13/04/2026
স্থান: বনশ্রী রামপুরা 'এ' ব্লক শান্তা বিল্ডিংয়ের পাশে।
সময়: বেলা ২ টা, ১৩ এপ্রিল ২০২৬। ছবিগুলোই বলে দেয় আমরা কতো অসহায়! প্রায় তিন বছর ধরে এভাবেই রামপুরা বনশ্রী মেইন রোড 'এ' ব্লকের প্রবেশ পথে সংস্কারবিহীন হয়ে পড়ে আছে। সকাল এবং বিকেলের পর থেকেই ঠিক এই জায়গাই প্রচণ্ড ট্র্যাফিক জ্যাম লেগে থাকে। অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে অনুরোধ করছি।
12/04/2026
Man forgets but God doesn't.
When you look at your mother, once she was young, energetic, enthusiastic and full of hopes and dreams. Got the highest degrees from university and got married. She raised you, fed you until you fed up! Sacrificed everything to make a way so that nothing can hurt you. Educated you at the topmost university. On your journey of life, she was broken down mentally, economically and physically several times. But nothing hurt you. She cried and cried when she didn't get any help from others. Just only to reach you in a position where you are now. Now you can feel proud about your present status. But your mother is now like a child when you were in your childhood. Who will take care her? Dear young boys and girls, think at least two minutes closing your eyes and remember your hard times.
History repeats itself.
26/03/2026
আমরা স্কুল কলেজে ১২ বছর ইংরেজি ভাষা শিখাই। মাস্টার্স কমপ্লিট করার পরেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে ইংরেজি শুনতে, বলতে, পড়তে ও লিখতে (Listening, Speaking, Reading and Writing) পারে না। আমাদের শিক্ষাক্রমে Listening and Speaking স্কিলের কথা বলা হলেও বাংলাদেশের হাতেগোনা কয়েকটি স্কুলে এর অনুশীলন হয়েছিলো এক যুগেরও বেশী সময় আগে। কিন্তু পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে নাম্বার না থাকার কারণে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা এতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ফলাফলস্বরূপ, আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে চাকরির বাজারে ভালো করতে পারছেনা। গবেষণা হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্যে দেশীয় শিল্প ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে পারে না। বিদেশি বিশেষজ্ঞ এনে আমাদের তরুণদের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বেতন ও সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে শুধুমাত্র ইংরেজি না জানার কারণে। আমাদের শিক্ষার্থীরা যথেষ্ঠ মেধাবী ও পরিশ্রমী। জাতীয় পর্যায়ে শুধুমাত্র পরিকল্পনার অভাবে Listening and Speaking দক্ষতা অর্জিত হচ্ছে না। এনসিটিবির বিশেষজ্ঞ এবং মাউশির উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আমার পেশাগত সম্পর্কের খাতিরে এই বিষয়টি অনেক আগে থেকেই আমি উত্থাপন করার চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু পলিসি পর্যায়ে আলোচনা করার আগেই অথবা বদলিজনিত কারণে বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত হয়ে আসছে। এনসিটিবির ওয়েব পেইজে ক্লাস ভিত্তিক যে Listening Text গুলো আছে, ও গুলোর যথেষ্ঠ পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করা জরুরী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি স্কুল কলেজে বাধ্যতামূলক Listening and Speaking Test নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। একটি Roadmap এর মাধ্যমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে সারা বাংলাদেশের সকল স্কুল কলেজকে এর আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি। সুধীজনের পরামর্শ চাচ্ছি। সর্বোপরি মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
11/07/2025
কি নিদারুণ সত্য আবহে লেখা কথাগুলো!
তবুও আমরা মানুষ হবো না, জানি। কবি গুরুর ভাষায়, বিধাতাই আমাদের মানুষ করেনি!!
রাজনৈতিক ক্ষমতা হারানোর পর ইমিডিয়েটলি ক্ষমতাধররা উপলব্ধি করতে পারেনা। কিছুটা ইলেকট্রিক শকের মতো লাগে। এর পর আস্তে আস্তে আশেপাশের মানুষের কাছ থেকে অবহেলা আসা শুরু করে। প্রত্যেকটা পদে পদে পরাজিত অনুভূতি আসতে শুরু করে। দেশে নি:শ্বাস আটকে আসতো। প্রতিদিনই যেনো নতুন একটা দূর্ঘটনার সংবাদ শোনার প্রস্তুতি নিয়ে সকাল হতো।
ক্রমেই শূন্য থেকে শুন্য হতে থাকে চারদিক, বিরানভূমি। আমাদের কোথাও কেউ নেই। অথচ এক সময় রাস্তায় সালাম নিতে নিতে বাসায় আসতে যে মানুষের দেরি হয়ে যেতো তার চায়ের আড্ডা শেষ হতো না। এতো শুভাশিষ আমাদের। ঈদের মেসেজ আসতো হাজার হাজার। কিন্তু পালাবদলের পর বাড়িতেও যাওয়া হয়নি কতো ঈদে।
শক্তির উত্থান পতনের এই সাপ লুডু খেলায় কতো মানুষ হারিয়ে গেছে। আবার একই খেলার মই বেয়ে হুট করে আংগুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে অনেকে।
কি অনিশ্চিত এক গোলকধাঁধা! রাজনৈতিক সুখ অসুখ কিছুই চিরস্থায়ী না।
23/06/2025
ইরানে আক্রমণ করে এক ভয়ঙ্কর ফাঁদে আটকে গেল আমেরিকা। চীন রাশিয়া বহুদিন যাবত এমন একটা সুযোগের অপেক্ষা করছিল। এত সহজে যে হাতে এসে যাবে, কেউ ভাবতেই পারেনি। নিজে যুদ্ধে না জড়িয়ে ইউক্রেন কে দিয়ে প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল আমেরিকা। আমেরিকা সাধারণত প্রক্সি যুদ্ধ করেই অভ্যস্ত। কিন্তু এবার ইরানে আক্রমণ করে রাশিয়া আর চীনকে প্রক্সি যুদ্ধ করার সুযোগ করে দিল। ইরানকে সামনে রেখে চীন রাশিয়া প্রক্সি যুদ্ধ কাকে বলে শিখিয়ে দেবে এবার। বিশ্ব থেকে আমেরিকা যুগের অবসান হচ্ছে। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ মুসলমানদেরকে বিশ্ব শক্তি থেকে সরিয়ে দেয়। সেখানে জায়গা নেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সমাজতন্ত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ রাশিয়া কে হটিয়ে বিশ্বের ক্ষমতা তুলে দেয় আমেরিকার নেতৃত্বাধীন জোটের হাতে। ফ্রান্স ও জার্মানি লুট করার জন্য ভাগে পায় আফ্রিকা মহাদেশকে। আমেরিকা এবং ইউরোপ নেয় বাকি বিশ্ব লুটপাট করার ইজারা। বেশ ভালই চলছিল এভাবে। কিন্তু বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ইহুদিদের থিংক ট্যাংক ফ্রিমেশন আরেকটা বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাচ্ছে। সে লক্ষ্যে নিজেদের সংস্কৃতি, সুদভিত্তিক অর্থনীতি, নারীবাদী সমাজ, গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ, মাদক, প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, সবকিছু নিজেদের হাতে নিয়েছে এবং প্রয়োজনমতো অন্যের উপর চাপিয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে তারা। ইহুদিদের গবেষণায় জানা গেছে, আমেরিকা বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ হারাতে চলেছে এবং আল্টিমেটলি মুসলমানদের হাতে বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইহুদিদের ওয়ান ওয়ার্ল্ড অর্ডার বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা চারটি।
১। ইসলামী সভ্যতা, কৃষ্টি কালচার ও শাসন ব্যবস্থা
২। অজেয় পারস্য সাম্রাজ্যের উত্তরসূরী ইরান।
৩। সাড়ে ৬০০ বছর বিশ্ব শাসন করা ওসমানীয় খেলাফতের কেন্দ্রবিন্দু তুরস্ক।
৪। পরাশক্তি রাশিয়া।
পারসিক এবং তুর্কিরা এমন এক জাতি গোষ্ঠী যারা কারো নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায় না বরং এরা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এরা ফিরে পেতে চায় নিজেদের হারানো সাম্রাজ্য। আরব বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র থেকে এরা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের রয়েছে জ্ঞান, গবেষণা, প্রযুক্তি, আত্মত্যাগ এবং বিশ্বায়নে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার ক্ষমতা। যেটা জাজিরাতুল আরব এবং হিজাজ অঞ্চলের কারো মধ্যেই পাওয়া যায় না। ইসরাইল উপরে বর্ণিত চারটা শক্তিকেই পৃথিবী থেকে মুছে দিতে চায়। সে লক্ষ্যে যা করার করছে এবং করবে। সমস্যা হয়েছে দীর্ঘদিন যাবত আরবদের মধ্যে যে অনৈক্য এবং বিভেদ তৈরি করেছিল, আরববাসীরা সব ভুলে ধীরে ধীরে এক হচ্ছে। বিশ্বের কোথাও কোথাও ইসলামী শাসন ব্যবস্থা এবং সংস্কৃতি ফিরে আসছে। তবে যত চেষ্টাই করুক হয়তো ৫০০ কোটি মানুষকে হত্যা করা হবে কিন্তু ইসলামীঁ শাসন ব্যবস্থা আর সংস্কৃতির এই ফিরে আসাকে কোনভাবেই আটকাতে পারবেনা ইজরায়েল এবং তার ধামাধরা আমেরিকা। ইরানের সাথে আপোষ না হলে খেলা এবার জমবে। দীর্ঘ মেয়াদী খেলা। আমেরিকা ইসরাইলের পতনের খেলা। মানুষ হত্যা আর শহর নগর ধ্বংস করার খেলা। তবে খেলা যে সত্যের পথেই হাটে, কিছুটা চড়াই উৎরাইয়ের মাধ্যমে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ খেলা এখন ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হচ্ছে বাতিল আর সত্যের মধ্যে।
(Ratan Rayhan (ঈষৎ সম্পাদিত)
12/06/2025
নিতান্ত সত্য জানার পরও যারা পরামর্শ গ্রহণ করে না, তাদের অবহেলার ফলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উভয়েরই বেশ কিছু ক্ষতি হতে পারে। নিচে তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
ব্যক্তিগত ক্ষতি:
১। জ্ঞান ও উন্নয়নের বাধা: সঠিক পরামর্শ গ্রহণ না করলে ব্যক্তি নিজের ভুল থেকে শিখতে পারে না, ফলে ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
২। সম্পর্কের অবনতি: পরামর্শ উপেক্ষা করলে সহকর্মী, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে, কারণ এটি অহংকার বা উদাসীনতা হিসেবে ধরা হয়।
৩। সিদ্ধান্তে ভুল করা: অভিজ্ঞদের পরামর্শ না মানার ফলে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশঙ্কা বাড়ে, যা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৪। আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব: একাধিকবার ভুল করলে আত্মবিশ্বাস কমে যায়, যা ভবিষ্যতের কাজে নিরুৎসাহিত করে।
৫। ব্যক্তি সুনামের ক্ষতি: একজন ব্যক্তির ভালো উপস্থাপনা, উত্তম কর্মপদ্ধতি ও জোর প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনায় তাঁর পরামর্শগুলো উপেক্ষা করায় দারুণভাবে সুনামের ক্ষতির মুখোমুখি হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতি:
১। কার্যদক্ষতার হ্রাস: সঠিক পরামর্শ উপেক্ষা করলে সিস্টেম বা নীতিমালায় ভুল থেকে যায়, যার ফলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা কমে।
২। আর্থিক ক্ষতি: ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বিনিয়োগ ব্যর্থ হতে পারে বা অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে।
৩। সুনামের ক্ষতি: পরামর্শ উপেক্ষার ফলে যদি বড় ধরনের ভুল হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে।
৪। টিম ওয়ার্কে ব্যাঘাত: নেতৃত্ব বা সহকর্মীদের কথা গুরুত্ব না দিলে টিমের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা কমে যায়।
৫। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা: পরিবর্তনশীল উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি বা নীতির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের উপদেশ উপেক্ষা করলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
৬। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকড় গজায়:
প্রতিষ্ঠান প্রধান যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে অধস্তন কর্মচারীরাও তাকে অনুসরণ করেন। ফলে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানও চরম আর্থিক দৈন্যতার মুখোমুখি হয়। একসময় তাকে হয় দেউলিয়া ঘোষণা করতে হয় নতুবা জীর্ণ শীর্ণ প্রতিষ্ঠানের মতো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে হয়। ফলে সেখানে উৎপাদনশীলতা দারুণভাবে ব্যাহত হয়।
সত্য জানার পরও উপযুক্ত পরামর্শ গ্রহণ না করা অহংকার বা আত্মঅহমের প্রকাশ হতে পারে। যার ফলে ব্যক্তি যেমন নিজেকে উন্নত করতে ব্যর্থ হয়, তেমনি প্রতিষ্ঠানও নানা দিক থেকে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাই জ্ঞানী মানুষের পরামর্শকে সম্মান জানানো ও তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আগাছা ও পরগাছা দিয়ে আর যাই হোক একটি সভ্য এবং উন্নত জাতি গঠন করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। বাংলাদেশের সরকারী ও আধা সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
11/06/2025
সময় থাকতে পিতামাতার প্রতি যত্মবান হও। এরপর শুধুই আফসোস!!
ইসলামে পিতামাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা কুরআন ও হাদীসে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। ইসলাম পিতামাতাকে সম্মান, সেবা ও তাদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণকে ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করে।
কুরআনের আলোকে পিতামাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব:
১। আল্লাহর সাথে সাথে পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার:
> "তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন যে, তোমরা শুধুমাত্র তাঁরই ইবাদত করো এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো..."
— (সূরা আল-ইসরা: ২৩)
২। অন্তরে বিনয় ও দয়া প্রদর্শন:
> "...তুমি তাদের প্রতি দয়া করে বিনয়ভাবে কথা বলো এবং বলো, 'হে আমার প্রতিপালক! তুমি তাদের প্রতি দয়া করো যেমন তারা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।'"
— (সূরা আল-ইসরা: ২৪)
হাদীসের আলোকে পিতামাতার প্রতি দায়িত্ব:
১। আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতামাতার সন্তুষ্টিতে:
> "আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টিতে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টিতে।"
— (তিরমিজি, হাদীস: ১৮৯৯)
২। মায়ের মর্যাদা:
> একজন সাহাবি জিজ্ঞেস করলেন, "হে রাসুল (সা.), কার প্রতি আমার সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব?"
তিনি বললেন, "তোমার মা।"
সাহাবি বললেন, "তারপর কে?"
তিনি বললেন, "তোমার মা।"
আবার বললেন, "তারপর কে?"
তিনি বললেন, "তোমার মা।"
এরপর বললেন, "তারপর কে?"
তিনি বললেন, "তোমার বাবা।"
— (সহীহ বুখারি ও মুসলিম)
সন্তানের করণীয় (পিতামাতার প্রতি):
১। তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার করা
২। কখনো উচ্চস্বরে কথা না বলা
৩। অসন্তুষ্টি প্রকাশ না করা
৪। তাদের প্রয়োজনে পাশে থাকা
৫। তাদের জন্য দোয়া করা
৬। মৃত্যুর পরও তাদের জন্য ইসাল-এ-সওয়াব করা
৭। তাদের বন্ধু ও আত্মীয়দের সম্মান করা
ইসলাম পিতামাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্বকে এত গুরুত্ব দেয় যে, অনেকক্ষেত্রে তা জিহাদের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।
10/06/2025
হারাম উপার্জনের পন্থা ইসলামে অনুমোদিত নয় এবং তা কোনো মুসলমানের অবলম্বন হতে পারে না।
কেননা,এতে পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করা হয়। অন্যায় ও অবৈধ সব রকম জীবিকা ইসলামে নিষিদ্ধ। অবৈধ পথে বা জোর করে কারো সম্পদ বা টাকা পয়সা গ্রাস করা হারাম।
মহান আল্লাহ বলেন,'হে,বিশ্বাসীরা! তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়,অবৈধভাবে গ্রাস করোনা...।'
(সুরা: নিসা,আয়াত:২৯)
08/06/2025
অতটুকু কেড়ে নিওনা, যতটুকু মানুষ তোমার কাছ থেকে কেড়ে নিলে তুমি নিঃশেষ হয়ে যাও!!