Bangladesh Batman League

Bangladesh Batman League

Share

Injustice ... অশান্তি ... Vengeance

24/02/2026

'চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি' শিরোনামে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সাক্ষাতকার পড়ে চমকানোর মত কিছু পাইনি। সাক্ষাতকারটিতে কোনো প্রশ্ন নেই। প্রশ্নের জবাবের নামে ইউনূস সরকারকে গালাগালির জন্য চুপ্পু প্ল্যাটফর্ম দেওয়া হয়েছে সাক্ষাতকারে। যেখানেই চুপ্পু নিজেই সংবিধান লঙ্ঘনকারী।
১. চুপ্পুর দাবি করেছেন, তাঁকে সরাতে অসাংবিধানিক উপায়ে চেষ্টা হয়েছিল। তিনি দৃঢ় থেকে সংবিধানকে রক্ষা করেছেন।
তো এক্ষেত্রে প্রশ্ন করা উচিত ছিল, সেখানে ৭(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের কোনো বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা পরাহূত করা মৃত্যুদন্ড যোগ্য অপরাধ, সেখানে তিনি কীভাবে সংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকারের বিধান না থাকা সত্ত্বেও ইউনূস সরকারকে শপথ পড়ালেন?
সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের কারণে, রাষ্ট্রপতির বাপেরও ক্ষমতা নেই ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্স চাওয়ার। মন্ত্রিসভার অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বাধ্যতামূলক। তো শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট পালিয়ে যাওয়ার পর, কীভাবে ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কাছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের রেফারেন্স চেয়েছিলেন?
শুধু এই দুটি নয়, সংবিধানের আরও চারটি লঙ্ঘন করেছিলেন এবং এখনও করছেন চুপ্পু। চব্বিশের ৬ আগস্ট তিনি, ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কীভাবে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিয়েছিলেন? একই অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে সংসদ বিলুপ্ত করেছিলেন? কীভাবে খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল করেছিলেন? ৪(ক) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘণ করে কীভাবে বঙ্গভবন থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি নামিয়েছে?
এগুলোর সবগুলোর উত্তর হল, অভ্যুত্থানের দোচনের মুখে করেছিলেন। ৫৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ ছাড়া সংসদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির বাপেরও নাই। সংবিধান ক্লিয়ার, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিলেও, রাষ্ট্রপতি তা শুরুতেই করতে পারবেন না। আগে তাকে দেখতে হবে, সংসদের অন্য কোনো এমপি সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির আস্থাভাজন কী না। এমন কাউকে না পাওয়া গেলে, তবেই সংসদ ভাঙবেন রাষ্ট্রপতি।
কিন্তু এগুলোর কোনোটি না করে সংসদ ভেঙে, অ্যাটর্নি নিয়োগ দিয়ে, রেফারেন্স চেয়ে এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে চুপ্পু বারবার সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। বাকি আলাপ বাদ, সংবিধান অনুযায়ী সংসদ ছাড়া বাজেট হবে না, হবে না, হবে না। কিন্তু চুপ্পু এগুলো অনুমোদন করেছেন। তাহলে কে সংবিধান লঙ্ঘনকারী?
২. তবে আসল কথা হল, সংবিধান মেনে অভ্যুত্থান হয় না। অভ্যুত্থান সংবিধান মানেও না। অভ্যুত্থানে জনগণের জনগণের অভিপ্রায়ের যে পরম অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়, ওইটাই আসল এবং একমাত্র সংবিধান। সংসদ বিলুপ্তি, অ্যাটর্নি নিয়োগ, রেফারেন্স চাওয়া, অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ জনগণের অভিপ্রায়েই হয়েছে। সুতরাং সব বৈধ।
সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর আলাপ হল, তাঁকে সরানোর জন্য যে 'অসাংবিধানিক চেষ্টা' হয়েছিল সব বিএনপি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কারণে ব্যর্থ হয়েছে। পুরনো পত্রিকা ঘাঁটলে দেখবেন, চুপ্পুকে প্রথম দিকে সরকার ও ছাত্ররা মেনে নিয়েছিল। 'শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র পাননি'- এই রকম একটা বক্তব্যের কারণে ছাত্ররা ক্ষেপে উঠে। চুপ্পুর অপরাসারণের দাবিতে বঙ্গভবনের দিকে যায়।
তখন বিএনপি চুপ্পুর পক্ষ নেয়। এটা নিয়েছিল চুপ্পুর প্রতি প্রেমের কারণে না। কারণটা ছিল, অভ্যুত্থানের পরের দেড় মাসে পরিস্থিতি নরমালের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দিলে, দেশে আর কোনো পদক্রম, প্রজাতন্ত্র কোনোটাই থাকত না। প্রধান উপদেষ্টা যদি তাঁর সাংবিধানিক 'বস' রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দিতে পারে আন্দোলনের জোরে, তাহলে প্রধান উপদেষ্টাকে তাঁর নীচের পদের কেউ সরিয়ে দিতে চেষ্টা করবে না- এই নিশ্চয়তা নেই। তাই বিএনপি এনার্কিতে যায়নি। আরেকটা কারণ হল, গণভোটের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের যে টেকনিক্যাল আইনী বৈধতা ছিল, তা ছিল রাষ্ট্রপতির সংসদ বিলুপ্ত করা, আদালতের রেফারেন্স নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ পড়ানোর কারণেই।
তো রাষ্ট্রপতি যে বলছেন, প্রধান উপদেষ্টা বিদেশ সফরের বিষয়ে তাকে না জানিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, এর আগে তার ভাবা উচিত- উনি কতবার সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
৩. চুপ্পুর একজন স্টাফ আমাদের বন্ধু। চব্বিশের অক্টোবরে উনি আমাকে জানিয়েছিলেন, মহামান্য আজকাল জিয়াউর রহমানের জীবনী পাঠ করছেন। বিএনপিকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন। এখনও সেই চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। 'তারেক রহমান আপনার আব্বাকে একটু আব্বা ডাকি'- গান গাইছেন।
কিন্তু বিএনপি যে এতে গলছে না, তা ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরেই টের পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রাচার হলো, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিলে, প্রধানমন্ত্রী আগে যান। রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করেন। তারপর কর্মসূচি শেষে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় দেন।
কিন্তু একুশ ফেব্রুয়ারি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বেরিয়ে যাওয়ার পরের মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ মিনারে প্রবেশ করেছেন। এটা তো কাকতালীয় নয়। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত এড়িয়েছেন। প্রটোকল মেনে চললে, রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করে একসঙ্গে ফুল দেওয়ার কথা।
৪. নির্বাচনের আগে সাক্ষাতকারে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছিলেন তিনি অপমাণিত বোধ করছেন। নির্বাচনের পর পদত্যাগ করবেন। এখন ডেকে নিয়ে সাক্ষাতকার দিয়ে, বিএনপি ও তারেক রহমানকে তেল দিয়ে চুপ্পু যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন, তা হচ্ছে ২০২৮ সাল পর্যন্ত পদে থাকার চেষ্টা।
কারণ, পদত্যাগ চুপ্পুর জন্য বিপজ্জনক। সংবিধানের কারণে সিটিং রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলে না। বিচার করা যায়। পদত্যাগের পর চুপ্পুকে এগুলো ফেইস করতে হবে। মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম-নাগরিকত্ব, দু্বাইয়ে টাকা পাচারের মাধ্যমে প্রপার্টি কেনা, এস আলমের সঙ্গে ঘনিষ্টতার জোরে ইসলামী ব্যাংকে ঢুকে লুটপাট, দুদকে থাকার সময় খাম নেওয়া- অনেক কিছুর জন্য তাকে ধরা হবে।
তাই চেষ্টা করছে, বিএনপিকে তেল মালিশ এগুলো থেকে বাঁচা যায় কিনা। এই কারণেই, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি। সরকার জানত, একবার বিদেশ গেলে আর ফিরবে না।
৫. আমি সাক্ষাতকার নিলে, যে প্রশ্নটা করতাম তাহলো, আপনি বলেছিলেন পদত্যাগ করবেন- তাহলে কবে যাচ্ছেন? এই বেসিক প্রশ্নটাই নেই। এর মানে এটা সাক্ষাতকার নয়। পেইড পিআর।
চুপ্পু বারাবার দুঃখ করে বলেছেন, তার ছবি বিদেশি মিশন থেকে সরিয়ে অপমাণ করা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তো, রাষ্ট্রপতির অফিসে বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকার কথা। সেই ছবি কী আছে? নাই। চোদনের মুখে সরিয়ে ফেলেছে। তো যে চোদনের মুখে সংবিধান লঙ্ঘন করে বঙ্গবন্ধুর ছবি নামিয়ে ফেলে, সে কীভাবে আশা করে তার ছবি অন্যরা রাখবে?
সংবিধান এবং আইনানুযায়ী, সরকারি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন যেকোনো দপ্তরে, দূতাবাসে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু এবং সরকারপ্রধানের ছবি থাকবে। দূতবাসে থাকবে রাষ্ট্রপতির ছবি। কয়েকদিনের জন্য হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টারাও নিজেদের ছবি ঝুলিয়েছিলেন। ড. ইউনূস এই অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসেন। তারেক রহমান তা অব্যহত রেখেছেন। কোথাও প্রধানমন্ত্রীর ছবি নেই।
যুক্তির কথা ধরতে গেলে, ড. ইউনূসের মত তারেক রহমানও সংবিধান সমুন্নত রাখার শপথ নিয়ে তা রক্ষা করছেন না। ৪(ক) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন কররছেন, বঙ্গবন্ধু ছবি না লাগিয়ে। পদ যাওয়ার এটুকুই যথেষ্ট।
৬. এ কারণেই সংবিধানে কী লেখা আছে, এটার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল জনগণের অভিপ্রায়। নতুন সংসদ বসার পর ১০ মিনিটের মধ্যে স্পিকার নির্বাচিত হয়ে যাবে। এরপর আর সাংবিধানিক শূন্যতার আশঙ্কা থাকবে না।
চুপ্পু যতই বিএনপিকে তেল দিক বা পিআর ক্যাম্পেইন করুক, আমার ধারনা তাকে রাষ্ট্রপতি পদে রাখবে না সরকার। কারণ, দুদকে থাকাকালে নানা তত্ত্ব হাজির করে যেভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, তা 'হি ওয়াজ ভেরি কর্ডিয়াল' এই তেলে মুছবে না।
তবে পদত্যাগের আগে চুপ্পুকে অভিশংসন করা উচিত। তারপর যা আকাম অতীতে করেছে, এর ন্যায়বিচার করা উচিত। যাতে সাক্ষাতকার নিয়ে তাকে সাধু সাজানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
Post Credit: Rajib Ahamod
Picture Credit: জনমানবের সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছে।

18/02/2026

মিয়াও দল এক হও।লড়াই করে এগিয়ে চলো✊✊

মৎস্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেশমিয়াও জেবুকে না দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মিয়াও দল।
সেহেরীর সময় শাহবাগে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।✊
সবার উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

26/11/2025

নাস্তিকরা যেহেতু কোনো ধর্মেই বিশ্বাসী না, তাই তারা মারা গেলে কবর দেওয়া, দাহ করার পরিবর্তে রোদে শুকিয়ে শুটকি বানিয়ে সংরক্ষণ করা উচিত জাদুঘরে। দেশ ও দশের স্বার্থে পরবর্তী প্রজন্ম রিসার্চ করতে পারবে দেহাবশেষের উপর।

21/11/2025

আম্মু আব্বু, তারেক আংকেল বলেছে উনার দল ইলেকশনে জিতলে আমাদেরকে চকলেট কিনে দিবে🥺

20/11/2025

এই জাতীয় নির্বাচনে আপনায় বদদোয়ায় আমরাও এভাবেই কামব্যাক দিব💖

Bangladesh Batman League
Injustice...অশান্তি...Vengeance

লাইক দিয়ে পাশে না থাকলে আপনারা গে

18/11/2025

উড়ব বলে ঝাপ দিয়েছি
মরবো না কে জানে
এই আমায় দেখে হঠাৎ এমন
চমকে উঠার মানে? 🌺

17/11/2025

ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৮২ গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখার বিধান দেয়। এই ধারাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো, গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় কোনো ভুল বা অবিচার না হয় তা নিশ্চিত করা।

না মানে, এমনেই জানালাম আপনাদেরকে। গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান।

15/11/2025

সাদা হও বা কালা, মোটা হও বা শুটকি
ভালোবাসা এমন জিনিস
মারে সবার.....

24/08/2025

Life is like tuntuni, sometimes it's up, sometimes it down. Sometimes it's hard for no reason, but one thing for sure, it can't be hard forever.

- once a wise man said

29/03/2025

লুঙ্গী পড়লে আপনার অন্ডকোষ সুস্থ থাকবে

09/12/2024

ভারতের মুভি এবং সিরিজের পাইরেটেড ভার্সন দেখে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করছি আমরা Bangladesh Batman League এর গর্বিত সদস্যরা। এতেই প্রমানিত হয় আমরা প্রকৃত ভারত বিদ্বেষী এবং আদর্শ দেশপ্রেমী।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের মুদি দোকান সংলগ্ন
Dhaka
1207