09/05/2026
পরিবারসহ সকলে আমন্ত্রিত
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohammad Jashim Uddin, Political organisation, 111/2 Kawlar Jame Mashjid Road, Ashkona (Asian City), Dhaka.
Mohammad Jashim Uddin is an Associate Professor of English at Northern University Bangladesh, as well as a PhD researcher specializing in Folklore, a critic, writer, translator and thinker.
09/05/2026
পরিবারসহ সকলে আমন্ত্রিত
09/05/2026
ব্যক্তিত্বহীন টয়লেটে হাগু করাও অস্বাস্থ্যকর।
08/05/2026
আজাইরা প্যাঁচাল
07/05/2026
১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে
মুস্তাফা জামান আব্বাসী স্মারক বক্তৃতা
১১ মে ২০২৬, সোমবার, বিকেল ৪.০০টা
জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি কামনা করছি...
লেখা আহ্বান
‘ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন’ পত্রিকার ৩০তম সংখ্যাটি আগামী ২০২৬ সালের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে পত্রিকার জন্য বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ফররুখ-বিষয়ক মৌলিক ও অপ্রকাশিত প্রবন্ধ, সমালোচনা, নিবেদিত কবিতা, গল্প, ছড়া এবং অনুবাদ আগামী ২৫ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাঠানোর জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, লেখা মনোনয়নের ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
লেখা পাঠানোর ই-মেইল ঠিকানা:
[email protected] অথবা [email protected]
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
নির্বাহী পরিচালক
ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন
০১৯১২৭৬৬৮২১
06/05/2026
Old and continuous presence of 36 July
একটি পরিকল্পিত গণহত্যার দিন ২০১৩ সালের ৫ মে। মতিঝিলের শাপলা চত্বরে আন্দোলনের মূল কারণ ছিল অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি তথাকথিত 'ব্লগার' ও 'নাস্তিক' পরিচয়ে ইসলামের পবিত্র বিষয়বস্তু ও মহানবী (সা.)-কে অবমাননা ও কটুক্তি করা। হেফাজতে ইসলাম এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ৫ দফা দাবি পেশ করে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল এসব কটুক্তি বন্ধ করা, ‘নাস্তিক ব্লগারদের’ বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং ইসলামের প্রচারে বাধা দূরীকরণ।
শাপলা চত্বরে লাখো মুসল্লি, আলেম, মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হন। সারা দিন তারা নামাজ, জিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে সময় কাটান। রাত পর্যন্ত তাদের অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। দাবিগুলো সরকারের কাছে পেশ করা হয়। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার তখন নাস্তিক ও কটুক্তিকারিদের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং দাবি মানতে অস্বীকার করে।
গভীর রাতে, আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে পরিস্থিতির আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে। পুলিশ, র্যাব, ও বিজিবি'র সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী 'অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট' নামে একটি পরিকল্পিত অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই গোলাগুলি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পরবর্তী তদন্তে উঠে আসে, এটি ছিল কেবল একটি সমাবেশ ভাঙার অভিযান নয়; বরং সঙ্গতিপূর্ণ ও অনুপাতহীন বলপ্রয়োগ এবং #ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড।
সেই রাতে কয়েক শ থেকে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হন বলে ধারণা করা হয়। বিভিন্ন সূত্রে নিহতের সংখ্যা ৩০০ থেকে ১০০০-এরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আহতের সংখ্যা ছিল কয়েক হাজার। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ২০১৭ সালে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর ভিডিও ও তথ্য প্রকাশ করে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ বাহিনী নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ অবস্থানকারীদের ওপর অত্যাধিক গোলাবর্ষণ, লাঠিচার্জ ও নির্যাতন চালায়। অনেক লাশ বিকৃত করা হয়। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন আলেম, হুজুর ও মাদ্রাসার শিশু-কিশোর ছাত্র।
সরকারি সংস্থাগুলো লাশ গুম করারও চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশগুলো রাতের আঁধারে ট্রাকে করে ঢাকা-ডেমরা হাইওয়ের পাশে মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছু লাশ 'ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট'-এ পিষে ফেলার চেষ্টা করা হয়, যা পরবর্তী আন্তর্জাতিক ফরেনসিক টিমগুলোর কাছে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া, আজিমপুর, জুরাইন ও অন্যান্য কবরস্থানে অসংখ্য বেওয়ারিশ লাশ দাফন করা হয়। গণস্বাক্ষর যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ঘটনার পর এক মাসে প্রায় ৩৬৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করা হয় এবং অন্তত ১০টি গণকবর তৈরি করা হয়।
খুনের হুকুমদাতা শেখ হাসিনা সংসদে জোর দিয়ে দাবি করেন, ‘কোনো গোলাগুলি হয়নি’, ‘হুজুররা লাল রং মেখে শুয়েছিল’। কিন্তু পরে বিভিন্ন ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে সেই বক্তব্য ভুয়া প্রমাণিত হয়। যেসব সংবাদমাধ্যম (যেমন: দিগন্ত টিভি) এই হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্র সরাসরি সম্প্রচার করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানালেও বাংলাদেশ সরকার কার্যকর তদন্ত বা বিচারের উদ্যোগ নেয়নি।
আজ পর্যন্ত এই গণহত্যার বিচার হয়নি। যারা নিহত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই দরিদ্র, এতিম, মাদ্রাসার ছাত্র ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ। তাদের ‘এলিট’ না হওয়ায়, সমাজের বড় অংশ তাদের মৃত্যুকে উপেক্ষা করে। ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষার এক যৌক্তিক দাবি তুলে ধরা সেই মানুষগুলোকে ‘সন্ত্রাসী’ লেবেল দিয়ে আখ্যা দেওয়া হয়। কিন্তু তথ্য ও বাস্তবতা বলে—সেই রাতে নিরস্ত্র মানুষদের ওপর চালানো হয় নৃশংসতম গণহত্যা, যার দায় আজ অবধি কেউ নেয়নি।
এটাই আমাদের 'শাপলা গণহত্যা দিবস'—৫ মে, একটি লজ্জার অধ্যায়, একটি পরিকল্পিত গণহত্যার ইতিহাস, যা আমরা ভুলতে চাইলেও ইতিহাস ভোলেনি।
Copied
#গণহত্যা #বাংলাদেশ
শিখা গোষ্ঠীর ‘বুদ্ধি মুক্তি আন্দোলনের শত বছর ও বাংলাদেশি মুসলমানদের দীনতা শীর্ষক আলোচনাটি বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্ণারে রেখেছিলাম। সময় নিয়ে শুনতে পারেন। (তাইরান কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনা)
অনেকেই লেখালেখি শুরু করতে চান, কিন্তু কৌশল ও করণীয় জানা না থাকায় সমস্যায় পড়ে যান। সেসব তরুণদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছিল ‘তরুণ লেখক ফোরাম’। আমি সেই কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলাম। আজ তার দ্বিতীয় অংশ শেয়ার করলাম।