Abdullah Al Harun Sohel

Abdullah Al Harun Sohel Chairman of National Democratic Party (NDP)

11/10/2026

জামায়াতে ইসলামীর বিগত স্বৈরাচার পতনের গণঅভ্যুত্থানে উল্লেখ্য ভূমিকা ছিল। যা সচেতন সকলকে স্মরণ করতেই হবে! যদিও ১৯৮৬ ও ১১৯৯৬ নিয়ে প্রশ্ন আছে। শেখ হাসিনা মিথ্যা অভিযোগে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছিলেন যা নিশ্চিত অন্যায় ছিল। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর সংসদে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করবেন, এমনটাই সকলে আশা করেন। সংসদ বাদ দিয়ে রাজপথে আন্দোলন এইটা এখন আর গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারকে অন্তত তিন বৎসর সময় দিয়ে ব্যর্থতায় সকলে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে। বিরোধীদল হিসাবে জামায়াত সংসদে আলোচনার সুযোগ না পেলে রাজপথের সকল দলকে নিয়ে আলোচনা করতে হবে। হুট করে রাজ পথে আন্দোলনের ঘোষণা সাধারণ মানুষ আর পছন্দ করে না, কারণ এতে সাধারণ জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়।
তেলের দাম বৃদ্ধিতে যারা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি তুলনা করেন তারা হয়ত উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এই সব মন্তব্য করেন নতুবা তারা দুনিয়ার খবরই রাখেন না!

10/10/2026

অনেক আশা আকাঙ্খা নিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল কিন্ত ৫ আগস্টের আগের রাজনীতি আর পরের রাজনীতির মধ্যে অনেক পার্থক্য! রাজনীতিতে এখন যে, conflicts, তা আগে কখনও দেখা যায়নি। জনগণের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০% মানুষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বাকি সবাই একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী দেশ দেখতে চায়! দেশপ্রেম আর ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এক নয়। দেশকে ভালবাসলে দেশের স্থিতিশীলতায় সহযোগী হতে হবে! গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া ছাত্র - কিশোররা আমাদের স্নেহের কিন্তু রাজনীতিকে ভাষাগত ভাবে কলুষিত করার জন্য তাদেরই বেশি দায়ী করতে হয়!

07/10/2026

আজ আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পত্রিকার গুরুত্বপুর্ণ কিছু শিরোনাম পর্যালোচনা করব।
দৈনিক যুগান্তর ৭ অক্টোবর ২০২৬
১। চাঁদা না দেওয়ায় ফোর স্টার গ্রুপের হামলা - পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম;
২। বিমানের মহাপরিকল্পনায় প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন - বহর বাড়ছে, সক্ষমতা কোথায়;
৩। ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ মৃত্যু;
৪। মতিঝিল গুলিস্থান ফার্মগেট ও নিউমার্কেটে অভিযান - ঢাকঢোল পিটিয়ে উচ্ছেদ আবার দখল।
আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য আশা করছি!

06/10/2026

কিশোরদের অপরাধ প্রবণতা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে! কয়েকদিন আগে গাবতলীতে এক রিকশা চালককে কয়েক কিশোর হত্যা করলো! কিশোর অপরাধের জন্য আমি শুধু কিশোরদের দায়ী করতে চাই না, এইটা বয়সের দোষ! এই জন্য পরিবার ও সমাজ দায়ী। অনেক প্রবাসী বাবা স্নেহ করে ছেলেকে মোটর সাইকেল কিনে দেন আর ছেলে তার বন্ধুকে নিয়ে দ্রুত গতির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩ জনই নিহত হচ্ছে! এক কিশোর আরেক কিশোরকে হত্যা করছে! অনেক কিশার গ্যাং নেতার পিতা মাতা ঐ সন্তানের জন্য গর্বিত হন কিন্তু ভেবে দেখেন না একদিন তার সন্তানও নিহত হতে পারেন। সামাজিক ভাবে এক কিশোর আমার বা আপনার সন্তান। তাই সবাইকে অনুরোধ করব, আমরা সকলে আমাদের কিশোর সন্তানদের নিয়ে সচেতন থাকি। তাদের লিখা পড়া ও চলা ফেরায় নজর দেই! আমাদের অসচেতনতায় আমার সন্তানই ভবিষ্যত নষ্ট করবে যা সারা জীবন বয়ে নিয়ে যেতে হবে। পরিবার যাবে, সমাজ যাবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের আইন শৃংখলা!
আসুন, আমরা আমাদের পরিবারের দায়িত্ব পালন করি! সরকার দেশের দায়িত্ব পালন করবে!!

05/10/2026

মেজর (অব:) আখতারুজ্জামানকে আমরা বেহা কয়েক বৎসরই দেখে আসছি। নিজের স্বার্থ বিরোধী হলে, সকল মানুষই উনার নিকট খারাপ। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে জাতি উনাকে শ্রদ্ধা করতে চায় কিন্তু তা absorb করার ক্ষমতা উনার নাই। বর্তমানে উনি একজন নীতিহীন মানুষ। সমাজ প্রতিষ্ঠায় এমন মানুষদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে privilege দিলে দেশ ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পবিত্র ওমরাহ পালন করে এসেও উনি ধর্মের পবিত্রতা ও অনুশাসন মেনে নিতে পারলেন না!

03/10/2026

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের পক্ষে কাজ করতে হবে, অশালীনতাকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। এই সংক্রান্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাম্প্রতিক সিন্ধান্তকে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এনডিপি সমর্থন দিয়ে যাবে!
আমাদের মধ্যে যারা ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করেন তাঁদের আরও শালীন হতে হবে কারণ পবিত্র কুরআনে শালীন ও ভালো ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে! আপনাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ধর্মের প্রতিফলন থাকতে হবে নতুবা ইসলামকে মানুষ ভুল বুঝবেন!

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত "গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা" শীর্ষক আ...
23/09/2026

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত "গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি জনাব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা, বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ রাশেদ খান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক সহকারী

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দরবেশের হাট ফাজিল মাদ্রাসার আলিম ১ম বর্ষের সবক (অভিষেক) অনুষ্ঠানে....
22/09/2026

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দরবেশের হাট ফাজিল মাদ্রাসার আলিম ১ম বর্ষের সবক (অভিষেক) অনুষ্ঠানে....

21/09/2026

১১ দলীয় জোট ৮ দফা দাবিতে দেশ ব্যাপী লংমার্চ করছে! সরকারের মাত্র ছয়মাসের মাথায় শুরু হওয়া লংমার্চ কতটুকু যৌক্তিক ও সময়োপযোগী তা জনগণকে বিচার করতে হবে!
১। গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন: গণভোট প্রশ্নবিদ্ধ কারণ হ্যাঁ/না ভোট হলে একটা প্রশ্ন থাকতে হবে। আর ৩টা প্রশ্ন হলে ৩বার হ্যাঁ/না দিতে হবে! ক্ষমতা লিপসু কিছু ছাত্র ও ফ্যাসিস্ট বিরোধী কিছু বড় দল ক্ষমতার স্বপ্নে বিভোর হয়ে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দিয়ে অবৈধ ও অসাংবিধানিক নিয়মে একটি প্রেসিডেন্টস অর্ডার পাস করিয়েছিলেন। অন্যদিকে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী গণভোটটি ছিল অসাংবিধানিক;
২। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার: ইতিমধ্যে কয়েকটি মামলার রায় হয়েছে, কয়েকটির বিচার চলছে। সুতরাং চলমান ইস্যু দিয়ে অভিযোগ দুরুভিসন্ধিপূর্ন;
৩। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও সার সংকট দূর করা: আগের সরকার গ্যাস অনুসন্ধানে কোন নতুন কূপ খনন না করায় মধ্যপ্রাচ্য সমস্যায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া যায়নি তবে গত ২ দিন থেকে দেশের কূপ থেকে ২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ শুরু হওয়ায় কারখানা ও বিদুৎ উৎপাদনে কিছুটা স্বস্তি আসছে।
৪। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কমানো: এই মুহুর্তে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা কারো পক্ষেই সম্ভব নয় তবে সরকারের আন্তরিক চেষ্টায় মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে, যা আগস্ট মাসে ৮ এর নিচে, যা গত ৩/৪ বৎসরের মধ্যে সর্বনিম্ন! সাড়ে ১৫ বৎসর পর ক্ষমতার পরিবর্তন তাই প্রশাসনে ও সিন্ডিকেটে ঘাপটি মারা অনেক অসাধু লোক আছে যারা মানুষ আর আখেরাত বুঝে না, শুধু বুঝে শুধু টাকা!!
৫। দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা: দুর্নীতি, দখলবাজি আর চাঁদাবাজি কোন লোকই সমর্থন করে না। বিরোধী জোটের একটা ছায়া সরকার আছে! তাঁদের উচিত মানুষের চলাচলে অসুবিধা না করে এইধরনের লোকদের ছবি ও কর্ম জনসমক্ষে তুলে ধরা!
৬। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন: আইন শৃংখলা উন্নত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরও সচেতন হতে হবে ও বুঝতে হবে! বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে বাস্তবতা বুঝতে হবে। ৩৬ জুলাই ও পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ভেঙে যায় আবার ঐ সময়ের ফ্যাসিস্ট দোসরদের অনেকেও এইসব বাহিনীতে এখনও আছে!
৭। সংকীর্ণ দলীয়করণ ও প্রশাসনকে প্রভাবমুক্ত করা: দেশের স্থিতিশীলতা আনতে ও ফ্যাসিস্ট মুক্ত করতে অবশ্যই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারীদল তাদের দলীয় লোককে প্রশাসনিক দায়িত্ব দিবে। আমরা শুধু মন্তব্য করব এদের মধ্যে কেউ অসৎ বা দুর্নীতিবাজ আছে কিনা! থাকলে তাদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করুন!
৮। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন: সরকার ইতিমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে কার্যক্রম শুরু করেছে। কেউ যদি সরকারের ৭ মাসের মাথায়ই তার বাস্তবায়ন চায় তখন বুঝতে হবে এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য নয়, এইটা ক্ষমতা দখল করতে চাওয়ার রাজনীতি! বাস্তবায়ন বলতে যা বুঝায় তাহা ৫ বৎসরেও সম্ভব না। মনে হয় নাহিদ ইসলামকে প্রধানমন্ত্রী বানালে যাদুর কাঠি দিয়ে এক রাতেই তাহা বাস্তবায়ন করতে পারবেন!!

ক্ষমতার লোভে নয় দেশ ও মানুষের অধিকার আদায়ে আন্দোলন করুন তাহলে সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবেন নতুবা এই রাস্তা কখনও শেষ হবে না!

12/09/2026

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা যাঁকে আমি একজন উদীয়মান রাজনীতিবিদ হিসেবে মনে করতাম এবং শিক্ষিত সংসদ সদস্য হিসাবে তথ্য ভিত্তিক সত্য ও মার্জিত বক্তব্য প্রত্যাশা করতাম কিন্তু গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংসদে বর্তমান সরকারকে তিরস্কার করে ৪ টা বিষয়ের উপর তাঁর বক্তব্য আমাকে শুধু নিরাশই করেনি বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের উপর সাধারণ মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার যৌক্তিকতা খুঁজে পেয়েছি! সাধারণ মানুষ মনে করে রাজনীতিবিদেরা মানুষকে মিথ্যা বলে বিভ্রান্ত করে।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিএনপি সরকার বিরোধী উদ্দেশ্য প্রণোদিত ৪ টি মন্তব্য ও তার ব্যাখ্যা:
১। মন্তব্য: বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস বিদুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না!
ব্যাখ্যা: গ্যাস ও তেল অর্থাৎ জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক সমস্যা! ইসরাইল - আমেরিকার ইরানের উপর আগ্রাসনের সময় থেকে অর্থাৎ বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ১০ দিন পর ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় যা এখনও চলমান। মধ্য প্রাচ্যেও এই প্রভাবে জ্বালানি সংকট হচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে ভারতকে অবারিত ভাবে গ্যাস উত্তোলনের সুবিধা দিতে বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলনের জন্য কোন কূপ খনন করা হয়নি। বাংলাদেশের প্রায় সকল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ডিজেল, ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকায় জ্বালানি আমদানি সীমিত হয়ে যায়। সার কথা বালাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট জন্য প্রথমতঃ দায়ী শেখ হাসিনার ভারত প্রীতির দেশ ধ্বংসকারী নীতি, দ্বিতীয়তঃ ইরানে ইসরাইল আমেরিকার আগ্রাসী যুদ্ধ!

২। মন্তব্য: বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আবার সারের সংকট হবে না, সারে যারা গরিব কৃষক আছে তারা সার কারখানায় গিয়ে লুট করবে না সেটাও হতে পারে না!
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে সার আছে কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মাত্র ৭ মাস। সাড়ে ১৫ বৎসরে দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফ্যাসিস্ট প্রতিনিধিত্ব ও কিছু গুপ্ত ষড়যন্ত্রে দেশকে অস্থিতিশীলতার পরিকল্পনায় কিছু সমস্যা হচ্ছে তবে নিশ্চিত করে বলা যায় ধানের পরবর্তী মৌসুমে এমন পরিস্থিতি আর থাকবে না, ইনশা আল্লাহ্। বিগত বিএনপি সরকারের সময় প্রকৃত পক্ষে সাধারণ কৃষক সেই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিল না। আওয়ামী কৃষকলীগ, যুবলীগ পরিকল্পিত ভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করে!

৩। মন্তব্য: বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না সেইটাও সম্ভব না!
ব্যাখ্যা: ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর Transparency International এর Corruption Perceptions Index (CPI) বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১০ এর মধ্যে ২.৩ আর আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর স্কোর হয় ০.৪ যা সর্বনিম্ন এবং ঐ বৎসরে বিশ্বের মধ্যে দুর্নীতিতে প্রথম। প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক চাপ থাকায় পর্যায়ক্রমে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রিত হয়ে ২০০৬ সালে স্কোর বেড়ে হয় ২.৭ অর্থাৎ বিএনপি আমলে দুর্নীতি কমে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের তকমা দুর হয়ে দেশের মর্যাদা বেড়ে ছিল।

৪। মন্তব্য: বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর বাংলাদেশ ১ম বারের মত ঋণ খেলাপিতে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করবে না সেইটাও হইতে পারে না!
ব্যাখ্যা: সাড়ে ১৫ বৎসর লুটেরা সরকার দেশ শাসন করার পর ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা, তার আত্মীয় স্বজন ও দোসররা দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ছিল। দেশের প্রায় সকল শিল্প কারখানা ও ব্যাংক তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আওয়ামীলীগ সরকার আমলে প্রায় প্রতি বৎসর খেলাপি ঋণ অবলোপন করে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ কম দেখানো হত! শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার আগে ২০২৪ সালের জুনে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ঋণ গ্রহীতারা পালিয়ে গেলে দুই বছরের মধ্যে তা বেড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে এমন নয় যে পুরো খেলাপি ঋণ এই সময়ের মধ্যেই নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে। বরং দীর্ঘদিন ধরে পুনঃ তফসিল, বিশেষ ছাড় ও হিসাবগত কৌশলে আড়াল করে রাখা বিপুল সমস্যাগ্রস্ত ঋণ এখন খেলাপি হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে এবং শিল্প মালিক পালিয়ে যাওয়ায় এবং তৎকালীন মব কালচারে অনেক শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ঋণের কোন ইনস্টালমেন্ট না দেয়াতে খেলাপি ঋণ দ্রুত বেড়ে যায়। বর্তমান সরকার পরিকল্পিত ভাবে কিছু ব্যবসা সচল করে ও কিছু ব্যবসায়ীকে চাপ সৃষ্টি করে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনছেন!
জানিনা, শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসবে শুনে ফ্যাসিস্ট সহযোগী হওয়ার খায়েশে ব্যারিস্টার রূমিন ফারহানা এখন থেকে মিথ্যা বলা ও গোয়েবলসের উক্তি তার নীতি ও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে চান কিনা!
জোসেফ গোয়েবলস (Joseph Goebbels) এর উক্তি "একটি মিথ্যা বারবার বলতে থাকলে মানুষ একসময় তা বিশ্বাস করতে শুরু করবে, এমনকি এক সময় আপনিও তা বিশ্বাস করে বসবেন।"
"If you repeat a lie often enough, people will believe it, and you will even come to believe it yourself"

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah Al Harun Sohel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share