26/03/2026
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক বাস ডুবি
জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের শোক
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক বাস ট্র্যাজেডিতে নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় জাকের পার্টি চেয়ারম্যান অনাকাঙ্ক্ষিত এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
মোস্তফা আমীর ফয়সল অসচেতন, দায়িত্বজ্ঞানহীন, বিবেক ও বিবেচনাহীন এ ধরনের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার ফলে প্রতিনিয়ত অমূল্য প্রাণ ঝরে যাওয়া এবং পরিবারগুলোর অন্তহীন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ অনিয়ম ও অন্যায়ের দ্রুত সংশোধন ও সমাধান করতে হবে।
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানান।
26/03/2026
মহান স্বাধীনতা দিবস
জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের বাণী
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল দেশবাসীকে মহান স্বাধীনতার তাৎপর্য্যে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, বাঙালী জাতি অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত করেনি। ’৭১ এর ২৬ মার্চ বীর বাঙালী যেভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মহান স্বাধীনতার চেতনা বুকে ধারণ করে জাতি বিরাজমান সকল সমস্যা কাটিয়ে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির পানে এগিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে তিনি সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান।
-জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট, সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা
26/03/2026
মহান স্বাধীনতা দিবস
জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের বাণী
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল দেশবাসীকে মহান স্বাধীনতার তাৎপর্য্যে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, বাঙালী জাতি অন্যায়ের কাছে কখনোই মাথা নত করেনি। ’৭১ এর ২৬ মার্চ বীর বাঙালী যেভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মহান স্বাধীনতার চেতনা বুকে ধারণ করে জাতি বিরাজমান সকল সমস্যা কাটিয়ে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির পানে এগিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে তিনি সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান।
25/03/2026
আজ ২৫ শে মার্চ।
বিভীষিকাময় কাল রাত।
১৯৭১ এর এই কাল রাতে নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপড় নৃশংসভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিলো সশস্ত্র পাক বাহিনী।
জনরায় কে দুমড়ে মুচড়ে মানবসভ্যতার বিবেককে লজ্জিত করে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা শুরু করেছিল পরিকল্পিত গণহত্যা "Operation Searchlight"
উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট: বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে রক্তের সাগরে নিমজ্জিত করে একটি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া।
১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ঢাকার আকাশে ভেসে ওঠে গোলাগুলির বিকট শব্দ, ট্যাংকের গর্জন আর আগুনের লেলিহান শিখা। নিরস্ত্র মানুষের শহর মুহূর্তেই পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে।
প্রথম আঘাত হানা হয় জ্ঞান ও চেতনার কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রাবাসগুলো ঘিরে নির্বিচারে চালানো হয় মেশিনগানের গুলি। ঘুমন্ত ছাত্রদের টেনে বের করে নির্বিচারে হত্যা করা হয়। শিক্ষকদের বাসায় ঢুকে নির্মমভাবে গুলি করা হয়। জ্ঞানচর্চার পবিত্র অঙ্গন রক্তে রঞ্জিত হয়ে ওঠে।
পুরান ঢাকা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা, শ্রমজীবী মানুষের বসতি- কেউ রেহাই পায় নি। ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, পালাতে চাওয়া মানুষকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হয়। শিশু, নারী, বৃদ্ধ কারও পরিচয় বা অপরাধ খোঁজা হয়নি; শুধু বাঙালি হওয়াই ছিল এই নৃশংসতার কারণ।
অসংখ্য মা সন্তানের সামনে নিহত হয়েছেন, অসংখ্য সন্তান হারিয়েছে পুরো পরিবারকে এক রাতেই। শহরের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে আগুণের লেলিহান শিখা, বারুদের গন্ধ ও মানুষের আর্তচিৎকারে।
এটি কিন্তু কোনো আকস্মিক অভিযান ছিল না; ছিল সুপরিকল্পিত জাতিনিধন। গনহত্যা।
বাঙালির রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বুদ্ধিজীবী, ছাত্রসমাজ এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম প্রতিটি শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যেই এই বর্বরতা চালানো হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা হয়। সংবাদ প্রচার বন্ধ করা হয় যাতে বিশ্বের চোখ থেকে লুকিয়ে রাখা যায় এই নৃশংসতা।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার স্বপ্নকে কখনো হত্যা করা যায় না। সেই কালরাত্রির অগ্নিপরীক্ষাই বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলে। ভয় নয়, বরং প্রতিরোধের স্ফুলিঙ্গ, আত্মরিক্ষা সর্বোপরি স্বাধীনতার অঙ্গীকার জন্ম নেয় মানুষের হৃদয়ে।
২৫ মার্চের গণহত্যা বাঙালিকে ভেঙে দেয়নি; বরং স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত সংগ্রামের পথে ঠেলে দিয়েছিল।
২৫ মার্চ শুধু শোকের দিন নয়- এটি স্মৃতির দায়, ইতিহাসের সাক্ষ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্ক করার দিন।
যেন পৃথিবীর কোথাও আর কোনো জাতিকে এমন নির্মম গণহত্যার শিকার হতে না হয়। এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্বাধীনতা কোনো দান নয়; এটি লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত এক অমর সত্য।
20/03/2026
Eid Mubarak 💖
ঈদ হলো হৃদয় জোড়া লাগানোর ও মুখে হাসি ফোটানোর সময়। ঈদ আমাদের'কে সকল প্রকার রাগ, ক্রোধ,ক্ষোভ এবং প্রতিহিংসা মুছে, আগামীর একটি সুন্দর দিন, সুশীল সমাজ গঠনের দিকে ধাবিত করে। সবাই ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে, নতুন একটি বাংলাদেশ গাড়ার আহ্বান জানাই, সবাই'কে ঈদ-মোবারক।
--মোঃ ওমর ফারুক
সভাপতি, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট,
সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা।
20/03/2026
ঈদ মোবারক
পবিত্র ঈদুল ফিতরে জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক বাণীতে জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, এক মাসের সিয়াম–সাধনা শেষে অবারিত আনন্দ, খুশি ও মহাসাম্যের সওগাত নিয়ে সমাগত পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ ধনী–গরীব নির্বিশেষে সকল ভেদাভেদ ভুলে সকলকে এক কাতারে শামিল হওয়ার সুযোগ এনে দেয়।
মোস্তফা আমীর ফয়সল আশা প্রকাশ করেন, এক মাসের সিয়াম–সাধনালব্ধ শিক্ষা নিজ নিজ জীবনে প্রতিফলিত করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে শান্তি ও কল্যাণমুখী জীবন সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় উজ্জীবিত হবেন সকলে।
07/03/2026
১৭ই রমযান: গাজওয়াতুল বদর, মুসলমানদের বিজয় দিবস
বদর দিবস ইসলামের ইতিহাসে একটি মহামূল্যবান দিন। দ্বিতীয় হিজরির (৬১৭ খ্রিষ্টাব্দে) ১৭ রমযান, মদিনা নগরী থেকে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে মুসলিমরা কুরাইশ বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বড় যুদ্ধের মুখোমুখি হয়। এই যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্যে মুসলিমরা বিজয়ী হন, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক কম। বদর যুদ্ধ ইসলামের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং ইসলামের বিস্তারকে শক্তিশালী করে। বদর দিবস মুসলিমদের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে তারা সাহসিকতা, বিশ্বাস এবং আল্লাহর সাহায্যের গুরুত্ব শিখে। এটি মুসলিমদের ঐক্য এবং শক্তির প্রতীক হয়ে থাকে।
---জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট
সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা।
21/02/2026
১৯৪৭ সালের পর পর ভাষা আন্দোলন আজ আমাদের'কে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছে। আমি সম্মানের সাথে ঐ সকল শহীদ কে স্মরন করছি এবং তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করি।
---ওমর ফারুক,
সভাপতি, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট,
সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা।
20/02/2026
অমর একুশে
জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের বাণী
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল মহান ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেছেন। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মদানের পথ বেয়েই আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি এবং স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি।
মোস্তফা আমীর ফয়সল বলেন, ভাষা শহীদদের গৌরবময় অবদান দেশ গড়ায় যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। সর্বস্তরের শুদ্ধ বাংলা চর্চার পাশাপাশি দেশপ্রেম, দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ, আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
18/02/2026
রমযানুল মুবারক
জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের বাণী
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল বলেছেন, শুভ প্রবৃত্তি, ন্যায়নিষ্ঠতা ও মানবিক গুণাবলীতে উদ্ভাসিত স্নিগ্ধ প্রশান্তি ও কল্যাণমুখী জীবন গঠনে পবিত্র রমযানুল মুবারাকের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম।
পবিত্র রমযানুল মুবারক উপলক্ষ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে জাকের পার্টি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন, মহান রাব্বুল আলামীনের উপর আস্থা রেখে এক মাসের সিয়াম সাধনায় অশুভ, অকল্যাণকর ও ধর্মবিমুখ পথ,মত ও কর্মকাণ্ড পরিহারে ব্রতী হবেন সকলে। ধর্মীয় অনুরাগের সুরভিতে সরল, সহজ ও স্বাচ্ছন্দে ভরপুর প্রকৃত আলোকিত জীবন গঠনে দৃঢ় হবেন।
মোস্তফা আমীর ফয়সল একই সাথে শান্তি,স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির পথে সকলের নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ, পারষ্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন ।
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান রমযানুল মুবারকের পবিত্রতা সমুন্নত রাখতে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার উপর গুরুত্বারোপ করেন।