Niaj Sharif

Niaj Sharif

Share

From this page you will able to watch the Society with the eyes of a field cop officer.

16/01/2026

মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লীরা তাকে বাধা দিল। বলল, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মদ্যপানের জায়গা নয়।

গালিব তাকালেন মুসল্লীদের দিকে। তারপর আরেক চুমুক খেয়ে আওড়ালেন উপস্থিত শের,

'শরাব পিনে দে
মসজিদ মে ব্যায়ঠ কার,
ইয়া ও জাগা বাতা
যাঁহা খুদা নেহি।'

আমাকে মদ খেতে দাও
মসজিদে বসেই,
অথবা এমন জায়গা বল
যেথায় খোদা নেই।

মুসল্লীরা লা জবাব। কী জবাব দেবেন। খোদা নাই এমন জায়গার কথা বলা শক্ত বইকি।

তবে জবাব দিলেন আল্লামা ইকবাল। বহু বছর পর। তার শের দিয়ে। তখন মীর্জা আর বেঁচে নেই।

'ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায়
পিনে কি জাগা নেহি,
কাফির কে দিলমে যা
ওঁয়াহা খুদা নেহি।'

হে গালিব, মসজিদ আল্লাহর ঘর
মদ পান করার জায়গা নয়,
কাফিরের অন্তরে যা
যেথা খোদার জায়গা নয়।

কাফের মানে অবিশ্বাসী। তার অন্তরে খুদার জায়গা নাই। তাই গালিবকে সেখানে গিয়ে মদ্যপান করতে বলা হয়েছে৷

আহমদ ফারাজ নামের আরেকজন কবি এর প্রতিউত্তরে লিখলেন-

'কাফির কে দিল সে
আয়া হু দেখ কার
খুদা মওজুদ হ্যায় ওঁয়াহা
উসসে পাতা নেহি।'

কাফিরের মনে উঁকি দিয়ে এসেছি দেখে
সেখানেও খুদা আছে, কিন্তু সে জানেই না।

তার জবাবে কবি ওয়াসি লিখলেন-

'খুদা তো মওজুদ
দুনিয়া মে হার জাগা
তু জান্নাত মে যা
ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি।'

খুদা তো দুনিয়ার সবখানেই উপস্থিত আছে
তুমি জান্নাতে যাও, ওখানে মদ খেতে বাধা নেই

কবি ওয়াসি এখানে 'শরাবান তহুরা'র কথা বলেছেন। যেটা জান্নাতবাসীরা যত ইচ্ছা খেতে পারবে। কিন্তু মাতাল হবে না। জান্নাতের মধ্যে হারাম-হালালের মাসয়ালা আসবে না। সব বিধিনিষেধ শুধু দুনিয়ার জন্যই প্রযোজ্য।

এরপরে সাকি লিখলেন-

'পীতা হুঁ সাকি
গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে
জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়,
ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি।'

সাকি বলতে চাইছেন, জান্নাতে তো দুনিয়াবি দুঃখ-কষ্ট থাকবে না। ওখানে কষ্ট ভোলার জন্য মদ গেলার সেই মজা পাওয়া যাবে কি?
📌
পৃথিবীতে শিক্ষিত ব্যক্তিরাই সবচেয়ে বেশি কনফিউজড। কমজানা লোকের মনে সন্দেহ থাকে না।

সংগৃহিত

26/10/2025

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

11/10/2025
01/05/2025
22/04/2025

ওরা ছাত্র না।। ছাত্র নামের কলঙ্ক, ওদের জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের বদনাম হয়।।

19/04/2025

জানি গালি খাবো, তবুও বলি, এখন আমেরিকান স্কলারশিপ বর্জন না, বরং আরো বেশি বেশি স্কলারশিপের চেষ্টা করা উচিত।

দিনশেষে আপনার লাগবে হলো জ্ঞান, ক্ষমতা, টেকনোলজি।

এগুলো আপনাকে আনতে হবে আমেরিকা থেকেই।

কারণ, এখন পৃথিবীর জ্ঞানের কেন্দ্র কোথায়? আমেরিকাতে।

যখন পৃথিবীর জ্ঞানের কেন্দ্র ছিলো বাগদাদ, তখন সারা পৃথিবী থেকে সবাই ওখানে ছুটে আসতো। পৃথিবীর সবকিছুর বর্জন চলে, জ্ঞানের বর্জন চলে না। বয়কট চলে না।

টার্কি আজ ড্রোনে এতো উন্নতি কেন করলো?

কারণ টার্কির একটা জেনারেশন আমেরিকা ফেরত। এরা এই টেকনলজি আমেরিকা থেকেই শিখে আসছে।

ইরানের সাথে আমেরিকার এতো গ্যাঞ্জাম। অথচ ইরানিরা কি আমেরিকার স্কলারশিপ বর্জন করে? বরং ওরা আরো ভালো করে শিখে দেশে ফেরত আসে।

নবিজীর সময়তে পৌত্তলিক বন্দিদের মুক্তি দিতেন জ্ঞানের বিনিময়ে।।মুসলিম বাচ্চাদের পড়তে আর লিখতে শেখালে ছেড়ে দেওয়া হতো।

এই উপমহাদেশে আমাদের চে পাকিস্তানের রিস্ক কম।

কেন?

কারণ পাকিস্তানের কাছে এটম বোমা আছে।

এই বোমা বানাইছে আব্দুল কাদির খান। জার্মান স্কলারশিপে পড়েছেন।

যদি এই লোক বলতো জার্মানি তো হিজ্রেলের পক্ষে আমি পড়তে যাবো না। হতো?

পৃথিবীর সবচে বড় ইবাদত এই জ্ঞানের মাধ্যমেই করা যায়।

এক আব্দুল কাদির খান তাঁর জ্ঞান আর পরিশ্রম দিয়ে পাকিস্তানের জন্য যা করে গেছেন,পাকিস্তানের স্কলারশিপ বর্জন করা ১০ লাখ লোক সারাদিন চিৎকার করেও কি সেটা করতে পারতো?

লেখাঃ সাদিকুর রহমান খান

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka