11/02/2018
সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বেগম জিয়াকে ডিভিশন না দিয়ে তার উপর চরম জুলুম করছে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন না দিয়ে সাধারণ কয়েদিদের মত রাখায় গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ বিএনপির চেয়ারপারসন এবং
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম
খালেদা জিয়াকে কারাগারে
ডিভিশন না দিয়ে পরিত্যক্ত
জেলখানার নির্জন কক্ষে
সাধারণ কয়েদিদের মত রাখায়
গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে
বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর ও
সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর
রহমান আজ ১১ ফেব্রুয়ারী
প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন,
“বিএনপির চেয়ারপারসন এবং
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম
খালেদা জিয়াকে কারাগারে
ডিভিশন না দিয়ে পরিত্যক্ত
জেলখানার নির্জন কক্ষে
সাধারণ কয়েদিদের মত রাখায়
দেশের জনগণের মত আমরাও
গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জেল
কোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন
পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু
সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ
হয়ে তাকে ডিভিশন না দিয়ে
তার উপর চরম জুলুম করছে। ৭৩
বছর বয়স্ক অসুস্থ একজন ভদ্র
মহিলার উপর এহেন আচরণে
দেশবাসী বিক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায়
সরকার নাজিমুদ্দিন রোডের
জেলখানাকে পরিত্যক্ত
ঘোষণা করেছে। এটি আর এখন
জেলখানা হিসেবে ব্যবহৃত
হচ্ছে না। সেখানকার সকল
বন্দীকে কেরাণীগঞ্জের
জেলখানায় স্থানান্তর করা
হয়েছে। বসবাসের অনুপযুক্ত
এমনই একটি পরিত্যক্ত
জেলখানায় বেগম খালেদা
জিয়াকে রেখে সরকার চরম
অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া দেশের
বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী। তার সাথে
সরকারের এহেন অন্যায় আচরণ
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
ছাড়া আর কিছুই নয়। কোন
গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে এ
ধরনের অমানবিক ও অন্যায়
আচরণ কখনো কল্পনা করা যায়
না। বর্তমান সরকার যদি
গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে
বিশ্বাস করতো তাহলে তারা এ
ধরনের গর্হিত আচরণ করতে
পারত না। একতরফা
ভোটারবিহীন প্রহসনের
নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায়
আশীন গণবিচ্ছিন্ন সরকারের এ
ধরনের আচরণই প্রমাণ করে যে
তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাসী।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি এ
নির্দয় প্রতিহিংসামূলক আচরণ
করে সরকার একটি কলংকিত
কালো অধ্যায়ের সূচনা করল। এ
ধরনের প্রতিহিংসামূলক
আচরণের পরিণতি কখনো শুভ
হবে না।
তাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
পরিহার করে দেশের সাধারণ
মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী
বেগম খালিদা জিয়াকে একজন
ভিআইপি বন্দী হিসেবে
আইনানুযায়ী প্রাপ্য সকল-
সুযোগ সুবিধা দেয়ার জন্য আমি
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি
আহ্বান জানাচ্ছি।”
10/02/2018
'ডিভিশন পাননি খালেদা জিয়া, কিছু হলে দায়ী থাকবে সরকার'
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। রাখা হয়েছে পরিত্যক্ত বাড়িতে। তার কোনো ক্ষতি হলে এর দায় নিতে হবে সরকারকে। বিএনপির নীতি নির্ধারক পর্যায়ের নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বৈঠকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও ভবিষ্যত কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানায় দলটির মিডিয়া উইং। বৈঠকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম- মহাসচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মির্জা ফকরুল বলেন, 'খালেদা জিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা। তাকে সাথে সাথে ডিভিশন দেয়ার দরকার ছিল। এটার জন্যে অনুমতির দরকার নেই।
জেলকোডেই বলা আছে তিনি ডিভিশন পাবেন। আমরা অবলম্বে তাকে ডিভিশন দিয়ে তার যে মর্যাদা সে অনুযায়ী সুযোগ সুবিধা দেয়ার জন্যে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় এর জন্যে সরকারকে দায়ী থাকতে হবে।'
09/02/2018
শেখ মুজিবও একই অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন
অ্যানালাইসিস বিডি ডেস্ক:
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্রে কথিত দুর্নীতি মামলায় দেশের প্রধান বিরোধীদলের নেত্রী ও দুই বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বৃহস্পতিবার ৫ বছরের কারাদ- দিয়েছে সরকারের বিশেষ একটি আদালত। এ মামলায় খালেদা জিয়ার জেল হবে, তাকে কারাগারে যেতে হবেই এমন কথা সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও সরকারদলীয় নেতারা বিগত ২ বছর ধরেই বলে আসছেন।
বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পরও দেখা গেছে সরকারের মন্ত্রীদের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতের রায়ের হুবহু মিল রয়েছে।
এতদিন খালেদা জিয়া ও বিএনপি নেতারা যে অভিযোগ করে আসছিলেন যে সরকারের নির্দেশনার আলোকেই রায় হবে। বিচারক স্বাধীনভাবে রায় দিতে পারবেন না। সরকার খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার জন্যই রাজনৈতিক বিচার করছে। বিশিষ্টজনেরা মনে করছেন বিএনপির এসব অভিযোগ সত্য ছিল।
এছাড়া বিস্তারিত নিচের লিংকে
http://www.analysisbd.com/archives/8152
09/02/2018
পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী নিহত
রূপগঞ্জের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড সড়কে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের অ্যাকশন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এমপি সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে সাংবাদিক, পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে সুমন (৩৭) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৫ শতাধিক রাউন্ড টিয়ার শেল ও গুলি বর্ষণ করে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে উপজেলার হাবিবনগরের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে ঘটে এ ঘটনা। নিহত সুমন মিয়া উপজেলার তারাব পৌরসভার গন্ধর্বপুর এলাকার মনু মিয়ার ছেলে। পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করতে পারে— এ আশঙ্কায় পুলিশকে সহযোগিতা করতে হাবিবনগরের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ শাহজাহান ভুঁইয়ার সমর্থিতরা অবস্থান নেন। সেখানে তারা প্যান্ডেল তৈরি করেন। একই স্পটে ৫০০ গজের মধ্যে অবস্থান নেন এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী সমর্থিত নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে এমপি সমর্থিত মুড়াপাড়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক এজিএস চাঞ্চল্যকর রাছেল হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তোফায়েল আহম্মেদ আলমাছ, চনপাড়ার বিউটি আক্তার কুট্টি, জাহেদ আলী ও তার লোকজন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে বের হন।
পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে আনুরোধ করে। তারা তা না শুনে উল্টো পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শটগান ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। শুরু হয় গাজী সমর্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, ইটপাটকেল, টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও গুলি। দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী সুমন নিহত হন।
এ ছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফারুক আহাম্মেদ, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন, ইন্সপেক্টর তদন্ত রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য মজিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল ফাতে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আশিকুর রহমান হান্নান, এস এম শাহাদাত হোসেন, সাইফুল ইসলাম, সুজন মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা মুন্না, আওয়ামী লীগের আমির হোসেন, ওসমান, নবী হোসেন, দিগ্বিজয়, মহসিন, কবির, জাকির হোসেন, লোকমান হোসেন, আবদুল্লাহ বাকী, নিজাম উদ্দিন, রুবি, আমেনা, শরিফাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ কেন্দ্র করে এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) ও কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল বাশার টুকু দাবি করেন, পুলিশের সঙ্গে এমপি গাজী সমর্থিতদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষকালে সুমন নামে এক ব্যক্তি মাথায় আঘাত পান। হাসপাতালে নেওয়া হলেও প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে মারা যান। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, ৪৬৯টি শটগানের গুলি ও ৪০টি টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পুলিশের ওপর আক্রমণ হলে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
08/02/2018
নারায়ণগঞ্জে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১!
30/03/2017
বি এন পি আসলে ক্ষমতা ডিজার্ভ করে না, এরা কখনোই রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের সাথে জিতা দুরে থাক, রাজনীতির দাবার চালই বুঝে না। কুমিল্লায় জিতে নাই, সবখানেই হেরেছে বি এন পি। গতকাল তুলে নেয়া ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুর লাশ পাওয়া গেছে আজ, আর এখন কুমিল্লায় জিতার উৎসব হচ্ছে!!!
বরং যারা যারা জিতেছে তারা অগ্রিম ক্রসফায়ার, গুম-খুনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিত, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মূলা দেখে আর কত বোকা হবে এরা...!!
,
কেউ কখনো জেনে বুঝে ক্ষমতা ছেড়ে দেয় না, যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়, আর যখন ক্ষমতা ছাড়া মানেই সকল অন্যায়ের পতিক্রিয়া তখন ক্ষমতা ছাড়ার প্রশ্নই আসে না।
30/12/2016
সাংবাদিক বদরুল ইসলামের পিতা আর নেই
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ দৈনিক মৌমাছি কণ্ঠে প্রতিনিধি, জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি ও জাতীয় পার্টি জুড়ী উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক বদরুল ইসলাম ও জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম এপেক্স নুরুল ইসলামের পিতা সাবেক ভুকশিমইল নিবাসী ও বর্তমান জাঙ্গিরাই ইসলাম মঞ্জিল সত্ত্বাধিকারী হাজী মোবারক আলী মনছুর মাষ্টার (৯৩) শুক্রবার (৩০/১২) বিকেল ৩:৩০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া..................... রাজিউন।
মরহুমের জানাযার নামাজ শনিবার (৩১/১২) বিকেল ২:০০ টায় জুড়ী বড় মসজিদ (মনু মিয়া মসজিদ) সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
29/11/2016
নামাজের সালাম ফেরাতেই একজন ঘোষনা করল, ইনশাআল্লাহ ...বাকি নামাজবাদ ঈমান ও....বহুত ফায়দা হবে......। নামাজ শেষে সবার সাথে আমিও বের হচ্ছি। ঘোষকদের একজন আমাকে থামিয়ে বলল, ভাই আসেন একটু বসি...অনেক ফায়দা...... আমি বললাম, আপনারা কি রোহিঙ্গাদের মানবিক উদ্ধারের কোন পরিকল্পনা নিয়ে বসবেন? নাকি হবিগঞ্জে মসজিদ পুড়ানোর প্রতিবাদ করবেন? মুসলিম বিশ্বকে কাফির মুশরিকদের হাত থেকে বাঁচানোর কোন পরিকল্পনা করবেন? মুসলিম নেতৃত্ব ও ইসলামী সংস্কৃতির বিস্তারের কোন পরিকল্পনা করবেন? তিনি উত্তর দিলেন, আমরা কোন রাজনৈতিক আলাপ করিনা। -তাহলে আমাকে এমন একটা দোয়া বা আমল শিখিয়ে দেন যাতে উপরোক্ত সমস্যাগুলো সমাধান হয়। ভাই, আপনি যান, আমরা আমল করি, করতেই থাকি.......!!!!!
26/11/2016
পরের জন্য করলে কিছু, নিজের জন্য করা হয়। আল্লাহ তা'আলার তরফ থেকে, যায় পাওয়া তার বিনিময়।
→ কবি: মতিউর রহমান মল্লিক
21/11/2016
আজকে আপনি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না; কালকে হয়ত আপনিও শরণার্থীর তালিকায় চলে আসতে পারেন!! → Dr.Tuhin Malik