19/05/2026
সংহতি। সবার উপস্থিতি কামনা করছি...
‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সমন্বয়ে গঠিত প্লাটফর্ম
19/05/2026
সংহতি। সবার উপস্থিতি কামনা করছি...
14/05/2026
https://www.prothomalo.com/bangladesh/ysg4pjexga
মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা নয়, বাতিল করতে হবে: গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়...
09/05/2026
#প্রেস_নোট
৯ মে ২০২৬
হামে শিশুমৃত্যু: জনস্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির বিবৃতি
প্রথমেই গভীর বেদনার সাথে স্মরণ করছি হামের চলমান মহামারিতে প্রাণ হারানো শিশুদেরকে, তাদের মা-বাবা-প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা, যে সব শিশু এখনো চিকিৎসাধীন তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। যে সব চিকিৎসক, নার্স, টিকাকর্মী, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকল সেবাদানকারি যারা শিশুদের রোগমুক্তির জন্য হাসপাতাল ও মাঠে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাদের সাথে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি।
এ বছরের ১৫ মার্চ থেকে ০৮ মে পর্যন্ত যে ৩৪৩ জন শিশু হামে মৃত্যু বরণ করেছে তাদের মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত হচ্ছে ৫৮ জন, বাকী ২৮৫ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় হাম রোগীর সংখ্যা ১,২১২ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৫০ জন, যাদের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ২৮২ জনের (তথ্যসূত্রঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর)। হামে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। তবে বয়সের সাথে সাথে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। তাই প্রায় সব মৃত্যুই শিশুদের মধ্যে ঘটেছে।
হামের বর্তমান পরিস্থিতি কেবল একটি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, বরং একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট—যা আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা ও টিকাদান ব্যবস্থার ঘাটতিকে সামনে নিয়ে এসেছে। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা প্রতিরোধযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে প্রথম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হামের ব্যাপকতা এত বেড়ে গেছে যে, হামের ভাইরাস আগে টিকা নিয়েছে এমন শিশুদেরকে ও ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদেরকেও সংক্রমিত করেছে। এই মৃত্যুগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল যদি সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হতো। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক টিকা ক্রয় নিয়ে গাাফলতি, আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রীতা, জনস্বাস্থ্যের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলা প্রভৃতি হামের মহামারিকে ডেকে এনেছে এবং ইপিআই কর্মসূচিকে দুর্বল করেছে বলে আমরা মনে করি। যারা প্রতিরোধযোগ্য এ শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ী তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে ও তাদের শাস্তি দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে হাম একটি অতি সংক্রামক রোগ, লক্ষণ (গায়ে লালচে র্যাশ) প্রকাশের চারদিন আগে থেকে এর সংক্রমণ শুরু হয়ে যায়। একজন আক্রান্ত শিশুর মাধ্যমে সমগ্র এলাকা আক্রান্ত হতে পারে। হামের প্রভাবে বিভিন্ন জটিলতা যেমন, নিউমোনিয়া, অন্ধত্ব, মস্তিষ্কের প্রদাহ এমনকি মৃত্যু হতে পারে। হাম হলে শিশুর শরীরে গড়ে ওঠা আগের প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে থাকে।
আজকের এই পরিস্থিতিতে আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি থেকে জনস্বাস্থ্য ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি জরুরি দাবি ও করণীয় তুলে ধরছি—
১. টিকাদান কর্মসূচিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা যেমন ঘনবসতি, দুর্গম অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
২. আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসার জন্য উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষ “হাম কর্নার তথা সংক্রামক ব্যধি কর্নার”চালু করা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ভিটামিন এ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সনাক্ত শিশুদের বিশেষ করে প্রান্তিক পরিবারের শিশুদেরকে সরকারি চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে, শিশুর পরিবারকে উপযুক্ত সামাজিক সহায়তা দিতে হবে, যেন তারা চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বশান্ত না হয়ে যায়। প্রান্তিক পরিবারের শিশুরা জ্বরে আক্রান্ত হলেও সামর্থ্যের অভাবে অভিভাবক শিশুকে প্রথম পর্যায়েই চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারে না, বিনা চিকিৎসায় শিশুর অবস্থা জটিল হয়। তখন তার অভিভাবকবৃন্দ ঘটি-বাটি বিক্রী করে মরণাপণ্ন শিশুকে নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা হন। এটা ঠেকাতে হলে চিকিৎসা সুবিধার বিকেন্দ্রীকরণ করে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুব্যবস্থা থাকতে হবে, কাছেই সুসংগঠিত মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) থাকতে হবে। মহানগরীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবার প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে হবে। মহানগরীতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও বিশেষায়িত তৃতীয় পর্যায়ের সেবা একই হাসপাতালে দেবার নামে জগাখিচুড়ি, বিশৃঙ্খল, মেঝেতে রোগী রেখে চিকিৎসার নামে প্রহসন বন্ধ করতে হবে। গ্রাম ও শহরে এ ধরণের স্তরভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থার পুনর্গঠন করলে একদিকে জটিল রোগীর সংখ্যা কমে যাবে, হামের লক্ষণযুক্ত শিশুরা আইসোলেশনে থাকার কারণে রোগের সংক্রমণেরও নিয়ন্ত্রণ হবে।
৩. টিকা নিয়ে বিদ্যমান ভুল ধারণা ও গুজব মোকাবিলায় কার্যকর জনসচেতনতা কার্যক্রম চালু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. একটি শক্তিশালী রোগ নজরদারি ব্যবস্থা (surveillance), দ্রুত মোকাবেলা কার্যক্রম (Rapid response) ও জনস্বাস্থ্যের জরুরি অপারেশন কেন্দ্র (public health emergency operation centre) সচল করা, যাতে দ্রুত নতুন সংক্রমণ শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সনাক্ত শিশুদেরকে উপরে বর্নিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাম্থ্যসেবার আওতায় আনতে হবে।
৫. পুষ্টি ও ভিটামিন এ কার্যক্রম জোরদার করা। অপুষ্ট শিশুদের অগ্রাধিকার দেয়া। মাতৃদুগ্ধপান ও পুষ্টি কর্মসূচি শক্তিশালী করা।
৬. হাম নির্মূল কৌশলপত্র (Measles elimination strategy) পুনরায় সক্রিয় করা।
৭. ভ্যাকসিন সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করা।
৮. ভ্যাক্সিন উৎপাদনে জাতীয় সক্ষমতা বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। আইপিএইচ এর ভ্যাক্সিন উৎপাদন সক্ষমতা পুনঃস্থাপন।
৯. ভবিষ্যতে এধরণের জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি বা স্বাস্থ্য দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ এমার্জেন্সি (SoPHE) চালু করা।
১০. ৬ টি বিভাগে জনগনের কোটি কোটি টাকায় নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু করতে হবে।
এই সংকট আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই—এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
বার্তা প্রেরক
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষে
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ
অধ্যাপক ডা. হারুন -অর-রশীদ
অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম
ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য
ডা. নাজমুস সাকিব
সজীব তানভীর
08/05/2026
#প্রেস_নোট
তারিখ: ৮ মে ২০২৬
ঔষধ কোম্পানি রিপ্রেজেন্টেটিভদের হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
গত সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযান চালায় এনএসআই ও পুলিশ। সেই অভিযানের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ১৯ জন ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভকেও আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, হাসপাতাল ভিজিটের জন্য বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের পরও হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান করছিলেন। পরবর্তীতে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি। গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি মনে করে- পেশাগত দায়িত্ব পালন করা কোন অন্যায় নয়। যেকোনো নাগরিকের বৈধ পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবেই রাষ্ট্রের। সেই সময় তাকে হেনস্তা বা হয়রানি করা কোনভাবেই কাম্য নয়। ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিভরা দেশের স্বাস্থ্য খাতে কাজ করে। দেশের বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে উৎপাদিত ঔষধ সম্পর্কে, সেই ঔষধ সেবনের বিধিনিষেধ সম্পর্কে চিকিৎসকদের অবগত করে থাকে। স্বাভাবিকভাবে হাসপাতালের কোনো অনিয়ম দূর্নীতির সাথে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা কাম্য নয়। বাস্তবিক প্রেক্ষাপটে এই সমস্যার উৎস আরও গভীরে প্রোথিত আছে। সমগ্র বিশ্বের মতো বাজার অর্থনীতিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও অনেকাংশে ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীর দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই কোম্পানীগুলোতে কর্মরত রিপ্রেজেন্টিটিভগণ কর্মশক্তির একেবারে নিচের সারিতে অবস্থান করেন। তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, বেতন কাঠামো, দায়িত্ব বন্টন প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই কোম্পানীগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি মানে না, বা যেইসব নীতি অনুসরন করে, তার অধিকাংশই অস্বচ্ছ ও অনেক ক্ষেত্রে মানবেতর। কোম্পানীগুলো তাদের ওষুধের প্রচারের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেয়, তার সব নৈতিকও নয়। বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর এবং ইমার্জেন্সিতে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স এবং চিকিৎসা সহকারীদের কাছে তাদের ওষুধের প্রচারের পাশাপাশি বিশেষ সুবিধাদি প্রদানের মাধ্যমে একরকম চাপ তৈরি করা হয়। অনেক স্বাস্থ্যকর্মী এই অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন এবং তার ফলে সাধারণ জনগণ তাঁদের প্রাপ্য বিনামূল্যে সরকারি ওষুধের জায়গায় উচ্চমূল্যে ঔষধ কিনে আনতে বাধ্য হয়। এর পাশাপাশি হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা, ক্রয় প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা এবং এর মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে অনেক সময় সরকারিভাবে বরাদ্দ ওষুধের সংস্থানও সম্ভব হয় না। এমতাবস্থায় অনেক স্বাস্থ্যকর্মী অনিচ্ছা স্বত্তেও রোগীকে বাইরে থেকে কিনে আনার জন্য ঔষধপত্র লিখে দেন। এসব ক্ষেত্রে হাসপাতালে নিযুক্ত ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টিটিভগণ উপস্থিত থাকেন এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এই রিপ্রেজেন্টিটিভগণের মধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ব্যক্তিও থাকেন, যারা এসব ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলেন। এর ফলে একরকম অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয় বিভিন্ন কোম্পানীর মধ্যে। এর পাশাপাশি কোম্পানীগুলো অতি অল্প বেতনে পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়ে তাঁদের নিয়োগ করেন, এটাও তাঁদের বাধ্য করে অনৈতিকভাবে ওষুধের প্রচার ও বিক্রির ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে। এধরণের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে রিপ্রেজেন্টিটিভগণের ভিজিট করার জন্য নির্দিষ্ট দিন ও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। সেই সময়সীমার বাইরে স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত রিপ্রেজেন্টিটিভের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু তা কোনোরূপেই পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও গ্রেফতারের মতো কোনো পদক্ষেপ হতে পারে না। যদি কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকে, তার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া তাঁদের যে গ্রেফতার ও হয়রানি করা হয়েছে তা কোনভাবেই কাম্য নয়। স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান এই সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজন রাষ্ট্রীয়ভাবে জনবান্ধব ও মানবিক কিছু নীতিমালা ও সংস্কার।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি তাই নিম্নোক্ত প্রস্তাবনা জানাচ্ছেঃ
১. সরকারি সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিনামূল্যে মানসম্মত ঔষধ প্রদান, পর্যাপ্ত ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সংস্থান নিশ্চিত করা।
২. চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত সকল উপকরণ ও যন্ত্রপাতি এবং প্রয়োজনীয় সকল টিকা সামগ্রী সরকারিভাবে উৎপাদনের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন ঔষধ কোম্পানীর উপর নির্ভরশীলতা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনা।
৩. ঔষধ কোম্পানীতে নিয়োগের সুস্পষ্ট নীতিমালা ও বেতন কাঠামো জারি করা।
৪. বাজারে উৎপাদিত ওষুধের মান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ।
৫. ওষুধের প্রচারের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকলের ক্ষেত্রে যেকোনো রকমের অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা। এসব ক্ষেত্রে যথাবিহিত তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনা, কিন্তু গণহারে সবাইকে হয়রানি ও গ্রেফতারের মতো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।
৬. এই ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টিটিভ সেক্টরে নিয়োজিত বিপুল জনবলকে সুষ্ঠ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, ও কর্মক্ষেত্রে ভালো পরিবেশের নিশ্চয়তা প্রদান করা।
বার্তা প্রেরক
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির পক্ষে
ডা. হারুন -অর-রশীদ
ডা. নাজমুস সাকিব
রাফিকুজ্জামান ফরিদ
মাহতাব উদ্দীন আহমেদ
আকরাম খান
ফেরদৌস আরা রুমী
আফজাল হোসেন
02/05/2026
বিএনপি সরকারের আড়াই মাস: পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
আজ ২মে,শনিবার ২৬ সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে “বিএনপি সরকারের আড়াই মাস: পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা” শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতু, সামিনা লুৎফা নিত্রা, লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং আইনজীবী মানজুর আল মতিন।
বিএনপি সরকারের আড়াইমাস:
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’র পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা!
27/04/2026
বিএনপি সরকারের আড়াইমাসঃ
‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’র পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা
২ মে, শনিবার ২০২৬
সকাল ১০.৩০ মিনিট
সাগর-রুনী মিলনায়তন, রিপোর্টার্স ইউনিটি, সেগুনবাগিচা, ঢাকা
#আলোচক:
আলতাফ পারভেজ
সামিনা লুৎফা
জ্যোতির্ময় বড়ুয়া
মোশাহিদা সুলতানা
মানজুর আল মতিন
#সভাপ্রধান :
আনু মুহাম্মদ
17/04/2026
জাতীয় স্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে আজ বিকেল ৪ টায় রাজধানীর শাহবাগে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে এই চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
অধিকারকর্মী মাহতাবউদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় এবং গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি, ময়মনসিংহ জেলার প্রতিনিধি আবুল কালাম আল আজাদ, শিক্ষক ও গবেষক মাহা মির্জা ও ডা. হারুন-অর-রশীদ।
জাতীয় স্বার্থ বিরোধী মার্কিন বানিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সমাবেশ
16/04/2026
জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচনের অল্প সময় আগে স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি আদতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিজস্ব স্বার্থরক্ষার এক পদক্ষেপ।।। পাশাপাশি এমন খবরও শোনা যায় যে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে তৎকালীন নির্বাচনে বিজয় প্রত্যাশী দল বিএনপি ও জামাতে ইসলামও এই চুক্তির পক্ষে সম্মত ছিলো।।। দেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের সাথে সাংঘর্ষিক এই আত্মহানিকর চুক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন ও তা বাতিলের জন্য আন্দোলনে নামুন, সমাবেশে যোগ দিন।।।