দাত কেলাইয়া হাসতেছে😡 একপর্যায়ে ফ্যামিলিসহ বের হয়ে গেলাম।

যেসব হোটেল ও রেস্টুরেন্টে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার প্রতিদিন ভেজাল বিরোধী অভিযানে ধরা পরতেছে মানুষ যদি সচেতন হয়ে তা বর্জন করতো তাহলে এইসব অনেক কমে যেতো। কিছুদিন আগে দেখলাম ধানমন্ডির নামী একটা রেস্টুরেন্ট সিলগালা করে দিছে এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। এভাবেই যেসব হোটেল ও রেস্টুরেন্টে দ্বিতীয়বার অভিযানে পঁচা, বাসি, নষ্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ধরা পরবে তা সাথে সাথেই সিলগালা করে দেওয়া উচিত।

এই ভেজাল বিরোধী অভিযানের সাথে সবচেয়ে বেশী যেটা দরকার সেটা হলো মানুষের সচেতন হওয়া এবং কলকাতার মতো বর্জন করতে শেখা।

ছবিঃ ঢাকাতে ভেজাল বিরোধী অভিযানে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টের প্রতিদিনকার চিত্র।

12/10/2020

আজকের এই খবরটা দেখে মনটাই আনন্দে ভরে গেলো। আমার জন্মস্থান, আমার দেশের বাড়ি মেঘনার নদীর তীরে অবস্থিত চাঁদপুর, আর সেই মেঘনা নদীর মানে চাঁদপুরের ইলিশই বিশ্বসেরা😦😦😦। ❤️❤️ মেঘনা নদী ❤️❤️ চাঁদপুর।
খবরের লিংকঃ-
https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%98%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE

11/10/2020
01/10/2020

শরৎকালের আকাশ, প্রাইমারি স্কুলে পড়া অবস্থায় (১৯৮৬-১৯৯০) শরৎকালের শেষের দিক শুরু করে পুরো শীতকাল পর্যন্ত ঘুড়ি উড়াতাম কাজিন সাইফুল ভাইয়ের সাথে কখনো পুরানবাজার মধুসূদন স্কুলের মাঠে আবার কখনো কোহিনূর সিনেমা হলের পাশে বালুর মাঠে কখনো বালুর মাঠের সামনের রাস্তায়। শীত আসার আগে যখন এইরকম পরিস্কার আকাশ দেখতাম তখন খুব খুশী লাগতো যে আজ ঘুড়ি উড়াতে পারবো ভালোভাবে। আজ অনেকদিন পর শরৎকালের এইরকম আকাশ দেখে সেই প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময়ে ঘুড়ি উড়ানোর কথা মনে পড়ে গেলো🤗🤗!!.

30/09/2020

বাবা

25/09/2020

"স্মৃতিশক্তি কেন হারায়? মনে রাখার ৯টি সহজ উপায়"

ভিডিওঃ বিবিসি বাংলা

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka