04/04/2026
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে এ খবর পাওয়া যায়।
পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার ফাইটার পিংকি রায়। এখন ঘটনাস্থলে ৩টি ইউনিট কাজ করছে।
পিংকি রায় জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।
এরআগে দুপুর ১টা ১১ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বলেন, দুপুর ১টা ১১ মিনিটে রাজধানীর কদতলী এলাকায় একটি গ্যাসলাইট কারখানায় আগুনের খবর পাই। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। আরও ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
তবে কীভাবে আগুন লেগেছে সেই বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
02/04/2026
হাম রোগ কিন্তু ভ/য়ংকর রূপ ধারণ করছে। এখন পর্যন্ত হামে আ/ক্রান্ত হয়ে অনেক শি/শু মারা গেছে। ১২ বছর বয়সী ছোট্ট শিশু আব্দুল্লাহর ম'রদে'হ রাখা হয়েছে রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হা'সপাতালের স্ট্রেচারে| পাশেই মা ইতি মনির কান্নায় যেন ভেঙে পড়ছে আকাশ-বাতাস| ফ্লোরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কান্না করছে মা।
আব্দুল্লাহকে হারিয়ে বাবা রাসেল নিঃশব্দ|
হা'মের উপসর্গ নিয়ে গত ২৩ মার্চ ভর্তি করা হয় আব্দুল্লাহকে| আস্তে আস্তে অবস্থার অবনতি হলে আজ দুপুর ১২টার দিকে চিরবিদায় নেয় ছোট্ট এই শি*শুটি|
সবাই সতর্কতা অবলম্বন করুন।
বিস্তারিত পড়ুন এবং শেয়ার করবেন প্লিজ। বা'চ্চাদের হাম (Measles) আউটব্রেক অভিভাবকদের যা জানা জরুরি|
বর্তমানে বা'চ্চাদের মধ্যে হাম (Measles) রো'গ বাড়িছে| সময়মতো লক্ষণ চিনে ব্যবস্থা নিলে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো যায়| >
মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং অন্যদের জানাতে শেয়ার করুন|
বা'চ্চাদের হামের লক্ষণ (Symptoms)
· প্রথম ধাপ (৩-৪ দিন) - শুরু হওয়ার সময় এই সময় সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের মতো লক্ষণ দেখা যায়
যেমন,,,,,
v জ্বর
v শুকনো কাশি
v চোখ লাল হওয়া
v নাক দিয়ে পানি পড়া
মুখের ভেতরে সাদা ছোট দাগ (Koplik's spot)
· দ্বিতীয় ধাপ (র্যাশ স্টজ — ৬-৭ দিন) জ্বর শুরু হওয়ার ৩-৪ দিন পর—
লাল ফুসকুড়ি (Rash) দেখা যায়
প্ৰরথমে কানের পিছনে শুরু হয়>
এরপর মুখ -> শরীর - হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়ে ।
এই সময় জ্বর বেশি থাকতে পারে।
জ্বর কমে যায়
· বাচ্চা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়|
* কখন পরীক্ষা লাগতে পারে ডাক্তারের পরামর্শে—
CBC টেস্ট
- WBC কমে যেতে পারে
- Lymphocyte কম হতে পারে V Chest X-ray
— যদি কাশি বেশি হয় বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়|
১ হামের চিকিৎসা (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী) হামের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই—>
লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়|
জ্বর হলে:
প্যারাসিটামল (নাপা)
১৫ মিগ্রা/কেজি/ডোজ · দিনে ৩-৪ বার (জ্বর থাকলে)
ভিটামিন A (ডাক্তারের পরামর্শে)
কাশি হলে |
- ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ
— ৬ মাসের বেশি হলে কুসুম গরম পানি খাওয়ানো যায় সেকেন্ডারি ইনফেকশন হলে
— ডাক্তারের পরামর্শ অ্যান্টিবায়োটিক
· অসুস্থ অবস্থায় খাবার · প্রচুর পানি ও তরল খাবার
তৃতীয় ধাপ — সেরে ওঠার সময় · ধীরে ধীরে ফুসকুড়ি কমে যায়।
জ্বর কমে যায়
· বাচ্চা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়|
* কখন পরীক্ষা লাগতে পারে ডাক্তারের পরামর্শে—
CBC টেস্ট
- WBC কমে যেতে পারে
- Lymphocyte কম হতে পারে V Chest X-ray
— যদি কাশি বেশি হয় বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়|
১ হামের চিকিৎসা (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী) হামের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই—>
লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়|
জ্বর হলে:
প্যারাসিটামল (নাপা)
১৫ মিগ্রা/কেজি/ডোজ · দিনে ৩-৪ বার (জ্বর থাকলে)
ভিটামিন A (ডাক্তারের পরামর্শে)
কাশি হলে |
- ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ
— ৬ মাসের বেশি হলে কুসুম গরম পানি খাওয়ানো যায় সেকেন্ডারি ইনফেকশন হলে
— ডাক্তারের পরামর্শ অ্যান্টিবায়োটিক
· অসুস্থ অবস্থায় খাবার · প্রচুর পানি ও তরল খাবার
পুষ্টিকর খাবার
সহজে হজম হয় এমন খাবার বাচ্চাকে দুর্বল হতে দেবেন না|
হামের প্রতিরোধ (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়মতো MR/MMR ভ্যাকসিন দিন · আক্ৰান্ত বাচ্চাকে অন্য বাচ্চা থেকে আলাদা রাখুন|
শ মনে রাখবে 1-
র্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে
এবং র্যাশ ওঠার ৪ দিন পরে পর্যন্ত বাচ্চা অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে|
কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন
শ্বাস নিতে কষ্ট হলে |
বাচ্চা খুব দুর্বল হয়ে গেলে
খাওয়া একদম বন্ধ করে দিলে
→ খিঁ"চুনি হলে
米জ্বর ৪-৫ দিনের বেশি থাকলে|
৫ সতর্ক থাকুন, সচেতন হোন, অন্যকেও জানাতে অনেক বেশি পোস্টটি শেয়ার করুন| আপনি জানলেন আরেক জন কে জানাবেন না।
সবাই সবার জন্য দোয়া করবেন।
27/02/2026
নরসিংদীর মাধবদীতে ১৫ দিন আগে গণ*ধ*র্ষ*ণের শিকার হওয়া ১৫ বছরের কিশোরী আমেনাকে এবার বাবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নি'র্মম'ভাবে হ*ত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরিষা খেত থেকে গলায় ওড়না পে'চা'নো অবস্থায় নি*হ*ত কিশোরী আমেনা আক্তার (১৫) এর ম*র*দেহ উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশ। এক চরম নৃ'শংস'তার সাক্ষী হলো এলাকাবাসী।
সারা রাত খোঁজাখুঁজির পর পরদিন সকালে নরসিংদী মাধবদী মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর নি*থ*র দেহ উদ্ধার করেন।
নি*হ*তের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে আমেনাকে স্থানীয় ছয়জন যুবক মিলে গ*ণধ*র্ষ*ণ করেন। এই জঘন্য অপরাধের বিচারের আশায় আমেনার পরিবার স্থানীয় সাবেক মেম্বারের শরণাপন্ন হন।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক ওই মেম্বার আইনি পথে না গিয়ে 'মীমাংসা'র নামে টালবাহানা শুরু করেন। মূলত অ'পরাধীদের আড়াল করতেই তিনি বিচারের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছিলেন তিনি, মীমাংসার নামে ঘটনাটি ধা*মা*চা*পা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, বলে হানান ভুক্তভোগী পরিবার।
উল্টো তাদের হু**ম**কি দেওয়া হয়েছিল কাউকে বললে মে*রে ফেলা হবে।মেয়ে আর মেয়ের বাবা কাউকে কিছু বলে নাই। তাও যদি বেঁচে থাকা যায়। তবুও শেষ রক্ষা হলো না বেঁচে থাকা যায়নি। গতকাল সেই মে-য়েটাকে আবার তুলে নেওয়া হয়।
বিচার না পেয়ে এবং প্রভাবশালী মহলের চাপে আমেনার পরিবার যখন হয়ে পরেন দিশেহারা, ঠিক তখনই ঘটে চূড়ান্ত অঘটন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, গতকাল বিকেলে বাবার সামনে থেকেই আমেনাকে জো*র*পূর্বক তুলে নিয়ে যায় দু*র্বৃত্ত*রা। সারারাত নিখোঁজ থাকার পর আজ সকালে পার্শ্ববর্তী একটি সরিষা খেত থেকে তার ক্ষ*তবি*ক্ষত লা'শ উদ্ধার করা হয়।
আজ সেই মেয়েটার লা*শ পাওয়া গেছে।দেশে আজকাল বারবার ভূমিকম্প হয়, আর আমরা অবাক হওয়ার ভান করি, এত ভূমিকম্প কেন হচ্ছে, আল্লাহ?
দেশে ১৫ বছরের একটা মেয়েকে দুই দফায় অ'ত্যাচা'র করে মে**রে ফেলা যাবে, আর সেই জু'লুমে'র ভাগ আপনি নেবেন না, তাই হয় নাকি? আমরা কেমন দেশে আছি,ভাবা যায়!
অভি'যো'গ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা এই ঘটনায় সরাসরি জড়ি'ত। তিনি হলেন, মহিষাশুরা ইউনিয়নের মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান।
স্থানীয়দের মতে, প্রথমবার ধ*র্ষ*ণের শিকার হওয়ার পরই যদি অপ*রা*ধীদের আইনের আওতায় আনা হতো, তবে আজ এই কিশোরীকে প্রাণ হারাতে হতো না। বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে।
এই ম'র্মা'ন্তিক ঘটনায় জড়িত মূল অপরাধী এবং তাদের আশ্র'য়দা'নকারী সেই তথাকথিত 'বিচারক' মেম্বার সহ সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে আমেনার পরিবার ও এলাকাবাসী।
05/01/2026
শেষবারের মতো ছোট ভাই মোর্শেদকে আদর করে নিচ্ছে বড় বোন আয়েশা 💔
এক হৃদয়বিদারক মুহূর্ত,
যেখানে চোখে শুধু ভালোবাসা আর বিদায়ের কষ্ট।
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সড়কের পাশে বাবার ফেলে যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে ছোট শিশু মোর্শেদ (১৪ মাস) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা গেছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ/ত্যু হয়।
অপরদিকে মোর্শেদের চার বছর বয়সী বোন আয়েশাও বর্তমানে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি আছে। সে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
চোখের পানি ধরে রাখার মত নয়।
আমার পোস্টে অনেক আপু/ভাইয়া নক দিয়েছিলেন দত্তক নেয়ার জন্য, বাট ততক্ষণে একজন দ্বায়িত্ব নিয়েছিলেন জানতে পারলাম।
বাট আজ এই নিউজ পেয়ে খুবই কষ্ট লেগেছে😪
অনেকেই একনজর এদের বাবা মা কে দেখতে চেয়েছিলেন, যে কেমন বাবা মা তারা😪
আল্লাহ তায়ালা ছোট মোর্শেদকে জান্নাত এবং আয়েশাকে দীর্ঘ হায়াত দান করুন।
আমিন🤲
30/12/2025
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) |
মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন— আমিন।
#শোক #সমবেদনা #দোয়া #বাংলাদেশ #বিএনপি #বেগমজিয়া
29/12/2025
গতকাল শোলকাটা এলাকায় যে দুটি শিশু পাওয়া গেছে, তাদের পরিচয়:
মেয়ের নাম: আয়েশা আক্তার (বয়স: ৪ বছর)
ছেলের নাম: মোরশেদ (বয়স: ২ বছর)
মায়ের নাম: ঝিনুক আক্তার
বাড়ি: সাতকানিয়া থানা, মৌলবী দোকানের পাশে।
মেয়েটি জানায়, তার মা তাকে ও তার ছোট ভাইকে শোলকাটা, আনোয়ারা এলাকায় রাস্তার পাশে রেখে চলে যায়। বর্তমানে শিশু দুটো আনোয়ারা থানার হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ তাদের মা–বাবাকে শনাক্ত ও আটক করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
ছোট শিশুটির শরীরে অসংখ্য আ*ঘা*তের চিহ্ন রয়েছে। তার গলায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এমন গভীর ক্ষত আছে, দেখে মনে হয় যেন গরম পানি ঢে*লে দেওয়া হয়েছে। শিশু দুটির জন্য দোয়া করবেন,আল্লাহ যেন তাদের নিরাপত্তা, সুস্থতা ও একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দান করেন। যারা দত্তক নিতে আগ্রহী, অনুগ্রহ করে সরাসরি যোগাযোগ করুন:
আনোয়ারা থানা এবং আনোয়ারা উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর।
10/12/2025
আলহামদুলিল্লাহ্! মা-মেয়ের খুনি জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হত্যার কারণ হিসেবে খুনি নাকি বলেছে - কাজ শেষে চলে যাওয়ার সময় চুরির অপবাদ দিয়ে দেহ তল্লাশি করতে চেয়েছিলো। সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। ডাহা মিথ্যে কথা।
তোর কাছে Folding Knife আগে থেকে কেন ছিলো? এটা কেন নিজের সাথে বহন করেছিস? তোর তো আগে থেকেই এই ঘটনা ঘটানোর প্ল্যান ছিলো। নইলে অস্ত্র কেন বহন করবি।
খুনির গলায় পুড়ে যাওয়ার দাগ। এই পোড়া দাগটাই হয়তো তাকে খুঁজে পেতে সবচেয়ে বেশী সাহায্য করেছে। কারণ বোরকা পড়ে আসা যাওয়ার কারণে তার ফেস সেভাবে কেউ দেখেনি। সিসি ক্যামেরাতেও আসেনি ছবি।
নিয়োগের সময় যেমনটা খুনি আয়েশা বলেছিলো - তার গ্রামের বাড়ি রংপুর (আজ জানা গেলো বরিশাল) জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকেন। বাবা-মা আগুনে পুড়ে মারা গেছেন, তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে।
আর এই কারণেই বলা যায় - অসহায় একটি মেয়েকে দয়া করে চাকুরী দিয়েছিলেন নিহত লায়লা আফরোজ। কিন্তু এই দয়ার মূল্য দেয়নি এই সাইকো খুনি। তাকে ৩০টি এবং তার মেয়েকে ৬টি কুপিয়ে অত্যন্ত কষ্ট দিয়ে, নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।
হত্যার সময় ধস্তাধস্তিতে হয়তো হাতটা কেটে গিয়েছিলো। আর সেই কারণেই হাতে ব্যান্ডেজ।
প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করার জন্য। কিন্তু আমার আফসোস একটাই, সাইকো-জানোয়ারটার ফাঁসি হবে না।
কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন নারীর ফাঁসি হয়নি। ওরও হবে না :)
09/12/2025
এই ভদ্রমহিলা তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর জানাযা শেষে কবরস্থানে যায়। সেখানে গিয়ে তার ভাইকে দাফন করানোর পর সে উপস্থিত সকলের সামনে উচুঁ আওয়াজে বলে:
"হে আল্লাহ! এখন সে আপনার উপর অর্পিত। আপনিই আদিল (ন্যায়পরায়ণ) এবং আহকামিল হাকিমিন (শাসকদের শাসক)।
তাই আমি আপনাকেই বলছি। সে যেভাবে আমাকে ৩০ বছর ধরে আমার বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত রেখেছিল, সেভাবে আপনিও তাকে আপনার রহমত থেকে বঞ্চিত করুন।"
😭😭😭
আমি মনে করি, এই ঘটনাটি আমাদের জন্য অনেক বড় একটি শিক্ষা। বান্দার হক অনেক কঠিন জিনিস। আপনার বোনদের সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রতি ভয় করুন।
09/12/2025
কাকে বিশ্বাস করবেন? আজকের মোহাম্মদপুরের এই ঘটনা
কাজের বুয়াকে নিয়ে অনেক গর্ব করতাম। চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস যাকে বলে। এক ছোটবোন আমাকে বলেছিলো - 'ভাইয়া। বুয়াদেরকে কখনও অন্ধভাবে বিশ্বাস করবে না। নিরাপত্তার জন্য কিছুটা অবিশ্বাস মনে রেখে দিও।' সেদিন আমি ওর কথাটাকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু নতুন এক বুয়া রাখার ৫ মাস পর যেদিন চুরি করলো। সেদিন আমার টনক নড়ে। দেখুন! চুরি অর্থাৎ মাল হারানোর কষ্ট সহ্য করা যায়। মানুষ অনেক সময় বলে না? 'মালের উপর দিয়ে গিয়েছে! জানের সদকা।' কিন্তু বুয়ার হাতে যদি প্রাণটাই হারাতে হয়? তখন? ওটা কীভাবে সহ্য করবেন? বুয়াই একমাত্র ব্যক্তি যাদের ঐ এক্সেস থাকে - আল্লাহ্র ৩০দিন কারো বাসায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশের। দারোয়ান থেকে বাড়ির মালিক। কেউই বাঁধা দেয় না। চাইলেই, রান্নায় খাবারের সাথে বিষ, ঘুমের মেডিসিন মিশিয়ে যা খুশি তারা করতে পারে। চাইলেই বাইরের কোন সহযোগীকে বাসায় এক্সেস দিয়ে ঘটিয়ে ফেলতে পারে ভয়ঙ্কর কোন অপরাধ। তারপরেও আমরা এদেরকে বাসায় প্রবেশের এক্সেস দেই কেন? কারণ আমাদের ওদের প্রয়োজন রয়েছে। ওদেরও আমাদের প্রয়োজন রয়েছে। আর এখানেই আসে বিশ্বাসের প্রশ্ন! তবে এই বিশ্বাসটা যেন অন্ধবিশ্বাস না হয়। যাচাই বাছাই-নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই শুধু 'ঠ্যাকার কাজ' সারার জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া মানেই নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি। আমাদের মধ্যে কজনের কাছে তাদের গৃহকর্মীর ছবি কিংবা ন্যাশনাল আইডি রয়েছে? খুব কমই মানুষ রাখে। কারণ তাদেরকে আমরা অতটা হার্মফুল মনে করি না। অন্তত খুন খারাবি করার ব্যাপারটা মাথায় আসে না। আর এখানেই আমরা ভুলটা করে ফেলি। আবার বুয়ার ব্যাক হিস্ট্রোরি, পরিচয়পত্র সবকিছু থাকার পরেও যে দূর্ঘটনা ঘটবে না। বহু বছর ধরে চাকুরী করে, পরিবারের সদস্য হয়ে গিয়েছে। এমন ভাবার পরেও যে, বিশ্বাস ভাঙবে না। এরও গ্যারান্টি নেই। মানুষের চরিত্রটাই।
সংগ্রহীত