Monpujari

Monpujari

Share

Author, Reciter

27/07/2025

রঙের শিশি ফুরিয়েছে
তুলিটাও ভোতা।
নতুন রঙে রাঙাতে পারো এই ক্ষত?

17/06/2025

আমি এক পৌরাণিক কাহিনি ❤️🥊💜😪

06/06/2025
01/06/2025

নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো।
আফ্রিকান সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, কেনিয়ান লেখক ও সমাজ-সমালোচক নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো। তার জন্ম ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে কেনিয়ার লিমুরু শহরে। শুরুর দিকে ইংরেজিতে লেখালেখি করলেও ১৯৭৭ সালে রাজনৈতিক কারণে কারাবন্দি হওয়ার পর মাতৃভাষা গিকুয়ুতে লেখালেখি করেন।
তার বিখ্যাত উপন্যাস ডেভিল অন দ্য ক্রস( Devil on the Cross)

30/05/2025

জ্বালিও না ভালোবাসা
— তালুকদার লাভলী

জ্বালিও না ভালোবাসা দীপ্ত মেঘে,
আমি যে ছায়ায় বাঁচি— আলোতে জড়িয়ে।
ছুঁয়ে যেও না কাঁপা পাঁজরে,
সুরে ভাসালে তোমার ডিঙি—
আমি নদীর কণ্ঠে শুনব
চোখের জলে।

গাঁথব না মালা আশা নিয়ে,
যে পথে যাই, সে পথে কাঁটা ফোটে।
নয়নের সুধা নাহি চাই আর,
চাই দহন, চাই শূন্যতার ঘোর রাতে।

কাঁপিয়ে দিও না এই হৃদয়বীণা,
নির্বাক ব্যথায় সে সুর শোনে না।
স্পর্শেও জ্বলে না পুষ্পের গন্ধ,
তুমি আগুন হয়ে এসো— ছাই হোক চন্দন।

তোমার ঠোঁটে যদি চুম্বন থাকে,
আমার ভাগ্যে রাখো বিষাক্ত চুম্বন।
ঘুমের মাঝে ডেকো না আমায়,
আমি জেগে থাকি দুঃস্বপ্নের গুণ্ঠনে।

ভালোবাসো, তবে অভিশাপে—
আমি প্রেমে চাই না পূর্ণতা।
তোমার সুখঘরে রাখো চাবি,
আমার দুয়ারে থাক নিরাসক্ততা।
৩০/০৫/২৫

27/05/2025

💜❤️নিভে যায় আলো তোমার মুখে❤️😪
— তালুকদার লাভলী

হঠাৎ করেই এক চিলতে ছবি,
উঠে আসে চোখের পাতায়—
তোমার মুখ, নীরব কোনো বিকেল
ঝিলমিল নদীর জলে হিম কুয়াশা।

চাইলে কি আর ধরা দাও?
কুয়াশা ফুঁড়ে আসো কি তুমি?
একটা ছায়া শুধু খেলে যায় বুকের
অজানা কোনো চোরা কুঠুরিতে।

আলো আসে, আলো যায়—
তবু মুখখানি অস্পষ্ট, ধূসর,
হৃদয়ের ছাদে পায়ের শব্দ শোনা যায়,
তবু তুমি নও, শুধু অন্তরস্বর।

যখনই ভাবি, আজ বুঝি দেখা হবে—
সময় টেনে দেয় অন্ধ দরজা,
তোমায় ছুঁইতে গেলেই
স্বপ্ন ভেঙে পড়ে ।

তুমি কি আছো, না ছিলে কখনো?
এই প্রশ্নে জ্বলে আমার রাত,
মাঝে মাঝে যেমনি বাতাসে ঘ্রাণ আসে—
তেমনি তুমি আসো, আবার চলে যাও হাতছাঁট।

চিরকাল যদি একটানা থেকো—
এইটুকুই চেয়েছি বরাবর,
অথচ তুমি হয়েছো সেই মরীচিকা—
যা ছোঁয়ার আগেই মিলায় অকারণ।

---

25/05/2025

বাংলাদেশ বেতারে রেকডিং করছি আমার কবিতা

Photos from Monpujari's post 24/05/2025

""লয়ান" গল্পটি পাঠককে নিয়ে যাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের এক নিঃসঙ্গ, বিপন্ন উপত্যকায়—যেখানে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও জেগে থাকে সাহস, স্বপ্ন আর সংগ্রামের দীপ্ত আলো। সেখানে দেখা মিলবে ছোট্ট শিশু লয়ান-এর; যার চোখে ভেসে ওঠে নিঃশেষ হওয়ার আগেও বেঁচে থাকার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষা।

লয়ান শুধু একটি শিশু নয়—সে এক প্রতীক; দৃঢ়তা, আত্মসচেতনতা, ব্যক্তিত্ব আর অফুরান দেশপ্রেমের প্রতিমূর্তি। তার প্রতিটি পদক্ষেপ আমাদের শেখায়, কিভাবে সাহস আর ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখতে হয় একটি জাতির আত্মা।
জানতে হলে পড়ুন শব্দঘর।

11/05/2025

মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে
মাকে মনে পড়ে আমার, মাকে মনে পড়ে।

06/05/2025

❣️❣️🚡❣️
টেনশনের গলি
— তালুকদার লাভলী

মে দিবস আসে, যায়—
কিন্তু মোছার কপালে
একদিনও ছুটি জোটে না।

গামছা দিয়ে ঘাম মুছে,
চোখে আঁকে নতুন স্বপ্ন।
রিকশার প্যাডেলে চাপ দেয়,
বুকের ভিতর টিপে রাখা আশা—
“গোলেচা, সৌদি যাইমু,
তোর চোখের জল চিরদিনের লাইগা মুছা দিমু, বাজান,
তোর লাইগা কত রকমের মজা আনুম!”

চান্দু দালাল কইছে,
“ট্যাহা দিলেই তোর কপাল খুইলা যাইব।”
গরু গেল, গহনা গেল,
স্বপ্নগুলা গিয়া বসল শকুনের চোখে।
গোলেচার সব সাধ-সপন
লইয়া গেল চার লাখ টাকায়।

মুছা কিনল একটা মরুভূমির ঠিকানা—
যেখানে স্বপ্নেরা বালির ধোঁয়ার মত উড়্যা যায়,
আর চোখের কোণে জমে থাকা পানিটুকু
ঝইরা পড়ে তপ্ত জমিনে।

মুছা প্রতিদিন দাঁড়ায়
টেনশনের গলিতে—
ঘামের গন্ধে ভেজা নামের বোর্ডে
লেখা থাকে তার কষ্টের ইতিহাস।
বছর পইড়া গেল, কাম নাই,
ঋণ শোধ হয় না,
পেটের আগুন নিভে না।

গোলাচা গলায় দড়ি দিয়া
চইলা যায় টেনশনের জগত থেইকা।
মোবাইলে টাকা নাই,
চিঠির ভাষায় পোলার আকুলতা—
“বাজান, আমি খেলনা গাড়ি পাঠাইতে পারি নাই...
কথা রাখি নাই, বাজান।”

চিঠির শেষ শব্দ থেমে যায়
বুক থেমে যাওয়ার লগে লগে।

গোলাচার কান্না,
একটা পোলার “বাবা” ডাকা—
আরো একটা স্বপ্নভঙ্গ,
আরো একটা নিথর দেহ
যে আর ফেরত আসে না দেশের মাটিতে।

কে কয় ওরা বিদেশ যায়?
ওরা তো যায় স্বপ্ন হারাতে,
একটা অসীম টেনশনের গলিতে—
যেখান থেইকা কেহই ফিরে আসে না
একই চোখ, একই মন,
একই নামে।

-

04/05/2025

দৈনিক দেশের কণ্ঠ💜❤️💜

"টেনশনের গলি" গল্পটি প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক 'দেশের কণ্ঠ' পত্রিকায়।
এই গল্পটিকে ছাপার উপযোগী মনে করে পরিশ্রম করে ছাপানোর ব্যবস্থা করেছেন শ্রদ্ধেয় কবি নাসির আহমেদ। তাঁর প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

প্রিয় পাঠক,
আপনারা গল্পটি পড়ে দেখতে পারেন।
বিশেষ করে প্রবাসে থাকা বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের প্রতি আহ্বান—
গল্পটির প্রতি একটু নজর দিন।
প্রবাসী জীবনের টানাপড়েন, মানসিক চাপ এবং জীবনের কিছু না বলা কথা এই গল্পে উঠে এসেছে।

পাঠের আনন্দে থাকুন।
মতামত জানাতে ভুলবেন না

https://dainikdesherkantha.com/2025-05-04?page=6

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Dhaka