আওয়ামীলীগ সমর্থক গোষ্ঠী - Awami League Supporter Community

আওয়ামীলীগ সমর্থক গোষ্ঠী - Awami League Supporter Community

Share

জয় বাংলার লোক!

05/06/2026

তিন কোটি খুচরা দোকানে কর বসাচ্ছে বিএনপি-জামাত গং : ইউরোপীয় মাত্রার ট্যাক্স, আফ্রিকান মানের সেবা!

দেশের প্রায় তিন কোটি খুচরা দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। আসন্ন ২০২৬-২৭ বাজেটে এই প্রস্তাব রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। শুনতে সংস্কারমূলক মনে হলেও ব্যাপারটা আসলে ততটা নিরীহ না, বিশেষত যখন এই সিদ্ধান্ত আসছে এমন একটি সরকারের হাত থেকে যাদের ক্ষমতায় আসার পথটাই ছিল বাঁকা।

ফেব্রুয়ারির ভোট মনে আছে তো? যেটাকে ভোট বলা যায় কি না সেটাই প্রশ্ন। দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণ যে ভোটে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, সেই ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি। একটা দল যার জন্ম সেনানিবাসে, যার রাজনীতির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বন্দুকের নল আর পেশিশক্তির গল্প। সেই দলের মন্ত্রীরা এখন বসে বাজেট বানাচ্ছেন, আর সেই বাজেটের টার্গেটে পড়েছেন দেশের সবচেয়ে নিচুতলার মানুষগুলো, মানে মহল্লার মুদির দোকানদার, রাস্তার পাশের চায়ের স্টল, ছোট কাপড়ের দোকান।

প্রস্তাবটা হলো এই, ডিলার বা উৎপাদনকারী যখন খুচরা দোকানে মাল দেবে, তখনই বিলের উপর শূন্য দশমিক দুই শতাংশ কর কেটে রাখবে। প্রতি এক হাজার টাকার মালে দুই টাকা। শুনতে নগণ্য লাগছে, কিন্তু একটু ভাবুন। এই যে লোকটা সকালে উঠে টং দোকান খোলেন, দিনে হয়তো পাঁচ-দশ হাজার টাকার বেচাকেনা করেন, তার লাভের মার্জিন কত? দশ থেকে পনেরো শতাংশ হলেই সে খুশি। সেখানে এই কর তার কাছে "নামমাত্র" মনে হবে না।

আর আসলেই কি সমস্যা শুধু দুই টাকায়? সমস্যা হলো এই কাঠামোটা একবার বসলে পরে এটা বাড়বে। এনবিআর নিজেই বলছে এটা ভবিষ্যতে ভ্যাট নেটওয়ার্কে ঢোকানোর পথ তৈরি করবে। অর্থাৎ এটা শেষ না, শুরু। আজ শূন্য দশমিক দুই, কাল কত হবে সেটা এই সরকারের ট্র্যাক রেকর্ড দেখলেই বোঝা যায়।

এখন একটু দাঁড়িয়ে ভাবা দরকার, এই তিন কোটি দোকান আসলে কারা? এরা কোনো কর্পোরেট হাউসের শাখা না। এরা সেই মানুষ যারা পরিবার চালানোর জন্য একটা ছোট পুঁজি নিয়ে নেমেছেন। গ্রামের মাঝিপাড়ার মুদি দোকান, শহরের গলির মাথায় সবজির দোকান, রিকশার সামনে তেলেভাজার ডালা। এদের দিয়েই টিকে আছে বাংলাদেশের মানুষ। বড় মলে যেতে পারে না এমন কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন এই ছোট দোকানগুলোর উপর নির্ভরশীল।

এই মানুষগুলোকে কর দেওয়ার চাপে ফেললে কী হবে? সরবরাহকারী কর কেটে রাখবে, সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দোকানদার পণ্যের দাম একটু বাড়াবে, সেই বাড়তি দাম গিয়ে পড়বে ক্রেতার ঘাড়ে। মানে শেষ পর্যন্ত মার খাবে সেই সাধারণ মানুষ যে সকালে বাজারে যায়।

এখন প্রশ্ন হলো, সরকার কি এই টাকা তুলে মানুষকে ভালো সেবা দেবে? রাস্তাঘাট ঠিক হবে? হাসপাতালে ওষুধ থাকবে? সরকারি স্কুলে ভালো শিক্ষক আসবে? ইতিহাস বলে না। বিএনপির শাসনামলের যে ছবি মানুষের মনে আছে, সেটা দুর্নীতি, হাওয়া ভবন, চাঁদাবাজি আর সিস্টেমের ভেতর পর্যন্ত দলীয় লোক ঢোকানোর গল্প। সেই দলের এই সরকার এখন কর আদায়ে উৎসাহী হয়ে উঠেছে, কিন্তু সেই করের টাকা কোথায় যাবে সেটা নিয়ে কোনো জবাবদিহিতার কথা নেই।

ভারতের মডেল থেকে নেওয়া হয়েছে বলে এনবিআর জানাচ্ছে। ভারতের কথা যখন বলছেন, তখন ভারতের সেবার কথাও বলুন। সেখানে জিএসটি নেটওয়ার্কে ব্যবসায়ীরা অনলাইনে রিটার্ন দেন, তাৎক্ষণিক রিফান্ড পান, ডিজিটাল সিস্টেম কাজ করে। আমাদের এনবিআর অফিসে গেলে কী পাওয়া যায় সেটা যে কোনো ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে। ইউরোপীয় মাত্রায় কর চাই, কিন্তু সেবার মান এখনো সেই একই।

জামায়াত-বিএনপির এই জোটের রাজনীতির পুরো ইতিহাস হলো উপর থেকে সুবিধা নেওয়া, নিচের দিকে চাপ দেওয়া। বড় ব্যবসায়ীরা, শিল্পপতিরা, ব্যাংক লুটেরারা কোনো না কোনোভাবে পার পেয়ে যায়। কর ফাঁকির মামলা ঝুলে থাকে বছরের পর বছর। কিন্তু তিন কোটি ছোট দোকানদারের ঘাড়ে ট্যাক্স চাপানোর সিস্টেম তৈরিতে বেশ তৎপরতা দেখা যাচ্ছে।

মোবাইলে এসএমএস আসবে, এ-চালান থাকবে, ডিজিটাল ডেটাবেস হবে। সব ভালো কথা। কিন্তু দেশের যে লক্ষাধিক ছোট ব্যবসায়ী এখনো স্মার্টফোন ঠিকমতো চালাতে পারেন না, যাদের কাছে অ্যাকাউন্টেন্ট রাখার সামর্থ্য নেই, তারা এই "ডিজিটাল" সিস্টেমের সাথে কীভাবে তাল মেলাবেন? সেই প্রশ্নের জবাব বাজেট প্রস্তাবে নেই।

রাজস্ব বাড়ানো দরকার, এটা সত্যি। কিন্তু যাদের কাছ থেকে বাড়ানো হচ্ছে এবং যেভাবে বাড়ানো হচ্ছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। একটা অনির্বাচিত সরকার, যে ক্ষমতায় এসেছে বিতর্কিত প্রক্রিয়ায়, সে যখন দেশের সবচেয়ে ছোট মানুষগুলোর উপর করের জাল বিছায়, তখন সেটা কেবল রাজস্বনীতির বিষয় থাকে না।

05/06/2026

মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত, একটানা শুধু মৃত্যুর খবর!

মঙ্গলবার একটাই দিন। কিন্তু সারাদেশ থেকে একে একে আসতে থাকল মৃত্যুর খবর।

খুলনায় বন্ধু সেজে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে মারা হলো রাশিদুলকে। মাত্র দুই মাস আগে তার বাড়িতে গুলি চালানো হয়েছিল, পরিবারের চারজন সেদিন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। চাঁদপুরে চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হলো ২২ বছরের ওমর ফারুককে, পুকুরের ঘাটলা বানানো নিয়ে বিরোধ থেকে। নেত্রকোনায় বিয়ের অনুষ্ঠানে গান বাজানো আর ছবি তোলা নিয়ে ঝগড়ায় প্রাণ গেল কলেজছাত্র ফয়সালের, বয়স মাত্র ১৮।

গাজীপুরে জমির বিরোধে পিটিয়ে মারা হলো রিকশাচালক আজিজুলকে। ময়মনসিংহে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মারা গেলেন বড় ভাই, কারণ একই, জমি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আর মেহেরপুরে চোর সন্দেহে দুজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলল জনতা।

হত্যার কারণগুলো দেখুন। জমি, পুকুরের ঘাট, গান বাজানো, টায়ার চুরির সন্দেহ। এত ছোট ছোট কারণে মানুষ মরছে, কারণ বিচার পাওয়ার আশা নেই বললেই চলে। যখন মানুষ জানে আইন তার পাশে নেই, তখন সে নিজেই আইন হাতে তুলে নেয়।

এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

03/06/2026

দীর্ঘ ১বছর কারা ভোগের পর ১২টি মিথ্যা মামলা মোকাবেলা করে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভি।

03/06/2026

আপনারা আছেন ১৮ কোটি মানুষের হৃদয়ে।

আপনাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

03/06/2026

নেত্রীর জন্য আপনারা প্রস্তুত তো??🇧🇩

02/06/2026

আপনি কোন দল....?


02/06/2026

আমাদের বড় সমস্যা হলো, আমরা গঠনমূলক কিছু করার চেয়ে সমালোচনা করতে খুব বেশি পারদর্শী। কিন্তু এখন সমালোচনা নয়, পরিস্থিতি বুঝে একসাথে কাজ করার সময়।

​সাবের হোসেন চৌধুরী ভাইয়ের মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে নিয়ে সমালোচনা না করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া উচিত। তিনি একা যাননি, উনার ভাইসহ গিয়েছেন এবং জানাজা শেষ করেই বের হয়েছেন। সেখানে দলের নেতাকর্মীরা উনাকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে স্লোগান দিয়েছেন, ভালোবেসে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়েছেন। এই কঠিন সময়েও যারা পাশে আছেন, তাদের মন না ভেঙে বরং সবাইকে আগলে রাখা প্রয়োজন।

​সময় সবসময় এক থাকে না, সময় অবশ্যই ঘুরবে। এখন নিজেদের মাঝে বিভেদ তৈরি না করে, সবাইকে নিয়ে কীভাবে দলকে আরও শক্তিশালী করা যায় সেই চিন্তা করতে হবে।

এখনো অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি ভাই!

​ #ঐক্য #ইতিবাচক_রাজনীতি #একসাথে_সামনে_চলা

01/06/2026

হয়তো রাষ্ট্রীয় শোক হবে না,
হয়তো কালো পতাকা উত্তোলিত হবে না,
তবে মনে রাখবেন শ্রাবণের ধারায়
আপনার শোক রচিত হবে কোকিলের কন্ঠে
ভালো থাকবেন তোফায়েল আহমেদ
কারণ আপনারাই বাংলাদেশের ইতিহাস।

01/06/2026

এখন পর্যন্ত যতগুলো মিছিল হইছে এটা সবচেয়ে সেরা 💥

বীর চট্টলা সেরা👌

01/06/2026

খুলনায় আওয়ামী লীগ নেতা রফিক ভূঁইয়ার পরিবারের দুই শিশু সন্তান সহ তিনজনকে অপহরণ করেছিলো স্থানীয় বিএনপির সন্ত্রাসীরা।গত দুই দিন ধরে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি কিন্তু গত ৩০/০৫/২৬ সন্ধ্যায় তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ; ভুয়া মামলায় আসামি হয়ে রফিক ভুইয়া দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ছাড়া ; স্থানীয় বিএনপি সন্ত্রাসীরা রফিক ভূঁইযার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়া এবং চাঁদার জন্যই এই অপহরণ করে ; চাঁদা না দেওয়ার কারণে তিনজনকে হত্যা করে।
কিছু বলার ভাষা নেই,
প্রতিবাদের ভাষা নেই।

মনে রেখো বাংলাদেশ 🫵

Want your business to be the top-listed Government Service?

Website