Emotional Vaiya

Emotional Vaiya

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Emotional Vaiya, Dhaka.

07/06/2022

দেশের গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আপনাকেও ডাষ্টবিনে ফেলে দিবে জনগন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টুপ করে কে কাকে ফেলে দেয় দেখবেন।

06/06/2022

দিন আসবেই!!
কবে? কখন? কিভাবে?

এই ভাবেই আসবে, আসতে হবেই,
লেগে থাকতে হবে, লেগে থাকলে হয় (ছাত্রদল)!
নবীন থেকে প্রবীণ, জ্বলে উঠে জ্বালাও, একসাথে, একত্রে।

রক্ত?
এ তো ইতিহাসের ধারক, বাহক, সঞ্চালক।
কুত্তার পাছায় লাথি নয় লাঠি লাগে, তাহলেই কুত্তা দৌড়ায়।

উত্তর পাইছেন বড়দা???

06/06/2022

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) - এর ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রেখেছেন ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন ভাইয়া।

শ্যাম্পু আর সয়াবিন তেল দিয়ে তৈরি হয় মিল্কভিটার দুধ ! 12/05/2016

মিল্ক ভিটা নিজেরাই দুধ উৎপাদন করে।
http://www.prothom-news.com/national/2016/05/09/125214/

শ্যাম্পু আর সয়াবিন তেল দিয়ে তৈরি হয় মিল্কভিটার দুধ ! প্রথম নিউজ প্রতিবেদক : বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি মিল্কভিটার দুধে ভেজাল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন সমবায় মন্ত্রী মশিউর রহমান। ভেজাল দুধ উৎপাদন, বাজারজাতকরণ বন্ধে অভিযান চালানোর একটি আইনি প্রক্রিয়

11/07/2014

খুব ইমার্জেন্সী
আসুন ফিলিস্তিনের অসহায়
মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ায়,
ইসরাইলি সকল পণ্য বর্জন করি।

শেয়ার বা কপি করে ছড়িয়ে দিন
প্লিজ।
ফেসবুকে বয়ান দিয়ে,
ইভেন্ট খুললে ফিলিস্তিনিদের
কোন উপকার হবেনা৷
আমরা ব্যক্তিগতভাবে যা করতে পারি তা হলো ইসরাইলের
প্রোডাক্ট বয়কট।

কিছু পরিচিত
ইসরাইলি প্রোডাক্ট :
Pepsi,
Coca Cola,
7up,
fanta,
KitKat,
Loreal,
Apex,
Kodak,
Gillette,
Nike,
Intel,
Disney,
এছাড়া Nestle এরসকল পণ্যঃ Nescafe,
Maggi noodles,
Nedo,
Ne sta ইত্যাদি৷
ঈদ ও
রোজাকে সামনে রেখে Nestle,Maggi
Noodles ইত্যাদির ব্যবহার
হয়তো হাজারগুন বেড়ে যাচ্ছে ৷
মনে রাখা উচিত এই পণ্যগুলোই
ইসরাইলের অর্থনীতির প্রধান উৎস৷
তাই আমরা অন্য ব্রান্ড এর পণ্য
ক্রয়
করি,
পরিবারকে এসব কিনতে নিষেধ করি।
কপি পেস্ট/শেয়ার করে সকলের
কাছে ছড়িয়ে দেই৷
ইসরাইলি পণ্য চেনার সহজ উপায়,
পিছনের লোগো৷
ইসরাইলি পণ্যের১ম তিন ডিজিট 729.
যেমন- নুডুলসের
পিছনে 7293453459070
লেখা থাকলে ইসরাইলি নুডুলস৷
এগুলো খাওয়া আর ফিলিস্তিন
ভাই
বোনদের রক্ত খাওয়া সমান।

তাই এতটুকু আশা রাখতেই পারি,
যে কয়জন এই
পোস্টটা দেখছি তারা আর
জীবনেও
এসব পণ্য কিনবো না।
এটাই হবে ইসরাইলি বর্বর
হত্যাকান্ডের
বিরুদ্ধে আমাদের
নিরব প্রতিবাদ।

02/07/2014

FIFA CUP 2014কোয়াটার
ফাইনালের খেলার সময় সুচিঃ

1.ফ্যান্স vsজার্মানি
০৪-০৭-২০১৪.শুক্রবার রাত ১০টায়।

2.ব্রাজিল vsকলম্বিয়া
০৪-০৭-২০১৪,শুক্রবার রাত ২টায় ।

3.আর্জেন্টিনা vsবেলজিয়াম
০৫-০৭-২০১৪,শনিবার
রাত ১০ টায়।

4.নেদারল্যান্ডস vsকোষ্টারিকা
০৫-০৭-২০১৪ , শনিবার রাত ২টায় ।

01/07/2014

ধর্মপ্রাণ
মুসলিমদের
কাছে পবিত্র
রমজানের
গুরুত্ব
অনেক।
ছোট-
বড়,
নারী-
পুরুষ
ভেদে প্রায় সকল মুমিন মুসলমান
রোজা রাখেন। রমজান এলেই
সবার মধ্যেই রোজা রাখার
প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু
আমাদের এই
প্রবণতা কি ইসলামী শরীয়াহ
মেনে চলছে, নাকি চলছে না?
আসুন জেনে নেয়া যাক
আমরা সাধারণত কি কি ভুল
করে থাকি রোজা পালনে..
১. রমজানকে প্রথাগত অনুষ্ঠান
মনে করা
আমাদের অনেকের কাছে রমজান
একটি প্রথাগত অনুষ্ঠানে রূপ লাভ
করেছে। তার
আধ্যাত্মিকতা হারিয়ে ইবাদাতের
বদলে আমরা সকাল
থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপোস
থাকি শুধুমাত্র। আমরা ভুলে যাই
যে এই সময়টা আমাদের অন্তর ও
আত্মাকে সকল প্রকার খারাপ কাজ
থেকে পরিশুদ্ধ করার জন্য
দোয়া করতে এবং আল্লাহর
কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। সকল
প্রকার পানাহার থেকে বিরত
থাকি, কিন্তু সেটা কেবল
লৌকিকভাবেই।
আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
"জিবরাঈল (আঃ)
আমাকে বলেছেন, আল্লাহ্ ওই
ব্যক্তির নাক মাটিতে ঘষুন যার
নিকট রমজান আসল এবং তার
গুনাহসমূহ মাফ হলো না,
এবং আমি বললাম, আমিন। তারপর
তিনি বললেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির
নাকও মাটিতে ঘষুন যে জীবদ্দশায়
তার পিতামাতার
একজনকে অথবা উভয়কে বৃদ্ধ
হতে দেখলো এবং সে জান্নাতে প্রবেশ
করার অধিকার
রাখলো না তাদের সেবা করার
মাধ্যমে, আর আমি বললাম, আমিন।
অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ্ ওই
ব্যক্তির নাক মাটিতে ঘষুন যার
উপস্থিতিতে যখন আপনার নাম
উচ্চারণ করা হয় তখন সে আপনার
প্রতি সালাম বর্ষণ করে না আর
আমি বললাম, আমিন।"(তিরমিযী,
আহমাদ,
এবং অন্যান্য_আলবানী কর্তৃক
সহীহকৃত)
২. অতিমাত্রায় পানাহারের
ব্যাপারে চাপে থাকা
আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে,
রমজান মাসের পুরোটাই খাবার
ঘিরে আবর্তিত হয়। সালাত, কুরআন
তিলাওয়াত ও অন্যান্য ইবাদাতের
ব্যাপারে যত্নশীল
হওয়া বদলে আমরা পুরোটা দিন
কেবল ব্যস্ত থাকি রান্নাবান্না,
কেনাকাটা এবং খাওয়া-
দাওয়া নিয়ে। আমাদের
চিন্তা ভাবনার পুরোটা জুড়েই
থাকে 'খাওয়া-দাওয়া।
যার দরূন আমরা রোজা থাকার
মাসকে ভোজের মাসে পরিণত
করেছি। ইফতারের সময়ে আমাদের
টেবিলে পুঞ্জীভূত
নানাপদী খাবার, মিষ্টান্ন
এবং পানীয়ে পরিপূর্ণ।
পক্ষান্তরে, আমরা রামাদানের
মুখ্য উদ্দেশ্য ভুলে যাচ্ছি, আর
এভাবে আমাদের লোভ আর
প্রবৃত্তির অনুসরণ বাড়তে থাকে।
এটাও একধরনের অপচয়
এবং সীমালঙ্ঘন।
এ বিষয়ে কুরআনে বর্ণিত আছে,
"তোমরা খাও এবং পান করো,
এবং কোনো অবস্থাতেই অপচয়
করো না, আল্লাহ্ তাআলা কখনোই
অপচয়কারীদের পছন্দ করেন
না ।”(সূরা আ’রাফঃ৩১)
৩. মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া
কিছুসংখ্যক লোক সেহরীর
সময়ে অতিমাত্রায খাদ্য গ্রহণ
করে থাকে। কারণ
তারা মনে করে সারা দিন
ক্ষুধার্ত অনুভব না করার এটাই
একমাত্র পথ। আর কিছুসংখ্যক
রয়েছেন যারা ইফতারের সময়
এমনভাবে খান যাতে সারাদিন
না খাওয়ার অভাব একবারেই
মিটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন।
এটা সম্পূর্ণরূপে সুন্নাহ্
বিরোধী কাজ।
পরিমিতিবোধ সব কিছুর
চাবিকাঠি। রাসূল (সাঃ)
বলেছেন, "আদম সন্তান তার উদর
ব্যতীত আর কোনো পাত্রই
এতো খারাপভাবে পূর্ণ করে না,
আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ
সোজা রাখার জন্য এক
মুঠো খাবারই যথেষ্ট।
যদি তোমাদেরকে উদর পূর্ণ করতেই
হয়, এক তৃতীয়াংশ খাবার দ্বারা,
এক তৃতীয়াংশ পানি দ্বারা আর
অবশিষ্ট এক তৃতীয়াংশ বায়ু
দ্বারা পূর্ণ করো।"(তিরমিযী,
ইবনে মাজাহ্, আলবানী কর্তৃক
সহীহ্কৃত)
অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ একজন
মানুষকে আবশ্যকীয় অনেক আমল
এবং ইবাদাত
হতে দূরে সরিয়ে নেয়, তাকে অলস
করে তোলে এবং অন্তরকে বধির
করে ফেলে।
৪. সারা দিন ঘুমিয়ে কাটানো
আমাদের অনুধাবন করার পূর্বেই এই
মাগফিরাত ও মুক্তির মাস শেষ
হয়ে যাবে।
আমাদেরকে চেষ্টা করা উচিত এই
পবিত্র মাসের প্রতিটি মূহুর্ত
আল্লাহর ইবাদাতে কাটানোর,
যাতে করে আমরা এই মাসের
সর্বোচ্চ সওয়াব হাসিল
করতে পারি। অনেকে আছেন
যারা রমজানের দিনগুলি ঘুমিয়ে,
ভিডিও গেমস্ খেলে অতিবাহিত
করে, অথবা জঘন্যতম হল
টিভি দেখা,
ছবি দেখা এমনকি গান
শোনা পর্যন্ত। আল্লাহকে মান্য
করার চেষ্টা করা হয়
তাকে অমান্য করার মাধ্যমে।
৫. রোজা রাখা অথচ খারাপ কাজ
বর্জন না করা
অনেকে রোজা রাখে কিন্তু
তারা মিথ্যাচার,
অভিশাপপ্রদান, মারামারি,
গীবত ইত্যাদি বর্জন করে না।
তারা রোজা রাখার উদ্দেশ্য
কেবলমাত্র পানাহার
থেকে বিরত নয়। আল্লাহর
প্রতি তাকওয়া(পরহেজগারী)
অর্জন অনুধাবন
না করে রোজা রাখে।
তারা প্রতারণা, চুরি, হারাম
চুক্তি সম্পাদন, লটারির টিকেট
ক্রয়, মদ বিক্রি, যিনা ইত্যাদিসহ
যাবতীয় অননুমোদিত কর্মকান্ড
বর্জন করে না।
কুরআনে বর্ণিত আছে, “হে মানুষ,
তোমরা যারা ঈমান এনেছো!
তোমাদের ওপর সাওম ফরজ
করা হয়েছে যেমনটি করা হয়েছিলো তোমাদের
পূর্বপুরূষদের ওপর
যাতে করে তোমরা তাকওয়া অর্জন
করতে পারো।”(সূরা বাকারাঃ১৮৩)
রাসূল (সাঃ)
বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলা ও
এর ওপর আমল করা বর্জন করে না ও
মূর্খতা পরিহার করে না, তার
পানাহার হতে বিরত
থেকে উপবাস করা আল্লাহর নিকট
প্রয়োজন নেই।”(বুখারী)
৬. ধূমপান
ধূমপান ইসলামে বর্জনীয়।
এটা যাবতীয় ধূমপানের
সামগ্রী অন্তভূর্ক্ত
করে যেমনঃ সিগার, সিগারেট,
পাইপ, শিশা, হুক্কা ইত্যাদি।
রমজানেও এই হারামকে পরিহার
করতে পারে না অনেকে। এ
বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন...
তাদের জন্য যাবতীয় পাক
জিনিসকে হালাল ও নাপাক
জিনিসসমূহকে তাদের ওপর হারাম
ঘোষণা কর”(সূরাআ’রাফঃ১৫৭)
এটা শুধু যে ধূমপায়ী তার জন্য
ক্ষতিকর- তা নয়, বরং তার
আশেপাশে যারা রয়েছে তাদের
জন্যও ক্ষতিকর। এটা কারো অর্থ
অপচয়ের জন্য একটি মাধ্যমও বটে।
৭. ইচ্ছাকৃতভাবে সেহরী বাদ
দেওয়া
রাসূল (সাঃ)
বলেছেনঃ “সেহরী খাও, কারণ
এটার মধ্যে বরকত রয়েছে।”(বুখারী,
মুসলিম)
তাই ইচ্ছাকৃত সেহরী বাদ দেয
কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়।
৮. ইমসাক এর সময় সেহরী খাওয়া বন্ধ
করে দেওয়া
কিছু লোক রয়েছে যারা ফজরের
ওয়াক্তের ১০-১৫ মিনিট
পূর্বে ইমসাক পালনের জন্য
সেহরী খাওয়া বন্ধ করে দেয়। শেখ
ইবনে উছাইমিন
বলেছেনঃ “এটা বিদ’আত
ছাড়া আর কিছু নয় যার কোন
ভিত্তি সুন্নাহে নেই। বরং সুন্নাহ
হল তার উল্টোটা করা। আল্লাহ
প্রত্যুষের আগ পর্যন্ত
আমাদেরকে খেতে অনুমতি প্রদান
করেছেনঃ “আর আহার কর ও পান কর
যতক্ষণ না ফজরের
সাদা রেখা কালো রেখা থেকে স্পষ্ট
হয়।”(সূরা বাকারাঃ১৮৭)
রাসূল (সাঃ)
বলেছেনঃ “তোমরা আহার কর ও
পান কর যতক্ষণ
না ইবনে উম্মে মাকতুম এর
আযানের ধ্বনি শুনতে পাও, কারণ
সে প্রত্যূষ না আসা পর্যন্ত আযান
দেয় না।”
এই ইমসাক হচ্ছে কিছু সংখ্যক
লোকের দ্বারা পালনকৃত আল্লাহর
আদেশের অতিরিক্ত কাজ, তাই
এটা ভুয়া। এটা ধর্মের নামে এক
ধরনের উগ্রপন্থী আচরণ। আর রাসূল
(সাঃ)
বলেছেনঃ “যারা উগ্রপন্থা অবলম্বন
করে তারা ধ্বংস হয়েছে,
যারা উগ্রপন্থা অবলম্বন
করে তারা ধ্বংস হয়েছে,
যারা উগ্রপন্থা অবলম্বন
করে তারা ধ্বংস হয়েছে।”(মুসলিম)
৯. ইফতার এবং সেহরির নিয়ত করা
ইফতার এবং সেহরির সময় নিয়ত এর
উদ্দ্যেশ্যে মুখ দিয়ে দুআ উচ্চারণ
করা শরীয়ত সম্মত নয়। ইফতার
এবং সেহরির যে সকল দুআ আমাদের
দেশে প্রতি বছর ইসলামিক
ক্যালেন্ডারগুলিতে প্রকাশিত হয়
সেগুলো বিদআত। ইফতার
অথবা সেহরির জন্য নির্দিষ্ট কোন
দুআ সহিহ হাদিস এ নেই।
এক্ষেত্রে শুধু মনে মনে নিয়ত
করলেই ইনশাআল্লাহ হবে।
১০. ইফতারিতে দেরি করা
আমাদের অনেকেই ইফতারের সময়
মাগরিবের আযান শেষ
হওয়া পর্যন্ত বসে থাকেন, আযান
শেষ হলে ইফতারি করেন। সূর্য অস্ত
যাবার পর আযান দেওয়ার
সাথে সাথে ইফতার করা সুন্নাহ
সম্মত। আনাস(রাঃ)
বলেন,“রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটাই
করতেন।(মুসলিম)
১১. মাগরিবের
নামাযে দেরি করা
আমরা অনেকেই ইফতারিতে এত
বেশি খাবার
নিয়ে বসি যে সেগুলো শেষ
করতে গিয়ে মাগরিবের
জামাআত ধরতে পারিনা।
এটা একেবারেই অনুচিত। রাসুল
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েক
টুকরা খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার
করে অতঃপর মাগরিবের নামাজ
এর জন্য চলে যেতেন। নামাজ শেষ
করে এসে আমরা ফিরে এসে ইচ্ছা করলে আরও
কিছু খেতে পারি।
১২. আমাদের দুআ কবুল হওয়ার সুযোগ
ছেড়ে দেওয়া
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির দুআ
ইফতারির সময় আল্লাহর নিকট কবুল
হয়ে থাকে। রাসুল(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন,“তিন
ধরনের ব্যক্তির দুআ
ফিরিয়ে দেওয়া হয়না- ১)একজন
পিতার দুয়া, ২)রোযাদার ব্যক্তির
দুয়া, ৩)মুসাফিরের নামাজ”।
(বায়হাকি)
আমরা এই সময়ে দুআ
না করে বরং খাবার
পরিবেশন,কথাবার্তা ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত
থাকি। আমাদের
চিন্তা করা উচিৎ
কোনটা আমাদের দরকার- খাবার
নাকি দুআ কবুল হওয়া ?
১৩. রোযা রাখা অথচ নামাজ
না পড়া
সিয়াম পালনকারী কোন
ব্যক্তি নামাজ না পরলে তার
সিয়াম কবুল হয়না। রাসুল
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,“সালাত
(নামাজ) হচ্ছে ঈমান এবং কুফর এর
পার্থক্যকারী”।(মুসলিম)
তাই শুধু সিয়াম নয়,সালাত(নামাজ)
আদায় না করলে কোন ইবাদতই কবুল
হয়না।
রাসুল(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন,“যে আসরের
সালাত আদায় করে না, তার ভাল
কাজসমূহ বাতিল
হয়ে যায়।”(বুখারি)
১৪. রোযা রাখা অথচ হিজাব
না পরা
মুসলিম নারীদের জন্য হিজাব
না পরা কবীরা গুনাহ। “ঈমানদার
নারীদেরকে বলুন, তারা যেন
তাদের দৃষ্টিকে নত
রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের
হেফাযত করে। তারা যেন
যা সাধারণতঃ প্রকাশমান,
তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন
না করে এবং তারা যেন তাদের
মাথার ওড়না বক্ষ
দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন
তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র,
স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র,
ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত
বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও
বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ
সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত
কারো আছে তাদের সৌন্দর্য
প্রকাশ না করে, তারা যেন
তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ
করার জন্য
জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ,
তোমরা সবাই আল্লাহর
সামনে তওবা কর,
যাতে তোমরা সফলকাম হও।”(আন-
নুরঃ ৩১)
সুতরাং রোযা রাখা অথচ হিজাব
না পরা অবশ্যই সিয়াম পালনের
পুরস্কার হতে দূরে সরিয়ে দেয়
যদিও এটি সিয়াম ভঙ্গ করেনা।
১৫. পরীক্ষা কিংবা কর্মব্যস্ততার
জন্য রোযা না রাখা
পরীক্ষা কিংবা কর্মব্যস্ততার
কারণে রোযা না রাখা শরীয়ত
সম্মত নয়।
সকালে পড়ালেখা করতে কষ্ট
হলে রাতে করার সময় থাকে।
আমাদের মনে রাখা উচিৎ
যে পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার
চেয়ে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করাটাই
আমাদের মূল লক্ষ্য।
পড়ালেখা করার মধ্যে দিয়েও
যদি আমরা সঠিকভাবে যদি আমরা রোযা রাখার
মত ফরয কাজগুলো করার
চেষ্টা করি, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ
আমাদের জন্য তা সহজ করে দিবেন
এবং আমাদের সাহায্য করবেন।
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে,
আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ
করে দেবেন।এবং তাকে তার
ধারণাতীত
জায়গা থেকে রিযিক দেবেন।
যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর
ভরসা করে তার জন্যে তিনিই
যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ
করবেন। আল্লাহ সবকিছুর
জন্যে একটি পরিমাণ স্থির
করে রেখেছেন।”(আত-
তালাকঃ ২-৩)
১৬. স্বাস্থ্য কমানোর
উদ্দ্যেশ্যে রোযা রাখা
স্বাস্থ্য কমানোর জন্য
রোযা রাখা উচিত নয়। এটি অন্যতম
একটি বড় ভুল যা আমরা করে থাকি।
সিয়াম পালন করার একমাত্র
উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে আল্লাহর
সন্তুষ্টি অর্জন। যদি স্বাস্থ্য
কমানোর উদ্দ্যেশ্যে কেউ
রোযা রাখে তাহলে তা শিরকের
(ছোট শিরক বা শিরকুল আসগার)
আকার ধারন করতে পারে।
১৭. তারাবীর নামাযের
রাকাআত
সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ
তারাবীর নামাযের কোন
নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাআত নেই।
আট এবং বিশ রাকাআত-এ দুটোই
শরীয়ত সম্মত। শেখ ইবনে উথাইমিন
বলেন,“এগারো কিংবা তেইশ
রাকাআতের কোনটিকে নির্দিষ্ট
করে অপরটি বাতিল করা অনুচিত।
কারন বিষয়টি অনেক
তাৎপর্যপূর্ণ,সমস্ত
প্রশংসা আল্লাহর।”
১৯. নির্দিষ্টভাবে লাইলাতুল
ক্দরের ইবাদত করা
আমরা অনেকেই কেবল ২৭ রমযান
রাতে লাইলাতুল ক্বাদর পাওয়ার
জন্য ইবাদত করে থাকি,কিন্তু
অন্যান্য বিজোড়
রাতগুলিকে প্রাধান্য দেইনা।
অথচ রাসুল(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,“রমযানের
শেষ দশ রাত্রির বিজোড়
রাতগুলিতে লাইলাতুল ক্বাদর
তালাশ কর।”(বুখারি ও মুসলিম)
২০. ঈদের
প্রস্তুতি নিতে গিয়ে রমযানের
শেষাংশ অবহেলায় পালন করা
আমরা অনেকেই ঈদের
প্রস্তুতি (নতুন কাপড়
কেনা,খাবারের আয়োজন করা,
মার্কেটে ঘোরাঘুরি করা)
নিতে গিয়ে রমযানের শেষ ১০
দিন অবহেলায় পালন করি (ঠিকমত
ঈবাদত না করা এবং লাইলাতুল
ক্বাদরের তালাশ না করা)। রাসুল
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযানের
শেষ ১০ দিন আল্লাহর ইবাদতে খুব
বেশি সময় নিমগ্ন থাকতেন,
কেনাকাটি করায় ব্যস্ত থাকতেন
না। রমযান শুরু হবার আগেই
আমাদের কেনাকাটা শেষ
করা উচিৎ।
আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত, "যখন
রমযানের শেষ দশক শুরু হতো রাসুল
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লুঙ্গি শক্ত
করে বাঁধতেন (অর্থাৎ
ইবাদতে ব্যস্ত থাকতেন, স্ত্রীদের
সাথে অন্তরঙ্গ হওয়া থেকে বিরত
থাকতেন), রাত্রি জাগরণ করতেন
এবং তার
পরিবারকে জাগিয়ে তুলতেন।”(বুখারী,মুসলিম)
২১. ইফতার পার্টির আয়োজন করা
যদিও
অপরকে ইফতারি করানোতে সওয়াব
আছে এবং এ কাজে উৎসাহ প্রদান
করা হয়েছে, তথাপি আমাদের
অনেকেই মুখরোচক ইফতার পার্টির
আয়োজন করে থাকেন।
যেখানে হিজাববিহীন
নারীদের আগমন থেকে শুরু
করে অশ্লীল নাচ-গান,
নারীপুরুষের অবাধ মেলামেশা,
তারাবিহ এর নামাজ
ছেড়ে দেওয়া- এ সবই
হয়ে থাকে যেগুলো সম্পূর্ণভাবে ইসলামে নিষিদ্ধ।
মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের
আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ
হেদায়েতের দিকে আহবান
করলে যতজন তার অনুসরণ
করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের
অধিকারী সে হবে,
তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের
সওয়াবে কোনো কমতি হবে না।" [সহীহ্
মুসলিম: ২৬৭৪]

01/07/2014

টাইটানিক যিনি বানিয়েছিলেন,
তাকে প্রশ্ন
করা হয়েছিলো জাহাজটা কতটুকু
নিরাপদ?
উত্তরে তিনি পরিহাসের
সুরে বলেছিলেনঃ
"এমন কি খোদাও
এটাকে ডুবাতে পারবেন না",
পরের ইতিহাস সবাই জানে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট
প্রার্থী টেনক্রেডো নেভেস
নির্বাচনী প্রচারণার সময়
বলেছিলেনঃ "আমার দলের জন্য পাঁচ
লাখ ভোট নিশ্চিত। এমন কি খোদাও
তো আমাকে প্রেসিডেন্ট পদ
থেকে সরাতে পারবেন না"।
নেভেস ভোট
পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন বটে কিন্তু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন
এবং প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঠিক একদিন
আগে মারা যান।

ব্রাজিলিয়ান কবি-গায়ক এগনোর
মিরান্ডা কাজুজা এক বার শো করার
সময় সিগারেটে সুখটান
দিয়ে বাতাসে ধোঁয়া ছেড়ে বলেছিলেনঃ "খোদা এটা তোমার
জন্য"।
কাজুজা বত্রিশ বছর বয়সে ফুসফুস
ক্যান্সারে ভয়ংকর ও বিভৎস অবস্থায়
মারা যান।

বন্ধুগণ আমি আপনি অনেক সময়
আল্লাহকে উপহাস
করে রং ডং করে কথা বলে থাকি। তাই
এখনি সাবধান হয়ে যান। কারণ
তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনিই
আমাদের মৃত্যু দিবেন।

30/06/2014

↓↓↓ মহানবী (সঃ) ইন্তেকালের
পরে বেলাল (রাঃ) এর কাহিনী ↓↓↓

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর
ইন্তেকালের পরের ঘটনাঃ
হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর
ইন্তেকালে বেলাল (রাঃ) প্রায়
পাগলের মতো হয়ে গেলেন ।
তিনি ব্যাগ গুছিয়ে চলে যাচ্ছেন ।
সাহাবীরা তাকে এ
বিষয়ে জিজ্ঞাসা
করলে তিনি বলেন :-
"যে দেশে মহানবী (সঃ) নেই,
আমি সেখানে থাকবো না"।
এরপর
তিনি মদীনা ছেড়ে দামস্কে চলে যান।

কিছুদিন পরে বেলাল (রাঃ)
সপ্নে দেখলেন যে মহানবী (সঃ)
তাকে বলছেন,
"হে বেলাল (রাঃ) তুমি আমাকে
দেখতে আসো না কেন ''?
এ সপ্ন দেখে তিনি মহানবী (সঃ)
এর রওজা মুবারক দেখতে
মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হন ।
বেলাল (রাঃ) এর আগমনের
খবরে মদীনাবাসী আনন্দে
আত্মহারা হয়ে যায় ।
বেলাল (রাঃ) হলেন মহানবী (সঃ)
এর নিযুক্ত মুয়াজ্জিন ।

মহানবী (সঃ) এর ইন্তেকালের পর
বেলাল (রাঃ) আর আযান দেননি ।
তার কন্ঠে আযান শুনতে
সাহাবীরা ব্যাকুল হয়ে আছেন ।
তারা তাকে আযান দিতে বললে
তিনি বলেন যে, তিনি পারবেন না ।
অনেক জোর করে তাকে বললে
তিনি উত্তরে বলেন,
"আমাকে অযান দিতে বলো না ।
কারণ এটা আমি পারবো না ।
আমি যখন আযান দিই তখন
'আল্লাহু আকবর' বলার
সময় আমি ঠিক থাকি ।
'আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'
বলার সময়ও ঠিক থাকি।
'আশহাদু অন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ'
বলার সময় মসজিদের মিম্বারের
দিকে
তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ)
বসে আছেন ।
কিন্তু যখন
মিম্বারে তাকিয়ে তাকে দেখবো না,
তখন সহ্য করতে পারবো না।"
কিন্তু তবুও সাহাবীরা জোর করলো ।
অবশেষে হাসান ও হোসাইন (রাঃ)
এসে তাকে জোর
করলে তিনি রাজী হন ।
তার আযান শুনে সকল সাহাবীর
চোখে পানি এসে যায় ।
কিন্তু আযানের মাঝেই বেলাল
(রাঃ)
বেহুশ হয়ে পরে যান ।
তাকে সকলেই ধরে নিয়ে যান ।

পরে জ্ঞান ফিরার পর
তিনি সকলকে বলেন,
"আমি যখন আযান দিচ্ছিলাম তখন
'আল্লাহু আকবর' বলার
সময় আমি ঠিক ছিলাম ।
'আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'
বলার সময়ও ঠিক ছিলাম । কিন্তু
'আশহাদুঅন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ'
বলার সময় মসজিদের মিম্বারের
দিকে তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ)
আজ সেখান বসে নেই ।
এ দৃশ্য আমি সহ্য করতে পারলাম না।
তাই জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলাম।

30/06/2014

রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেন
থেকে নামতে গিয়ে বিবিএ পড়–
য়া এক শিক্ষার্থীর মর্মন্তিক
মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার
রাতে নেয়াখালী আন্তঃনগর
উপকুল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরব
বাজার রেলওয়ে জংশনের ২
নং প্লাটফর্ম অতিক্রম করার
সময় চলন্ত ট্রেন
থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনের
নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। গুরুতর
আহত অবস্থায়
রেলওয়ে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার
করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এসময় কতর্ব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত
মাহফুজুর রহমান সাকিব (২২)
ঢাকার একটি প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ-ছাত্র ছিল।
সে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার
রামনগর গ্রামের হাজী ফজলুর
রহমান ভূঁইয়ার পুত্র। এ
ব্যপারে ভৈরব রেলওয়ে থানায়
একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের
করা হয়েছে।

পোস্ট : এম.আর রুবেল, ভৈরব।

29/06/2014

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা.......

28/06/2014

ফুটবল কিং লিওনেল
মেসি প্রসঙ্গে ব্রাজিলের
সর্বকালের
সেরা পাঁচ
তারকার বক্তব্যঃ-

১:গত শতাব্দীর সেরা স্ট্রাইকার
পেলেঃ-
''আমি মনে করি ফুটবলের
ইতিহাসে আমি আর মেসিই
সর্বকালের সেরা।''

২:অন্যতম সেরা ফ্রী- কিক টেকার
জুনিনহো :-
''আমি মেসির খেলা দেখার জন্য
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি,
নিঃসন্দেহে মেসি সর্বকালের
শ্রেষ্ঠ ড্রিবলার।''

৩:ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম
সেরা ফিনিশার
রোনালদো ফেনোমেনন :-
''মেসি অলরেডি নিজেকে সর্বকালের
সেরা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে।
সর্বকালের
সেরা হওয়ার জন্য ওর বিশ্বকাপ
জেতার দরকার নেই।''

৪:সর্বকালের অন্যতম
সেরা ড্রিবলার
রোনালদিনহো :-
''মেসি আমার ছোট ভাইয়ের মত,
বিশ্বের সর্বকালের
সেরা ফুটবলারের ভাই
হতে পেরে আমি গর্বিত। মেসির
খেলা শুরু
হলে ব্রাজিলের রাস্তা ঘাট
ফাঁকা হয়ে যায়, সবাই ওর
খেলা দেখার
জন্য টিভির
সামনে ভীড় জমায়।''

৫:বর্তমান বিশ্বের সেরা যুব
ফুটবলার ব্রাজিলের রত্ন
প্রিন্স নেইমার :-
''মেসি একজন এত বড়মানের
খেলোয়াড় হয়েও
আমাকে প্রতিটি মুহূর্তে আগলে রাখে,
আমার প্রতিটি ভুল
সুন্দর করে সংশোধন
করে দেয়। সে শুধু
সেরা খেলোয়াড়ই
নয়, সে অনেক উঁচু মাপের
মানুষও বটে।''

ব্রাজিলের তারকা খেলোয়ার
হয়েও
এরা মেসিকে শ্রদ্ধা করে।
ব্রাজিলের
সেরা খেলোয়ারেরা বলে মেসি সর্বকালের
সেরা আর
বাংলার কিছু
আবাল………………………
যা আর কিছু বললাম না ......

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Website

Address

Dhaka