13/11/2025
হাসিনার খাম ফেরত দেয়ার ভয়ে আছে মির্জাআফসারা (আ-আব্বাস, ফ-ফকরুল-স-সালাউদ্দিন) যে আওয়ামী লীগ ৭৫-এর পর জাতিকে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল,তাদেরই আবার রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনেছিল কারা? বিএনপি-ই তো! তাদের “গণতন্ত্রের নাটক” দেখিয়ে আওয়ামী লীগকে সুযোগ দিয়েছিল পুনর্জীবন লাভের! আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠার দায় বিএনপির দুর্বল নেতৃত্বের,দোদুল্যমান নীতির,
আর তাদের তথাকথিত “সমঝোতার রাজনীতি”-র! বিএনপি না থাকলে আওয়ামী লীগ এতদিনে ইতিহাসে পরিণত হতো।
কিন্তু বিএনপির বিভ্রান্ত নীতি, দলে দলে ভাঙন, আর ক্ষমতার লোভ আওয়ামী লীগকে আজ রাজনীতির মঞ্চে টিকিয়ে রেখেছে! কা পুরুষ বিএনপির না সাহস, না স্বচ্ছতা, না জনগণের প্রতি জবাবদিহি।
বিএনপি আজ আওয়ামী লীগের ছায়া ।খাম নিয়েছে যারা- সুযোগ দেয় তারা। নিষিদ্ধ সংগঠন কিভাবে লকডাউন ঘোষণা করে। মির্জা ফকরুলের বয়ানে তা' স্পষ্ট। ভীরু নেতৃত্বে দল চলেনা, কর্মীরা মার খায় জেলে যায়, তারেক জিয়া লন্ডনে থেকে যায়?
Apu Kabir Nandini's Aspire Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য Elias Hossain Bangladesh Jatiyotabadi Jubodal NpNp Desk BNP Media Cell Bangladesh Islami Chhatrashibir Voice of Bangladesh Bangladesh Nationalist Party-BNP Lipika Ahmed bangladeshi vloger in germany Jugantor Bd24report Broken heart"/. bdnews24.com
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
22/05/2025
খোলা চিঠি : করিডোর বিতর্ক ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ
বাংলাদেশের আপামর জনগণের প্রতি,
আজ আমাদের জাতি একটি অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তির সময় অতিক্রম করছে। "মানবিক করিডোর" ইস্যুতে একটি পরিকল্পিত তথ্যযুদ্ধ ও ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এর পেছনে কি শুধু মতপার্থক্য, না কি আরেকটি গভীর ষড়যন্ত্র—তা ভাববার সময় এসেছে।
বাস্তবতাঃ-
১. ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ, জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে বাংলাদেশকে রাখাইন রাজ্যে আটকে পড়া মুসলমানদের জন্য মানবিক করিডোর স্থাপনে সহায়তা করতে বলা হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা সমস্যার আংশিক সমাধান ও মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্বও ছিল।
২. এই উদ্যোগ সেনা হস্তক্ষেপ নয়, বরং জাতিসংঘ অনুমোদিত আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তার একটি অংশ। এমন উদ্যোগ অতীতেও জাতিসংঘের অনুমোদনে বিভিন্ন দেশ নিয়েছে।
৩. ভারত বহু বছর ধরে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নিজের "সেভেন সিস্টার্স" রাজ্যগুলোতে করিডোর ব্যবহার করছে, তখন আমরা চুপ থেকেছি। এখন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত এক মানবিক করিডোর ব্যবস্থার কথা বললেই তা “রক্তাক্ত করিডোর”? এটা কেমন দ্বিচারিতা?
ড. ইউনূসের দোষ কোথায়? তিনি ক্ষমতা দখল করেননি। তাঁকে জনগণ আহ্বান করেছে একটি অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে। তাঁর আন্তর্জাতিক সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা আমাদের জন্য কূটনৈতিক শক্তি। তিনি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, যেখানে দলীয় বিভাজন নয়, জনগণের কল্যাণ অগ্রাধিকার পাবে।
আজ সময় একে অপরকে দোষারোপের নয়, বরং ঐক্যের। আমরা চাই ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান একসাথে বসে একটি সমন্বিত রূপরেখা তৈরি করুন, যাতে দেশ বাঁচে, মানুষ বাঁচে।
"মায়ের কবর, বাবার কবর, শত শহীদের কবর" রক্ষার দায় আমাদের সকলের। “এই দেশ কারও একার নয়, এ দেশ আমাদের সবার। এই দেশ বাঁচাতে দরকার জননেতৃত্ব আর পেশাদার নেতৃত্বের ঐক্য। আসুন, রক্ত নয়, সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে গড়ি এক নতুন বাংলাদেশ।” — অপু কবীর