Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!
𝓜𝓭. 𝓐𝓷𝓲𝓼𝓾𝓻 𝓡𝓪𝓱𝓶𝓪𝓷
"জীবনের মহৎ পরিণতি
অভিজ্ঞতায় নয়--
কর্মে"
"Live ur Dream,
Lead ur Life" AGRANI BANK LIMITED
ঘরে বসে টাকা আয় করার জন্য এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফ্রিল্যান্সিং। এই খাতে প্রচুর কাজ থাকায় দিন দিন এর পরিধি বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নতুন ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যাও। তবে নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন তাদের অনেকেই কিভাবে এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের কোন ক্যাটাগরিতে কাজ করবেন সেটি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন। ফলে না জেনেই কোনো একটি কাজ শুরু করে শেষে হতাশ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং থেকে দূরে সরে যান।...
ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবঃ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাচ্ছেন? তাহলে এই গাইডটি আপনাকে কিভাবে একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার হতে কি কি লাগে ও জানতে হবে সেই বিষয়ে সাহায্য করবে। ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন? বর্তমান সময়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কেটিং করা যেমনঃ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এসইও, ভিডিও কনটেন্ট, ইমেইল মার্কেটিং বা পেইড অ্যাড ইত্যাদি একটি ব্যবসার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। Digital Marketing ডিজিটাল পদ্ধতি বা ডিভাইস ব্যবহার করে করা যায় এমন সব ধরণের প্রচারমাধ্যমকে ব্যবহার করে করা যায়।...
আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে ষষ্ঠ গ্রেডে
(প্রিন্সিপাল অফিসার)
পদোন্নতি পেলাম।
01/12/2024
#অনলাইনে_আয়কর_রিটার্ন_দাখিল_করবেন_যেভাবেঃ
বিগত করবর্ষের ন্যায় এবারও যথারীতি অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিলের সুবিধা থাকছে। দেশের যেসকল নাগরিকের টিআইএন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) নম্বর আছে, তারা এই সুযোগটি নিতে পারবেন। সুতরাং নথিকরণ, ভিড় এবং সময় ক্ষেপণের বিড়ম্বনা এড়িয়ে এবারও ঘরে বসেই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। সদ্য টিনপ্রাপ্ত থেকে শুরু করে দীর্ঘ দিন যাবত আয়কর প্রদানকারী সব পেশার মানুষকে একটি নির্ভরযোগ্য প্লাটফর্মের আওতাভুক্ত করেছে এই ইলেক্ট্রনিক পরিষেবা। প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য পৃথক অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের ব্যবস্থা থাকায় প্রতিবার বিগত বছরের হিসেব নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয় না। চলুন, এই পরিষেবাটি ব্যবহারের পূর্বশর্ত এবং পদ্ধতি সম্বন্ধে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ই-রিটার্ন দাখিলের জন্য কি কি প্রয়োজন
এনবিআর (ন্যাশনাল বোর্ড অফ রেভেনিউ)-এর ইলেক্ট্রনিক ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য দরকার হবে একটি বায়োমেট্রিক করা মোবাইল নাম্বার এবং ই-টিন নম্বর। এখানে মূলত মোবাইল নাম্বারটি জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত আছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের জন্য মোবাইল থেকে *১৬০০১ # নাম্বারে ডায়াল করতে হবে। এরপরের কাজ হলো এনআইডির সর্বশেষ চারটি সংখ্যা উল্লেখ করে সেন্ড করা। এর কিছুক্ষণ পরেই মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে উল্লেখিত এনআইডি নাম্বারের সঙ্গে সংযুক্ত ফোন নাম্বারগুলোর তালিকা পাঠানো হবে। এই নাম্বারগুলো প্রত্যেকটি বায়োমেট্রিক করা। অন্যথায় এই তালিকা সম্বলিত ম্যাসেজটি আসবে না।
ই-রিটার্নের সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে আলাদা করে কোনো কাগজপত্র দিতে হয় না। কেবল প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি নির্ভুলভাবে দিতে হয়। তবে তথ্যের ত্রুটিহীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সঙ্গে থাকা আবশ্যক। তাছাড়া কর অফিস থেকে যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি তথ্য-প্রমাণ যেন দেখানো যায় তার জন্যও কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা বাঞ্ছনীয়।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পদ্ধতি
ই-ট্যাক্স এনবিআর সাইটে নিবন্ধন
প্রথমেই সরাসরি চলে যেতে হবে এনবিআর-এর ই-রিটার্ন ওয়েবসাইটে (https://etaxnbr.gov.bd/)। এখানে প্রদত্ত পরিষেবাগুলো থেকে ‘ই-রিটার্ন’ অপশনে গেলে একটি নতুন উইন্ডো আসবে, যেখানে সাইটটিতে নিবন্ধন করা আছে কিনা- তা জানতে চাওয়া হবে। এখানে ‘আই অ্যাম নট ইয়েট রেজিস্টার্ড’ বাটনে ক্লিক করা হলে নিবন্ধন পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। এই সাইনআপ পেজে ১২ সংখ্যার টিন নাম্বার,বায়োমেট্রিক করা মোবাইল নাম্বার এবং ক্যাপচা সঠিকভাবে পূরণ করে ‘ভেরিফাই’তে ক্লিক করতে হবে।
এরপর উল্লেখিত ফোন নাম্বারে ম্যাসেজের মাধ্যমে ছয় অংকের একটি ওটিপি কোড আসবে। এটি সাইনআপ পেজের নির্দিষ্ট স্থানে বসিয়ে পরপর দুইবার একটি নতুন পাসওয়ার্ড সরবরাহ করতে হবে।
এখানে উল্লেখ্য যে, পাসওয়ার্ডটি অবশ্যই আলফানিউমেরিক তথা অঙ্ক,অক্ষর ও বিভিন্ন চিহ্ন সম্বলিত হতে হবে। সহজ বা ছোট পাসওয়ার্ড গ্রহণযোগ্য নয়। বিধায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া সামনের দিকে অগ্রসর হবে না। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে সাবমিট করার সঙ্গে সঙ্গেই ই-রিটার্ন অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
এখানে মনে রাখতে হবে যে, ই-টিন যেহেতু এনআইডি দিয়ে করা হয় তাই এই সিস্টেমে দেওয়া নাম এবং মোবাইল নাম্বারের সঙ্গে বায়োমেট্রিক করা ব্যক্তির নাম একই হতে হবে। অর্থাৎ একজ ন ব্যক্তি তার নিজের বায়োমেট্রিক ভেরিফাই করা ফোন নাম্বার দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে তা থেকে অন্যজনের রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন না। নিবন্ধনের পর এবার সেই টিন নাম্বার,পাসওয়ার্ড ও নতুন ক্যাপচা পূরণ করে সাইন ইন করলে ই-রিটার্ন ড্যাশবোর্ডটি দেখা যাবে।
রিটার্ন জমার ক্যাটাগরি নির্বাচন
ড্যাশবোর্ডে বাম পাশের মেনু বারে ‘সাবমিশন’ মেনুতে রয়েছে দুই ধরনের রিটার্ন পেজ। একটি সিঙ্গেল পেজ ও অপরটি রেগুলার রিটার্ন পেজ।
সিঙ্গেল পেজ রিটার্ন
প্রধানত সাতটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এক পেজ-এ রিটার্ন জমা দেওয়া যেতে পারে। সেগুলো হলো–
– বার্ষিক করযোগ্য আয় অনূর্ধ্ব পাঁচ লাখ টাকা
– সঞ্চিত সম্পদের পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকার কম
– গণকর্মচারী নন
– মোটরগাড়ির মালিকানা নেই
– সিটি করপোরেশনে কোনো বাড়ির মালিকানা নেই
– বিদেশে কোনো পরিসম্পদ নেই
– কোনো কোম্পানির শেয়ার নেই
এই মাধ্যমে এক পেজের মধ্যেই রিটার্নের যাবতীয় তথ্যাদির খসড়া করা যায়। এর মধ্যে থাকে আয়ের উৎস, মোট আয়, জীবনযাপন ব্যয়, সামগ্রিক পরিসম্পদ, আরোপযোগ্য কর, কর রেয়াত, উৎসে কর্তিত কর, প্রদেয় কর এবং রিটার্নের সঙ্গে দেওয়া কর।
সব তথ্য প্রদান শেষে পেজটি ড্রাফট হিসেবে রাখা যায়, আবার ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে সঙ্গে সঙ্গেই অনলাইন জমা সম্পন্ন করা যায়।
রেগুলার ই- রিটার্ন
উপরোক্ত ৭ শর্তের বাইরে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তিকেই এই বিস্তারিত রিটার্ন পদ্ধতিতে অগ্রসর হতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কর যাচাই, আয়-ব্যয়,বিনিয়োগ,সম্পদ,ঋণ এবং কর রেয়াতের মতো সনাতন পদ্ধতির বিষয়গুলো বিস্তারিত তথ্যের জন্য পৃথক স্ক্রিনে দেখানো হবে।
কর যাচাইয়ের তথ্য
এ অংশে প্রথমেই রিটার্ন স্কিম ঘরে সেল্ফ,এসেস্মেন্ট বর্ষ ও ইনকাম বর্ষের ঘরে সাল ও তারিখ পূর্ব নির্ধারিত থাকবে। আয় করমুক্ত হলে আয়ের পরিমাণের পাশাপাশি ‘রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস’ উল্লেখ করে দিতে হবে।
ডানপাশের হেডস অব ইনকামের নিচে যে অপশনগুলো রিটার্নদাতার জন্য প্রযোজ্য শুধুমাত্র সেগুলোতেই তিনি টিক দেবেন। এই হেডগুলোর মাধ্যমে ব্যক্তির আয়ের উৎস বা খাত নির্ধারিত হয় এবং সে অনুসারে পরের স্ক্রিণগুলো ভিন্ন হয়ে থাকে। পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য একদম নিচের দিকে রয়েছে ‘সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ’ বাটন।
অতিরিক্ত তথ্য
পূর্বের স্ক্রিণে প্রদত্ত তথ্যে জের ধরে এখানে যাচাইকরণের জন্য আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। যেমন- কাজের স্থান,মুক্তিযোদ্ধা বা প্রতিবন্ধী কিংবা অন্য প্রতিবন্ধীর আইনি অভিভাবক কিনা, বিনিয়োগের জন্য কর রেয়াত,কোনো কোম্পানির শেয়ার আছে কিনা,মোটরগাড়ি বা সিটি করপোরেশনে নিজস্ব বাড়ি ইত্যাদি।
আইটি১০বি
এই সেকশনটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে আইটি১০বি। যাবতীয় সম্পদের পরিমাণ যদি ৪০ লাখ টাকা বা তার বেশি হয় সেক্ষেত্রে এই হেডটিতে টিক মার্ক দিতে হবে। প্রদত্ত পরিমাণ সম্পদ না থাকলে আর এই অপশনে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এক্ষেত্রে ব্যক্তির পরিবারের বার্ষিক খরচের হিসেব অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। এরপর ‘সেভ অ্যান্ড কন্টিনিউ’ দিয়ে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পর একে একে এসেস্মেন্ট,ইনকাম,এক্সপেনডিচার,এসেট্স অ্যান্ড লায়াবিলিটিস এবং ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট ট্যাবগুলোর ভিন্ন ভিন্ন পেজগুলো আসবে।
আয়ের বিস্তারিত বিবরণ
এখানে রয়েছে বৈদেশিক আয় বা কর-অব্যাহতি এবং বেতন বা করযোগ্য বিনিয়োগ ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে আয়। ‘এনি আদার ইনকাম’ অপশনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্যসহ অন্যান্য আয়ের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের হিসেব যুক্ত হবে। এই তথ্যগুলো নেট আয়ের হিসাবে যুক্ত হবে।
ব্যয়ের খাত
এই বিভাগটিতে সারা কর বছরে মোট আয়ের বিপরীতে প্রতিটি ব্যয়কে একত্রিত করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি ও ইউটিলিটিসহ বাসস্থান, খাদ্য, পোশাক, পরিবহন, বাচ্চাদের স্কুল খরচ এবং অন্যান্য বিবিধ ব্যয়।
সম্পদ, ঋণ ও বিনিয়োগ খাত
এখানে যুক্ত হবে বিমা, ডিপোজিট প্রিমিয়াম সার্ভিস, সঞ্চয়পত্র, প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং স্টক বা শেয়ারসহ যাবতীয় বিনিয়োগগুলো। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অপশনের সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে রয়েছে স্পষ্ট ও বিস্তারিত তথ্য প্রদানের জায়গা।
কর ও পরিশোধ
সামগ্রিক রিটার্নে কোনো করযোগ্য আয় বা বকেয়া অথবা অগ্রিম কর থাকলে তার স্বয়ংক্রিয় হিসাব হবে এই অংশে। উৎসে কর্তনকৃত কর এবং অগ্রিম কর প্রদান করা হলে তা নেট হিসেবে বাদ যাবে। আয়ের উপর কোনো কর বকেয়া বা ধার্য না হলে প্রদেয় করের পরিমাণ শূন্য হবে আর এভাবে প্রদান করা রিটার্ন ‘শূন্য রিটার্ন’ নামে পরিচিত। যাবতীয় ডেটা সরবরাহের পর ট্যাক্স পেমেন্ট স্ট্যাটাসে ক্লিক করলে কর হিসাবের একটি সারাংশ দেখানো হবে। অতঃপর কোনো করযোগ্য পরিমাণ উল্লেখ থাকলে এবার তা পরিশোধের পালা।
এর জন্য ‘পে নাউ’ বাটনে ক্লিক করলে অর্থপ্রদানের জন্য কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং এবং মোবাইল ব্যাংকিং-এই তিনটি অপশন প্রদর্শিত হবে। এগুলোর যেকোনোটি নির্বাচন করে অনায়াসে নেট করটি তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করা যাবে।
ই-রিটার্ন সনদ সংগ্রহ
রিটার্ন জমা দেওয়ার পর কর প্রদানের রশিদ ও রিটার্ন সনদসহ প্রত্যেকটি ট্যাক্স রেকর্ড সঙ্গে সঙ্গেই প্রস্তুত হয়ে যাবে। এই গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো যেকোনো সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে এখান থেকে ডাউনলোড এবং প্রিন্ট করে কাজে লাগানো যাবে। এতক্ষণ ধরে যে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তার সবগুলো সহ পুরো রিটার্নটি অ্যাকাউন্টে নিরাপদে সংরক্ষিত অবস্থায় থেকে যায়। এতে করে পরের বছরে নতুন করে পুরোনো হিসাব নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয় না।
সবশেষ, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের এই পদ্ধতি পুরোনো নথিকরণ এবং জটিল হিসেব-নিকেশের বিড়ম্বনা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। তবে ই-ট্যাক্স এনবিআর সাইটে তথ্য প্রদানের পূর্বে অবশ্যই রিটার্নের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাগজপত্র যোগাড় করে রাখা উচিত। ই-রিটার্নের সঙ্গে কোনো কাগজ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও তথ্য পূরণে ত্রুটিহীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেগুলো সঙ্গে রাখা জরুরি। অ্যাকাউন্ট খোলা এবং তা যেকোনো সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড ফোন নম্বর অপরিবর্তিত রাখার কোনো বিকল্প নেই। প্রদান করা প্রতিটি তথ্য এই অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকে ফলে পরের বছরে জমা দেওয়ার সময় রিটার্নের তথ্যে সামঞ্জস্যতা রাখা যায়।
ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)
১৩:৩০, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
27/07/2024
হুন্ডি কি?
হুন্ডি একটি অনানুষ্ঠানিক আর্থিক লেনদেন পদ্ধতি, যা বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচলিত। এটি সাধারণত ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অর্থ প্রেরণ এবং গ্রহণের একটি পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হুন্ডি ব্যবস্থায় একজন প্রেরক এবং একজন গ্রহণকারী থাকে, এবং তাদের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী (হুন্ডিওয়ালা) লেনদেনটি সম্পন্ন করে।
# # # হুন্ডির কার্যপ্রণালী:
1. **প্রেরক:**
অর্থ প্রেরক হুন্ডিওয়ালাকে তার অর্থ দেয়।
2. **হুন্ডিওয়ালা:**
হুন্ডিওয়ালা প্রেরকের দেওয়া অর্থের সমমানের অর্থ তার নিজস্ব দেশে বা অন্য কোনো নির্ধারিত স্থানে গ্রহণকারীকে প্রদান করে।
3. **গ্রহণকারী:**
গ্রহণকারী হুন্ডিওয়ালার মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে।
হুন্ডি ব্যবস্থায় কোনো বৈধ নথিপত্র বা রেগুলেটরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না, তাই এটি অনেক সময় আইনগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়।
#হুন্ডি ব্যবসার বিভিন্ন মাধ্যমঃ
হুন্ডি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এই পদ্ধতিগুলো সাধারণত ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে থাকে এবং অনেক সময় গোপনীয় থাকে। নিচে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের ব্যবহৃত সাধারণ পদ্ধতিগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো:
# # # ১. ক্যাশ ট্রান্সফার:
এই পদ্ধতিতে প্রেরক সরাসরি হুন্ডিওয়ালাকে নগদ টাকা প্রদান করেন। হুন্ডিওয়ালা তারপর নিজের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রহণকারীকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা প্রদান করেন।
# # # ২. হুন্ডি নেটওয়ার্ক:
হুন্ডিওয়ালাদের একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক থাকে যা দেশব্যাপী বা আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত। এই নেটওয়ার্কের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখেন এবং একে অপরের মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদান করেন।
# # # ৩. ব্যবসায়িক লেনদেনের আড়ালে:
কিছু হুন্ডি ব্যবসায়ী ব্যবসায়িক লেনদেনের আড়ালে টাকা স্থানান্তর করেন। উদাহরণস্বরূপ, আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হতে পারে।
# # # ৪. মাল্টি-লেনদেন:
একই সময়ে বিভিন্ন দেশের হুন্ডিওয়ালারা একে অপরের সঙ্গে লেনদেন করেন। একজন হুন্ডিওয়ালা একটি দেশে টাকা গ্রহণ করেন এবং অন্য একজন হুন্ডিওয়ালা অন্য দেশে টাকা প্রদান করেন, ফলে টাকা এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে যায়।
# # # ৫. গোল্ড এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী:
কখনও কখনও হুন্ডি ব্যবসায়ীরা সোনার মতো মূল্যবান সামগ্রীর মাধ্যমে লেনদেন করেন। একজন হুন্ডিওয়ালা সোনা কিনে অন্য দেশে পাঠিয়ে দেন এবং সেখানে তা নগদ টাকায় রূপান্তরিত হয়।
# # # ৬. স্থানীয় যোগাযোগ:
প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্যাংকিং সুবিধা কম, সেখানে স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী বা যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে হুন্ডি লেনদেন সম্পন্ন হয়।
# # # ৭. ডিজিটাল মাধ্যমে:
কিছু ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যমে যেমন মোবাইল মানি ট্রান্সফার বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের মাধ্যমেও হুন্ডি লেনদেন করা হতে পারে, যদিও এটি সাধারণত কম প্রচলিত।
# # # ৮. আন্তর্জাতিক বন্ধু বা আত্মীয়:
কখনও কখনও হুন্ডি ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বন্ধু বা আত্মীয়দের মাধ্যমে টাকা স্থানান্তর করেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন প্রবাসী কর্মী তার দেশের আত্মীয় বা বন্ধুকে টাকা দেন, এবং সেই আত্মীয় বা বন্ধু দেশে প্রাপককে টাকা প্রদান করেন।
এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহারে অনেক সময়ই কোনো বৈধ নথিপত্র বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, ফলে হুন্ডি ব্যবস্থায় আইনগত ঝুঁকি এবং প্রতারণার সম্ভাবনা থাকে।
# # # হুন্ডির সুবিধা:
1. **দ্রুত লেনদেন:**
- হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়। প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থার মতো সময় লাগে না, যার ফলে প্রাপক তাড়াতাড়ি অর্থ হাতে পেয়ে যান।
2. **কম খরচ:**
- হুন্ডির ফি সাধারণত ব্যাংকিং ফি থেকে কম হয়। বিশেষ করে বড় অঙ্কের অর্থ প্রেরণে খরচ অনেক কমে যায়।
3. **দরকার হলে লেনদেনের গোপনীয়তা:**
- হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন সাধারণত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকে, তাই অনেক ক্ষেত্রে লেনদেন গোপন রাখতে সুবিধা হয়। যারা ব্যাংকিং সিস্টেম ব্যবহার করতে চান না বা করতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি বিকল্প।
4. **গ্রাম বা প্রত্যন্ত এলাকায় সহজ প্রবেশ:**
- অনেক গ্রাম বা প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে ব্যাংকের শাখা বা ব্যাংকিং সেবা পৌঁছায় না, সেসব স্থানে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো এবং গ্রহণ করা সহজ হয়।
5. **ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন নেই:**
- হুন্ডি ব্যবহারের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন নেই, ফলে যারা ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন তারাও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
6. **সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত:**
- হুন্ডি ব্যবস্থায় সরকারি নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি কম থাকে, ফলে অনেক ক্ষেত্রে তা সুবিধাজনক হতে পারে।
# # # ব্যবহারের সুবিধা:
- **প্রবাসী কর্মীদের জন্য:** প্রবাসী কর্মীরা তাদের পরিবারকে অর্থ পাঠাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন, কারণ এটি দ্রুত এবং সহজ।
- **ব্যবসায়ীদের জন্য:** কিছু ব্যবসায়ী তাদের আর্থিক লেনদেন দ্রুত এবং কম খরচে সম্পন্ন করতে হুন্ডির ব্যবহার করে থাকেন।
তবে, এই সুবিধাগুলোর পাশাপাশি হুন্ডি ব্যবস্থার কিছু ঝুঁকিও থাকে, যেমন আইনগত ঝুঁকি এবং প্রতারণার সম্ভাবনা। তাই হুন্ডি ব্যবহারের সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত।
# # # হুন্ডির অসুবিধা:
1. **আইনগত ঝুঁকি:**
- **অবৈধ লেনদেন:** অনেক দেশে হুন্ডি অবৈধ এবং অননুমোদিত। হুন্ডি ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ বা গ্রহণ করলে আইনগত সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
- **কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুপস্থিতি:** হুন্ডি ব্যবস্থায় কোনো সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই, ফলে কোনো সমস্যা বা অভিযোগের ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়া কঠিন।
2. **প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা:**
- **নিরাপত্তাহীন লেনদেন:** হুন্ডি ব্যবস্থায় কোনো লিখিত দলিল বা রেকর্ড থাকে না, ফলে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- **বিশ্বাসের উপর নির্ভরতা:** পুরো পদ্ধতিটি বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল, তাই হুন্ডিওয়ালা প্রতারক হলে প্রেরক বা গ্রহণকারী উভয়ই ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।
3. **অর্থনৈতিক ঝুঁকি:**
- **অবৈধ অর্থ:** হুন্ডির মাধ্যমে অনেক সময় অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ লেনদেন হতে পারে, যা মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসী অর্থায়নের মতো অপরাধে ব্যবহৃত হতে পারে।
- **অবৈধ ব্যবসার সহায়তা:** হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, যেমন মাদক চোরাচালান, মানব পাচার, ইত্যাদির জন্য অর্থের লেনদেন হতে পারে।
4. **নিয়ন্ত্রণের অভাব:**
- **সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে:** হুন্ডি ব্যবস্থায় কোনো সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই, ফলে সরকারের আয়কর বা অন্যান্য ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া সহজ হয়।
- **অনিয়ন্ত্রিত লেনদেন:** হুন্ডি ব্যবস্থার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, ফলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে।
5. **ট্র্যাকিংয়ের সমস্যা:**
- **লেনদেনের কোন রেকর্ড নেই:** হুন্ডি ব্যবস্থায় লেনদেনের কোনো লিখিত রেকর্ড থাকে না, ফলে লেনদেন ট্র্যাক করা বা অনুসরণ করা প্রায় অসম্ভব।
- **ফান্ডের উৎস এবং গন্তব্য অজানা:** হুন্ডি ব্যবস্থায় প্রেরক এবং গ্রহণকারীর প্রকৃত পরিচয় জানা কঠিন, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ায়।
6. **সরকারি আয় ক্ষতিগ্রস্ত:**
- **ট্যাক্স ফাঁকি:** হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেনের ফলে সরকার ট্যাক্স আয় হারায়, যা অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- **অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল:** হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ পাচার এবং কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হতে পারে।
7. **আর্থিক খাতের দুর্বলতা:**
- **ব্যাংকিং খাত ক্ষতিগ্রস্ত:** হুন্ডি ব্যবস্থার কারণে প্রথাগত ব্যাংকিং খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্যাংকগুলোর উপর মানুষের আস্থা কমে যেতে পারে।
- **অর্থনৈতিক বিকাশে বাধা:** প্রথাগত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে লেনদেনের ফলে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
এই অসুবিধাগুলোর কারণে হুন্ডি ব্যবস্থায় লেনদেনের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি এবং যেখানে সম্ভব প্রথাগত এবং নিয়ন্ত্রিত আর্থিক চ্যানেল ব্যবহার করা উচিত।
# # # হুন্ডি লেনদেনের কারণে সম্ভাব্য শাস্তি: উদাহরণসহ বিস্তারিত বিবরণ
হুন্ডি লেনদেনের ফলে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি হতে পারে, যা নির্ভর করে দেশের আইন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমের উপর। নিচে কিছু উদাহরণসহ বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
# # # ১. অর্থদণ্ড
- **জরিমানা:** হুন্ডি ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন দেশে বড় অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ভারতে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA) এর অধীনে হুন্ডি লেনদেনের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড আরোপ করা হতে পারে।
# # # ২. কারাদণ্ড
- **বন্দিত্ব:** হুন্ডি লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিদের কয়েক মাস থেকে কয়েক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, হুন্ডি লেনদেনের জন্য ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
# # # ৩. সম্পত্তি জব্দ
- **সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত:** হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বা সম্পত্তি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানে হুন্ডি এবং হাওলা লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পত্তি জব্দ করা হয়।
# # # ৪. ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞা
- **অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ:** হুন্ডি লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হতে পারে, যাতে তারা ভবিষ্যতে আর্থিক লেনদেন করতে না পারেন।
- **ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত:** কিছু দেশে, যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাত, হুন্ডি লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে পারে।
# # # ৫. পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা
- **পাসপোর্ট বাতিল:** হুন্ডি লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিল করা হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতে হুন্ডি লেনদেনের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের পাসপোর্ট বাতিল হতে পারে।
- **ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা:** এই ধরনের ব্যক্তিদের উপর আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে পারে।
# # # ৬. প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা বন্ধ
- **ব্যবসা বন্ধ:** হুন্ডি ব্যবস্থায় জড়িত কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা সরকার কর্তৃক বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মালয়েশিয়ায় হুন্ডি লেনদেনে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
- **লাইসেন্স বাতিল:** হুন্ডি লেনদেনে জড়িত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিদের লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।
# # # ৭. আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন
- **আদালতে মামলা:** হুন্ডি লেনদেনের জন্য ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানে হুন্ডি এবং হাওলা লেনদেনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং মামলা দায়ের করা হয়।
- **আদালতের রায়:** আদালত দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করতে পারে।
# # # ৮. আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা
- **আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা:** হুন্ডি লেনদেনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং বা সন্ত্রাসী অর্থায়নের প্রমাণ পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যক্তির উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে পারে।
# # # ৯. সামাজিক এবং পেশাগত প্রভাব
- **সামাজিক অবমাননা:** হুন্ডি লেনদেনের জন্য ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- **পেশাগত প্রভাব:** ব্যক্তি তার কর্মক্ষেত্রে অবমাননা এবং চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
# # # উদাহরণ:
# # # # বাংলাদেশ:
বাংলাদেশে হুন্ডি লেনদেন একটি গুরুতর অপরাধ। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) এই ধরনের অপরাধ দমনে সক্রিয়। বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, হুন্ডি লেনদেনের জন্য ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড হতে পারে।
# # # # ভারত:
ভারতে হুন্ডি লেনদেন গুরুতর অপরাধ এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA) এবং প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) এর অধীনে এটি শাস্তিযোগ্য। ২০২০ সালে, ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) হুন্ডি লেনদেনের সাথে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং বড় অঙ্কের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। ভারতে হুন্ডি লেনদেনের জন্য ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড হতে পারে।
# # # # পাকিস্তান:
পাকিস্তানে হুন্ডি এবং হাওলা লেনদেন একটি গুরুতর অপরাধ। পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (FIA) হুন্ডি লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়। ২০১৯ সালে, পাকিস্তানের FIA হুন্ডি লেনদেনে জড়িত বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের সম্পত্তি জব্দ করে।
# # # সংক্ষিপ্তসার:
হুন্ডি লেনদেনের ফলে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড, সম্পত্তি জব্দ, ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, ব্যবসা বন্ধ, আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়া, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, এবং সামাজিক ও পেশাগত প্রভাবের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দেখিয়ে এই শাস্তির বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হলো।
Courtesy:
Md Anisur Rahman Piklo
Agrani Bank PLC.
18/07/2024
---
#আপনার নিকটস্থ অগ্রণী ব্যাংকের যেকোন শাখায় যোগাযোগ করে একটি অ্যাকাউন্ট ওপেন করে NPSB ও অন্যান্য সেবাসমূহ গ্রহণ করুন।
**NPSB সেবা – বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে আধুনিক পেমেন্ট সল্যুশন**
National Payment Switch Bangladesh (NPSB) হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে পেমেন্ট ও সেবা সমন্বিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে। এটি একটি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম যা বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে আন্তঃব্যাংক লেনদেন সহজতর করে।
**NPSB সেবার বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাসমূহ:**
- **আন্তঃব্যাংক লেনদেনের সুবিধা:** NPSB-এর মাধ্যমে এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের সাথে সহজেই লেনদেন করতে পারেন। এটি চেক ক্লিয়ারিং এবং ফান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে।
- **এটিএম শেয়ারিং:** NPSB-এর আওতায় থাকা ব্যাংকগুলির এটিএমগুলোতে বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকরা তাদের কার্ড ব্যবহার করে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারেন।
- **পস (POS) লেনদেন:** NPSB-এর মাধ্যমে পস (POS) টার্মিনালে বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট করা যায়। এটি ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের জন্য লেনদেন প্রক্রিয়া সহজ করে।
- **ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার:** গ্রাহকরা সহজেই ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারেন।
- **মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং:** NPSB-এর মাধ্যমে মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা আরও সহজ এবং নিরাপদ হয়েছে।
**NPSB সেবার উপকারিতা:**
- **গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি:** গ্রাহকদের জন্য লেনদেনের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হওয়ার ফলে তাদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।
- **ব্যাংকের সেবা সম্প্রসারণ:** বিভিন্ন ব্যাংক একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে নিজেদের সেবা সম্প্রসারণ করতে পারে।
- **নিরাপত্তা:** NPSB লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, ফলে গ্রাহকরা নিশ্চিন্তে লেনদেন করতে পারেন।
- **অর্থনৈতিক উন্নয়ন:** ইলেকট্রনিক লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
**NPSB সেবার মাধ্যমে কীভাবে সুবিধা পাবেন:**
1. **অ্যাকাউন্ট খোলা:** প্রথমে আপনাকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে যা NPSB-এর আওতায় রয়েছে।
2. **কার্ড ব্যবহার:** আপনার ব্যাংক কার্ডটি NPSB-এর আওতায় থাকা এটিএম বা পস টার্মিনালে ব্যবহার করুন।
3. **ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার:** ব্যাংকের ইন্টারনেট বা মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার করুন।
4. **কাস্টমার সাপোর্ট:** কোনো সমস্যা হলে আপনার ব্যাংকের কাস্টমার সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
**আজই NPSB সেবার সুবিধা গ্রহণ করুন এবং আপনার ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা সহজ ও সুবিধাজনক করুন।**
Md. Anisur Rahman
Agrani Bank PLC.
---
06/03/2024
এমআরটি/র্যাপিড পাস ব্লাকলিস্টেড হয় যেসব কারণেঃ
১) বারবার কার্ড পাঞ্চ করা।
এন্ট্রি বা এক্সিট গেইটে বারবার পাঞ্চ করার কারণে হতে পারে। অর্থাৎ, আপনার সামনের ব্যক্তি যাওয়ার পরে একটু সময় দিন, এরপর আপনার কার্ড পাঞ্চ করুন একবারই, তারপর এন্ট্রি/এক্সিট হন।
২) রি-ইস্যু আবেদন করা কার্ড পরবর্তীতে ব্যবহার চেষ্টা না করা।
আপনার কার্ড হারিয়ে গেলে তা আবার রি-ইস্যু আবেদন (কার্ড রিপ্লেসমেন্ট) করার পর হারানো কার্ডটি ফিরে পেলে তা ব্যবহার চেষ্টা করা যাবেনা। হারানো কার্ড খুঁজে পেলে তা জমা দিয়ে জামানতের টাকা ফেরত নেয়া যাবে, কিন্তু ব্যবহারের জন্য পাঞ্চ করা যাবেনা।
৩) এন্ট্রি ক্যানসেল করা।
কোনো কারণে যাত্রা বাতিল হলে বা ট্রেন বিলম্ব হলে এন্ট্রি ক্যানসেল করতে হয়, সেক্ষেত্রেও কার্ড ব্লাকলিস্টেড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বার বার বা রেগুলার এটি করলে কার্ডের ক্ষতি হতে পারে। (মোবাইলের মেমোরি কার্ড যেমন বার বার ফরম্যাট করলে Health ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঠিক তেমন।)
৪) কার্ড পাঞ্চ না করেই বের হয়ে যাওয়া।
অনেক সময় তাড়াহুড়োতে কার্ড পাঞ্চ না করেই অনেকে বের হয়ে যান। পরবর্তীতে কার্ড আপডেট করতে হয় জরিমানা প্রদান করে। সেক্ষেত্রে কার্ড ব্লাকলিস্টেড হতে পারে। এছাড়াও রিচার্জ / এন্ট্রি / এক্সিটের সময় তাড়াহুড়ো করলে অসমাপ্ত ট্রানজেকশনের ফলেও কার্ডটি ব্ল্যাকলিস্টেড হতে পারে।
৫) NFC চেক করার চেষ্টা।
এটি একটি NFC Technology’র অফলাইন স্টোর ভ্যালুড কার্ড। কার্ডের যাবতীয় তথ্য কার্ডের ভেতরের চিপে সংরক্ষিত থাকে এবং ব্যবহারের সময় অথোরাইজড ডিভাইসের মাধ্যমে এতে ডাটা রিড/রাইট হয়। সুতরাং, আন-অথোরাইজড কোনো NFC Device/App এর মাধ্যমে MRT/Rapid Pass ক্লোন/রিড/রাইট করার চেষ্টা করলে কার্ডটি বাতিল / ব্ল্যাকলিস্টেড হতে পারে।
৬) অসংবেদনশীল তাপ ও চাপ প্রয়োগ।
অতিরিক্ত তাপমাত্রায় কার্ড সংরক্ষণ করা যাবেনা। ওয়ালেটে রেখে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা যাবেনা।
৭) কার্ড নাম্বার শেয়ার না করা।
আপনার ব্যবহৃত কার্ডের নাম্বার, NID number ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্যাদি কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
সাধারণত উপরোক্ত কারণে ব্লাকলিস্টেড হয়ে থাকে বলে ধারণা করছেন মেট্রোরেল স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও ডিটিসিএ। তবে টেকনিক্যাল অন্যান্য জটিলতায়ও কার্ড ব্লাকলিস্টেড হতে পারে, সেসব বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না তারা।
একাধিক কার্ড রেজিষ্ট্রেশনের জন্য একই তথ্য প্রদান করলেও আলাদা আলাদা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা সর্বোত্তম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
