11/05/2026
পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সাথে সমঝোতার সম্ভাবনা
পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সাথে সমঝোতা বাড়াতে পারে বাংলাদেশ
এর আগে বিগত জানুয়ারীতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান সফর করেন এবং পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে পাকিস্তান-চীন যৌথভাবে তৈরি JF-17 Thunder যুদ্ধবিমান কেনা, প্রশিক্ষণ, রাডার সিস্টেম, ড্রোন ও এয়ার ডিফেন্স সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
একই সাথে সুপার মুশাক ট্রেনিং এয়ারক্রাফট এর প্রশিক্ষণ নিয়েও উভয়পক্ষের সমঝোতা হয় বলে শোনা যায়।
পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সদস্যদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সহায়তা এবং পারস্পরিক ইন্টালিজেন্স সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি সমঝোতা স্মারক সই এবং মহড়া হওয়ার সমুহ সম্ভবনা বাড়ছে
09/05/2026
"আওয়ামীলীগ নেতারা আপনাদের মাটিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, আপনারা ব্যবস্থা নিন"
বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তত দুই দফা ভারত গিয়ে এই বার্তা দিয়েছেন। অজিত দোভালকে অবহিত করেছেন, জয়শংকরকেও বলেছেন।
কিন্তু আওয়ামীলীগ প্রশ্নে ভারত বরাবরের মত উদাসীনতা দেখিয়েছে। ভ্রুক্ষেপ করেনি।
এরই ফলাফল পাকিস্তানের সাথে আমাদের এই গোয়েন্দা চুক্তি। বলা হচ্ছে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্ত অপরাধ ঠেকাতে এই চুক্তি।
হ্যা গোয়েন্দা চুক্তি গুলো এভাবেই হয়ে থাকে। লোক দেখানো কিছু কথা, আর আড়ালে আরো বেশি কিছুর সমঝোতা।
বলা হয়ে থাকে, ISI এর কয়েক হাজার এক্টিভ এজেন্টস ভারতে অপারেট করছে। কয়েক হাজার!
কে জানে এর মধ্যে কয়েকজন হয়ত আজকে থেকেই নিউ-এসাইনমেন্টে নেমে গেছে! পলাতক টপ আওয়ামীলীগ নেতাদের নজরদারীতে?
সেরকম হয়ে থাকলে, Thats a massive masterstroke by তারেক রহমান!
এখন বুঝতে পারছি, কেনো রাশেদ প্রধান, সালাউদ্দিন আম্মার, ডাকসু ফাকসুর দুপয়সার টোকাইরা কি কি বলে বেড়ায় সেসবে কোনো মাথা ব্যাথা নাই বিএনপির!
Because we are big fish!
আপনি পেলে হয়ে থাকলে আপনার তুলনা হতে পারে শুধু ম্যারাডোনার সাথে, চুনোপুটিদের সাথে নয়!
বাবর ভাইয়ের কথাটা মনে পড়ে গেলো! WE ARE OPEN! লুকিং ফর শত্রুজ!
তবে এই মেয়াদে বিএনপি সরকারকে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে হচ্ছে!
যেহেতু এ যাত্রায় মেইন 'শত্রুজ' দেশের গন্ডির বাইরে, আমাদেরকেও তাই ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে খেলার ব্যাপারে ভাবতে হচ্ছে। পাকিস্তানের সাথে এই গোয়েন্দা চুক্তির খবর সেই ইঙ্গিত বহন করে!
আপাতত তাই বলাই যায়, তারেক রহমানের "I have a plan" এর মধ্যে... কিছু পয়েন্ট DANGEROUSLY BEAUTIFUL!
09/05/2026
সী মা ন্তে বিএসএফের গু লি তে দুই বাংলাদেশি যুবক নি হ ত
08/05/2026
গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সামরিক সংঘাতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীকে সরাসরি প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে চীন।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন চীনা উড়োজাহাজ শিল্প সংস্থা 'অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়না'র প্রকৌশলী ঝাং হেং।
শুক্রবার হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।
08/05/2026
ভারতের বুকে ব্যথার প্রথম কারণ নয়তো?
08/05/2026
🇧🇩🇨🇳 প্রথম বিদেশ সফরে চীনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সফরটিকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি “ঐতিহাসিক মাইলফলক” হিসেবে দেখছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত “চীন-বাংলাদেশ গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর এবং প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-চীনের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীন সবসময় দৃঢ় সমর্থন দিয়ে যাবে।
08/05/2026
আজকের বাংলাদেশ -পাকিস্তান ডিফেন্স MOU পর পর বাংলার আকাশে ভারতের যে মিসাইল দেখা গিয়েছে তাতে বুঝা গিয়েছে আগুন জায়গামত লাগছে। যদি টেস্টিং খানা আগেই শিডিউলড ছিলো। কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখ ছিলোনা।
08/05/2026
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ভারতীয় নৌবাহিনীর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যালাস্টিক মিসাইল পরীক্ষা চালায়৷ যার র্যাঞ্জ ৩.৫০০ কিলো।
অচিরেই বুঝতে পারবেন বাংলাদেশের উপর কি আগ্রাসন আসতে যাচ্ছে৷ রবীন্দ্র আর একাত্তর চেতনা দিয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা করা যায় না৷
অনেক মানুষ এই ঘুমে আছে ভারত কখনো বাংলাদেশে আক্রমণ করবে না৷
আসলে বাঙ্গুদের কাছে সমর বিশ্লেষণ নিয়ে লেখালেখি আর গরুর রচনা লেখা একই। কারণ বাঙ্গু দিনশেষে বাঙ্গু৷
সবাই যখন রবীন্দ্র বন্দনায়৷ ভারত তখন মিসাইল পরীক্ষায় ব্যস্ত৷
এটা হলো আমাদের সুশীল বাঙ্গুপনা৷ এরা মাইর না খাওয়া পর্যন্ত হুশে আসবে না৷
07/05/2026
এদিকে নিরবেই দক্ষিণ এশিয়ার ভুরাজনীতিতে ঘটে গেছে এক আমুল পরিবর্তন।
মধ্যপ্রাচ্যে যেমন আমেরিকার একক অ্যালাই ধরা হয় ইসরায়েলকে,
ঠিক একইভাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় চীনের সবচেয়ে ট্রাস্টেড একক অ্যালাই হইতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আপাতত দৃষ্টিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য তো তাই ইঙ্গিত করছে বলে প্রতীয়মান হয়। কেন এটাকে ঐতিহাসিক বলা হচ্ছে?
চাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টি CCP'র সর্বোচ্চ পর্যায়কে বলা হয় পলিটব্যুরো। পলিটব্যুরোর কেউ এনগেজ হওয়া মানে সরাসরি সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর ইনভলভ হওয়া।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই (Wang Yi) এবার বাংলাদেশের ব্যাপারে আলোচনায় যুক্ত হওয়া সরাসরি ঐতিহাসিক বলা যায়।
চীনের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই (Wang Yi) একইসাথে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো মেম্বার এবং ডিরেক্টর অফ সেন্ট্রাল ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশন। চীনের ইতিহাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সব সময় পলিটব্যুরোর সদস্য হন না।
এটাতো গেলো ফরমাল কথা। এবার আসল আলাপে আসি। চীনের দেয়া বিবৃতিটা খেয়াল করসেন? আমি কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি তবে এই বিবৃতি নিয়েই মুলত আজকের আলাপ। কেন এটাকে হিস্টোরিক বলা হচ্ছে? -
★★ বিবৃতির ৬ নম্বর পয়েন্টে যখন বাংলাদেশ Building a community with a shared future for mankind এবং চীনের Global Initiatives (যেমন: GDI, GSI, GCI) এর প্রশংসা ও স্বাগত জানায়, তখন পরোক্ষভাবে বাংলাদেশ স্বীকার করে নিচ্ছে যে, আগামী দিনের বিশ্ব ব্যবস্থায় চীন একটি লিডিং রোল প্লে করবে।
এটি কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং একটি আদর্শিক এবং কৌশলগত স্বীকৃতি।
★★ পশ্চিমা স্যাংশন বা ডলার-নির্ভর অর্থনীতির বাইরে চীন যে বিকল্প অর্থনীতি এবং মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করতে চাচ্ছে বাংলাদেশ সেখানে নিজেকে খুব শক্তভাবে যুক্ত করছে।
★★ ডলারের বিকল্প হিসাবে ৫ নম্বর পয়েন্টে Digital Economy এবং Trade নিয়ে যে গভীর সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে, তার ভেতরে Currency Swap বা নিজস্ব মুদ্রায় যেমন টাকা-ইউয়ান বাণিজ্যের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত থাকে।
★★ চীনকে সুপার পাওয়ার স্বীকৃতি দিয়ে সবার প্রথম ডায়রেক্ট অ্যালাই হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যে ফার্স্ট মুভার হিসেবে সাহসী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো তিস্তা প্রকল্প।
এতদিন ভারতের আপত্তির ভয়ে এই প্রকল্পে চীনকে সরাসরি ইনভলভ করা হয়নি।
কিন্তু এখন এই জয়েন্ট প্রেস রিলিজে আনুষ্ঠানিকভাবে তিস্তা নিয়ে চীনের সাহায্য চাওয়া মানে হলো বাংলাদেশ এখন ব্যালেন্সিং গেমের চেয়ে নিজের National Interest কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
★★ পশ্চিমা স্যাংশন এবং যেকোনো পদক্ষেপ ঠেকাতে যেকোনো মুল্যে সরাসরি বাংলাদেশের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে চীন। সেটির প্রতিফলন দেখা যায় ৪ ও ৫ নম্বর পয়েন্টে।
মোদ্দা কথা কি জানেন? বাংলাদেশকে চীনের দরকার। খুব ভয়াবহভাবেই দরকার।
কারণ চীনের ম্যাক্সিমাম বানিজ্য হয় মালাক্কা প্রনালী দিয়ে। দেখলেন তো এক হরমুজ প্রনালী বন্ধ করায় কি অবস্থা? সেম মালাক্কা যদি কোনোদিন আমেরিকা বন্ধ করে দেয় সেটা চীনের বানিজ্যিক স্বার্থে ভয়াবহ আঘাত আনতে পারে।
এজন্য মালাক্কা বাইপাস করে চীন চাচ্ছে সরাসরি চীন- আরাকান-চটগ্রাম রুটে প্রবেশ করে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে ট্রেড করা।
একবার মালাক্কা যদি চীন বাইপাস করতে পারে আর বঙ্গোপসাগরে চীন এক্সেস পেয়েই যায় তাহলে চীন ঠেকানোর মত ক্ষমতা আর আমেরিকার কাছে বিন্দু মাত্রও অবশিষ্ট থাকবেনা।
চট্টগ্রাম বন্দর চীনের কাছে খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। ইভেন চীন যেই নেভাল বেজগুলো কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামে ডেভেলাপ করেছে সবগুলাতেই চাইনিজ যুদ্ধজাহাজ এবং চাইনিজ পরমাণু সাবমেরিন স্টেশন করানো সম্ভব। মানে এক কথায় অঘোষিতভাবে চীনের সামরিকঘাটি বাংলাদেশে আছে।
তারওপর একবার যদি চীন তিস্তা প্রজেক্ট এর কাজ শুরু করে এটার মানে হইলো সেভেন সিস্টারস ঘিরে ফেলা।
পঞ্চগড় থেকে চীনের দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। আবার তিস্তা প্রজেক্ট থেকে পঞ্চগড়ের দূরত্ব মাত্র ৭০ কিলোমিটার।
মানে ইন্ডিয়া টোটালি বেকায়দায় পড়ে যাবে এই রিজিয়নে। চীন চিকেন নেক ঘিরে ফেলবে। সেটা বাংলাদেশের ভেতর থেকেও এবং মেইন ল্যান্ড চায়না থেকেও।
গতদিন আমি একটা কথা বলছিলাম। আমেরিকা এখন ইন্ডিয়ার চেয়ে বাংলাদেশ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে বেশি৷। এটার অনেক অনেক কারণ আছে।
কারণ বাংলাদেশের জিওগ্র্যাফিকাল লোকেশনই এমন একটা যায়গাতে সব সুপার পাওয়ারেরই বাংলাদেশ দরকার কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।
চীনের দরকার বঙ্গোপসাগর দিয়ে বানিজ্য করার রুট, আমেরিকার দরকার চীনের ওপর নজরদারি চালানোর যায়গা। আর ভারতের দরকার তার সেভেন সিস্টারস বাচানো। এই সব স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনেই বাংলাদেশ বসে আছে।
জুন মাসে চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খুব সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কিছু সিভিল এবং মিলিটারি চুক্তি সাক্ষর হতে যাচ্ছে। আবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের প্রথম সফর চীন এটাও সিগনিফিকেন্ট।
তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশের আল্টিমেট গন্তব্য কোথায় সেটা দিনের আলোর মত পরিস্কার হয়ে যাবে। দেখা যাক!
07/05/2026
বগুড়ার ভৌগোলিক ও সামরিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার এখানে একটি অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটি স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। এটি কেবল একটি সাধারণ ঘাঁটি নয়, বরং দেশের আকাশসীমা রক্ষায় এটি হবে অন্যতম একটি শক্তিশালী কেন্দ্র।
বিমানবাহিনী প্রধান জানান যে, সরকার ইতোমধ্যে নতুন প্রজন্মের আধুনিক জঙ্গি বিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই শক্তিশালী বিমানগুলো বগুড়ার এই নতুন ঘাঁটিতেই মোতায়েন করা হবে।
এই উদ্যোগের ফলে উত্তরবঙ্গে আমাদের সামরিক সক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।
সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি বগুড়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নেও নেওয়া হয়েছে বড় পদক্ষেপ। এখন থেকে বগুড়াতেও নামবে বড় বড় মালবাহী বিমান।
এই বিমানবন্দরটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য ও অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য সরাসরি বিদেশে পাঠানো অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।
বগুড়া এখন কেবল ঐতিহ্যের শহর নয়, বরং দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাবে পরিণত হতে যাচ্ছে। এটি উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং সম্ভাবনার একটি সংবাদ।