গত কয়েকদিন ধরেই মনে ইচ্ছে ছিল-খেজুরের টাটকা গুড় আর পাটালি আনতে যাবো।
পরশু এক জানাজায় অংশগ্রহণ করতে যাওয়ার পথে গাছি হাফিজার ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম, কিন্তু তখন তাঁকে বাসায় পাইনি। সন্ধ্যায় তিনি বাড়ি ফিরে আমার খোঁজ পেয়ে নিজেই ফোন করে কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন এবং আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাসায় যেতে অনুরোধ জানান।
শরীরটা বেশ খারাপ, তবুও সকালবেলা তাঁর বাসায় গিয়ে হাজির হলাম। তিনি আন্তরিকতায় ভরা মন নিয়ে উনুনে চড়িয়ে দিলেন ৫ কলস খেজুরের রস, আর সেখান থেকেই চোখের সামনে তৈরি হলো খাঁটি খেজুরের পাটালি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার কিছু ভিডিও ধারণ করতে পেরেছি এবং সেই দৃশ্য সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ করে দিলাম।
এমন আন্তরিকতা, ভালোবাসা আর খাঁটি স্বাদের অভিজ্ঞতার জন্য গাছি হাফিজার ভাইয়ের প্রতি রইলো আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
Daily life, foods review & travelling
Delicious food & Travelling video
ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি গ্রামে কালাই বাজারের পাশেই বসবাসকারী একটি হিন্দু পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মৃত্যুতে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলাম। নিজেদের খাবার পর্ব শেষে ফেরার পথে চোখে পড়ল বিস্তীর্ণ সরিষা ক্ষেতের অপূর্ব এক দৃশ্য। হলুদ ফুলে ছেয়ে থাকা সেই মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে এতটাই মুগ্ধ করল যে, ক্যামেরায় তা ধারণ করে সেই দৃশ্য সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে প্রকৃতির এই অনন্য সৌন্দর্য দেখার সুযোগ করে দিলাম।
ধন্যবাদ
এখন শীতকাল। ভোরের বাতাসে কনকনে ঠান্ডা আর হালকা কুয়াশা।
ঢাকা থেকে বউ, মেয়ে আর ছেলে আমার কাছে বেড়াতে এসেছে। শীতের ভোরটা একটু ভিন্নভাবে উপভোগ করার ইচ্ছা থেকেই ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে এলার্ম দেওয়া ছিল। এলার্ম বেজে উঠতেই একে একে সবাই উঠে পড়লাম। চারদিকে তখনো নিস্তব্ধতা, আকাশে ভোরের আবছা আলো।
গাড়ি নিয়ে রওয়ানা দিলাম প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের গন্তব্যে - খেজুরের টাটকা রস খাওয়ার জন্য। শীতের ভোরে রাস্তার দুই পাশে কুয়াশার চাদর, গায়ে লাগছিল ঠান্ডা হাওয়ার ছোঁয়া। পরিবারের সঙ্গে এমন ভোরবেলার যাত্রা মনটাকে ভরে দিচ্ছিল আলাদা এক আনন্দে।
গন্তব্যে পৌঁছে খেজুর গাছ থেকে সদ্য নামানো কনকনে ঠান্ডা, মিষ্টি রস খেলাম। শীতের সকালে এই টাটকা রসের স্বাদ সত্যিই অতুলনীয়। খাওয়ার পাশাপাশি বোতলে ভরে কিছু রস সঙ্গে করে নিয়ে নিলাম।
এই সুন্দর মুহূর্তগুলো ধরে রাখতে কিছু ছবি আর ভিডিও আপলোড দিলাম। সবাই দেখতে পারবে, কিন্তু খেতে পারবে না 🙂। আর কারো যদি সত্যিই খেতে ইচ্ছে করে, সাদরে আমন্ত্রণ - এসে পড়বেন, একসাথে বেড়িয়ে যাবো।
শীতের ভোর, টাটকা খেজুরের রস আর প্রিয় মানুষের সঙ্গ - এই ছোট্ট ভ্রমণটা আমাদের সবার জন্য হয়ে রইল এক উষ্ণ স্মৃতি।
15/12/2025
এখন শীতকাল। ভোরের বাতাসে কনকনে ঠান্ডা আর হালকা কুয়াশা।
ঢাকা থেকে বউ, মেয়ে আর ছেলে আমার কাছে বেড়াতে এসেছে। শীতের ভোরটা একটু ভিন্নভাবে উপভোগ করার ইচ্ছা থেকেই ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে এলার্ম দেওয়া ছিল। এলার্ম বেজে উঠতেই একে একে সবাই উঠে পড়লাম। চারদিকে তখনো নিস্তব্ধতা, আকাশে ভোরের আবছা আলো।
গাড়ি নিয়ে রওয়ানা দিলাম প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের গন্তব্যে-খেজুরের টাটকা রস খাওয়ার জন্য। শীতের ভোরে রাস্তার দুই পাশে কুয়াশার চাদর, গায়ে লাগছিল ঠান্ডা হাওয়ার ছোঁয়া। পরিবারের সঙ্গে এমন ভোরবেলার যাত্রা মনটাকে ভরে দিচ্ছিল আলাদা এক আনন্দে।
গন্তব্যে পৌঁছে খেজুর গাছ থেকে সদ্য নামানো কনকনে ঠান্ডা, মিষ্টি রস খেলাম। শীতের সকালে এই টাটকা রসের স্বাদ সত্যিই অতুলনীয়। খাওয়ার পাশাপাশি বোতলে ভরে ৩ লিটার রস সঙ্গে করে নিয়ে নিলাম।
এই সুন্দর মুহূর্তগুলো ধরে রাখতে কিছু ছবি আর ভিডিও আপলোড দিলাম। সবাই দেখতে পারবে, কিন্তু খেতে পারবে না 🙂। আর কারো যদি সত্যিই খেতে ইচ্ছে করে, সাদরে আমন্ত্রণ-এসে পড়ো, একসাথে রস খেয়ে সাথে গুড় ও পাটালি নিয়ে যাও।
শীতের ভোর, টাটকা খেজুরের রস আর প্রিয় মানুষের সঙ্গ-এই ছোট্ট ভ্রমণটা আমাদের সবার জন্য হয়ে রইল এক উষ্ণ স্মৃতি।
এই শীতে প্রথম খেজুরের টাটকা রস খাওয়ার জন্য ভোর ৫টায় ঘর থেকে বের হয়ে বিচ্চুদেরকে সাথে নিয়ে ১৩ কিমি দূরে গাড়ি নিয়ে ছুটে গিয়েছিলাম। বাচ্চা বিচ্চুগুলোর আনন্দ দেখে আমি নিজেও আনন্দিত। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে এই জন্য - গাছি ভাই ও তার সহধর্মিণী ভীষণ আন্তরিক। ঘর থেকে পারুটি ও চিড়া এনে সবাইকে পরিবেশন করেছেন। আজ মোট ৪ ভাড় রস হয়েছিল। আড়াই ভাড় আমরা জায়গায় বসেই খেয়েছি। বাকিটা বোতলে ভরে নিয়ে এসেছি, যা চুলায় জাল দিয়ে দোজালা করে ভেজানো পিঠা বানিয়ে খাওয়া হবে। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
শীতের রক্তিম সকালে আমরা ৮ জন এসেছি খেজুরের টাটকা রস খাওয়ার জন্য।
শিশুদের হৈ-হুল্লোড় সত্যিই দারুণ লাগে।
ছোটভাইয়েরা পিকনিক করেছে, জানতাম না। হঠাৎ ফোন পেয়ে হাজির হলাম।
আজ মহম্মদপুর উপজেলায় বেড়াতে গিয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে ফিরে এসেছি। সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে।
আজ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলায় এসে নিজ চোখে দেখা জামায়াতে ইসলামী দলের ৮০০০ মোটরসাইকেল র্যালি দেখে অভিভূত হয়ে গেলাম। সবাইকে এবার দেশ পরিচালনায় নতুন দলের জন্য কাজ করার অনুরোধ করছি।
মাগুরা জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির জন্ম হয় ২০১৯ সালে। জেলা ইউনিটি নেতৃত্ব দেয় উপজেলায় থাকা সকল মানুষের থেকে বাছাই করা সাংবাদিকদের ইউনিটিকে। মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হলো ও নতুন কমিটির পরিচিতি সভায় উপস্থিত আছেন মাগুরা জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক ও কর্মীরা। তাদের সাথে এখানে আসতে পেরে তাদের ক্ষুদ্র প্রয়াসকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ভিডিও করেছি।
ধন্যবাদ
আজকের টপিক্স "সাংবাদিকতা"। মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা, যারা বিভিন্ন সংবাদপত্রের সাংবাদিকতা করেন, তাদেরকে নিয়ে গঠিত মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভায় বিশিষ্ট জনদের মধ্যে উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে একটা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহোদয় উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকতা নিয়ে উনার কিছু কথা তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াসমাত্র। ধন্যবাদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
