Dawah Circle Sreepur

Website

Dawah Circle Sreepur | Conveying the message of Islam, beyond borders |

সম্প্রতি নরওয়ের ফুটবল দল তাদের পূর্বপুরুষ ভাইকিং যোদ্ধাদের বীরত্ব, শৌর্যবীর্য আর রূপকথাকে মাঠের লড়াইয়ে নতুন করে বিশ্বমঞ...
14/07/2026

সম্প্রতি নরওয়ের ফুটবল দল তাদের পূর্বপুরুষ ভাইকিং যোদ্ধাদের বীরত্ব, শৌর্যবীর্য আর রূপকথাকে মাঠের লড়াইয়ে নতুন করে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ার সেই সমুদ্রচারী যোদ্ধারা—যাদের নামে একসময় কাঁপত পুরো ইউরোপ, যাদের কুঠার আর লং-শিপগুলো ছিল মূর্তিমান আতঙ্ক।

কিন্তু ইতিহাস সব সময় একরকম থাকে না। পপ-কালচার আর সিনেমার পর্দায় ভাইকিংদের যতই অপরাজেয় হিসেবে দেখানো হোক না কেন, ইতিহাসের পাতায় এমন এক নির্মম পরাজয়ের গল্পও আছে, যেখানে আন্দালুসের মুসলিম অশ্বারোহীদের সামনে তাদের সব অহংকার আর রূপকথা ধুলোয় মিশে গিয়েছিল।

সেই মহাকাব্যিক লড়াইয়ের নাম—গুয়াদেলকুইভিরের যুদ্ধ বা দ্য ব্যাটল অব গুয়াদেলকুইভির।

সময়টা ৮৪৪ খ্রিস্টাব্দ। কর্ডোবার উমাইয়া খিলাফতের তখন স্বর্ণযুগ, আমির দ্বিতীয় আবদুর রহমানের শাসনকাল। আচমকাই স্পেনের উপকূলে এসে ভিড় করে প্রায় ৮০টি ভাইকিং জাহাজের এক বিশাল বহর। লিসবন এবং কাদিজ লুণ্ঠন করার পর, তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় মুসলিম স্পেনের অন্যতম সমৃদ্ধ শহর সেভিল।

সেভিলে প্রবেশ করে ভাইকিংরা তাদের স্বভাবসুলভ নৃশংসতা শুরু করে। নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা, মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া এবং সম্পদ লুটপাটে মেতে ওঠে তারা। সেভিলের গভর্নর আমির আবদুর রহমানের কাছে জরুরি সাহায্যের বার্তা পাঠান। আমির বুঝতে পেরেছিলেন, এই বর্বর আক্রমণকারীদের থামাতে হলে সাধারণ প্রতিরোধ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন এক বিধ্বংসী ও সুপরিকল্পিত পাল্টা আঘাত।

আমির আবদুর রহমান তাঁর সেরা সেনাপতি ঈসা ইবনে শুহাইদ-এর নেতৃত্বে এক বিশাল বাহিনী প্রেরণ করেন। এই বাহিনীর মূল চালিকাশক্তি ছিল আন্দালুসের দুর্ধর্ষ ও ক্ষীপ্রগতির হালকা অশ্বারোহী দল বা ক্যাভালরি। তারা শুধু তরবারি চালনাতেই পারদর্শী ছিল না, বরং তাদের গতি আর রণকৌশল ছিল ভাইকিংদের ভারী বর্ম ও কুঠার-নির্ভর পদাতিক বাহিনীর সম্পূর্ণ বিপরীত।

মুসলিম বাহিনী রণক্ষেত্রে পৌঁছানোর পর ভাইকিংদের ফাঁদে ফেলার জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে।
সেভিলের কাছে গুয়াদেলকুইভির নদীর অববাহিকায় দুই বাহিনী মুখোমুখি হয়। ভাইকিংরা অভ্যস্ত ছিল তাদের বিখ্যাত শিল্ড ওয়াল বা ঢালের প্রাচীর তৈরি করে লড়াই করতে। কিন্তু আন্দালুসের মুসলিম অশ্বারোহীরা তাদের সেই সুযোগই দেয়নি।

আন্দালুসের বাহিনী হিট অ্যান্ড রান কৌশল অবলম্বন করে। অশ্বারোহীরা তীব্র গতিতে ভাইকিংদের ওপর চড়াও হতো, তীর বৃষ্টি বর্ষণ করত এবং ভাইকিংরা পাল্টা আক্রমণ করার আগেই আবার পিছিয়ে যেত। এই ক্রমাগত আক্রমণে ভাইকিংদের শৃঙ্খল ভেঙে পড়ে।

অন্যদিকে কর্ডোবার নৌবাহিনী এবং পদাতিক দল ভাইকিংদের লং-শিপগুলোর ওপর ‘নাফথ’ বা এক ধরণের প্রাচীন অগ্নিবোমা নিক্ষেপ করতে। ফলে নদী তীরেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে ভাইকিংদের অহংকারের জাহাজগুলো।

মুসলিম বাহিনী চূড়ান্ত আঘাত হানে , ভাইকিংরা যখন জাহাজ পুড়তে দেখে দিকবিদিকজ্ঞান হারিয়ে পেছনে হটতে শুরু করে। ঠিক তখনই ঈসা ইবনে শুহাইদের মূল অশ্বারোহী দল চারপাশ থেকে তাদের ঘিরে ফেলে।

আন্দালুসের মুসলিম অশ্বারোহীদের ক্ষীপ্রতা আর তরবারির ঝিলিকের সামনে ভাইকিংদের ভারী কুঠারগুলো বাতাস কাটারও সময় পায়নি। সমুদ্রের যে দানবেরা পুরো ইউরোপকে কাঁপাত, গুয়াদেলকুইভিরের তীরে তারা স্রেফ কচুকাটা হয়েছিল।

এই যুদ্ধটি ভাইকিংদের জন্য কতটা বিপর্যয়কর ছিল, তা ইতিহাসের কিছু পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায়।
ভাইকিংদের প্রায় ৩০টিরও বেশি লং-শিপ সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয় এবং হাজার হাজার ভাইকিং যোদ্ধা নিহত হয়। ওদের কুখ্যাত কমান্ডার কিং এই যুদ্ধেই মুসলিম অশ্বারোহীদের হাতে নিহত হন।

যুদ্ধে বেঁচে থাকা ভাইকিংদের অনেককেই সেভিলের খেজুর গাছে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়, যা বাকি ভাইকিংদের জন্য এক চরম সতর্কবার্তা ছিল।

চিত্রনায়ক রুবেল কয়েক দশক ধরে বাংলা সিনেমায় মার্শাল আর্টের কেরামতি দেখাইতেছে। কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে মার্শাল আর্ট শ...
11/07/2026

চিত্রনায়ক রুবেল কয়েক দশক ধরে বাংলা সিনেমায় মার্শাল আর্টের কেরামতি দেখাইতেছে। কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে মার্শাল আর্ট শেখাচ্ছে শিক্ষার্থীদেরকে, তাঁর কাছে ট্রেনিং নেওয়া কয়েক হাজার শিক্ষার্থী আছে। কিন্তু রুবেলকে কখনো joঙ্গি সন্দেহে আটক করেনি পুলিশ।

কিন্তু খুলনায় সাবিত নামের এক ছেলে কয়েক মাস আগে FATAH COMBAT SYSTEM নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে। সেখানে তরুণদের মার্শাল আর্ট শেখানো শুরু করে। এই ছেলের কাছে মার্শাল আর্ট শিখতে যাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করার পর, সাবিত তাদের ছাড়াতে গেলে তাকেও joঙ্গি সন্দেহে আটক করা হয়।

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মাসে
কেন এই বৈষম্য?


Tarique Rahman

খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য দল গঠনের প্রয়োজনীয়তানববি পদ্ধতি অনুযায়ী খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি দল ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করা অপ...
10/07/2026

খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা

নববি পদ্ধতি অনুযায়ী খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি দল ও আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য। আন্দোলন সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা এখানে সম্ভব নয়, তাই সংক্ষেপে কিছু বিষয় উপস্থাপন করা হচ্ছে। ইসলামি খেলাফত উম্মাহর দ্বীনি ও দুনিয়াবি সমষ্টিগত বিষয়াদি আঞ্জাম দেওয়ার একমাত্র ব্যবস্থা। তাই এর প্রতিষ্ঠা উম্মাহর ওপর সম্মিলিতভাবেই ফরজ করা হয়েছে। অর্থাৎ উম্মাহর একটি জামাআত খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা ফরজ। আল্লাহ তাআলা কল্যাণ এবং আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব আদায়ের জন্য উম্মাহর মধ্য হতে একটি জামাআত বিদ্যমান থাকাকে ফরজ করেছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমাদের মধ্যে যেন এমন একটি জামাত থাকে, যারা (মানুষকে) কল্যাণের দিকে আহ্বান করতে থাকবে এবং সৎকাজের আদেশ করবে ও মন্দ কাজে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।

ইমাম ইবনুল জাওজি রহ. অন্য এক জায়গায় 'উম্মতের' ব্যাখ্যায় বলেন, 'এখানে উম্মত দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, একই শ্রেণির মানুষ; যাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন।

ইমাম কুরতুবি রহ. বলেন, 'উম্মাতুন' শব্দটি 'আমামতু কাজা' থেকে উদ্‌ভূত, যার অর্থ 'আমি অমুক বিষয়টির ইচ্ছা করলাম'। আর, 'উম্মাতুন' অর্থ যাদের আল্লামা ইবনুল জাওজি রহ. লেখেন, 'জুযায বলেন, তোমরা সকলেই এক উম্মত হয়ে যাও। কল্যাণের দিকে আহ্বান করো, সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করো; তবে আয়াতে 'মিন' (১০) শব্দটি সম্বোধিত সকল শ্রেণিকে উদ্দীপিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি এই কথার তাগিদ করে যে, আদেশ সম্বোধিত ব্যক্তিদের জন্য। ১০০।

শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি রহ. বলেন, 'এই জামাত থাকার অর্থ হলো, সুন্নাতুল্লাহ এভাবেই প্রচলিত যে, তাদের মধ্যে এমন একটি জামাআত তৈরি হয়ে যাবে, যারা দ্বীনের জ্ঞান পুনরুজ্জীবিত (অর্থাৎ, এর শিক্ষা এবং প্রচার) করতে কোমর বেঁধে নামবে এবং জিহাদ ও দণ্ডবিধান করবে। লোকজনকে ভালো কাজের আদেশ করবে, খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করবে, অন্যান্য লোক (অর্থাৎ, জনসাধারণ) তাদের আদেশ মেনে চলবে। (এই ধরনের জামাআত প্রতিষ্ঠা) দ্বীনের ফরজে কিফায়ার অন্তর্ভুক্ত এবং আল্লাহর রীতি হলো, এই হতভাগ্য উম্মতের এই ব্যবস্থা (অর্থাৎ, উল্লিখিত ব্যবস্থা) প্রতিষ্ঠিত হবে না, যতক্ষণ না কোনো ব্যক্তি, যিনি সর্বজন স্বীকৃত-এমন একটি দল প্রতিষ্ঠার কাজ নিজের হাতে উঠিয়ে নেবেন।

অর্থাৎ, আল্লাহর সুন্নত হলো, সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি সংগঠিত এবং সুসংগঠিত জামাআত প্রতিষ্ঠা আবশ্যক, যা একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ফরজ দায়িত্ব আদায় করবে।

বই: ইসলামি খেলাফত
লেখক: মাওলানা জাহিদ ইকবাল
অনুবাদক: ফাদলুল্লাহ জাবের

গাজা**বাসী আজকে আগ্রহ আর আনন্দ নিয়া মিশরের খেলা দেখছে! কিন্তু রাতে বিশ্বের উন্মাদনার আড়ালে ই**রায়েল আর সাম্রাজ্যবাদী অ্য...
08/07/2026

গাজা**বাসী আজকে আগ্রহ আর আনন্দ নিয়া মিশরের খেলা দেখছে! কিন্তু রাতে বিশ্বের উন্মাদনার আড়ালে ই**রায়েল আর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামে**রিকা সবচেয়ে বড় জিওপলিটিক্যাল গেইমটা খেলে ফেলছে!

*মিশরের সাথে খেলা চলাকালীন সময়ে অ্যামে**রিকা ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাইছে।

*আবার ই**রায়েল মিশরের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরে হত্যা করছে।

*দিনে IDF লেবাননে বোম্বিং করছে।

এমন একটা মুহুর্তে মিশরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিটারে হত্যা করছে যখন পুরো মিশর খেলা নিয়া ব্যস্ত। তারা জানে ,এমুহূর্তে হত্যা করলে মিশরের সাথে তাদের পাতানো বন্ধুত্ব নষ্ট হবে না কারণ সবাই ফুটবলের উম্মাদনায় ব্যস্ত।

ইরানে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামে**রিকা এমন একটা সময় হামলা চালাইছে। যখন ইরানিরা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শোক পালন করছে ,খামেনিরে কোটি কোটি মানুষ বিদায় দিচ্ছে। বিশ্বের মেক্মিমাম দেশের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা জানাইতে ইরানে অবস্থান করছে। মানে ইরানের উপর নতুন ডিজিস্টার ,মরার উপরে খাড়ার ঘা। ঠিক তখনি ভয়ংকর হামলা চালাইছে যখন পুরো বিশ্ব ফুটবল নিয়া মহা ব্যস্ত!

বিশ্ব এখন অ্যা***মেরিকার কাপু**রুষোচিত আক্রমণকে নিন্দা জানাবে না। জানানোর সময় নাই। আপনারও নাই ,আমারও নাই! কে জিতছে ,কে হারছে ,কে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করছে ,কে কাপ নিবে এই আলাপ নিয়া সবাই মহাব্যস্ত। সোজা কথা ,সবার চোখ এখন অ্যামে**রিকার স্টেডিয়ামে। চাকচিক্য লাইটিং আর ড্রামের শব্দে বিভোর!

বিশ্বাস করেন, বিশ্বকাপ ফুটবল আর Greatest Show on Earth এ নাই! এটা হয়ে গেছে টোটালি জিওপলিটিক্যাল গেইম!

ফিফা একটা স্ক্যা*ম। এটা পশ্চি**মাদের ভণ্ডামি। পুরো বিশ্ব যখন Greatest Show on Earth এর উন্মাদনায় ব্যস্ত ঠিক তখনি রচিত হচ্ছে আধুনিক জিওপলিটিক্যাল ভণ্ডামি!

ফিফার বিনোদনের উন্মাদনার সুযোগে পরাশক্তির দেশগুলো হাজারও অপকর্ম লুকিয়ে ফেলছে। বিশ্বের মানুষকে জাস্ট বিনোদনের নামে আইওয়াশ দিচ্ছে। বড় বড় নেতাদের অপকর্মে ঢেকে ফেলছে।

এপিস্টিন ফাইল বলেন আর ইরানের সাথে অ্যা**মেরিকা ইস**রায়েলের কৌশলগত পরাজয় বলেন ,এমনকি তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ই**রায়েলরে দিয়া গা**জা ধ্বংস করছে, লেবানন ধ্বংস করছে।

ঐদিকে ইরানে অযৌক্তিকভাবে আক্রমণ করছে। শিশু মারছে, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নষ্ট করছে।

লেবাননে বো*ম্বিং করছে, ইয়েমেনে হামলা করছে।

ভেনিজুয়েলার প্রধামন্ত্রীরে অন্যায়ভাবে উঠিয়ে নিয়া গেছে।

এখানে সেখানে গৃহযুদ্ধ লাগাইয়া অস্ত্র দিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন অস্ত্র বানিজ্য করছে।

এই সব কিছু খেলার মতো মেগা ইভেন্টকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সব অপকর্মে ঢেকে ফেলছে। পুরো বিশ্বের মনযোগ অন্যদিকে ডাইভেট করছে।

এখন ফিফা স্বাধীন সংস্থার কাতারে নাই। ফিফা চলে অ্যামে**রিকা আর ইউরো**পীয়ানদের ইশারায়। এখানে শক্তি যার রেফারিও তার। মাঠের নিয়মও তার।

গোটা বিশ্বের চোখ শুধু ফুটবলে কিন্তু আড়ালে মুছে যাচ্ছে সাম্রাজ্যবাদীদের মানবাধিকার বিরোধী অপকর্মগুলো!

আর যাই হোক! আগে ভাবতাম ফিফা গ্রেইটেস্ট শো অন দ্যা আর্থ ,এখন আর মনে করছি না!

স্যরি ,ধন্যবাদ!!!

06/07/2026

যে জীবন বাঁচাতে জানে তাকে দেখে ইসলাম শিখো না, যে জীবন বিসর্জন দিতে জানে তাকে দেখে ইসলাম শিখো।

- শেখ মাসউদ আজহার হাফিজাহুল্লাহ।

আলামত বেশি একটা সুবিধার মনে হচ্ছে না। সম্ভবত যাদেরকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে! শ্রী রামচন্দ্রের মূর্তি ও মন্দিরকে ঘিরে দেশজ...
18/06/2026

আলামত বেশি একটা সুবিধার মনে হচ্ছে না।
সম্ভবত যাদেরকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে! শ্রী রামচন্দ্রের মূর্তি ও মন্দিরকে ঘিরে দেশজুড়ে পরিস্থিতি আরো গরম করে তোলা এখন হয়তো তাদের জন্য সময়ের ব্যাপার।

জেলায় জেলায় মহড়া শুরু হয়ে গেছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী তাহলে কি শুধুই উপলক্ষ ছিল?

দেশের ভেতরে নিরীহ/শান্তিপ্রিয় সনাতনীদের পাশাপাশি জ|ঙ্গি হি|ন্দু|ত্ব|বা|দী এক শ্রেণীর উ|গ্র|পন্থী সনাতনীকে একটিভ করে তোলা হচ্ছে?

রিজিওনাল রাজনীতিতে উ|গ্র হি|ন্দু|ত্ব|বা|দের উত্থান একটি নতুন ভয়াবহ ইসু। সরকারি/ বিরোধী/ সক্রিয় /অসক্রিয় ইতিবাচক সব দল মতের মানুষের চোখ, কান, পদক্ষেপ খোলা রাখা উচিত।

উস্কানির ফাঁদে পা দেওয়া একদম ঠিক হবে না, কিন্তু অসতর্ক, অসচেতন এবং বেখবর থাকাটাও আত্মঘাতী হবে। এ-জাতীয় পরিস্থিতিতে দেশের জেনারেল শিক্ষিত রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, একটিভিষ্ট, লেখক এবং পেশাজীবী শ্রেণীর অগ্রসরতাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উস্কানির মুখে এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাইয়েরা পথে-প্রতিবাদে বেশি পরিমাণে অগ্রসর হলে সেটাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে দেশে-বিদেশে উপস্থাপন করার জন্য চতুর একশ্রেণীর গণমাধ্যম রেডি হয়ে আছে। সতর্কতা, বুদ্ধিমত্তা, কৌশল ও প্রতিরোধ সক্রিয় থাকা উচিত।

ই|ন্ডি|য়া কর্তৃক স্বাধীন হায়দরাবাদ দখলের আগে পটভূমি কিভাবে তৈরি করা হয়েছিল, সেখানকার সনাতনীদের সাজানো 'হাহাকার' সামনে আনা হয়েছিল, খোঁজখবর নিয়েন।

14/06/2026

জামাআতে ইসলামী মানহাযের লোকদের একটা সমস্যা হলো, তারা সবকিছু রাজনীতির দৃষ্টিতে দেখে। রাজনীতিকেই ইসলামের মূল বিষয় বলে তারা মনে করে। রাজনীতির স্বার্থে সব কিছুকে বৈধ মনে করে। (রাজনীতি বলতে সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক রাজনীতি)
তাই আপনি দেখবেন, ইসলামপন্থীদের মধ্যে যারা সেক্যুলার ডেমোক্রেট রাজনীতি করে না, তাদের ব্যাপারে এ লোকরা খুবই হস্টাইল। এটা কওমি-সালাফি আলিমদের থেকে নিয়ে তাজদিদি ইসলামিস্ট—সবাইকেই তারা মূর্খ কিংবা খারেজি বা নানাকিছু মনে করে।
এই একই কারণে, তারা হারামকে হালাল বানায়, সব হারামের পক্ষে যুক্তি বের করে ফেলে, নিজের দলের ইমেইজ বাঁচাতে সাহাবাদেরকে তোহমত দেয়, ঢাবি সংসদ নির্বাচনে গ্লোরিফাইড ক্লাস ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য দ্বীনের মৌলিক বিষয়াশয় ছেড়ে দেয়, বদলে ফেলে।
যদিও মাওলানা মওদূদী রাহিমাহুল্লাহর দ্বীনের জন্য অনেক ভূমিকা আছে, কিন্তু এ চিন্তার ভিত্তি তিনিই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সালাত, সিয়াম থেকে নিয়ে কুরআনি অনেক পরিভাষাকেও তিনি প্রচলিত রাজনীতির সাথে গুলিয়ে ফেলেছিলেন।
তাই জামাআতের এ ধরণের কথার সমস্যা ব্যক্তির সমস্যা না। সমস্যা তাদের মানহায, উসূল ও তাদের প্রতিষ্ঠাতা তাত্ত্বিকের দৃষ্টিভঙ্গিতে। জামায়াত-শিবির দল হিসেবে এগুলো সমাধান করবে বলে মনে হয় না। কারণ তা করলে তাদের রাজনীতিই টিকে থাকে না।
কিন্তু জামাআত-শিবিরের মধ্যে যারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহর প্রকৃত অনুসরণ করতে চান, যথাযথভাবে দ্বীন বুঝতে চান, তাদের দ্বীনের মৌলিক উসুলে ফিরে আসা উচিত। ইসলামের এই রিচ সিলসিলা থেকে নিজের চিন্তা ও মতাদর্শ পরিশুদ্ধ করা উচিত।

11/06/2026

One man army 🔥

[১]সামনে আরও একটা বিশ্ব উন্মাদনা আসতেছে, আর সেই সাথে শুরু হচ্ছে এই গ্রহের সবচেয়ে বড় ‘কলেক্টিভ ব্রেনওয়াশ’ প্রজেক্ট। ব্রেন...
19/05/2026

[১]
সামনে আরও একটা বিশ্ব উন্মাদনা আসতেছে, আর সেই সাথে শুরু হচ্ছে এই গ্রহের সবচেয়ে বড় ‘কলেক্টিভ ব্রেনওয়াশ’ প্রজেক্ট। ব্রেনলেস জম্বিদের মতো একদল উন্মাদনা নিয়ে মাঠে নামবে, যারা একটা ভিনদেশী ফুটবল টিমের জন্য নিজের খাওয়া-দাওয়া, রাতের ঘুম, স্বাভাবিক কাজ-কর্ম আর মিনিমাম কমনসেন্স বিসর্জন দিয়ে দেবে।

[২]
স্রেফ একটা চামড়ার বলের পিছে ২২টা কোটিপতির দৌড়ানি দেখার জন্য এরা নিজের ভাই, নিজের বন্ধু আর প্রতিবেশীর সাথে পাগলা কুকুরের মতো কামড়াকামড়িতে লিপ্ত হবে। কেউ বাপের জমি বেঁচে ভিনদেশের কিলোমিটার লম্বা পতাকা টাঙাবে, আবার কেউ ওই সস্তা প্লাস্টিকের কাপড় বাঁশের মাথায় বাঁধতে গিয়ে ছাদ কিনবা গাছ থেকে পড়ে লাশ হয়ে ফিরবে।

[৩]
আবারো শুরু হবে রোমানদের থেকে শেখা ‘ব্রেড অ্যান্ড সার্কাস’ টেকনিক। এই উন্মাদনায় আপনাদের চোখ এমনভাবে বেঁধে দেওয়া হবে, যাতে দুনিয়ার আসল ক্রাইমগুলো চোখের আড়াল হয়ে যায়। আপনারা যখন টিভির সামনে বসে পপকর্ন চিবাবেন আর প্রিয় দলের জয়ে হুল্লোড় করবেন, তখন ব্যাকস্টেজে গা [জা] য় চলতে থাকা জেনোসাইডের রক্তের দাগ ধুয়ে ফেলা হবে। আপনারা ভুলে যাবেন ইরানের স্কুলগুলোতে নিষ্পাপ শিশুদের ওপর চালানো সেই রাষ্ট্রীয় বর্বরতা।
উন্মাদনার এই সস্তা আফিম খেয়ে আপনারা ভুলে যাবেন ভা রতের একটা একটা করে ঐতিহাসিক মসজিদ ভেঙে কীভাবে সেখানে রামরাজ্যের মন্দির বানানো হচ্ছে। উইঘুর মুসলিমদের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, কা শ্মী রের খাঁচায় বন্দি জীবন, আর ইরাক-ফি লি°স্তি°নে র লাশের মিছিল সবকিছু এই এক মাসের ফুটবল শো-ডাউন দিয়ে স্ক্রিনআউট করে দেওয়া হবে।

[৪]
নিজেদের খুব স্পোর্টিং আর মডার্ন ভাবেন তো? আসলে আপনারা হলেন গ্লোবাল পলিটিক্সের সেই বোকার হদ্দ খদ্দের, যাদেরকে সস্তা এন্টারটেইনমেন্টের ট্যাবলেট খাইয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় ট্র্যাজেডিগুলো ভুলিয়ে দেওয়া হয়। লাখ লাখ মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে যখন ওই ট্রফি উঁচিয়ে ধরা হবে, তখন আপনারা উল্লাস করবেন! এর চেয়ে বড় হিপোক্রিসি আর ব্রেন-ডেড জেনারেশনের উদাহরণ এই মহাবিশ্বে আর দ্বিতীয়টা নাই।

- সুমন আহমাদ

গাজার Deir al-Balah এরিয়ায় ৩০০ বর-কনের গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মা'শাআল্লাহ!
06/05/2026

গাজার Deir al-Balah এরিয়ায় ৩০০ বর-কনের গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মা'শাআল্লাহ!

Address

Sreepur, Gazipur
Dhaka
1744

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawah Circle Sreepur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category