বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Share

|| শিক্ষা, সংহতি, প্রতিরোধ, বিপ্লব || ✊🏻

09/04/2026

শোকবার্তা

রাফিয়া সুলতানা: বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির এক অবিনাশী স্পর্ধার নাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিরচেনা করিডোর থেকে উত্তাল রাজপথ-সর্বত্রই যার পদচারণা ছিল, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিল ছাত্র সমাজের প্রেরণা, সেই রাফিয়া সুলতানা (রাফিয়া রাফি) আর নেই। বুধবার রাতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি দুটি শিশু সন্তান রেখে গেছেন।

তার এই অকাল প্রয়াণে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ গভীর শোক প্রকাশ করছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ সেশনের এই লড়াকু শিক্ষার্থী কেবল একটি নাম নয়, বরং বাংলাদেশের সমসাময়িক ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়।

তিনি ছিলেন এমন এক প্রজন্মের প্রতিনিধি, যারা মৌনতার সংস্কৃতি ভেঙে কথা বলতে শিখেছিল। যখন দেশের রাজনৈতিক আকাশে ফ্যাসিবাদের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছিল, রাফিয়া তখন বেছে নিয়েছিলেন সংগ্রামের কণ্টকাকীর্ণ পথ। আগ্রাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান তাকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে এক আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছিল।

রাফিয়া সুলতানার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময় ছিল ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলন। রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন ও ভয়ের রাজত্ব যখন চারপাশকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল, তখন রাফিয়া সম্মুখসারিতে দাঁড়িয়ে সেই ভীতিকে জয় করেছিলেন। তার সেই লড়াকু ভূমিকা কেবল একটি অধিকার আদায়ের লড়াই ছিল না, তা ছিল একটি প্রজন্মের আত্মমর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম।

২০১৯ সালে দীর্ঘ তিন দশক পর অনুষ্ঠিত রোকেয়া হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি (সহ-সভাপতি) পদে তাঁর প্রার্থী হওয়া ছিল বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির এক সাহসী মোড়। যে সময় ক্যাম্পাসগুলোতে মুক্তচিন্তার পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা চলছিল, তখন রাফিয়া সুলতানা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পতাকা হাতে দাঁড়িয়েছিলেন। নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ জয়-পরাজয়ের ঊর্ধ্বে ছিল এক প্রবল রাজনৈতিক ঘোষণা-যে ঘোষণাটি ছিল ক্ষমতার দম্ভের বিপরীতে সাধারণ শিক্ষার্থীর অধিকারের।

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ গভীর শোকের সঙ্গে স্মরণ করছে যে, রাফিয়ার চলে যাওয়া কেবল একজন ব্যক্তির প্রস্থান নয়, বরং এক অপরাজেয় চেতনার সাময়িক বিরতি। তিনি রেখে গেছেন এমন এক সাহসের উত্তরাধিকার, যা আগামীর তরুণদের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নিরন্তর অক্সিজেন জোগাবে।

রাফিয়া সুলতানা নেই, কিন্তু তার স্লোগানগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হবে। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা মহান আল্লাহ্ তাআলার নিকট তার বিদেহী রূহের মাগফেরাত কামনা করছি, তিনি যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। তার দুই শিশু সন্তানদের জন্য আল্লাহর অশেষ রহমত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সহযোদ্ধাদের প্রতি আমাদের গভীর সংহতি প্রকাশ করছি।

৯ এপ্রিল ২০২৬

বার্তা প্রেরক,
জিহাদী ইহসান
সহকারী সদস্য সচিব
বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ

02/04/2026

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় সদস্য সংগ্রহ চলছে। যোগ দিতে গুগল ফরমটি পূরণ করুন...

01/03/2026

ঢাবি প্রশাসন হয় মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারে গরুর গোশত দিবে নয়তো সকল মুসলিম শিক্ষার্থীরা ইফতার বয়কট করুক।

মুরগি প্রক্টর আর প্রশাসনই খাক।

--ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব, বিপ্লবী বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ

Photos from বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়'s post 02/02/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ শিক্ষার্থী শহীদ নজির আহমদ ভাইয়ের ৮৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জাতীয় National Revolutionary Council - NRC এর আহ্বায়ক Khomenee Ehsan ভাই।

02/02/2026

সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মহান শহীদ নজির আহমদ দিবস স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল।

সময়: বাদ আসর, সোমবার (আজ)
তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
স্থান: কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

17/11/2025
11/11/2025

জাতীয় বেঈমানদের তালিকা আমরা ১ বছর আগেই জাতির কাছে তুলে ধরেছিলাম।

08/11/2025

"আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (রহ.) মুসলিম জাতীয় চেতনার মুর্শিদ"

দক্ষিণ এশিয়ায় স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা, মুসলিম জাতীয়তাবাদের মুর্শিদ, মহান কবি, দার্শনিক ও চিন্তানায়ক আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (রহ.)।
তিনি ছিলেন এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি কলম, চিন্তা ও আত্মবিশ্বাসের শক্তিতে জাগিয়ে তুলেছিলেন এক নিদ্রিত জাতিকে।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অন্ধকার সময়ে, যখন মুসলিম জাতি হতাশা, ভগ্নতা ও দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল, ইকবাল তাঁর কবিতা ও চিন্তার মাধ্যমে সেই জাতির হৃদয়ে ঢেলে দিয়েছিলেন আত্মমর্যাদা, আত্মচেতনা ও স্বাধীনতার দীপ্ত শিখা।

তিনি বিশ্বাস করতেন, “যে জাতি নিজের উপর বিশ্বাস রাখে, তাকে কেউ দাস বানাতে পারে না।”
ইকবালের চিন্তাধারার মূল ছিল ‘খুদি’, অর্থাৎ আত্মসচেতনতা ও আত্মজাগরণ।

তিনি শিখিয়েছিলেন, একজন মুসলমান কেবল নামাজ-রোজায় নয়,
বরং কর্ম, জ্ঞান, সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়েই তার ঈমানকে পূর্ণতা দেয়।
তাঁর দর্শন ছিল এমন এক দিকনির্দেশনা, যা মুসলিম তরুণদের মনে জ্বালিয়ে দিয়েছিল আত্মবিশ্বাসের আগুন, একটি জাতিকে পুনর্জাগরণের পথে চালিত করেছিল।

১৯৩০ সালের ঐতিহাসিক আল্লাহাবাদ সম্মেলনে ইকবাল প্রথম সুস্পষ্টভাবে উচ্চারণ করেন একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ধারণা,
যেখানে মুসলমানরা তাদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জীবন স্বাধীনভাবে গঠন করতে পারবে।

এই ঘোষণাই পরবর্তীতে বাস্তব রূপ নেয় পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের মাধ্যমে, যা ইতিহাসে ইকবালের চিন্তার বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে অমর হয়ে আছে।

কিন্তু ইকবালের স্বপ্ন কেবল একটি ভূখণ্ডের সীমায় আবদ্ধ ছিল না।
তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের আত্মপরিচয়ের পুনর্জাগরণ।

তাঁর কবিতা “শিকওয়া” ও “জওয়াব-এ-শিকওয়া” শুধু কাব্য নয়, বরং তা ছিল এক জাতির হৃদয়ের আর্তনাদ ও আল্লাহর প্রতি আহ্বান-
“আমাদের পুনর্জাগরণ ঘটাও, আমাদের আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করো!”

আজও, যখন মুসলিম সমাজ বিভাজিত, ভীত ও আত্মবিস্মৃত, তখন ইকবালের কবিতা আমাদের কানে ধ্বনিত হয়...
“উঠে দাঁড়াও, নিজের পরিচয় জানো,
কারণ তোমার নিয়তি হলো নেতৃত্ব ও মুক্তি।”

ইকবাল আমাদের শিখিয়েছেন,
মুসলমানের শক্তি অস্ত্রে নয়,
বরং তার ঈমান, চিন্তা, ও কর্মে।
যে জাতি জ্ঞানে ও ন্যায়ের পথে দৃঢ় থাকে,
আল্লাহ সেই জাতিকেই নেতৃত্বের মর্যাদা দান করেন।

07/11/2025

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর — জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস 🇧🇩
এ দিনে ঈমানদার সিপাহী-জনতা এক কাতারে দাঁড়িয়ে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল।
আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে আমরা সেই বিপ্লবী চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবো।

সময়: ★বাদ আসর★

★মুসলিম জাতীয়তাবাদ জিন্দাবাদ★
National Revolutionary Council - NRC জিন্দাবাদ।
বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ জিন্দাবাদ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

University Of Dhaka
Dhaka