পাগল
ইসলাম সকল প্রশ্নের উত্তর- আল্লাহু আকবর Islam means peace
plz Shobai page ar post gula share kore islamic dawar kaj purno korun
২৮. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন:
“আল্লাহর কতক
ফেরেশতা রয়েছে তারা যিকিরকারীদের
তালাশে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। যখন
কোন কওমকে আল্লাহর যিকিরে মশগুল
দেখে তারা একে অপরকে আহ্বান করে:
তোমাদের লক্ষ্যের দিকে আস”।
তিনি বলেন: “অতঃপর
তাদেরকে তারা নিজেদের
ডানা দ্বারা দুনিয়ার আসমান পর্যন্ত
ঢেকে নেয়। তিনি বলেন: অতঃপর
তাদের রব
তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, -অথচ
তিনি তাদের চেয়ে অধিক জানেন-
আমার বান্দাগণ কি বলে?
ফেরেশতারা বলে: তারা আপনার
পবিত্রতা বর্ণনা করছে, আপনার বড়ত্ব
ঘোষণা করছে, আপনার প্রশংসা করছে ও
আপনার মর্যাদা ঘোষণা করছে।
তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ বলেন:
তারা কি আমাকে দেখেছে?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে: না,
আল্লাহর কসম,
তারা আপনাকে দেখেনি।
তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ বলেন:
যদি তারা আমাকে দেখত কেমন হত?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে:
যদি তারা আপনাকে দেখত
তাহলে আরও কঠিন ইবাদত করত, অধিক
মর্যাদা ও প্রশংসার ঘোষণা করত, অধিক
তসবিহ পাঠ করত। তিনি বলেন: আল্লাহ
বলেন: তারা আমার নিকট কি চায়?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে:
তারা আপনার নিকট জান্নাত চায়?
তিনি বলেন: আল্লাহ বলেন:
তারা কি জান্নাত দেখেছে?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে: না,
হে রব, তারা জান্নাত দেখে নি।
তিনি বলেন: আল্লাহ বলেন:
যদি তারা জান্নাত দেখত কেমন হত?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে:
যদি তারা জান্নাত দেখত তাহলে তার
জন্য তারা আরো অধিক আগ্রহী হত, অধিক
তলবকারী হত ও তার অধিক আশা পোষণ
করত। তিনি বলেন: তারা কার
থেকে পানাহ চায়? তিনি বলেন:
ফেরেশতারা বলে: জাহান্নাম থেকে।
তিনি বলেন: আল্লাহ বলেন:
তারা কি জাহান্নাম দেখেছে?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে: না,
আল্লাহর কসম, হে রব তারা জাহান্নাম
দেখেনি। তিনি বলেন: আল্লাহ বলেন:
যদি তারা জাহান্নাম দেখত কেমন হত?
তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে:
যদি তারা জাহান্নাম দেখত
তাহলে তার থেকে অধিক পলায়ন করত,
তাকে অধিক ভয় করত। তিনি বলেন:
আল্লাহ বলেন: তোমাদের
সাক্ষী রাখছি আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দিলাম।
তিনি বলেন: তাদের এক
ফেরেশতা বলে: তাদের মধ্যে অমুক
রয়েছে যে তাদের দলের নয়, সে অন্য
কাজে এসেছে। তিনি বলেন:
তারা এমন জমাত যাদের
কারণে তাদের সাথীরা মাহরুম হয় না”।
[বুখারি] হাদিসটি সহিহ।
**ভিগো বেঙ থিওরি**
১৯৭৩ শালে বিগ বেং থিওরির কারণে কয়েকজন বিজ্ঞানীই নোবেল পুরুস্কার পান..
বিগ বেং thiory হচ্ছে: পৃথিবীই অ বিশ্বজগৎ একত্রিত ছিল পরে একটা বিষ্ফোরন ঘটে যাতে করে তারা আলাদা হয়ে যাই..
এখন অবিশ্বাসীদের ক্যাচে আমার প্রশ্ন ১৪০০ বছর আগে কোরানে এটা কে বলতে পারে
অবিশ্বাসীরা কি ভেবে দেখে না আকাশ মণ্ডলী ও পৃথিবীই একত্রিত ছিলও আমি তাদেরকে পৃথক্ করে দিলাম
২১,আম্বিয়া:৩০
মুসলিমরা শেয়ার করুণ
রোজার ফযীলত -- আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল
(সাঃ) বলেছেনঃ
রোযা ঢাল স্বরূপ।
সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত
কাজ করবে না।
যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দিয়, তবে সে যেন দুই বার
বলে, আমি রোযা রাখছি।
ঐ সওার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ,
অবশ্যই রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর
কাছে মিসকের সুগন্ধির চেয়ে ও উৎকৃষ্ট,
সে আমার জন্য আহার, পান ও যৌনকামনা ত্যাগ করে। রোযা আমারই জন্য
এবং তার পুরস্কার আমি নিজেই দিব।
তবে প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময় দশগুণ
পর্যন্ত দেয়া হয়ে থাকে "। (সহীহ বুখারী -1898)
৬২। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যাক্তি সওয়ার অবস্থায় ঢুকল। মসজিদে (প্রাঙ্গণে) সে তার উটটি বসিয়ে বেঁধে রাখল। এরপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলল, ‘তোমাদের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার সামনেই হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। আমরা বললাম, ‘এই হেলান দিয়ে বসা ফর্সা রঙের ব্যাক্তিই হলেন তিনি। ’ তারপর লোকটি তাঁকে লক্ষ্য করে বলল, ‘হে আবদুল মুত্তালিবের পুত্র!’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ ‘আমি তোমার জওয়াব দিচ্ছি। ’ লোকটি বলল, ‘আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব এবং সে প্রশ্ন করার ব্যাপারে কঠোর হব, এতে আপনি রাগ করবেন না। ’ তিনি বললেন, ‘তোমার যেমন ইচ্ছা প্রশ্ন কর। ’ সে বলল, ‘আমি আপনাকে আপনার রব ও আপনার পূর্ববর্তীদের রবের কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, আল্লাহ্ই কি আপনাকে সকল মানুষের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপে পাঠিয়েছেন?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ সাক্ষী, হাঁ। ’ সে বলল, ‘আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ্ই কি আপনাকে দিনরাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায) আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ সাক্ষী, হাঁ। ’ সে বলল, ‘আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ্ই কি আপনাকে বছরের এ মাসে (রমযান) সাওম (রোযা) পালনের নির্দেশ দিয়েছেন?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ সাক্ষী, হাঁ। ’ সে বলল, ‘আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ্ই কি আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন, আমাদের ধনীদের থেকে সদকা (যাকাত) উসূল করে গরীবদের মধ্যে ভাগ করে দিতে?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘আল্লাহ্ সাক্ষী, হাঁ। ’ এরপর লোকটি বলল, ‘আমি ঈমান আনলাম আপনি যা (যে শরী‘আত) এনেছেন তার ওপর। আর আমি আমার কওমের রেখে আসা লোকজনের পক্ষে প্রতিনিধি, আমার নাম যিমাম ইবনু সা’লাবা, বনী সা’দ ইবনু বক্র গোত্রের একজন। ’ মূসা ও আলী ইবনু আবদুল হামীদ (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রেও এরূপ বর্ণনা করেছেন।
৬০। খালিদ ইবনু মাখলাদ (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বললেনঃ ‘গাছ-পালার মধ্যে এমন একটি গাছ আছে যার পাতা ঝরে না। আর তা মুসলিমের উপমা। তোমরা আমাকে বল দেখি সিটি কি গাছ?’ রাবী বলেন, তখন লোকেরা জঙ্গলের বিভিন্ন গাছ-পালার নাম চিন্তা করতে লাগল। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘আমার মনে হল, সেটা হবে খেজুর গাছ। কিন্তু তা বলতে আমি লজ্জাবোধ করছিলাম। ’ তারপর সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনিই আমাদের বলে দিন সেটি কি গাছ?’ তিনি বললেনঃ ‘তা হল খেজুর গাছ’
৫৮। আবূ’ন নু’মান (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সফরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পেছনে রয়ে গেলেন। পরে তিনি আমাদের কাছে পৌঁছলেন, এদিকে আমরা (আসরের) সালাত (নামায) আদায় করতে দেরী করে ফেলেছিলাম এবং আমরা উযূ করছিলাম। আমরা আমাদের পা কোনমতে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম। তিনি উচ্চস্বরে বললেনঃ পায়ের গোড়ালিগুলোর (শুষ্কতার) জন্য জাহান্নামের শাস্তি রয়েছে। তিনি দু’বার বা তিনবার এ কথা বললেন।
৩৩. আলি ইব্ন রাবিয়াহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আলিকে দেখেছি: “একটি চতুষ্পদ জন্তু আনা হল যেন সে তাতে আরোহণ করে, তিনি যখন তার ওপর নিজ পা রাখলেন বললেন: بِسْمِ اللَّهِ যখন তার পিঠে স্থির বসলেন বললেন: الْحَمْدُ لِلَّهِ، অতঃপর বললেন:﴿سُبۡحَٰنَ ٱلَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقۡرِنِينَ ١٣﴾
“পবিত্র-মহান সেই সত্তা যিনি এগুলোকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন। আর আমরা এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম ছিলাম না”।[1] অতঃপর: الْحَمْدُ لِلَّهِ তিনবার, اللَّهُ أَكْبَرُ তিনবার বললেন, অতঃপর বললেন:
سُبْحَانَكَ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
(“আপনি কতই-না পবিত্র, নিশ্চয় আমি আমার নিজের নফসের উপর যুলুম করেছি, সুতরাং আমাকে ক্ষমা কুরন, নিশ্চয় আপনি ব্যতীত কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না”)
অতঃপর হাসলেন, বলা হল: হে আমিরুল মুমেনিন কি জন্য হাসলেন? তিনি বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি করেছেন যেরূপ আমি করেছি, অতঃপর তিনি হেসেছেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল কি জন্য হাসলেন? তিনি বললেন: “তোমার রব তার বান্দাকে দেখে আশ্চর্য হন, যখন সে বলে আমার পাপ ক্ষমা করুন, সে জানে আমি ব্যতীত কেউ পাপ ক্ষমা করবে না”। [আবূ দাউদ, তিরমিযি ও আহমদ] হাদিসটি সহিহ।
[1] সূরা যুখরুফ: (১৩)
৩২. আবূ সায়িদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “ইবলিস তার রবকে বলেছে: আপনার ইজ্জত ও বড়ত্বের কসম, আমি বনি আদমকে ভ্রষ্ট করতেই থাকব যতক্ষণ তাদের মধ্যে রূহ থাকে। আল্লাহ বলেন: আমার ইজ্জত ও বড়ত্বের কসম, আমি তাদের ক্ষমা করতে থাকব যতক্ষণ তারা আমার নিকট ইস্তেগফার করে”। [আহমদ] হাদিসটি সহিহ।
৩১. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “কোন বান্দা পাপে লিপ্ত হল, অথবা বলেছেন: কোন পাপ করল। অতঃপর বলে: হে আমার রব আমি পাপ করেছি, অথবা বলে: পাপে লিপ্ত হয়েছি আমাকে ক্ষমা করুন। তার রব বলেন: আমার বান্দা কি জানে তার রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন ও তার জন্য পাকড়াও করেন? আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর আল্লাহ যে পরিমাণ চান সে বিরত থাকে। অতঃপর পাপে লিপ্ত হয় অথবা পাপ সংগঠিত করে, অতঃপর বলে: হে আমার রব, আমি দ্বিতীয় পাপ করেছি অথবা দ্বিতীয় পাপে লিপ্ত হয়েছি, আপনি তা ক্ষমা করুন। আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা কি জানে তার রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন ও তার জন্য পাকড়াও করেন? আমার বান্দাকে আমি ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর আল্লাহর যে পরিমাণ চান সে বিরত থাকে। অতঃপর কোন পাপ করে অথবা বলেছেন: পাপে লিপ্ত হয়। তিনি বলেন: সে বলে: হে আমার রব আমি পাপ করেছি অথবা পাপে লিপ্ত হয়েছি আবারও, আপনি আমার জন্য তা ক্ষমা করুন। আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা কি জানে তার রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন ও তার জন্য পাকড়াও করেন? আমি আমার বান্দাকে তিনবারই ক্ষমা করে দিলাম, সে যা চায় আমল করুক”। [বুখারি ও মুসলিম] হাদিসটি সহিহ।
২৯. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন: “আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমি আমার বান্দার সাথেই আছি[1] যখন সে আমাকে স্মরণ করে ও তার দুই ঠোট নড়ে”। [আহমদ, ইব্ন মাজাহ] হাদিসটি সহিহ।
[1] এখানে সাথে থাকার অর্থ, তার সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত থাকা ও তাকে সহায্য-সহযোগিতা করা। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর আরশের উপর রয়েছেন। [সম্পাদক]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
DHAKA
